শাড়ি

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শাড়ি বাঙালি নারীর ঐতিহ্যের পোশাক। কোন পোশাকে রমনীদের সবচেয়ে ভালো লাগে? এমন প্রশ্ন যদি আপনার কাছেও করি আপনিও এককথায় উত্তর দেবেন শাড়ি। সত্যিই শাড়িতেই বাঙালি নারীদের বেশি সুন্দর দেখায়। তাইতো শাড়ীর আবেদন আজও একটুও কমেনি। শাড়ির উৎপাদন এবং বেচাকেনাও থেমে নেই। বর্তমান বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শাড়ি পাওয়া যাচ্ছে তবে অফলাইন মার্কেট গুলোর চেয়ে অনলাইনে শাড়ির কালেকশন অনেক বেশি। শাড়ির দামদর মার্কেট টু মার্কেট ভিন্নতা থাকলেও কমদামে ভালোমানের ফ্যাশনেবল শাড়ি পাওয়া যায় দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন মার্কেটপ্লেস আজকেরডিলে। ৮০০ টাকারও কমদামে পাওয়া যায় এমনই কিছু শাড়ির কালেকশন গুলো নিয়ে আজকের এই পোস্ট।

 

বর্তমানে বিভিন্ন উৎসব ও পার্টি উপলক্ষ্যে সবাই ফ্যাশনেবল শাড়িই বেশি পরতে পছন্দ করেন। কিন্তু যারা বেশি দাম দিয়ে শাড়ি কেনার সামর্থ্য রাখে না তারা ফ্যাশনেবল শাড়ি কোথায় পাবে। এজন্য সহজ মাধ্যম হতে পারেন আজকেরডিল। যেখানে ৮০০ টাকার মধ্যেই আপনি ফ্যাশনেবল শাড়ি পেয়ে যাবেন। তাছাড়া দোকানগুলোতে গিয়ে আপনি শাড়ি কিনলে ‍খুব একটা দেখার সুযোগ থাকে না। একজন কাস্টমারকে কয়টা শাড়িই বা দোকানাদারের পক্ষে দেখানো সম্ভব? এজন্য ফ্যাশনেবল শাড়ি চয়েজ করা ঝামেলা হয়ে যায়। তাছাড়া দামদর না জানলে ৫’শ টাকার শাড়ি বিক্রি করে আপনার কাছে থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে নেয় দোকানীরা।

 

এজন্য সহজ সমাধান হতে পারে অনলাইন শাড়ি বাজারগুলো। যারা অনলাইনে কেনাকাটা করতে ইচ্ছুক তারা খুব সহজে বাড়িতে বসেই বাংলাদেশের বিভিন্ন অনলাইন শপিং মল গুলো থেকে অর্ডার করে শাড়িটি কিনে নিতে পারবেন। এখানে ঠকে যাবার কোন ভয় নাই। বাজার দরের চেয়ে কমেই সব ধরনের শাড়ি আজকেরডিলে পাওয়া যাচ্ছে। আপনি অর্ডার করলে আপনার বাড়িতে পৌঁছে যাবে শাড়ি। কাঙ্খিত পণ্য না পেলে রয়েছে ফেরত দেবার সুযোগ তো থাকছেই। সো-অনলাইনে কেনাকাটাতেই এখন রিস্ক কম।

 

আপনারা যারা কমদামে ফ্যাশনেবল শাড়ি কিনতে চাচ্ছেন তাদেরকে বলছি ফ্যাশনেবল শাড়ির সবচেয়ে বড় কালেকশন রয়েছে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। শাড়িগুলোর দামও রয়েছে সাধ্যের মধ্যে (মাত্র ৪০০ টাকা থেকে শুরু-৮০০ টাকার বেশি না)। চাইলে আপনিও একবার আজকের ডিল ডট কমের এই লিংকটিতে গিয়ে ফ্যাশনেবল শাড়ির কালেকশন দেখে আসতে পারবেন। অথবা কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করেও দেখে নিতে পারবেন।

 
মনে রাখবেন, অনলাইন শপিং এর মাধ্যম মানেই আজকেরডিল ডট কম। আজকের ডিল থেকে শপিং করুন ঝড়ের গতিতে আর ডেলিভারী নিন তুফানের বেগে। আর মাথা নষ্ট আকর্ষণীয় ও নান্দনিক ডিজাইনের শাড়ি পেতে চোখ রাখুন আজকের ডিলে

*শাড়ি* *আজকেরডিল* *৮০০টাকারশাড়ি* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 তুলনামূলক সস্তায় ভালোমানের বিয়ের বেনারশী কোথায় থেকে কিনব?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*বিয়েরবেনারশী* *শাড়ি* *বিয়েরকেনাকাটা*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রমজান মাস শুরু তো ঈদের প্রস্তুতিও এখন থেকেই শুরু । রোজার শেষ দিকে দাম বেশি এবং ব্যস্ততার কারণে অনেকের পছন্দসই শাড়ি কেনা হয়ে ওঠে না। এজন্য রমজানের শুরুতেই রকমারি শাড়ি নিয়ে হাজির  হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল। এবার আরামে ঘরে বসে আগেভাগেই কিনে নিতে পারবেন আপনার পছন্দের শাড়ি।  চলুন কিছু লেটেস্ট মডেলের শাড়ি কালেকশন দেখে নেওয়া যাক। 

শাড়িতে অনন্যা বাঙালি ললনা! সত্যিই বাঙ্গালি মেয়েদের শাড়ীতেই সবচেয়ে সুন্দর দেখায়। তাইতো শাড়ীর আবেদন আজও একটুও কমেনি। শাড়ী” বাঙ্গালীর জীবনে সুখে দুঃখের অন্যত্ম সঙ্গী শাড়ী বাঙ্গালী নারীর সুখে দুঃখে, স্মৃতিতে বর্তমানে, সৌন্দর্যে উৎসবে মিশে আছে ওতপ্রোত ভাবে। জামদানি, ঢাকাই বেনারসি, রাজশাহী সিল্ক,রেশমি শাড়ী, তসর সিল্ক,টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ী,কাতান শাড়ী, পাবনার শাড়ী খুব জনপ্রিয়। 

সিল্ক শাড়ি

 

সিল্ক শাড়িকে বলা হয় আভিজাত্যের প্রতীক। সেই আভিজাত্যকে কে না চান! ফ্যাশনপ্রেমী নারীরা কম-বেশি সারা বছরই সিল্ক শাড়ি পরেন। মূলত রেশমের তৈরি বলে এটি বেশ আরামদায়ক ও স্টাইলিশ। এবারের ঈদকে টার্গেট করে আজকেরডিলে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ডিজাইনের সিল্ক শাড়ি। আপনি আপনার পছন্দেরটি বেছে নিন। 

জর্জেট শাড়ি

 

জর্জেট শাড়ি এখন ফ্যাশন এর অন্যতম একটি ঐতিহ্য । এখন যে কোন বয়সের মেয়েদের জন্য জর্জেট শাড়ি একটি অন্যতম ফ্যাশন । জর্জেটের ওপর কাজ করা থাকে সুতার, পাথরের যা আপনাকে করবে পার্টিতে আরও জাঁকজমক পূর্ণ। এই শাড়ি পড়লে যে কোন পার্টিতে আপনাকে সবার চেয়ে আলাদা মনে হবে । যে কোন রঙের এই শাড়ি আপনাকে আরও সুন্দর দেখাবে।

জামদানি শাড়ি

জামদানি শাড়ীর বিভিন্নতা একে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতি এনে দিয়েছে । এখনকার যুগে যে কোন মেয়ে যদি প্রশ্ন করা হয় কোন শাড়ি টি আপনার পছন্দ তাহলে ১ নাম্বার এ বলবে জামদানি শাড়ির কথা। হাতে বোনা জামদানি গুলো দেখতে শুধু সুন্দর-ই না, এই জামদানি গুলো শত শত বার পরার পরেও পলিশ করার পর একেবারে নতুন হয়ে যায়, এবং এই শাড়ি গুলো ফেঁসে গেলে কালার ফেইড হয়ে গেলেও ঠিক করা যায়, যা মেশিনে বোনা জামদানিতে হয় না।

টাংগাইলের  শাড়ি

বাঙালি নারীদের মাঝে অনেক জনপ্রিয় একটি শাড়ি হচ্ছে টাংগাইলের তাঁতের শাড়ি। জনপ্রিয় হওয়ার কারন হচ্ছে টাংগাইল শাড়ির নিজস্ব একটি নকশা আছে যা অন্য শাড়ি থেকে আলাদা। প্রাকৃত উপাদানের সঙ্গে হালকা রঙের সমন্বয় আর সাথে মিলিয়ে এ শাড়ি কে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে । কম এবং বেশি উভয় দামের মধ্যেই আপনি নানা ধরনের টাংগাইল শাড়ি পাবেন। 

