শীতার্ত

শীতার্ত নিয়ে কি ভাবছো?

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সকাল বেলা বিছানা ছাড়তে পারছিলাম না, রাতে গরম অনুভুত হওয়ার কারণে ফ্যান চালিয়ে ঘুমানোর কারণে! আপাকে বললাম, ফ্যানটা বন্ধ করে দাও তো! তারপর উঠে শাওয়ার নেয়ার সময় বুঝলাম, পানি বেশ ঠান্ডা! যাক পরেরদিন ঘুম ভেঙ্গে দেখি রাতের অন করা ফ্যান বন্ধ হয়ে আছে, অর্থাৎ আপামনি আগের দিনের অবস্থা বিবেচনা করে গভীর রাতে নিশ্চয় ফ্যান বন্ধ করে দিয়েছে! হুম ভাল! অয়াশ রুমে গিয়ে দেখি, পানিতে ঘরম পানি মিক্সড করা হয়েছে! আহারে আরাম! শীতের শুরুতে ব্যস্তময় ঢাকা শহরে ঠান্ডা প্রভাব বিস্তার করতে না পারলে ও বাসা বোটানিক্যাল গার্ডেন এর কাছাকাছি হওয়াতে শীত আমার বাসায় হয়তো একটু আগেই কড়া নেড়েছে! 
ভাবতেই অবাক লাগে এই শীত যখন বাংলার দূর গ্রামে তার ঠান্ডা হাওয়া দিয়ে আচ্ছন্ন করে রাখছে তখন ছেড়াফাটা বা উপরের শরীর কাপড়বিহীন, খোলা আকাশে যারা রাত্রি যাপন করে তাদের কথা ভাবতে গেলেই গা শিউরে উঠে!!!!!!!!
এই গা শিউরে উঠা ভাব থেকে মুক্তি পেতেই মানবিকতার সামান্য সচেতনতা থেকে বেশতো পরিবারের সদস্য এবং বেশতোর সহযোগীতায় শীতার্তদের সাহায্যের আবেদন জানানো হয়! কয়েকজনের না্‌ যারা এ ব্যাপারটিতে নিজেদের মেধা, শ্রম এভং আর্থিক সামর্থ্য দিয়ে এটিকে সম্মানজনক স্থানে নিয়ে এসেছে খুব কষ্ট হলেও তাদের নাম উল্লেখ করলাম না এই ভেবে ভুলে যদি কার ও নাম বাদ পড়ে যায়। 
আমি কিছুই করতে পারিনি শুধু তাদের পোস্ট শেয়ার করা ছাড়া! তবে সেখানে কিছু মজার প্রশ্নের সম্মুখীন হলাম! তুমি কি দিয়েছ? কত টাকা? কম্বল বা কাপড়? যথারীতি আমার ব্যক্তিগত ভাবটাই শুনালাম, আমি যাই দিই পরিমান বা কত সেটা তো কাউকে বলিনা, অনেকটা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলে, নাম প্রকাশ করলে কি হয়? হতে পারে সেটা তুলনায় নগন্য বলে অথবা দান না জানিয়ে করতে পারলে ভালো বলে। ঠিক আছে, তা তোমার গ্রামেই তো অনেক লোক আছে, যাদের এই শীতে কষ্ট হচ্ছে, এখানে না দিয়ে সেখানে ও দিতে পারতে! তোমাদের বেশতো পরিবারের সদস্য সখ্যা কত? লাখের কাছাকাছি! ও! তা তোমরাই তো ১০ টাকা করে দিলে ১০ লক্ষ টাকা হয়ে যায়, সবার সাথে শেয়ার করার দরকার কি? তাকে কি বোঝাব সবাই যদি একসাথে থাকতো, তাহলে ১০ টাকা করে নিতে সমস্যা নয়, কিন্তু দূর প্রান্তে যে আছে সে হয়তো ১০০ টাকা দিতে চাইলে ও দিতে পারছেনা!
যাহোক এতো গেলো প্রশ্নের সমাহার!
আমি নিজেই অসন্তুষ্ট সব ঠিক করে রেখে ও কিছুই করতে পারিনি বলে! তবে আমাদের এক ইউজার (যিনি বাহিরে থাকেন) এর স্ট্যাটাস পড়ে জানলাম শীত বস্ত্র বিতরণ করবেন, টার্গেট ১০ লক্ষ টাকা যার অধিকাংশ বিদেশীরাই সাহায্য হিসাবে দিয়েছে! আমাদের বাংলাদেশে এ রকম লোকের কি না অভাব! অথচ আমরা মোবাইলের বিল বা ইন্টারনেট বা সিগারেট কত কিছুর ব্যাপারে অপ্রয়োজনীয় কত ব্যয় করছি, তার কিছু মাত্র শেয়ার করলে কত জন এই মানবেতর জীবন থেকে রক্ষা পেতে পারতো!
কাকে কি বলবো আমি নিজেই কিছুই পারি না! তাই নিজেরই সমালোচনা করছি। নির্দিষ্ট কাউকে উদ্দেশ্য করে লিখিনি, তাই কার ও সাথে মিলে গেলে কষ্ট পাবেন না।
তবে যাদের উদ্যেগে এই কাজ সফলতা পাচ্ছে তাদেরকে জানাই শ্রদ্ধা এবং সালাম!  
*শীতার্ত* *সাহায্য* *আত্মসমালোচনা*

