রোবট

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রোবট সোফিয়াকে নিয়ে কি ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*রোবট* *রোবটসোফিয়া* *বেশতো*

সুমনা হোসেন: কল্পনা শক্তি আছে বলেই সে মিথ্যা বলতে পারে । যে মানুষ মিথ্যা বলতে পারে না, সে সৃষ্টিশীল মানুষ না, রোবট টাইপ মানুষ । -----হুমায়ূন আহমেদ (আমি ভাই রোবট টাইপ না, চান্স পেলেই মিথ্যে বলি। তবে আমার পরিচিত রোবট টাইপ মানুষ আছে যারা মিথ্যা বলতেই পারেনা! )

*মিথ্যা* *রোবট* *কল্পনা*
ছবি

Risingbd.com: ফটো পোস্ট করেছে

Risingbd.com: ফালতু সব রোবট বানিয়ে জনপ্রিয় এই তরুণী! (ভিডিও) সিমন নিজেও অবশ্য নিজেকে ‘জঘন্য সব রোবটের রাণী’ বলে থাকে। মানুষের দৈনন্দিন কার্যক্রমে সহায়তা করবে এমন সব রোবট উদ্ভাবন করে সিমন, কিন্তু ...বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/1WmCb3e

*আড্ডা* *ভাগ্য* *যান্ত্রিকজীবন* *রোবট* *তরুণী*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


কিছু হারিয়ে গেছে বা কোথাও কিছু পড়ে আছে, যেখানে মানুষের পক্ষে যাওয়া সম্ভব না, সেই জিনিস খুঁজে বের করতে বা সেখানে যেতে পাঠানো হবে ‘স্পাই রোবট’। একে স্মার্টফোন দিয়েই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। পাশে থাকা মনিটরে দেখা যাবে এর গতিবিধি। এই রোবট তৈরি করেছেন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের এ এস এম শামীম হাসান। শামীম রোবটির নাম দিয়েছেন স্মার্টফোন-নিয়ন্ত্রিত রোবট।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের মহদীপুর গ্রামের আবদুল গণির ছেলে শামীম। তিনি কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফলিত পদার্থবিজ্ঞান, ইলেকট্রনিকস ও যোগাযোগ প্রকৌশল বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণির ছাত্র। পরিত্যক্ত কলম, প্লাস্টিক বোর্ড, বলপয়েন্ট পেনের রিফিল, ক্লিপ, ছোট ব্যাটারি, তার আর কিছু ছোটখাটো যন্ত্র নিয়ে স্মার্টফোন-নিয়ন্ত্রিত রোবটটি বানিয়েছেন শামীম।
শামীমের রোবট মূলত উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা যায়। মানুষ যেখানে যেতে পারে না, সেখানে রোবটটি অনায়াসে যেতে পারে। সেই জায়গার তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করতে পারবে রোবটটি। রোবটের চারপাশে কোনো বস্তুর অবস্থান জানার জন্য এর ক্যামেরাটি ১৮০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘুরে ভিডিওচিত্র ধারণ করতে পারবে এবং তা সরাসরি মনিটরে দেখাবে। তবে আরেকটি স্মার্টফোন ব্যবহার করা হলে টিভি মনিটরের প্রয়োজন নেই।চাবির রিং তুলছে রোবট
শামীম বলেন, ‘পরিত্যক্ত কলম দিয়ে রোবটের একটি হাত বানানো হয়েছে। সঙ্গে লাগানো আছে ক্লিপ। এটি দিয়ে কোনো নমুনা বস্তু তুলে নিয়ে আসতে পারবে রোবটটি। এই রোবটে তারহীন ব্লুটুথ আছে। ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলে একে আরও বেশি দূরত্ব থেকে নিয়ন্ত্রণ করার যাবে। এটি ৫০ গ্রাম ওজনের বস্তু তুলে আনতে পারে।’
শামীম ২০০৭ সালে এসএসসি এবং ২০০৯ সালে এইচএসসি পাস করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। শামীম হোসেন জানান, তিনি এরই মধ্যে ওয়াটার লেভেল কন্ট্রোলার, জেনারেটরের ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার, স্মার্টফোন কন্ট্রোলড হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও সিকিউরিটি লক, স্বয়ংক্রিয় ফ্যান রেগুলেটর, সোলার ট্যাকার তৈরি করেছেন।
শামীমের রোবট সম্পর্কে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মমতাজুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান সময়ে রোবট দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কাজ করানো হচ্ছে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। শামীম আইডিয়া পেলে ছোট এই রোবট থেকে হয়তো একদিন বড় কিছু তৈরি করছে পারবে।’