কাতান শাড়ি

বাঙালি নারীর সৌন্দর্য্য আর ব্যক্তিত্ব শাড়িতেই সবচেয়ে সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে আর বিয়ের কনেকে সবাই শাড়িতে দেখতেই বেশি পছন্দ করে। উজ্জ্বল বাহারি রঙ আর কারুকাজের শাড়ির সমারোহ বিয়েতে অন্যরকম মাধূর্য নিয়ে আসে। আর বিবাহের জন্য বেশিরভাগ মেয়ে কাতান শাড়ি পছন্দ করে । এই শাড়িতে আপনাকে করবে আরও আকর্ষণীয়। এতি একটি ঐতিহ্য বাহী পোশাক । এই শাড়ি পড়লে যে কোন পার্টিতে আপনাকে সবার চেয়ে আলাদা মনে হবে । যে কোন রঙের এই শাড়ি আপনাকে আরও সুন্দর দেখাবে।

 

বর্তমান সময়ে ফ্যাশন এ যতই পরিবর্তন আসুক না কেন শাড়ির আবেদন একটু কমে না । এই ঈদে নিজেকে একটু বেশি সুন্দর, আকর্ষণীয়, জমকালো আরও অভিজাত করে ফুটিয়ে তুলতে শাড়ি সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। সে নির্ভরযোগ্যতাই এই ঈদে ঐতিহ্যবাহী কাতান, বেনারশি, জামদানির যেমন কদর বেড়েছে তেমনি জর্জেট, শিফন, নেটের শাড়িও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এবারের ঈদের লেটেস্ট সব কালেকশন গুলো দেখে নিতে ও কিনতে এখনি এখানে ক্লিক করুন। 

*শাড়ি* *রকমারিশাড়ি* *ঈদেরশাড়ি* *শাড়িফ্যাশন* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল*

AjkerDeal.com: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শাড়িতেই বাঙ্গালি নারীদের বেশি সুন্দর দেখায়। তাইতো শাড়ীর আবেদন আজও একটুও কমেনি। বর্তমানে বিভিন্ন উৎসব ও পার্টি উপলক্ষ্যে সবাই ফ্যাশনেবল শাড়িই বেশি পরতে পছন্দ করে। দোখানগুলোতে গিয়ে আপনি শাড়ি কিনলে ‍খুব একটা দেখার সুযোগ থাকে না। একজন কাস্টমারকে কয়টা শাড়িই বা দোকানাদারের পক্ষে দেখানো সম্ভব? এজন্য ফ্যাশনেবল শাড়ি চয়েজ করা ঝামেলা হয়ে যায়। তাছাড়া দামদর না জানলে ৫’শ টাকার শাড়ি বিক্রি করে আপনার কাছে থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে নেয় দোকানীরা। 

এজন্য সহজ সমাধান হতে পারে অনলাইন শাড়ি বাজারগুলো। যারা অনলাইনে কেনাকাটা করতে ইচ্ছুক তারা খুব সহজে বাড়িতে বসেই বাংলাদেশের বিভিন্ন অনলাইন শপিং মল গুলো থেকে অর্ডার করে শাড়িটি কিনে নিতে পারবেন।  এখানে ঠোকে যাবার কোন ভয় নাই। বাজার দরের চেয়ে কমেই সব ধরনের শাড়ি অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। আপনি অর্ডার করলে আপনার বাড়িতে পৌঁছে যাবে শাড়ি। কাঙ্খিত পণ্য না পেলে রয়েছে ফেরত দেবার সুযোগ। সো-অনলাইনে কেনাকাটাতেই এখন রিস্ক কম। 

আপনারা যারা ফ্যাশনেবল শাড়ি কিনতে চাচ্ছেন তাদেরকে বলছি ফ্যাশনেবল শাড়ির সবচেয়ে বড় কালেকশন রয়েছে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। শাড়িগুলোর দামও রয়েছে সাধ্যের মধ্যে (মাত্র ৪০০ টাকা থেকে শুরু)।  চাইলে আপনিও একবার আজকের ডিল ডট কমের এই লিংকটিতে গিয়ে ফ্যাশনেবল শাড়ির কালেকশন দেখে আসতে পারবেন। অথবা কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করেও দেখে নিতে পারবেন। 

সফট সিল্ক শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

হাফ সিল্ক শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

সুতি সাদা জরি শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

ইন্ডিয়ান ডিজাইনার জর্জেট শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

ইন্ডিয়ান সফট ওয়েটলেস জর্জেট শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

মনে রাখবেন, অনলাইন শপিং এর মাধ্যম মানেই আজকেরডিল ডট কম। আজকের ডিল থেকে শপিং করুন ঝড়ের গতিতে আর ডেলিভারী নিন তুফানের বেগে। আর মাথা নষ্ট আকর্ষণীয় ও নান্দনিক ডিজাইনের শাড়ি পেতে চোখ রাখুন আজকের ডিলে

*ফ্যাশনেবলশাড়ি* *শাড়ি* *শাড়িকালেকশন* *স্মার্টশপিং*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

"তুই কিন্তু আমাকে রোজ ফোন করবি ! রোজ । মনে থাকে যেন রোজ !"

"আচ্ছা মা ।"

"আচ্ছা না ! বল করবি ?"

"ঠিক আছে মা । রোজ ফোন করবো তোমাকে আমি ।"

"আর প্রতি শুক্রবার আসবি ঘরে । বিকেলে চলে এসে রাতে খেয়ে তারপর যাবি ।"

"ঠিক আছে মা ।"

"আর প্রতিদিন ফোন দিবি ঠিক সাড়ে দশটা-এগারোটার সময় ।"

"আচ্ছা ।"

"তোর বাবা দোকানে চলে যাবে । তারপর আমি রান্না করবো আর কথা বলবো তোর সাথে ।"

"ঠিক আছে ।"

"তখন কিন্তু ব্যস্ত বললে শুনবো না ।"

"বলবো না ব্যস্ত আছি ।"

''সত্যি তো ?"

"হ্যা সত্যি । এখন ওঠো তো ইনসুলিনটা পুশ করতে হবে এখন । তারপর আধ ঘন্টা পর রাতের খাবার খেতে হবে |"

"আজ কি রান্না করলি মা ?"

"নিরামিষ আর তোমার জন্য দুটো মোমো ।"

"বাহ্ ! তোর বাবা খেয়েছে ?"

"হ্যা ।"

আলিহা তার মাকে ইনসুলিন ইনজেকশন পুশ করে দিয়ে চলে গেল খাবার গরম করতে । রাহেলা চুপ করে বসে মেয়ের বিয়ের কথা ভাবতে লাগলেন । আচ্ছা হলুদের দিন কেমন শাড়ি কেনা উচিত ? সিল্ক না জামদানি ? জামদানি, টাঙ্গাইল খুব কমন হয়ে যায় ! কাতান একটা আর কতই নেবে ! বড়োজোর চার-পাঁচ হাজার । নাহঃ ! কাতানই কিনবেন । হলুদ কাতান লাল পাড় | আর হলুদ গাঁদার গহনা । কি সুন্দর হবে ! অপূর্ব লাগবে তার মেয়েকে !

আলিহা ট্রেতে করে তার মায়ের খাবার নিয়ে এলো । ল্যাপ টেবিলটা বিছানায় রেখে তাতে খাবার সাজালো । রাহেলা তাকিয়ে দেখলেন মেয়েকে । কি গোছানো স্বভাবের মেয়েটা । সব কাজ পরিপাটি । এই যে কি সুন্দর খাবার বাড়ছে । আসলেই তার মেয়েটা আলাদা ।

আলিহা তার মাকে ধরে বসাল । খাবার খাইয়ে দিতে দিতে বলল, "তুমি সারাদিন এতো কথা বলোনা মা বুয়ার সাথে ।"

"কেন গো মা ?"

"এমনি ।"

"ভালো লাগেনা মা এমনি এমনি ।"

"ডাক্তার তো মানা করেছে তোমাকে বেশি কথা বলতে । সেজন্য মা ।"

আলিহা সত্যি কথাটা বলতে পারলো না । তাদের বুয়া অভিযোগ করেছে, "খালাম্মা এত্ত কতা কয় মাতা ঘুরে আমার ! আমি যামুগা আফা । কাম না পাইলে নাই কিন্তু ইমুন করলে থাহা যায়না ।"

স্ট্রোক করার পর অতিরিক্তরকম কথা বলেন রাহেলা তা সত্যি । কিন্তু বুয়া এখন কাজ ছেড়ে চলে গেলে বড় বিপদ হবে আলিহার ।

"কি ভাবিস মা ?"

