রেইনকোট

রেইনকোট নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রোদ বৃষ্টির এধরনের আবহাওয়ায় নিজেকে সতেজ রাখাটা একটু কষ্টকর। তার পরেও রোদ-বৃষ্টির আবহাওয়াতে নিজেকে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে একটু চেষ্টা করতে দোষ কি! কর্মব্যস্থ জীবনে বৃষ্টিতে উদাস হয়ে ভেজা কিংবা রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে রোদ উপভোগ করার ফুসরত করোই নেই। এ জন্য বৃষ্টি ও রোদের হাত থেকে বাঁচতে ব্যাগে সবসময ছাতা থাকা চাই-ই চাই। যাদের কালেকশনে ছাতা নেই বা যারা মোটরবাইকার তারা সঙ্গে রাখতে পারেন আকর্ষণীয় রেইনকোট। এই দুই অনুসঙ্গই আপনাকে রোদ বৃষ্টির আবহাওয়াতে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে পারে।

বৃষ্টিতে আপনাকে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখবে ছাতা ও রেইনকোট:

 

ছাতা এবং রেইনকোট রোদ-বৃষ্টির আবহাওয়ায় আপনার অন্যতম অনুসঙ্গ হতে পারে। দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলে দেশী-বিদেশী বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের ছাতা পাওয়া যায়। লম্বা ডাঁটওয়ালা ছাড়াও ফোল্ডিং ছাতাও পাওয়া যায়। দুই ও তিন ভাঁজের ফোল্ডিং ছাতা রয়েছে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে।

 

বাচ্চাদের জন্য বিশেষ কিছু ছাতা এখন বেশি চলছে। সবাই শিশুদের জন্যই আগে ছাতা কিনছে। এছাড়াও আকৃতিতে ছোট, সহজে বহনযোগ্য আর বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের হওয়ায় এ ছাতাগুলোর চাহিদা বেশি। আকারে ছোট হওয়ার কারণে ‘থ্রি ফোল্ড’য়ের ছাতার চাহিদাই বেশি। বিশেষ করে মহিলা ক্রেতাদের মধ্যে এই ছাতগুলোর চাহিদা বেশি। মানভেদে ছাতাগুলোর দাম পড়বে আড়াইশ থেকে এক হাজার টাকা।

 
রেইনকোট বৃষ্টির অন্যতম সঙ্গী। বৃষ্টি থেকে রক্ষা ও সাথে সাথে ফ্যাশনটা বজায় রাখতে রেইনকোটের জুড়ি মেলা ভার। সিঙ্গেল ও ডাবল দুই ধরনের লেয়ারের রেইনকোট পাওয়া যায়। তবে সিঙ্গেল লেয়ারের চেয়ে ডাবল লেয়ারের রেইকোট ভাল। ভালো মানের বর্ষাতির মধ্যে আছে ডার্বিসুপার, কমফোর্ট, ফেদার, ব্রিদেবল, রেড চ্যাম্পিয়ন ইত্যাদি। আবার দেশি পলিয়েস্টার, ওয়াটারপ্রুফ, ফিলিপস, প্যারাসুট, বিগবসও রয়েছে। তবে আমাদের ছেলেরা সাধারণত ক্লাসিক, অ্যাটলাস, হোন্ডা ও প্লেবয় ব্র্যান্ডের রেইনকোট গুলিই বেশি পরে।

 
রাস্তাঘাটে অনেক স্থানেই ছাতা ও রেইনকোট পাওয়া যায় তবে আপনি ঘরে বসে ভালমানের রেইনকোট পেয়ে যেতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকমে। ঘরে বসে ভাল মানের ছাতা ও রেইনকোট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ছাতা* *রেইনকোট* *রোদবৃষ্টি* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল*

প্যাঁচা : শিয়ালের বিয়ার দিন *রেইনকোট* মানে জান শেষ।হেহেহে...

