রসগোল্লা

রসগোল্লা নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 নলেন গুড়ের রসগোল্লার রেসিপি কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*গুড়েরমিষ্টি* *রসগোল্লা* *রেসিপি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সব ধরনের মিষ্টি কালেকশনরসে ডোবা রসালো মিষ্টির নাম রসগোল্লা। বাংলাদেশের মিষ্টিকুলের মধ্যে রসগোল্লা খুবই জনপ্রিয়। রসে ভরা রসালো রসগোল্লা দেখলে যে কোন বাঙ্গালির জিহবায় জল আসবে এতে কোন সন্দেহ নেই! বাঙালিদের যেকোন অনুষ্ঠান রসগোল্লা ছাড়া অপূর্ণ থেকে যায়। তাই বাঙ্গালির মিষ্টি মানেই রসে ভরা রসগোল্লা। আজকের আয়োজন রসগোল্লা নিয়ে...

রসগোল্লা প্রাচীন ইতিহাস

মৌলভীবাজারের ঝান্ডুদা'র রসগোল্লা কিনুন
চিনির সঙ্গে ছানার রসায়নে আধুনিক সন্দেশ ও রসগোল্লার উদ্ভাবন অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে। রসগোল্লার নাম আদিতে ছিল গোপাল গোল্লা। রসের রসিক বাঙালি চিনির সিরায় ডোবানো বিশুদ্ধ ছানার গোল্লাকে নাম দিয়েছে রসগোল্লা। ওডিশা না পশ্চিমবঙ্গ? রসগোল্লার দুই যোগ্য হকদার। এ নিয়ে ভারতের দুই রাজ্যের মধ্যে বেশ গণ্ডগোলও হয়ে গেছে। ওডিশা রসগোল্লার আবিষ্কার ভূমি হিসেবে স্বীকৃতি পেতে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তবে কলকাতাও নাছোড়বান্দা। কিছুতেই দাবি ছাড়বে না রসগোল্লার ওপর। বিখ্যাত মিষ্টি প্রস্তুতকারক নবীন চন্দ্র দাসের পরিবারও কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছে।

পাবনার বিখ্যাত রসগোল্লা কিনুন১৮৬৮ সালে বাগবাজারে (তত্কালীন সুতানুটি) ছিল নবীন ময়রার মিষ্টির দোকান। তিনিই নাকি প্রথম ছানার মণ্ড চিনির সিরায় ডুবিয়ে তৈরি করেন রসগোল্লা। এ মিষ্টি আবিষ্কারের কাহিনী রয়েছে ওডিশায়ও। লক্ষ্মী দেবীর অভিমান ভাঙানোর জন্য জগন্নাথ দেব তাকে খাইয়েছিলেন ক্ষীরমোহন। সেই ক্ষীরমোহনই পরিচিতি পায় রসগোল্লা হিসেবে। আবার নথি ঘেঁটে পাওয়া গেছে অনেক তথ্য। তা হচ্ছে, রসগোল্লা আবিষ্কারে জড়িত অন্য কেউ। দাস শুধু তা জনপ্রিয় করে তুলতে সাহায্য করেছেন। খাদ্যবিশারদ প্রণব রায়ের এ-সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল ১৯৮৭ সালে ‘বাংলার খবর’ পত্রিকায়। জানা যায়, ১৮৬৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টের কাছেই ছিল ব্রজ ময়রার মিষ্টির দোকান। নবীন ময়রা রসগোল্লা বিক্রি শুরুর দুই বছর আগে সেখানে নাকি রসগোল্লা পাওয়া যেত। শুধু কি তাই! পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার হারাধন ময়রা উনিশ শতকে রসগোল্লা প্রথম তৈরি করেন বলে বিশ শতকের গোড়ার দিকে জানিয়েছেন পঞ্চানা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রানাঘাটের পাল চৌধুরীদের জন্য কাজ করতেন। রসগোল্লার সর্বশেষ সংস্করণ স্পঞ্জের রসগোল্লা।