" কিছু না ।"

"তুই খেয়েছিস ?"

"খাবো মা । তোমার খাওয়া হলে ওষুধ খাইয়ে দিয়ে গিয়ে খাবো ।"

"তুই খাবি ঠিকমত মা ।"

"আচ্ছা ।"

রাহেলা স্ট্রোক করে তার শরীরের বামপাশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েছে । তাকে খাওয়ানো, জামা পড়ানো, গোসল করানো সব তার মেয়ে করে । তিনি প্রায় অচল এখন শারীরিকভাবে ।

রাহেলা এক হাতে অনেক কসরত করে রুটি ছিঁড়ে নিয়ে সবজি দিয়ে আলিহাকে বললেন, "হা কর মা । খাইয়ে দেই তোকে ।"

"আমাকে খাওয়াতে হবে না । তুমি খাও ।"

"খা না মা । মার হাতে খেতে হয় ।"

আলিহা রুটির টুকরোটা গালে নিয়ে বলল, "তাড়াতাড়ি খাও মা |"

সব কাজ সেরে রাতে ঘুমাতে এলে রাহেলা বলল, "জানিস তোর বিয়েতে তোর জন্য একটা আলাদা দামি শাড়ি কিনবো ।"

"হুম ।"

এই গল্প প্রায় প্রতিদিন করেন রাহেলা । এইসব কথা আলিহার জন্য নতুন নয় ।

রাহেলা আবার বললেন, "খালি একটাই দুঃখ মা ।"

"কি ?"

"ছেলের বয়স বেশি অনেক ।"

"সব কি মেলে মা !"

"ঠিক গো মা । তবে দেখিস ছেলে ভালো ।"

"ভালো হলেই ভালো |"

"নাগো ভালো অনেক । আমি হাসপাতালে থাকতে কতবার এসেছে ।"

"হুম । এখন ঘুমাও মা ।"

"ঘুম আসবে একটু পর । লিহা ?"

"বলো মা । বাথরুম যাবে ?"

"না । একটা কথা শুনবি ?"

"কি ?"

"আমার বিয়ের বেনারসীটা পড়বি একবার এখন ? পড়না মা । দেখি কেমন লাগে তোকে ?"

"কি পাগলামো করছো মা ! ঘুমাও এখন ।"

"পড়না মা বেনারসীটা ।"

"এখন না মা ।"

"কেন গো ? পুরোনো তাই ? জানিস আমার বিয়ের সময় ঐটা ছিল বাজারের সবচেয়ে দামি শাড়ি । ওই যুগে দশ হাজার টাকা দাম ।

তখন অনেক টাকা ছিল তো তোর বাবার তাই এতো দামি শাড়ি কিনেছিল । সবাই বিয়ের দিন শাড়ি দেখে অবাক । এতো দামি শাড়ি !"

"ঘুমাও মা এখন । তোমার শাড়ির গল্প কাল শুনবো ।"

"পড় না শাড়িটা !"

"পড়বো মা । প্রমিজ আমার বিয়ের দিন পড়বো ।"

"এখন ?"

"এখন না ।"

"মাগো তুই প্রতিদিন ফোন দিস ।"

"দেব মা ।"

রাহেলা তার পুরোনো ছোট নকিয়ার ফোনটা হাতড়ে হাতড়ে বালিশের তোলা থেকে বের করে বললেন, "আমি ফোনটা সবসময় কাছে রেখে দেব । যাতে তুই ফোন দিলেই ধরতে পারি ।"

"আচ্ছা মা ।"

"আমি খাবার রান্না করে তোকে পাঠাবো রোজ । খাবি তো মা ? নাকি বড়োলোক শাশুড়ি পেয়ে মাকে ভুলে যাবি ?"

"কি যে বলো না মা ! মা ঘুমাও তো এখন ।"

সারাদিনের খাটুনির পর আলিহার চোখে ঘুম জড়িয়ে এসেছে । সে ঘুমিয়ে গেল । রাহেলা বকে যেতে লাগলেন তার মতো ।

আলিহার বিয়েটা হল না । বিয়ের নির্ধারিত তারিখের সতের দিন আগে আলিহার মা মারা যান ।

শাহেদ বেশ রাগ হয়ে বলল, "তোমাকে অনেকবার ফোন দিয়েছি আমি ।"

"আমার ফোনে চার্জ ছিল না ।"

"চার্জ ছিল না ? নতুন ফোনে চার্জ ছিল না ? তুমি চার্জ দাওনি ফোনে ?"

"ওটাতে ছিল । তুমি যেটাতে দিয়েছিলে সেটায় ছিল না ।"

"মানে ? আমি তোমার জিপি নম্বরে ফোন দিয়েছি । সেটা অফ ছিল ।''

আলিহা অপরাধ স্বীকার করে বলল, "হ্যা ওটার চার্জ ছিলোনা ।"

শাহেদ দেখলো ডেস্কের উপর পুরোনো জীর্ন একটা ছোট নকিয়ার ফোন চার্জে দেয়া । সে এগিয়ে এসে বলল, " এটা কার ?"

"আমার ।"

"এতেই কি ফোন দিয়েছিলাম ?"

"হ্যা ।"

"আর যেটা নতুন কিনে দিয়েছি সেই ফোনটা কই ?"

"ঐযে পাশে । ওটায় অন্য অপারেটরের সিম কার্ড । ওটায় ফোন দিলে পেতে ।"

শাহেদ বহু কষ্টে রাগ সামলে বলল, "আমি তোমাকে ব্র্যান্ড নিউ আইফোন সেভেন কিনে দিয়েছি এতগুলো টাকা খরচ করে আর তুমি এই মান্ধাতার আমলের নষ্ট ফোন নিয়ে পরে আছো । ফ্যালো এটা !"

আলিহা চমকে উঠে বলল, "না । ওটা চার্জ দিলেই ঠিক হয়ে যাবে ।''

"এটা দেখতে কেমন ! ছিঃ আলিহা !"

"থাক । যেমনি হোক । আমি ওটাই রাখবো ।"

শাহেদ রেগে গিয়ে ফোনটা টেনে চার্জার থেকে খুলে ফেলে বলল, "ফোন রাখা হয় যোগাযোগের জন্য ! আর এটা যদি সারাদিন এমন চার্জে সেঁক দিয়ে রাখতে হয় তো এর জায়গা ডাস্টবিন ।"

শাহেদ ফোনটা খুলে নিতেই দৌড়ে এগিয়ে এলো আলিহা । তার সাথে জোরাজুরি করতে লাগলো ফোনটা ফিরিয়ে নিতে । বারবার অনুনয় করে বলতে লাগলো, "শাহেদ প্লিজ দাও, ফিরিয়ে দাও ফোনটা । তুমি ওই নম্বরে ফোন করো । ওটা আমি সবসময় খোলা রাখবো । প্লিজ দাও ।"

কিছুক্ষন ধস্তাধস্তির পর এই মামুলি অকেজো একটা ফোন নিয়ে আলিহার এতো আগ্রহ দেখে শাহেদ ফোনটা ছুড়ে ফেলে দিল বারান্দায় ।

একটা চিৎকার করে আলিহা দৌড়ে গেল সেদিকে । এতো পুরোনো বহুব্যবহারে জীর্ন ফোন এতো চাপ নিতে পারেনি । ভেঙে খুলে ছড়িয়ে গেলো ।

আলিহা হতবাক চোখে ভেঙে ছড়ানো ফোনটার দিকে কিছুক্ষন চেয়ে থেকে মাটিতে বসে একটা একটা টুকরো টুকিয়ে জড়ো করলো ।

শাহেদ একটু সামনে এগিয়ে এসে বলল, "যাহ । এতো ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেল !"

আলিহা একবার মাথা তুলে চাইলো শুধু । শাহেদ দেখলো তার চোখে পানি টলটল করছে ।

নাহঃ ঠিক হয়নি কাজটা ! রাগের মাথায় একটু বেশিই হয়ে গিয়েছে ।

শাহেদ পাশে হাটুগেড়ে বসে বলল, "দেখি কি হল ?"

আলিহা তাকে দেখালো না । টুকরোগুলো সব শাড়ির আঁচলে বেঁধে নিয়ে চলে গেল ।

তাদের বিয়ে হয়েছে চার মাস । এখনো আনুষ্ঠানিকতা হয়নি । সেসবের প্রস্তুতি চলছে । তাই এখনো আলিহা এবাড়িতে নববধূ ।

আলিহার শাশুড়ি ছেলের ঘরে এসে বললেন, "কি বলেছিস তুই বৌমা কে ?"