Tutul chandra shil: *রেইনকোট* আমার কাছে রেইনকোট মানে বিরক্তিকর আর কিছু বলার নাই

মোঃ মুনজুর এলাহী সৌরভ: *রেইনকোট* ছাড়া চলাই দায়(মনখারাপ)

afroja ali: *রেইনকোট* আমার রেইন্ কোট নেই :(

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রোদ বৃষ্টির এধরনের আবহাওয়ায় নিজেকে সতেজ রাখাটা একটু কষ্টকর। তার পরেও রোদ-বৃষ্টির আবহাওয়াতে নিজেকে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে একটু চেষ্টা করতে দোষ কি! কর্মব্যস্থ জীবনে বৃষ্টিতে উদাস হয়ে ভেজা কিংবা রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে রোদ উপভোগ করার ফুসরত করোই নেই। এ জন্য বৃষ্টি ও রোদের হাত থেকে বাঁচতে ব্যাগে সবসময ছাতা থাকা চাই-ই চাই। যাদের কালেকশনে ছাতা নেই বা যারা মোটরবাইকার তারা সঙ্গে রাখতে পারেন আকর্ষণীয় রেইনকোট। এই দুই অনুসঙ্গই আপনাকে বর্ষার আবহাওয়াতে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে পারে।

বৃষ্টিতে আপনাকে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখবে ছাতা ও রেইনকোট:

ছাতা এবং রেইনকোটেএই বর্ষায় আপনার অন্যতম অনুসঙ্গ হতে পারে। বাজারে দেশী-বিদেশী বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের ছাতা পাওয়া যায়। লম্বা ডাঁটওয়ালা ছাড়াও ফোল্ডিং ছাতা বাজারে পাওয়া যায়। দুই ও তিন ভাঁজের ফোল্ডিং ছাতা বাজারে রয়েছে।

আকৃতিতে ছোট, সহজে বহনযোগ্য আর বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের হওয়ায় এ ছাতাগুলোর চাহিদা বেশি। এছাড়াও আকারে ছোট হওয়ার কারণে ‘থ্রি ফোল্ড’য়ের ছাতার চাহিদাই বেশি। বিশেষ করে মহিলা ক্রেতাদের মধ্যে এই ছাতগুলোর চাহিদা বেশি। মানভেদে ছাতাগুলোর দাম পড়বে আড়াইশ থেকে এক হাজার টাকা।


রেইনকোট বর্ষার অন্যতম সঙ্গী। বৃষ্টি থেকে রক্ষা ও সাথে সাথে ফ্যাশনটা বজায় রাখতে রেইনকোটের জুড়ি মেলা ভার। বাজারে সিঙ্গেল ও ডাবল দুই ধরনের লেয়ারের রেইনকোট পাওয়া যায়। তবে সিঙ্গেল লেয়ারের চেয়ে ডাবল লেয়ারের রেইকোট ভাল। বাজারে ভালো মানের বর্ষাতির মধ্যে আছে ডার্বিসুপার, কমফোর্ট, ফেদার, ব্রিদেবল, রেড চ্যাম্পিয়ন ইত্যাদি। আবার দেশি পলিয়েস্টার, ওয়াটারপ্রুফ, ফিলিপস, প্যারাসুট, বিগবসও রয়েছে। তবে আমাদের ছেলেরা সাধারণত ক্লাসিক, অ্যাটলাস, হোন্ডা ও প্লেবয় ব্র্যান্ডের রেইনকোট গুলিই বেশি পরে।


রাস্তাঘাটে অনেক স্থানেই ছাতা ও রেইনকোট পাওয়া যায় তবে আপনি ঘরে বসে ভালমানের রেইনকোট পেয়ে যেতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকমে। ঘরে বসে ভাল মানের ছাতা ও রেইনকোট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ছাতা* *রেইনকোট* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বৃষ্টিকে আমরা কম-বেশি সবাই ভালোবাসি। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডাবাজিটাও বৃষ্টির দিনগুলোতে জমে বেশ। কিন্তু একটি কর্মব্যস্ত দিনের শুরুতে অঝোর-ধারার বৃষ্টি কারও কাম্য নয়। গুটি গুটি পায়ে আসছে বর্ষা মৌসুম, যে কোনো সময় বৃষ্টি আপনার দুয়ারে এসে হাজির হতে পারে। তা হতে পারে একটি ব্যস্ত দিন, অথবা একটি অলস দিন। তাই এ বর্ষায় পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে যদি একটি বর্ষাতি বা রেইন কোট থাকে আপনার সঙ্গে, তাহলে আর থমকে দাঁড়াতে হবে না। বৃষ্টি উপেক্ষা করে বর্ষাতিটি গায়ে চাপিয়ে বেরিয়ে পড়ুন আপনার গন্তব্যস্থলে। বর্ষাতি অর্থাত্ রেইন কোটের হরেক রকম সংগ্রহ এসে পড়েছে নগরের মার্কেটগুলোয়। আসুন, ঘরে বসেই চোখ বুলিয়ে নিন রকমারি রেইন কোটগুলোর চাহিদা আর দাম-দস্তুরের ওপর।