বাঙ্গালির রসগোল্লা

কিনতে ক্লিক করুন
বিখ্যাত মিষ্টি রসগোল্লা বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। রেসিপিটা সহজ হওয়াই সবাই রসগোল্লা বানাতে পারে। কিন্তু সবার মিষ্টির স্বাদ একরকম হয় না। যেমন, বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, মাদরীপুর, পাবনা, গাইবান্ধা, টাঙ্গাইল ইত্যাদি জেলা সমূহের রসগোল্লা খুবই বিখ্যাত।
গাইবান্ধার স্পেশাল রসগোল্লা কিনুনজনপ্রিয় এই মিষ্টির দাম অবশ্য খুব একটা বেশি না। ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৭০০ টাকার মধ্যে দেশের যে কোন মিষ্টির দোকানে রসগোল্লা কিনতে পাবেন। যারা ঢাকার মধ্যে রয়েছেন তারা বাড়তি কষ্ট না করে দেশের জনপ্রিয় সব অনলাইন শপ গুলোর মিষ্টির কালেকশন থেকে রসগোল্লা কিনে নিতে পারেন। রসগোল্লা কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 

*রসগোল্লা* *স্মার্টশপিং*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

আমার বানানো স্পেশাল স্পঞ্জ রসগোল্লা

রান্নাতে টুকটাক দক্ষতার কারণে ইদানিং অধিকাংশ মুখরোচক বা ট্রেডিশনাল দেশী, বিদেশী খাবারগুলো একটু সময় বের করে হলেও বাড়িতেই করার চেষ্টা করি। উদ্দেশ্য মূলত তিনটি, প্রথমত নির্ভেজাল খাবার, দ্বিতীয়ত রান্না করাটা আমার শখ, আর নতুন কিছু করতে গেলে পরিবারের সকলেও বেশ আনন্দ পায় আর তৃতীয়ত বাইরের খাবার অযথা অতিরিক্ত দাম দিয়ে সবসময় কিনে খাওয়ার পক্ষে আমি নই। মিষ্টি আমার আর আমার পরিবারের সকলের ভীষণ প্রিয়, আর সেদিন আমার মিস্টারের নাকি স্পঞ্জ মিষ্টি খেতে খুবই ইচ্ছে করছিলো, তাই তাকে চমকে দিয়ে নিজেই বানিয়েছিলাম স্পঞ্জ রসগোল্লা। চলুন আপনাদের শিখিয়ে দেই এই সহজ রেসিপিটি। উপকরনঃ মিষ্টির জন্য • দুধ- ১ কেজি, • লেবুর রস - ১/২ কাপ (মাঝারি সাইজের দুটি লেবু নিলেই চলবে) সিরার জন্য • পানি- ৩ কাপ। • চিনি- ২ কাপ। সময় : সব মিলে এক থেকে দেড় ঘন্টা। প্রণালীঃ * দুধ ভালো করে ফুটিয়ে নিন, বলগ আসলে লেবুর রস দুধের চারদিকে ঘুরিয়ে দিতে হবে, তারপর ঢেকে রাখতে হবে। * দুধ থেকে ঘোলাটে পানি বের হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ছাঁকনির উপর একটি পরিষ্কার সুতি বা মসলিন কাপড় নিয়ে চেপে ভাল করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে, তারপর ছানার উপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে যে লেবুর গন্ধ পুরোপুরি চলে যায়, এরপর আবারো ভালো করে চেপে চেপে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে এবং ভালো করে কাপড়টি গিট্ বেঁধে কোথায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা। * এরপর কাপড় থেকে গোল ছানার পিন্ডটি কোনো বোরো থালা বা ট্রেতে নিয়ে, হাত দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত। * ছানা হাতে উঠে আসলে ছোট গোল গোল মিষ্টি বানিয়ে নিন, আকার খুব ছোট করবেন না আবার খুব বড়ও করবেন না, কারণ চিনির সিরায় দেবার পর ছানার বলগুলো ফুলতে থাকবে। * ৩ কাপ পানি ও ২ কাপ চিনি একসঙ্গে জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করে নিন। (সিরা পাতলা হবে)। * সিরা ফুটে উঠলে মিষ্টিগুলো সিরায় দিয়ে কড়া জ্বালে ১২ মিনিট ঢেকে রান্না করতে হবে। * রসগোল্লা করতে চাইলে রস সহ মিষ্টি কোনো বড় পাত্রে রাখুন আর স্পঞ্জ করতে চাইলে রস থেকে মিষ্টিগুলো তুলে তার উপর দিয়ে খুবই পাতলা সিরা ছড়িয়ে দিন। ব্যাস! একদম রেডি এবং নির্ভেজাল ছানার মিষ্টি আপনি এবার আপনার পরিবারকে সার্ভ করুন। * এরপর ঢাকনা তুলে ১-২ কাপ গরম পানি দিয়ে আবার ঢেকে ৫ মিনিট জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিন। * ঠাণ্ডা হলে পরিবেশন করুন।

