শপিং

শপিং

Coxsbazar Eshop: কেনাকাটা সংক্রান্ত একটি তথ্য দিচ্ছে

1200
http://www.coxsbazarshop.com/Ilish-Dim

সম্মানিত গ্রাহক আপনাদের পছন্দের ইলিশ মাছের ডিম চলে এসেছে। তবে ষ্টক খুব সীমিত। এখনই অর্ডার করুন। অর্ডার করতে কল করুন 01751680068, 01837881991, 034151220 এই নাম্বারে। -- মূল্য প্রতিকেজি: 1200 টাকা। --- বিঃদ্রঃ ডিম গুলো লবন দিয়ে সংরক্ষণ করা। সেজন্য অবশ্যই রান্না করার আগে ভাল করে লবন ছাড়িয়ে নিতে হবে। লবন ছাড়াতে ঠান্ডা বানিতে 20 মিনিট প্রথমে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এর পর ধুয়ে নতুন পানিতে আবার 20 মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। পানিতে কয়েক ফুটা লেবুর রস দিলে ভাল হয়, লেবু না পেলে টক তেতুল দিলেও চলবে। । তাতে লবন একেবারে চলে যাবে। --- অনলাইনে অর্ডার করুন: http://bit.ly/CoxsBazarShop --- ঢাকা ও চট্টগ্রামে ক্যাশ অন ডেলিভারি। অন্য জেলায় এসএ পরিবহনে কন্ডিশনে নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই 200 টাকা বিক্যাশে এডভান্স করতে হবে। বাকি টাকা কুরিয়ার থেকে প্রোডাক্ট সংগ্রহ করার সময় পরিশোধ করবেন। -- ডেলিভারি চার্জ 90 টাকা। --- ❀ পেমেন্ট মেথড ❀ দেশে এবং দেশের বাইরে থেকে Visa/ Master Card/Amex Card/ bKash এ পেমেন্ট সুবিধা। আমাদের bKash নাম্বার- 01821-015566 ও 01751680068 (Personal- Cash in/ Send Money) 01881-033448 (Merchant- Payment)

*শপিং*
৭৩বার দেখা হয়েছে

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দিন গুণে ফ্যাশন হয়না আর এদেশের স্টাইলিশ তরুণদের কাছে ফ্যাশনের জন্য নির্ধারিত কোন দিনও লাগেনা। কোন পোশাকটি তরুণরা বেশি পরতে পছন্দ করে? কোনটিতে তরুণদের বেশি ফ্যাশনেবল দেখায় প্রশ্ন করলে উত্তর হবে পাঞ্জাবি। গরমে দিনে অফ ফ্যাশনে নিজেকে আরও ফ্যাশনেবল করে তুলতে তরুণদের অন্যতম অনুসঙ্গ হতে পারে স্টাইলিশ পাঞ্জাবি। কারণ উৎসব ছাড়াও অফ ফ্যাশনেও পাঞ্জাবি সুপারহিট!

বৈশাখ, ঈদ, ফাল্গুন এমনকি ভালোবাসা দিবসের মত উৎসবকে ঘিরেই পাঞ্জাবির উপর ঝোক বেশি থাকে। স্টাইলিশ ফ্যাশনের জন্য পাঞ্জাবির বিকল্প নেই। তাই আপনাদের ফ্যাশনে অন্যরকম ভাব দিতে আপনাদের পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল নিয়ে এসেছে বিভিন্ন মোটিফের আকর্ষণীয় পাঞ্জাবির ঝাক্কাস কালেকশন। চলুন আজেরডিলের পাঞ্জাবির পেজ থেকে স্টালিশ পাঞ্জাবির কালেকশন দেখে নেই এই লিংক থেকে।

ছবিতে বাহারি পাঞ্জাবিঃ

কটন সেমি লং পাঞ্জাবি

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

লাল সাদা প্রিন্টেড পাঞ্জাবি

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন। 

মেনজ লং কটন পাঞ্জাবি

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

কাতান সিল্ক পাঞ্জাবিঃ

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

মেনজ কটন সেমি লং পাঞ্জাবিঃ

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

জেন্টস মাল্টিকালার কটন পাঞ্জাবিঃ

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন

মেনজ লং কটন পাঞ্জাবি

পাঞ্জাবিটি কিনতে ক্লিক করুন


বন্ধুরা, ছবিতে তো মাত্র কয়েকটি পাঞ্জাবি দেখলেন এবার তাহলে ঘুরে আসুন পাঞ্জাবির বিশাল ভান্ডার থেকে।

*পাঞ্জাবি* *স্মার্টশপিং* *শপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফ্যাশনে মেলে রুচিবোধের পরিচয়। ব্যাগ তেমনি একটি আভিজাত্যের অনুষঙ্গ। পোশাক আর সাজের সঙ্গে মানানসই ব্যাগ আনে ফ্যাশনে ভিন্নমাত্রা। তরুণ-তরুণীরা অনেক ফ্যাশন সচেতন। ফ্যাশনে নতুনত্ব আনতে রকমারি বাহারি ব্যাগ প্রয়োজন তো পূরণ করবেই সঙ্গে ফ্যাশনেও আনবে আধুনিকতা। কন্ট্রাস্ট রঙের ব্যাগের ব্যবহারই এখন ফ্যাশন। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নানান ডিজাইন আর আকৃতির ব্যাগ। ইচ্ছেমতো রং বা আকারের ব্যাগ ব্যবহারের চল এখন। পোশাকটা সাদামাটা হলেও নজর কাড়বে হয়তো ব্যাগটাই। রঙের বাহার যেমন আছে, তেমনি নানা রকম প্রিন্ট বা নকশারও কমতি নেই।  চলছে বড় ব্যাগ বা ছোট ক্লাচই ট্রেন্ডি এ সময়ে—এমন কথা বলা যাবে না। বড়, ছোট বা মাঝারি সব ধরনের ব্যাগের চাহিদা রয়েছে ক্রেতাদের কাছে। 

শুধু ফিটফাট পোশাক আর স্টাইলিশ জুতাতেই এখন আর ‘ফ্যাশনেবল’ শব্দটা আটকে নেই। সুন্দর একটা ব্যাগও কিন্তু আপনার পুরো লুকে নিয়ে আসতে পারে চমক। আপনার পোশাক-আশাক, সাজে যোগ করতে পারে বাড়তি সৌন্দর্য। ব্যাগের নকশায় বা আকারে থাকছে নানা বৈচিত্র্য। কোনো ব্যাগ হচ্ছে ত্রিভুজ আকারের বা গোলাকার। কোনোটিতে আছে চৌকোনার নানা ধরন। টোটি, ন্যাপস্যাক, মেসেঞ্জার নামে পরিচিত এই ব্যাগগুলোতে থাকছে উজ্জ্বল রঙের ব্যবহার। ছোট ক্লাচ ব্যাগগুলোতেও পাথর আর পুঁতির ব্যবহারে আনা হচ্ছে আভিজাত্যের ছোঁয়া।

হাল ফ্যাশনে প্রতিনিয়তই চলছে পরিবর্তন। বাজারে এখন একটু ঘুরলেই চোখে পড়বে বাহারি নকশার সব ব্যাগ। দোকানগুলোতে বিভিন্ন নকশা ও রঙের আধিক্য দেখলেই বোঝা যায় বর্তমান ফ্যাশনে ব্যাগের বেশ জনপ্রিয়তা। বিশেষ করে মেয়েদের ফ্যাশনে পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে মানানসই বাহারি রংয়ের বিচিত্র নকশার ছোট বড় ব্যাগ অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে পরিণত হয়েছে। স্টাইলিশ ব্যাগ সাথে না থকলে ফ্যাশনটাই যেন মাটি হয়ে যায়। তাইতো ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী দোকান ও শপিংমলে বাহারি ডিজাইনের সব ব্যাগের কালেকশনের রেখেছে। দোকানগুলোতে বিভিন্ন নকশা এবং রংয়ের আধিক্য দেখলেই বোঝা যায় বর্তমান ফ্যাশনে ব্যাগের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। আজকের আয়োজন লেডিস ব্যাগ নিয়ে। বর্তমান ফ্যাশনে কোন ব্যাগ গুলো চলছে চলুন জেনে নেই।

