রুটি মেকার

রুটিমেকার নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্যস্ত নগর জীবনে রুটি বানানো বেশ ঝামেলার কাজ। সকালের নাস্তায় অনেকের রুটি না হলে চলেই না। এছাড়াও বর্তমান সময়ে অনেক মা-বাবারই ডায়াবেটিকস এর সমস্যা থাকে। আর ডায়াবেটিকস মানেই রুটি খাওয়া বাধ্যতামূলক। আর শুধু তাদের ক্ষেত্রেই কেন, স্বাস্থ্য সচেতন প্রতিটি মানুষের জন্যই রুটি খাওয়া অত্যাবশকীয়। কেননা ভাতে যে পরিমানে গ্লুকোজ থাকে, তা আমাদের দেহের মেদকে আরও বাড়িয়ে দেয়, আমাদের আরও মুটিয়ে দেয়। কিন্তু অপর দিকে রুটিতে এই গ্লুকোজের পরিমান খুব কম থাকে বলেই ডাক্তাররা সব সময় সকলকে রুটি খাবার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু রুটি তৈরী কষ্টসাধ্য কাজ। ফলে দুঃশ্চিতা যেমন বাবা-মায়ের, তেমনি দুশ্চিন্তা সন্তানেরও। এই দুশ্চিন্তার সমাধান হতে পারে একটি রুটি মেকার।

কাঁচা আটার রুটি, সিদ্ধ আটার রুটি, ময়দার রুটি কিংবা চালের গুড়ার রুটি, সবই হয় এই রুটি মেকারে। রুটি, পরটা, অন্থনের রুটি, সমুচার রুটি, সিঙ্গাড়ার রুটি, ফুচকা, মোগলাই পরটা, লুচি, পুরি ইত্যাদি সহ অনেক কিছুই করা যায় এটি দিয়ে। আর সমানে আসছে কোরবানির ঈদ, বাসায় নিশ্চয়ই রান্না হবে মাংসের নানা পদ, সাথে যদি থাকে রুটি, পরোটা কিংবা লুচি তাহলে তো খাওয়া তো জমে ক্ষীর।

সমস্যার শুরু হয় রুটি তৈরী করা দিয়ে, তাই আর রুটি বানানোই হয় না অনেকেরই। রুটি তৈরীতে মোট তিনটি ধাপ, প্রথমে রুটির জন্য আটা জ্বাল দিতে হয়, রুটি বেলতে হয় এবং শেষে রুটি তাওয়াতে বা ফ্রাইং প্যানে সেকে নিতে হয়। এর মধ্যে সব থেকে কঠিন কাজ হচ্ছে রুটি বেলে নেওয়া। যারা একবার দুবার চেষ্টা করেছন তারা নিশ্চই জানেন যে রুটি সম্পূর্ণ গোল করা কতটা কষ্টের এবং কতটা প্রাক্টিসের প্রয়োজনের। কিন্তু বাসায় একটা রুটি মেকার থাকলে কারওই আর দুঃশ্চিন্তা থাকে না। কারণ রুটি মেকারে রুটি তৈরী হয় খুবই অল্প সময়েই, কোন শারীরিক কঠিন পরিশ্রম ছাড়াই! আর সেই সাথে রুটি পাতলা, একই মাপের, গোল এবং বড় হয়।

রুটি বানানোর প্রক্রিয়া:

একটি পাত্রে পরিমান মত পানি নিন, এবং প্রতি ৮-১০ টি রুটির জন্য মাত্র আধা চা চামচ তেল দিয়ে দিন। এতগুলি রুটির মধ্যে এতটুকু তেল যদিও কোন সমস্যাই না, তবে বেশী স্বাস্থ্য সচেতন হলে সয়াবিন তেলের পরিবর্তে সরিষার তেলও দিতে পারেন। এবার পানি ফুটে গেলে তার মধ্যে আটা ঢালতে থাকুন এবং নাড়তে থাকুন। এভাবে এক সময় সব পানির সাথে আটা মিশে মোটামুটি শক্ত খামির তৈরী হবে। এবার চুলা থেকে এই খামির নামিয়ে ফেলুন।

এবার হাত দিয়ে খামিরের দলাকে পাকাতে এবং চটকাতে থাকুন, একটু সাবধানে করবেন, কারণ খামিরটি তখনও গরম। তবে এই খামির ধরবার জন্য হাতে পানির বা কাঁচা আটার গুড়া ব্যবহার করবেন না। শক্ত হয়ে এলে এবার একটি রুটি পরিমান আটার কাই আলাদা করে নিন। এবার পালা রুটি তৈরীর। আপনাকে যা করতে হবে তা হল আপনার রুটি মেকারের মধ্যেখানে যে কোন আকারে ঐ কাই বসিয়ে দিতে হবে, এবার রুটি মেকারের অপর অংশ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে এবং হাতল দিয়ে ২/৩ সেকেন্ডের জন্য চেপে ধরতে হবে। ব্যাস এবার ছেড়ে দিন। দেখবেন আপনার হাতেই সুন্দর পারফেক্ট গোল রুটি তৈরী হয়ে গেছে।

