রসুন

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 কি কি কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের রসুন খাওয়া উচিৎ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ডায়াবেটিস* *রসুন* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রসুনের খোসা ছাড়ানোর দ্রুততম উপায় কি?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

.
*রসুন* *টিপস*
ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

কোলেস্টেরল কমাতে রসুন

রসুনকে এখন ‘বিস্ময়কর ওষুধ’ বলা হয়। রসুনে রয়েছে একশরও বেশি রাসায়নিক উপাদান। এতে রয়েছে এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল, এন্টি-ভাইরাল, এন্টি ফাংগাল এবং এন্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। রসুন খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমে যায়। রসুন ইনফেকশন ও ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে। মুখের আঁচিল বা ত্বকের যত্নে রসুন খুবই উপকারী। এটি রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া ঠিক রাখে। রসুন ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ ঠিক রাখে। রক্তে সুগারের পরিমাণও নিয়ন্ত্রণ করে রসুন। এটি দাঁতের ব্যথাও নিরাময় করে থাকে।

*রসুন* *টোটকা* *হেলথটিপস* *কোলেস্টেরল*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


দেখতে ছোট হলেও অনেক গুণ আছে রসুনের। এক কোয়াই বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সক্ষম। সব থেকে বড় কথা হল, যখন আপনার পেট একদম খালি থাকবে তখন অবশ্যই খেতে পারেন রসুন। জেনে নিন খালি পেটে রসুন খাওয়ার সাতটি উপকারিতা।

অ্যান্টিবায়োটিক
সকালে ব্রেকফাস্ট করার আগে খেতে পারেন রসুন। এছাড়া খাবার খাওয়ার পরেও খেতে পারেন। কারণ আপনার শরীর এবং মুখের মধ্যে খাবার খাওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন এই কোয়া রসুনই অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। যার ফলে ব্যাকটেরিয়া বাড়তে পারে না।

যক্ষ্মারোগ প্রতিরোধ
যক্ষ্মারোগ প্রতিরোধে সক্ষম রসুন। যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায় প্রচুর মানুষ। কিন্তু অনেকেই জানেন না শুধুমাত্র রসুন এই রোগ প্রতিরোধে সক্ষম। প্রতিদিন যদি এক কোয়া রসুন কাঁচা অবস্থায় অথবা ভেজে নিয়ে খাওয়া যায় তাহলে যক্ষ্মা হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

ব্রঙ্কাইটিস এবং অ্যাজমা
৪০ গ্রাম রসুন জলে ভিজিয়ে সিদ্ধ করে নিন। সেটি একটি বোতলের মধ্যে রাখতে হবে। যদি আপনি ব্রঙ্কাইটিস এবং অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে গরম জলের মধ্যে ওই রসুন সিদ্ধ জল ২০ ফোঁটা দিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। শুধু খেতে অসুবিধা হলে এর সঙ্গে মেনথল মিশিয়ে খেতে পারেন। তার জন্য গলাও আরাম পাবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য
কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়েতেও খুবই উপকারী রসুন। ফুটন্ত গরম পানির মধ্যে বেশ কয়েকটি রসুন দিয়ে ভালোভাবে ফোটান। এরপর সেই বাষ্প নাক দিয়ে টানুন। যতক্ষণ পর্যন্ত জল ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে ততক্ষণ টানতে থাকুন। দেখবেন আস্তে আস্তে কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

ব্যথা হলে
শরীরের কোথাও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে রসুন। হাতে সামান্য রসুন নিয়ে থেঁত করে ব্যথার জায়গাতে লাগালে ব্যথা কমে যায়। এমনকি দাঁতের ব্যথা কমাতেও সক্ষম এই ছোট সবজি। এছাড়া বিষাক্ত কোনো পোকা কামড়ালে তার জন্যও খুবই উপকারী এই রসুন।

হার্টের জন্য ভালো
হার্টের যেকোনো রকমের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয় এই রসুন। শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে এবং এনার্জিও বাড়াতে সক্ষম। কোলেস্টেরল, ব্লাড প্রেসার, হার্ট অ্যাটাক ইত্যাদি রোগ প্রতিরোদেও সক্ষম।