"তেমন কিছুনা মা ।"

"যাক তুই অন্তত স্বীকার গেলি ! ওতো যতই জিজ্ঞাসা করি বলে তুই কিছুই বলিসনি এমনি ওর মন খারাপ ।"

"ইয়ে মা । মানে আমি একটু খারাপ ব্যবহার করে ফেলেছি ওর সাথে ।"

"সেতো বুঝতেই পারছি ! নতুন বৌ, মা মরা মেয়ে কাঁদাও তাকে !"

রাতে ঘুম ভেঙে শাহেদ দেখলো আলিহা বিছানায় বসে কাঁদছে । তার হাতে ফোনটা ।

শাহেদ উঠে বসে তার স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে বলল, "আই এম স্যরি আলিহা ! প্লিজ কেঁদোনা ।"

আলিহা ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো । শাহেদ তার হাত থেকে ফোনটা নিল । দেখলো আলিহা জোড়া লাগিয়েছে ঠিক কিন্তু ফোনটা চালু হচ্ছে না । শাহেদ বলল, "আমি এটা কাল ঠিক করে এনে দেব । প্লিজ তুমি মন খারাপ করো না ।"

পরদিন সন্ধ্যায় শাহেদ ঘরে ফিরে আলিহার খোঁজে রান্নাঘরে গিয়ে দেখলো সেখানে সে আর তার মা কি যেন একটা রান্নার যোগাড় করছে ।

শাহেদ এগিয়ে গিয়ে বলল, "আলিহা এই দ্যাখো ঠিক হয়ে গেছে ।" বলে সে ফোনটা এগিয়ে দিল ।

আলিহা খুব খুশি হয়ে ফোনটা হাতে নিয়ে বলল, "হ্যা তাইতো ! ওমা চার্জ প্রায় শেষ । যাই চার্জে দেই ।"

আলিহা চলে যেতে শাহেদের বোন বলল, "পাগল কেমন দেখলে ভাইয়া ! ঐরকম একটা ট্র্যাশ নিয়ে কি এক্সসাইমেন্ট ! ঘরে আইফোন পরে রয়েছে আর ওই একটা তিনইঞ্চি খেলনা নিয়ে ওর কি পাগলামো !"

শাহেদ বলল, "তাই তো দেখছি ।"

শাহেদের মা নিগার একটা ছোট নিঃস্বাস ফেলে বললেন, "ওটা ওর মার ফোন ।"

শাহেদ আর তানিকা চমকে তাকালো ।

নিগার বললেন, "ওর মা স্ট্রোক করার পর ওর এক জায়গায় সম্বন্ধ হয়েছিল বিয়ের । ওর মা ওকে সবসময় বলতেন শশুরবাড়ি গিয়ে রোজ ফোন দিবি । আমি আমার ফোনটা সবসময় কাছে রাখবো যাতে যখন তখন তোর সাথে যোগাযোগ করতে পারি ।"

শাহেদ রুদ্ধশ্বাসে বলল, "তারপর ?"

"তারপর আর কি ! ওর মা মারা গিয়েছে কিন্তু ফোনটা আছে । যোগাযোগের মানুষটা নেই কিন্তু মাধ্যমটা রয়ে গেছে ।"

এই পুরোনো অল্পপ্রাণ জীর্ন বস্তুটার প্রতি তার স্ত্রীর এতটা মায়ার কারণ তার কাছে স্পষ্ট হল । শাহেদ ঘরে গিয়ে দেখলো ফোনটা চার্জে দিয়ে ফোনটার উপর হাত রেখে আলিহা দাঁড়িয়ে আছে । তার দুচোখের কাজল অশ্রুতে লেপ্টে গেছে ।

আজ শাহেদ আর আলিহার বিয়ের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠান । তাদের বাড়ির ছাদেই অনুষ্ঠান হবে আর নতুন বানানো চারতলার খালি ফ্লোরে খাবারের আয়োজন । হঠাৎ কিসের যেন শোরগোলে উঠে গেল শাহেদ । ভেতরে গিয়ে দেখলো তার বোন আর চাচাতো ভাইয়ের বৌ চিৎকার করে অস্থির ।

তানিকা বলছে, "এত্ত বললাম ! এত্ত বললাম শুনলেই না । কেমন পাগল !"

শাহেদ এগিয়ে গিয়ে বলল, "কি হয়েছে ?"

তার চাচাতো ভাইয়ের বৌ বলল, "কি আর ! তোমার বৌ ! পুরো পাগল !"

"কেন ?"

"আরে কি এক কাজ করেছে দেখ গিয়ে !"

"কি হয়েছে কি ?"

"আরে এমন একটা দিন আর আসবে জীবনে ? আর এই দিনে কিনা কোথেকে এক পুরোনো বেনারসী পরে বসে আছে । পার্লারে এতো বললাম নতুন বিয়ের শাড়িটা পড়ো । শুনলো না । কে জানে কোন নমুনা ! মানুষ সত্তর হাজার টাকা দামের নতুন জারদৌসি বেনারসী বাদ দিয়ে পুরোনো কাপড় পরে ! দুঃখ আছে ভাই তোমার !"

শাহেদ তার মায়ের ঘরের দিকে গেল । আজ আলিহা নিগারের ঘরেই বসেছে । বেশ রাগই লাগছে শাহেদের । এটা কেমন কথা কেউ বিয়ের শাড়ি পড়বে না !

নিগারের খাটের কোনে দেয়ালের জানালার দিকে মুখ ফিরিয়ে আলিহা বসে আছে । সে গলা খাকারি দিয়ে ঘরে ঢুকে বলল, "এসব কি কথা আলিহা ? তুমি কেন বিয়ের জন্য কেনা শাড়ি পড়োনি ?"

আলিহা ফিরে তাকালো শাহেদের দিকে । মাথা নিচু করে বসে রইলো । শেষ বিকেলের আলো তার মুখে পরে অপূর্ব দেখাচ্ছে ।

আলিহার পরনের বেনারসীটা লক্ষ করে শাহেদ মাথা নাড়ল বিশেষভাবে ।

শাহেদ একটু হাসলো, বলল, "এটাই ঠিক হয়েছে । আই এম প্রাউড অফ ইউ !"

তানিকা ঘরে এসে বলল, "দেখেছো ভাইয়া ?"

"হ্যা ।"

"বলো কিছু ।"

"আমিই তো বলেছি ওকে এই শাড়িটা পড়তে ।"

"কি ?"

"হ্যা ।"

"এত্ত সুন্দর দামি শাড়ি রেখে এটা ?"

"হ্যা । ও যত দামি শাড়িই পড়ুকনা কেন এই শাড়িটায় ওকে যত সুন্দর লাগছে আর কোনোটাতেই ততটা সুন্দর লাগতো না ।"

"সত্যি ? তুমিই বলেছো ?"

"হ্যা । আমিই বলেছি এই শাড়িটা পড়তে ।"

..........................

( রুবাইয়াৎ তৃণা )

*মা* *গল্প* *যোগাযোগ* *আবেগ* *কান্না* *ফোন* *শাড়ি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শাড়িতে কিভাবে বাটিক প্রিন্ট করা যায়?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*শাড়ি* *বাটিকপ্রিন্ট*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সবচেয়ে কমদামে ফ্যাশনেবল শাড়ি কালেকশন কোথায় পাব?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*শাড়ি* *ফ্যাশনেবলশাড়ি* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাসন্তী শাড়িতে সেজে উঠুন নতুন করেআর ক’দিন বাদে শীত ঋতুকে ফাঁকি দিয়ে জীবনে আরও একটি বসন্ত উক্তি দেবে। শুরু হবে ফাল্গুনের রং এর ছড়াছড়ি। প্রকৃতিসহ সবাই সেজে উঠবে নতুন সাজে। কি চিন্তায় পড়ে গেলেন? পরিকল্পনা করেছেন কি এবারের বসন্তে কেমন শাড়ি পরবেন, কেমন করে সাজবেন ? চিন্তার কিছু নেই অন্যান্য বারের চেয়ে এবার আপনার ফাল্গুনী সাজে আনতে পারেন একটু ভিন্ন মাত্রা। এই বসন্তে নিজেকে ভিন্ন মাত্রায় উপস্থাপন করতে আপনার জন্য রইলো নিচের কয়েকটি আকর্ষণী শাড়ি।

বাসন্তী শাড়ি:

০১. হ্যান্ডলুম পিওর সিল্ক শাড়ি উইথ ব্লাউজ পিস

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন

০২. পিওর জর্জেট শাড়ি

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন

০৩. পিওর মসলিন সিল্ক উইথ হ্যান্ড এমব্রয়ডারি শাড়ি

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন

০৪. ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইলের কটন শাড়ি

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন

০৫. ইন্ডিয়ান জ্যাকোয়ার্ড সিল্ক শাড়ি

 
০৬. পিওর জামদানী শাড়ি
 
০৭. হ্যান্ড এমব্রয়ডারি পিওর কটন শাড়ি
 
 
০৮.
 

