শরবত

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ইফতারে জনপ্রিয় পানীয় লাবাং --- বাসায় কিভাবে বানানো যেতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ইফতার* *ঠান্ডাপানীয়* *লাবাং* *শরবত*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 স্ট্রবেরি ব্যানানা স্মুদি কিভাবে বানাতে পারি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*স্ট্রবেরিব্যানানাস্মুদি* *স্মুদি* *শরবত*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 জামের শরবতের রেসিপি কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*জামেরশরবত* *জাম* *শরবত* *রেসিপি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পুদিনা লেবুর শরবতের রেসিপি কি?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*পুদিনালেবুরশরবত* *লেবুরশরবত* *শরবত* *রেসিপি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 প্রচন্ড ক্লান্তিতে ও পানিশূন্যতায় তাৎক্ষণিক শক্তি পেতে গ্লুকোজ শরবত খাওয়া কি ভালো?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*গ্লুকোজশরবত* *পানিশূন্যতা* *গ্লুকোজ* *ডিহাইড্রেশন* *শরবত*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফলের তাজা রস দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর উপায়ে দেহে শক্তি বাড়ায়। তাই রমজানে যেকোনো প্রকার রস গ্রহণ আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

আমরা সচরাচর যে ফলের রসগুলো খাই, সেগুলোর উপকারিতা সম্পর্কে খানিকটা আলোচনা করছি :

তরমুজের রস : দেহে পানির ঘাটতি পূরণ করার মাত্রা ৯২ ভাগ। এর মূল উপাদান পানি ও চিনি। এ ছাড়া আরো রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম। এরা একযোগে দেহে পানিশূন্যতা রোধে কাজ করে।

কমলার রস : দেহে পানির ঘাটতি পূরণের মাত্রা ৮৭ ভাগ। এটি স্বাদে মিষ্টি এবং দৈনিক ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণের ক্ষমতা শতভাগের চেয়েও বেশি।

জামের রস : এটি ভিটামিন সি-তে পূর্ণ। জামের রস আমাদের ধমনীগাত্রকে পরিষ্কার রাখে এবং রক্তে চিনির পরিমাণ স্বাভাবিক করে।

আঙুরের রস : এতে বিদ্যমান উচ্চ মাত্রার রিজভেরাট্রল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং হৃৎপিণ্ডের সুস্থতা বজায় রাখে।

জাম্বুরার রস : ৯০ ভাগ পানিশূন্যতা রোধ করে। এর লিমোনোইড্স নামক উপাদান দেহের বিষাক্ত উপাদানগুলো দূর করে ক্যানসারের টিউমারকে প্রতিরোধ করে।

ডাবের পানি : পানিশূন্যতা রোধের মাত্রা ৯৫ ভাগ। এতে নিম্ন মাত্রায় সোডিয়াম ও কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। এই রস আমাদের দেহে সতেজ অনুভূতির সৃষ্টি করে।

আমের রস : এই রস ভিটামিন এ, বি৬ ও সি-এর উৎকৃষ্ট উৎস। এ ছাড়া এই রস থেকে খাদ্য আঁশও পাওয়া যায়।

আনারসের জুস: আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। 

আপেলের জুস: রক্তের চর্বির (কোলেস্টেরল) মাত্রা কমায় আপেল জুস। নিয়ন্ত্রণে রাখে ডায়াবেটিক রোগীর রক্তে সুগারের মাত্রা। আপেল জুস লিভার ও কিডনি থেকে ক্ষতিকর বর্জ্য দূর করে লিভার ও কিডনিকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখে। 

রমজানে আমাদের দেহে পানিশূন্যতা সৃষ্টির যে আশঙ্কা থাকে, তা প্রতিরোধে ফল ও সবজির রসের জুড়ি নেই। তাই সুস্থ শরীরে রোজা পালনের জন্য প্রতিদিনের সেহরি ও ইফতারের খাদ্যতালিকায় কমপক্ষে একটি ফলের রস খাওয়া উচিত।

*ফলেরজুস* *জুসেরউপকারিতা* *শরবত*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সারাদিন রোজা রেখে ইফতারে শরবতের যেন কোনো বিকল্প নেই, তবে আজকাল আমরা দোকানের কেনা জুস বাদ দিয়ে নিজেরাই বাসায় নানা ধরনের মৌসুমী ফলের শরবত বানিয়ে ফেলি, বানিয়ে ফেলি মিল্ক শেক। চিরাচরিত ফলের জুস অনেক তো বানালেন, এইবার তৈরি করুন মজাদার খেজুরের মিল্কশেক, আর ইফ্তারে অন্যতম আরেকটি পদ খেজুর, তাই দুয়ে মিলে যেন এক জমজমাটি ব্যাপার। এই মিল্কশেকটি অল্প কিছু উপাদান দিয়ে তৈরি করা সম্ভব, আর খেতে হয়ে মজাদার। ইফতারিতে ঝটপট তৈরি করুন খেজুর মিল্কশেক, চলুন শিখিয়ে দেই রেসিপি।

উপকরণ:

১০ থেকে ১৫টি খেজুর, ৩ থেকে ৪ কাপ দুধ, দারুচিনি গুঁড়ো, বরফের টুকরো 

প্রণালী:

♦ প্রথমে খেজুরের ভিতর থেকে বীচি আলাদা করে নিন। এলাচের খোসা ছাড়িয়ে গুঁড়ো করে নিন।

♦ এইবার ব্লেন্ডারে খেজুর, এলাচ গুঁড়ো, দুধ এবং বরফের টুকরো দিয়ে ব্লেন্ড করুন।

♦ খেজুর, দুধ ভাল করে ব্লেন্ড না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করতে থাকুন।

♦ পরিবেশন পাত্রে ঢেলে বাদাম কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন ভিন্ন স্বাদের মজাদার খেজুরের মিল্কশেক। এটি মিল্কশেকের স্বাদ বৃদ্ধির সাথে সাথে এর পুষ্টিগুণ করে দেবে দ্বিগুণ।

*ইফতার* *ইফতাররেসিপি* *শরবত* *মিল্কশেক* *খেজুরমিল্কশেক*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইফতারে সারাদিনের ক্লান্তির শেষে একগ্লাস ঠান্ডা পানীয় না হলে মন প্রাণকেমন আনচান করে। এখন ফলের মৌসুম। রসালো আম কাঁঠালে ফল বাজার সয়লাব। সেখান থেকে ফল এনে ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন স্বাস্থ্যকর সব পানীয়। আম-কাঁঠাল-দুধের শরবতের রেসিপি-

 

উপকরণ : দুধ ১ কাপ, আম টুকরা করা ২ কাপ, কাঁঠালের কোষ ১০/১২টি, চিনি আধা কাপ, আইসক্রিম ১ কাপ।

প্রণালি : টুকরা করা আম আধা কাপ দুধ ও চিনি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। কাঁঠাল, দুধ ও চিনি দিয়ে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। প্রথমে আম একটি গ্লাসে ঢেলে নিন। এবার আইসক্রিম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন ।

*শরবত* *ইফতার* *ঠান্ডাপানীয়* *রেসিপি*

AjkerDeal.com: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রমজানে ইফতারিতে ট্যাং শরবত পান করেনা এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুস্কর হবে। সারাদিন রোজা রাখায় দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত কিছু না খাওয়ার কারণে মানব দেহে পানি শূন্যতা এবং তৈলাক্ত খাবারের ফলে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। তাই পানি শূন্যতা নিরসনসহ বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি থেকে শরীরকে সুস্থ রাখতে ইফতারের সময় শরবত খুব বেশি উপকারি। শরবত শরীর ঠাণ্ডা রাখার পাশাপাশি মনকে চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে। অল্প সময়ে ও সহজে ঘরে তৈরি করতে পারেন ট্যাং দিয়ে মজাদার শরবত। ভিটামিন সি শরীরের ক্লান্তি দূর করতে সিদ্ধহস্ত। কিন্তু মানবদেহে ২৪ ঘন্টার বেশি এর কার্যকারিতা থাকে না। তাই প্রতিদিনই ভিটামিন সি দরকার পড়ে শরীরের। রোজার দিনগুলোতে দরকার পড়ে আরও বেশি পরিমাণে। হাতের কাছে ট্যাং থাকতে চিন্তা কিসের !

প্রতিদিন ইফতারের সময় এক গ্লাস ট্যাং আপনার শরীরের ভিটামিন সি-এর যোগান দিতে সক্ষম। যে কোনো দোকানেই ট্যাং কিনতে পাবেন আপনি। পাবেন আজকের ডিলেও, পরিবেশনের মধ্যেও আছে বৈচিত্র। ট্যাং রয়েছে তিনটি ভিন্ন স্বাদে ২.৫ কেজি ওজনের ট্যাং-এর দাম পড়বে ১৫১৫ টাকা, ১.৫ কেজি ১১৭৫ টাকা, ৭৫০ গ্রাম ৪৭৫ থেকে ৫২০ টাকা, ৫০০ গ্রাম ২৬৫ টাকা, ২৫০ গ্রাম ১৩৫ টাকা, ২০০ গ্রাম ১২৮ টাকা, ১২৫ গ্রাম ৮৫ টাকা এবং মিনিপ্যাক ১৮ গ্রাম মাত্র ১২ টাকা। 