আজকের ডিলে  একটু খুঁজে ফরমায়েশ দিতে পারেন ব্যাগের। 

 

*ব্যাগ* *ব্যাগফ্যাশন* *মেয়েদেরফ্যাশন* *শপিং* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নকশি কাঁথা আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য, আমাদের অহংকার। এদেশের কারুশিল্পীদের নিপুন হাতের অনবদ্য সৃষ্টি। সেই আদিকাল থেকে আজ অবধি নকশি কাঁথার আবদার একটুও কমেনি। বরং সময়ের বিবর্তনে নকশি কাঁথার চাহিদা আরও বেড়েছে। যুক্ত হয়েছে আধুনিক ফ্যাশনেবল সব ডিজাইন আর নতুন নতুন নকশা। বর্তমানে ঘরের বিছানাতে ফ্যাশনেবল লুক আনতে নকশি কাঁথার জুড়ি মেলা ভার। বন্ধুরা, আজকের আয়োজন আমাদের ঐতিহ্য, আমাদের হস্তশিল্পের অন্যতম উপাদান নকশি কাঁথা নিয়ে।



নকশি কাঁথা আমাদের ঐতিহ্য

কাঁথার সঙ্গে আমরা সবাই কম-বেশী পরিচিত। এদেশে এমন কোন পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কাঁথার ব্যবহার নেই। কাঁথা শব্দের অভিধানিক অর্থ ‘জীর্ণ বস্ত্রে প্রস্তুত শোয়ার সময়ে গায়ে দেয়ার মোটা শীতবস্ত্র বিশেষ, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ কাঁথা কেতা, কাতা এবং খেতা নামেও পরিচিত। সুনিপুণ হাতে সুচ আর সুতোয় গ্রাম বাংলার বধূ কন্যাদের মনের মাধুরী মেশানো রং দিয়ে নান্দনিক রূপ-রস ও বর্ণ-বৈচিত্রে ভারা যে কাঁথা তাই নকশি কাঁথা। নকশি কাঁথায় আমরা প্রতিনিয়ত খুঁজে পাই আমাদের শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ-সভ্যতা, প্রকৃতির অপর সৌন্দর্য, গৌরবগাঁথা ও সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। এটি মূলতঃ গ্রামীণ মহিলাদের শিল্পকর্ম হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত। নকশি কাঁথা শিল্পেরসাথে আমাদের আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডও জড়িয়ে আছে।




নকশী কাঁথায় শিল্প সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকৃতি

নকশি কাঁথা নিয়ে লেখা হয়েছে কাব্য, গাঁথা ও রচনা। এদেশের প্রথম মহিলা কবি চন্দ্রাবতী। তিনি তাঁর রামায়ণ কাব্যে সীতার অন্যান্য গুণের সাথে কাঁথা সেলাইয়ের কথা বলেছেন এভাবে, ‘সীতার গুণের কথা কি কবি হব আর, কন্থায় অাঁকিল কন্যা চান সুরুজ পাহাড়৷ আরও যে, অাঁকিল কন্যা হাসা আর হাসি৷ চাইরো পাড়ে অাঁকে কইন্যা পুষ্প রাশি রাশি’৷ পলীকবি জসীমউদ্দীনের অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ ‘নকশি কাঁথার মাঠ’ ও এরই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পলী রমণীদের শিল্পী মনের এক অপূর্ব অভিব্যক্তি যেন নকশি কাঁথা। বিভিন্ন ধরনের কাপড়েরর আস্তরণের উপর সুচ আর সুতোয় একে একে ফুটে উঠে আম, মাছ, খেজুর গাছ, পাখী, পাল্কী, লাঙ্গল, নৌকা, হাতি, ফুল, লতাপাতা, ঘোড়া, চাঁদ-তারা, রাজ-রাজার জীবনকাহিনী, কল্পনার পরী, যুদ্ধ-বিগ্রহ, নর-নারীর প্রেম ভালোবাসা এবং একই সাথে গ্রামীণ জীবনের অনেক কিছু। এ যেন শিল্পীর কাছে অতি পরিচিত পরিবেশ ও প্রকৃতির নি:শর্ত আত্মসমর্পণ।




গ্রাম বাংলার নকশি কাঁথা

এদেশের গ্রামের বধূ ও কন্যারা একসময় শুধুমাত্র পরিবারের প্রয়োজনে নকশি কাঁথা তৈরি করতো।আর এরই মাঝ দিয়ে ঐতিহ্যেরও প্রকাশ পেত। সাধারণত: বর্ষকালে গ্রামের মহিলাদের সংসারের কাজকর্ম কম থাকায় এ সময়টাতে তারা কাঁথা তৈরি করতো। বলতে গেলে গ্রামীণ জীবনে এ ধারা আজও অব্যাহত আছে। আমাদের দেশের প্রায় সর্বত্রই নকশি কাঁথা তৈরি হতো। ব্যবহৃত পুরাতন শাড়ি এবং শাড়ির পাড়ের সুতো তুলে তৈরি হতো নকশি কাঁথা। বাংলাদেশের রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, পাবনা, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, যশোর এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ কুমিলা ও সিলেট অঞ্চলে তৈরি হতো এসব কাঁথা। বিভিন্ন অঞ্চলে ফোড়, পাইড় ও নকশা অনুযায়ী নকশি কাঁথা ভিন্ন ভিন্ন নামেও পরিচিত। এগুলো হলো: বরকা ফোঁড়, তেজবি ফোঁড়, বাশপাতা ফোঁড়, কইতা ও বিছা ফোঁড় ইত্যাদি পাড়ের নামে তোলো পাইড়, তাস পাইড়, নয়নলতা, নারিকেল পাতা ও নৌকা বিলাস আরও বহুন নামের নকশী কাঁথা রয়েছে।




বাহারি নকশি কাঁথা

আবহমানকাল ধরে এ দেশের মানুষ নকশি কাঁথা ব্যবহার করে আসছে। শহরে কিংবা গ্রামে সর্বত্র আজও কাঁথার যথেষ্ট কদর রয়েছে। তবে আগেকার দিনে প্রতিটি পরিবারে নকশি কাঁথার ব্যবহার ছিল ব্যাপক ও বহুবিধ। ব্যবহার অনুযায়ী এগুলোর নামেও ছিল ভিন্নতা। যেমন, শীতের জন্য লেপকাঁথা, বালিশে ব্যবহারের জন্য বয়তন, নামাজের জন্য জায়নামাজ কাঁথা, বসার জন্য আসন কাঁথা এবং খাবারের জন্য দস্তরখানসহ কাঁথার ব্যবহার অনুযায়ী আরো অনেক নাম ছিল। মেয়েদের বিয়েতে এবং আত্মীয়-স্বজনকে কাঁথা উপহার হিসেবে দেয়ারও প্রচলন ছিল। স্নেহময়ী মা তার সন্তান, প্রেমময়ী স্ত্রী তার স্বামীর জন্য এবং নানি-দাদি, খালা-ফুফুরা পৃথিবীতে নতুন অতিথির আগমনকে সামনে রেখেও কাঁথা তৈরি করতো। এ প্রচলন আজও একেবারে ফুরিয়ে যায়নি।



নকশি কাঁথার চাহিদা

সেকালের নকশি কাঁথা আজো আছে এবং তৈরিও হচ্ছে। তবে বিবর্তনের ধারায় সময় ও চাহিদার প্রেক্ষিতে আমাদের ঐতিহ্যবাহী এ শিল্পকর্মেও লেগেছে পরিবর্তনের হাওয়া। নকশি কাঁথার চাহিদা এবং ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এসেছে ব্যাপকতা ও নতুনত্ব। দেশের সীমা পেরিয়ে নকশি কাঁথা আজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সমাদৃত হচ্ছে। শৌখিন পণ্য হিসেবে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি হচ্ছে নকশী কাঁথা। পুরাতন কাপড় ও সুতোর পরিবর্তে ব্যবহার হচ্ছে নতুন মার্কিন, লাল শালু কিংবা কালো কাপড় এবং বিদেশি সিল্কি পেটি সুতো।



কোথায় থেকে কিনবেন, দাম কেমন?