যেমন শাড়ি তেমন ফ্যাশন:


শাড়িটা একরঙা, পাড়ে বর্ণিলতা। শাড়িটা যেহেতু এক রঙের, তাই ব্লাউজটা যেন বেশ বাহারি হয়। এই যেমন, হালকা হলুদ জমিন ও কমলা পাড়ের শাড়ির সঙ্গে লাল ব্লাউজ মানানসই। কমলা রঙের ব্লাউজ পরতে পারেন হালকা সবুজ জমিন হলুদ পাড়ের শাড়ির সঙ্গে। কম বয়সী মেয়েরা ব্লাউজের গলাটা বড় পরতে পারেন। স্লিভলেস ব্লাউজ পরলে শাড়িটা এক প্যাঁচে না পরাই ভালো।
অল্টারনেট করে, পেছনে কয়েক রঙের ফিতা দেওয়া স্লিভলেস ব্লাউজও পরা যেতে পারে। পয়লা ফাগুনে ঘটি হাতা, খাটো হাতার ব্লাউজের আবেদন তো আছেই। ব্লাউজে ছোট ঘণ্টা, কলকা ব্যবহার করা যেতে পারে। শাড়ির সঙ্গে কনট্রাস্ট করে ব্লাউজের রংটা বেছে নিন। স্লিভলেস ব্লাউজ পরলে শুধু তাজা ফুলের বাজুবন্ধ পরতে পারেন। গলায় বা হাতে যেকোনো একটি গয়না পরুন। এ ছাড়া মেটাল, কড়ির গয়না পরতে পারেন।

বন্ধুরা, বসন্তের বাহারি শাড়ি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*শাড়ি* *বাসন্তীশাড়ি* *বসন্তফ্যাশন* *বসন্তউৎসব* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের শুরুতে কেনাকাটায় বছরের সেরা অফার ক্যাশব্যাকের ছড়াছড়ি নিয়ে হাজির হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল। বাঙ্গালি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্য আর রূপের ঝলকানির ঝলক বৃদ্ধিতে শাড়ীর কোন বিকল্প নেই। বাঙ্গালি নারীর চাহিদার কথা চিন্তা করেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শপিংমল আজকের ডিল আকর্ষণীয় এই শাড়িগুলোতে দিচ্ছে ৫০% ক্যাশব্যাক। চলুন এক পলকে শাড়ি গুলো দেখে নেই।

০১.



০২.


০৩. 



০৪. 



০৫. 



০৬.



০৭.



০৮. 



০৯.



শাড়িগুলো কিনতে কননেন্টটির ছবিতে ক্লিক করুন। অথবা আজকের ডিলের ক্যাশব্যাক অফার থেকে ঘুরে আসুন। 

*শাড়ি* *ক্যাশব্যাক* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পূজার শাড়ি কালেকশনশাড়িতে অনন্যা বাঙ্গালি ললনা। সত্যিই বাঙ্গালি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্য আর রূপের ঝলকানির ঝলক বৃদ্ধিতে শাড়ীর কোন বিকল্প নেই। বাঙ্গালি নারীর চাহিদার কথা চিন্তা করেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শপিংমল আজকের ডিল শারদীয় দূর্গা উৎসবকে টার্গেট করে বিশাল শাড়ির সংগ্রহ গড়েছে। বাহারি রঙের শাড়ি দেখতে ও কিনতে দেশের ব্যস্ত মানুষগুলো হিট করছেন আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে। এখন পর্যন্ত আজকের ডিলে বিক্রি হওয়া সেরা ১০টি শাড়ির চিত্র নিচে তুলে ধরা হল।

ছবিতে সর্বাধিক বিক্রিত ১০টি শাড়ি:

শাড়ি কিনতে ক্লিক করুনশাড়ি কিনতে ক্লিক করুন

শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষে বাহারি সব শাড়িতে ভরে উঠেছে বিভিন্ন শপিংমল। তবে এবারে রোদ ও প্রচন্ড গরমের কারণে ব্যস্ত মানুষগুলো শাড়ি ও অন্যান্য শপিংয়ের জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলো থেকেই কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন।

শাড়ি কিনতে ক্লিক করুনশাড়ি কিনতে ক্লিক করুন
বরাবরের মত এবারেরও শাড়ি অন্যান্য পোশাকের চেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। অনলাইন থেকে এখন পর্যন্ত যেসব শাড়ি বেশি বিক্রি হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে টাঙ্গাইলের কটন, হ্যান্ডলুম কটন সংখ্যায় বেশি। তাছাড়াও সিল্প, কোটা, বুটিক, জর্জেট ও প্রিন্টের শাড়িও বেশ বিক্রি হচ্ছে।

শাড়ি কিনতে ক্লিক করুনশাড়ি কিনতে ক্লিক করুন
দাম ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের কারণে এবারের পূজোয় প্রিন্টের শাড়ি গুলোও বেশ ভাল বিক্রি হচ্ছে। আজকের ডিলের টপ সেলার শাড়ি গুলোর মধ্যে প্রিন্টের বাহারি শাড়ি রয়েছে।
বাহারি ডিজাইনের ফ্যাশনেবল এই শাড়িটি গুলো আপনাকে আরও স্টাইলিশ ও সুন্দরী করে তুলবে। এবারের পূজোয়  নিজেকে নতুন করে সাজাতে শাড়ির বিকল্প নেই। যেকোনো উৎসবে মানানসই এই সব শাড়ি পরতেও খুব আরামদায়ক।

শাড়ি কিনতে ক্লিক করুনশাড়ি কিনতে ক্লিক করুন
সাশ্রয়ী মূল্যে শাড়ির সেরা কালেকশনগুলো একসাথে পাওয়ায় ক্রেতারা অনলাইনেই এসব শাড়ি কিনছেন। আজকের ডিলের টপটেন সেলার শাড়িগুলোর দাম খুব একটা বেশি না। এই শাড়ি গুলো আপনি কিনতে পারবেন মাত্র ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে।


মনে রাখবেন

শাড়ি কিনতে ক্লিক করুন

অনলাইন শপিং এর মাধ্যম মানেই আজকেরডিল ডট কম। এই উৎসবে আজকের ডিল থেকে শপিং করুন ঝড়ের গতিতে আর ডেলিভারী নিন তুফানের বেগে। আর মাথা নষ্ট আকর্ষণীয় ও নান্দনিক ডিজাইনের শাড়ি পেতে চোখ রাখুন আজকের ডিলে

*পূজারসাজ* *শাড়ি* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পূজোর বাকি হাতে গোনা আর মাত্র কয়েকটা দিন। শুরু হয়ে গেছে কাউন্টডাউন। প্রত্যেকেই ব্যস্ত পূজোর পরিকল্পনা নিয়ে। কেউ ব্যস্ত নিজেকে সাজাতে। আবার কেউ ব্যস্ত অপরকে সাজাতে। এই দুইয়ের মিশেলে চরম উন্মাদনায় চলছে পূজোর কেনাকাটা। সবখানেই ক্রেতাদের ভিড় থিকথিক করছে। বিশেষত শাড়ির দোকানগুলিতে একেবারে উপচে পড়ছে ভিড়। কারণ দুর্গাপূজোতে শাড়ি ছাড়া বাঙালি হিন্দুকে ঠিক মানায় না। তাই সবার একটাই লক্ষ্য, পছন্দের শাড়ি কিনে বাড়ি ফেরা! পূজো উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের সব থেকে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও চলছে নানা আয়োজন, আছে হরেক রকমের শাড়ির কালেকশন। বছররের অন্য সময় যাই পরুন না কেন, পূজোর পাঁচটা দিন শাড়ি ছাড়া হবেনা...

