রসিকতা

রসিকতা নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটি দুষ্টুমিষ্টি পাগলির নাম। পাগলের মতো এঁদের জটলা চুল না থাকলেও পাগল করে দেয়ার মতো সুরভিত রেশমি চুল ঠিকই থাকে...+

উপকারিতা:

----------------

এঁদের দ্বারা উপকার ছাড়া অপকার সম্ভব নয়। কেননা, এঁদের বক্র চাহুনিতেও হৃদয় প্রশান্ত হয়। যেটা আপনার হার্টের জন্য উপকারী...+

ক্রেডিট:

-----------

এঁদের মাঝে কথা বলার যাদুকরি শক্তি বিদ্যমান। দিন শেষে ক্লান্ত বদনে ঘরে ফিরলেও এঁদের দুষ্টু হাসির মিষ্টি কথায় মুহূর্তেই মনঃসমুদ্রে ভালোবাসার প্রাণোচ্ছল ঢেউ তুলবে...+

এঁদের_শখ:

----------------

এঁদের কাছে চটপটি-ফুচকা, আইস্ক্রিম, আমসত্তা আর চকলেট সোনার চেয়ে দামি হলেও দিন শেষে প্রিয় স্বামীর একটু সান্নিধ্য এঁদের কাছে হীরার চেয়েও দামি..+

চাহিদা:

----------

অন্তত সপ্তাহে ১ বার হলেও রাতে বাসায় ফিরবার সময় একটি অর্ধফুটন্ত গোলাপ এনে খোঁপায় গুজে দিতে হবে। আর মাঝেমাঝেই চাঁদনিরাতে পরষ্পর হেলান দিয়ে তারা গুনতে হবে...(অনেকের ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্নও হতে পারে)

কার্যকারিতা:

-----------------

সারাদিন প্রিয় স্বামীর ঘরে ফিরবার অপেক্ষায় মনটা আকুপাকু (ছটফট) করতে থাকবে, আর ঠিক সময়ে ঘরে ফিরে এলেও অভিমানী কণ্ঠে 'আজ এতো দেরি করেছেন কেন? এই বলে একাএকাই কিছুক্ষণ ঝগড়া করে গাল-নাক ফুলিয়ে কান্না জুড়ে দিবে, কারণ কিছুই নয়, কারণ আপনার একটু ভালবাসা পাওয়া...+

অধিকার:

--------------

স্বামী সত্যি-সত্যিই একটু দেরি করে ফিরলে, সেদিন রাত্রিকালীন রোজা ফরজ করে ছাড়বে। আর নাকের পানি ও চোখের পানির স্রোতে চোখের কাঁজল দিয়ে এলিয়েন সাজবে। খবরদার! তখন কিন্তু আপনি তার প্রতি মনোনিবেশ ছাড়া অন্য কিছু ভুলেও করতে যাবেন না, তখন তার সাথে Compromise করুন লাভ আপনারই হবে .....+

স্বভাব:

----------

ধার্মিকা স্ত্রীরা খুবই বিনম্র। তবে স্বামীর সাথে দুষ্টুমিতেও চ্যাম্পিয়ন। যা আপনার কল্পনাকেও হয়ত হারিয়ে দেবে...+

Extra কিছু:

----------------

সে আপনাকে নিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে খুবই আগ্রহী। তাই সকাল-দুপুর কিম্বা বিকেল যেকোনো সময় বৃষ্টি নামলে তাকে নিয়ে ছাদে বা উঠনে বৃষ্টিতে ভিজুন, দেখবেন এ এক অন্যরকম অনুভূতি...+

ইবাদত:

-----------

নফল ইবাদত গুলো এক সাথে করবেন। মনে রাখবেন 'ওজু শেষে স্ত্রীকে Lip-Kiss করাও কিন্তু সুন্নৎ'।

আরো হাজারটা Options লেখা যায়! আর লিখলেও তা হবে না শেষ।

তাই মহান আল্লাহর পবিত্র বাণী দিয়েই ইতি টানি:

وَمِنْ ءَايٰتِهِۦٓ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوٰجًا لِّتَسْكُنُوٓا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً ۚ إِنَّ فِى ذٰلِكَ لَءَايٰتٍ لِّقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ

আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে- তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের স্ত্রীদের- যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন, চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে।

(সূরা রূম আয়াত ২১)

অতএব যারা এখনো অবিবাহিত তারা বিয়ে করে ফেলুন

মহান আল্লাহ বলেন:

----------------------------

وَأَنكِحُوا الْأَيٰمٰى مِنكُمْ وَالصّٰلِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَآئِكُمْ ۚ إِن يَكُونُوا فُقَرَآءَ يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِۦ ۗ وَاللَّهُ وٰسِعٌ عَلِيمٌ

আর তোমরা তোমাদের মধ্যকার অবিবাহিত নারী-পুরুষ ও সৎকর্মশীল দাস-দাসীদের বিবাহ দাও। তারা অভাবী হলে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময় ও মহাজ্ঞানী।

(সূরা নূর আয়াত ৩২)

কপিপোষ্ট

*বৌ* *উপকার* *ভালোবাসা* *পাগলী* *পাগল* *আবেগ* *রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যাদের ভালবাসা দিবসের প্রেমিকা নাই তারা মন খারাপ করবেন না,
কারণ বিশ্ব এইডস দিবসে সবার এইডস থাকে না,
তেমনি বিশ্ব ভালবাসা দিবসে সবার প্রেমিকা থাকবে,এমন কথা কোথাও নাই। প্রেম তুমি কি বল বড় জানতে ইচ্ছে করে....

আসুন জেনে নেওয়ার যাক প্রেমের কতিপয় সূত্রাবলীঃ

১.লজ্জা,ভয় প্রেমের ক্ষেত্র থাকতে নয়,
যদি হয় ফাঁটা বাঁশের কষ্ঠ
তবু বলতে হবে
ককিল কষ্ঠ।

২. মারিলে তৈল তার জীবনে হইবে প্রেম,
তুমি আমার মমতাজ আর আমি তোমার শাহজাহান।

৩. তুমি আমার জীবনের ইমারজেন্সি ব্যালেন্স।
তোমার চোখে পুরা পৃথিবী দেখতে পাই.....

