লাড্ডু

লাড্ডু নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রসে ডোবা রসালো মিষ্টির নাম রসগোল্লা। বাংলাদেশের মিষ্টিকুলের মধ্যে রসগোল্লা খুবই জনপ্রিয়। রসে ভরা রসালো রসগোল্লা দেখলে যে কোন বাঙ্গালির জিহবায় জল আসবে এতে কোন সন্দেহ নেই! বাঙালিদের যেকোন অনুষ্ঠান রসগোল্লা ছাড়া অপূর্ণ থেকে যায়। সামনে আসছে ভালোবাসা দিবস ও বসন্তবরণ উৎসব। তাই বাঙ্গালির বসন্ত বরণের উৎসবে মিষ্টি মুখ করুন রসে ভরা রসগোল্লা দিয়ে। চলুন রসেভরা রসগোল্লা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই। 
 
রসগোল্লা প্রাচীন ইতিহাস
পাবনার বিখ্যাত রসগোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
চিনির সঙ্গে ছানার রসায়নে আধুনিক সন্দেশ ও রসগোল্লার উদ্ভাবন অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে। রসগোল্লার নাম আদিতে ছিল গোপাল গোল্লা। রসের রসিক বাঙালি চিনির সিরায় ডোবানো বিশুদ্ধ ছানার গোল্লাকে নাম দিয়েছে রসগোল্লা। ওডিশা না পশ্চিমবঙ্গ? রসগোল্লার দুই যোগ্য হকদার। এ নিয়ে ভারতের দুই রাজ্যের মধ্যে বেশ গণ্ডগোলও হয়ে গেছে। ওডিশা রসগোল্লার আবিষ্কার ভূমি হিসেবে স্বীকৃতি পেতে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তবে কলকাতাও নাছোড়বান্দা। কিছুতেই দাবি ছাড়বে না রসগোল্লার ওপর। বিখ্যাত মিষ্টি প্রস্তুতকারক নবীন চন্দ্র দাসের পরিবারও কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছে। 
 
গাইবান্ধার বিখ্যাত রসগোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
১৮৬৮ সালে বাগবাজারে (তত্কালীন সুতানুটি) ছিল নবীন ময়রার মিষ্টির দোকান। তিনিই নাকি প্রথম ছানার মণ্ড চিনির সিরায় ডুবিয়ে তৈরি করেন রসগোল্লা। এ মিষ্টি আবিষ্কারের কাহিনী রয়েছে ওডিশায়ও। লক্ষ্মী দেবীর অভিমান ভাঙানোর জন্য জগন্নাথ দেব তাকে খাইয়েছিলেন ক্ষীরমোহন। সেই ক্ষীরমোহনই পরিচিতি পায় রসগোল্লা হিসেবে। আবার নথি ঘেঁটে পাওয়া গেছে অনেক তথ্য। তা হচ্ছে, রসগোল্লা আবিষ্কারে জড়িত অন্য কেউ। দাস শুধু তা জনপ্রিয় করে তুলতে সাহায্য করেছেন। খাদ্যবিশারদ প্রণব রায়ের এ-সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল ১৯৮৭ সালে ‘বাংলার খবর’ পত্রিকায়। জানা যায়, ১৮৬৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টের কাছেই ছিল ব্রজ ময়রার মিষ্টির দোকান। নবীন ময়রা রসগোল্লা বিক্রি শুরুর দুই বছর আগে সেখানে নাকি রসগোল্লা পাওয়া যেত। শুধু কি তাই! পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার হারাধন ময়রা উনিশ শতকে রসগোল্লা প্রথম তৈরি করেন বলে বিশ শতকের গোড়ার দিকে জানিয়েছেন পঞ্চানা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রানাঘাটের পাল চৌধুরীদের জন্য কাজ করতেন। রসগোল্লার সর্বশেষ সংস্করণ স্পঞ্জের রসগোল্লা।
 
বাঙ্গালির রসগোল্লা
পোড়াবাড়ির বিখ্যাত রসগোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
বিখ্যাত মিষ্টি রসগোল্লা বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। রেসিপিটা সহজ হওয়াই সবাই রসগোল্লা বানাতে পারে। কিন্তু সবার মিষ্টির স্বাদ একরকম হয় না। যেমন, বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, মাদরীপুর, পাবনা, গাইবান্ধা, টাঙ্গাইল ইত্যাদি জেলা সমূহের রসগোল্লা খুবই বিখ্যাত।
 
 
 
 
 