নিপু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 গত ৩১শে অক্টোবর আমরা কয়েকজন মিলে বসেছিলাম এবারের শীতবস্ত্র প্রজেক্ট নিয়ে আলোচনা করার জন্য। অনেকেই এসেছিলেন আবার অনেকেই ব্যাক্তিগত অসুবিধের কারনে আসতে পারেননি। সবার সুবিধার্থে সেই মিটিং এ গৃহিত কিছু প্রাথমিক সিদ্ধান্ত এখানে তুলে ধরছি।

১।আমরা সবাই একমত হয়েছি যে এবার গতবারের থেকেও ব্যাপক আকারে এই শীতবস্ত্র বিতরন কার্যক্রম চালাবো।

২। আমরা সবাই মিলে অনলাইনে এবং অফলাইনে এই প্রজেক্টের প্রমোশনের জন্য কাজ করবো। যত বেশী মানুষকে আমাদের এই কাজে সম্পৃক্ত করা যাবে ততোই আমাদের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাবে।

৩। কন্ট্রিবিউশনের ব্যাপারে কোন বাধা ধরা লিমিট নেই। সবাই যার যার ইচ্ছে মত কন্ট্রিবিউশন করবে।

৪। আমরা এবার ফান্ড কালেকশনের জন্য দুটি বিকাশ এ্যাকাউন্ট আর দুটি ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যাবহার করবো এবং সবার সুবিধার্থে একটা হটলাইন নম্বরও থাকবে যা আগামী ২/৩ দিনের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে।

৫। আমরা পুরো নভেম্বর জুড়ে ফান্ড কালেকশন করে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে আমাদের বিতরণ কার্যক্রম শেষ করবো। কোথায় বিতরণ করবো সেটা আরো পরে ঠিক করা হবে পারিপার্শ্বিক সব কিছু বিবেচনা করে।

সবাইকে ধন্যবাদ।

*শীতার্তদের-জন্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *শীতবস্ত্র-২০১৫*

নিপু: একটি বেশব্লগ লিখেছে



জ্বী আপনাকেই বলছি...

বছর ঘুরে আবার শীত চলে এসেছে, অনেকেই হয়তো শীতে কি পরবেন, নতুন কি কি কিনবেন ভাবছেন - অবশ্যই কিনবেন, কিন্তু একটু ভাববেন কি ? অনেকেই  আছে আপনার আমার মত মানুষ-

যারা শীতে  একটুকরো গরম কাপড়ের জন্য কষ্ট পান !
আপনার একটু ইচ্ছা আর সাহায্য পারে সেই সব মানুষদের মুখে হাঁসি ফোটাতে ! আপনি, আমি আমরা পারি শীতার্তদের জন্য একটু উষ্ণতা ছড়াতে - আমারা গতবার পেড়েছি এই বার ও পাড়বো ।
গতবার আমাদের সম্মিলিত চেষ্টায় রাজশাহীর এক ছোট্ট গ্রামে উষ্ণতা ছড়িয়েছি ! সব কিছু  কিছু সম্ভব হয়েছে সবার চেষ্টায় আর কন্ট্রিবিউশনে - এগিয়ে আসুন এইবার আমরা গত বারের চেয়েও বড় কিছু করি ।
বিশ্বাস করুন ভালো লাগবে - যখন আপনি, আমি পারবো কিছু মানুষের শান্তির ঘুম দিতে, তাদের শীত দূর করতে ।
কিছুটা নস্টালজিক ফিল করছি , তাই গত বারের শীতবস্ত্র বিতরনের কিছু স্মৃতি শেয়ার করছি - ইউটিউব লিঙ্ক



https://www.youtube.com/watch?v=mtZLdqZTNv4
*শীতার্তদের-জন্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *শীতবস্ত্র-২০১৫*

