শিশু

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: প্রীতিলতা.......! শুনলাম তোমার স্বামী নাকি ডাক্তার, দেহের প্রতিটি শিরা উপশিরা তার নখদর্পনে কিন্তু তোমার বুকের ভিতরে যে এক ছোট্ট শিশুর বসবাস তা সে হয়তো আজ অব্দি খোঁজেই পায়নি। প্রতিদিন বিছানায় তোমার দেহের প্রতিটি অংশ খুবলে খাবার পরও সে হয়তো তোমার ঠোঁটের নিচের দুটি তিল নিয়ে কখনো মাথা ঘামায়নি!

*আবেগ* *ভালোবাসা* *স্বামী* *তর্ক* *শিশু* *প্রীতিলতা*
ছবি

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: ফটো পোস্ট করেছে

#নবজাতক

আমার খালাতো ভাই।। দোয়া করবেন সবাই।।

*ভাই* *খালাতো* *শিশু*

বিম্ববতী: খুব জরুরি একটা ওয়ার্ক-শপ,,,,সব শিশুদের ডেঞ্জার জোন শিখাতে হবে,,,,জানতে হবে কে তার বডি-গার্ড,,,,এই তিন জায়গা ছাড়াও আরো একটা ডেঞ্জার জোন আছে,,,তা হলো মুখ,,,মাউথ,,,,আসুন শিশুদের রক্ষা করি,,,ভবিষৎ প্রজন্মের কাছে দায়বদ্ধ হতে শিখি,,,,,,,,,,,,,,,(নতুনদিন),,, https://goo.gl/MBgmWF

*শিশু* *আমির-খান* *এ্যাবিউজ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আপনি জানেন তো? আগামীককাল সারা দেশ জুড়ে ২১০ লক্ষ শিশুকে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে... অপুষ্টিজনিত অন্ধত্য, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ডায়রিয়ার ব্যাপ্তি ও জটিলতা কমাতে এবং শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে - ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়াবে সরকার.. আপনার সোনামনি বাদ যাবেনা ত?? ভাল কথা, ;) সংখ্যার দিক থেকে এটা শ্রীলংকা, মালি,জিম্বাবুয়ে, কিউবা,বলিভিয়া, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড এর মত দেশের মোট জনসংখ্যা থেকেও বেশি ;) ভাবুন ত একবার..

*ভিটামিন* *ক্যাপসুল* *এ* *শ্রীলংকা* *শিশু*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিভিন্ন স্নায়ুজাত ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে শিশুর ‘ভাষা বিকাশ’ পর্বটি পরিপূর্ণ না-ও হতে পারে। অথবা তার বিকশিত ভাষার দক্ষতাটি হারিয়েও যেতে পারে। ভাষাগত সমস্যা শুধু এখনকার নয়, সব যুগেই এ সমস্যা ছিল। তবে বিষয়টি সম্পর্কে মানুষ তেমনভাবে সচেতন ছিল না।

কোনো কারণে যদি আপনার শিশু ‘ভাষা সমস্যায়’ ভোগে, তাহলে নিচের উপসর্গগুলো দিয়ে খুব সহজেই বোঝা যাবে—
* মানসিক অবস্থা ও আবেগ প্রকাশে সমস্যা বা আচরণগত সমস্যা
* কথা বলার সময় বিপরীত ব্যক্তির চোখে চোখ না রাখা
* ভাষা অনুধাবনে তাৎপর্যপূর্ণ ঘাটতি
* শিশুর আয়ত্ত করা শব্দের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম হবে। বিশেষ করে, ‘যাই’, ‘করি’, ‘খাই’ ইত্যাদি বৈচিত্র্যময় ক্রিয়াপদের সংখ্যা নেই বললেই চলে।
* সংলাপ চালিয়ে যাওয়ায় সীমাবদ্ধতা
* সমবয়সীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিশতে সমস্যা
* কিছু স্বর বা শব্দ বারবার বলা
* প্রতীকী খেলায় অপারগতা