মৌলভীবাজারের ঝান্ডুদা'র রসগোল্লা কিনতে ক্লিক করুন
জনপ্রিয় এই মিষ্টির দাম অবশ্য খুব একটা বেশি না। ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৭০০ টাকার মধ্যে দেশের যে কোন মিষ্টির দোকানে রসগোল্লা কিনতে পাবেন। যারা ঢাকার মধ্যে রয়েছেন তারা বাড়তি কষ্ট না করে দেশের জনপ্রিয় সব অনলাইন শপ গুলোর মিষ্টির কালেকশন থেকে  রসগোল্লা কিনে নিতে পারেন। রসগোল্লা কেনার সুবিধার্থে আপনার  জন্য নিচের লিংকটি শেয়ার করলাম।
 
বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যবাহী রসগোল্লা কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
*মিষ্টি* *রসগোল্লা* *লাড্ডু* *শপিং* *ইতিহাস* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রসে ডোবা রসালো মিষ্টির নাম রসগোল্লা। বাংলাদেশের মিষ্টিকুলের মধ্যে রসগোল্লা খুবই জনপ্রিয়। রসে ভরা রসালো রসগোল্লা দেখলে যে কোন বাঙ্গালির জিহবায় জল আসবে এতে কোন সন্দেহ নেই! বাঙালিদের যেকোন অনুষ্ঠান রসগোল্লা ছাড়া অপূর্ণ থেকে যায়। তাই বাঙ্গালির মিষ্টি মানেই রসে ভরা রসগোল্লা। আজকের আয়োজন রসগোল্লা নিয়ে...

রসগোল্লা প্রাচীন ইতিহাস
চিনির সঙ্গে ছানার রসায়নে আধুনিক সন্দেশ ও রসগোল্লার উদ্ভাবন অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে। রসগোল্লার নাম আদিতে ছিল গোপাল গোল্লা। রসের রসিক বাঙালি চিনির সিরায় ডোবানো বিশুদ্ধ ছানার গোল্লাকে নাম দিয়েছে রসগোল্লা। ওডিশা না পশ্চিমবঙ্গ? রসগোল্লার দুই যোগ্য হকদার। এ নিয়ে ভারতের দুই রাজ্যের মধ্যে বেশ গণ্ডগোলও হয়ে গেছে। ওডিশা রসগোল্লার আবিষ্কার ভূমি হিসেবে স্বীকৃতি পেতে আবেদন জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। তবে কলকাতাও নাছোড়বান্দা। কিছুতেই দাবি ছাড়বে না রসগোল্লার ওপর। বিখ্যাত মিষ্টি প্রস্তুতকারক নবীন চন্দ্র দাসের পরিবারও কেন্দ্রের দ্বারস্থ হয়েছে। 
১৮৬৮ সালে বাগবাজারে (তত্কালীন সুতানুটি) ছিল নবীন ময়রার মিষ্টির দোকান। তিনিই নাকি প্রথম ছানার মণ্ড চিনির সিরায় ডুবিয়ে তৈরি করেন রসগোল্লা। এ মিষ্টি আবিষ্কারের কাহিনী রয়েছে ওডিশায়ও। লক্ষ্মী দেবীর অভিমান ভাঙানোর জন্য জগন্নাথ দেব তাকে খাইয়েছিলেন ক্ষীরমোহন। সেই ক্ষীরমোহনই পরিচিতি পায় রসগোল্লা হিসেবে। আবার নথি ঘেঁটে পাওয়া গেছে অনেক তথ্য। তা হচ্ছে, রসগোল্লা আবিষ্কারে জড়িত অন্য কেউ। দাস শুধু তা জনপ্রিয় করে তুলতে সাহায্য করেছেন। খাদ্যবিশারদ প্রণব রায়ের এ-সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছিল ১৯৮৭ সালে ‘বাংলার খবর’ পত্রিকায়। জানা যায়, ১৮৬৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টের কাছেই ছিল ব্রজ ময়রার মিষ্টির দোকান। নবীন ময়রা রসগোল্লা বিক্রি শুরুর দুই বছর আগে সেখানে নাকি রসগোল্লা পাওয়া যেত। শুধু কি তাই! পশ্চিমবঙ্গের নদীয়ার হারাধন ময়রা উনিশ শতকে রসগোল্লা প্রথম তৈরি করেন বলে বিশ শতকের গোড়ার দিকে জানিয়েছেন পঞ্চানা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রানাঘাটের পাল চৌধুরীদের জন্য কাজ করতেন। রসগোল্লার সর্বশেষ সংস্করণ স্পঞ্জের রসগোল্লা।