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের যেকোনো আধুনিক শপিং মল ও দেশি ফ্যাশন হাউসগুলোয় নকশি কাঁথা পাওয়া যাবে। এছাড়াও যেতে পারেন নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, গাউছিয়া ও পুরান ঢাকার চকবাজারে। একটু চোখ বুলালেই দেখবেন নিউমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাতেও বসেছে নকশি পণ্যের পসরা। মোহাম্মদপুর, কলেজ গেটেও নকশি কাঁথা ও চাদরের বেশ কিছু দোকান রয়েছে। এগুলো ছাড়াও দেশের বড়বড় অনলাইন শপিংমল গুলোতে রয়েছে নকশি কাঁথার শত শত কালেকশন। শত ব্যস্ততার মাঝেও ইচ্ছে করলে তাদের শপিং সাইটে গিয়ে পছন্দমত নকশি কাঁথার অর্ডার করলেই আপনার ঘর পন্য পৌঁছে যাবে। ডিজাইন ও নকশা ভেদে সবগুলো মার্কেটে ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকার মধ্যেই নকশি কাঁথা পেয়ে যাবেন। নিচে একটি লিংক দিয়ে দিলাম সেখান থেকে কিছু কালেকশন ও দাম দেখে নিতে পারেন।


দেড় শতাশিক নকশি কাঁথার কালেকশন দেখুন

*নকশিকাঁথা* *কাঁথা* *গৃহসজ্জা* *শপিং* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনদু’দিন বাদেই খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড় দিন। বড় দিন মানে বাড়তি আনন্দ আর বড় বড় গিফট পাওয়া। মহা আনন্দের এই দিনটিকে ঘিরে সকল প্রস্তুতি যারা শেষ করেছেন তারা একটু ফুরফুরা কিন্তু এখনো যারা কেনাকাটা ও অন্যান্য আয়োজন সারতে পারেননি তাদের খানিকটা টেশনটা আমাদের হাতে ছেড়ে দিন। আমরা অন্তত্ব আপনার কেনাকাটার কাজ সহজ করে দেই। হ্যাঁ বন্ধুরা, বড়দিনকে সামনে রেখে বড় অফার নিয়ে এসেছে আজকেরডিল। ঘরে বসেই আজকের ডিল থেকে কিনে নিতে পারেন আপনার পছন্দের পণ্যটি। দু’দিনের মধ্যে পণ্য হাতে পেতে এক্ষনি অর্ডার করুন।

উৎসব মানেই আনন্দ। আর উৎসবের আনন্দ দ্বিগুণ বেড়ে যায় উপহার পেলে। সামনে আসছে আনন্দের দিন বড়দিন। বড়দিন ঘিরে কত জল্পনা আর কল্পনা থাকে। প্রিয়জনকে খুশি করতে সবাই নানা ধরনের উপহার দিয়ে থাকেন। সময়টা শীত, তাই উপহার হিসেবে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন শীতের পোশাক।

পোশাক ছাড়াও কিন্তু দোকান আর গিফট শপগুলো ঝলমল করছে নানা উপহারসামগ্রীতে। শিশুদের জন্য খেলনা, পুতুল, ডেকোরেশন পিস—আরও কত কী। শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়ার জন্য কার্ড আর পছন্দের চকলেট তো চাই-ই।

বড়দিনে উপহার হিসেবে ইলেকট্রিক গ্যাজেট দিতে পারেন অথবা কিনে নিতে পারেন নিজের জন্য। আজকের ডিলে রয়েছে নানা রকমের স্মার্টওয়াচ, ভিআরবক্স, ওটিজি ডিভাইস ও মোবাইল ট্যাবসহ আরও অনেক কিছু। আপনার পছন্দেরটি এখনি কিনে নিন।

শীতের এই সময়টায় উষ্ণতার পরশ পেতে কিনে নিতে পারে ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্য বিভিন্ন ধরনের শীতের প্রশাধনী ও উইন্টার কসমেটিক্স। এছাড়াও বড় দিনের উৎসবে সেজে উঠতে নিয়ে নিতে পারেন বিভিন্ন ধরনের মেকআপ  আইটেম। 

বড়দিনে ঘর সাজানোর জন্য নিতে পারেন বিভিন্ন ধরনের বেডশীট।

বড়দিনের উপহার হিসেবে মিক্স চকলেট বক্স বেশ আগে থেকেই জনপ্রিয়। এই দিনে বড়রা ছোটদের জন্য বিভিন্ন ধরনের চকলেট আইটেম সমৃদ্ধ বক্স মিশুদের উপহার দিয়ে থাকেন। আপনিও ইচ্ছে করলে এখান থেকে চকলেট কিনে নিতে পারেন। 

এতো গেল সামান্য কিছু আইটেম-এগুলো ছাড়াও উপহার হিসেবে দেবার ও কেনার মত অনেক সামগ্রী আজকের ডিলে পেয়ে যাবেন। আপনি ইচ্ছে মত, শার্ট, প্যান্ট, শীতের সোয়েটার, শাড়ি, ঘড়ি, ফুলস্লিফটিশার্ট, সানগ্লাস, ফুলদানি, শীতের শু, থ্রিপিস, কুর্তি ও ট্রাভেল ব্যাগসহ গৃহস্থালি সব রকমের পণ্য পাবেন। 

কিনতে ক্লিক করুন

বন্ধুরা, আপনি দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই বড়দিনের আকর্ষণীয় সব পণ্য কিনে নিতে পারবেন। সাথে দ্রুত ডেলিভারী তো থাকছে। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে বড়দিনের আগেই পন্য পেতে চাইলে এখনি এখানে ক্লিক করুন

*বড়দিন* *উৎসব* *কেনাকাটা* *শপিং* *অফার* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতে আসছে, আসছে নতুন বছর, হয়তো আপনার ঘরে আসছে নবজাতক শিশু আর তার জন্যই চাই নতুন জুতা! এ যেন এক অন্যরকম অনুভূতি। তুলতুলে নবজাতক শিশুকে নতুন জুতা দিতে পারার আনন্দটাই আলাদা। তাই নবজাতক শিশুর জন্য মানানসই জুতা কেনা চাই ই চাই। কিন্তু এখন তো শীতকাল! এই সময়ে যে কোনো বয়সী শিশুদের জুতা নির্বাচনে একটু সর্তক হওয়া জরুরী। বিশেষ করে নবজাতক শিশুদের জন্য খুব সর্তকতার সাথে জুতা কিনতে হবে। কোন ভাবেই যেন তাদের পায়ে শীত হানা দিতে না পারে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। নবজাতক শিশুদের জন্য কেমন জুতা কিনবেন সেটা নিয়ে আপনার চিন্তা কমানোর জন্য কনটেন্টটিতে বেশ কয়েকটি ছবি ও লিংক দেওয়া হয়েছে। ছবি গুলোতে ক্লিক করেও নবজাতকের জুতা সহ যে কোনো বয়সের শিশুদেড় জুতা কিনতে পারবেন।

ধুলো-বালি, ময়লা এবং রোগ-জীবাণু থেকে সার্বক্ষণিক রক্ষা করে জুতা। পায়ের হাড় গঠন থেকে শুরু করে, সঠিক গড়ন এবং নানা রকম প্রদাহসহ বিভিন্ন রোগব্যাধির হাত থেকে রক্ষা করে জুতা বা স্যান্ডেল। তবে সে জন্য প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক জুতা নির্বাচন। বাচ্চাদের জন্য মূলত তিন ধরণের জুতা হয়ে থাকে, যেমন: স্যান্ডেল, কেডস এবং শু। ঋতুভেদে এসব জুতায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। 