শুধু আফরিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৪
অন্যান্য শীতের সকালে মতো সেদিনও সূর্যের দেখা যাচ্ছিল না । ঘড়ির কাঁটা তখন প্রায় ১২টা ছুই ছুই । হাতিরঝিল থেকে আমরা আমাদের যাত্রা শুরু করলাম। গন্তব্য ছিল “শক্তি বিদ্যালয়”, করাইল বস্তি। নৌকা দিয়ে জাবার সময় কেউ একজন হয়ত বলেছিল যে, আজ কি সূর্যের দেখা পাওয়া যাবে?
 দূরে তখনো আবছা কুয়াশার আভাস আর বাতাসটাও কনকনে ছিল। আর আমরা একটু উষ্ণতাও প্রয়োজন অনুভব করছিলাম। তবে আমাদের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। বস্তির গলি-ঘুপচি পেরিয়ে যখন আমরা “শক্তি বিদ্যালয়” এর ছোট্ট ঘরটিতে ঢুকলাম তখন একঝাক ছোট ছোট উদীয়মান সূর্য তাদের নিষ্পাপ হাসির উষ্ণতা দিয়ে আমাদেরকে ভরিয়ে দিল। তাদের কলকাকলি আর আধো আধো কথা আমাদেরকে যে অভ্যর্থনা দিলো তার সামনে কোন রাজকীয় অভ্যর্থনা তুচ্ছ। ঘুপচির সেই ঘরটিতে হয়তো বিদ্দুতের আলো কম, কিন্তু তাতে কি ঘর ভর্তি একঝাক আলোর পথের পাখি, উড়ে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটা ছিল দিনের শুরু, দিন শেষ হলো মোহাম্মদপুরের “শক্তি বিদ্যালয়” এর আরেকটি শাখায়। তখনো আকাশে সূর্যের দেখা মেলেনি, তবে আমাদের আর তখন সূর্যের পয়জন নেই। স্কুলের বাচ্চাদেরকে উপহারগুলো দেবার পর তাদের স্বপ্নময় চোখগুলো আমাদের পৃথিবিতে হাজারো সূর্যের আলো ছড়িয়ে দিলো। কে জানতো, বস্তির গলি-ঘুপচির আড়ালে এই অপরাজেয় শিশুরা এতো আলো নিয়ে বসে আছে। তাদের শৃঙ্খলা দেখে অবাক হয়ে ভাবলাম যে, উন্নত জাতি সৃষ্টি করার জন্য প্রথমে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োজন এই ধরনা ভুল। প্রথমে প্রয়োজন অদম্য প্রয়াস। আর তাই আমি একান্ত ধন্যবাদ জানাই “শক্তি বিদ্যালয়” এর প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ জাভেদ চৌধুরি ভাইকে এবং তার সহযোগীদেরকে, যারা এই অদম্য প্রয়াসকে পুরনের জন্য এগিয়ে এসেছেন।
আমাদের উদ্দেশ্য ছিল এই আলোর পাখিদেরকে শীতের মাঝে একটু উষ্ণতার উপহার দেয়া। এই উদ্দেশ্য পুরনের জন্য ০৪ নভেম্বর, ২০১৪ থেকে বেশতো এর ভাইয়া আপুরা ফান্ড কালেকশন শুরু করেন। বেশতো পরিবারের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহনের ফলে তাদের উদ্যোগ সফল হল। সবাইকে আলাদা আলাদা করে ধন্যবাদ দিতে চাই না, শুধু এতটুকু বলতে চাই, আপনারা সার্থক করলেন এই স্লোগানটিকে,
 “বেশতো, যুক্ত করে বাংলাদেশের প্রতিটি হৃদয়কে”

আপনাদের সকলের স্বতঃস্ফূর্ত প্রয়াস ছোট ছোট বাচ্চাদের মুখে যে হাসি ফোটাল তা হয়তো আমরা ভালোভাবে ক্যামেরাবন্দী করতে পারিনি, কিন্তু আমাদের মনে তার ছবি রয়ে গেছে। সবশেষে শুধু এতটুকু বলতে চাই এই হৃদয়ের বন্ধন টিকিয়ে রাখুন, এগিয়ে আসুন আপনাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রয়াশগুলো নিয়ে। যেভাবে আজ থেকে ৪৩ বছর আগে বাংলার সংগ্রামী মানুষ বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল তেমনিভাবে, আপনাদের এই হৃদয়ের বন্ধন আর ছোট ছোট প্রয়াস আগামীতে আমাদের আলোর পাখিদের বিশ্বজয়ী করবে।
*শীতার্ত* *শীতার্তদের-জন্য* *বেশতো*

