লিডার শিপ

লিডারশিপ নিয়ে কি ভাবছো?

মোঃ মেহেদী হাসান: *লিডারশিপ* আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে......কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে......

Engr. Md Jahirul Hoque Suman: *লিডারশিপ*

৫/৫

লীনা জাম্বিল: *লিডারশিপ* এর মধ্যে বুরোক্রেটিক সবচেয়ে খারাপ তবে সারভেনহুড *লিডারশিপ* সবচেয়ে ভাল --তাই জানি । কেরেসমেটিক *লিডারশিপ* আরো বেস্ট কিন্তু কয়জন তা বাস্তবে অনুসরন করতে পারে??? (না)

খবর

নাহিন: একটি খবর জানাচ্ছে

ইন্টারনেট কেন্দ্রিক ব্যবসাগুলো ম্যারাথন দৌড়ের মতো- ফাহিম মাশরুর
http://www.banglatribune.com/%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF
তিনি ইন্টারনেটে চাকরির খবর প্রকাশ করেন। সহজ করে বললে, তিনি দেশের প্রথম জব পোর্টাল 'বিডিজবস' -এর স্বপ্ন দ্রষ্টা এ কে এম ফাহিম মাশরুর। যে সময় দেশে খবরের কাগজ ছিল চাকরি খোঁজার একমাত্র মাধ্যম সে সময়ে তিনি বিডিজবসের মাধ্যমে ইন্টারনেটে চাকরির খবর ...বিস্তারিত
*আইটিউদ্যোক্তা* *উদ্যোক্তা* *প্রযুক্তিরখবর* *বেশটেক* *লিডারশিপ* *নেতৃত্ব* *অনুপ্রেরণা*
৩২৩ বার দেখা হয়েছে
৫/৫

আড়াল থেকেই বলছি: ভাবা যায়, একজন ভালো *লিডারশিপ* এর অভাবে দেশ আজ এমন করুন পরিস্থিতির স্বীকার,তাই ভালো নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য একজন গুনি,জ্ঞানী লিডারশিপ তৈরী করা একান্ত জরুরী........

৫/৫

আড়াল থেকেই বলছি: *লিডারশিপ* আমাদের সমাজ এবং দেশকে উন্নতির দিকে অগ্রসর ও তরান্নিত করার জন্য *লিডারশিপ* এর ভূমিকা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ I কেননা লিডারশিপ ছাড়া সমাজ তথা দেশ অগোচালু .........

দস্যু বনহুর: *লিডারশিপ* নেতৃত্ব একটি জন্মগত দক্ষতা হলেও পরিস্থিতি মাঝে মাঝেই নতুন নেতৃত্বের অভ্যুত্থান ঘটায়।

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমি আগেও লিডার ছিলাম তাই এখনও আমি লিডার হতে পারি

মিথ হিসেবে ধরা হয়ে থাকে যে অভিজ্ঞ, যে আগেও লিডার হিসেবে ছিল, সে এখনও লিডার থাকতে পারবে। আসলে অভিজ্ঞতা তখনই কাজে দেয় যখন  মানুষ বিনয় ও ম্যাচুরিটির মাধ্যমে তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে, যখন মানুষ বুঝতে পারে যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠান আর পরিস্থিতিই ভিন্ন হয়ে থাকে। অনেক লিডার তাদের অতীতের অভিজ্ঞতা ভুলতে পারে না এবং হুট করেই লিডারশিপের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে নেমে পড়ে।

আমি অনেক ব্যস্ত তাই আমাকে একসাথে অনেক কাজ করতে হয়

লিডার হিসেবে আপনার মূল কাজ হল অন্যদের কাজ করার ক্ষেত্র তৈরি করে দেওয়া। সরাসরি কোন রিপোর্টে দেখার সময় ইমেইলের জবাব দিয়ে দেওয়াটা একমাত্র যথেষ্ট না। লিডার হিসেবে আপনার সদা সর্বদা উপস্থিত থাকতে হবে কিন্তু তারপরও অনেক লিডারই কাজের সময় অতি সহজে অন্যদিকে মনযোগ সরিয়ে নেয়।

