রাঙামাটি ভ্রমন

রাঙামাটিভ্রমন নিয়ে কি ভাবছো?

বিম্ববতী: *রাঙামাটিভ্রমন* শেষটি ছিল বড্ড শুষ্ক,,গিয়েছিলাম হুট করে জৈষ্ঠের কড়া রোদে,,কিন্তু এই শুষ্কতাকে পূর্ণাঙ্গ প্রাণ দিয়েছিল আমার অন্তরের একজন মানুষ,যার সাথেই আমার বড় হয়ে উঠা কিন্তু এটা ছিল মাত্র দ্বিতীয়বার ওকে নিয়ে দূরে হারিয়ে যাওয়ার,,ভালোবাসি তোকে(বৃষ্টি)

*খোলা-চিঠি*

দীপ্তি: একটি টিপস পোস্ট করেছে

ভ্রমন বাংলাদেশ
http://www.kachalong.com/index.php/en/publications/vromon-bangladesh
কাচালং ট্যুরিজম ...বিস্তারিত
*ভ্রমনটিপস* *কক্সবাজারভ্রমন* *রাঙামাটিভ্রমন* *বান্দরবানভ্রমন* *থাইল্যান্ডভ্রমন* *ট্যুরপ্যাকেজ* *নেপালভ্রমন* *মালয়েশিয়াভ্রমণ* *দার্জিলিংভ্রমন* *অল্পতেভ্রমন* *সুন্দরবনভ্রমন* *বিদেশভ্রমন* *সিলেটভ্রমন*
৬১৩ বার দেখা হয়েছে

NAZMUL: *রাঙামাটিভ্রমন* এর একটা ভিডিও শেয়ার করলাম. কেমন লাগলো!?(খুকখুকহাসি) https://www.facebook.com/video.php?v=3480213680299&set=vb.1119995157&type=3&theater

আফ্রোদিতির যুবরাজ: *রাঙামাটিভ্রমন* ২০১৩ সালের রমজানে পুরো একমাস ছিলাম রাঙ্গামাটি। আমার দেখা সেরা জায়গা। কি নেই? পাহাড়, ঝর্ণা, লেক, ঝুলন্ত ব্রিজ এসব মন্ত্রমুগ্ধের মত টানে। সত্যি অসাধারণ, সময় পেলে আবার যাবার ইচ্ছা আছে।

সামিয়া: *রাঙামাটিভ্রমন* অনেক আগে গিয়েছিলাম ফ্যামিলির সাথে, মনে হয় ১৯৯৬ সালের দিকে।কথায় কোথায় ঘুরেছিলাম অনেক জায়গার নামই ভুলে গিয়েছি! কিন্তু ফয়েয লেকের কথা মনে আছে।পাহাড়ে ঘুরেছিলাম, সত্যি অনেক অনেক অসাধারন একটা জায়গা রাঙামাটি এবং অসাধারণ একটা ভ্রমন ও ছিল বটে!

অভি: *রাঙামাটিভ্রমন* ?????????????? (হাসি২)(হাসি-৩)(হাসি২)(হাসি২)(হাসি-৩)(হাসি২)(হাসি২)(হাসি-৩)(হাসি২)(হাসি২)(হাসি-৩)(হাসি২)(হাসি২)(হাসি-৩)(হাসি২)(হাসি২)(হাসি-৩)(হাসি২)(হাসি২)(হাসি-৩)(হাসি২)(হাসি২)(হাসি-৩)(হাসি২)(হাসি২)(হাসি-৩)(হাসি২)(হাসি২)(হাসি-৩)

অভী আহমেদ খান: আমার *রাঙামাটিভ্রমন* (খুশী২)

শাকিল: *রাঙামাটিভ্রমন* নেক্সট ফ্রাইডে তে রাঙামাটি যাওয়ার প্লানিং করছি | সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে ফিরে এসেই বিস্তারিত জানাবো...একদম (গ্যাংনাম)(গ্যাংনাম)(কিমজা)(কিমজা)