এবার শারদ উৎসবে যাঁরা সাজতে চান বারো হাতে, তাদের জন্য আমাদের আজকের এই আয়োজন।  চলুন জানিয়ে দেই পূজোর পাঁচদিন শাড়িতে কিভাবে আপনি হয়ে উঠতে পারেন শারদ সুন্দরী।

 

 

 

 

 

 

 

 

ষষ্ঠী: ষষ্ঠীতে ব্লক, বাটিক বা ছবি আঁকা শাড়ি: এবার পূজোর ফিউশন ফ্যাশন বেশ আড়ম্বরের সাথে চলছে। তাই শুরুতেই চমকেদিন সবাইকে। ষষ্ঠীতে পরুন নানান ধরণের চিত্র আঁকা ব্লক প্রিন্টের শাড়ি। তবে ব্লকের জন্য প্রাকৃতির রং ব্যবহার করা হলেও পোশাকে কিন্তু ব্যবহার করা হয় ফেব্রিক।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সপ্তমী: হ্যান্ডলুমের শাড়ি এখন ট্রেন্ড চলছে। তাই সপ্তমীর সন্ধ্যায় বেছে নিতে পারেন চওড়া পার দেওয়া একরঙা হ্যান্ডলুমের শাড়ি। জানিয়ে রাখি ডার্ক কালার এবার মাতাবে পূজোর বাজার। তাই লালা, কমলা, গাঢ নীল, ডার্টি পিঙ্ক এগুলি বেছে নিন। এছাড়া এইদিন মটকা, জুটের শাড়িও বেছে নিতে পারেন। 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

অষ্টমী: পূজোর আর চারটে দিন যে যাই পড়ুক না কেন অষ্টমীর দিন সকালটা কিন্তু শাড়ি মাস্ট। আর সেটা অবশ্যই ঢাকাই লাল পাড়ে সাদা শাড়ি। তবে এইদিন সকালে এক কালারের ঢাকাইও পরতে পারেন। যেক্ষেত্রে কচি কলাপাতা, ডিপ গ্রিন কিংবা হলুদ। অষ্ঠমী মানেই একটা ট্রেডিশনাল লুক। তাই ট্র্যাডিশনাল গাদোয়াল, বোমকাই, ঢাকাই শাড়ির সঙ্গেই ফ্যাশনে ফিরেছে সুতির শাড়ির ইন্টেলেকচুয়াল লুক। নানা উজ্জ্বল রঙে একেবারে প্লেন বোনা শাড়ির সঙ্গে পিঠখোলা বা ডিপ নেক সাহসী ব্লাউজে থাক লটকন বা ফিতের বাঁধন। এছাড়া আধুনিক ডিজাইনের সিল্ক ও সুতির কাঁথা শাড়ি, বাংলাদেশের কটন সিল্ক রাজশাহী শাড়ি, খাদির নীলাম্বরী জামদানি, সহজপাঠ আর জাতকের গল্পে সাজানো বাটিক এবং টাই অ্যান্ড ডাই শাড়িও।


 

 

 

 

 

 

 

নবমী: পূজোর শেষের রাত, তাই নবমীর দিন চাই জমকালো শাড়ি। এক্ষেত্রে কাঞ্জিভরম বা কাটান খুব ভাল। এছাড়া ভারি কাজ করা কোনও ডিজাইনার শাড়ি বেশ মানাবে। পূজোর শেষ রাতে নিজেকে রাঙিয়ে তুলুন শারদিয়ার রঙে। নেটের শাড়ি এবার আউট অব ফ্যাশন, তবুও ভালো কালেকশন পেলে কিনতেই পারেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

দশমী: মা-কাকিমারা এই দিনটি লাল পাড়ে সাদা শাড়ি ছাড়া বিশেষত কিছু পরেন না। তবে  যদি সাদা শাড়িতে দাগ লাগার ভয় থাকে তাহলে এইদিন গাঢ় রঙের কোন শাড়ি পরুন, তবে বেছে নিতে পারেন লাল রঙকে। সিঁথি ভর্তি সিঁদুর, কপালে লাল টিপস, শাখা-পলা আর লাল শাড়িতে আপনি হয়ে উঠুন সকলের মধ্যমনি,  তবে এইদিন সুতির চেয়ে সিল্ক বা গরদ পরাই বুদ্ধিমানের কাজ।

*পূজারফ্যাশন* *শাড়ি*

জারা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শাড়ি পরার সহজ পদ্ধতি কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*শাড়ি* *লাইফস্টাইলটিপস*
ছবি

টাঙ্গাইল শাড়ি বাজার: ফটো পোস্ট করেছে

(লজ্জা)(হার্ট) পিচ্চি গ্যাং প্লাস আমাদের ভবিষ্যৎ মডেল (লজ্জা)(হার্ট)

আকর্ষনীয় টাঙ্গাইল শাড়ি কিনতেঃ https://www.facebook.com/TangailSareeBazaar/

*শাড়ি* *টাঙ্গাইলশাড়ি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জর্জেট শাড়ির ঈদ কালেকশনউৎসবে সাজে ভিন্নতা মানেই শাড়ি! যারা নিয়মিত অন্যান্য পোশাকে অভ্যস্থ তাদেরও সখ হয় উৎসবের দিনটিতে অন্তত্ব শাড়িতে নিজেকে সাজিয়ে নেবার। সে কারনেই ঈদ উপলক্ষে ফ্যাশনপ্রিয় নারীরা ভিড় জমাচ্ছেন শাড়ির বাজারে। তবে এবারের আবহাওয়া আর গরমের কথা মাথায় রেখে জর্জেট শাড়িকেই পছন্দের তালিকায় রেখেছেন ফ্যাশনপ্রিয় নারীরা। চলুন এবারের ঈদের জর্জেট শাড়ির লেটেস্ট কালেকশন গুলো দেখে নেই। 

জর্জেট শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন

হালকা, আরামদায়ক ও সব বয়সের জন্য মানানসই—জর্জেট শাড়ির মজাটাই এখানে। এখনকার আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়েও যাবে চমৎকারভাবে। কড়া রোদে গরম লাগবে না। বৃষ্টির পানি লাগলেও শুকিয়ে যাবে তাড়াতাড়ি। এককথায় এ মৌসুমে শাড়ির ক্ষেত্রে জর্জেট শাড়ি হতে পারে অন্যতম পছন্দ।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনকর্মক্ষেত্র, অনুষ্ঠান, প্রতিদিনকার চলাফেরায় জর্জেট শাড়ি অনেকটাই আরামদায়ক। সহজভাবে সামাল দেওয়া যায়। দিন থেকে রাত পর্যন্ত পরে ঘুরে বেড়ালেও ইস্তিরি নষ্ট হওয়ার ভয়টা থাকে না। বাজার ঘুরে জর্জেট শাড়ির সম্ভারে দেখা গেল বৈচিত্র্য। ক্রেতাদের মধ্যে প্রিন্ট করা শাড়ির চাহিদা বেশি বলে জানান বিক্রেতারা। ফুলেল নকশা, কলকা ও জ্যামিতিক নকশা বেশি দেখা গেল।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনসত্তরের দশকে বাংলাদেশে জর্জেট শাড়ির জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে। তখনো প্রিন্ট শাড়ির প্রচলন বেশি ছিল। জর্জেট শাড়িগুলো মূলত বাইরের দেশ থেকে আমদানি করা হয়। জর্জেট শাড়ি পরলে আঁটসাঁট হয়ে থাকে, এ কারণে শারীরিক গঠন ভালো দেখায়। ভারী স্বাস্থ্য যাঁদের, তাঁরা এ কারণে জর্জেট শাড়িতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে পারেন।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনহালকা গড়ন হলে দুই থেকে তিনরঙা শেডের শাড়ি মানাবে। তাঁরা একটু চড়া নকশাও বেছে নিতে পারবেন অনায়াসে। উচ্চতা একটু কম হলে একরঙা জর্জেট শাড়ি না পরাই ভাল। কারণ, শাড়িতে কোনো পাড় না থাকলে দেখতে আরও খাটো লাগে। তবে ঈদে সহ যেকোন উৎসব মাতাতে জর্জেট শাড়ির বিকল্পে নেই। 

দরদাম

কিনতে ক্লিক করুন
জর্জেট শাড়ির বৈচিত্র্য খুঁজে পাওয়া গেল বিভিন্ন দোকানে। দরদামে তুখোড় হলেই অনেক কম দামে কিনতে পারবেন। বাজারে ৮০০ থেকে শুরু করে তিন হাজার ৫০০ টাকার ওপরেও শাড়ি আছে। জর্জেট শাড়ি যত হালকা হবে, এর দামটাও তত বেশি হবে।  যারা শাড়ি কিনে ঠকতে চান না তারা জর্জেট শাড়ি কেনার জন্য বেছে নিতে পারেন অনলানশপিংমল। বর্তমানে শাড়ি কেনার জন্য অনলাইন শপ বিশ্বস্থ নাম। অনলাইন থেকে পছন্দের শাড়ি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*জর্জেটশাড়ি* *শাড়ি* *স্মার্টশপিং* *ঈদশপিং*
ছবি