৪.প্রেমের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুত্রঃ

ভালবাসা হল গুটি বসন্ত বা জল বসন্তের মত কিছুদিন ধরে যন্ত্রণা দিয়ে আবার চলে যায়।

*রসিকতা* *ভালোবাসা* *এইডস* *বাস্তবতা* *গাধা* *ঘোড়া*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

ইন্টারনেট স্লো...।।
সৃজনশীলঃ 'প্রশ্ন আপলোডের পূর্বে পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলো' এর ইংরেজী অনুবাদ কি হবে?
উত্তরঃ স্যার ফাঁস হওয়া প্রশ্নে তো ছিলো, ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা গেলে! 'ধূর বেটা! ঐ প্রশ্ন ফাঁসকারী গত বছর ফেসবুকে আপলোড দিছিলো আপলোডিং হতে হতে এক বছর লাগছে....!
*রসিকতা* *প্রশ্ন* *স্যার* *ইন্টারনেট* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কয়েক বছর আগের কথা। সকালে এক বন্ধুর মেয়ে হয়েছে। এলাকার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বিয়ে হয়েছে ১০ মাসের বেশি হবে না। বিকেলে ক্লিনিকে গিয়ে দেখে আসলাম। মিষ্টি খেলাম, কিছুক্ষণ কাটালাম বন্ধুর সাথে। সন্ধ্যায় তখনকার চিরাচরিত আড্ডার স্থান জিইসির "কোটিপতি স্কয়ারে" চলে গেলাম, এটি ফ্লাইওভার এর আগের আমলের কথা। কলেজের পুরানো বন্ধু, অন্যান্য মিউচুয়াল বন্ধুরা মিলে উইকেন্ডে বা সময় পেলে আড্ডা দিতাম।

মাগরিবের একটু পরে, তখনও সবাই আসেনি। শুধু ২ জন এসেছে, এদের মধ্যে ১ জন খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তার সাথে সব খোলামেলাভাবে বলতাম। তাকে বলছিলাম, "আসিফের বিয়ে কয়দিন আগে খেলাম, আজ ওর বাচ্চাকে দেখে এলাম। তোর বিয়ের তো কয়েক বছর হয়ে গেল। ... ... " বন্ধু মুখে কি বলেছিল, মনে নেই। চেহারার বাকরুদ্ধ আর নিরুপায় চাহনিটা মনে আছে এখনো।

কয়দিন পরেই বুঝেছিলাম, ঝোঁকের বশে এরকম কথা এইভাবে জিজ্ঞেস করা আমার উচিত হয়নি। ওই বন্ধু আবার প্রচন্ড রকমের বউভক্ত, সমবয়সী কিনা। বাসায় গিয়ে দিনের আদ্যোপান্ত রিপোর্ট করত। সেদিনের পর থেকে ব্ল্যাক লিস্টেড হলাম। অন্যান্য কয়েকটি তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে এই বন্ধুত্ব বেশিদিন টিকেনি।

এরপর থেকে, আমি বন্ধুবান্ধবদের বাচ্চাকাচ্চার সম্পর্কে কথা বলার ব্যাপারে খুব সাবধান। যার সাথে বিয়ের আগে কি বলতাম না বলতাম হিসেব ছিল না, বিয়ের পর- মুখে কুলুপ! আর তাছাড়া, খুব কাছের না হলে, এবং প্রাইভেট স্পেইস ছাড়া, যে কাউকে, যেখানে সেখানে, দাম্পত্যজীবন সম্পর্কিত বা পারিবারিক কোন বিষয়ে, এইভাবে কথা বলা উচিত না।

গত পরশু, আরেক স্কুল ফ্রেন্ডের ওয়েডিং রিসেপশনে গিয়েছি। স্টেজে ছবি তুলছিলাম বন্ধুরা। ছবি তোলার শেষে আমার ডানপাশে বসা বান্ধবী বামে বসা বন্ধু/বরকে জিজ্ঞেস করছে, "বিয়ে তো হয়ে গেল, এখন হানিমুন কবে, কোথায়?" আমি ডানে-বামে তাকালাম, তারপরে সামনে ফটোগ্রাফারকে বললাম, "ভাই, আরেকটা!" ভাগ্যিস বদলে গিয়েছি আগের থেকে, নইলে আমিও বলতাম, "আজকাল সবাই মিষ্টি কিনে বাসায় আনার সময়েই প্যাকেট খুলে কয়েকটা গিলে ফেলে! (শয়তানিহাসি)(শয়তানিহাসি)(শয়তানিহাসি) কবেই খেল খতম!"(খিকখিক)(খিকখিক)

*রসিকতা* *বিয়ে* *বান্ধবী* *বন্ধু* *রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আমার নেত্রী আমার মা বন্দী হতে দিব না.... পরের অপ্রকাশিত অংশ ...বন্দী হলে পরে মা ঘর থেকে আর বের হব না !!
*নেত্রী* *বন্দি* *মা* *রসিকতা*

হাফিজ উল্লাহ: [বাঘমামা-অত্যান্তখুশী] ... (চিন্তাকরি)...(ওদিকে দেখ)....(বেইলনাই)! - ইহা একটি কাল্পনিক পোস্ট (খুশী২)(শয়তানিহাসি)

*রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অসাধারণ রসবোধ সম্পন্ন মানুষ ছিলেন হুমায়ুন আহমেদ। উনার জীবনেও ঘটেছে নানা রসময় ঘটনা।

নিজের জবানীতে ও অন্যের লিখনিতে তাঁর জীবনের কিছু মজার ঘটনা নিন্মে উদৃত হল।

১। আমার প্রথম স্কুলে যাওয়া উপলক্ষে একটা নতুন খাকি প্যান্ট কিনে দেয়া হল। সেই প্যান্টের কোন জিপার নেই, সারাক্ষণ হাঁ হয়ে থাকে। অবশ্যি তা নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন হলাম না। নতুন প্যান্ট পরছি, এই আনন্দেই আমি আত্মহারা। মেজো চাচা আমাকে কিশোরীমোহন পাঠশালায় ভর্তি করিয়ে দিয়ে এলেন এবং হেডমাস্টার সাহেবকে বললেন, চোখে চোখে রাখতে হবে। বড়ই দুষ্ট। আমি অতি সুবোধ বালকের মত ক্লাসে গিয়ে বসলাম। মেঝেতে পাটি পাতা। সেই পাটির উপর বসে পড়াশোনা। মেয়েরা বসে প্রথম দিকে, পেছনে ছেলেরা।

