শিশুর বিকাশ

শিশুরবিকাশ নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ছোট বাচ্চার মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কি করণীয়?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*শিশুরযত্ন* *মস্তিষ্ক* *শিশুরবিকাশ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সন্তানের মধ্যে ছোট থেকে কিভাবে সঞ্চয়ী মনোভাব গড়ে তোলা যেতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*সন্তান* *প্যারেন্টিং* *শিশুরবিকাশ* *সঞ্চয়* *লাইফস্টাইলটিপস*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাচ্চারা সাধারণত উচ্ছল প্রকৃতির হয়, একটু চঞ্চলতা বেশিই করে, ঠিক বেঠিক বোঝার বয়স তাদের তেমন থাকেন না। তাই অন্যান্য স্থানের মতো মসজিদে এসেও বাচ্চারা দুষ্টুমি করবে- এটাই স্বাভাবিক। তাই ছোটরা নামাজে এলে তাদেরকে পাশে নিয়ে নামাজে দাঁড়ান, তাদের আলাদাভাবে দাঁড়াতে দেবেন না। ছোটরা আলাদাভাবে দাঁড়ালে দুষ্টুমি করবে, বড়দের সঙ্গে একত্রে দাঁড়ালে আর দুষ্টুমি করার সুযোগ পাবে না। 

তারা কিছু কাজ কিন্তু না বুঝেই করে থাকে যেমন : অজু করতে যেয়ে পানি ছিটানো কিংবা মসজিদে লুকোচুরি খেলা, টুপি কাড়াকাড়ি খেলা, শূণ্য হাতে ক্রিকেট বল অথবা ব্যাট করার ভঙ্গি, দৌঁড় প্রতিযোগিতা, উচ্চ হাসি, চিৎকার, অন্য বাচ্চাদের সাথে খুনসুটি ইত্যাদি। আসলে এসবে তারা খুব মজা পায় বলেই করে কিন্তু তারা যদি বুঝতো যে এসব এখানে করা যাবে না তাহলে নিশ্চয় করতো না। তাদের এই শিশুসুলভ আচরণে অনেকেই বিরক্ত হোন, আবার অনেকেই আছেন এমন  যারা মসজিদে বাচ্চাদের দেখলেই তেড়ে যান। শুধু তাই নোই সেই বাচ্চাদের অভিভাবকের দিকে অভিযোগের দৃষ্টিতে তাকান। এটা মোটেও সমীচীন নয় কিন্তু।  তাই অনেক অভিভাবক বাচ্চাকে সাথে নিয়ে মসজিদে যেতে চান না এটা না করে বরং তাদের আদর করে, স্নেহ দিয়ে বুঝিয়ে বলুন মসজিদের পবিত্রতা নিয়ে, এখানে কি করা যাবে আর কি করা যাবে না, মসজিদে হাসাহাসি-দুষ্টুমি করলে মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট হয়, অন্যরা বিরক্ত হতে পারে এই ব্যাপারগুলো আগে থেকেই বুঝিয়ে রাখুন সন্তানকে। 

মনে রাখবেন, আপনার-আমার শিশুদের প্রতি ছোট ও সুন্দর আচরণ এবং দৃষ্টিভঙ্গিই পারে বদলে দিতে তাদের জীবনকে আর তাদের আলোকিত ভবিষ্যৎ পাল্টে দিতে পারে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকে, সমৃদ্ধ করতে পারে জাতিকে আর গর্বে ভরিয়ে দিতে পারে দেশকে । আগামী প্রজন্মকে আলোর পথে এনে গড়ে তোলার দায়িত্ব কিন্তু আমাদেরই।

*আদবকেতা* *শিশুরবিকাশ* *প্যারেন্টিংটিপস* *মসজিদ*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শৈশব থেকেই শিশুকে কিভাবে সামাজিকতা শেখাতে হয় অভিভাবকদের?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*শিশুরযত্ন* *প্যারেন্টিং* *লাইফস্টাইলটিপস* *শিশুরবিকাশ*