ছবি

দীপ্তি: ফটো পোস্ট করেছে

নৈসর্গিক রাঙামাটি

*রাঙামাটিভ্রমন*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশের একমাত্র রিকশামুক্ত শহর রাঙামাটি। তাই এই শহরের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে হয় বেবিটেক্সিতে। এক স্টপেজ থেকে আরেক স্টপেজে পৌরসভা নির্ধারিত সর্বনিম্ন ভাড়া হলো ১০ টাকা। এছাড়া রিজার্ভ নিলে শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ভাড়া পরবে ৬০-১০০ টাকা।
রাঙামাটি শহর থেকে কিনতে পারেন আদিবাসীদের পোশাক, তাঁতের কাপড়, আদিবাসীদের তৈরি নানা রকম হস্তশিল্প সামগ্রী ইত্যাদি।

প্রতিদিন রাত দশটায় এবং রাঙামাটি থেকে সকাল সাড়ে দশটায় ছাড়ে। এছাড়া যে কোনো বাস, ট্রেন কিংবা বিমানে চট্টগ্রাম এসে সেখান থেকেও রাঙামাটি যেতে পারেন। চট্টগ্রাম শহরের সিনেমা প্যালেস এবং বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতি বিশ মিনিট পরপর রাঙামাটির উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় বিরতিহীন বাস। ভাড়া জনপ্রতি ১০০-১২০ টাকা।

শহরে রয়েছে বেশ কয়েকটি হোটেল। এখন সেখানে পর্যটকদের ভিড় কম থাকায় হোটেলগুলোও পাওয়া যাবে খুব সস্তায়। হোটেলগুলোর মধ্যে রয়েছে পর্যটন কমপ্লেক্সের ভেতরে পর্যটন মোটেল (এসি দু’বেড ১৭২৫ টাকা ও নন-এসি দু’বেড ভাড়া ৮০৫ টাকা); শহরের কাঁঠাল তলীতে হোটেল সুফিয়া (এসি এক বেড ৯০০ টাকা, এসি দু’বেড ১২৫০ টাকা ও নন-এসি দু’বেড ৮০০ টাকা); রিজার্ভ বাজারে হোটেল গ্রিন ক্যাসেল (এসি ১১৫০-১৬০০ টাকা, নন-এসি ৭৫০-১৫০০ টাকা); কলেজগেট এলাকায় মোটেল জজ (এসি ৯০০-১১০০ টাকা, নন-এসি ৩৫০-৭০০টাকা); নতুন বাস স্টেশনে হোটেল আল-মোবা (এসি ১২০০ টাকা, নন-এসি ৩০০-৫০০ টাকা); পর্যটন রোডে হোটেল মাউন্টেন ভিউ (এসি ১২০০ টাকা ও নন-এসি ২০০-১২০০ টাকা।

ঢাকার থেকে কলাবাগান, ফকিরাপুল ও কমলাপুর থেকে সরাসরি রাঙামাটির উদ্দেশে ছেড়ে যায় ডলফিন পরিবহন, এস আলম, সৌদিয়া পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, ইউনিক সার্ভিস, হানিফ পরিবহন ইত্যাদি। ভাড়া জনপ্রতি ৪০০-৪৫০ টাকা।
এই বর্ষায় দুদিনের সময় বের করে ঘুরে আসুন রাঙামাটি। 
*রাঙামাটিভ্রমন* *রাঙামাটি*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কাপ্তাই লেকের বুকে ছোট্ট একটি শহর রাঙামাটি। সর্বত্রই রয়েছে নানা বৈচিত্র্যের ভাণ্ডার। আর বর্ষায় আসে রাঙামাটির নতুন যৌবন। তখন ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে প্রকৃতির ময়ুরীখ্যাত রাঙামাটি যেন ময়ুরের এক পেখম। তাই আমরা কজন প্রকৃতিপ্রেমী গত বর্ষায় বেরিয়ে যাই রাঙামাটির উদ্দেশ্যে।
ঢাকা থেকে বাস ছেড়ে সরাসরি থামে রাঙামাটি শহরে। ঢাকা থেকে রাত দশটায় বাস ছাড়লে খুব ভোরেই রাঙামাটি পৌঁছে যায়। যাওয়ার পথে রাঙামাটির কাছাকাছি গাড়ি পাহাড় বেয়ে ছুটে যেতে দেখা যাবে। কখনও ওপরে উঠছে আবার কখনও নামছে নিচে। তখন হয়তো আপনার মনে হবে মাসুদ রানার কোনও কল্পকাহিনীর মধ্যে আছেন। গল্পের খলনায়ককে ধরতে আপনি ছুটে যাচ্ছেন রাঙামাটির অজানা পাহাড়ে। আর সঙ্গে যদি থাকে বেশ কয়েকজন বন্ধু তাহলে তো মনে না হওয়ার কোনও কারণ নেই। রাঙামাটি ভ্রমণ শুরু করা যেতে পারে শহরের একপ্রান্ত থেকে। প্রথমেই যেতে পারেন উপজাতীয় জাদুঘরে। সেখানে রয়েছে রাঙামাটিসহ পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত নানা আদিবাসিদের ব্যবহৃত বিভিন্ন সময়ের নানা সরঞ্জামাদী, পোশাক, জীবনাচরণ এবং বিভিন্ন ধরনের তথ্য।