*মিষ্টি* *রসগোল্লা* *স্পঞ্জরসগোল্লা* *রেসিপি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রসে ডোবা রসালো মিষ্টির নাম রসগোল্লা। বাংলাদেশের মিষ্টিকুলের মধ্যে রসগোল্লা খুবই জনপ্রিয়। রসে ভরা রসালো রসগোল্লা দেখলে যে কোন বাঙ্গালির জিহবায় জল আসবে এতে কোন সন্দেহ নেই! বাঙালিদের যেকোন অনুষ্ঠান রসগোল্লা ছাড়া অপূর্ণ থেকে যায়। সামনে আসছে ভালোবাসা দিবস ও বসন্তবরণ উৎসব। তাই বাঙ্গালির বসন্ত বরণের উৎসবে মিষ্টি মুখ করুন রসে ভরা রসগোল্লা দিয়ে। চলুন রসেভরা রসগোল্লা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই। 
 
রসগোল্লা প্রাচীন ইতিহাস
পাবনার বিখ্যাত রসগোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
চিনির সঙ্গে ছানার রসায়নে আধুনিক সন্দেশ ও রসগোল্লার উদ্ভাবন অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে। রসগোল্লার নাম আদিতে ছিল গোপাল গোল্লা। রসের রসিক বাঙালি চিনির সিরায় ডোবানো বিশুদ্ধ ছানার গোল্লাকে নাম দিয়েছে রসগোল্লা। ওডিশা না পশ্চিমবঙ্গ? রসগোল্লার দুই যোগ্য হকদার। এ নিয়ে ভারতের দুই রাজ্যের মধ্যে বেশ গণ্ডগোলও হয়ে গেছে। ওডিশা রসগোল্লার আবিষ্কার ভূমি হিসেবে স্বীকৃতি পেতে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তবে কলকাতাও নাছোড়বান্দা। কিছুতেই দাবি ছাড়বে না রসগোল্লার ওপর। বিখ্যাত মিষ্টি প্রস্তুতকারক নবীন চন্দ্র দাসের পরিবারও কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছে। 
 
গাইবান্ধার বিখ্যাত রসগোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
১৮৬৮ সালে বাগবাজারে (তত্কালীন সুতানুটি) ছিল নবীন ময়রার মিষ্টির দোকান। তিনিই নাকি প্রথম ছানার মণ্ড চিনির সিরায় ডুবিয়ে তৈরি করেন রসগোল্লা। এ মিষ্টি আবিষ্কারের কাহিনী রয়েছে ওডিশায়ও। লক্ষ্মী দেবীর অভিমান ভাঙানোর জন্য জগন্নাথ দেব তাকে খাইয়েছিলেন ক্ষীরমোহন। সেই ক্ষীরমোহনই পরিচিতি পায় রসগোল্লা হিসেবে। আবার নথি ঘেঁটে পাওয়া গেছে অনেক তথ্য। তা হচ্ছে, রসগোল্লা আবিষ্কারে জড়িত অন্য কেউ। দাস শুধু তা জনপ্রিয় করে তুলতে সাহায্য করেছেন। খাদ্যবিশারদ প্রণব রায়ের এ-সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল ১৯৮৭ সালে ‘বাংলার খবর’ পত্রিকায়। জানা যায়, ১৮৬৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টের কাছেই ছিল ব্রজ ময়রার মিষ্টির দোকান। নবীন ময়রা রসগোল্লা বিক্রি শুরুর দুই বছর আগে সেখানে নাকি রসগোল্লা পাওয়া যেত। শুধু কি তাই! পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার হারাধন ময়রা উনিশ শতকে রসগোল্লা প্রথম তৈরি করেন বলে বিশ শতকের গোড়ার দিকে জানিয়েছেন পঞ্চানা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রানাঘাটের পাল চৌধুরীদের জন্য কাজ করতেন। রসগোল্লার সর্বশেষ সংস্করণ স্পঞ্জের রসগোল্লা।
 