এক্সক্লুসিভ রেইন কোট ফর বাইকার

কিনতে ক্লিক করুন 

ছেলে-বুড়ো সবার জন্য রয়েছে নানারকম রেইন কোটের সংগ্রহ। মেয়েদের জন্য রয়েছে নানা রংয়ের রেইন কোট। মেয়েদের ফ্যাশনের ব্যাপারটা মাথায় রেখেই হালকা রং ব্যবহার করা হয়েছে। ছেলেদের জন্যও রয়েছে গাঢ় রংয়ের রেইন কোট। যারা বাইক চালান তাদের জন্য রয়েছে ফুলপ্যান্টসহ রেইন কোট। আপনার স্কুলপড়ুয়া ছোটমণিটির জন্য বেছে নিন তার পছন্দের একটি। যেখানে থাকবে বিভিন্ন রংয়ের ব্যবহার, যা স্বভাবতই বাচ্চারা পছন্দ করে।

দরদাম : রেইনকোটের দাম নির্ভর করে কাপড়ের মান এবং কাপড়ের নিচে কয়টি পরত আছে তার উপর। রেইনকোটের ব্র্যান্ডের মধ্যে আছে ডার্বিসুপার, কমফোর্ট, ব্রিদেবল, রেড চ্যাম্পিয়ন ইত্যাদি। রেইন কোটগুলোর দাম পড়বে আপনার আওতার মধ্যেই। মেয়েদের রেইন কোট পাবেন ৩৫০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে। তবে তাতে যদি চমত্কার ডিজাইন চান তাহলে তার দামটা শুরু হবে ৬০০ টাকা থেকে। ছেলেদের রেইন কোট পাবেন ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। ফুলপ্যান্টসহ রেইন কোট সেট পাবেন ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায়।


বাচ্চাদের রেইন কোট পাবেন ১৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। রেইন কোটের কাপড়ের ওপর নির্ভর করে দাম নির্ধারণ করা হয়। প্লাস্টিকের রেইন কোটের দাম পড়বে কম। সিঙ্গেল কাপড়ের তৈরি রেইন কোট থেকে ডাবল কাপড়ের রেইন কোটের দামটা একটু বেশিই পড়বে। শুধু বাচ্চাদের জন্য নয়, ছোট-বড় সবার জন্যই দরকার বর্ষাতি। এটি বহন করতেও ঝামেলা পোহাতে হয় না। 

কোথায় পাবেন : রেইন কোটগুলো আমদানি করা হয় চায়না থেকে। তবে, রেইন কোট কিনতে আপনাকে চীনে যেতে হবে না।

নিউমার্কেট, বঙ্গবাজার, রাপা প্লাজা, বসুন্ধরা সিটি, পল্টন, বায়তুল মোকাররম, গুলশান সিটি কর্পোরেশন মার্কেট, উত্তরায় রাজলক্ষ্মী কমপ্লেক্সসহ রাজধানীর বিভিন্ন বিপণিবিতানেই নানা ডিজাইনের নানা রঙের বর্ষাতি পাওয়া যায়। কয়েকটা দেশি ব্র্যান্ডের পাশাপাশি চায়নিজ, কোরিয়ান, ইন্ডিয়ান বর্ষাতিই বেশি বাজারে। বড়দের পাশাপাশি ছোটদের জন্য আছে বাহারি বর্ষাতি।

মাথার হুডিসহ কোট এবং ট্রাউজারের পাশাপাশি একত্রে এক সেটের বর্ষাতিও আছে বাজারে। আছে চেইন লাগানো বা বোতাম লাগানো দুই ধরনের কোটই। কোনো কোনোটায় আবার বোতাম বা চেইন ছাড়াও আছে কোমরের কাছে ফিতে বাঁধার ব্যবস্থাও।

বর্ষা ঋতুতে বিড়ম্বনাও কম পোহাতে হয় না। বিশেষ করে কর্মজীবী মানুষ টের পায় বর্ষা জনিত বিড়ম্বনাটা কেমন। এই রোদ তো এই বৃষ্টি, ভিজে কুরে শেষ যদি আপনার সাথে ছাতা বা রেইন কোট না থাকে। আর এই বিড়ম্বনাকে এড়াতেই আজকের ডিল ডট কম এর একটি ক্ষুদ্র প্রয়াশ, আজকের ডিলে খুব কম দামে খুব ভাল মানের ছাতা ও রেইন কোট সংগ্রহ করেছে তার গ্রাহক ক্রেতার জন্য। আপনিও দেখতে পারেন এবং পছন্দ হলে কিনতে পারেন।

*বর্ষাকাল* *বর্ষাতি* *রেইনকোট*

এ. আর. খান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠতেই দেখি মায়ের হাতে ছোট্ট একটা বাক্স!
এটা কি মা?
তোর মোবাইল ফোন!