সোনামনির তুলতুলে সুন্দর দুটি পায়ের জন্য জুতা কিনতে যাচ্ছেন? একটু খেয়াল রাখবেন-
শিশুর জুতা যেন কাপড়ের অথবা চামড়ার হয়। কিছুতেই প্লাস্টিক সোলের জুতা না কেনায় ভাল। জুতা যেন হালকা হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। বেশি টাইট জুতা কিনবেন না। একটু লুজ জুতা কিনুন। যেন শিশুর পায়ে চাপ না লাগে। শিশুরা কিন্তু রঙ্গিন জিনিস খুব পছন্দ করে, তাদের জন্য রঙ্গিন জুতা কিনুন। সবকিছুর আগে লক্ষ্য রাখুন জুতাটি আপনার সোনামনির জন্য আরামদায়ক হবে কি না। আরেকটি কথা, শিশুরা খুব তাড়াতাড়ি বেড়ে ওঠে। তাদের জন্য অনেক দাম দিয়ে জুতা কিনলেও খুব বেশি সময় পরতে পারবে না। অনেক দামি জুতা না কিনে, অল্প দামের মধ্যে শিশুর জন্য আরাম দায়ক, সুন্দর জুতা কিনুন।

কোথায় পাবেন : আপনি যদি শিশুর জন্য ব্র্যান্ডের কোনো জুতা কিনতে চান, তবে আপনাকে যেতে হবে সেই সব ব্র্যান্ডের দোকানগুলোয়। যেমন আছে বাটা, অ্যাপেক্স, জেনিস, লোটো, হাসপাপিজ এসব দোকানের দেখা মিলবে বসুন্ধরা সিটি শপিংমলে। তাছাড়া পাবেন ধানমন্ডি, বনানী, এলিফ্যান্ট রোড, গুলশানের আউটলেটগুলোয়। এলিফ্যান্ট রোডে ব্র্যান্ডের দোকানগুলোর পাশাপাশি যথেষ্ট নন-ব্র্যান্ড জুতার দোকানও রয়েছে। ক্রেতাদের পছন্দের জোগান দেওয়া তাদের প্রধান কাজ। পাশাপাশি নিউমার্কেট, গুলিস্তান, গাউছিয়া, এলিফ্যান্ট রোড, ফার্মগেটে সাধারণ দোকানগুলোতেও নন-ব্র্যান্ডের জুতা বাচ্চাদের জন্য পাবেন। তবে বর্তমান সময়ে অনলাইন শপিং এ মানুষের আগ্রহ বেড়ে যাওয়ায় দেশের নামি দামি অনলাইন শপিং মল গুলো তাদের ওয়েবসাইটে নবজাতক শিশুর জুতার অসংখ্য কালেকশন রেখেছে। আপনি চাইলে ঘরে বসেই আপনার পছন্দের প্রোডাক্টটি অর্ডার করতে পারেন। নিচে একটি অনলাইন শপের লিংক দিলাম এই লিংক থেকে নবজাতকের জুতা কিনতে পারবেন। 

দরদাম : লেদার ও সিনথেটিক কাপড়ের জুতার দাম পড়বে ২৫০-১ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে। ছোটদের পছন্দের স্পাইডারম্যান, ডোরেমনের স্টিকারযুক্ত স্যান্ডেলগুলো পাবেন ৪০০-১ হাজার ১৯০ টাকার মধ্যে। জেনিস নিয়ে এসেছে চেন্নাই শু, যা পাবেন ৪৯০ টাকায়। উইনব্রেনার নর্থস্টারসহ দুই ফিতার কিছু স্যান্ডেল পাওয়া যাবে, দাম পড়বে ৪০০-২ হাজার টাকা। ব্র্যান্ডের জুতার দাম পড়বে ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। নন-ব্র্যান্ডের ভালো জুতাও বাজারে আছে। সেক্ষেত্রে খুব ভালোভাবে বাছাই করে নিতে হবে। বাচ্চাদের নন-ব্র্যান্ডের জুতার দাম পড়বে ২৫০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে।

পরামর্শ :বাচ্চার জুতা কেনার সময় মাথায় রাখতে হবে জুতাটি যেন অবশ্যই শিশুর পায়ে ঠিকমতো হয়, প্রয়োজনে পরিয়ে ট্রায়াল দিয়ে নিন। এতে পরে সাইজ না মেলার ঝামেলায় পড়তে হবে না। ট্রায়ালের সময় খেয়াল করুন, জুতা পায়ে দিয়ে শিশুটি ঠিকমতো হাঁটতে পারছে কিনা। অর্থাৎ জুতাটি তার জন্য আরামদায়ক হচ্ছে কিনা। শেষ পর্যন্ত জুতা-স্যান্ডেল যা-ই কেনা হোক না কেন, তা বেল্টযুক্ত হলে ভালো। এতে শিশুরা অন্য ডিজাইনের জুতার চেয়ে বেশি আরামবোধ করবে। শিশুদের জন্য হিলজাতীয় জুতা পরিহার করাই শ্রেয়। হিল পরে হাঁটতে বাচ্চাদের সমস্যা হতে পারে। 

পা ঘামানো এবং দুর্গন্ধের জন্য জুতা একমাত্র কারণ না হলেও অন্যতম প্রধান কারণ। তাই এমন জুতা নির্বাচন করা প্রয়োজন, যেখানে পায়ে যথেষ্ট বাতাস পৌঁছানোর সুযোগ থাকে। অবশ্যই খেয়াল রাখা প্রয়োজন জুতার তলা, পায়ের সংস্পর্শে থাকে যে পাশ, যেন অবশ্যই প্রাকৃতিক চামড়ার হয়। শিশুদের পায়ের গঠনে জুতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ছোটবেলায় মাপমতো জুতা না পরলে শিশুদের পা বেশি চওড়া হয়ে যায়। আবার বেশি সময়ের জন্য জুতা পরানো হলে পা ছোট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। যাঁদের পায়ে জন্মগত সমস্যা থাকে, তাঁদের জন্মের পর থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বিশেষ ধরনের জুতা পরানো দরকার। এতে পায়ের সমস্যা অনেকাংশেই কাটিয়ে ওঠা যায়।

সব বয়সী শিশুদের সবধরনের জুতা দেখতে ক্লিক করুন।

*জুতা* *শিশুরজুতা* *শপিং* *অনলাইনশপিং* *শু* *স্যান্ডেল* *নবজাতকেরজুতা*

বিম্ববতী: [বেশবচন-ছিছি] হায়রে সেলুকাস !,,,(বৃষ্টি),,, বিচিত্র এই দেশ ! মানুষ কি করে লাখ লাখ টাকার শপিং করতেই থাকে ! রোজার প্রথম দিন থেকে চাঁন রাত্তিরের লিকলিকে চাঁদটাকেও যেন গিলে খাবে,,,,! ,,,(বৃষ্টি),,এইসব সর্বভুক্তদের জন্ম কোথায় কিভাবে হলো !,,,,(বৃষ্টি),, পথ-শিশুর নগ্ন পা দেখেও কি নিজেদের নগ্নতা চোখে পড়ে না ! (বৃষ্টি),,আমি বরং ঐসব মানুষের চেয়ে নগ্নতাকেই বেশি শ্রদ্ধা করি,,, অন্তত নগ্নতা নিজেকে অস্বীকার করতে শেখেনি,,,,(বৃষ্টি),,