রোজার সময় সুস্থ থাকাটা খুবই জরুরি। ইফতার থেকে সেহরির সময় পর্যন্ত কমপক্ষে ২ থেকে আড়াই লিটার পানি পান করুন। যে কোন খাবারের শেষে একটি ফল বা ফলের শরবত শরীরকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। আর সাথে ইফতারিতে ট্যাং মেশানো এক গ্লাস বরফ কুচি দেওয়া শরবত তো চাই-ই। 

*ট্যাং* *ইফতারেশরবত* *শরবত*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শরবতের জন্য আম কিনতে ক্লিক করুনরোদ গরমে শরীর ঠাণ্ডা আর সতেজ রাখা অনেক জরুরী। এখনতো রমজান মাস এই সময় সারাটা দিন রোজা রাখার পর পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি আর ফলের জুস অপরিহার্য। প্রকৃতিতে চলছে মধুমাস জৈষ্ঠ্য। এই সময়টাতে অন্যন্য ফলের চেয়ে আম বেশি সহজলভ্য। তাই আপনাদের জন্য ইফতারিতে আমের জুসের রেসিপি দিলাম। ঘরে বসেই তৈরি করে পান করুন আর দেহ মন সতেজ রাখুন।

পাকা আমের শরবত:

আমের রাজ্য
জৈষ্ঠ্য মাসের জনপ্রিয় ফল আমের শরবত বানাতে সাথে আরো কিছু উপকরণ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে আপনি জুসারে শুধু আম দিয়ে জুস বানিয়ে নিতে পারবেন। কিন্তু শরবতের স্বাদ ও বেশি উপকারিতা পাবার জন্য নিচের উপকরণ গুলো ব্যবহার করতে পারেন:-

উপকরণ:
পাকা আমের রস আধা কাপ
চিনির সিরাপ ২ টেবিল চামচ
লেবুর রস ২ টেবিল চামচ
সোডা পানি প্রয়োজন মতো
বরফকুচি আধা কাপ, বিট লবণ ইচ্ছামতো।

প্রস্তুত প্রণালি:
একটি পাত্রে বরফকুচি, চিনির সিরাপ, লেবুর রস, আমের রস ও বিট লবণ রাখতে হবে। এবার অল্প পরিমানে সোডা পানি দিয়ে সব উপকরণে একসঙ্গে করি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে ইফতারিত ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

শরবতের জন্য ভেজালমুক্ত আম কোথায় পাবেন:

আমের রাজ্য

এই রমজানে পাকা আমের শরবত করার জন্য আম ভেজালমুক্ত হওয়া চাই। এজন্য আমের রাজ্য চাঁপাই কিংবা রাজশাহী থেকে সরাসরি কার্বাইট মুক্ত আম সংগ্রহ করতে পারলে ভাল হয়। রাস্তা বা খোলা বাজার থেকে ভেজাল আম যেন আপনাদের না কিনতে হয় সেজন্য আপনাদের সবার কথা বিবেচনা করে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল ডটকম নিয়ে এসেছে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাগঞ্জের ১০০% ভাগ খাঁটি আমের সমাহার। বাজারদরের সাথে মিল রেখেই কিনতে পারবেন পছন্দের আম। তবে আর দেরি না করে, বাজারে গিয়ে অযথা গা না ঘামিয়ে অনলাইনে এখনি অর্ডার করে কার্বাইট মুক্ত শতভাগ খাঁটি আম কিনে নিন। অনলাইনে আম কিনতে এই লিংকে ক্লিক করুন

*আমেরশরবত* *রেসিপি* *শরবত* *আম*

সাদাত সাদ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ইফতারে কোন ধরনের জুস সারাদিনের ক্লান্তভাব দূর করতে পারে

উত্তর দাও (৭ টি উত্তর আছে )

.
*ইফতার* *রেসিপি* *ইফতাররেসিপি* *শরবত* *রোজা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যুগ যুগ ধরে চলে আসা হামদর্দ ফুড প্রোডাক্টের সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় রুহ আফজা নিতে পারেন ইফতারির পানীয় হিসেবে। হামদর্দ ভারত উপমহাদেশের একটি বিখ্যাত ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি এবং একইসাথে পৃথিবীর বৃহত্তম ইউনানী ঔষধের প্রস্তুতকারক। তাই নির্ভয়ে রুহ আফজা খেতে পারেন। এই পানীয়টিতে আছে প্রায় ২৬ প্রকারের উপাদান। উপাদানগুলির মধ্যে কেওড়া, গোলাপ, শাপলা, গাজর, চন্দন, নাসপাতি, আঙ্গুর, ডালিম, আপেল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। প্রত্যেকটি উপাদানই সঠিক পরিমাণে আয়ুর্বেদিক নিয়ম অনুযায়ী রুহ আফজায় মেশানো হয়েছে। কোনো পার্শ্বপতিক্রিয়াও নেই।