স্বাভাবিক শিশুর ক্ষেত্রে চার-পাঁচ বছর বয়সের মধ্যেই ভাষার মৌলিক কাঠামো গড়ে ওঠে, তবে শব্দাবলি আয়ত্তকরণের প্রক্রিয়াটি পূর্ণবয়স্ক হওয়ার পরও চলতে থাকে।
মনে রাখতে হবে, কোনো শিশু চার-পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে দৈনিক পাঁচ থেকে দশটি শব্দ দিয়ে পরিবেশ এবং প্রতিবেশ অনুযায়ী যদি মনের ভাব প্রকাশ করতে না পারে, তাহলে তা উদ্বেগজনক। এ ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

সুত্র:প্রথম আলো

*শিশু* *ভাষা* *সমস্যা* *চিকিৎসা* *স্বাস্থ্যতথ্য*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: শিশুকে সৃজনশীল করার জন্য আমাদের পাঠ্যক্রম সৃজনশীল করা উচিত। যারা শিশুদের নিয়ে ভাববেন তাদের সৃজনশীল হওয়া চাই আগে ।তাহলেই প্রকৃত পক্ষে আমরা একটি সুন্দর প্রজন্ম পাব।

*সৃজনশীল* *শিশু* *বাস্তবতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শিশুদের জলবসন্ত হলে ভয়ের কিছু নাই শুধু কিছু নিদের্শ মেনে চললেই হলো।
বসন্ত এলে শিশুদের চিকেন পক্স বা জলবসন্ত রোগের প্রকোপ বাড়ে। এটা ভাইরাসজনিত রোগ এবং সংক্রামক। তাই স্কুল-বাড়ি-পাড়ায় এক শিশুর শরীর থেকে দ্রুত আরেক শিশুর মধ্যে ছড়ায়। প্রথম দুয়েক দিন শরীরে সামান্য ব্যথা, জ্বর থাকে। তারপর সারা শরীরের ত্বকে গুটি গুটি দানা বেরোয়। সেগুলো প্রথমে লালচে থাকলেও আস্তে আস্তে পানিতে ভরে ওঠে এবং তাতে প্রচণ্ড চুলকায়।
জলবসন্ত এমনিতে সাধারণ অসুখ। এতে ভয়ের কিছু নেই। কিন্তু এ থেকে কিছু জটিলতা হতে পারে। যেমন ত্বকের সংক্রমণ। এছাড়া এ সময় পুষ্টির অভাব হতে পারে, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে পারে। জলবসন্ত হলে শিশুর যত্ন, পথ্য ও চিকিত্সা নিয়ে এখনও অনেকের ভুল ধারণা আছে। জেনে নিন এ বিষয়ে কিছু তথ্য :

১। জলবসন্তে কী কী খাওয়া নিষেধ?
আসলে কোনো নিষেধ নেই, যদিও আমাদের দেশে অনেকেই এ সময় শিশুকে মাছ-মাংস খেতে দেন না। কিন্তু বাস্তবতা হল, এ সময় শিশুর বেশি বেশি পুষ্টি প্রয়োজন হয়। তাই প্রোটিনসহ সব ধরনের খাবারই তাকে খেতে দিন। প্রচুর পানি ও তরল খাবার দিতে হবে।

২। জলবসন্তে আক্রান্ত রোগীদের গোসলে উপকরিতা কি ?
অনেকেই জলবসন্তে আক্রান্ত শিশুর গায়ে পানি লাগাতে দেন না। কিন্তু প্রতিদিন গোসল করানো ভালো। কারণ, পানিসহ গোটাগুলো ভাইরাসে পূর্ণ। একটা ফোসকা ফেটে গেলে সেই তরল যেখানে স্পর্শ করে সেখানেই আবার সংক্রমণ হয়। প্রতিদিন পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করালে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।

৩। বদ্ধ ঘরে কত দিন থাকতে হবে ?
বাইরের বাতাস গায়ে লাগাতে বারণ নেই। ঘরের দরজা জানালা খুলে দিন বা খুলে রাখুন। হালকা করে পাখা দিয়ে বাতাস করুন ফ্যান ছাড়ুন। তবে এই অসুখ নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কোন দরকার নেই। কেননা অন্য শিশুরা আক্রান্ত হতে পারে বা হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তা ছাড়া রোগীর বিশ্রামেরও প্রয়োজন আছে।

৪।চুলকানিতে কেন খোঁচাখুঁচি নয় ?
শিশুর নখ ছোট ছোট করে কেটে দিন, যাতে সে চুলকানি হলে নখ দিয়ে যেন খুঁটতে না পারে। কেননা তাতে ত্বকে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে।