টাঙ্গাইল শাড়ি বাজার: ফটো পোস্ট করেছে

হ্যালো বেশতো! (গ্যাংনাম) শাড়ির কালারফুল দুনিয়া নিয়ে TSB হাজির ! (ভালো) আপডেট পেতে ফলো করুন (লজ্জা)

*শাড়ি* *টাঙ্গাইলশাড়ি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জামদানির ঈদ কালেকশন:

নারীর পছন্দের তালিকায় জামদানির স্থান প্রথম ধরা চলে। কেননা যেকোনো ধরনের আচার অনুষ্ঠানে নারীরা এই শাড়িটি পরতে বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। গরমের ঋতুতে জামদানি শাড়ি বেশ আরামদায়ক হয়ে থাকে। এছাড়া প্রতি বছর বিভিন্ন রঙ এবং নকশার বাহারি কাজে ভরপুর এই জামদানির কালেকশন নারীদের এর প্রতি আকর্ষণ আর বাড়িয়ে তোলে।

 

এবার ঈদে নারীদের পছন্দমত বিভিন্ন ধরনের কালেকশন পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন রংয়ের যেমন লাল, হলুদ, নীল, সাদা, সবুজ, বেগুনি, আকাশি রংয়ের সুতি, হাফসিল্ক, সিল্ক জামদানির পাশাপাশি এবার ঈদে বেশ কিছু স্পেশাল জামদানি এসেছে যেগুলো কিনতে নারীদের ঢল নেমেছে শাড়ির দোকানগুলোতে। কুচি জামদানির ঈদ কালেকশনগুলো এবারের ঈদে নারীদের বেশ নজরে কাড়ছে। এগুলোতে জমিন, আঁচল, পাড় এবং কুচিতে আলাদা রং লক্ষণীয়। দেখা যায় যে আঁচল আর জমিন একই ধরনের হলেও কুচিতে ভিন্ন রং বেশ আকর্ষণীয় করে তুলেছে শাড়িটিকে। চেরি কোটা নামে আরও একটি জামদানি শাড়ির কালেকশন এবারে ঈদে বেশ বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতারা এই শাড়িগুলো সুলভমূল্যেই কিনছেন। এছাড়া বেশ রমরমা বাজার ঢাকায় এপ্লিক জামদানি শাড়ি।

কিনতে ক্লিক করুন                                                   কিনতে ক্লিক করুন


মাল্টিকালারের আরেকটি জামদানি বাজরে এসেছে যেগুলোকে কয়েকটি রংয়ের কাজ লক্ষ্য করা যায়। 
আরেক ধরনের জামদানি রয়েছে যেগুলোকে নকশী বুনন করা হয়েছে। এর ফলে শাড়ির আকর্ষণীয়তা খানিকটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া রয়েছে বয়স্কদের জন্য লাইট কালার কালেকশন। অর্থাৎ বয়স্করা যেহেতু হালকা কালারের শাড়ি পরেন এই বিষয়কে মাথায় রেখে শুধু তাদের জন্যই এই লাইট কালার ঈদ কালেকশন। 

কিনতে ক্লিক করুন                                           কিনতে ক্লিক করুন

কোথায় পাবেন :

বিভিন্ন কালেকশনের এই জামদানি শাড়িগুলো রুপগঞ্জের জামদানি পল্লীসহ রাজধানীর যেকোনো শাড়ির দোকানে পেতে পারেন। মিরপুরের বেনারসি পল্লীর কয়েকটি জামদানির দোকানেও এই শাড়ির কালেকশন পাওয়া যাবে। পাবেন দেশের সবথেকে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও।

কিনতে ক্লিক করুন                                         কিনতে ক্লিক করুন 

দরদাম :

সুতি বিভিন্ন ধরনের নকশা করা জামদানিগুলোর দাম মোটামুটিভাবে ৩০০০ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে কাজের উপরে দাম অনেকটা নির্ভর করে। যেমন বেশি কাজ হলে বেশি দাম, আর কম কাজ হলে কম দাম। এছাড়া পছন্দমত অর্ডার দিয়েও জামদানি শাড়ি কিনতে পাওয়া যায়।

(আজকের ডিলের জামদানি শাড়িগুলো দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন ছবিগুলোতে)

 

 

*ঈদফ্যাশন* *জামদানিশাড়ি* *শাড়ি* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আরামদায়ক আর ঐতিহ্যবাহী শাড়ির জন্য সব বয়সি নারীরা ঈদে একটা হলেও টাঙ্গাইল শাড়ি কিনে থাকেন। সুপ্রাচীন কাল থেকে টাঙ্গাইলের দক্ষ কারিগররা তাদের বংশ পরম্পরায় তৈরি করছেন তাঁতের নানা ধরনের কাপড়। বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ও হিউয়েন সাং- এর ভ্রমণ কাহিনীতে টাঙ্গাইলের বস্ত্র শিল্প অর্থাৎ তাঁত শিল্পের উল্লেখ রয়েছে। সে দিক থেকে বলা যায় এটি আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির অংশ।

কিনতে ক্লিক করুন                                                       কিনতে ক্লিক করুন 

ঈদ কিংবা পূজা পার্বণে আবহমান বাঙ্গালী নারীর পছন্দ এই টাঙ্গাইল শাড়ি। বলা যেতে পারে, টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ির প্রতি রয়েছে নারীর আলাদা টান। বাহারি রঙ আর আধুনিক কারুকার্যের টাঙ্গাইল শাড়ি সহজেই নারীর মন আকর্ষণ করে। ঈদ সামনে রেখে জমে উঠেছে টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ির বাজার। টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ির বৈচিত্র আর নতুনত্ব ঈদকে উপলক্ষ করে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এসব শাড়ি ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশ এবং দেশের বাইরেও।

কিনতে ক্লিক করুন                                                   কিনতে ক্লিক করুন

সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমানে বাহারি ডিজাইন ও আধুনিক কারুকার্যের শাড়ি তৈরি হচ্ছে টাঙ্গাইলে। যা নারীদের মন সহজেই আকর্ষন করে। দেখতে পছন্দনীয়,পরনেও আরামদায়ক। মাপে ১৪ হাত এবং নরম মোলায়েম এবং পরতে আরাম। ঐতিহ্যবাহী এই তাঁত শিল্পের বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে টাঙ্গাইলের সফট সিল্ক ও কটন শাড়ি। এই শাড়ির বুনন ও ডিজাইন দৃষ্টি কাড়ে।

কিনতে ক্লিক করুন                                                        কিনতে ক্লিক করুন

টাঙ্গাইলের শাড়ির বৈশিষ্ট্য হলো- পাড় বা কিনারের কারু কাজ। ঈদের সময় এসব শাড়ি ছড়িয়ে পড়ছে দেশ-বিদেশে। মন জয় করে নিচ্ছে দেশ বিদেশের সৌন্দর্য পিপাষুদের। তাহলে আপনি পিছিয়ে থাকবেন কেন, এবার ঈদের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে পুরোনো নকশায় নতুন রঙের বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে টাঙ্গাইল শাড়ীগুলোতে, তাই দেরী না করে কিনেই ফেলুন একটি। এছাড়া সময় ও চাহিদার সাথে তাল রেখে দিন দিন পাল্টে যাচ্ছে টাঙ্গাইল শাড়ির আকর্ষণ ও নকশার নতুননত্ত। ঈদের মার্কেটে এবার যোগ হয়েছে সফট সিল্ক, জামদানি, সুতি, ধানসিঁড়ি, আনারকলি, গ্যাস সিল্ক, একতারি, দোতারি নতুন ডিজাইন।

কিনতে ক্লিক করুন                                                     কিনতে ক্লিক করুন

তবে এবারের ঈদে সারাদেশে রমনিদের নজর কেড়েছে টাঙ্গাইলের জামদানি। দেশের মার্কেট গুলোতে ব্যাপকভাবে বেচাকেনা হচ্ছে এ শাড়ি। শাড়ির দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে, সফ্ট সিল্ক, হাফ সিল্ক, টাঙ্গাইল বি.টি, বালুচরি, জরিপাড়, হাজারবুটি, সূতিপাড়, কটকি, স্বর্ণচুড়, নীলাম্বরী, ময়ুরকন্ঠীসহ সাধারণ মানের শাড়ি। শাড়ির মান, হাতের কাজ ও শাড়ির জমিনের রঙভেদে দামও ভিন্ন রকম। ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হচ্ছে এসব টাঙ্গাইল তাতেঁর শাড়ি। নকশা, বুনন, ও রঙয়ের ক্ষেত্রে রয়েছে ব্যাপক বৈচিত্রতা। টাঙ্গাইল শাড়ি এখন নিম্নমধ্যবিত্তের সীমানা পেরিয়ে উচ্চবিত্ত ও ফ্যাশনসচেতন নারীদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে।