আমার লিডারশিপ দক্ষতা উন্নত করার মত সময় আমার হাতে নেই

আপনি কখন অল্প ব্যস্ত থাকবেন এবং আপনার লিডারশিপ দক্ষতা উন্নত হলে আপনার প্রতিষ্ঠান কতটুকু এগিয়ে যাবে তা ভাবুন।

লিডাররা জন্মগতভাবেই লিডার, লিডারশিপ শেখা যায় না

যদিও সবাই লিডার হতে পারে না বা হতে চায় না, লিডারশিপ কিন্তু পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে শেখা সম্ভব। লিডারশিপ শেখা যায় না এই কথা লিডারশিপ দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অন্তরায়।

প্রতিষ্ঠানে কী ঘটছে সে ব্যাপারে আমার কর্মচারীরা আমার কাছে সত্যটাই বলে

হয়ত তারা সত্যিটাই বলে। তবে, পদ মর্যাদা ও ক্ষমতার ক্ষেত্রবিশেষে আপনি যদি মনে করেন তারা আপনার কাছে পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই সহজে সত্য কথা তুলে ধরছেন তাহলে আপনি বোকামি করছেন। আপনি যদি তাদের কাছ থেকে সব তথ্যই চেয়ে থাকেন এবং তথ্য দেওয়ার জন্য যদি কর্মচারীদেরকে সমস্যায় পড়তে না হয়, তাহলে ভিন্ন কথা, সেক্ষেত্রে হয়ত বেশিরভাগ সময়ই তারা আপনাকে সত্যটাই বলবে।

লিডার হিসেবে আমাকে সবসময় অন থাকতে হয়

অন্যদের থেকে লিডারদেরকে জবাবদিহি বেশি করতে হয় ঠিকই, তার মানে এই নয় যে সব সময় লিডারশিপের ভাব ধরে থাকতে হবে। যখন লিডারকে সারাক্ষণই কাজের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করতে হয় তখন কিন্তু নিজস্বতা বজায় রাখা ও ভুল সংশোধন করা হয়ে উঠে না। মাঝে মাঝে নিজের লিডারশিপকে বন্ধ রাখতে হয় যাতে অন্যরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণে এগিয়ে আসতে পারে।

আমিই প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেছি, তাই আমিই একে লিড করার অধিকার রাখি

কোন কিছুর শুরুতে আপনি থাকলে পরবর্তীতে আপনি বলতে পারেন যে আপনি জিনিসটির শুরু থেকেই সঙ্গে ছিলেন। সময়ের সাথে সাথে সবকিছুর হাল ধরে রাখতে হলে আপনাকে সেই অনুযায়ী যোগ্যও হতে হবে। প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে ব্যক্তি স্বার্থ নয়, দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে হবে। আর এটা সচেতন প্রয়াসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব। প্রতিষ্ঠানে শুরু থেকে থাকা মানে কিন্তু লিডারশিপ নয়।

আমাকেই কাজ করে দেখাতে হবে, দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে, ইত্যাদি

সঠিক কাজ করে দেখালে কোন ক্ষতি নেই। তবে বেশিরভাগ সময়ে দেখা যায় লিডাররা অন্যান্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে যা তাদেরকে মানায় না, এমন কাজ যা অন্যদের করা সাজে, একজন লিডারের নয়। দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাইলে লিডারশিপের কাজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন যেমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ইত্যাদি

লিডারদের ভয় থাকেনা

এটা মোটেও সঠিক নয়, সবারই কোন না কোন ভয় থাকে যা সহজে দূর হয়না। আমাদের ভয়কে চিহ্নিত করতে হবে যাতে আমরা অজানা কোন কিছু মোকাবেলার সময় সজাগ থাকতে পারি। ভয় কাটানোর চেয়ে আমাদের আগে জানতে হবে আমাদের ভয়টা কোথায়, কী কারণে।