*বেশটেক* *রোবট* *বিজ্ঞান* *প্রযুক্তি* *বেশম্ভব*
*রোবট* *বিজ্ঞান* *প্রযুক্তি* *বেশম্ভব*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রোবট (ইংরেজি ভাষায়: Robot) একটি যান্ত্রিক কিংবা কাল্পনিক (virtual), কৃত্রিম কার্যসম্পাদক (agent)। রোবট সাধারণত একটি ইলেক্ট্রো-যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যার কাজকর্ম, অবয়ব ও চলাফেরা দেখে মনে হয় এটি স্বেচ্ছায় কাজ করছে।

কোন রোবট নিচের ধর্মগুলির সব বা অংশবিশেষ প্রদর্শন করে।

প্রাকৃতিক নয়, কৃত্রিম
পরিবেশ অনুভব করার ক্ষমতা আছে।
পরিবেশের বস্তু নিয়ে কাজ করতে পারে।
কিছুটা বুদ্ধিমত্তা আছে, যার সাহায্যে পরিবেশ বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
কম্পিউটারের মাধ্যমে প্রোগ্রামযোগ্য।
ঘুরতে পারে ও স্থানান্তর করতে পারে।
দক্ষভাবে সুনিয়ন্ত্রিত চলন প্রদর্শন করতে পারে।
স্বেচ্ছায় কাজ করছে, এরকম আভাস দিতে পারে। 
*রোবট*

ঈশান রাব্বি বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

মানুষের মনের লুকানো খবর অনায়াসেই জানিয়ে দিতে পারবে এমন একটি রোবট উদ্ভাবনের দাবি করছেন জীব বিজ্ঞানীরা। তারা এটির নাম দিয়েছেন ‘সাইকিক রোবট’।

রোবটটির উদ্ভাবকরা জানিয়েছেন, এই সাইকিক রোবটটি মানুষের মনের ইচ্ছার কথা বলে দিতে সক্ষম। এই রোবট মানবীয় অনুভূতিসম্পন্ন।

আলগরিদমের সহায়তায় সাইকিক রোবট তার মনিবের মনের ইচ্ছার কথা আগাম জানতে পারে। সে অনুযায়ী নিজেকে পরিচালিত করতে পারে।

সাইকিক রোবটের মালিক তার রোবটকে দিয়ে কি কাজ করাতে চান, তাও আগাম বুঝতে সক্ষম এই যন্ত্র মানব।

রোবটটির উদ্ভাবক জাস্টিন হোরোউইটজ বলেন, ‘এই রোবট মানুষের মনের খবর বুঝতে এক গাণিতিক আলগরিদমকে ব্যবহার করে। এই রোবট মানুষের নড়াচড়া কিংবা চলাফেরাকে গুরুত্ব দেয় না। তাই মানুষ যখন কোন কাজ করার মাঝে নড়াচড়া থামিয়ে সেই কাজ করা বন্ধ করে দেয় তখন এই রোবটের পক্ষে পরবর্তী সঠিক পদক্ষেপ নিতে অসুবিধা হয় না। কারণ এই রোবট মানুষের মনের মধ্যকার লুকানো ইচ্ছার খবর জানতে সক্ষম।’

জাস্টিন আরও বলেন, ‘বিভিন্ন প্রকার যন্ত্রের ডিজাইন করতে আমরা এই আলগরিদমকে ব্যবহার করতে পারি। যার সাহায্যে বিপথগামী গাড়ির গতিপথকে পুনরায় সঠিক জায়গায় আনা যাবে এবং মাংসপেশীর খিঁচুনিজনিত কারণে সৃষ্ট স্ট্রোকের কবল থেকে রোগীকে বাঁচানো সম্ভবপর হবে’।

এই ধরনের রোবটের উদ্ভাবন সত্যি অবিশ্বাস্য। কেননা, এরা মানুষের মতো করেই অবিকলভাবে অনুকরণ করতে পারে। কোন ঘটনা ঘটলে মানুষ যেমনটি সাড়া দেয়, ঠিক তেমনই সাড়া দিতে পারে এই রোবট।
*রোবট*

habib: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মানুষের মনের লুকানো খবর অনায়াসেই জানিয়ে দিতে পারবে এমন একটি রোবট উদ্ভাবনের দাবি করছেন জীব বিজ্ঞানীরা। তারা এটির নাম দিয়েছেন ‘সাইকিক রোবট’।

রোবটটির উদ্ভাবকরা জানিয়েছেন, এই সাইকিক রোবটটি মানুষের মনের ইচ্ছার কথা বলে দিতে সক্ষম। এই রোবট মানবীয় অনুভূতিসম্পন্ন।

আলগরিদমের সহায়তায় সাইকিক রোবট তার মনিবের মনের ইচ্ছার কথা আগাম জানতে পারে। সে অনুযায়ী নিজেকে পরিচালিত করতে পারে।

সাইকিক রোবটের মালিক তার রোবটকে দিয়ে কি কাজ করাতে চান, তাও আগাম বুঝতে সক্ষম এই যন্ত্র মানব।