Khoke: *শিশুরবিকাশ*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

# আপনার শিশুর স্কুলের প্রথম বছরটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে যদি আপনার শিশুকে তাঁর নিজের জু্তার ফিতে বাঁধা শিখিয়ে দিতে পারেন তাহলে তাঁর যে মানুষিক দৃঢ়তা তৈরি হবে তা হয়তো আপনি বা আমরা কেউই কল্পনাও করতে পারব না। একবার ভাবতে পারেন স্কুলে কখনো তার জুতার ফিতে খুলে গেলে সে যদি আর দশটা শিশুর সামনে নিজে নিজেই তার ফিতে বাঁধতে পারে তাহলে তার নিজের উপর আত্মবিশ্বাস কোথায় গিয়ে ঠেকবে।

# স্কুলের পড়ার ব্যাগ আপনি নিজে না গুছিয়ে আপনার শিশুকে করতে দিন। আপনি শুধু খেয়াল রাখুন সে ঠিক ঠাক বই খাতা নিচ্ছে কি না এতে ছোটবেলা থেকেই মানসিকভাবে গোছানো হয়ে গড়ে উঠবে।

# ক্লাসে ফার্স্ট বা সেকেন্ড হলো কি না সেটা আসলে শিশুর জন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার না,তাই সে ক্লাসে কি পারলো আর কি পারল না সেটা নিয়ে খুব একটা উদ্বিগ্ন না হয়ে সে তার স্কুল্টা উপভোগ করছে কিনা সে দিকে নজর দেওয়া তার শারীরিক এবং মানসিক উভয়ের জন্যই ভালো।

# বাচ্চারা তার খেলনা নষ্ট করবে এটাই স্বাভাবিক। এজন্য তাকে বকাঝকা না করে বোঝানোর চেষ্টা করুন। সবচেয়ে ভালো হয় যদি তার ভিতরে খেলনাগুলোর যত্ন নেওয়ার বোধ সৃষ্টি করা যায়। খেলার পরে তার খেলনাগুলো আপনি বা কাজের লোককে দিয়ে না গুছিয়ে তাকে দিয়েই খেলার ছলে গুছিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন।প্রথমদিক হয়তো কাজ হবে না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আপনার শিশুটি দেখবেন দায়িত্ববান হয়ে উঠেছে।

# স্বামী স্ত্রী এর মধ্যে দাম্পত্যে কলহ হবে এটাই স্বাভাবিক তবে লক্ষ্য রাখবেন আপনার শিশুটি যেন এর বলি না হয়। তার বাবা-মা এর মধ্যকার সম্পর্ক সে যেন সব সময় উপলব্ধি করে মধুর,যা তার ভবিষ্যৎ ব্যক্তিগত জীবনে সুখের ছায়া ফেলবে।

# ভিক্ষুক বা কোথাও কোন কিছু দান করার সময় যতটা পারেন আপনার শিশুকে সাথে রাখতে,এতে তার মন উদার হবে। পৃথিবীকে সে আরও বেশী ভালবাসতে শিখবে।

# আপনার শিশুর মতামতকে তার সামনে তুচ্ছতাচ্ছিল্য না করে এমনভাবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলুন যেন সে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। এতে তার আত্মশ্রদ্ধা বাড়বে।

# সপ্তাহে অন্তত একটি দিন এবং ছুটির দিনগুলোতে আপনার শিশুকে একটু প্রকৃতির কাছাকাছি নিয়ে যান। তাকে ছেড়ে দিন খোলা হাওয়ায়,স্পর্শ করান মাটিকে।ধরতে দিন ফুলের উপর বসা রঙ্গিন প্রজাপ্রতিটি। দৌড় দিতে দিন,দিতে দিন ঝাঁপ।দেখবেন প্রকৃতির সান্নিধ্য আপনার শিশুর মাঝে এক অপূর্ব ভালো লাগার স্নিগ্ধতার ছাপ ফেলে যাবে যা আপনি হাজার বা লক্ষ টাকা খরচ করেও কোন সুপার সপে পাবেন না।

# মোটামুটি পড়তে এবং লিখতে পারলে তাকে তার ব্যক্তিগত ডায়েরি লেখার বা আঁকার ব্যাপারে উৎসাহিত করুন।এতে সে নিজেকে নিয়ে ভাবতে শিখবে,অনুভব করতে শিখবে। নিজের কাছে আত্মসমালোচনার দ্বার হবে উন্মুক্ত।

# পাঠ্যপুস্তকের বাইরে মজার মজার বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।এতে সে পুরো পৃথিবী নতুন করে চিনতে শিখবে।
*সন্তান* *শৈশব*
*শৈশব* *প্যারেন্টিং* *শিশুরযত্ন* *শিশুরবিকাশ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★