৫।কোন অ্যান্টিবায়োটিক কি লাগবে?
ভাইরাসজনিত রোগে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই। তবে জ্বর বাড়লে এবং গোটাগুলো হলুদ হয়ে গেলে বুঝতে হবে ত্বকে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হয়েছে। সেক্ষেত্রে চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক দিন।

৬। জলবসন্তের কি কোন টিকা আছে ?
চিকেন পক্স বা জলবসন্তের প্রতিষেধক বা টিকা এখন সহজলভ্য বা অনেক ডাক্তার দোকান অথবা হাসপাটালে পাওয়া যায়। এখনও আপনার শিশুকে টিকাটি না দেয়া হয়ে থাকলে আপনার শিশুকে এই টিকাটি অতি সিগ্রই দিয়ে দিতে পারেন।
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ।
তথ্যসূত্রঃ
অধ্যাপক তাহমীনা বেগমের লেখা,সকালের খবর থেকে নেয়া

*জলবসন্ত* *স্বাস্থ্যতথ্য* *শিশু* *সেবা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১।
সম্প্রতি বিশ্বের বেশ কিছু দেশের বেশ কিছু লোককে সিরিয়ায় যুদ্ধ কিভাবে শুরু হয়েছে? জিজ্ঞেস করা হলে, বিভিন্ন রকম উত্তর আসে -
- ISIS কে দমন করতে।
- হিজবুল্লাহ।
- আসাদকে রাশিয়ার সমর্থন
- বারাক ওবামার আসাদ বিরোধী অবস্থান।
- ইত্যাদি... ইত্যাদি...
কতগুলি গ্রুপের সৃষ্টি হয়েছে? কে কার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে? কোন কোন দেশ নাক গলিয়েছে? কোন দেশ কোন গ্রুপের পক্ষে? -
- চট করে কেউই উত্তর দিতে পারে না।
শুরুতে কিছু লোক জানলেও, পাঁচ বছর ব্যাপী যুদ্ধের তান্ডবে সবাই সেটি ভুলে গেছে। সেটি বলবার আগে, ছোট বেলায় শোনা ছোট্ট একটি গল্প বলে নেয়া দরকার বলে মনে করছি।
ছোট্ট একটি ছেলে গুড় খেয়ে পাশের একটি বাড়ীর সীমানা দেয়ালে হাতটা মুছে বাসায় চলে এসেছে। কিছুক্ষণ বাদে সেই গুড়ে পিপড়া এসেছে। সেই পিপড়া খেতে পোকা এসেছে। পোকা খেতে টিকটিকি এসেছে। টিকটিকি খেতে দুপাড়ার দু বাসার দুটি মুরগী এসেছে। মুরগী দুটোকে তাড়া করেছে দু বাসার দুই কুকুর। সেই কারণে, দুই বাসার দুই ছেলে কুকুর দুটোকে মেরেছে। কেন কুকুর মারা হল? ছেলে দুটোর মধ্যে মারামারি লেগেছে। ছেলে দুটোর বড় বোন এসে চুলোচুলি শুরু করে দিয়েছে। কেন বোনকে মারা হয়েছে? এই কারণে দুই বাড়ীর ভাইরা হাতাহাতি করেছে। এরপরে তাদের বাবারা মারামারি শুরু করেছে। দুই পরিবারের পক্ষে সাপোর্টার জুটেছে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। পুরো এলাকা দুভাগে বিভক্ত। দুই দিকের দুই মসজিদ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। লাঠি, বল্লম নিয়ে পুরো গ্রাম দুভাগে ভাগ হয়ে, মাঝামাঝি একটি বড় মাঠে জমায়েত হয়ে মারামারি শুরু করেছে। আজও মারামারি চলছে