আমি খানিকক্ষণ বিচার বিবেচনা করে সবচেয়ে রূপবতী বালিকার পাশে ঠেলেঠুলে জায়গা করে বসে পড়লাম। রূপবতী বালিকা অত্যন্ত হৃদয়হীন ভঙ্গিতে সিলেটি ভাষায় বলল, এই তোর প্যান্টের ভেতরের সবকিছু দেখা যায়। ক্লাসের সব ক’টা ছেলেমেয়ে একসঙ্গে হেসে উঠল। সবচেয়ে উচ্চস্বরে যে ছেলেটি হেসেছে, তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম। হাতের কনুইয়ের প্রবল আঘাতে রক্তারক্তি ঘটে গেল। দেখা গেল ছেলেটির সামনের একটি দাঁত ভেঙ্গে গেছে। হেডমাস্টার সাহেব আমাকে কান ধরে সারাক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ দিলেন।

ছাত্রছাত্রীদের উপদেশ দিলেন, এ মহাগুণ্ডা, তোমরা সাবধানে থাকবে। খুব সাবধান। পুলিশের ছেলে গুণ্ডা হওয়াই স্বাভাবিক। ক্লাস ওয়ান বারোটার মধ্যে ছুটি হয়ে যায়। এ দুই ঘণ্টা আমি কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকলাম। আমার সময়টা যে খুব খারাপ কাটল তা নয়। স্কুলের পাশেই আনসার ট্রেনিং ক্যাম্প। তাদের ট্রেনিং দেয়া হচ্ছে। লেফট রাইট। লেফট রাইট। দেখতে বড়ই ভাল লাগছে। মনে মনে ঠিক করে ফেললাম বড় হয়ে আনসার হবো।

২। ক্লাস টুতে উঠে আমি আরেকটি অপকর্ম করি। যে রূপবতী বালিকা আমার হৃদয় হরণ করেছিল, তাকে সরাসরি বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ফেলি। প্রকৃতির কোন এক অদ্ভুত নিয়মে রূপবতীরা শুধু যে হৃদয়হীন হয় তাই না, খানিকটা হিংস্র স্বভাবেরও হয়। সে আমার প্রস্তাবে খুশী হবার বদলে বাঘিনীর মত আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। খামচি দিয়ে হাতের দুতিন জায়গার চামড়া তুলে ফেলে। সে-ই স্যারের কাছে নালিশ করে। শাস্তি হিসেবে দুই হাতে দুটি ইট নিয়ে আমাকে দু’ঘণ্টা নিলডাউন হয়ে বসে থাকতে হয়।

৩। থ্রি থেকে ফোরে উঠব। বার্ষিক পরীক্ষা এসে গেছে। বাড়িতে বাড়িতে পড়াশোনার ধুম। আমি নির্বিকার। বই নিয়ে বসতে ভাল লাগে না। যদিও পড়তে বসতে হয়। সেই বসাটা পুরোপুরি ভান। সবাই দেখল আমি বই নিয়ে বসে আছি এই পর্যন্তই। এমন এক সুখের সময়ে ক্লাসের বন্ধু ‘মাথা মোটা’ শংকর খুব উত্তেজিত ভঙ্গিতে জানাল, তার মা তাকে বলেছেন সে যদি ক্লাস থ্রি থেকে পাশ করে ফোর-এ উঠতে পারে তাহলে তাকে ফুটবল কিনে দেবেন। সে আমার কাছে এসেছে সাহায্যের জন্যে। কি করে এক ধাক্কায় পরের ক্লাশে ওঠা যায়। একটা চামড়ার ফুটবলের আমাদের খুবই শখ।

সেই দিনই পরম উৎসাহে শংকরকে পড়াতে বসলাম। যে করেই হোক তাকে পাশ করাতে হবে। দু’জন একই ক্লাসে পড়ি। এখন সে ছাত্র, আমি শিক্ষক। ওকে পড়ানোর জন্যে নিজেকে প্রথম পড়তে হয়, বুঝতে হয়। যা পড়াই কিছুই শংকরের মাথায় ঢোকে না। যাই হোক প্রাণপণ পরিশ্রমে ছাত্র তৈরি হল। দু’জন পরীক্ষা দিলাম। ফল বের হলে দেখা গেল আমার ছাত্র ফেল করেছে এবং আমি স্কুলের সমস্ত শিক্ষকদের স্তম্ভিত করে প্রথম হয়ে গেছি। ফুটবল পাওয়া যাবে না এই দুঃখে রিপোর্ট কার্ড হাতে কাঁদতে কাঁদতে বাসায় ফিরলাম।

৪। পঁচাগড় থেকে বাবা বদলি হলেন রাঙামাটিতে। রাঙামাটিতে আমরা ছিলাম পাঁচ মাসের মতো। বাবা আবার বদলি হলেন বান্দরবান। বান্দরবানের সবই ভালো, শুধু মন্দ দিকটা হলো এখানে একটা স্কুল আছে। স্কুলে আমার একমাত্র আনন্দের ব্যাপার হলো মুরং রাজার এক মেয়ে পড়ে আমাদের সঙ্গে। গায়ের রং শঙ্খের মতো সাদা। চুল হাঁটু ছাড়িয়েও অনেক দূর নেমে গেছে। আমরা ক্লাস সিক্সে পড়ি, কিন্তু তাকে দেখায় তরুণীর মতো। তার চোখ দুটি ছোট ছোট, গালের হনু খানিকটা উঁচু। আমার মনে হলো চোখ দুটি আরেকটু বড় হলে তাকে মানাত না। গালের হনু উঁচু হওয়ায় যেন তার রূপ আরো খুলেছে।

ক্লাসে আমি স্যারদের দিকেও তাকাই না। বোর্ডে কী লেখা হচ্ছে তাও পড়তে চেষ্টা করি না। এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি রাজকন্যার দিকে। সত্যিকার রাজকন্যা। আমার এই অস্বাভাবিক আচরণ রাজকন্যার চোখে পড়ল কি না জানি না, তবে একজন স্যারের চোখে পড়ল। তিনি আমাকে বিষদৃষ্টিতে দেখতে লাগলেন। প্রতিটি ক্লাসেই তিনি আমাকে প্রশ্নে প্রশ্নে জর্জরিত করেন, কিন্তু আটকাতে পারেন না; কারণ ইতিমধ্যে আমি একটা জিনিস বুঝে ফেলেছি, আমার স্মৃতিশক্তি অসম্ভব ভালো। যেকোনো পড়া একবার পড়লেই মনে থাকে। সব পড়াই একবার অন্তত পড়ে আসি।