মূল: www.safollo.com

*লিডারশিপ*
৪/৫

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: *লিডারশিপ* ১."লীডার হচ্ছে এমন একজন ব্যক্তি যাকে মানুষ অনুসরন করে। যিনি অন্যদেরকে দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকেন এবং অন্যদেরকে পরিচালনা করার যোগ্যতা রাখেন। ২.এক দল মানুষকে মোটিভেট করার কৌশল যা্ কোন একটি নির্দষ্ট লক্ষ্যকে অর্জন করার জন্য কাজ করে।

*লিডারশিপ*
৫/৫

নাহিন: নিজের ভালোলাগার জায়গাটি খুজে বের করে সেটা কাজে লাগাবেন যেভাবে, সাইমন সিনেকের টিপস ! https://www.youtube.com/watch?v=3fb3_7sIqQY

*আত্মউন্নয়ন* *ক্যারিয়ার* *সাইমন-সিনেক* *অনুপ্রেরণা* *পরামর্শ* *লিডারশিপ*
৫/৫

নাহিন: ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার গোপন সুত্র, শিখুন সাইমন সিনেকের কাছ থেকে... https://www.youtube.com/watch?v=OVnN4S52F3k

*অনুপ্রেরণা* *টেডটক* *উৎসাহ* *ক্যারিয়ার* *আত্মউন্নয়ন* *লিডারশিপ*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যুক্তরাস্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন তাঁর পুত্রের স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে একটি চিঠি লিখেছিলেন যা পরবর্তীতে ঐতিহাসিক মর্যাদা লাভ করে। চিঠিটি অনেকেরই পড়া। তবুও আজ কস্ট করে না হয় আরেকবার পরলেন, যদি নতুন কিছু অনুধাবন করা যায়-

মাননীয় মহোদয়,

আমার পুত্রকে জ্ঞানার্জনের জন্য আপনার কাছে প্রেরণ করলাম। তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন-এটাই আপনার কাছে আমার প্রত্যাশা।

আমার পুত্রকে অবশ্যই শেখাবেন-সব মানুষই ন্যায়পরায়ন নয়, সব মানুষই সত্যনিষ্ঠ নয়।
তাকে এও শিখাবেন-প্রত্যেক বদমায়েশের মাঝেও একজন বীর থাকতে পারে, প্রত্যেক স্বার্থপর রাজনীতিকের মাঝেও একজন নিঃস্বার্থ নেতা থাকেন। 
তাকে শেখাবেন-পাঁচটি ডলার কুড়িয়ে পাওয়ার চাইতে একটি উপার্জিত ডলার অধিক মুল্যবান।
এও তাকে শিখাবেন-কিভাবে পরাজয়কে মেনে নিতে হয় এবং কিভাবে বিজয়োল্লাস উপভোগ করতে হয়।
হিংসা থেকে দূরে থাকার শিক্ষাও তাকে দিবেন। যদি পারেন নীরব হাসির গোপন সৌন্দর্য তাকে শেখাবেন।
সে যেন আগেভাগেই একথা বুঝতে শেখে-যারা পীড়নকারী তাদেরকে সহজেই কাবু করা যায়। বইয়ের মাঝে কী রহস্য লুকিয়ে আছে, তাও তাকে শেখাবেন।

আমার পুত্রকে শেখাবেন, বিদ্যালয়ে নকল করে পাশ করার চেয়ে অকৃতকার্য হওয়া অনেক বেশী সম্মানজনক। 
নিজের উপর তার যেন সুমহান আস্থা থাকে- এমনকি সবাই যদি সেটাকে ভুলও মনে করে।
তাকে শেখাবেন, ভদ্রলোকের প্রতি ভদ্র আচরণ করতে, কঠোরদের প্রতি কঠোর হতে। 
আমার পুত্র যেন এ শক্তি পায়-হুজুগে মাতাল জনতার পদাঙ্ক অনুসরন না করার। 
সে যেন সবার কথা শোনে এবং সত্যের পর্দায় ছেঁকে যেন শুধু ভালটাই শুধু গ্রহন করে-এ শিক্ষাও তাকে দেবেন।