তারপর নেমে যান প্রকৃতি দর্শনে। প্রায় ১৭২২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের কাপ্তাই লেকের স্বচ্ছ পানি আর বাঁকে বাঁকে পাহাড়ের সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। তবে এ হ্রদের প্রকৃতির খুব কাছাকাছি যেতে হলে আপনাকে ভাড়া করতে হবে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা। চিন্তা নেই, শহরের রিজার্ভ বাজার ঘাটে পাওয়া যায় কাপ্তাই লেকে ভ্রমণের নানা রকম ইঞ্জিন নৌকা। সারাদিন কাপ্তাই লেকে ভ্রমণের জন্য একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকার ভাড়া পড়বে ১৫০০-২৫০০ টাকা। এছাড়া রাঙামাটি শহর থেকে এখন প্রতিদিন শুভলং ছেড়ে যায় আধুনিক ভ্রমণতরী কেয়ারি কর্ণফুলী। প্রতিদিন সকালে ছেড়ে আবার বিকেলে ফিরে আসে। যাওয়া-আসার ভাড়া জনপ্রতি ২০০ টাকা। তবে কাপ্তাই লেকে ভ্রমণের জন্য নৌকাটি দেখে-শুনে নিন। বর্ষাকাল থাকায় ছাউনি আছে এমন বোট ভাড়া করুন। বোটে লাইফ জ্যাকেট আছে কিনা আগেই জেনে নিন।

বর্ষার মেঘলা আকাশ, টাপুর-টুপুর বৃষ্টি, জলে টৈটুম্বুর কাপ্তাই লেক। এর মধ্যেই কখনও আকাশের ঘনকালো মেঘ ফুঁড়ে সূর্যের হাসি। শ্যালো মেশিনের ভটভট শব্দ ভেদ করে দূর থেকে ভেসে আসে পাহাড়ি পাখির ডাক। উদ্দেশ্য যদি হয় শুভলং ঝর্ণা তবে পথে পাবেন পেদা টিং টিং। মানে পাহাড়ের চূঁড়ায় বাঁশ ও বেতে ঘেরা উপজাতীয় রেস্টুরেন্ট। সেখানে পাবেন নানান ধরনের সুস্বাদু খাবার। এছাড়া রয়েছে টুকটুক ইকো ভিলেজ। কাপ্তাই লেকের একেবারে মাঝে এই ইকো ভিলেজটির সুন্দর সুন্দর কটেজে রাত কাটানোরও ব্যবস্থা আছে। তবে যাওয়ার পথেই আপনাকে খাবারের অর্ডার দিয়ে যেতে হবে। এ জন্য অবশ্য আপনার সঙ্গে থাকা নৌকার মাঝিই গাইডের ভূমিকা পালন করবে।