স্যার ঠিকই একদিন আমাকে আটকে ফেললেন। সমকোণ কাকে বলে জিজ্ঞেস করলেন, আমি বলতে পারলাম না। শাস্তির ব্যবস্থা হলো। বিচিত্র শাস্তি। বড় একটা কাগজে লেখা ‘আমি পড়া পারি নাই। আমি গাধা’ সেই কাগজ গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হলো। স্যার একজন দপ্তরিকে ডেকে আনলেন এবং কঠিন গলায় বললেন, ‘এই ছেলেকে সব কটা ক্লাসে নিয়ে যাও। ছাত্ররা দেখুক।’ আমি অপমানে নীল হয়ে গেলাম। টান দিয়ে গলার কাগজ ছিঁড়ে স্যারের দিকে তাকিয়ে তীব্র গলায় বললাম, ‘আপনি গাধা।’ তারপর এক দৌড় দিয়ে স্কুল থেকে বের হয়ে গেলাম। সন্ধ্যাবেলা লোক পাঠিয়ে শঙ্খ নদীর তীর থেকে বাবা আমাকে ধরিয়ে আনলেন। আমি আতঙ্কে কাঁপছি। না জানি কী শাস্তি অপেক্ষা করছে আমার জন্য। বাবা শান্ত গলায় বললেন, ‘স্যাররা তোমাকে পড়ান। শাস্তি দেওয়ার অধিকার তাঁদের আছে। তুমি আমার সঙ্গে চলো। স্যারের কাছে ক্ষমা চাইবে।'

বাবার সঙ্গে কাঁদতে কাঁদতে রওনা হলাম। স্যারের কাছে ক্ষমা চাইলাম। এর পর বাবা বললেন, ‘মাস্টার সাহেব, আমার এই ছেলেটা খুব অভিমানী। সে বড় ধরনের কষ্ট পেয়েছে। অপমানিত বোধ করেছে। তাকে আমি কোনো দিন এই স্কুলে পাঠাব না। সে বাসায় থাকবে।’

বাবা আমাকে কোলে নিয়ে বাসায় ফিরলেন। পরদিনই স্কুলের সব শিক্ষক বাসায় উপস্থিত। তাঁরা বাবাকে রাজি করাতে এসেছেন, যাতে আমি আবার স্কুলে যাই। বাবা রাজি হলেন না।

৫। হুমায়ূন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছেন। হঠাৎ এক ছাত্র প্রশ্ন করলো, ‘স্যার, আপনি নাকি গরুর কথাও বুঝতে পারেন?’ হুমায়ুন আহমেদের ‘ছেলেবেলা’ বইটি পড়ে হয়তো এমন ধারণা হয়েছিলো ছাত্রটির। ক্লাসের মাঝখানে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় চলে আসায় হুমায়ুন আহমেদ বিরক্ত হলেন। বললেন, ‘হ্যাঁ, পারি। নইলে তোমাদের ক্লাস নিচ্ছি কীভাবে?’

৬। এক সাংবাদিক টেলিফোনে হুমায়ূন আহমেদের কাছে তার অবসর সময় কীভাবে কাটে জানতে চাইলেন। উত্তরে হুমায়ুন আহমেদ বললেন, ‘অবসর সময়ে আমি একটা কাঁচি নিয়ে বসি। কাঁচি দিয়ে কেটে সময় কাটাই!’

৭।গভীর রাতে হুমায়ূন আহমেদকে এক বিখ্যাত অভিনেতা ফোন করল। এত রাতে ফোন পেয়ে তিনি কিছুটা বিরক্ত।

অভিনেতা ফোন দিয়ে বললেন, হুমায়ূন ভাই আমার অবস্থা খুব খারাপ।

হুমায়ুন আহমেদ বললেন, কেন কী হয়েছে?

অভিনেতা বললেন, পেটে প্রচুর গ্যাস হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদ আরও বিরক্ত হয়ে বললেন, পেটে গ্যাস হয়েছে তো আমাকে কেন? তিতাস গ্যাসকে ফোন দেন।

৮।হুমায়ূন আহমেদ প্লেনে করে দেশের বাইরে যাচ্ছেন। ওনার সিগারেট খাওয়ার অভ্যাস সম্পর্কে তো কম বেশি সবারই জানা আছে। প্লেনের মধ্যে হঠাৎ তাঁর সিগারেট খাওয়ার নেশা চেপে বসলো।

হুমায়ূন আহমেদ এয়ার হোস্টেসকে ডেকে বললেন, ‘সিগারেট খাওয়া যাবে?’

এয়ার হোস্টেজ উত্তরে বললেন, ‘না। প্লেনের ভিতর ধুমপান করলে দুইশত ডলার ফাইন।'

হুমায়ূন আহমেদ চারশো ডলার দিয়ে বললেন, ‘আমি এখন দুইটা সিগারেট খাব।'

এয়ার হোস্টেস ছুটে গেল পাইলটের কাছে। পরে পাইলট হুমায়ূন আহমেদকে ডেকে পাঠালেন ককপিটে। তারপর বললেন, ‘ডলার দিতে হবে না। তুমি এখানে বসে সিগারেট খাও।’

৯। হুমায়ূন আহমেদের ৫২তম জন্মদিনের কথা। শাহবাগ থেকে তাজা দেখে ৫২টা গোলাপ নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের বাড়ি গেলেন একজন। গিয়ে দেখলেন বগুড়া থেকে এক লোক এসেছেন। উনি হুমায়ূন আহমেদকে বলছেন, 'স্যার, আপনি চাইলে আমি আমার জান দিয়ে দিবো! আপনি আপনার নাটকে আমাকে একটা চান্স দেন।' হুমায়ূন আহমেদ তার সহকারীকে ডেকে বললেন, 'তুমি এর নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার লিখে রাখো তো। এ আমার জন্য জীবন দিতেও রাজি।' সহকারী সব টুকে নিলে চলে গেল।

এরপর হুমায়ূন আহমেদ ওই লোককে বললেন, 'তুমি বাড়ি ফিরে যাও। যদি কখনো কিডনি লাগে তো তোমাকে ফোন দিবো। চলে এসো।’

১০। হুমায়ূন আহমেদ চলচ্চিত্র বানাবেন। আগুনের পরশমণির প্রধান চরিত্র বদিউল আলমকে খুঁজছেন। একদিন শিল্পী ধ্রুব এষকে দেখে তিনি সেই চরিত্রের জন্য পছন্দ করে ফেললেন। কারণ, বদিউল আলমের নির্লিপ্ত ভঙ্গি ধ্রুব এষের মধ্যে পুরোপুরিই আছে। প্রস্তাব শুনে ধ্রুব এষ বললেন, ‘অসম্ভব! আমি জীবনে অভিনয় করিনি’। হুমায়ূন আহমেদ মুচকি হেসে বললেন, ‘তাতে কী? আমিও তো জীবনে সিনেমা বানাই নি!’