বাঙ্গালির রসগোল্লা
পোড়াবাড়ির বিখ্যাত রসগোল্লা
বিখ্যাত মিষ্টি রসগোল্লা বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। রেসিপিটা সহজ হওয়াই সবাই রসগোল্লা বানাতে পারে। কিন্তু সবার মিষ্টির স্বাদ একরকম হয় না। যেমন, বাংলাদেশের মৌলভীবাজার, মাদরীপুর, পাবনা, গাইবান্ধা, টাঙ্গাইল ইত্যাদি জেলা সমূহের রসগোল্লা খুবই বিখ্যাত।
জনপ্রিয় এই মিষ্টির দাম অবশ্য খুব একটা বেশি না। ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৭০০ টাকার মধ্যে দেশের যে কোন মিষ্টির দোকানে রসগোল্লা কিনতে পাবেন। যারা ঢাকার মধ্যে রয়েছেন তারা বাড়তি কষ্ট না করে দেশের জনপ্রিয় সব অনলাইন শপ গুলোর মিষ্টির কালেকশন থেকে  রসগোল্লা কিনে নিতে পারেন। রসগোল্লা কেনার সুবিধার্থে আপনার  জন্য নিচের লিংকটি শেয়ার করলাম।
*মিষ্টি* *রসগোল্লা* *লাড্ডু* *শপিং* *ইতিহাস*
খবর

Online Khobor: একটি খবর জানাচ্ছে

খুব সহজে তৈরি করুন কমলার স্বাদে ছানামুখী লাড্ডু ! - Online Khobor
http://onlinekhobor.com/recipe/news/24550
অনলাইন খবর ডেস্কঃ   কমলার স্বাদের দারুণ সুস্বাদু কমলাভোগ ...বিস্তারিত
*কমলাভোগ* *লাড্ডু* *রেসিপি* *রান্না* *রান্নাবান্না* *রসুইঘর* *রান্নাঘর* *কিচেন* *অনলাইনখবর*
১৬৮ বার দেখা হয়েছে

শান্তা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মিষ্টি আমাদের সকলেরই পছন্দ। তাই যাদের মিষ্টির কথা শুনলে বা ছবি দেখলেই খেতে ইচ্ছে করে আজকের স্পঞ্জ রসগোল্লার রেসিপি তাদের জন্য।  দোকান থেকে মিষ্টি কিনতে অনেক টাকা লাগে। কিন্তু জানেন কি? ভালো ব্র্যান্ডের দোকানের মতো একই মানের মিষ্টি আমরা তৈরি করতে পারি অনেক অল্প খরচে এবং সব মিলিয়ে মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যেই।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
দুধ- ২ লিটার, লেবুর রস-৪টেবিল চামচ, পানি-৬ কাপ, চিনি-৩ কাপ, গোলাপ জল সামান্য।

প্রস্তুত প্রণালীঃ
ছানা তৈরি: দুধ জ্বাল দিয়ে অল্প করে লেবুর রস দিয়ে ছানা তৈরি করে নিন।
দুধ থেকে সবুজ পানি বের হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় নিয়ে চেপে ভাল করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে।

এরপর ছানা হাত দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত।
প্রেসার কুকারে ৬ কাপ পানিতে চিনি দিয়ে চুলায় দিন। সিরা তৈরি হলে এক চামচ দুধ দিয়ে ময়লা তুলে ফেলুন। চুলার আঁচ কমিয়ে দিন। ছানা হাতের তালু দিয়ে মথে নিন। ছানা ২০-২৫ ভাগ করে গোল করে রাখুন। সব ছানার বল একসঙ্গে সিরায় দিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা দিয়ে বন্ধ করে দিন। মাত্র একটি সিটি বাজা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ব্যস এবার চুলা বন্ধ করে দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন।  সিরাসহ রসগোল্লা একটি বড় পাত্রে ঢালুন। ১ চা চামচ গোলাপ জল দিন। ঠাণ্ডা হলে স্পঞ্জ রসগোল্লা পরিবেশন করুন।
(সংকলিত)
*রেসিপি* *মিষ্টি* *লাড্ডু* *রসগোল্লা*
ছবি

মেঘবালক: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

(ভেঙ্গানো২)