২।
ফেব্রুয়ারী ২০১২। দারা শহর, সিরিয়া। Mouawiya Syasneh একজন ফ্যাশন সচেতন পাংক স্কুল ছাত্র। বয়স ১৪। সপ্তম গ্রেডের ছাত্র। Mouawyia এর মাথায় দেয়াল লিখনের আইডিয়া (gaffiti) আসে শুধুমাত্র দুষ্টু বুদ্ধি থেকে, অন্য কোন কারণে নয়। সে তার স্কুলের দেয়ালে লিখে -
- "It's your turn doctor"।
তখন মধ্যপ্রাচ্যের Egyptian president হোসনি মোবারক ও তিউনিসিয়ার ক্ষমতাধর বেন আলীকে জনতা ক্ষমতাচ্যুত করেছে। ইতোমধ্যে NATO বাহিনী কর্নেল গাদ্দাফিকে সরিয়ে দিয়েছে। সিরিয়ার মানুষের ধারনা বা আশা ছিল - এবার আসাদের টার্ন। আসাদ বাকীদের মতই ডিকটেটটর এবং একজন ডাক্তার - অপথ্যালমোলজিষ্ট।
পুলিশের চোখে আসে লেখাটি। কয়েকদিনের মধ্যেই Mouawyia, তার তিন বন্ধু ও আরও ছয়জনকে পুলিশ বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের উপরে অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। ইলেকট্রিক শক দেয়া হয় বাথরুমে শাওয়ার ছেড়ে, সেই পানিকে ইলেকট্রিফাইড করে।
তাদের ব্যপারে খোঁজ নিতে গেলে, তাদের বাবাদের বলা হয় -
- তোমাদের ছেলেদের ভুলে যাও। বাসায় যেয়ে আরও বাচ্চা পয়দা কর। না পারলে, তোমাদের মহিলাদের আমাদের কাছে পাঠিয়ে দাও, আমরা বাচ্চা বানিয়ে দিচ্ছি।
এসব কথায় জনমনে রোষের সৃষ্টি হয়। ইতোমধ্যে এক মাস পেরিয়ে গেছে। ছেলেগুলোর সম্মন্ধে বাবা মায়েরা কিছুই জানতে পারেনি।
মার্চের ষোল তারিখে জুম্মার নামাজের পরে প্রথম মিছিল বের হয় দারা শহরে। মিছিল শান্তিপূর্ণই ছিল এবং বারবার শ্লোগান দেয়া হচ্ছিল - আর্মি জনগন এক। প্রথমে জলকামান ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। কিন্তু, তারা আবার জোট বাঁধে। বিকেল ৪টা ২০ এর দিকে হেলিকপ্টারে করে সৈন্যরা এসে গুলি ছুড়লে ২ জন নিহত হয়। পরের দিন দুইজনের দাফনের সময় আবার বিক্ষোভ হয়। এবার গুলিতে আরো অনেকেই নিহত হয় বাচ্চা সহ। প্রতিবাদ চলতেই থাকে, সাথে গুলিবর্ষনও চলতে থাকে। নিকটস্থ প্রাচীন একটি মসজিদে আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। মার্চের ২২ তারিখে সেই মসজিদের ভেতরে গুলি করে একজন ডাক্তার সহ ৭ জনকে হত্যা করে আর্মিরা। প্রতিবাদ চলতেই থাকে।
ফলশ্রুতিতে ৪৫ দিন পরে সবাইকে মুক্তি দেয়া হয়। কিন্তু, তাদের ক্ষতবিক্ষত চেহারা দেখে বিক্ষোভে ফেটে পরে জনতা। সাথে এতদিনের হত্যাকান্ডের ক্ষোভ তো ছিলই। চলে প্রতিবাদ, চলে গুলিবর্ষন। ধীরে ধীরে বিক্ষোভ দারা শহর থেকে ছড়িয়ে পরে পুরো সিরিয়ায়। সম্প্রতি আলেপোকে মৃত নগরী বানিয়ে ফেলে আসাদ বাহিনী।