১১। ভীষণ গান ভালবাসতেন হুমায়ূন আহমেদ। বিভিন্ন সময় চমৎকার কিছু গান লিখেছেন। এর মধ্যে ‘যদি মন কাঁদে’ গানটি নিয়ে একটি মজার ঘটনা রয়েছে। নিউইয়র্কে একবার এই গানটি গেয়েছিলেন শাওন। সেখানে কয়েকজন দর্শক-শ্রোতা মন্তব্য করলেন ‘এই রবীন্দ্রসঙ্গীতটা তো আগে শুনিনি। এটা তো চমৎকার।’

এরপর হুমায়ূন আহমেদ মঞ্চে বক্তব্যের সময় বললেন, ‘যাক, এবার তবে রবীন্দ্রসঙ্গীতও লিখলাম।’

১২। একবার এক ব্যক্তি হুমায়ূন আহমেদকে বললেন, অমুক তো আপনাকে একেবারে ধুয়ে দিয়েছে। আপনার লেখায় নাকি শিক্ষামূলক কিছু নাই। শুনে হুমায়ূন আহমেদ বললেন, ‘ঠিকই তো বলেছে, আমি তো পাঠ্যবই লেখি না!’

১৩। সিনেমা তৈরির প্রয়োজনে হুমায়ূন আহমেদ একবার সেনাবাহিনীর প্রধানের সঙ্গে দেখা করতে তাঁর অফিসে গেছেন। কথা শেষ করে চলে আসার সময় হুমায়ূন আহমেদ হঠাৎ জানতে চাইলেন, ‘আপনাদের কোনো পুরোনো ট্যাংক আছে?’

: কেন বলুন তো?

: আমার একটা কেনার ইচ্ছা।

: ট্যাংক দিয়ে কী করবেন?

: ইউনিভার্সিটিতে ক্লাস নিতে হয়। ট্যাংকে করে গেলে অনেক সুবিধা, তাই...।

---আজ এই কিংবদন্তী লিখকের জন্ম দিন। এই দিনে তাঁর পারলৌকিক মঙ্গল কামনা করছি।

সুত্র-

http://www.earki.com/humor/article/

*হুমায়নআহমেদ* *রসিকতা* *রসবোধ* *জন্মদিন* *প্রেম* *ভালোবাসা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: প্রেম তো বড়ই পবিত্র চীজ এই দুনিয়ার মাঝার! বিয়ের আগেই প্রেম করি তাই একশো,দুশো,হাজার! শেষ বয়সে বিয়েয় বসে ভাঙল প্রেমের বাজার। বউকে এখন ভাল্লাগে না—কল্কে টানি গাঁজার!

*বউ* *প্রেম* *প্রেমিকা* *রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তাসকিন গত জানুয়ারি মাসে কালের কন্ঠকে বলেছিলেন, 'আসলে টেস্ট ক্রিকেটটা বেশ কঠিন। শরীরে অনেক স্ট্রেস পড়লেও আমি খুব উপভোগ করেছি!'
.
এখন তিনি তারচেয়ে কঠিন টেস্ট ম্যাচের দিকে এগুচ্ছেন!
.
তাসকিনের একজন ফ্যান হিসেবে বলবো শুনেছি দাম্পত্য জীবন অনেক কঠিন তবুও টিকে থেকে উপভোগ করবেন সেই প্রত্যাশা রেখে গেলুম!
.
দাম্পত্য জীবনে কিভাবে টিকে থাকবেন সেই শিক্ষা দিয়ে গিয়েছিলেন স্বয়ং ক্রিকেট লিজেন্ড সুনীল গাভাস্কার! তিনি একটি টেস্ট ম্যাচে ৬০ ওভার টিকে থেকে ১৭৪ বলে ৩৬ রান করে সেই রান দম্পতিদের উৎসর্গ করেছিলেন!
.
আজ শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করছি সেই ক্রাশ খাওয়া মেয়েটিকে যে তাহসান আর তাসকিনের উপর ক্রাশ খাওয়ার পর আমাকে বলেছিলো, ভাইয়া আমি তো ফিদা! তাকে বলেছিলাম তারচেয়ে বরং এক সময়ের জনপ্রিয় ক্রিকেটার এন'কালার উপর ক্রাশ খাও সেটা ঢেড় ভালো!
.
মেয়েটি বলেছিলো এতো ছেলে থাকতে আমি কেন এন'কালার উপর ক্রাশ খেতে যাবো? উত্তর দিয়েছিলাম শ্রদ্ধেয় চৌধুরী জাফরউল্লাহ শরাফত বলেছিলেন 'এন'কালা - তিনি নামেও কালা, দেখতেও কালা!'
.
তার আরও একটি উক্তি আজ মনে পড়ে গেলো, 'আম্পায়ারকে অতিক্রম করে বোলার বল করলেন!'
.
আজ হাজারো মেয়ের ক্রাশ তাসকিন তাদের অতিক্রম করে রাবেয়ার দিকে বল ছুড়ে মারলেন! খেলা হপ্পে!
.
নীরব দর্শকের ভূমিকায় থেকে আমরা ছেলেরা সেই খেলা উপভোগ করলাম! বিনোদিত হলাম! শুভ কামনা রেখে গেলাম!
.
হুটহাট করে কোন পরিকল্পনা ছাড়া তাসকিন কেনো বিয়ে করতে গেলো এই প্রশ্নের উত্তরটি দেওয়ার জন্য মাশরাফি বিন মর্তুজার একটি উক্তি লেখায় নিয়ে আসলাম, 'আমি কখনোই আমার জীবনে কোন কিছুর জন্য পরিকল্পনা করিনি—পরীক্ষার জন্যও না, অথবা কোন অনুষ্ঠানের কাপড় কেনার জন্যও না। আমি সবসময় শেষ মুহুর্তে যেটি সঠিক বলে মনে হয়েছে সেটি করেছি!'
.
আমিও একদিন বিয়ে করবো! হুট করে ঘোষণা দিয়ে বলবো, আবদুর রব শরীফ আজ থেকে আহত নিহত কোনটি নয় বরং বিবাহিত! :p