তারপর প্রকৃতির রূপে ঘেরা কিছুটা পথ পাড়ি দিয়ে চলে যাবেন শুভলং বাজার। এখানে আর্মি ক্যাম্পের পাশ থেকে সিঁড়ি বেয়ে পাহাড়ের ওপরে উঠে কাপ্তাই লেকের অপার সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। তবে বানর থেকে সাবধান। তাদের বিরক্ত করা যাবে না একদম। আর সেটা করলে ওরা কিন্তু চড়াও হতে পারে। শুভলংয়ে কিছুটা সময় কাটিয়ে ফিরতি পথের শুরুতেই হাতের ডানে শুভলং ঝর্ণা। শুভলং ঝর্ণা- বর্ষাতে এ যেনো আরও মায়াবী। ঝর্ণার অঝোর ধারা দেখে মন চাইবে অনন্তকাল শুধু তাকিয়ে থাকতে। এটা ভাবতে ভাবতে থেমে গেলে হবে না, চলে যান ঝর্ণার একদম নিচে। দেখবেন ঝর্ণার জলধারা আপনার সব ক্লান্তি ধুঁয়ে নেবে।
তারপর চলে আসেন পেদা টিং টিংয়ে। প্রকৃতির পাশে বসে খেয়ে নিন মজার মজার সব খাবার। সেই সঙ্গে উপভোগ করুন আদিবাসী আনন্দ।
রাঙামাটির দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে রাজ বনবিহার। এ অঞ্চলের বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীর তীর্থ স্থান এটি। এখানে আছে একটি প্রার্থনালয়, একটি প্যাগোডা, বনভান্তের (বৌদ্ধ ভিক্ষু) আবাসস্থল ও বনভান্তের ভোজনালয়। প্রতি শুক্রবার ছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষে এখানে চলে প্রার্থনা। রাজ বনবিহারে দাঁড়িয়ে উপভোগ করতে পারেন কাপ্তাই লেকের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য।
রাজবনবিহারের পাশেই কাপ্তাই লেকের ছোট্ট একটি দ্বীপজুড়ে রয়েছে চাকমা রাজার রাজবাড়ি। নৌকায় পার হয়ে খুব সহজেই যাওয়া যায় এই রাজবাড়িতে। আঁকা-বাঁকা সিঁড়ি ভেঙে উপরে উঠে গাছের ছায়ায় ইট বাঁধানো পথের মাথায় এ সুন্দর বাড়িটি। এখানে আরও রয়েছে চাকমা সার্কেলের প্রশাসনিক দফতর।
রাঙামাটি শহরের একেবারে শেষ প্রান্তে রিজার্ভ বাজার ছাড়িয়ে আরও প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে রয়েছে পর্যটন কমপেস্নক্স। এই কমপেস্নক্সের ভেতরেই রয়েছে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতুটি। সেতু পেরিয়ে সামনের পাহাড়ে উঠলে কাপ্তাই লেকের বড় অংশ দেখা যায়। এখান থেকে কাপ্তাই লেকে নৌ ভ্রমণও করা যায়। তবে এখানে সাম্পানে চড়ে ঝুলন্ত সেতুর আশপাশে ঘুরে বেড়াতে ভালো লাগবে। ঘণ্টা ১০০ টাকায় এখানে পাওয়া যাবে পাঁচজনের চড়ার উপযোগী সাম্পান।