৩।
Mouawiya Syasneh এক সাক্ষাৎকারে বলে -
- আমি যদি জানতাম যে, আমার লেখা এই graffiti গুলো এত বড় সংঘাতে রুপ নিবে, তাহলে আমি কখনই লিখতাম না। Mouawiya Syasneh এর বয়স ইতোমধ্যে ১৯। এখন সে নিজেই হাতে অস্ত্র তুলে নিয়ে বিদ্রোহী মিলিট্যান্টদের সাথে যুদ্ধ করছে। তার হারাবার কিছুই নেই। সে বলে -
- আমি জীবনে চেয়েছি, কিন্তু পাইনি এমন কোন ঘটনা আমার জীবনে ঘটেনি বাবার জন্য। আমার ইচ্ছে ছিল বিজনেস অথবা অর্থনীতি নিয়ে পড়াশুনা করব। সিরিয়ায় সমস্ত স্কুল কলেজ বন্ধ হয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার - বোম্বিংয়ে আমার বাবাই মারা গেছেন। মারা গেছে সবচেয়ে কাছের বন্ধু। আমি তার কবরে প্রায়ই যাই। ভাবি, যে কোন দিনেই আমার বন্ধুরা আসবে আমাকে এখানে দেখতে।
- "ইতোমধ্যে পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে অপারেশন হয়েছে Mouawiya Syasneh এর, কিন্তু যুদ্ধ সে চালিয়ে যাচ্ছে।"
যদিও বিশ্ব রাজনীতি জড়িয়ে গেছে সিরিয়া নিয়ে, তারপরেও বলতে হয় -
- "গুড়টা প্রথম দেয়ালে Mouawiya Syasnehই লাগিয়েছিল।"

তথ্যসূত্রের লিংকঃ
https://news.vice.com/article/the-young-men-who-started-syrias-revolution-speak-about-daraa-where-it-all-began
http://www.aljazeera.com/programmes/specialseries/2017/02/boy-started-syrian-war-170208093451538.html
http://pulse.ng/world/mouawiya-syasneh-meet-the-boy-who-started-the-syrian-war-video-id6212663.html
http://newsdespatch.com/tag/mouawiya-syasneh/

*সিরিয়া* *শিশু* *যুদ্ধ্ব* *সমাজ*

জানার জন্য জীবন: শিশুদের বুদ্ধি বাড়ায় ভিডিও গেম --- - - - -- - -- - -- - - - - অল্পবয়সী বাচ্চাদের মা-বাবার কাছে ভিডিও গেম এক আতঙ্কের নাম। নাওয়া-খাওয়া ভুলে গেমিংয়ের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকলে সন্তানের লেখাপড়া লাটে উঠবে, এমনটাই ধারণা তাঁদের। তবে সম্প্রতি বিজ্ঞানীদের একটি গবেষণা তাঁদের এই আশঙ্কাকে সম্পূর্ণ ভুল বলে প্রমাণ করেছে। মার্কিন টিভি চ্যানেল এনবিসি নিউজের ওয়েবসাইটে এ-সংক্রান্ত একটি খবর প্রকাশ করা হয়েছে। গবেষণার ফল থেকে বিজ্ঞানীদের অভিমত হলো, দৈনন্দিন জীবনে অনেক সময়

*শিশু* *বুদ্ধি* *ভিডিওগেম*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 এক বছরের কম বয়সী শিশুকে কি ধরণের খাবার দেয়া যেতে পারে?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*শিশু* *শিশুরখাবার* *হেলথটিপস*

প্যাঁচা : প্রোটেক্টিভ মানে কি? আধুনিক মায়েদের জন্য বলতে চাচ্ছি,তারা বাচ্চাদের প্রতি প্রটেক্টিভ হতে গিয়ে নিজেই বাচ্চাদের এরোগেন্ট করে ফেলছে এবং পরে বলে,"বাচ্চাতো কোন কথা শুনে না।কি যে করি"। আপনি প্রটেক্ট করতে গিয়ে যদি তার অন্যায়কেও ঢাকা শুরু করেন তাহলে মনে হয় না এর ফল ভবিষ্যতে ভাল হবে।তাকে প্রটেক্ট করতে গিয়ে যদি তার মাঝে "বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা" এই শিক্ষার নষ্ট করে ফেলেন তাহলে এই প্রটেক্টিভ হবার কি লাভ? দয়া করে চিন্তা-ভাবনা ও ইম্প্যাক্ট বিচার করে কাজ করবেন(ভেঙ্গানো)

*শিশু* *মা-শিশু* *শিশুরযত্ন*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের যুব সমাজের ধংসের অন্যতম কারন পর্ণগ্রাফি। যুবসমাজের মধ্যে ব্যাপকভাবে নেশার মতো ছড়িয়ে পড়ছে এ আসক্তি। উঠতি বয়সী তরুণরা দিনদিন প্রযুক্তির অপব্যবহার করে নৈতিকতাকে বিসর্জন দিয়ে পর্ণগ্রাফিতে ঝুঁকছে। স্বল্পমূল্যে মাল্টিমিডিয়া সুবিধা সম্বলিত হ্যান্ডসেট কিনে মোবাইল ব্যবহার যেমন সহজলভ্য হয়েছে, তেমনি এর অপব্যবহারও বেড়েছে।