ক্যানসার প্রতিরোধে সক্ষম
ক্যানসার রোগ প্রতিরোধেও সক্ষম রসুন। একটি সমীক্ষাতে দেখতে পাওয়া গেছে, রসুন খাওয়ার ফলে ক্যানসার হতে পারে না। রসুনে বর্তমান সালফাইডস অ্যান্টি ক্যানসার বৈশিষ্ট্য হিসেবে কাজ করে।

*স্বাস্থ্যতথ্য* *বেশম্ভব* *রসুন* *উপকারিতা* *সংগৃহীত*
*বেশম্ভব* *রসুন* *উপকারিতা* *সংগৃহীত*
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

১ লাখ ইউনিট পেনিসিলিন এন্টিবায়োটিকের মতোই কার্যকরি রসুন !!!

*পেনিসিলিন* *রসুন* *এন্টিবায়োটিক*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের দেশে এটি রান্নার উপকরণ হিসেবেই বেশি ব্যবহৃত হলেও প্রাচীন কাল থেকেই রসুন তার ঔষধিগুণের জন্য সমাদৃত।। তীব্র গন্ধযুক্ত রসুনের কোয়াগুলোতে রয়েছে প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট, খনিজ লবণ, ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, প্রোটিন, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট ইত্যাদি। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার ও বিভিন্ন সংক্রমণ রোধে ভূমিকা রাখে।


রসুনে জৈব থায়োসালফাইড যৌগ থাকে, যা অ্যালাইসিন তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালাইসিন লিভারকোষে এইচএমজি-সিওএ রিডাক্টেজ অ্যানজাইমের কার্যকারিতা প্রতিহত করে খারাপ কোলেস্টেরল তৈরির হার কমিয়ে দেয়। তা ছাড়া রসুনের হাইড্রোসালফাইড কার্ডিওপ্রোটেক্টিভ বা হৃদকোষ সুস্থ রাখতে সিগন্যাল অণু হিসেবে কাজ করে। অ্যালাইসিন অণুচক্রিকাকে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়, যা করোনারি আর্টারি ডিজিজ, পেরিফেরাল ভাসকুলা ডিজিজ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

রসুন উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রসুনে থাকা অ্যালাইসিন নাইট্রিক অক্সসাইড তৈরি করে রক্তনালির কাঠিন্য কমিয়ে দেয় ও রক্তকে পাতলা করে, ফলে রক্তচাপ হ্রাস পায়। গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারে রসুনের আধিক্য থাকলে তা পাকস্থলী কান্সারের ঝুঁকি কমায়। এ ছাড়া রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার এবং ক্যান্সারের জন্য দায়ী টিউমারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে ও টিউমারের বৃদ্ধি ও আকার কমাতে সাহায্য করে।


ডায়রিয়া, আমাশয়, কোলাইটিস, কৃমির সমস্যায় রসুন উপকারী। এটা লিম্ফোটিক সিস্টেমের ওপর কাজ করে, যা পেরিসস্টালসিস এবং পাঁচক রস তৈরি করে। রসুনের অ্যান্টিসেপ্টিক গুণ আছে বলে আলসারের ঘা সহজে শুকায়। তবে কাঁচা রসুন বেশি খাওয়া পেটের জন্য ভালো নয়।

রসুনে আরো আছে কিছু ভোলাটাইল উপাদান রয়েছে, যেগুলোর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল কার্যকারিতা রয়েছে। এটা সংক্রমণ উৎসের বিরুদ্ধে সক্রিয় প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

ঠাণ্ডা-সর্দি ও কফ সারাতে রসুন সাহায্য করে। এটা অ্যাজমা, কানে কম শোনা, ব্রঙ্কিয়াল কনজেশনে উপকারী। রসুন ফুসফুস, ব্রঙ্কিয়াল টিউব ও সাইনাস-গহ্বরে মিউকাস জমতে দেয় না। যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, হুপিং কাশির মতো অসুখে রসুন উপকারী।


রসুনকে বলা হয় খনিজ লবণের স্টোর হাউস। এতে আছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, আয়োডিন, সালফার, ক্লোরিন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম ইত্যাদি খনিজ লবণ। এর মধ্যে সেলেনিয়াম হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য রক্ষাকারী খনিজ লবণ। ম্যাঙ্গানিজ শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট এনজাইমের সহযোগী হিসেবে কাজ করে এবং আয়রন লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