হামদর্দ ১৯০৭ সালে রুহ্ আফজাকে প্রথম উৎপাদন করে। অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস, নয়াদিল্লির ফার্মাকোলজি বিভাগের ইনচার্জ এস. কে. গুপ্ত রুহ্ আফজার ওপর একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করেন। তিনি তার গবেষণা ফলাফলের সারসংক্ষেপ নিম্নোক্তভাবে তুলে ধরেন :


♦ রুহ্ আফজাতে বিভিন্ন খনিজ উপাদান যথা- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, সালফার, জিংক বিদ্যমান।
♦ রুহ্ আফজা দেহের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট পানি ঘাটতি দূর করে।
♦ রুহ্ আফজা ডায়রিয়াতে শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে।
♦ রুহ্ আফজা একটি মানসিক চাপ দূরকারক পানীয়।
♦রুহ্ আফজা অতিরিক্ত দাবদাহে মূর্ছা যাওয়া, কায়িক পরিশ্রান্তি, অবসাদগ্রস্ততা, অত্যধিক ঘাম নিঃসরণজনিত ক্লান্তিসহ অন্যান্য অস্বস্তি দূর করে।
♦এলিমেন্টোলজিক্যাল ও জৈব রাসায়নিক পরীক্ষণে প্রমাণিত হয়েছে রুহ্ আফজা দেহের সর্বজনীন প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ফর্মুলেশন।

রুহ্ আফজা হৃৎপিণ্ডের শক্তি ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। রুহ্ আফজা অতিরিক্ত হৃদস্পন্দন ও অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের গতি স্বাভাবিক করে। স্বল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে ওঠা বা বুক ধড়ফড় করা প্রতিরোধ করে। হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের স্বাভাবিক ছন্দ ফিরিয়ে আনে। এছাড়া রুহ্ আফজা মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ, কিডনি, মেরুদণ্ড, পাকস্থলী, অন্ত্র, যকৃত, প্লীহা, হাড়, ত্বকসহ দেহের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গে রক্ত সরবরাহের উপর বিরূপ প্রভাব না ফেলেই হৃৎপিণ্ডের মায়োকার্ডিয়ামে রক্ত সরবরাহ বৃদ্ধি করে। মিরাটের এল. এল. আর. এম মেডিকেল কলেজের এ. কে. গুরওয়ারা আরেকটি গবেষণায় দেখতে পান যে, রুহ্ আফজার ব্যথা নাশ করার ক্ষমতা রয়েছে। গবেষণায় প্রমাণিত হয় যে, অপারেশনের পূর্বে ৩ দিন যাবৎ দিনে ২ বার ও অপারেশনের ২ ঘণ্টা আগে ৩০ মিলি রুহ্ আফজা সেবন করলে অপারেশনজনিত ব্যথা ও অপারেশনে সুক্সামেথোনিয়াম প্রয়োগ পরবর্তী ব্যথা প্রতিরোধ করা যায়।

তাই সারাদিন রোজা শেষে এক গ্লাস রুহ আফজার শরবত আপনার ক্লান্তি দূর করে দিতে পারে নিমিষেই।ইফতারির পানীয় হিসেবে নির্বাচিত করার আগে শুধুমাত্র স্বাদের কথা বিবেচনা না করে দেখে নিন তাতে কি কি উপাদান রয়েছে। আপনার সারাদিনের পানিশূন্যতা দূর করার ক্ষমতা আছে কিনা নির্বাচিত পানীয়টির।

৭৫০ মিলি এবং ৩০০ মিলি’র সাদা বোতলে রুহ আফজা কিনতে পাওয়া যায়। মূল্যও একেবারে হাতের নাগালে। যথাক্রমে ২০০ টাকা ও ১০০ টাকা। সারা দেশের যে কোনো ডিপার্টমেন্টাল স্টোর কিংবা ফার্মেসীতে কিনতে পাওয়া যাবে রুহ আফজা। এ ছাড়া হামদর্দের নির্দিষ্ট আউটলেট তো আছেই। এছাড়া মিলবে অনলাইন শপেও, আজকের ডিল রমজানের আয়োজন হিসেবে রেখেছে নানাধরনের ফুড আইটেম, সেখান থেকেও চাইলে রুহ আফজা অর্ডার করতে পারেন ।