নিপু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নভেম্বরের ৩ তারিখ রনি ভাইয়ের বেশব্লগ "শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান" পড়ে বেশ ভালো লাগলো, নিজেকে বললাম আমিও এই উদ্যোগের অংশ হবো ! কিন্তু কাজের চাপে প্রথম মিটিংটা মিস করলাম... 
নিজের অফিসের কিছু কলিগদের কাছে বললাম আমাদের এই উদ্যোগের বিষয়ে সবাই তাদের মত করে হেল্প করলো.... এর পর বিস্তারিত আমি জানতে পারলাম অপু ভাই, সালাম ভাই এর পোস্ট থেকে 
এর পরের ধাপে আমরা রাজশাহীতে বিতরণের  জন্য কম্বল, কান টুপি আর মাফলার কিনি- আমি সঙ্গী ছিলাম- অপু ভাই, সালাম ভাই, মুকতাদির ভাইএর- 
বেশ মজা করতে করতে অনেক "খোঁজ দ্যা সার্চ" এবং মুলামুলি করার পর আমরা সব কিছু কিনতে সফল হই। সেই রাতেই কম্বল গুলো পাঠিয়ে দেয়া হয় রাজশাহী...
প্রথমবার নতুন একটা  জায়গায় যাবো ভেতরে বেশ উত্তেজনা কাজ করছিলো, অপু ভাই আমাদের সবার জন্য ট্রেনের টিকেটের ব্যবস্থা করেন...
 যাই হোক অপেক্ষার পালা শেষ হয়- ৪ ডিসেম্বর রাত ১১ টায় আমরা সবাই রাজশাহী গামী ধূমকেতু ট্রেনে উঠে পরি ।
ট্রেনে উঠার পর থেকে শুরু হয় ভিন্ন ভাবে খুনসুটি আর মজা । 
ভোঁর ৫.৪৫ এর দিকে আমরা রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশনে পোঁছাই এবং হোটেল "ডালাসে" উঠি, রুমে কিছু ক্ষণ রেস্ট নেবার পর নাস্তা সেরে নেই " বিন্দুর " হোটেলে...
এর পর আমরা যাত্রা শুরু করি, গন্তব্য জগপুর ( গোদাগাড়ী ) আমরা নতুন ৪  জন সঙ্গী পাই এখানে, যারা আমাদের যাত্রাপথ মসৃণ করে রেখেছিলেন- রিঙ্কু, সাদিয়া আপু এবং উনার দুই ছোট ভাই ।
আমরা গ্রামে পৌছাই দুপুর ১২ টার দিকে... যা দেখতে পাই, বহু বয়স্ক মানুষ অপেক্ষা করছিলেন আমাদের আগমনের, বিতরণের প্রথম পর্ব থামাতে হয়, নামাজের বিরতির কারনে। 
জম্পেশ দুপুরের খাবারের পর আমরা এবং স্থানীয় ভলেন্টিয়াররা ঝাঁপিয়ে পরি বিতরন কার্যক্রমে, বয়স্কদের জন্য কম্বল আর মাফলার, 
বাচ্চাদের জন্য কানটুপি । বিতরন শেষে আমরা রওনা দেই আধাকাচা আর আধাপাকা রাস্তা ধরে চারপাশের সরিষার ক্ষেত আর সবুজ তার সাথে সালাম ভাইয়ের গান এবং শীতের কাঁপুনি । 
সাদিয়া আপু এবং স্থানীয়দের দক্ষতায় আমরা রাজশাহীর বিতরণ কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করতে পারি ।

এই পুরো কার্যক্রমে আমাদের সাথে অদৃশ্য ভাবে ছিলেন মারগুব ভাই, কখনো ফোনে কখনো অন্যকোন ভাবে সবার মনবল বাড়িয়ে দিয়েছেন উনি ! 
আলদা করে বলতে চাই রিঙ্কুর কথাও,  ও চুপচাপ কাজ করে গেছে সবার পাশে ! 
কেমন ছিলো- জগপুর ( গোদাগাড়ী )? আমি যখন ভাবতে বসি, অধিকাংশ ঘড় মাটির,  চাষাবাস ছাড়া মনে হয় না আর কোন ইনকাম সোর্স আছে গ্রামে বসবাস কারীদের ! মাটির ওই ঘড়ের শীতের তীব্রতা আমার নিজের কল্পনার
বাইরে, কম্বল আর গরম কাপড় পাবার পর কিছু বৃদ্ধ মানুষের চোখের ভাষা আর মুখের অভিব্যক্তি ছুঁয়ে গেছে আমাদের মন !
হুম ! আপনি সেই মানুষ... জী আপনার জন্যেই আমরা পেরেছি, এই মানুষ গুলোর জন্য রাতের উষ্ণতা তাদের হাতে তুলে দিতে, আমরা সবাই মিলে ছুঁয়ে দিতে চাই আরও এমন মানুষদের যারা একটু উষ্ণতার জন্য রাতের ঘুম,  
দিনের স্বাভাবিক কাজ করতে পারেন না। আশা করি আজ রাত থেকে সেই মানুষগুলোর তৃপ্তির নিঃশ্বাস আপনাকে স্পর্শ করবে, যদি আপনি একটু ভাবেন !
*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র*
ছবি