ব্যাস, এবার তাওয়া বা ফ্রাইং প্যান গরম করে তাতে ভেজে নিন। তাওয়াতে ভাজতে চাইলে হাতে সামন্য কাঁচা আটার গুড়া লাগিয়ে তারপর সেকে নিন। ব্যাস, তৈরী হয়ে গেলো আপনার হাতের রুটি। এবার পরিবারের সবাইকে নিয়ে উপভোগ করুন আপনার নিজের হাতে বানানো সুন্দর গোল পাতলা রুটি। বাজারে নানান ধরণের রুটি মেকার রয়েছে, যাদের মধ্যে কোনটা রুটি বেলে দেবার সাথে সাথে রুটি সেঁকেও দেয় আবার কোনটা শুধু রুটি বেলে দেয়।

ভাবুন তো, এই ঈদে আপনার মায়ের জন্য এর চেয়ে ভালো কোনো উপহার আর কি হতে পারে ! রুটি মেকার পাওয়া যায়— ঢাকার নিউ সুপার মার্কেট (নিউ মার্কেট), চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট (নিউ মার্কেটের পাশে) গুলশান ডিসিসি মার্কেট ১ ও ২, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স লেভেল ওয়ান, গুলশান অ্যাভনিউ’র ফিক্স ইট, উত্তরা মিরপুর ১০, বায়তুল মোকাররম মার্কেট। এছাড়া অনলাইন শপ আজকের ডিলেও পেয়ে যাবেন নানা ধরণের রুটি মেকার । পণ্যগুলি কিনতে চাইলে ছবিতে ক্লিক করুন

*রুটিমেকার* *কিচেনটুল* *স্মার্টকিচেন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্যস্ত নগর জীবনে রুটি বানানো বেশ ঝামেলার কাজ। সকালের নাস্তায় অনেকের রুটি না হলে চলেই না। আর ডায়াবেটিস রোগীদেরতো স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সকাল রাতে, দুই বেলায়ই রুটি খেতে হয়। রুটি বানানোর জন্য বাজারে রয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রুটি মেকার। এই যন্ত্রের দাম কেমন, ঠিকমতো কাজ করে কিনা ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর জানা নেই অনেকেরই। অন্যান্য পণ্যেরমতো বাজারে রয়েছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রুটি মেকার। এছাড়া দেশি রুটি মেকারও আছে। 

কিনতে ক্লিক করুন 

দেশীয় রুটি মেকারের সাম্প্রতিক দাম, কাজ এবং সেগুলোর কার্যক্ষমতা নিয়েই এই আয়োজন।

দেশের রুটি মেইকারটি তৈরি করেছেন হুমায়ুন কবীর। এটি আসলে ছোট কাঠের একটি যন্ত্র। নাম লাইবা রুটি মেইকার। দেশীয় এ রুটি মেকারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে, রুটি তৈরি সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকলেও মেশিনটি দিয়ে রুটি তৈরি করা সম্ভব। শুধু এর হাতল ধরে চাপ দিলেই সিদ্ধ আটার গোলা রুটিতে পরিণত হয়। এটা চালাতেও বিদ্যুতের কোনো প্রয়োজন পড়ে না। তিন ধরনের লাইবা রুটি মেকার পাওয়া যায়। ধরণভেদে এই হস্ত চালিত রুটি মেকারের দাম ৩ হাজার ৮শ’ টাকা, ৫ হাজার ৫শ’ টাকা ও ৭ হাজার টাকা। তবে অন্যান্য রুটি মেকারেরমতো এতেও রয়েছে সুবিধা এবং অসুবিধা।

কিনতে ক্লিক করুন

সুবিধা

১. সিদ্ধ ও কাঁচা আটার রুটি খুব ভালো হয়।

২. সিদ্ধ চালের গুঁড়ার রুটিও খুব ভালো হয়।

৩. দেশি ও বিদেশি রেসিপি অনুসারে বিভিন্ন ধরনের রুটি তৈরি করা যায়।

৪. পাতলা রুটি হয়।

৫. বড় আকারের রুটি তৈরি করা যায়।

৬. বিদ্যুৎ খরচ নাই।

৭. আমাদের অভ্যস্ত স্বাদের রুটি তৈরি করা যায়।

অসুবিধা

১. রুটি সেঁকে দেয় না।

২. ১৫/২০ দিন পর পর রুটি-পেপারটি পরিবর্তন করতে হয়।

লাইবা রুটি মেইকার কিনতে চাইলে ajkerdeal.com এ সার্চ করে কেনা যাবে। 

কিনতে ক্লিক করুন

আজকের ডিলের বিক্রিত দেশীও কিছু রুটি মেকারের বিস্তারিত জানিয়ে দিচ্ছি:

এটি দিয়ে আপনি সহজেই রুটি তৈরীর কাজ করতে পারবেন

এটির সাহায্যে আপনার রুটি বেলার কাজ হবে দ্রুততর।

  • মাত্র ২ সেকেন্ডেই তৈরী হবে সুন্দর এবং পারফেক্ট গোল রুটি
  • এমনকি বাচ্চারা বা বয়স্করাও তৈরী করতে পারবে এটি
  • সাধারণ রুটি, পরোটা, লুচি, অন্থনের রুটি, সমুচার রুটি, সিঙ্গাড়ার রুটি, আটার রুটি, চালের গুড়ার রুটি, সিদ্ধ আটার রুটি ইত্যাদি তৈরি করা যায়
  • কোন বিদ্যুৎ খরচ নাই
  • সম্পূর্ণ ফুডগ্রেড পণ্য
  • আকারে ছোট, তাই সহজে বহন যোগ্য
  • ১ বছরের গ্যারান্টি
  • ৯ ইঞ্চি সাইজ পর্যন্ত রুটি তৈরীর
  • সুবিধা
  • ম্যাটেরিয়ালঃ কাঠপরিবেশবান্ধব ও মজবুত
  • প্যাকেজে যা যা থাকছেঃ রুটি মেকার, ২০০ ফিট ফুড গ্রেড পলি, টেপ
  • ব্যবহারবিধি দেখতে এই লিঙ্কের সাহায্য নিনঃ https://www.facebook.com/magicrutimaker/videos/vb.102400396784252/219507491740208/
*রুটিমেকার* *গৃহস্থালিটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান এই  ব্যস্ত নগর জীবনে নিয়মিত রুটি বানানো বেশ ঝামেলার কাজ। তারপরেও নাস্তায় অনেকের রুটি না হলে চলেই না। আর ডায়াবেটিস রোগীদেরতো স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সকাল রাতে, দুই বেলায়ই রুটি খেতে হয়। তবে রুটি বানানোর শ্রমসাধ্য কাজটি সহজ করতে প্রচলিত নিয়মের পাশাপাশি রুটি বানানোর জন্য বাজারে বেরিয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রুটি মেকার।
 
 
দেশীয় রুটি মেকারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে, রুটি তৈরি সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকলেও মেশিনটি দিয়ে রুটি তৈরি করা সম্ভব। 
শুধু এর হাতল ধরে চাপ দিলেই সিদ্ধ আটার গোলা রুটিতে পরিণত হয়। 
এটা চালাতে বিদ্যুতের কোনো প্রয়োজন পড়ে না।
 
রুটি মেকারের সুবিধা
রুটি মেকার  দিয়ে আপনি সহজেই রুটি তৈরীর কাজ করতে পারবেন
এটির সাহায্যে আপনার রুটি বেলার কাজ হবে দ্রুততর। মাত্র ২ সেকেন্ডেই তৈরী হবে সুন্দর এবং পারফেক্ট গোল রুটি। এমনকি বাচ্চারা বা বয়স্করাও তৈরী করতে পারবে এটি সাধারণ রুটি, পরোটা, লুচি, অন্থনের রুটি, সমুচার রুটি, সিঙ্গাড়ার রুটি, আটার রুটি, চালের গুড়ার রুটি, সিদ্ধ আটার রুটি ইত্যাদি তৈরি করা যায় আকারে ছোট, তাই সহজে বহন যোগ্য
 
১. সিদ্ধ ও কাঁচা আটার রুটি খুব ভালো হয়।
 
২. সিদ্ধ চালের গুঁড়ার রুটিও খুব ভালো হয়।
 
৩. দেশি ও বিদেশি রেসিপি অনুসারে বিভিন্ন ধরনের রুটি তৈরি করা যায়।
 
৪. পাতলা রুটি হয়।
 
৫. বড় আকারের রুটি তৈরি করা যায়।
 
৬. বিদ্যুৎ খরচ নাই।
 
৭. আমাদের অভ্যস্ত স্বাদের রুটি তৈরি করা যায়।
 
 
রুটি মেকারের অসুবিধা
 
১. রুটি সেঁকে দেয় না।
 
২. ১৫/২০ দিন পর পর রুটি-পেপারটি পরিবর্তন করতে হয়।
 
 
১ বছরের গ্যারান্টি সহ রুটি মেকারটি কিনতে পাবেন ২,৬৫০ টাকায় 
 
কোথা থেকে কিনবেন ?
এটি কিনতে পাবেন সব ক্রোকারিজ দোকান ও সুপার শপগুলোতে। 
অনলাইনেও অর্ডার দিয়ে কিনতে পারবেন রুটি মেকার । 
অনলাইনে অর্ডার দিয়ে কিনতে চাইলে ক্লিক করুন এখানে 
 
*রুটিমেকার* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★