বাঙ্গালির রসগোল্লা
পোড়াবাড়ির বিখ্যাত রসগোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
বিখ্যাত মিষ্টি রসগোল্লা বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। রেসিপিটা সহজ হওয়াই সবাই রসগোল্লা বানাতে পারে। কিন্তু সবার মিষ্টির স্বাদ একরকম হয় না। যেমন, বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, মাদরীপুর, পাবনা, গাইবান্ধা, টাঙ্গাইল ইত্যাদি জেলা সমূহের রসগোল্লা খুবই বিখ্যাত।
 
 
 
 
 
মৌলভীবাজারের ঝান্ডুদা'র রসগোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
জনপ্রিয় এই মিষ্টির দাম অবশ্য খুব একটা বেশি না। ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৭০০ টাকার মধ্যে দেশের যে কোন মিষ্টির দোকানে রসগোল্লা কিনতে পাবেন। যারা ঢাকার মধ্যে রয়েছেন তারা বাড়তি কষ্ট না করে দেশের জনপ্রিয় সব অনলাইন শপ গুলোর মিষ্টির কালেকশন থেকে  রসগোল্লা কিনে নিতে পারেন। রসগোল্লা কেনার সুবিধার্থে আপনার  জন্য নিচের লিংকটি শেয়ার করলাম।
 
বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যবাহী রসগোল্লা কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
*মিষ্টি* *রসগোল্লা* *লাড্ডু* *শপিং* *ইতিহাস* *স্মার্টশপিং*

★ছায়াবতী★: একটি টিপস পোস্ট করেছে

সুস্থ থাকতে প্রতিদিন নিন গরম রসগোল্লা
http://www.deshebideshe.com/news/details/60718
দাঁত ও হাড়ের যত্নে- রসগোল্লা ছানা দিয়ে তৈরি হওয়ায় রসগোল্লায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস থাকায় হাড় ও দাঁত সুস্থ থাকে। হাড় বা দাঁতের ক্ষতও রোধ করতে পারে রসগোল্লা। অস্টিওপরেসিস বা গাঁটে ব্যথা সারাতেও উপকারি গরম রসগোল্লা। তাৎক্ষণিক শক্তির যোগান- দেহের প্রয়োজনীয় ক্যালরি মিটিয়ে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায় রসগোল্লা। সারা দিনের খাটুনি অথবা ওয়ার্কআউটের পর গরম রসগোল্লা খান। ব্যথা উপশমে- ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ওমেগা সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড গাঁট ও বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। ভিটামিন কে ও ম্যাগনেশিয়াম হাড়ের ঘনত্ব ধরে রাখে। দাঁতের ক্যাভিটি- রসগোল্লায় ল্যাকটোসের পরিমাণ কম থাকায় দাঁত ক্ষতিকারক সুগারের হাত থেকে রক্ষা পায়। ভিটামিন ডি ক্যাভিটি রোধ করতে সাহায্য করে। ওজন- রসগোল্লা হাই প্রোটিন ডায়েট। মোনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট ওজন কমাতে সাহায্য করে। রসগোল্লার মধ্যে প্রচুর পরিমাণ ডায়েটারি ফাইবার থাকার কারণে হজম ভাল হয়। ফলে ওজন থাকে নিয়ন্ত্রণে। ক্যান্সার- উচ্চমাত্রায় ও উচ্চমানের প্রোটিন থাকার কারণে পেট, স্তন, প্রস্টেট বা কোলন ক্যানসার রুখতে পারে রসগোল্লা। ...বিস্তারিত
*রসগোল্লা* *হেলথটিপস* *ছায়াবতী*
১৩৮ বার দেখা হয়েছে

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রসে ডোবা রসালো মিষ্টির নাম রসগোল্লা। বাংলাদেশের মিষ্টিকুলের মধ্যে রসগোল্লা খুবই জনপ্রিয়। রসে ভরা রসালো রসগোল্লা দেখলে যে কোন বাঙ্গালির জিহবায় জল আসবে এতে কোন সন্দেহ নেই! বাঙালিদের যেকোন অনুষ্ঠান রসগোল্লা ছাড়া অপূর্ণ থেকে যায়। তাই বাঙ্গালির মিষ্টি মানেই রসে ভরা রসগোল্লা। আজকের আয়োজন রসগোল্লা নিয়ে...