সে যেন শেখে দূঃখের মাঝে কীভাবে হাসতে হয়। আবার কান্নার মাঝে লজ্জা নেই-সেকথা তাকে বুঝতে শেখাবেন।
যারা নির্দয়, নির্মম তাদেরকে সে যেন ঘৃনা করতে শেখে আর অতিরিক্ত আরাম-আয়েশ থেকে সাবধান থাকে।

আমার পূত্রের প্রতি সদয় আচরণ করবেন কিন্তু সোহাগ করবেননা, 
কেননা আগুনে পুড়েই ইস্পাত খাঁটি হয়। 
আমার সন্তানের যেন অধৈর্য হওয়ার সাহস না থাকে,
থাকে যেন তার সাহসী হবার ধৈর্য। তাকে এ শিক্ষাও দেবেন-নিজের প্রতি তার যেন সুমহান আস্থা থাকে আর তখনই তার সুমহান আস্থা থাকবে মানব জাতির প্রতি।

ইতি
আপনার বিশ্বস্ত;

আব্রাহাম লিঙ্কন 
*অনুপ্রেরণা* *ইতিহাস* *লিডারশিপ*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

“যখন আমি ছোট ছিলাম, আমার মা আমাদের জন্য রান্না করতেন। তিনি সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করার পর রাতের খাবার তৈরি করতেন। এক রাতে তিনি বাবাকে এক প্লেট সবজি আর একেবারে পুড়ে যাওয়া রুটি খেতে দিলেন। আমি অপেক্ষা করছিলাম বাবার প্রতিক্রিয়া কেমন হয় সেটা দেখার জন্য।
 কিন্তু বাবা চুপচাপ রুটিটা খেয়ে নিলেন এবং আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন স্কুলে আমার আজকের দিনটা কেমন গেছে। আমার মনে নেই বাবাকে সেদিন আমি কি উত্তর দিয়েছিলাম কিন্তু এটা মনে আছে যে,
মা পোড়া রুটি খেতে দেয়ার জন্য বাবার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। এর উত্তরে বাবা মা’কে যা বলেছিলেন সেটা আমি কোনদিন ভুলব না।
 বাবা বললেন, ‘প্রিয়তমা, পোড়া রুটিই আমার পছন্দ’। পরবর্তীতে সেদিন রাতে আমি যখন বাবাকে শুভরাত্রি বলে চুমু খেতে গিয়েছিলাম তখন আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে তিনি কি আসলেই পোড়া রুটিটা পছন্দ করেছিলেন কিনা। বাবা আমাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরে বললেন,
‘তোমার মা আজ সারাদিন অনেক পরিশ্রম করেছেন এবং তিনি অনেক ক্লান্ত ছিলেন। তাছাড়া একটা পোড়া রুটি খেয়ে মানুষ কষ্ট পায় না বরং মানুষ কষ্ট পায় কর্কশ ও নিষ্ঠুর কথায়। জেনে রেখো, জীবন হচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ জিনিস এবং ত্রুটিপূর্ণ মানুষের সমষ্টি। আমি কোনক্ষেত্রেই সেরা না বরং খুব কম ক্ষেত্রেই ভাল বলা যায়। আর সবার মতোই আমিও জন্মদিন এবং বিভিন্ন বার্ষিকীর তারিখ ভুলে যাই। এ জীবনে আমি যা শিখেছি সেটা হচ্ছে, আমাদের একে অপরের ভুলগুলোকে মেনে নিতে হবে এবং সম্পর্কগুলোকে উপভোগ করতে হবে।
 জীবন খুবই ছোট; প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে অনুতপ্ত বোধ করার কোন মানেই হয় না। যে মানুষগুলো তোমাকে যথার্থ মূল্যায়ন করে তাদের ভালোবাসো আর যারা তোমাকে মূল্যায়ন করে না তাদের প্রতিও সহানুভূতিশীল হও।” 
*অনুপ্রেরণা* *লিডারশিপ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★