*তাসকিন* *ক্রিকেট* *বিয়ে* *রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শুনলাম বন্ধু নাকি accident করেছে ,তাও আবার রিকশা এর সাথে । জন্মদিনে  আমাদের রেখে girlfriend নিয়ে ঘোরার শাস্তি স্বরূপ টিটকারি মারতে ফোন দিলাম ।
ফোন রিসিভ করতে না করতেই
- ঐ বেটা , শুনলাম রিকাশার সাথে accident করছিস?ঠিক হয়েছি একদম, শুনে খুবই মজা পাইছি । হাজারবার বলছি হাঁটার সময় girlfriend এর দিকে না তাকায়ে থেকে রাস্তায় তাকায়ে চলবি । girlfriend সুন্দর হইছে তো কি হইছে ? btw রিকাশা তোরে মারছে না তুই রিকশারে মারছিস? তোর যে ভুরি !!! রিকশা ঠিক আছে তো ?
- হম !!
- কি হম ? আর তোর গলা এত মোটা হইল কিভাবে?রিকশা গলা দিয়ে চলে গেছে নাকি?
- আমার গলা এমনই ।
- থাবড়ায়ে দাঁত ফালায়ে দিমু,তোর ভয়েস আমি চিনব না? এত দিন ফাটা বাশের মত গলা ছিল ,এখন তৈলাক্ত ফাটা বাঁশ । মনে হচ্ছে তুই রনক না, অন্য কেউ ।
- ঠিকই ধরেছ ,আমি ওর বাবা বলছি ।ও ঘুমাচ্ছে ।
- খাইছে .........আসসালামু আলাইকুম আঙ্কেল ।
- হম !! রনক কার সাথে ছিল সেদিন? ও তো তোমাদের সাথে বেড়াবে বলে বের হয়েছিল ।
- না মানে আঙ্কেল.........হ্যালো , হ্যালো ...শোনা যাচ্ছে না ।

*বাবা* *রসিকতা* *বন্ধু* *গার্লফ্রেন্ড*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা বাঙালি, তাই…

১) কারো সন্তান জন্ম নিলে খাসির বিরিয়ানি খেতে চাচ্চু, মামু’র অধিকার নিয়ে লাইন দেই।
২) সেই সন্তানের ১ম জন্মদিন থেকে আমৃত্যু পর্যন্ত সকল জন্মদিনে বিরিয়ানি চাই।
৩) তার মুসলামানিতে খাসির বিরিয়ানি না হোক, অন্তত গরুর বিরিয়ানি চাই।
৪) তার পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো হলে বিরিয়ানির ট্রিট চাই।
৫) সে বিবাহপূর্ব অবধৈ প্রেমে পড়লে বিরিয়ানির ট্রিট চাই।
৬) এমনকি তার গার্লফ্রেন্ড ভেগে গেলেও বিরিয়ানির ট্রিট চাই।
৭) তার চাকুরী হলে বিরিয়ানির ট্রিটতো লাগবেই।
৮) তার এনগেজমেন্টে হবু শ্বশুরবাড়ির বিরিয়ানি চাই।
৯) তার বিয়েতে খাসীর স্পেশাল বিরিয়ানি খাওয়ার আশায় কেতাদুরস্ত পোষাক পড়ে কমিউনিটি সেন্টারে হানা দেই। বিরিয়ানির বদলে অন্য আইটেম থাকলেও আফসোস লাগে- ইসসস! যদি বিরিয়ানি থাকতো!
১০) তার ম্যারেজ-ডে তে ভাবীর হাতের স্পেশাল বিরিয়ানি চাই।
১১) তার সন্তান হলে, ভাতিজা-ভাতিজির শুভাগমনে বিরিয়ানির ট্রিট চাই।
১২) তার মৃত্যুর পর ৩য় দিনে পান্জাবী-টুপি পড়ে মিলাদে দলবেধে যোগ দেই। হুজুর কেন মুনাজাত এত দীর্ঘায়িত করছে, আর ওদিকে বিরিয়ানি শুকিয়ে যাচ্ছে- এই ভেবে ভেবে ক্লান্ত হই।
১৩) তার চল্লিশাতেও যেন বিরিয়ানি পাই- এই কামনায় আবারো পান্জাবী-টুপি গায়ে উঠিয়ে,আতর মেখে, মুখখানা শোকাহত করে তার বাড়িতে যাই।
১৪) প্রতি বছর ঘটা করে পালিত তার মৃত্যুদিবসেও বিরিয়ানির প্যাকেট চাই।

– এই হল কারো ব্যাক্তিগত জীবন থেকে আমাদের বিরিয়ানি পাওয়ার লালসা।

এছাড়াওঃ-
১৫) মাহফিলে বিরিয়ানি চাই।
১৬) মিছিলে বিরিয়ানি চাই।
১৭) মানববন্ধনেও বিরিয়ানি হলে খারাপ নয়!
১৮) হরতালে পিকেটিং শেষে বিরিয়ানি খেয়ে শক্তি যোগাই।
১৯) নেতা/ নেত্রীর জন্মদিনে বিরিয়ানি চাই।
২০) নেতা/ নেত্রীর মৃত্যু দিবসে বিরিয়ানি চাই।
২১) নেতা/ নেত্রী কারাগারে গেলে মুক্তি কামনার মিলাদে বিরিয়ানি চাই।
২২) নেতা/ নেত্রীর কারামুক্তির আনন্দানুষ্ঠানে বিরিয়ানির চাই।
২৩) পীরের ওরশ ও ঈদে মিলাদুন্নবীসহ যত প্রকার বিদআ’তী অনুষ্ঠান আছে, সব জায়গায়ই ছোট হোক বা বড় হোক, গরুর হোক বা খাসির হোক, শুধু এক প্যাকেট বিরিয়ানি চাই।

আমরা বাঙালি জাতি সব জায়গায় বিরিয়ানি চাই, অতঃপর বিরিয়ানি চাই, এবং বিরিয়ানি চাই- on which occasion, that doesn’t matter!