রসুন রক্তের সুগারের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করে। রক্তের হোমোসিসটিন লেভেল কমাতে নিয়মিত রসুনের রস সেবন করলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। এটি ডায়াবেটিস মেলাইটাসের জটিলতা রোধে ভূমিকা রাখে। তবে যাঁরা ইনসুলিন নিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখেন, তাঁরা রসুনকে পথ্য হিসেবে নেওয়ার আগে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

এতে বিভিন্ন ধরনের ফ্লেভোনয়েড, যেমন বেটা ক্যারোটিন, জিয়া জেন্থিন, ভিটামিন 'সি' আছে। ভিটামিন 'সি' শরীরের বিভিন্ন ধরনের ইনফেকশনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে, প্রো-ইনফ্লামেটরি ফ্রি র‌্যাডিকেল তৈরি করে। রসুনে প্রচুর পরিমাণে পাইরিডঙ্নি, থায়ামিন, রাইবোফ্লেভিন, নিয়াসিন ইত্যাদি ভিটামিনও থাকে।

সূত্র: ইন্টারনেট 
*রসুন* *ভেষজ* *ঔষধিগাছ* *হেলথটিপস* *সুস্বাস্থ্য*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে


উপকরনঃ

১. রসুন আস্ত ৫ টা থেকে কোয়া আলাদা করে খোসা ছাড়ানো । ( খোসা ছাড়ানোর পর দেখলাম ১ কাপের মত পরিমাণ হয়েছে ) ।
২. সরিষার তেল ১ কাপ
৩. রসুন বাটা ১ চা চামচ ( না দিলেও চলবে )
৪. পাঁচফোড়ন মশলা ১ চা চামচ
৫. হলুদের গুড়ো আধা চা চামচ
৬. মরিচের গুড়ো ১ চা চামচ
৭. লবন আধা চা চামচ ( প্রয়োজন মত )
৮. তেতুলের ঘন মাড় আধা কাপ
৯. শুকনা মরিচ আস্ত কয়েকটা
১০. কাচামরিচ ইচ্ছেমত ( ডাটা ফেলে দেয়া )
১১. সিরকা ১ টেবিল চামচ

 প্রস্তুত প্রণালীঃ 
১. রসুন ও কাচামরিচ ধুয়ে রোদে শুকিয়ে নিন । ( পানি শুকানোর জন্য রোদে দিবেন , পাতলা কাপড় দিয়েও পানি মুছে নিতে পারেন
৪.এখন চুলায় কড়াই চড়িয়ে তাতে সরিষার তেল দিন । তেল গরম করে নিন । ধোয়া বের হয়ে গেলে বুঝতে পারবেন তেল গরম হয়ে গেছে । ( তেল পুরোপুরি গরম না হলে মশলা দেয়ার পর ফেনা হয়ে যাবে তাই সরিষার তেল গরম করে ব্যবহার করতে হয় )

৩. চুলার আগুন বন্ধ করে দিন কিংবা কড়াই চুলা থেকে নামিয়ে নিন । ( যাতে মশলা পুড়ে না যায় )
৪.এখন রসুন বাটা , হলুদের গুড়ো , মরিচের গুড়ো , পাঁচফোড়ন মশলা ও লবন দিন ।

৫. এবার রসুন ও কাচামরিচ দিয়ে কড়াই আবার চুলায় বসান । অল্প আঁচে রান্না করুন ।

৬. তারপর তেতুলের মাড় দিন সাথে আস্ত শুকনা মরিচগুলোও দিন ।

৭. সব মিশে গেলে অল্প আঁচে রান্না করুন যাতে রসুন সিদ্ধ হয়ে যায় । ( ৫ থেকে ৮ মিনিট লাগবে ) ।

৮. এখন সিরকা দিয়ে দিন । কয়েকবার বলক উঠলে নামিয়ে নিন ।

৯. ঠান্ডা হলে বৈয়ামে / কৌটায় ভরে রাখুন ।

১০. মাঝে মাঝে আচারের বৈয়াম কড়া রোদে শুকাতে দিবেন । এতে আচার ভালো থাকবে ।
*আচার* *রসুন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★