রসগোল্লা প্রাচীন ইতিহাস
চিনির সঙ্গে ছানার রসায়নে আধুনিক সন্দেশ ও রসগোল্লার উদ্ভাবন অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে। রসগোল্লার নাম আদিতে ছিল গোপাল গোল্লা। রসের রসিক বাঙালি চিনির সিরায় ডোবানো বিশুদ্ধ ছানার গোল্লাকে নাম দিয়েছে রসগোল্লা। ওডিশা না পশ্চিমবঙ্গ? রসগোল্লার দুই যোগ্য হকদার। এ নিয়ে ভারতের দুই রাজ্যের মধ্যে বেশ গণ্ডগোলও হয়ে গেছে। ওডিশা রসগোল্লার আবিষ্কার ভূমি হিসেবে স্বীকৃতি পেতে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তবে কলকাতাও নাছোড়বান্দা। কিছুতেই দাবি ছাড়বে না রসগোল্লার ওপর। বিখ্যাত মিষ্টি প্রস্তুতকারক নবীন চন্দ্র দাসের পরিবারও কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছে। 
১৮৬৮ সালে বাগবাজারে (তত্কালীন সুতানুটি) ছিল নবীন ময়রার মিষ্টির দোকান। তিনিই নাকি প্রথম ছানার মণ্ড চিনির সিরায় ডুবিয়ে তৈরি করেন রসগোল্লা। এ মিষ্টি আবিষ্কারের কাহিনী রয়েছে ওডিশায়ও। লক্ষ্মী দেবীর অভিমান ভাঙানোর জন্য জগন্নাথ দেব তাকে খাইয়েছিলেন ক্ষীরমোহন। সেই ক্ষীরমোহনই পরিচিতি পায় রসগোল্লা হিসেবে। আবার নথি ঘেঁটে পাওয়া গেছে অনেক তথ্য। তা হচ্ছে, রসগোল্লা আবিষ্কারে জড়িত অন্য কেউ। দাস শুধু তা জনপ্রিয় করে তুলতে সাহায্য করেছেন। খাদ্যবিশারদ প্রণব রায়ের এ-সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল ১৯৮৭ সালে ‘বাংলার খবর’ পত্রিকায়। জানা যায়, ১৮৬৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টের কাছেই ছিল ব্রজ ময়রার মিষ্টির দোকান। নবীন ময়রা রসগোল্লা বিক্রি শুরুর দুই বছর আগে সেখানে নাকি রসগোল্লা পাওয়া যেত। শুধু কি তাই! পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার হারাধন ময়রা উনিশ শতকে রসগোল্লা প্রথম তৈরি করেন বলে বিশ শতকের গোড়ার দিকে জানিয়েছেন পঞ্চানা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রানাঘাটের পাল চৌধুরীদের জন্য কাজ করতেন। রসগোল্লার সর্বশেষ সংস্করণ স্পঞ্জের রসগোল্লা।

বাঙ্গালির রসগোল্লা
পোড়াবাড়ির বিখ্যাত রসগোল্লা
বিখ্যাত মিষ্টি রসগোল্লা বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। রেসিপিটা সহজ হওয়াই সবাই রসগোল্লা বানাতে পারে। কিন্তু সবার মিষ্টির স্বাদ একরকম হয় না। যেমন, বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, মাদরীপুর, পাবনা, গাইবান্ধা, টাঙ্গাইল ইত্যাদি জেলা সমূহের রসগোল্লা খুবই বিখ্যাত।
জনপ্রিয় এই মিষ্টির দাম অবশ্য খুব একটা বেশি না। ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৭০০ টাকার মধ্যে দেশের যে কোন মিষ্টির দোকানে রসগোল্লা কিনতে পাবেন। যারা ঢাকার মধ্যে রয়েছেন তারা বাড়তি কষ্ট না করে দেশের জনপ্রিয় সব অনলাইন শপ গুলোর মিষ্টির কালেকশন থেকে  রসগোল্লা কিনে নিতে পারেন। রসগোল্লা কেনার সুবিধার্থে আপনার  জন্য নিচের লিংকটি শেয়ার করলাম।
*মিষ্টি* *রসগোল্লা* *লাড্ডু* *শপিং* *ইতিহাস*