বিরিয়ানি খাওয়াটা দোষণীয় নয়, কিন্তু কি উপলক্ষে খাচ্ছেন, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি দিন। সকল বিদআতী ও হারাম অনুষ্ঠান এড়িয়ে চলুন, প্রয়োজনে নিজের পয়সায় বিরিয়ানি খান। মহান আল্লাহ-তা’য়ালা এই বিরিয়ানিখোর জাতির মাঝে হালাল/ হারাম পার্থক্য করার মানসিকতা তৈরি করুন। আমীন।

*বাঙালী* *বিরিয়ানি* *রসিকতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এক তরুণ ইঞ্জিনিয়ার ট্রেনের এসি কামরায় ভ্রমন করছিলেন ৷ ভদ্রলোকের পাশের সিট খালি। আশে পাশেও কেউ নেই। ট্রেন মোটাুটি খালিই বলা চলে।
.
একটু পরে, একজন সুন্দরী মেয়ে উঠে ভদ্রলোকের পাশের সিটটাতে বসলেন ৷ ইঞ্জিনিয়ার বেশ খুশি হলেন এই ভেবে যে, যাক জার্নিটা বোধহয় বোরিং হবে না!
.
ভদ্রমহিলা ইঞ্জিনিয়ার এর  দিকে তাকিয়ে মুচকি মুচকি হাসছিলেন । এতে ব্যাংকার ভদ্রলোকের মনের ভেতর খুশির জোয়ার বইতে শুরু করলো। মেয়েটি ইঞ্জিনিয়ার তরুনের আরও ঘনিষ্ট হয়ে বসলেন । তরুন আনন্দে আত্মহারা হয়ে কি করবেন আর কি না করবেন বুঝে ওঠার আগেই মেয়েটি ওই তরুনের কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললেন 'সঙ্গে যা আছে ঘড়ি, টাকা, পার্স সব বের করুন, নয়তো চিৎকার করে পুলিশ ডেকে বলব যে, আমাকে একলা পেয়ে, আপনি আমার সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করার চেষ্টা করছিলেন।'

*ভালোবাসা* *ইঞ্জিনিয়ার* *টাকা* *মেয়ে* *জোকস* *রসিকতা*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

ছেলে: বাবা, ইডিয়ট কাকে বলে? বাবা: ইডিয়ট হলো সেই সব বোকা ব্যক্তি যারা নিজেদের বক্তব্য এত বেশি প্রলম্বিত করে যে কেউ তার কথা বুঝতে পারে না। বুঝতে পেরেছ? ছেলে: না।
*রসিকতা* *জোকস* *বাবা* *ছেলে* *ইডিয়ট*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

বল্টুঃ আন্টি মা এক কাপ চিনি দিতে বলছে!! আন্টিঃ চিনি দিয়ে, হেসে বলল, আচ্ছা আর কিছু বলছে?? বাচ্চাঃ বলছে, হারামজাদি যদি না দেয় তাইলে সুমি আন্টির কাছ থাইকা নিয়া আসিস!!
*রসিকতা* *জোকস* *আন্টি* *মা* *কথা*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

বিবাহিত ভাইদের প্রতি… যদি মাঝ রাতে আপনার মন চায় আর আপনার বউয়ের মুড না থাকে তবে বউ কে বিরক্ত না............................................. করে নিজেই উঠে আপনার হাত দিয়ে চা বানিয়ে নিন।
*বৌ* *চা* *রসিকতা* *জোকস*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

একদিন ভগবান এক বিবাহিত লোকের মেমোরি পুরো ডিলিট করে দিলেন। তারপর প্রশ্ন করলেন, "কি, কিছু মনে পড়ছে?" লোকটি শুধু নিজের বৌ এর নাম বলতে পারল। ভগবান তখন হাসতে হাসতে বললেন, "শালা, গোটা সিস্টেম ফরম্যাট করে দিলাম, তাও ভাইরাস রয়ে গেল।"
*রসিকতা* *বিবাহিত* *বৌ* *ভাইরাস*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: কিছুক্ষণ আগে ঘুম থেকে উঠে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালাম... হঠাৎ দেখি সামনের বাসার বউদি একদৃষ্টিতে তাকাইয়া আছে আমার দিকে আর দুষ্টুমিমাখা হাসি দিচ্ছে.. - হঠাৎ মনে পড়লো উনার জামাই তো বিদেশ থাকে :| এই লুক কি ভালবাসার লুক ছিল নাকি স্বামী বিদেশ লুক ছিল?

*বৌদি* *জামাই* *বারান্দা* *রসিকতা*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

একসাথে দশ জনের ভাইভা নিচ্ছে স্যার! এক ছেলে স্যারের কানে ফিসফিস করে কি যেনো বলছে! ভাইভার রেজাল্ট দিলো কানেকানে যে ছেলে কথা বলছিলো সে ব্যতীত সবাই ফেইল! সবার মনে সন্দেহ আর কৌতূহল! কি কথা বলেছে তারা! অবশেষে ছেলেটি বললো সে বলছে, স্যার আপনার প্যান্টের চেইন খোলা! ওরা ৯ জন এটা নিয়ে হাসাহাসি করছে!
*জোকস* *ভাইবা* *স্যার* *রসিকতা* *প্যান্ট* *চেইন*
জোকস

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি জোকস পোস্ট করেছে

“এক মোরগ আর একটা হাসকে অপরাধ করার জন্য জেল খানায় ঢুকানো হয়েছে। মন তাদের খারাপ খুব। হাসটি মোরগকে জিজ্ঞেস করলো – আচ্ছা ভাই, এরা কি আমাদের পাঁলক ছেটে দেবে? মোরগ বললো, আমি তো ঠিক বলতে পারবো না; তুমি বরং ঐ কোনায় বসে থাকা ইঁদুরটাকে জিজ্ঞেস করো। হাস তখন ইদুঁরকে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা ইঁদুর ভাই, এরা কি আমাদের পালক ছেটে দেবে? ইঁদুর টা গম্ভীর হয়ে বললো – আমি ইঁদুর নই, আমি শজারু”।
*রসিকতা* *মোরগ* *জোকস* *ইঁদুর*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অবশেষে অনেক ভেবেচিন্তে সকল অলুক্ষুণে সম্ভাবনাকে পরোয়া না করে এক শেষরাতে আমি মিস জুলিয়াকে ফোন করলাম। শেষ রাতে যেহেতু কেউ মিথ্যে বলতে পারে না তাই আমিও কোন মিথ্যার আশ্রয় নিইনি। সে ফোন রিসিভ করতেই বলতে শুরু করলাম, আমি যে তোমায় পছন্দ করি এবং সেটি অনেকদিন আগে প্রেমে পরিণত হয়েছে তা কি তুমি বুঝতে পেরেছ মিস?

মিস জুলিয়া উত্তর দিল, হু।

এবার আমি কি বলবো ভেবে পাচ্ছিলাম না। তাই জিজ্ঞেস করলাম, রাতে খেয়েছিলে?