*রাঙামাটিভ্রমন*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি পার্বত্য জেলা চট্টগ্রামের  রাঙ্গামাটি । এখানে পাহাড়ের কোল ঘেঁসে ঘুমিয়ে থাকে শান্ত জলের হ্রদ। নদী বয়ে চলে তার আপন মনে। সীমানার ওপাড়ে নীল আকাশ যেন চুমু খায় নদী আর পাহাড়ের বুকে। এখানে চলে পাহাড় নদী আর হ্রদের এক অপূর্ব মিলনমেলা। নদীর বাঁকে বাঁকে বাতাস সুর তোলে আপন মনে। প্রকৃতির এই অপরুপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ নয়নে শুধু চেয়ে থাকতে হয় অসহায় মানুষ হয়ে। চারপাশ দেখে মনে হয় আঁকা কোন জল রঙের ছবি। এখানকার প্রতিটি পরতে পরতে লুকিয়ে আছে অদেখা এক ভূবন যেখান আপনার জন্য অপেক্ষা করছে নয়নাভিরাম দৃশ্যপট। এখানকার দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে কাপ্তাই হ্রদ ভ্রমন অন্যতম ও অসাধারণ। কর্ণফুলী নদীতে বাঁধ নির্মাণের ফলে সৃষ্টি হয় সুবিশাল কাপ্তাই হ্রদ। মূলত পানি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই বাঁধ নির্মিত হয়। অসংখ্য পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বয়ে চলা আঁকাবাঁকা বিশাল কাপ্তাই হ্রদে নৌবিহারের  অনুভূতি এক অনন্য অভিজ্ঞতা। এতে করে অনুভূত হবে রোমাঞ্চকর অনুভূতির । দেশীয় ইঞ্জিন নৌকা,লঞ্চ, স্পিডবোটে চড়ে দিনভর নৌবিহার করা যেতে পারে। মজার ব্যাপার হলো আপনি চাইলে এই হ্রদ ঘুরতে ঘুরতেই দেখে ফেলতে পারবেন রাঙ্গামাটির অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলো। হ্রদটি ঘুরে দেখার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি ভাল নৌযানের। রাঙ্গামাটি পর্যটন এলাকা থেকে সারাদিনের জন্য বোট ভাড়া করলে দু’হাজার থেকে আড়াই হাজার পর্যন্ত টাকা লাগবে। পর্যটন এলাকায় বোট ভাড়া একটু বেশি। রিজার্ভ বাজার থেকে বোট বা ট্রলার ভাড়া করলে একটু কম দামে পাওয়া যাবে। এক হাজার থেকে বারশ’র মধ্যে হয়ে যাবে। উপজাতির বসবাস: পাখির কুহুতান, সবুজের মাখামাখি আর অসংখ্য নৃগোষ্ঠী এই জনপদকে দিয়েছে ভিন্ন এক রূপ। এখানে প্রায় ১৪টির মতো উপজাতী বসবাস করে। চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মুরং, বোম, খুমি, খেয়াং, পাংখোয়া, লুসাই, সুজ সাওতাল ও রাখাইন অন্যতম। নৃগোষ্ঠীর জীবন-যাপন ও সংগ্রাম আপনাকে যেমন মুগ্ধ করবে তেমনি মুগ্ধ করবে এর পর্যটন এলাকাগুলো। দর্শনীয় স্থান: রাঙ্গামাটিতে ভ্রমন করার জন্য রয়েছে অনেকগুলো দর্শনীয় স্থান। এর মধ্যে কাপ্তাই লেক, পর্যটন মোটেল, ডিসি বাংলো, ঝুলন্ত ব্রিজ, পেদা টিংটিং, সুবলং ঝর্না, রাজবাড়ি, রাজবন বিহার, উপজাতীয় জাদুঘর, কাপ্তাই হাইড্রো ইলেক্ট্রিক প্রজেক্ট, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। রাঙ্গামাটির অন্যতম সুন্দর দর্শনীয় স্থান এটি। চমৎকার একটি জলপ্রপাত এই স্থানকে দিয়েছে ভিন্ন একটি চরিত্র। রাজবাড়ি: রাঙ্গামাটি শহরেই অবসথিত রাজবাড়ি। চাকমা সার্কেল চিফ রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় ও তার মা রাণী আরতি রায় এ রাজবাড়িতে থাকতেন। চারদিকে হ্রদ বেষ্টিত এই রাজবাড়ি পুরনো হলেও দেখতে ও বেড়াতে ভীষন ভাল লাগে। রাজদরবার, কাচারি, সজ্জিত কামানসহ দেখার মতো অনেক কিছু আছে। রাজবাড়ীর নিরিবিলি পরিবেশ, সবুজ বাঁশের ঝাড়  আর পাখির কলকাকলি আপনাকে মুহুর্তের জন্য অঁচল করে দেবে। রাজবাড়ীর পাশেই উপজাতীয় নারীরা তাদের হাতে বুনা বস্ত্র সম্ভার নিয়ে বসে থাকে বিকিকিনির জন্য। এসব পণ্য আপনার প্রয়োজন মেটাতে পারে। তবে আসল রাজবাড়ী এখনো পানির নীচে। রাজবন বিহার: রাজবাড়ির পাশেই আন্তর্জাতিক খ্যাত এই বৌদ্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। এখানে অবস্থান করেন বৌদ্ব আর্য পুরুষ শ্রাবক বুদ্ধু সর্বজন পূজ্য শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাসহবির বনভান্তে। এই বৌদ্ব বিহারে প্রত্যেক বছর কঠিন চীবর দানোৎসব হয় এবং এখানে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটে। এছাড়া প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখরিত থাকে রাজবন বিহার এলাকা। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান বৌদ্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। বেশ কয়েকটি বৌদ্ব মন্দির, বিশ্রামাগার, হাসপাতাল, সর্বজনীন উপামনা বিহার.বনভান্তে সাধনা কুঠির,বনভান্তে চংক্রমন ঘর ও তাবতিংস স্বর্গসহ অনেক কিছু রয়েছে দেখার মত। তবলছড়ি চাকমা বাজার: রাঙামাটি শহরে এটি হলো একটি প্রধান উপজাতীয় বাজার। সপ্তাহে বুধ এবং শনিবার এ বাজার বসে। উপজাতীয় কিশোর-কিশোরী, নারী এবং পুরুষরা এখানে আসে নানা ধরনের জিনিসপত্র কিনতে। খাওয়া দাওয়া: রাঙ্গামাটি এসে স্থানীয় আদিবাসীদের খাবার না খেলে পুরো ভ্রমনটাই অপূর্ণ থেকে যাবে আপনার। তাই ইচ্ছে করলে এবং যদি কপাল ভাল হয় তবে আপনিও স্বাদ নিতে পারেন আদিবাসীদের হরেক রকম খাবারের। এদের অনেকগুলো পদের মধ্যে কয়েকটি খাবারের পদ খুবই ভিন্ন  প্রকৃতির ও সুস্বাদু। আপনি যে কোন হেটেলেই এসব খাবার পাবেন না। তাই রাঙামাটি গেলে অবশ্যই আদিবাসিদের খাবার খাওয়ার জন্য বলব সবাইকে। পর্যটকদের জন্য খুবই দৃষ্টিকাড়া ও আকর্ষনীয় স্থান রাঙামাটি।পর্যটন এলাকায় অবস্থিত ঝুলন্ত ব্রিজটি  পর্যটন এলাকাকে আরও বেশি সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দিত করেছে। সহজেই পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ে এই আকর্ষণীয় স্থানটি। পর্যটকদের আকর্ষণের কারনে এবং এর নির্মানশৈলির কারনে ঝুলন্ত ব্রিজ আজ রাঙ্গামাটির নিদর্শন হয়ে দাড়িয়ে আছে।
*রাঙামাটিভ্রমন*