ইন্টারনেটভিত্তিক ওয়েবসাইট গুলোতে বিচরণ করে অশ্লীল চিত্র, ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আবার কারো নগ্ন ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার মত ঘটনা বর্তমানে হরহামেসাই ঘটে চলছে। যার ফলাফল অতি ভয়াবহ। এর কারনে হত্যা ধর্ষন আর আত্মহত্যার মত ঘটনা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। সেরকমই এক ঘটনার স্বীকার হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় হাসি নামের নবম শ্রেনীর এক মেধাবী ছাত্রী। হাসির নগ্ন ভিডিও তৈরি করে এক ছেলে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়। এতে হাসি লজ্জায় আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এরকম হাজারো হাসি আমাদের সমাজে ছড়িয়ে আছে। যাদের অনেকের গল্প আমাদের পর্যন্ত পৌছায় না।

বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদে পর্ণগ্রাফি আসক্তির কারনে মানুষ যে শারীরিক এবং মানসিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে- এ ব্যাপারে অনেকেরই এখনো স্বচ্ছ কোন ধারনা হয়নি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে শৈশব বা কৈশোরেই পর্ণে আসক্ত হয়ে গেলে পরবর্তীতে মানুষের কাছে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের মত ব্যাপারগুলো খুব গতানুগতিক বা সাধারন আচরন বলে মনে হয়। এসব আচরণের মাঝে যে বীভৎসতা কিংবা কদর্যতা আছে- তা আর পরবর্তীতে পর্ণ আসক্ত মস্তিষ্কটি আলাদাভাবে বুঝতে পারেনা। আর পর্ণ আসক্তদের অস্বাভাবিক আচরণের কারনে সবচেয়ে বেশি বিপর্যয়ের মুখে পড়ে শিশুরাই।

প্রসঙ্গত, বৈজ্ঞানিক গবেষকদের দাবি, যাঁরা অধিক মাত্রায় অশ্লীল দৃশ্য উপভোগ করেন, তাঁদের মগজের ধূসর পদার্থ উল্লেখযোগ্য হারে কমতে থাকে।


আইনস্টাইন প্রায় ৮০ বছর আগে বলেছিলেন , প্রযুক্তি এক সময় একটি নির্বোধ প্রজন্ম উপহার দেবে। বলতে কোন দ্বিধা নেই, বর্তমান প্রজন্মটা আইনস্টাইনের সেই ইঙ্গিত বহন করা প্রজন্ম।

এখন যদি এসব বন্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তবে অচিরেই যুবসমাজের নৈতিক অধঃপতনও ঠেকানো সম্ভব হবে না।

বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট আইন বা নির্দেশনা নেই। তবে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধের জন্য পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্ণগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন প্রণয়ন করেছেন।
এই আইন প্রণয়ণ এর প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে বলা হয়েছে যে, পর্নোগ্রাফি প্রদর্শনের ফলে নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে, বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে এবং সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

★★এখন আসুন জেনে নেই এ আইনে পর্ণগ্রাফির সংজ্ঞা কিভাবে দেওয়া হয়েছে-

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ এর ধারা ২ এর (গ) উপধারা অনুসারে ‘পর্নোগ্রাফি’’ অর্থ—

(১) যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোন অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য যা চলচ্চিত্র, ভিডিও চিত্র, অডিও ভিজ্যুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিকস বা অন্য কোন উপায়ে ধারণকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এবং যার কোন শৈল্পিক বা শিক্ষাগত মূল্য নেই;

(২) যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী অশ্লীল বই, সাময়িকী, ভাস্কর্য, কল্পমূর্তি, মূর্তি, কাটুর্ন বা লিফলেট;


★★পর্নোগ্রাফির শাস্তিঃ
এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক এর শাস্তি সম্পর্কে-

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ এর ধারা ৮ অনুসারে:-

(১) কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি উৎপাদন করলে বা উৎপাদন করবার জন্য অংশগ্রহণকারী সংগ্রহ করে চুক্তিপত্র করলে অথবা কোন নারী, পুরুষ বা শিশুকে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করলে অথবা কোন নারী, পুরুষ বা শিশুকে কোন প্রলোভনে অংশগ্রহণ করিয়ে তার জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে স্থির চিত্র, ভিডিও চিত্র বা চলচ্চিত্র ধারণ করলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৭ (সাত) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