*রুহ-আফজা* *ইফতার* *শরবত* *ঠান্ডাপানীয়* *হেলথড্রিঙ্কস*

♦ মমিতা ♦: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

এই গরমে বেশী বেশী তাজা ফলের শরবত খেতে পারেন দেহমন কে চাঙা করতে এর জুড়ি নাই
*শরবত* *গ্রীষ্মকাল*

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পুরান ঢাকার জজ কোর্ট এলাকায় যেতে রায়সাহেব বাজারে বিউটি লাচ্ছির অবস্থান। স্বাদে অতুলনীয় বিউটি তিন ধরনের ঠান্ডা বিক্রি করে থাকে। লেবুর শরবত, মিষ্টি দই দিয়ে তৈরি বিউটির লাচ্ছি ও ফালুদা। মিষ্টি দইয়ের লাচ্ছি বিট লবণ দিয়ে পান করতে পারেন।


বিউটির লেবুর শরবতের চাহিদা খুব। বানানোর পদ্ধতিটাও আপনাদের জন্য বলে দিলেন এখানকার কারিগর মোহাম্মদ আলাউদ্দিন।


লেবুর শরবত
উপকরণ
পানি পরিমাণমতো, লেবু চারটা, চিনির শিরা ৪০০ গ্রাম এবং বরফকুচি পরিমাণমতো!


প্রণালি
পানির সঙ্গে চিনির শিরা আর লেবুর রস মেশালেই হয়ে যাবে শরবত। আট গ্লাস শরবতের জন্য ৪০০ গ্রাম চিনির শিরা তৈরি করে নিতে হবে। এবার আটটি গ্লাসে পানির সঙ্গে শিরা মিশিয়ে নিন। প্রতি গ্লাসে অর্ধেকটা করে লেবুর রস চিপে দিন। তবে যেকোনো লেবু হলে হবে না, বিউটির শরবতের মতো স্বাদ পেতে চাইলে কিনতে হবে কলম্বো লেবু। প্রতি গ্লাসে পরিমাণমতো বরফের কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

*লেবুরশরবত* *শরবত* *ঠান্ডাপানীয়* *রেসিপি*

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

লালবাগের কেল্লায় যান আর না যান, রয়েল হোটেলে একবার হলেও আসুন। লালবাগ এলাকার ৪৪ হরনাথ ঘোষ রোডে অবস্থিত রয়েল হোটেলের কোথাও কোনো শাখা নেই। ১২ বছর ধরে তাঁরা ভোজনরসিকদের মনমতো খাবারের চাহিদা পূরণ করে চলেছেন। এখানে কোনো বাসি খাবার বিক্রি হয় না, এমন কি একবার তেল পুড়লে সেটা দ্বিতীয়বার ব্যবহার হয় না।

অন্যান্য খাবারের সঙ্গে এখানে ঠান্ডা-জাতীয় খাবারের মধ্যে পাবেন লাবাং, বোরহানি, মালাই কুলফি, ফালুদা, লাচ্ছি, পাঞ্জাবি লাচ্ছি, দইবড়া এবং পেস্তাবাদামের শরবত। রয়েল হোটেলের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক আবদুল মালেকের মতে, তাঁদের পেস্তাবাদামের শরবতের জুড়ি মেলা ভার। এখানে এক লিটার পেস্তাবাদামের শরবতের দাম হলো ২২০ টাকা।

রয়েলের পেস্তা বাদাম শরবতের রেসিপি

উপকরণ: পেস্তাবাদাম পরিমাণমতো, মালাই পরিমাণমতো, দই পরিমাণমতো, খাঁটি জাফরান পরিমাণমতো, চিনি পরিমাণমতো, দুধ পরিমাণমতো।


প্রণালি: দই, মালাই, দুধ ও চিনি ঘুঁটনি দিয়ে ঘুঁটে গ্লাসে ঢেলে পেস্তাবাদাম ও জাফরান মিশিয়ে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। খাওয়ার ঠিক আধা ঘণ্টা আগে বের করে ফ্রিজের নরমালে রেখে দিন, তারপর পরিবেশন করুন। মনে রাখবেন, একবার এ শরবত তৈরি করলে তা ডিপ ফ্রিজে তিন দিন রেখে খাওয়া যাবে। আর একবার মুখ বা বোতলের ছিপি খুললে পুরো শরবত সে সময়ই খেয়ে ফেলতে হবে।

*পেস্তাবাদামেরশরবত* *বাদামেরশরবত* *শরবত* *ঠান্ডাপানীয়*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★