জান্নাতুল ফিরদৌস: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘোরাঘুরি আমার বেশ পছন্দের ,আর আমার সব ঘোরাঘুরিগুলোই থাকে উশৃঙ্খল ! এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি উশৃঙ্খল আমার কাছে যেইটা মনে হয়েছে তার গল্পই এখানে করা হলো !
ভ্রমনটা বাংলাদেশের মধ্যেই ,আর ঘোরাঘুরির জায়গাগুলো হলো যথাক্রমে আমার মায়ের গ্রামের বাড়ি (ফেনী), কক্সবাজার আর রাঙামাটি ! তবে,যেইটা বিস্ময়কর আর যার কারণে পুরো ভ্রমনটাকে আমি উশৃঙ্খল বলছি সেইটা হলো আসা যাওয়া এবং ঘোড়াঘুরি নিয়ে মোট সময় হলো মাত্র ৩ দিন !!

যাইহোক,বরাবরের মতই বিশাল এক "গ্যাং" ঠিক করলাম এই ঘোড়াঘুড়ির জন্য এর মধ্যে রয়েছে আমার মামার পুরো ফ্যামিলি এবং মামীর আপন বোন সহ তার আরেকটা ছোট "গ্যাং" , আমরা ,আমার এক খালার পুরো ফ্যামিলি ! ঠিক করলাম যে যার প্রাইভেট গাড়ি করে নির্দিষ্ট দিনে একেবারে সকালে রওনা দিব এবং প্রথম গন্তব্যস্থল হলো আমার মায়ের বাড়ি ফেনী ! বলাই বাহুল্য আমার মা অত্যন্ত খুশি ,মানুষটা ঘোড়াঘুরি এত বেশি পছন্দ করে যা আমার কাছে অস্বাভাবিক মনে হয় ! মাঝেমধ্যে আমি চিন্তায় পরে যায় তার জিনোমে হয়ত কিছু ক্রুটি রয়েছে ,বিশেষ করে ভ্রমন সংক্রান্ত কোনো জ্বিন যদি আমাদের শরীরে থেকে থাকে !!
এইটাকে আমি একটা পারফেক্ট ভ্রমন বলব কারণ,বেশিরভাগ সময়টাই আমরা যানবাহনে কাটিয়েছি কোনখানে ধীরস্থিরভাবে ধৈর্য নিয়ে বলতে গেলে বসায় হয়নি | আর,ভ্রমনটাকে নতুন আরেক মাত্রা দেয় যখন ড্রাইভার হিসেবে আমার বড় ভাই থাকে যার ড্রাইভিং স্কিল নিয়ে তেমন কিছু বলার নেই (সম্ভবত আমর বাবর জ্বিন থেকে পেয়েছে !) তবে,আমার বিশ্বাস সে চাইলে হয়ত "ফর্মুলা ১" এর একজন পেশাদার রেসার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারত !!
একেবারে সকালে রওনা দিয়ে দুপুরে গিয়ে পৌছলাম আমাদের ফেনীতে সেখানে দুপুরের খাবার খেয়ে , কিছু সময় জিরিয়ে সাথেসাথেই রওনা দিলাম কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে ,যদ্দুর মনে পরে সেখানে গিয়ে পৌছলাম প্রায় রাত ২.৩০ অর্থাত মধ্যরাতে আর উঠলাম হোটেল মিডিয়াতে ! এরপর খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠে বিচে গিয়ে কিছু দৌড়-ঝাপ (এই অংশটুকু আমিই একমাত্র মানুষ যে স্কিপ করেছি !) এরপরে দুপুর বারোটার পরেই হোটেল ছেড়ে রওনা দিলাম রাঙামাটির উদ্দেশ্যে ! বলতে বাধা নেই এই অংশটুকু আমার বেশ ভালো লেগেছে কারণ,পৌছতে গিয়ে একেতো রাত তারপরে উঠছি পুরো খাড়া পাহাড় বেয়ে ! কিছু কিছু জায়গায় উঠতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল ,দেখছিলাম সেসব জায়গায় আমার ভাই এসি বন্ধ করে দিচ্ছিল ,হয়ত ইঞ্জিন যেন বাড়তি শক্তি পায় এই কারণেই করা ! মাঝেমধ্যে মনে হচ্ছিল "যদি কোনভাবে পরে যাই তাহলে ?" সত্যি বলছি এরকম মনে হবার বেশ যুক্তিসঙ্গত কারণ ঘটেছিল ! যাইহোক,আমরা কেউই পাহাড় থেকে টুপ করে পরে গেলাম না | অবশেষে পৌছলাম ! এই জায়গাটাতে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল তা নিয়ে বিস্তারিত আর বলছিনা তবে,কারণ,হিসেবে মাত্রাতিরিক্ত গরমটাকেই দাবি করা যায় | সেখানে রাতে থেকে আবার খুব ভোরে রওনা দিলাম ,তবে,বাসার উদ্দেশ্যে ! তবে,যাওয়ার আগে থেমে থেমে কিছু জায়গায় ঘুরে আসছিলাম আর ছবি তুলছিলাম ,যেগুলোর কোনটারই কোনো বিশেষ নাম আছে কিনা জানিনা কিংবা কে জানে হয়ত শুধু আমিই জানিনা !
এই ছিল আমার সবচেয়ে উশৃঙ্খল ভ্রমন ! বিষয়টাকে লিখে হয়ত বোঝানো সম্ভব না অনুভূতিটা কিরকম ,আর আমার লেখার হাত আবার এই বিষয়েও তেমন ভালো না ! নাহলে আমি নিশ্চিত সবার এতক্ষণে বুঝে যাওয়া উচিত যে এভাবে ভ্রমন না করাই ভালো ! যারা অভ্যস্থ নয় তারা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে ! আমরা যেহেতু এভাবে অভ্যস্থ তাই হয়ত হয়নি কিন্তু বাইরে থেকে আসা মানুষগুলো কিন্তু ঠিকই হয়ে গেল ! তাই অনুরোধ করব ঘুরতে যাবার আগে বেশ কিছু সময় নিয়ে যাবার জন্য ! আর এসব জায়গায় ঘোরার মত অনেক কিছুই রয়েছে এত অল্প সময়ে আসলে হয়ত কারোই তেমন ভালো লাগবেনা !
*ভ্রমন* *রাঙামাটিভ্রমন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★