বলে কি! কতদিন ধরে চেয়ে চেয়ে পাইনি,আজ বলা নেই কওয়া নেই মা কিনে নিয়ে এসে হাজির!
নিজের কানকে যেন বিশ্বাস হচ্ছিল না! আবার জিজ্ঞেস করলাম- এটা কি মা?
তোর ফোন ফোন ফোন! মোবাইল ফোন!...

আরে ধেত! ঘুমটা ভেঙে গেল! কি দারুন লাগছিল! মা সমানে চেঁচাচ্ছে- অই তোর ফোন!
উফফ!!
দৌড়ে গিয়ে ডেস্কে রাখা চারকোণা বদখত বস্তুটার বিরাট ডান্ডাটা কানে ঠেকালাম।
-মনে আছে তো!
-কি?
-হুহুহুহু,আবার ভুলে গেছ?
-ওহহ!..হেহেহে..হ্যাঁ হ্যাঁ! আসব আসব,সন্ধ্যায় অবশ্যই আসব!
-আমার রেইনকোট?
-হুম,সেটাও!
-রং মনে আছে?
-অবশ্যই! পার্পল।
-ধুত!সব ভুলে যায়! রেড রেড রেড!
-ওহ হ্যাঁ! হেহে,লাল লাল! আনব আনব!
-মনে থাকে যেন!
-অবশ্যই!
-বাই!

বাসের পেছন দৌড়ে দৌড়ে জান শেষ! রাস্তাটা পার হওয়া অব্দি দাঁড়িয়েই থাকে,আমি কাছাকাছি গেলেই কেনো যেনো বাসটা ছেড়ে দেয় সব সময়। তারপর দৌড়,দ্যা রান!
বৃষ্টির মৌসুম শুরু হচ্ছে হচ্ছে ভাব। রাস্তা একটু একটু ভেজা। গুড়ি গুড়ি বৃষ্ট পড়ছেই থেকে থেকে। দরকার নেই,তবুও স্কুলের বাচ্চাগুলো অন্যদের সাথে পাল্লা দিয়ে অদ্ভুদ রংএর ছাতা আর রেইনকোট নিয়ে হাঁটছে। লাল দেখতে পাচ্ছি না খুব একটা। তবে যা আছে সবই কটকটে রং এর! বাচ্চাদের বোধ হয় কটকটে রং বেশি পছন্দ!

নায়নার লাল রং খুব পছন্দ! ওকে পড়াতে গেলে লাল কিছু গায়ে দিতেই পারতাম না! একবার লাল একটা চাদর গায়ে দিয়ে পড়াতে গিয়েছিলাম। সেটা খুলে রেখে আ্সতে হয়েছিল।ভাগ্যিস শার্ট বা প্যান্টটা লাল ছিল না! তাহলে কি হত কে জানে! হাহাহা,পাগলি একটা!

অতসব ভাবতে ভাবতে কোন সময় যে এক লাল শাড়ি পড়া আন্টির দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে ছিলাম! হেল্পারের "এইইই সাইন্সল্যাব" বলে চেঁচাতেই হুঁশে ফিরলাম। আন্টি মুচকি হাসল না বিড়বিড় করে গাল দিল কে জানে! তবে পাশের সিটি কলেজের সাদা পরীদের খ্যাকখ্যাক হাসি শুনে পিত্তি জ্বলে গেল!
-কিরে! শেষ পর্যন্ত খালাম্মা পছন্দ হল?আমরা কি দোষ করেছিরে? হিহিহি!
-ধুরর, তোরা তো কলেজ পার না হতেই বিধবা! যাহহ! সাদা ড্রেস পইড়া বিয়ার জন্যে অফিসের আঙ্কেলগো খুঁজ গিয়া যা!..হাহাহা..হিহিহি...