*পথশিশু* *শপিং* *ঈদ* *নগ্নতা* *ছিঃ* *ঈদের-চাঁদ*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আবহমান বাংলায় ফ্যাশনে প্রতিদিন নতুুন নতুন পোশাক যুক্ত হচ্ছে। এসব পোশাকের মধ্য থেকে সময়ের ট্রেন্ডি সব পোশাক নিয়ে আমাদের ভাবনার কোন কমতি থাকে না। কোন পোশাকটিতে নিজেকে ভাল ভাবে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব তা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটান ফ্যাশন প্রিয় নারীরা। তবে ট্রেন্ডি ফ্যাশনে বর্তমানে নারীদের সবচেয়ে বেশী পছন্দ কুর্তি। সাধারন কামিজগুলোর তুলনায় লম্বা ঢোলাঢালা এই কুর্তিই এখন বেশি চলছে।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে ফ্যাশন। ঋতু বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পোশাক পরিচ্ছদেও আসছে পরিবর্তন। এই পরিবর্তনশীলতার মধ্যেই কিছু জিনিস হয়ে ওঠে সময়ের ট্রেন্ড। গত কয়েক বছরে লং কামিজ এবং কুর্তি জনপ্রিয়তা কেবল বেড়েই চলেছে। গরম যেন আপনার ফ্যাশনের উপর প্রভাব ফেলতে না পারে, তার জন্য চলছে নানান আয়োজন। প্রচণ্ড গরমে কুর্তি, কামিজ ফ্যাশন প্রিয়সী নারীদের সেরা পছন্দ। এতে করে গরমে স্বস্তির সাথে এ পোশাকে আপনাকে লাগবে স্টাইলিশ।

স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

"কুর্তা" বা "কুর্তি" শব্দটি মূলত পার্সিয়ান, যার অর্থ "কলারবিহীন শার্ট"। "কুর্তা" আসলে মধ্য, পশ্চিম এবং দক্ষিন এশিয়ায় প্রচলিত একটি ছেলেদের পোশাক। কিন্তু এটি বর্তমানে "কুর্তি" নামে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশে মেয়েদের একটি জনপ্রিয় পোশাক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের দেশে বর্তমানে এটি অধিক জনপ্রিয় পোশাকে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে তরুণীদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে এটি।

স্টাইলিশ কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

বিভিন্ন কাটের সুতি কাপরের কুর্তি পরতে পারেন। কামিজের ক্ষেত্রেও বেছে নিতে পারেন সুতি কাপর। সুতার কাজ করা, ব্লক, এব্রডারি, টাইডাই করা পোশাক আপনাকে লাগবে অনন্য। বৃত্তের মতো ফ্যাশনও বার বার ফিরে আসে। তারপরেও একই পোশাক যত পছন্দেরই হোক সেটা বার বার পরতে একঘেয়েমি লাগে। তাই নিজের রুচিতে আরও বৈচিত্র্য আনার জন্য একটু অন্য রং বা ঢঙের পোশাক সবসময় বেছে নেন। এ সময়ের তরুণীরা রঙিন পোশাকে বেশি প্রাধান্য দেন। সাদা, সবুজ, লাল, হলুদ, ফিরোজা, কমলা, গোলাপি, মেরুন, নীলের মতো উজ্জ্বল সব রংয়ের পোশাকগুলোকে রঙিন করে তুলছে।

স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

লম্বা ও ঢিলেঢালা কুর্তি:

লং কামিজের মতো লম্বা আর ঢিলেঢালা কুর্তিও এখন অনেকের পছন্দ। সুতি কিংবা লিনেন কাপড়ের হওয়ায় কুর্তিগুলো পরেও আরাম। এগুলোর সামনের দিকটায় থাকে এক রঙের কোনো কাপড় আর পেছনের দিকটায় জবরজং প্রিন্টের কাপড়। হাইনেক কলার ও ফুল স্লিভ কিংবা থ্রি-কোয়ার্টার হাতার কুর্তিগুলোর জমিনজুড়ে থাকে নানা মোটিফ।
 



স্টাইলিশ কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

শর্ট কুর্তি:

শর্ট ও স্লিভলেস কুর্তিও বর্তমানে বেশ ভাল চলে। সাথে হাতাকাটা কুর্তিরও বেশ চাহিদা আছে। ফ্যাশনটা কে একটু স্টাইলিশ করে তুলতে হবে এ ধরনের কর্তির বিকল্প নেই। এই ধরনের কর্তি যেমন আরামদায়ক তেমনই মানানসই। বাজারে লাল থেকে শুরু করে সাদা, নীল, সবুজ, হলুদ, বেগুনি, কমলা, মেজেন্ডা থাকছে সব কটা রঙেই। আপনি আপনার পছন্দমত রঙের টি কিনে নিন। তবে এগুলোতে কয়েকটি রংয়ের কমবিনেশন থাকলে ভাল লাগে। শর্ট কুর্তি কিনতে ক্লিক করুন

স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

কুর্তিতে অনেক তরুনিই স্বাচ্ছন্দের পাশাপাশি ফ্যাশনেবল মনে করেন। এছারাও কামিজের ক্ষেত্রে লং কামিজ বেশ ফ্যাশনেবল। নিত্যনতুন স্টাইল সংযোজন করা হচ্ছে সালোয়ার-কামিজে। অনেকটা আলখেল্লা স্টাইলে তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ ধরনের কামিজ। লং কুর্তার পাশাপাশি শর্ট-কামিজগুলোও বেশ চলছে। দেশের প্রায় সব ধরনের পোশাকের মার্কেটে মিলবে দেশী বিদেশী বিভিন্ন ডিজাইনের পছন্দসই কুর্তি। আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও আপনি ঘরে বসে কিনতে পারেন পছন্দের কুর্তি এজন্য আপনি দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল এর ওয়েবসাইট এ গিয়ে অর্ডার করতে পারেন। আপনাদের সুবিধার্থে নিচে একটি অনলাইন লিংক শেয়ার করলাম।

সব ধরনের ফ্যাশনেবল কুর্তির কালেকশন দেখতে ক্লিক করুন

স্টাইলিশ কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

কোথায় পাওয়া যায় কেমন দামঃ
বনানী,গুলশান এর পিঙ্ক সিটি সহ বিভিন্ন মার্কেট-এ দেদারসে বিক্রি হচ্ছে এই সব সিঙ্গেল কুর্তি। দাম ১৫০০ টাকা-৪৫০০ টাকার মাঝে। আর এইসব কুর্তি ঢোলাঢালা পায়জামার বদলে লেগিংস দিয়ে পড়া হয়। বিভিন্ন রঙের লেগিংস ও লেইস দেয়া সুন্দর সুন্দর লেগিংসও পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন শপিং মলগুলোতে । দাম ২০০ টাকা -৮০০ টাকা পর্যন্ত। কুর্তির সাথে পড়তে পারেন এক রঙের কিংবা শেডের কোন ওড়না। কুর্তির কাপড়ের রঙের সাথে মিলিয়ে ওড়নায় শেড করিয়ে নিতে পারেন। ওড়নায় ২ রঙের শেড করাতে খরচ পরে ৫০০ টাকা -৬০০ টাকা এবং ৩ রঙের শেডে খরচ পড়বে ৬০০ টাকা-৭০০ টাকা।

স্টাইলিশ কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

গাউসিয়া, চাদনি চক, বনানী সুপার মার্কেট, পিঙ্ক সিটি, মৌচাক এর বিভিন্ন দোকানে ওড়নায় শেড করানো যায়। এসব পোশাক পাওয়া যাচ্ছে দেশিয় ফ্যাশন হাউসগুলোতে। যমুনা ফিউচার পার্ক, ইনফিনিটি মেগা মল, অঞ্জন`স, আড়ং, কে-ক্রাফট, বাংলার মেলা, প্রবর্তনা, বিবিয়ানা, নগরদোলা, সাদাকালো, অন্যমেলা, দেশালের শোরুমগুলোতে। আর অনলাইনে কিনতে চাইলে আজকের ডিল সবথেকে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। এখানে শর্ট ও লং কুর্তির বিশাল কালেকশন রয়েছে। 

স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

চাইলেও আপনি বানিয়েও নিতে পারেন এই কুর্তি। সাড়ে ৩ হাত বহরের দেড় গজ এক রঙের কাপড় আর দেড় গজ কোন ম্যাচিং প্রিন্ট এর কাপড় কিনে দর্জিকে দিয়ে দিন। বানিয়ে দিবে আপনাকে আপনারই পছন্দমত। গাউসিয়া, চাদনি চক, বনানী সুপার মার্কেট, পিঙ্ক সিটি, মৌচাক সহ বিভিন্ন শপিং মল গুলোতে আপনি পাবেন এইসব গজ কাপড়। বর্ণিল রঙ এবং বিভিন্ন ডিজাইনের এইসব গজ কাপড় থেকে বেছে নিন আপনার পছন্দের গজ কাপড়টি। গজ প্রতি দাম পড়বে ২০০ টাকা-১৫০০ টাকা পর্যন্ত।