রোমেল বড়ুয়া: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

শীতার্তদের জন্য আমরা (খুকখুকহাসি)

যে যেভাবেই পারুন সাহায্য করুন। (খুকখুকহাসি) বিস্তারিত- http://beshto.com/contentid/473248

*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমরা আনন্দে বা প্রয়োজনে বা সামাজিকতায় সময়ের প্রয়োজনে কতভাবেই অর্থ খরচ করছি - বন্ধুদের সাথে সময় মেনে রেস্টুরেন্ট এ আড্ডা দেয়া, অতি প্রিয় লোকটি কে নিয়ে দুপুরের লাঞ্চ সারা, পরিবারের লোকদের নিয়ে রাতের ডিনার ভালো কোন একটি হোটেল এ যাওয়া, বা নিদেন পক্ষে সপ্তাহের বন্ধের দিনে বাসায় অন্য দিনের চেয়ে স্পেশাল কিছু রান্না করা। আমি এগুলুকে অর্থের অপচয় বলতে রাজী নই। তবে শীতের এই সময় যার মাথার উপর খড়ের ছাদ ও নেই নিদেনপক্ষে একটু কম্বলের তলায় আশ্রয় নেবে সে উপায় ও নেই তাদের কথা বিবেচনা করে আসুন চেষ্টা করি আমাদের ওই একদিনের আনন্দের অর্থটুকু তাদের পিছনে খরচ করার চেষ্টা করি। কি হবে কিছুই হবে না, হয়তো একদিন রসনা বিলাস হলোনা, বন্ধুদের সাথে আড্ডাটা একদিনের জন্য জমলো না, অন্য অনেক দিনের মতো এক বন্ধের দিনে হয়তো স্পেশাল খাবার খেলাম না এই তো এর বেশি কিছু তো নয়ই। আমি জানি আমাদের বেশিরভাগ ইউজার দের এভাবে বুঝানোর কোন প্রয়োজন নেই, তারা অনেকেই শীতার্তদের এর চেয়ে বেশি করছে। তারপর ও নিজের সীমাবদ্ধতায় দাঁড়িয়ে সবাইকে আরেকবার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি, আসুন চেষ্টা করি শীতার্তদের জন্য আমরা বেশতোবাসী!
*শীতার্ত* *আনন্দ* *স্বর্গ*

শাকিল আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঘরে ডুকতেই চোখ গেল অসুস্থ্য পোয়াতি বউটার দিকে। বহু দিনের পুরোনো সেই ছেঁড়া কাঁথা গায়ে দিয়ে কেমন গুটিশুটি মেরে শুয়ে আছে মাটিতে পাতা মাদুরের বিছানার এক কোণে। দিন দিন যেন আরো কাহিল হয়ে পরছে বউটা। কি করারই বা আছে তার? প্রথম বার পোয়াতী হয়েছে, কোথায় তার একটু যত্ন আত্তি নেয়া দরকার বরং শয্যাশায়ী শশুরের খেদমত আর সংসারের দিনকার খাটাখাটুনিতেই ব্যস্ত থাকতে হয়। মাঝে মাঝে আবার উত্তর পাড়ার সিদ্দিক আলীর বৌ ডাকলে সেখানে গিয়েও হাত লাগিয়ে আসতে হয়, টানাটানির সংসার বলে কথা। কিন্তু এই অসুস্থ্য অবস্থায় রহিমুদ্দির কড়া বারণ থাকায় মাস দুয়েক ধরে সেখানেও যায় না জুলেখা।