কিছুক্ষণ চুপ থেকে তারপর বেশ নরম স্বরে মিস জুলিয়া বলল, না খাইনি। খিদায় পেট জ্বলছে। তুমি না আমায় ভালবাসো? এক্ষুণি খাবার এনে দিয়ে যাও।

 

এখন আমি সদ্য প্রেমিক। প্রেমিকা চাইলে সাগর থেকে ডুবে ডুবে মুক্তা এনে দিতে পারি অথবা বিষধর সাপের মাথা থেকে মনি… তাই এটা কোন ব্যাপার না ধরণের একটা ভাব করে বললাম, এটা কোন ব্যাপারই না। জানলা খোলা রেখো। আমি এই যাচ্ছি আর এই আসছি।

সেই রাতে আমি মিস জুলিয়ার জন্যে খাবার আনতে গিয়েছিলাম ঠিকই। কাঁচা ঘুম থেকে বিল্লাল ভাইকে উঠিয়ে বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যে বলেছি। অবশ্য প্রেমিকার খিদা মানে যেহেতু নিজেরই তাই বিল্লাল ভাইয়ের কাছে গিয়ে কাকুতি মিনতি করে বললাম, ও ভাই। আরে ও বিল্লাল ভাই ওঠো না। বাইরে কত সুন্দর চাঁদনী রাত আর বেরসিক তুমি কিনা দোকান লাগায়া ঘুমাইতাছ? ভাই খিদা লাগছে। খাবার কি
আছে তাড়াতাড়ি দাও।

রাত তিনটার সময় বিল্লাল ভাইয়ের টঙে যেহেতু এর চেয়ে ভাল আর কিছু পাওয়া সম্ভব না তাই কলা আর পাউরুটি নিয়েই প্রেমের প্রথম পরীক্ষায় পাশ হবার জন্য রওয়ানা হলাম।
খাবার নিয়ে মিস জুলিয়াদের বাসার সামনে গিয়ে আমি তাকে ফোন দিলাম। মিস জুলিয়ার রুমের জানালা খোলা। জানালাতে একটা পর্দা সাটানো। ঘরে মৃদু আলো জ্বলছে। বাইরে থেকে জানালার দিকে তাকালে মনে হয় পর্দার ওপাশে বুঝি কেউ দাঁড়িয়ে আছে। প্রথমবার ফোন দেবার পরে মিস রিসিভ করলো না। ভাবলাম ফোন হয়ত সাইলেন্ট করে রেখেছে তাই দেখেনি। তাই রাত সাড়ে তিনটার সময় ভুঁইয়া কলোনির চার রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে কলা আর পাউরুটি হাতে আমি আবার মিস জুলিয়াকে ফোন দিলাম। এবারও মিস ফোনটি রিসিভ করলো না। এইসব বারেবারে ফোন দিয়ে আমার অভ্যেস আছে তাই মিস জুলিয়ার নাম্বারে আমি বারেবারে ফোন দিতেই থাকলাম। ১৩তম বার রিং বাজার সময় ওপাশ থেকে কে যেন রিংটি কেটে দিল। মনে মনে বললাম, রাত পৌনে ৪টার সময় মিথ্যা ক্ষুধার কথা বলে যেই প্রেমিকা নিজের ঘরের সামনে দাঁড় করিয়ে রেখে চিট করতে পারে ভবিষ্যতে সে আরো ভয়াবহ চিট করার ক্ষমতা রাখে। তাই ছলনাময়ী প্রেমিকার ঘরের সামনে থেকে এক্ষুণি চলে যাওয়া উচিত এই সিদ্ধান্ত নিয়ে যেইনা আমি পেছন দিকে ঘুরলাম অমনি দেখি মিস জুলিয়া।
না না, মিস জুলিয়ার ভূত পেছনে দাঁড়িয়ে নয়। সে ছাদের উপর দাঁড়িয়ে আমার দিকে চেয়ে অট্ট হাসছে। পৌনে চারটার সময়, ১৩ বার রিসিভ না করা ফোন কল, কলা আর পাউরুটি হাতে মিস জুলিয়াকে দেখে মুহুর্তেই আমার সব অভিমান শেষ হয়ে গেল। আমি ইশারা দিয়ে তাকে বললাম, নিচে নেমে এসো প্রিয়তমা মিস জুলিয়া। আমার ইশারা পেয়ে সে হাসতে হাসতে বলল, রেলিং বেয়ে ছাদে উঠে খাবার দিয়ে যাও।
আমি জীবনে কখনো কারোর বাসার রেলিঙয়ে চড়িনি অথচ কি আশ্চর্য সে রাতে মিস জুলিয়াদের বাসার রেলিং চড়ে আমি ছাদেও উঠে গেলাম। ছাদে উঠে মিস জুলিয়াকে আমি কলা আর পাউরুটি দিলাম। শেষরাতে ক্ষুধার্ত মিস জুলিয়া গপাগপ করে তা খেতে লাগল। তার খাওয়া দেখে আমারও খিদে পেয়ে গেল। আমি তাকে বললাম, তোমায় ভালবাসি মিস জুলিয়া। মিস জুলিয়া হাসতে লাগল আর আমায় এসে জড়িয়ে ধরলো। যেন মিস জুলিয়া নয় আমার বাহুডোরে আবদ্ধ কোন রাজকন্যা। আমি তাকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলাম। মিস জুলিয়া আমার কানের কাছে ফিসফিসিয়ে বললো, "ভীতু কোথাকার, শুধু স্বপ্নেই তোমার হিরোগীরি, বাস্তবে এসে ভালবাসি বলতে পারিস না?" এই বলে সে পেত্নীদের মত হাসতে লাগলো।

মিস জুলিয়ার এমন বিকট হাসি শুনে হঠাৎ আমার ঘুম ভাঙল। এতক্ষণ যে উষ্ণতা ছিল আমার প্রেমিকার, চেয়ে দেখি তা হতচ্ছাড়া কোলবালিশের! ফেসবুক চালাতে চালাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হাতে তখনো ফোনটা ধরে রেখেছি। ফোনের স্ক্রিন আনলক করে দেখি কত সুন্দর করে মিস জুলিয়া আমার দিকে চেয়ে হাসছে! তাড়াতাড়ি এক্ষুনি আবার ঘুমিয়ে পড়তে হবে দেখি!

*জুলিয়া* *প্রেম* *গল্প* *রসিকতা* *ছলনাময়ী*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★