স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

ফ্যাশন প্রিয়সী আপুদের বলছি, নিজেদের কে একটু ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন ও ফ্যাশনেবল ট্রেন্ডি লুক ধরে রাখতে চাইলে একটু আধুনিক চিন্তা করার পাশাপাশি সমসাময়িক ট্রেন্ডি ফ্যাশান অনুসরণ করে সবসময় আপডেট থাকুন।

 

 

*কুর্তি* *হালফ্যাশন* *শপিং* *স্মার্টশপিং* *গরমেরফ্যাশন*
ছবি

tareq: ফটো পোস্ট করেছে

tareq

*শপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

টেলিফোন শেপড মোবাইল রিসিভারযুগের পরিক্রমায় হাতের ছোট মোবাইল ফোনটিও এখন বড় হয়ে গেছে। অ্যান্ডয়েড, স্মার্টফোন আর ট্যাবে ভরে গেছে দুনিয়া। এসবের কল্যাণে আমরা সারাদিন ইন্টারনেট, ফেসবুকিং ও গেমস খেলতে অভস্য হয়ে পড়েছি। মাঝে কথা বলার জন্য যেটুকু সময় সেই সময়টা যদি মোবাইল ফোনটি কানে না ধরে টেলিফোন শেপস মোবাইল কল রিসিভার দিয়ে কল রিসিভ করে আরামচে কথা বলা যেত তাহলে কেমন লাগতো? নিশ্চয় ভালো লাগত। তাইতো আপনাদের কথা মাথায় রেখে প্রযুক্তিবিদরা তৈরী করেছে হ্যান্ডহেল্ড মোবাইল কল রিসিভার। এটি ব্যবহার করে আপনি মোবাইলে কথা বলতে পারবেন টেলিফোনের স্বাদে। 
 
টেলিফোন শেপড মোবাইল কল রিসিভার
এটা সেম টেলিফোনের রিসিভার। আরাম করে হাতের মুঠের মধ্যে ধরে কথা বলার জন্য এটা বেশ দরকারি। তাছাড়া মোবাইল ফোন দীর্ঘসময় কানে ধরে রাখা সমস্যা। অনেকের দীর্ঘ সময় মোবাইল কানে ধরে রাখতে গিয়ে হাত ধরে যায়। এটি মোবাইল ফোনের ওজনের তুলনায় খুবই নগণ্য ও পাতলা। মোবাইল ফোন খানিকটা দূরে রেখেও এটি দিয়ে কথা সেরে নিতে পারবেন।  এতে রয়েছে লাক্সারিয়াস সফট-টাচ টেক্সার্ড স্টাইল সেলফোন হ্যান্ডসেট। রয়েছে হাই কোয়ালিটি স্পিকার ও মাইক্রোফোন। আপনি এটি iPhone, Samsung, LG, HTC, an MI সহ সকল স্মার্টফোন এবং পিসি ও ম্যাক কম্প্যাটিবল ডিভাইসে ব্যবহার করতে পারবেন। সবচেয়ে বড় কথা হলো এটি আপনাকে ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন থেকে সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করবে। 
 
মোবাইল রিসিভারটি কিনতে ক্লিক করুনদেশের বড় বড় ইলেক্ট্রিক শপ ও মোবাইল ফোন শো রুম গুলোতে টেলিফোন শেপড মোবাইল কলা রিসিভার কিনতে পারবেন। ঝামেলা মুক্ত ভাবে যারা ঘরে বসেই টেলিফোন শেপড মোবাইল কল  রিসিভার কিনতে চান তারা দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল ডট কমের ওয়েব সাইটে গিয়ে অর্ডার করুন। আপনার অর্ডারকৃত পন্য তারা বাড়িতে পৌঁছে দেবে। আজকের ডিল থেকে টেলিফোন শেপড মোবাইল কল  রিসিভার কিনতে চাইলে এই কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করুন। 
*কলরিসিভার* *মোবাইলফোন* *ইলেকট্রিকপন্য* *শপিং* *কেনাকাটা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একুশ মানে মাথা নত না করা। একুশ মানে নব উদ্যোমে সামনে চলা।  একুশ হলো উদযাপনের প্রেরণা। একুশের স্মরণে বাঙালি আজ নানাভাবেই এ পুরো ফেব্রুয়ারি মাসকে শ্রদ্ধাভরে উদযাপন করে। একুশ উদযাপনের  এমনই এক অনুসঙ্গ হলো পোশাক। পোশাকে যদি থাকে একুশের সাজ তাহলে গর্বে বুকটা ভরে ওঠে। বন্ধুরা আজকের আয়োজন একুশের পোশাক আয়োজন নিয়ে । 
 
(কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করে একুশের পোশাক সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন)
 
একুশের পোশাক ফ্যাশন
একুশে ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে বাংলাদেশের দেশীয় ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি তৈরি করে থাকে এ সময়ের উপযোগী পোশাক। নতুন করে পথচলায় বাহারি পোশাকে উদযাপন করছে ফেব্রুয়ারি। এবারের ফেব্রুয়ারির পোশাক ও বর্ণমালা এক সুতায় গাঁথা। ইতোমধ্যে কমে এসেছে শীতের প্রকোপ। তাই একুশের কালেকশনটি সাজানো হয়েছে পুরোপুরি সুতি কাপড়ে। সাদা আর কালোর সৌকর্যে বিনির্মিত এই কালেকশনে ডিজাইনাররা প্রয়াস পেয়েছেন ফ্যাশনপ্রিয়দের পছন্দকে ছোঁয়ার। স্ক্রিনপ্রিন্ট, ব্লকপ্রিন্ট, এম্ব্রয়ডারি, কারচুপি, প্যাচওয়ার্ক আর মিক্স মিডিয়ায় সুষম আর দৃষ্টিনন্দন ব্যবহারে প্রতিটি পোশাককে আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। 
 
শাড়ি, পাঞ্জাবি, সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, টি-শার্ট, শার্ট প্রভৃতি পোশাকে বিভিন্ন একুশের মোটিফ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এবারের ডিজাইনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বাংলা সাহিত্যের উদ্ধৃতি, আবার অক্ষর বিন্যাসে তৈরি করা হয়েছে চেক বা স্ট্রাইপ। পাশাপাশি বিভিন্ন মাধ্যমেও ব্যবহার করা হয়েছে একুশ লেখাটিকে। 
 
 
 
 
 
 
যেহেতু শোকাবহ একটি দিন সে কারণে কালোকে প্রাধান্য দিয়ে পোশাকগুলো ডিজাইন করা হয়েছে। তবে এ বছরে গতানুগতিক সাদা-কালোর কম্বিনেশনের বাইরে বেশ কিছু গাঢ় রঙ দিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে পোশাকগুলো। যেমন এ্যাশ, কফি কালার, পীত কালারসহ আরও কিছু নতুন রঙ। বেশিরভাগ ড্রেসই ফুলস্লিভ।  শাড়িতে হ্যান্ড স্প্রে এবং হাতের কাজ এবং কারচুপির কাজ লক্ষণীয়। সরাসরি কিংবা প্রতীকীভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে একুশের ভাবাবেগ। ডিজাইনে তুলে ধরা হয়েছে শহীদ মিনারের প্রতিকৃতি, স্বরবর্ণ ব্যঞ্জনবর্ণ। ডিজাইনের ভেরিয়েশন লক্ষ্য করা যায় টিশার্টে। মিছিল, বিভিন্ন অক্ষর, শহীদ মিনার, বজ্রমুঠি ইত্যাদি স্কেচ, এ্যাম্বুস, স্ক্রিনপ্রিন্ট, হ্যান্ড পেইন্টের মাধ্যমে টিশার্টগুলো ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তবে শুধু মাত্র কালার কম্বিনেশন দিয়েই পোশাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে একুশ। অর্থাৎ সাদা এবং কালো রঙের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে পোশাক। 
 