পূজা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ছোট ছোট আকারের রঙিন রসগোল্লা বাননোর রেসিপি চাই l

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*রসগোল্লা* *রঙিনমিষ্টি* *রেসিপি* *মিষ্টিরেসিপি*
ছবি

উদ্ভট কিন্তু সত্যি: ফটো পোস্ট করেছে

রসগোল্লা নিয়ে বাংলা-ওড়িশার টানাটানি (চিন্তাকরি)(ব্যাপকটেনশনেআসি)(ব্যাপকটেনশনেআসি)(ব্যাপকটেনশনেআসি৩)

এবার ভারতে দেখা দিয়েছে নতুন বিতর্ক। এতে রস ঢালছে রসগোল্লা। আর ইতিহাস নিজেদের করে নিতে শুরু হয়েছে রীতিমতো টানা হেঁচড়া। এই নয়া বিতর্কের মূলে রয়েছে- রসগোল্লার উৎপত্তি কোথায়? বাংলায় না ওড়িশায়? এই নিয়ে এখন নতুন এক 'পেটেন্ট বিতর্ক' শুরু হতে যাচ্ছে ভারতে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার ময়রা নবীনচন্দ্র দাশ ১৮৬৮ সালে প্রথম রসগোল্লা উদ্ভাবন করেন বলে অনেক ইতিহাসবিদই স্বীকৃতি দিয়েছেন, তবে এখন ভারতের ওড়িশা সরকার রসগোল্লার জন্য ‘ভৌগোলিক সূচকে’র দাবি পেশ করতে চলেছে – যা পেটেন্টের সমতুল্য।

*রসগোল্লা* *চটখবর* *রসবিতর্ক* *ইতিহাস* *মিষ্টি*
ছবি

রং নাম্বার: ফটো পোস্ট করেছে

Risingbd.com: ঘরেই বানান রসগোল্লা তৈরি রহস্য জানা থাকলে আপনিও বাড়িতেই বানাতে পারেন সুস্বাদু, লোভনীয় রসগোল্লা। আজ জেনে নিন কিভাবে ঘরেই তৈরি করবেন রসগোল্লা....বিস্তারিত পড়ুন - http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=96489

*রান্নাবান্না* *মিষ্টিতৈরী* *টুকিটাকি* *রসগোল্লা* *মিষ্টি*

শান্তা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মিষ্টি আমাদের সকলেরই পছন্দ। তাই যাদের মিষ্টির কথা শুনলে বা ছবি দেখলেই খেতে ইচ্ছে করে আজকের স্পঞ্জ রসগোল্লার রেসিপি তাদের জন্য।  দোকান থেকে মিষ্টি কিনতে অনেক টাকা লাগে। কিন্তু জানেন কি? ভালো ব্র্যান্ডের দোকানের মতো একই মানের মিষ্টি আমরা তৈরি করতে পারি অনেক অল্প খরচে এবং সব মিলিয়ে মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যেই।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
দুধ- ২ লিটার, লেবুর রস-৪টেবিল চামচ, পানি-৬ কাপ, চিনি-৩ কাপ, গোলাপ জল সামান্য।

প্রস্তুত প্রণালীঃ
ছানা তৈরি: দুধ জ্বাল দিয়ে অল্প করে লেবুর রস দিয়ে ছানা তৈরি করে নিন।
দুধ থেকে সবুজ পানি বের হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় নিয়ে চেপে ভাল করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।