(২) কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে অন্য কোন ব্যক্তির সামাজিক বা ব্যক্তি মর্যাদা হানি করলে বা ভয়ভীতির মাধ্যমে অর্থ আদায় বা অন্য কোন সুবিধা আদায় বা কোন ব্যক্তির জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে ধারণকৃত কোন পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিকে মানসিক নির্যাতন করলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি ইন্টারনেট বা ওয়েবসাইট বা মোবাইল ফোন বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি সরবরাহ করলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

(৪) কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি প্রদর্শনের মাধ্যমে গণউপদ্রব সৃষ্টি করলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

(৫) কোন ব্যক্তি—
(ক) পর্নোগ্রাফি বিক্রয়, ভাড়া, বিতরণ, সরবরাহ, প্রকাশ্যে প্রদর্শন বা যে কোন প্রকারে প্রচার করলে অথবা উক্ত সকল বা যে কোন উদ্দেশ্যে প্রস্তুত, উৎপাদন, পরিবহন বা সংরক্ষণ করলে; অথবা
(খ) কোন পর্নোগ্রাফি প্রাপ্তি স্থান সম্পর্কে কোন প্রকারের বিজ্ঞাপন প্রচার করলে; অথবা
(গ) এই উপ-ধারার অধীন অপরাধ বলে চিহ্নিত কোন কার্য সংঘটনের উদ্যোগ গ্রহণ করলে;
—তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

(৬) কোন ব্যক্তি কোন শিশুকে ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, বিতরণ, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অথবা শিশু পর্নোগ্রাফি বিক্রয়, সরবরাহ বা প্রদর্শন অথবা কোন শিশু পর্নোগ্রাফি বিজ্ঞাপন প্রচার করলে তিনি অপরাধ করেছেন বলে গণ্য হবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ১০ (দশ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

(৭) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বা সহায়তাকারী ব্যক্তি প্রত্যেকেই একই দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

★★এর প্রতিকার কি হতে পারে? এটির নিয়ন্ত্রণে আমাদের কি করণীয়?

এতক্ষণ এর শাস্তি সম্পর্কে জানলাম, কিন্তু শুধু শাস্তিই কি এ অধঃপতন ঠেকাতে পারবে! এর নিয়ন্ত্রণে আমাদের কি করণীয় আছে?

♣সরকার চাইলেই পর্ণসাইটগুলো যেকোন সময় বন্ধ করতে পারে। আমরা পূর্বে বহুবার লক্ষ করেছি ইউটিউব, ফেসবুক বন্ধ করতে। সুতরাং সরকারকে পর্ণ ও চটি বিষয়ক সব সাইট বন্ধ করে দিতে হবে।
♣তরুণদের মনোযোগের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। পাঠ্যাভাস, খেলাধুলা, বিনোদনধর্মী কাজকর্মে উৎসাহিত করতে হবে।
♣অল্পবয়সে সন্তানের হাতে মোবাইল বা সহজলভ্য ডিভাইস তুলে দিয়ে প্রযুক্তির অপব্যবহারের সুযোগ করে না দেওয়া।
♣এছাড়া মনে রাখা দরকার ঢেকে রাখা জিনিষের প্রতি আকর্ষণ সর্বদাই বেশি। এজন্য যৌন শিক্ষার অভাব ও নৈতিক মূল্যবোধ ধারন করার ব্যর্থতাও এর জন্য দায়ী। এসব বিষয়ের প্রতিও আমাদের খেয়াল রাখা দরকার।
♣পর্ণ বিষয়ক চলচ্চিত্র কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা উচিত।
♣পর্ণগ্রাফি নিয়ন্ত্রণে আইনের প্রয়োগ থাকতে হবে।
♣সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
♣কঠোর শাসন, মারধোর না করে বরং আপনার সন্তানের জন্য একটি সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করুন।

*পর্ণগ্রাফি* *সমাজ* *আমাদের-আইন* *নীয়ম* *যুবসমাজ* *শিশু*
ছবি

নিরাপদ নিউজ: ফটো পোস্ট করেছে

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★