ঘরের এক কোণে গোটাকয়েক হাড়ি পাতিল রাখা আছে। তার পাশেই পানির কলসি। বাপ দাদার রেখে যাওয়া এই ভিটেবাড়িতে আর তেমন কিছুই নেই। সেখানে বসেই খেয়ে নিল রহিমুদ্দি। খাওয়া শেষে কুপির বাতিটা নিভিয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিতেই সাড়া দিনের হাড় ভাঙ্গা খাটুনিতে ক্লান্ত চোখ দুটো বুজে আসে।

ভোর হতেই কনকনে শীতের মাঝে পুরনো সেই ছেড়া জামাটা গায়ে চড়িয়েই বেরিয়ে পরে সে। মহাজনের কাছে থেকে কিছু টাকা কর্জ চাইবে ভাবছে, হাতটা একেবারে খালি। ঘরে পোয়াতি বউ, কখন কি হয়ে যায় বলা যায় না। যদিও গত মাসে বাপের অসুখের সময় মহাজনের কাছ থেকে কিছু টাকা কর্জ নিয়েছিল, সেটাও এখনো পুরো শোধ দেয় নি। তাই কাজ করে মহাজনকে খুশি করতে চাইছে সে। 

বেলা শেষে হাটের দিকে পা বাড়াল রহিমুদ্দি, সকালে বের হবার সময় জুলেখা বারবার বলে দিয়েছে ঘরে বাজার সদায় কিছু নাই। হাটে ঢুকতেই জটলা চোখে পড়ল তার। উত্তর পাড়ার সিদ্দিক নাকি দেশে ফিরেছে। কাল ছেলের জন্মদিনে গ্রামের মান্যগণ্য সকলকে নেমন্তন্ন করেছে। এজন্যে গঞ্জ থেকে বেশ বড়সড় একটা গরুও কিনেছে আজ। এ নিয়েই হাটের সবাই বলাবলি করছে।

হাট থেকে বের হতে হতে অন্ধকার নেমে এলো। শীতটা যেন একেবারে জেঁকে বসছে তাকে, কোন গরম কাপড়ও নেই যে গায়ে দেবে। উত্তর পাড়ার কাছাকাছি আসতেই চোখে পড়ল সিদ্দিক আলীর বাড়ির উঠোনে বাতি জ্বলছে। গঞ্জ থেকে কেনা গরুটা উঠোনেই বাঁধা আছে। শীত থেকে বাঁচাতে চটের নতুন ছালা দেয়া হয়েছে পিঠে। একবার মনে করল যাবে ওদিকটায়, বলে কয়ে যদি কিছু পুরনো কাপড়ের ব্যবস্থা করা যায়। পরক্ষনেই ভাবতে থাকে, হাটে যাবার কারনে আজ এমনিতেই বেশ দেরী করে ফেলেছে সে। তাই তাড়াতাড়ি বাড়ির দিকেই পা বাড়াল সে।

ঘরের কাছে আসতেই গোঙানির আওয়াজ কানে এলো। দৌরে ঘরে ঢুকল সে। প্রশব ব্যথ্যায় রিতিমত কাতরাচ্ছে বউটা। ছুটে বেড়িয়ে গেল পাশের বাড়ির চাচীকে ডেকে আনতে। 

রাত তখন বেশ গভীর হয়ে গেছে, দুয়ারের বাইরে মাদুর পেতে বাপকে শুইয়ে তার পাশে বসেই অপেক্ষা করছে রহিমুদ্দি। এমনিতেই অসুস্থ্য শরীর উপরন্তু শীতে আর ঠান্ডা বাতাসের প্রকোপে একেবারে জমেই যাচ্ছে রহিমুদ্দির বাপ। হঠাত নবজাতকের কান্নার ধ্বনি কানে আসে। ঝাঁপ ঠেলে বেরিয়ে আসে চাচী। রহিমুদ্দি মেয়ের বাপ হয়েছে। ঘরে ঢুকেই দেখতে পেল মেয়ের ছোট্ট দেহটিকে কোনোমতে ছেড়া কাপড়ের টুকরো দিয়ে ঢেকে, নিজের বুকের কাছে নিয়ে শরীরের উত্তাপ দেবার চেষ্টা করে যাচ্ছে জুলেখা। 

সদ্য বাপ হওয়া রহিমুদ্দির চিন্তায় সারারাত আর ঘুম আসে না। তাকে যে কিছু একটা ব্যবস্থা করতেই হবে।  (বাকিটুকু শেষ অংশে...  http://beshto.com/contentid/473246
 )
*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *আমারব্লগ*