কোথায় পাবেন দাম কেমন?
রাজধানীর অঞ্জনস, নগরদোলা, এড্রয়েট, অবরা,রং, বালুচর, সাদাকালোর মত ফ্যাশন হাউজ গুলোতে একুশের সব আয়োজন এক সাথে পেয়ে যাবেন। এছাড়াও দেশের ছোট বড় সব ধরনের ফ্যাশন হাউস গুলোতেও একুশের পোশাক কালেকশন রয়েছে। দাম ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০০ টাকার মধ্যে। ও আরেকটি কথা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলে রয়েছে একুশের চমকপ্রদ সব আয়োজন। যারা ঘরে বসে একুশের পোশাক কিনতে চান তারা অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে গিয়ে পছন্দমত অর্ডার করে কিনে নিতে পারবেন। আপনার চাহিদা মত দেশের যে কোন প্রান্তে তারা আপনার পন্যটি পৌঁছে দেবে।
 
একুশের পোশাক কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন
*একুশেরফ্যাশন* *পোশাকফ্যাশন* *অমরএকুশ* *শপিং* *কেনাকাটা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আগে বলা হত, ঘড়ি, ছাতা আর পার্স ছাড়া পথে-ঘাটে না বেরুতে। এখন তার জায়গা নিয়েছে মোবাইল এবং এটিএম কার্ড। ধীরে ধীরে পাল্টাচ্ছে আমাদের পুরানো অভ্যাস, রিস্টওয়াচ বদলে হাতে হাতে এখন দেখা যায় স্মার্টওয়াচ। এই ঘড়ি ব্লু-টুথের মাধ্যমে কানেক্টেড থাকবে আপনার স্মার্টফোনের সঙ্গে। কল করা এবং ফোন রিসিভ করা দুইই করতে পারবেন স্মার্টওয়াচের মাধ্যমে। দেখতে পারবেন মেল এবং নেট সার্ফিং করতে পারবেন অনায়াসেই। 
অ্যান্ড্রয়েড ওয়্যার (যেমন, হাতঘড়ি) চালু করার সময় ডেভেলপাররা অ্যাপ্লিকেশন, ফাংশন, ইউসেজ এবং কৌশল বের করার সম্পূর্ণ নতুন বিশ্ব'র সাথে কাজ করা শুরু করেছিল। যাদের স্মার্টওয়াচ আছে তারাই আপনাকে বলবে যে আপনার পকেট থেকে ফোন বের করার কষ্ট থেকে নিজেকে বাঁচানোর একটি বড় হাতিয়ার এটা, যদিও অনেকেই বলবে, রাতে চার্জ দিতে হয় এমন আরেকটি ডিভাইস মাত্র। তবে দুটোই সঠিক। যদিও অ্যান্ড্রয়েড ওয়্যার কয়েকটি সফটওয়্যার আপডেট করেছে এবং ব্যাটারিও বেশ উন্নত করেছে, তবে আসল ব্যাপার হল, একটি ছোট স্ক্রিনের ফোনের মত এটার ছোট স্ক্রিন অতটা ভালো নয়, যাদের কাছে প্রতিদিন একটি ঘড়ি চার্জ দেওয়াটা ঝামেলার তারা এটা ব্যবহার করবে না। অনেকেই মনে করছে হাতঘড়ি ব্যবহার করে পরিবার এবং বন্ধুদের কাছে মেসেজ পাঠানো বিশেষ ভালো আইডিয়া নয়।  প্রধানত নোটিফিকেশন পেতেই মানুষ এটা কিনতে চায় , তবে ওয়্যারের ক্ষেত্রে সম্প্রতি মেসেজিংটা আপডেট করা হয়েছে, এই আপডেট ভার্শনে এখন টেক্সট এর পরিবর্তে হ্যাঙ্গআউট মেসেজ পাঠানো যায়, আপনার ঘড়ি বা ব্লুটুথ হেডসেট দিয়ে মেসেজিং করতে বিশেষ করে কথা বলতে অসুবিধা হতে পারে। হাঁটাহাঁটির ক্ষেত্রে কব্জির ওঠানামায় অত অসুবিধা নেই, কিন্তু সাইকেল চালানো এবং গাড়ি ড্রাইভিং বা বড় গাড়ির ক্ষেত্রে এটা ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিপজ্জনকও বটে। ফিটনেস ওয়াকিং বা ব্যায়ামের জন্য স্মার্টওয়াচের ব্যবহার খুবই আরামের, যদিও এটা ডেডিকেটেড স্টেপ কাউন্টার, ক্যালোরি কাউন্টার, বা এ ধরনের ডিভাইস (যেমন- ফিটবিট) ব্যবহার করার মত নিখুঁত নাও হতে পারে। কিন্তু অবশ্যই এটা স্মার্ট ওয়াচের সেরা আকর্ষণ।
 
ফিটনেস ট্র্যাকার (স্মার্টওয়াচ) ডিভাইস গত বছরে আলোচিত প্রযুক্তিপণ্যের মধ্যে অন্যতম। কোরিয়ান ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য নির্মাতা স্যামসাং মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে প্রদর্শন করেছে তিনটি ভিন্ন মডেলের স্মার্টওয়াচ। এগুলোর প্রত্যেকটিতে রয়েছে হার্ট-রেট পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা। গিয়ার ২, গিয়ার ২ নিও ও গিয়ার ফিট ব্যবহার করে জানা যাবে প্রতিমিনিটে আপনার হৃদস্পন্দনের হার কত।
 
স্মার্টওয়াচ তৈরিতে এগিয়ে মোবাইলফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। চীনের অপর স্মার্টফোন নির্মাতা হুয়াওয়েই তৈরি করেছে ফিটনেস ট্র্যাকার। হাতে পরার ডিভাইসটি হেডফোনে কনভার্ট করে মোবাইল ফোনের কল রিসিভ করা যাবে। সনি দেখিয়েছে ফিটনেস ট্র্যাকারব্যান্ড। স্মার্টওয়াচ অনেক কার্যকরী হলেও নানা কারণে এটি নিয়মিত ব্যবহার করাটা স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ নয়। কিন্তু এসব স্মার্টওয়াচ যদি দেখতে গতানুগতিক ঘড়ির মতই হয় তাহলে এটি ব্যবহার করা আরো রুচিশীল ও আরামদায়ক হবে বলেই সবাই ধারণা করছেন। একটা সময়ে আপনি মোবাইল নামক যন্ত্রটির নামের সাথেই পরিচিত ছিলেন না। আর এখন মোবাইল ছাড়া আপনার একটি মুহুর্তও চলে না। এরপরে হয়ত স্মার্টওয়াচ এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী। আর তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা। তো আপনি বসে কেন? কিনে ফেলুন স্মার্ট ওয়াচ l চলুন তবে দেখে নেই বাজারের সেরা পাঁচটি স্মার্টওয়াচের হাল-চাল। 
 
APPLE স্মার্ট ওয়াচ 
চমৎকার এই ঘড়িটি আপনার স্মার্ট মোবাইলের এক্সট্রা গিয়ার হিসেবে কাজ করবে 
ডিসপ্লেঃ 1.54" 
ক্যামেরাঃ 2 MP 
সিমঃ সিঙ্গেল সিম 
১৬ জিবি মেমোরি কার্ড সাপোর্টেড 
350mAh ব্যাটারি 
টাচ স্ক্রিন অ্যালার্ম ইমেজ ভিউয়ার ভিডিও প্লেয়ার সাউন্ড রেকর্ডার সহ সবকিছু
তবে এটি কিনতে খরচ পড়বে মাত্র  ৩,৩৪১ টাকা
 