এরপর ছানা হাত দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত।
প্রেসার কুকারে ৬ কাপ পানিতে চিনি দিয়ে চুলায় দিন। সিরা তৈরি হলে এক চামচ দুধ দিয়ে ময়লা তুলে ফেলুন। চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। ছানা হাতের তালু দিয়ে মথে নিন। ছানা ২০-২৫ ভাগ করে গোল করে রাখুন। সব ছানার বল একসঙ্গে সিরায় দিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা দিয়ে বন্ধ করে দিন। মাত্র একটি সিটি বাজা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ব্যস এবার চুলা বন্ধ করে দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন।  সিরাসহ রসগোল্লা একটি বড় পাত্রে ঢালুন। ১ চা চামচ গোলাপ জল দিন। ঠাণ্ডা হলে স্পঞ্জ রসগোল্লা পরিবেশন করুন।
(সংকলিত)
*রেসিপি* *মিষ্টি* *লাড্ডু* *রসগোল্লা*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জামতলার রসগোল্লার আসল নাম সাদেক গোল্লা। এই সাদেক গোল্লা এখন জামতলার মিষ্টি হিসেবে দেশ-বিদেশে সমাদৃত। প্রতিদিন হাজার হাজার পিস জামতলার মিষ্টি তৈরি হচ্ছে; কিন্তু দুপুরের আগেই তা ফুরিয়ে যাচ্ছে। যশোরের শার্শা উপজেলার জামতলার এই রসগোল্লা দীর্ঘ ৫৫ বছরের ইতিহাস-ঐতিহ্য ধরে রেখে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে।

ইতিহাস :
একটি বিশাল জামগাছের নিচে অর্ধশত বছর আগে একটি ছোট্ট বাজার গড়ে উঠেছিল। ঐ গাছের নিচে ছিল সাদেক আলীর একটি ছোট্ট চায়ের দোকান। সে সময়ে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো সাদেক আলীর। একদিন একজন বৃদ্ধ এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন সাদেক আলীর কাছে। সেই বৃদ্ধ এক ধরনের স্পঞ্জ জাতীয় রসগোল্লা তৈরির ফর্মূলা দিয়েছিলেন সাদেক আলীকে। সেটি ছিল পঞ্চাশের দশকের কথা। সেই থেকে সাদেক আলী মিষ্টি বানানো শুরু করেন।

কথাগুলো জানা যায় সাদেক আলীর ছেলে শাহজাহান কবির এর কাছ থেকে। তিনি বলেন, প্রথম দিকে মিষ্টিটি স্থানীয়ভাবে নাম কাড়ে। পরবর্তীতে আশির দশকে মিষ্টিটি দেশ জোড়া খ্যাতি অর্জন করে।

আজ সাদেক আলী বেঁচে নেই। কিন্তু তার উদ্ভাবিত মিষ্টি পুরোনো ঐতিহ্যকে ধারণ করে আজো সে খ্যাতি ধরে রেখেছে।

সুত্র : ইন্টারনেট

*সাদেকগোল্লা* *জামতলারমিষ্টি* *মিষ্টি* *রসগোল্লা* *প্রসিদ্ধখাবার* *বিখ্যাতখাবার* *আঞ্চলিকখাবার*

শ্রীলা উমা: রাতের খাবারের মেনুতে গরম গরম ফুলকো লুচি,খাসীর ঝাল মাংস,দইয়ের চাটনী আর শেষ পাতে *রসগোল্লা* (ভেঙ্গানো২) আহা......(পেটুক)

*রাতেরখাবার* *সর্বভূক* *রসগোল্লা*
ছবি

আশিকুর রাসেল: ফটো পোস্ট করেছে

জোকস

পাগলী: একটি জোকস পোস্ট করেছে

এই যে @Ronepa ভাইয়া, তোমার দেয়া রসগোল্লা খেয়ে খেয়ে পাগলী এমন ধুমসী হয়ে গেছে। (শয়তানিহাসি)
*জোকস* *ধুমসী* *রসগোল্লা* *মিষ্টি* *পাগলী*

হিমাদ্রি শেখর: *রসগোল্লা* (মানিনা)

The তানভীর স্বপ্ন: *রসগোল্লা* এর চেয়ে আমার কাছে *কাঁচাগোল্লা* খেতেই বেশি ভাল লাগে!

*রসগোল্লা* *কাঁচাগোল্লা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★