শাকিল আহমেদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাইরে আলো হয়ে আসলেই বেরিয়ে পরে সে। তাকে যে মহাজনের মন গলাতেই হবে। দিন শেষে বেশ আশা নিয়ে মহাজনের কাছে যায় রহিমুদ্দি। কিন্তু আগের ধার করা টাকা এখনো পুরো শোধ না হওয়ায়, মহাজন নতুন করে কর্জ দিবে না বলে ঠায় জানিয়ে দেয়। রহিমুদ্দির কোনো আকুতি মিনতিতেই কর্ণপাত করে না। আর কোনো উপায়ান্ত না পেয়ে পাগলের মত ছুটে চলে সে। 

বেশ হইহুল্লড় হচ্ছে সিদ্দিক আলীর বাড়িতে। সব মান্যগণ্য লোক আসছে একে একে, সে এক এলাহি কান্ড! রহিমুদ্দি হতদরিদ্র দিন মুজুর, ছোটলোক; তাই সামনে এগোতে সাহসে কুলোয় না তার। উঠোনের কোণে দাঁড়িয়েই সিদ্দিক আলীর বউকে খুঁজতে থাকে। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো আশার আলো না দেখে কাছে এগোতেই সিদ্দিক আলীর সাথে দেখা হয়। বিস্তারিত বলতেই সিদ্দিক আলী জানালো, তার বউ বাচ্চাকে নিয়ে অতিথিদের আপ্যায়নে ঘরে ব্যস্ত। এখন দেখা হবে না, পরে একসময় আসতে।

আশাহত হয়ে মাথা নিচু করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে থাকে রহিমুদ্দি। উঠোনের শেষ প্রান্তে আসতেই ফেলে দেয়া চটের ছালাটা চোখে পরে তার। কাছে গিয়ে তুলে নেয় সেটা। বেশ স্যাতস্যাতে হয়ে আছে, গরুর গায়ে থাকার কারনে উৎকট দুর্গন্ধও আসছে। কিন্তু নিরুপায় পিতার আর যে কোন গতি নেই। 

জুলেখা ছালাটা মাদুরের উপরে বিছিয়ে আবার শুইয়ে দিল মেয়েকে। সাঁঝের পর থেকেই কেমন যেন শব্দ করে ঘন ঘন শ্বাস নিচ্ছে, বুকের দুধও খাচ্ছে না। রহিমুদ্দি কিছু খাবে না বলে, চুপচাপ শুয়ে পড়ল মাদুরের এক পাশে। কিন্তু মেয়ের দুশ্চিন্তায় জুলেখার চোখে ঘুম নেই। শেষ রাতে মেয়েটাকে আরেকবার খাওয়ানোর বৃথা চেষ্টা করে, বুকের কাছে নিয়েই শুয়ে আছে সে।

ফজরের আযান পরতেই জুলেখার ঘুম ভেঙ্গে গেল। কখন যে চোখ দুটো লেগে এসেছে টেরই পায়নি সে। মেয়ের দিকে চোখ পরতেই জুলেখার বুকটা ধুক করে উঠল। কেমন যেন চুপচাপ নিস্তেজ হয়ে শুয়ে আছে, কোন সাড়াশব্দ পাচ্ছে না। জুলেখা দ্বিকবেদ্বিক শুন্য হয়ে স্বামীকে ডেকে তুলে। ঠান্ডায় নিথর হয়ে যাওয়া শরীরটাতে হাত দিতেই কিছু বুঝার আর বাকি রইল না রহিমুদ্দির। 

জুলেখা মেয়েকে বুকে জড়িয়ে চিৎকার করে কেদেঁ উঠল। মাথায় দু-হাত দিয়ে বসে অস্ফুস্ট স্বরে প্রলাপ বকে চলেছে আর দুচোখ বেয়ে অবিরত জল গড়িয়ে পরছে আমার গল্পের নায়ক রহিমুদ্দির; না না ওকে নায়ক বলা চলে না, সে যে খুনি...!

নবজাতকের এই নিদারুণ কষ্ট হয়ত উপরওয়ালার সহ্য হয়নি, তাই নিজের কাছেই নিয়ে গেছে... আমরা সৃষ্টির সেরা জীব বলেই হয়তো আমাদের সহ্য হয়... সয়ে যায়। নতুবা একই ভুখন্ডে দুই মেরুতে বিভক্ত কেন আমরা?? 