কিনতে ক্লিক করুন                                                  কিনতে ক্লিক করুন

‘টাঙ্গাইল শাড়ি কুটির’ মানেই তাঁত ও সুতির শাড়ির সমাহার। তবে রাজধানীর যেকোনো মার্কেট আর শপিংমলের শাড়ির দোকানগুলোতে পেয়ে যাবেন আকর্ষনীয় ডিজাইনের টাঙ্গাইল শাড়ি, এছাড়া বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শপিং মল আজকের ডিলেও রয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ির এক্সক্লুসিভ সব কালেকশন। উপরের ছবিগুলোতে ক্লিক করে অর্ডার তো করতেই পারেন, সাথে আজকের ডিলের টাঙ্গাইল শাড়ির বিশাল সংগ্রহ দেখতে এখানে ক্লিক করুন। ঈদ উপলক্ষে দেশের ঐতিহ্যবাহী সব তাঁত অঞ্চলের অন্তত দেড় শতাধিক নতুন ডিজাইনের শাড়ি তোলা হয়েছে এখানে।
 

*টাঙ্গাইলশাড়ি* *শাড়ি* *ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং* *ঐতিহ্যবাহীশাড়ি*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাধ্যের মধ্যে সেরা শাড়িযদি প্রশ্ন করি বাঙালি নারীদের রূপের ঝলকানি ফুটে উঠে কোন পোশাকে? উত্তরে নব্বই ভাগ মানুষই শাড়িকে এগিয়ে রাখবে। বলা হয়, শাড়িতে অনন্যা বাঙ্গালি ললনা। সত্যিই বাঙ্গালি নারীর চিরচেনা ঐতিহ্য আর রূপের ঝলকানির ঝলক বৃদ্ধিতে শাড়ীর কোন বিকল্প নেই। শাড়ি বাঙালি মেয়েদের সেরা পরিধেয়। যেকোন উৎসবকে কেন্দ্র করে শাড়ির পরার প্রবণতা শতভাগ বৃদ্ধি পায়। তবে সাধ থাকলেও অনেকের বেশি দাম দিয়ে ভাল শাড়ি কেনার সৌভাগ্য হয় না। সে করণেই সবার কথা চিন্তা করে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল ঈদ উপলক্ষ্যে বিশাল শাড়ির সংগ্রহ গড়েছে। মাত্র ১০০০ টাকার মধ্যে আজকের ডিলের কালেকশনে রয়েছে অসংখ্য শাড়ি। এ কারনেই দেশের ব্যস্ত মানুষগুলো হিট করছেন আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে কিনছেন নানা রকমের নান্দনিক শাড়ি। চলুন ১০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে এমন অন্যরকমের দেশী শাড়ির কালেকশন দেখে নেই।

হ্যান্ড পেইন্ট শাড়ি:

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন
অসাধারণ ডিজাইনের হ্যান্ড প্রিন্টের কাজ করা ঈদের এই কোটা কটন ফ্যাশনেবল ডিজাইনের শাড়িটি আজকের ডিল থেকে কিনতে পারবেন মাত্র ৮২৯ টাকায়। যেসব রমনীরা স্টাইলিশ ফ্যাশনে বিশ্বাসী তাদের জন্য এই শাড়িটি বেশ মানানসই হবে। শাড়িটিতে হালকা পাড় রয়েছে এবং প্রিন্টে ফুলের সৌন্দর্য্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই ঈদে প্রিয়জনের জন্য অনন্য উপহার হিসেবেও দিতে পারেন এই শাড়িটি।

প্রিন্টেড কটন শাড়ি:

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন
রঙে ঢঙে ঈদ উৎসবকে সাজিয়ে নিতে এই শাড়িটি হতে পারে আপনার একান্ত অনুসঙ্গী। কটন ফ্রেবিকের এই শাড়িটিতে প্রিন্টের কাজ করা রয়েছে। এই শাড়িটি কিনলে এর সাথে ম্যাচিং চুড়ি পেয়ে যাবেন একদম ফ্রি। এটি পরতে আরাম আর দেখতেও বেশ সুন্দর। আধুনিকতার সাথে মানানসই আঁচলে টারসেল লাগানো এই শাড়িটি যে কারও পরনেই বেশ মানিয়ে যাবে।

ডলার কোটা শাড়ী:

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন
এবারের ঈদে শাড়িতে বেশ বৈচিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ব্লক এবং ডলারের কাজ করা চাইনিজ কোটা শাড়ি এসেছে বাজারে। আকর্ষণীয় ডিজাইন আর অন্যরকম আউটলুক আনতে ডলারের কাজের সাথে চমৎকার লেইস লাগানো হয়েছে। কালারের ১০০% গ্যারান্টিসহ জনপ্রিয় ও আরামদায়ক এই কোটা শাড়িটি আজকের ডিলে পাচ্ছেন মাত্র এক হাজার ৯৯ টাকায়। যেকোন উৎসবে মানানসই স্টাইলিস্ট এবং আরামদায়ক এই শাড়িটি আপনি এখনি ঘরে বসেই কিনে নিতে পারবেন।

বাটিক প্রিন্টেড শাড়ি:

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন
বাটিকের কাজ করার শাড়ি গুলো বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়তা পেযেছে। নারীদের আবদার আর আকর্ষণ ধরে রাখতে ডিজাইন ও ছাপায় বেশ পরিবর্তন নিয়ে আসা হেয়ছে এই বাটিক প্রিন্ডেট শাড়িতে। ঈদের আনন্দকে শতগুণ বাড়িয়ে দিতে পরনে রাখতে পারেন নান্দনিক ডিজাইনের আকষর্ণীয় এই শাড়িটি। মোম বাটিকের কাজ করা স্টাইলিশ ডিজাইন এবং আধুনিকতার সাথে মানানসই এই সুতি শাড়ীটির সাথে ঈদ উপলক্ষে চুড়ি ও ম্যাচিইং ব্লাউজ পিস ফ্রি দেওয়া হচ্ছে।

ব্লক প্রিন্টেড শাড়ী:

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুনশাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন
মাল্টি কালার আর আলাদা ডাইমেনশনে তৈরী এই শাড়িটি দেখতেও চমৎকার আর পরতেও আরামদায়ক। ঈদের রঙ নিজের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে আজই অর্ডার করতে পারেন অসাধারণ সুন্দর এই শাড়ি। শাড়িটিতে ব্লকের কাজ করা হয়েছে এবং টারসেল লাগানো আছে। এবং সৌন্দর্য্য ফুটিয়ে তোলার জন্য এতে মাল্টিকারার লেজ বসানো হয়েছে। আধুনিকতার সাথে মানানসই শাড়িটি আজকের ডিলে পাচ্ছেন মাত্র ৮৯৯ টাকায়। শাড়িটি কিনতে এখনি ছবিতে ক্লিক করুন।

হাফ সিল্ক তাতঁ শাড়ী:

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন
অনেক আগে থেকে বাঙালি ললনাদের কাছে সিল্ক ও তাঁত শাড়ীর আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। উৎসবে কিংবা কোথায় বেড়াতে যাওয়ার জন্য সব মেয়েদের কাশেকশনেই এ ধরনের শাড়ি থাকে। আপনিও যদি হাফ সিল্কের তাঁতে কাজ করা শাড়ির ভক্ত হয়ে থাকেন তাহলে আজকের ডিল থেকে এই শাড়িটি কিনে নিতে পারেন। ঈদ উপলক্ষ্যে শাড়িটিতে ব্লাউজ পিস তো থাকছেই সাথে আতর ফ্রি রয়েছে।


মনে রাখবেন:

শাড়িটি কিনতে ক্লিক করুন
অনলাইন শপিং এর মাধ্যম মানেই আজকেরডিল ডট কম। এই ঈদে আজকের ডিল থেকে শপিং করুন ঝড়ের গতিতে আর ডেলিভারী নিন তুফানের বেগে। আর মাথা নষ্ট আকর্ষণীয় ও নান্দনিক ডিজাইনের শাড়ি পেতে চোখ রাখুন আজকের ডিলে

*শাড়ি* *ঈদশপিং* *ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★