রোবটটির উদ্ভাবক জাস্টিন হোরোউইটজ বলেন, ‘এই রোবট মানুষের মনের খবর বুঝতে এক গাণিতিক আলগরিদমকে ব্যবহার করে। এই রোবট মানুষের নড়াচড়া কিংবা চলাফেরাকে গুরুত্ব দেয় না। তাই মানুষ যখন কোন কাজ করার মাঝে নড়াচড়া থামিয়ে সেই কাজ করা বন্ধ করে দেয় তখন এই রোবটের পক্ষে পরবর্তী সঠিক পদক্ষেপ নিতে অসুবিধা হয় না। কারণ এই রোবট মানুষের মনের মধ্যকার লুকানো ইচ্ছার খবর জানতে সক্ষম।’

জাস্টিন আরও বলেন, ‘বিভিন্ন প্রকার যন্ত্রের ডিজাইন করতে আমরা এই আলগরিদমকে ব্যবহার করতে পারি। যার সাহায্যে বিপথগামী গাড়ির গতিপথকে পুনরায় সঠিক জায়গায় আনা যাবে এবং মাংসপেশীর খিঁচুনিজনিত কারণে সৃষ্ট স্ট্রোকের কবল থেকে রোগীকে বাঁচানো সম্ভবপর হবে’।

এই ধরনের রোবটের উদ্ভাবন সত্যি অবিশ্বাস্য। কেননা, এরা মানুষের মতো করেই অবিকলভাবে অনুকরণ করতে পারে। কোন ঘটনা ঘটলে মানুষ যেমনটি সাড়া দেয়, ঠিক তেমনই সাড়া দিতে পারে এই রোবট।
*রোবট*
ছবি

টেক টনিক: ফটো পোস্ট করেছে

২০৫০-এ পৃথিবীর দখল নেবে সুপার রোবট!

আগামী পৃথিবী কি চলে যাবে আইজ্যাক আজিমভের কল্পবিজ্ঞানের রোবট যুগে? নাকি বসুন্ধরার দখল নেবে ইভান ইয়েফ্রেমভের সায়েন্স ফিকশনের রোবট মস্তিষ্ক আইভা? এ কথা যদি সত্যি হয়, তাহলে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে মহাবিশ্বের দখল নেবে সুপার ইন্টেলিজেন্ট রোবটেরা। এমন তত্ত্ব খাড়া করে সকলকে চমকে দিলেন একদল মার্কিন বিজ্ঞানী। তাঁরা বলছেন, এমনটা হতেই পারে যে মানুষ নিজেদের চারপাশে যা দেখছে-করছে-গড়ছে সবই আসলে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে কোনও বিশালাকৃতির রোবট দুনিয়ার দ্বারা। সহজ করে বুঝিয়ে বললে, দুনিয়াটা আসলে এক মহারোবটের খেলাঘর। শুনলে আজগুবি মনে হলেও এর পিছনে যথেষ্ট যুক্তি খাড়া করেছেন গবেষকরা। স্পেস ডট কমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ক্লোজার টু আর্থ গ্রন্থের লেখক রবার্ট লরেন্স কুন দাবি করেছেন, হতে পারে কোনও এক দৈতাকৃতির কম্পিউটার গেমে আমরা হব সবাই অংশীদার। মহারোবটদের হাতেই নিয়ন্ত্রিত হবে আমাদের মস্তিষ্কের নিউরন। এমনকী, মহাজাগতিক কয়েকটি নিয়মের প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে তিনি দাবি করেছেন, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ সবই হয়তো তখন মেকানাইজড কম্পিউটারাইজড প্রসেসে নিয়ন্ত্রিত হবে।-কলকাতা২৪

*চটখবর* *তথ্যপ্রযুক্তি* *রোবট*

ঈশান রাব্বি: আমার অনেক দিনের শখ একটা *রোবট* কারখানা খুলবো সেখান থেকে তৈরি হবে কোটি কোটি রোবট, বলা তো যায়না যদি বাস্তবে এমন হয়ে যায় তবে বেশতো অফিসের সামনে মাত্র ৫ টা রোবটস দেবো পাহাদার হিসেবে , আর যারা আমাকে ফলো করেছে তাদের সব্বাইকে একটা করে রোবট দিয়ে দেব বিনামূল্যে

*রোবট* *বিজ্ঞান* *রোবট*

রং নাম্বার: -- আবারো মানুষ খুন করলো রোবট- তৃতীয়বারের মতো মানুষ খুন করলো কারখানার রোবট। ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৬ জুন জার্মানিতে। সেখানকার গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভক্সওয়াগেন প্লান্টে একজন ঠিকাদারকে খুন করেছে একটি রোবট। প্লানটি বাউনটালে অবস্থিত। ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে বাউনটাল ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিস্তারিত (নিচেদেখ)