*সর্বভূক* *মিষ্টি* *লাড্ডু*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

  ছোট থেকে বড় সবাই এক বার খেলে আবার খেতে চাবে এমনই এই রেসিপিতে যা যা লাগবে-

খরচঃ ৫০০ টাকা
খেতে পারবেঃ ১৫-২০ জন 
উপকরণঃ সিদ্ধ লাউ কুচি-২ কাপ ঘন দুধ-৪ কাপ
চিনি-৪ কাপ
মাওয়া-১/২ কাপ
ঘি-১ কাপ
দারুচিনি-২ টুকরা
গুড়া দুধ-১ কাপ 
প্রণালীঃ
লাউ খোসা ছাড়িয়ে সবজি কুরুনি দিয়ে কুরিয়ে নিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হবে। ছাকনিতে ঢেলে পানি চিপড়িয়ে নিতে হবে। এবার বড় ব্যাককি ফ্রাইং-প্যানে( বড় বলে সুবিধা হয় নাড়তে) সামান্য ঘি দিয়ে লাউ কুচি হাল্কা ভাজতে ববে, এরপর এতে ঘন দুধ+ গুড়া দুধ মিশিয়ে ঢেলে দিতে ববে। এরপর চিনি, দারুচিনি দিয়ে নাড়তে হবে। ঘন বয়ে এলে বাকি ঘি ঢেলে দিয়ে আরও কিছুক্ষণ নাড়তে ববে। এবার পাত্র মিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে। এবার লাউকে লাড্ডুর আকার দিয়ে মাওয়ায় গড়িয়ে নিয়ে পাত্রে সাজিয়ে পরিবেশন করতে ববে। চাইলে এতে আপনি বাদাম, কিশমিশও ব্যববার করতে পারবেন এখানে!

*লাড্ডু* *রেসিপি* *নতুনরেসিপি* *মিষ্টি*

তারেক রহমান তন্ময়: একটি বেশব্লগ লিখেছে



উপকরণঃ
১. ছানা ১ কাপ
২. কনডেন্সড মিল্ক আধা কাপ
৩. কেওড়ার পানি আধা চা চামচ
৪. পেস্তাকুচি ১ টেবিল চামচ
৫. এলাচগুঁড়া সিকি চা চামচ

৬. জাফরান আধা চা চামচ
(১ টেবিল চামচ গরম দুধের মধ্যে ভেজানো)


প্রণালীঃ
ছানা খুব করে মথে প্যানে নিয়ে কনডেন্সড মিল্ক মিলিয়ে চুলায় দিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল করতে হবে। মিশ্রণ প্যান থেকে ছেড়ে এলে কেওড়া, এলাচগুঁড়া ও জাফরান মিলিয়ে দিতে হবে। পরে পেস্তাকুচিটা মিলিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। গরম থাকতে থাকতে লাড্ডু বানাতে হবে।
*মিষ্টি* *মজারখাবার* *লাড্ডু* *রেসিপি*

বেশতো Buzz: বন্ধুরা আজকের নির্বাচিত কিছু স্টারড ওয়ার্ড আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি। লিখুন *টিনএজ* *নোবেলবিতর্ক* *লাড্ডু* *হুমায়ুননাটক* *ভ্রমনটিপস* দিয়ে। এগুলো দিয়ে চটপোস্ট ছাড়াও বেশব্লগ, খবর, টিপস, ফটো দিতে পারেন সেইসাথে এই সম্পর্কিত প্রশ্ন ও পরামর্শ চাইতে পারেন।

*টিনএজ* *নোবেলবিতর্ক* *লাড্ডু* *হুমায়ুননাটক* *ভ্রমনটিপস*
ছবি

যারিন তাসনিম: ফটো পোস্ট করেছে

আলু দিয়ে তৈরি করুন সুস্বাদু গোলাপজাম

আলুর গোলাপজামের রেসিপি- উপকরণ : আলু সেদ্ধ বাটা- ২ কাপ, ময়দা- ২ কাপ, ছানা- ৮ টেবিল চামচ, বেকিং পাউডার- আধা চা চামচ, ঘি- ৮ টেবিল চামচ, এলাচ গুঁড়া- আধা চা চামচ, ভাজার জন্য তেল- পরিমাণমতো, চিনি- ৬ কাপ। প্রস্তুত প্রণালী : -৬ কাপ চিনির সাথে ৬ কাপ পানি মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে সিরা তৈরি করে নিন। -ময়দা পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। -৪ টেবিল চামচ ঘি ও ভাজার জন্য তেল বাদে বাকি সব উপকরণ একসাথে ভালো করে মেখে নিন। -এবার মিশ্রণটি কালোজামের আকারে গড়ে নিয়ে একটা ডিশে বিছিয়ে রাখুন। -কড়াইয়ে তেল ও বাকি ঘিটুকু দিন। গরম হয়ে এলে এতে গোলাপজাম গুলো হালকাভাবে ছেড়ে দিন। -ডুবো তেলে গোলাপজামগুলো ভেজে নিন। -ভাজা হয়ে গেলে সিরায় ডুবিয়ে রাখুন ঘণ্টাখানেক। -ঠাণ্ডা হলে পরিবেশন ডিশে রেখে ওপরে মাওয়া ছিটিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

*পুজারখাবার* *পূজারলাড্ডু* *লাড্ডু* *রেসিপি* *নতুনরেসিপি* *ঝটপটনাস্তা* *গোলাপজাম*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★