ব্লুটুথ স্মার্ট ওয়াচ
ব্লুটুথ স্মার্ট ওয়াচ 
একে ঘড়ি ও মোবাইল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে 
এর মাধ্যমে ডায়াল করা অথবা কল রিসিভ করা, 
এসএমএস করা যাবে
 লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি চালিত
২,১৯৯ টাকা
 
 
স্মার্ট ওয়াচ
টাচ স্ক্রীন
কথা বলতে পারবেন
গান শুনতে পারবেন
এসএমএস করতে পারবেন
ব্লুটুথ সাপোর্টেড
সর্বোপরি আপনি ফোনের সকল কাজ এর মাধ্যমে করতে পারবেন
প্রোগ্রামসমূহঃ আ্যলার্ম, ক্যালেন্ডার, ক্যালকুলেটর, ফাইল ম্যানেজার, অডিও প্লেয়ার, থিম সেটিং, ক্যমেরা, সাউন্ড রেকর্ডার সহ আরো অনেক কিছু
এটার দাম পড়বে ২,৪৫৫ টাকা
 
স্মার্ট গিয়ার ব্লুটুথ ওয়াচ
ব্লুটুথ স্মার্ট ওয়াচ একে ঘড়ি ও মোবাইল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে এর মাধ্যমে ডায়াল করা অথবা কল রিসিভ করা, এসএমএস করা যাবে 
লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি চালিত
এই চমৎকার ঘড়িটি আপনার স্মার্ট মোবাইলের এক্সট্রা গিয়ার হিসেবে কাজ করবে 
ডিসপ্লেঃ 1.48" TFT LCD Capacitive touch screen 
ক্যামেরাঃ BT remote টাচ স্ক্রিন লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি
দাম ১,৫৫৫ টাকা
 
 
APPLE স্মার্ট ওয়াচ 
ঘড়িটি আপনার স্মার্ট মোবাইলের এক্সট্রা গিয়ার হিসেবে কাজ করবে এবং চাইলে এতে সিম ভরে মোবাইল হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন 
ডিসপ্লেঃ 1.54" 
ক্যামেরাঃ 2 MP 
সিমঃ সিঙ্গেল সিম 
১৬ জিবি মেমোরি কার্ড সাপোর্টেড 
টাচ স্ক্রিন 
লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি
২,৯৯৯ টাকা
 
*স্মার্টওয়াচ* *শপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শুরু হয়েছে ঋতুরাজ বসন্ত। বসন্তে প্রকৃতির নবসাজের সাথে মিল রেখে আপনি আপনার ঘরের দেয়ালটিও সাজিয়ে নিতে পারেন। তাছাড়া ঘরের দেয়ালটি ফাঁকা পড়ে থাকলে কেমন জানি বেমানান দেখায়। কিন্তু দেয়ালে যদি বসন্তের নান্দনিকতার রং লাগানো যেত তাহলে দেয়াল হয়ে উঠত আকর্ষণীয় আর ঘরের সৌন্দর্য্যও বৃদ্ধি পেত। এজন্য ঘরের দেয়ালে জুড়ে দিতে পারেন না রঙের স্টিকার। সেটা হতে পারে রংধনু, বিভিন্ন রঙের প্রজাপতি, গাছপাখি,রূপকথার বিভিন্ন চরিত্রের স্টিকার, তারা, বিভিন্ন গ্রহের স্টিকার ইত্যাদি। চলুন আপনার খালি ঘরকে বাসন্তী স্টিকারে সাজিয়ে তুলি নিচের স্টিকার গুলো দিয়ে। কন্টেনটির স্টিকারের ছবিতে ক্লিক করে আপনি বিস্তারিত জানাতে পারবেন।
 
রঙ নির্ধারণ
স্টিকারের যেকোনো রঙ বা সজ্জা নির্ধারণের আগে যে ঘরটি সাজাবেন তার সম্পূর্ণ থিম ঠিক করে নিন। এতে করে স্টিকারের রঙ আর সাজ দুটোই আকর্ষণীয়ও হবে। মনে রাখতে হবে ঘরের সব কিছুই যেন একসঙ্গে মানানসই দেখায় এমন কিছু পরিকল্পনা করবেন। এই যেমন ঘড়ি, ফুলদানি, পেইন্টিংস, কুশন এগুলোর সঙ্গে মৌলিক থিমের মিল রাখতে হবে। এই সাধারণ জিনিসগুলোই ঘরকে করে দিতে পারে অসাধারণ। 
 
 
 
 
 
ওয়াল স্টিকার লাগানোর নিয়ম কানুন
ওয়াল স্টিকার মূলত ওয়াটার প্রুফ, ওয়াশ প্রুফ দেয়ালের জন্য উপযুক্ত। তাহলে দেয়্লে স্টিকারের পুরো ছাপটা মসৃনভাবে ফুটে ওঠে l ছোট ঘরের একটা দেয়াল কিংবা সিলিংয় সাজাতে পারেন ওয়াল স্টিকার দিয়ে। বড় ঘর হলে পুরোটাজুড়ে কিংবা বিপরীত দেয়ালে। ছোট ঘরে উজ্জ্বল আলো আর সূক্ষ্ম ডিজাইন উপযোগী। এ ক্ষেত্রে শুধু একটিমাত্র দেয়াল ব্যবহার করুন স্টিকার, তাহলে নান্দনিকতা বজায় থাকবে। সিলিংয়ে থ্রিডি পেইন্টিং, আর পুরো ঘরজুড়ে প্লেইন পেইন্ট বা টেকচারের স্টিকার লাগাতে পারেন। ছোটদের ঘরজুড়ে থাকতে পারে রঙিন কার্টুন কিংবা ফুল, পাখি, প্রজাপতি, ড্রয়ং-ডাইনিংয়ে রাস্টিক ফ্লোরাল প্রিন্ট, গাছ ডাল-পালা সহ বা যে কোনো ধরনের প্যাটার্ন ওয়ার্ক ভালো মানায়। 
 
বেডরুম বা যেসব ঘরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আছে এমন ঘরে স্টিকার ভালো মানায়। দেয়াল ভালো করে ঘষে নিতে হবে l এবার স্কেল দিয়ে হালকা দাগ দিয়ে নিতে হবে দেয়ালের গায়ে একদম স্টিকারের মাপ অনুযায়ী l এবারে স্টিকারে এক পাশ থেকে সামান্য প্লাষ্টিক টেনে খুলে হবে l এবার দু মাথা দুই হাতের আঙ্গুল দিয়ে চেপে আস্তে করে দেয়ালে লাগাতে হবে এবং নিচ থেকে প্লাস্টিকের বাইরের সাদা কাগজটি টেনে বের করে, স্টিকারের প্লাস্টিকটি দেয়ালের গেয়ে ঘষে ঘষে খুব ভালো করে এটে দিতে হবে l এবার এক পাশ থেকে আস্তে আস্তে স্টিকারের প্লাষ্টিকটি টেনে তুলতে হবে খুব সাবধানে l ভালোমানের স্টিকার হলে খুব সহজেই দেয়ালে বসে যাবার কথা l সব শেষে পরিষ্কার ন্যাকড়া দিয়ে আর্টটি মুঝে দিতে হবে l এবার আপনি পেয়ে যাবেন আপনার আকর্ষনীয় দেয়ালের সাজ l
 
কোথায় পাবেন?
আপনার ঘরের দেয়ালকে আকর্ষনীয় করে তুলতে এবং ঘরকে নতুনত্বের ছোঁয়ায় রাঙিয়ে দিতে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বড়বড় সব মার্কেট গুলোতেই ওয়ালস্টিকার পেয়ে যাবেন। যারা ঘরে বসে আকর্ষনীয স্টিকার কিনতে চান তারা দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন মপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে গিয়ে পছন্দমত অর্ডান করুন। আপনার চাহিদা মত দেশের যে কোন প্রান্তে তারা আপনার অর্ডারকৃত পন্যটি পৌঁছে দেবে। 
 
নান্দনিক সব ওয়াল স্টিকার কিনতে এখানে ক্লিক করুন
 
 
*ওয়ালস্টিকার* *গৃহসজ্জা* *শপিং* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★