*টেকনিউজ* *রোবট*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রযুক্তির নতুন নতুন উদ্ভাবন আমাদের অবাক করে দিচ্ছে! পৃথিবীতে অনেক পরিবর্তন এসেছে যা আমাদের জন্য আশার বাণী নিয়ে আসে আবার অনকে সময় হতাশায় নিমজ্জিত করতেও দ্বিধাবোধ করে না। আমরা প্রযুক্তি বুঝছি, ব্যবহার করছি, আর কি পরিবর্তন করা যায় তা নিয়ে চিন্তা করছি।প্রযুক্তি পরিবর্তনের চিন্তার ফসল হিসেবে, ২০১৫ সালে এমন কিছু প্রযুক্তি আমাদের মাঝে আসবে, যা আমাদের ভবিষ্যত পরিবর্তন করে দিতে পারে।

বিগ ডাটা (Big Data):
২০১০ সালে গুগলের এক্সকিউটিভ চেয়ারম্যান “এরিক স্মিডট” বলেন, বিশ্বে প্রতি দুই দিনে প্রায় ৫ এক্সাবাইট ডাটা সংরক্ষিত হচ্ছে। “এরিক স্মিডট” বলেন, আমরা ডাটা তৈরি করছি নাহ, আমরা ডাটা সংরক্ষন করছি এবং লক্ষ্য করছি প্রতিদিন কি পরিমান ডাটা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে ২০১৪ সালে নভেম্ভর পর্যন্ত এই ডাটা বৃদ্ধির পরিমান ২০১০ সালের থেকে দ্বিগুনের থেকে বেশি হয়েছে। আগামি বছরে ইন্টেল, আইবিএম, গুগল, ফেসবুক এবং আরো প্রযুক্তি জায়ান্ট কোম্পানী গুলো তাদের ডাটা সংরক্ষনের জন্য একটি পাওয়ারফুল ডিসিশন মেকিং টুল তৈরি করেছে। এই টুলসটির ব্যাবহারের ফলে ডাটা ফিল্টারিং এ অনেক পরিবর্তন আসবে, এর ফলে কোন প্রকারের অপ্রয়োজনীয় ডাটা থাকবে না। টেক জায়ান্ট কোম্পানীগুলো ডাটা সরবরাহের ক্ষেত্রে সুপার কম্পিউটার ব্যাবহার করতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
বর্তমানে প্রযুক্তির সকল ব্যবহারের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সবচেয়ে আধুনিক ধরা হয়। ওয়েভ এপ্লিকেশন থেকে শুরু করে হার্ডওয়্যার পর্যন্ত প্রায় সকল কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যাবহার করা হচ্ছে। যেমনঃ মাইক্রোসফট স্কাইপিতে অটোমেটিক ভয়েজ ট্রান্সলেশনের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। স্কাইপিতে অটোমেটিক ভয়েজ ট্রান্সলেশনের জন্য ব্যাবহৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে “ব্রুট-ফোর্স কম্পিউটিং” বলে। ইউক্রেন বালক ইউজিন গ্রোষ্টম্যানের “ট্রানিং টেষ্ট”, অর্থাৎ কোন ব্যাক্তি যখন কারো সাথে কোন কথা বলার সময় অন্য কি চিন্তা করছে তাহা এই প্রোগ্রাম এক্সিকিউট করতে পারবে। ইউক্রেন বালক ইউজিন গ্রোষ্টম্যানের “ট্রানিং টেষ্ট” কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার একটি অন্যতম প্রয়োগ।

রোবট (Robot):
এমন যদি বলা যেত, ২০১৫ সাল হবে মনুষ্য রোবটের পূর্ণতার বছর। তাহলে হয়তো আগামী বছর থেকে আমরা মানুষেরা অবসরে চলে যেতাম, আর আমাদের সকল কাজ রোবট করে দিত। তবে হ্যা, বিশ্বের অনেক বড় বড় ইন্ডাষ্ট্রিতে রোবট ব্যাবহার করা হচ্ছে। বিজ্ঞানীরা গত কয়েক দশক ধরে মানুষ্য রোবট তৈরি করার চেষ্টা করে যাচ্ছে, ধারনা করা হচ্ছে, ২০১৫ সাল হবে রোবট যুগের বিপ্লবের বছর। এমআইটির কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ল্যাবরেটরির প্রধান “প্রফেসর জুলি এ. সাহ” বলেন- “আগামী বছরে রোবটের সম্ভবত রোবট ম্যানুফেকচারিং প্রসেসে পরিবর্তন আসতে পারে”।
(সংকলিত)
*তথ্যপ্রযুক্তি* *উদ্ভাবন* *আবিষ্কার* *বিগডাটা* *রোবট*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★