এমন হাজারো নাম না জানা ভাগ্যাহত রহিমুদ্দি আর জুলেখার পরিবার আমাদের সমাজে অভাব হবে না। আর মাত্র দুটি দিন বাকি, চলুন এগিয়ে আসি এসব হতদরিদ্র শীতার্তদের পাশে। যে যার জায়গা থেকে সাধ্যমত চেষ্টা করি। 

Name of the Account: MD. YASEEN KHAN
Account No: 105-101-70249
Dutch-Bangla Bank Ltd
Foreign Exchange Branch
Motijheel, Dhaka

Bkash No: 01820582636

যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগঃ ০১৮২০৫৮২৬৩৬ । 

*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *আমারব্লগ*

শাকিল আহমেদ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে
"এই উদ্যোগে আপনাকেই আমাদের পাশে চাই... সেটা যত সামান্যই হোক না কেন। "

জ্বী আপনাকেই বলছি...

ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন আমরা বেশতো পরিবারের সদস্যরা সবাই মিলে এবার শীতে দুস্থ মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরনের উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের এই উদ্যোগে আপনাকে আমাদের পাশে চাই। আমাদের একটু সদিচ্ছা পারে অনেক গুলো মুখে হাসি ফোটাতে, দিতে পারে উষ্ণতার ছোঁয়া।
আমাদেরকে আপনি নিজে গরম কাপড় কিনে দিতে পারেন অথবা আমাদের সাথে গিয়েও কিনতে পারেন। কেউ যদি আর্থিক সাহায্য করতে চান তাহলে নিচের ব্যাংক এ্যাকাউন্টে অথবা বিকাশ নম্বরে আপনার সাহায্য পাঠাতে পারবেন। টাকা পাঠানোর সময় নিচের নম্বরে আপনার নাম ও টাকার পরিমাণ SMS করে দিয়েন। আপনি চাইলে আমাদের সাথে দেখা করেও হাতে হাতে আপনার সাহায্য দিতে পারবেন। এছাড়া যে কোন প্রয়োজনে নিচের ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলেই হবে।
আপনি যদি বাসার ব্যাবহৃত পুরাতন গরম কাপড় দিতে চান তাহলে প্লীজ অবশ্য খেয়াল রাখবেন সেটা যেন ছেড়া না হয়। আমরা মুলত ছোট বাচ্চা আর বয়স্কদের জন্যই কাপড় নেয়ার কথা ভাবছি।
আর হ্যা বিদেশ থেকে কেউ যদি পেপ্যাল এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে চান তাহলে তাকে অনুরোধ করবো মন্তব্যের ঘরে আমাকে ট্যাগ করে সেটা জানানোর জন্য।

আমরা ২৫শে নভেম্বরের মধ্যে সংগ্রহ বন্ধ করে বিতরণের কাজে যাব - এর পর শুরু হবে বিতরণের কাজ। 

বি.দ্র : আমাদের কাজের প্রতিদিনের আপডেট প্রতিদিন বেশতোতেই দেয়া হবে। তাহলে আর দেরি না করে শুরু করেদিন।

ব্যাংক বিবরণ:
Name of the Account: MD. YASEEN KHAN
Account No: 105-101-70249
Dutch-Bangla Bank Ltd
Foreign Exchange Branch
Motijheel, Dhaka

Bkash No: 01820582636

যে কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগঃ 01820582636
*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র*

আব্দুস সালাম: [পিরিতি-তোমারজন্য] *শীতার্তদের-জন্য* যারা এই পর্যন্ত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের সকলের প্রতি রইলো অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও ভালবাসা l আজকে পর্যন্ত আমাদের সর্বমোট সংগ্রহ দাড়িয়েছে ২৯,২০০/= টাকা l আরো অনেক অনেক সাহায্যের প্রয়োজন l যারা সাহায্য পাঠাতে বা *শীতার্ত* দের পাশা দাড়াতে ইচ্ছুক তারা ছবির বিকাশ নাম্বার বা ব্যাংক একাউন্ট নাম্বারে টাকা পাঠাতে (নিচেদেখ)

*শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতার্তদের-জন্য* *শীতবস্ত্র*
ছবি

রোমেল বড়ুয়া: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

শ্রীলা উমা: ফটো পোস্ট করেছে

সময়ের দাবী, অসহায় মানুষের আর্তনাদ আজ সকল সচ্ছল মানুষের প্রতি...

আসুন, সংঘবদ্ধভাবে শীতার্তদের পাশে দাঁড়াই... ""একটি শীতবস্ত্র হোক,একজন অসহায় শীতার্ত মানুষের অস্ত্র"" - See more at: http://www.istishon.com/node/5599#sthash.tybiOMS8.i7kqwsre.dpuf

*শীত* *শীতার্ত* *সহায়তা* *সহযোগিতা* *মানুষেরজন্য* *প্রচেষ্টা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★