কলেজ সেরে নিউমার্কেটে ঢুকলাম। ভুলে গেলে এইবার সিওর মাথার চুলগুলো আস্ত থাকবে না।হাতে পায়ে লাল কালি দিয়ে কালার করে আমাকে সং সাজাবে।
একবার লাল রংএর মলাট অলা খাতা আনতে ভুলে গিয়েছিলাম,সেজন্য আমার হাতের তালু ভরে দিয়েছিল টমেটো সস দিয়ে! হাহাহা,পাগলি!
কত করে যে তাকে না করতে হয় খাতায় লাল কালি দিয়ে লিখবে না! কি করে যেন লুকিয়ে একটা লাল কলম নিয়েই যায় সে। এরপর আর কি! খাতায় লাড্ডগোড্ডা!
ব্যাডমিন্টনের র‌্যাকেটটা লাল রংএর হয়নি বলে আমাকে দিয়ে পুরোটা র‌্যাকেট লাল কস্টেপ দিয়ে মুড়িয়ে নিয়েছিল। উফফ,১টা ঘন্টা লেগেছিল আর পুরো হাত আঠায়...হাহাহা...

আজকে ভুল হলে কি করবে কে জানে? ভুল করা যাবে না।
কপাল! লাল রেইনকোট অনেকগুলো আছে। কিন্তু মাথাটা অন্য রংএর,চলবে না। শেষে আমার মাথা কেটে লাল রং করে লাগিয়ে দেবে পাগলিটা। একটাই যখন পছন্দ,দরদামে জেতার চেষ্টা আর করলাম না। তার চেয়ে শাস্তি থেকে বাঁচাটাই শ্রেয়! হাহাহা

মার্কেট থেকে বেরিয়ে স্যারের বাসার দিকে হাঁটা দিলাম। আজকে স্যারকে বলে আগে আগে বেরিয়ে পড়তে হবে। কেক কাটার সময় না থাকলে আরো কি ভয়ানক শাস্তি পেতে হবে কে জানে! পড়াতে গেলে লেট হলে অবশ্য কিছু বলে না। যেদিন তাকে নিয়ে বেড়াতে যেতে হবে সেই দিন লেট করলে বিপদ! জাতে মাতাল হলেও তালে ঠিক! পাগলি!হাহাহা

স্যারের বাসার কলিংবেলের সুইচটায় লাল কস্টেপ দেয়া কেনো যেনো! নায়নার বাসায়ও ড্রয়িং রুমের সুইচবোর্ডের একটা ফাঁকা সুইচের জায়গায় লাল কস্টেপ দেয়া।লালের প্রতি তার এত আগ্রহ যে,বারবার না করলেও ওখানে সে হাত দেবেই!

স্যারের বাসা থেকে বেরিয়ে আবার সেই দৌড় দ্যা রান করে বাস ধরে মালিবাগ।বাস থেকে নামতেই গুড়িগুড়ি বৃষ্টি।আমার ছাতা ভালো লাগে না।সময় না থাকলে ভিজি,ভেজা চুলে হাত চালিয়ে ব্যাকব্রাশ করতে কেমন একটু হিরো হিরো ভাব আসে!হাহা..
নায়নারও ছাতা পছন্দ না।রেইনকোটের জন্য জেদ করে সেদিন নাকি ভিজে ভিজে স্কুলে থেকে ফিরেছে!তাই আজকে তার জন্মদিনের গিফট হিসেবে এটাই বায়না ধরেছে!

কিন্তু একি!!
নায়নার বাসার সামনে যেতেই দেখি থমথমে ভাব!
আন্টির শূন্য দৃষ্টি,আঙ্কেলের বোবা কান্না।
সাদা কাপড়টা সরাতেই দেখি নিথর ছোট্ট মুখটা,দুষ্টুমি হাসি নেই!চোখ বন্ধ!
উফফ কেনোওও!

সকালে ফোনটা রেখেই আঙুলটা ঢুকিয়ে দিয়েছিল সেই লাল কস্টেপে ঢাকা সুইচবোর্ডে।
উফফ! এর চেয়ে নির্মম দৃশ্য আর হয়?৮বছরেই থেমে যাবে তার লাল রংএর দুনিয়া?লাল রেইনকোট পড়ে ভিজবে না ও?

হাঁটতে শুরু করলাম,আস্তে আস্তে,চোখে বৃষ্টি..
বুকে জড়িয়ে লাল রেইনকোট...
*রেইনকোট*
জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

প্রথম বন্ধুঃ কী রে, তুই আমার রেইনকোট পরেছিস কেন? তোকে না বলেছি, তুই আমার কিছু ধরবি না। দ্বিতীয় বন্ধুঃ আরে বেটা, বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে। পরেছি তো তোর ভালোর জন্যই। প্রথম বন্ধুঃ কিসের ভালো? দ্বিতীয় বন্ধুঃ তোর শার্ট যাতে না ভিজে সেজন্ তো রেইনকোট পরেছি। (অবাক) (হাসি২)(হাসি-৩)
*রেইনকোট*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★