শীতে ত্বকের যত্ন

শীতেত্বকেরযত্ন নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শীতে ত্বকের জন্য কোন ধরনের ফেসিয়াল করা যেতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*শীতেত্বকেরযত্ন* *ফেসিয়াল*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শীতে শিশুদের ত্বক হয়ে পড়ে শুষ্ক, এক্ষেত্রে তাদের জন্য কোন ধরণের বডি অয়েল বেস্ট?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*শীতেত্বকেরযত্ন* *ত্বকেরযত্ন* *বডিঅয়েল* *তেল* *শুষ্কত্বক*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতে ঠোঁট ফাটা খুব স্বাভাবিক বিষয়। ঠোঁট ফাটার কারণ হচ্ছে ঠোঁট ও শরীরে আর্দ্রতার অভাব। শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে বলে ঠোঁট আর্দ্রতা হারায় খুব তাড়াতাড়ি। তাই, শীতকালে  খুবই আদর-যত্নে রাখতে হয় ঠোঁট। ঠোঁট ফাটা দেখতে যেমন খারাপ লাগে তেমনি ঠোঁট ফেটে যাওয়ার যন্ত্রণাও কম নয়। আগেভাগে একটু সচেতন হলে সহজেই ঠেকাতে পারবেন শীতে এই ঠোঁট ফাটার সমস্যাকে।

শীতের কবল থেকে ঠোঁট সুরক্ষায় জন্য যা যা করণীয় :

• শীতকালেও গরম কালের মতোই প্রচুর পানি পান করুন। শীতকালে পানি যেমন কম খাওয়া হয়, মুখও কম ধোয়া হয়। তাই হয়তো কথা বলার সময় অনুভব করেন, আপনার ঠোঁট শুকিয়ে যাচ্ছে। যখনই এমন অনুভব করবেন, তখনই ঠোঁটে ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন।

• হাত-মুখ ধোয়ার সময় বা দাঁত মাজার সময় কোনোভাবেই যাতে ঠোঁটে জোরে জোরে ঘষা-মাজা না লাগে তা খেয়াল রাখা দরকার। এ সময় নরম ঠোঁটে আঁচড় পড়লে তা ভোগাতে পারে।


• শুষ্ক ঠান্ডা থেকে দূরে থাকুন। প্রয়োজন না হলে ঘরের বাইরে বেরোবেন না, বিশেষ করে যখন ঠান্ডা বাতাস থাকে অথবা খুব তীব্র শীত পড়ে, তখন ঘরেই থাকতে চেষ্টা করুন।


• বাইরে গেলে ঠোঁটে পেট্রোলিয়াম জেলী বা লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন; যাতে এটি আপনার ঠোঁটকে শীতের হাওয়া থেকে আড়াল করে রাখে।  সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ঠোঁটকে বাঁচাতে লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন। এসপিএফ ১৫ বা তার বেশি—এমন লিপবাম ব্যবহার করুন। বাইরে বেরোলে সঙ্গে লিপবাম বা লিপবাটার রাখতে পারেন। শীতে বাইরে গেলে ঠোঁট বেশি ফাটে এবং ঠোঁটে ধুলাও লেগে যায়। তাই তখন মাঝেমধ্যে ঠোঁট একটু ধুয়ে নিয়ে লিপবাম বা লিপবাটার লাগিয়ে নিন। ঠোঁট ধোয়ার সুযোগ না পেলে প্রথমে একটু লিপবাম লাগিয়ে সেটি মুছে ফেলুন। এতে আপনার ঠোঁট পরিষ্কার হবে। তারপর আবার লিপবাম লাগান।


• কখনোই জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভেজাবেন না, এভাবে ঠোঁট ভেজালে আপনার ঠোঁট আরও বেশি ফাটবে।


• ফাটা ঠোঁটের আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেওয়া কঠিন। চেষ্টা করুন ফাটা ঠোঁটকে যতটা সম্ভব আর্দ্র রাখতে। ঠোঁট ফাটা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত শুষ্ক বাতাস থেকে ঠোঁটকে সুরক্ষিত রাখুন অবশ্যই। ফাটা ঠোঁটে কখনো কখনো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হতে পারে, তাই ঠোঁট ফাটার ব্যাপারে হতে হবে সচেতন।

• লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে ময়েশ্চারাইজারযুক্ত লিপস্টিক বেছে নিন। যদি ম্যাট লিপস্টিক লাগাতেই চান, সে ক্ষেত্রে সম্ভব হলে প্রথমে তুলা বা টিস্যুর সাহায্যে সামান্য একটু লিপবাম ঠোঁটে লাগিয়ে নিন এবং তারপর লিপস্টিক লাগান। শীতে গ্লসওয়ালা লিপস্টিকই ঠোঁট সজীব রাখবে এবং এতে আপনার সাজও প্রাণবন্ত লাগবে।


• শীতে অনেকের ঠোঁট কালো হয়ে যায় এবং খুব বেশি ফেটে যায়। তারা ঘরোয়া পদ্ধতিতেই নিতে পারেন বাড়তি যত্ন। গোলাপের পাপড়ির সঙ্গে মধু বা মাখন মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন সারা রাত। বিট-রুটের রসের সঙ্গেও গোলাপের পাপড়ি ও মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে রাখতে পারেন সারা রাত।

• প্রতিদিন রাতে একটুখানি দুধ-মালাই দিয়ে ঠোঁট দুটো আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। সামান্য কিছুক্ষণ এমন ম্যাসাজে ঠোঁটে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং দুধ-মালাই থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পাবে আপনার ঠোঁট। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখবেন আপনার ঠোঁট শীতের ঠান্ডা মোকাবিলায় প্রস্তুত।

এই পন্থাগুলো মেনে চলুন আর শীতের হাত থেকে ঠোঁটকে রাখুন সুরক্ষিত। নইলে শীতে ফেটেছে ঠোঁট, হৃদয়ে লেগেছে চোট, সেই ফাটা ঠোঁট দেখে মনে লাগে চোট ! এমন অবস্থায় পড়তে পারেন।

বাজারে নানা ব্র্যান্ডের পেট্রোলিয়াম জেলী ও লিপবাম কিনতে পাওয়া যায়, সবসময় চেষ্টা করুন ভালোমানের প্রসাধনী কিনতে। আজকের ডিলের উইন্টার কসমেটিক্স কালেকশন থেকে বেছে নিতে পারেন আপনার শীতের প্রসাধনীগুলো।

*শীতকাল* *ত্বকেরযত্ন* *শীতেত্বকেরযত্ন* *ঠোঁটেরযত্ন* *সৌন্দর্য্যচর্চা* *বিউটিটিপস*

Mostafa Kamal: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আমি শীতে ত্বকে কোন ক্রীম ব্যবহার করব।

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*শীতেত্বকেরযত্ন* *শীতেরপ্রসাধনী* *ক্রিম* *লোশন* *ছেলেদেরত্বকেরযত্ন*

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শীতের সময় অনেকের ত্বক স্বাভাবিকের তুলনায় কাল হয়ে যায় এর কারণ কি? এ থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় জানতে চাই্।

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*ত্বকেরযত্ন* *শীতেত্বকেরযত্ন* *কালচেত্বক* *ত্বকেযত্ন* *বিউটিটিপস* *সৌন্দর্য্যচর্চা*

সত্যজিৎ রায়ের নায়িকা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শীতে ঠোঁট ফাটা থেকে মুক্তির সহজ কি কি উপায় আছে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*শীতেত্বকেরযত্ন* *ঠোঁটফাটা* *ঠোঁটেরযত্ন* *সৌন্দর্য্যচর্চা* *বিউটিটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতে ত্বক শুষ্ক টান টান হয়ে ওঠে। এ অবস্থায় ত্বকের নমনীয়তায় প্রয়োজন বিশেষ ফেসিয়াল। ফেসিয়াল ত্বকের ভেতর থেকে ময়লা বের করে উজ্জ্বলতা আনে। তবে এই ফেসিয়াল করার আগে অবশ্যই ত্বকের ধরন বুঝে করতে হবে। এই সময়ে ত্বকে উজ্জ্বলতার জন্য বেছে নিতে পারেন এই ফেসিয়ালগুলো।

গ্লো শাইন
প্রথমে টোনার দিয়ে মুখটা পরিষ্কার করে নিন। ত্বকের ধরন বুঝে নির্বাচন করতে হবে ম্যাসাজ ক্রিম। তৈলাক্ত ত্বক হলে কিউকামবার ক্রিম, শুষ্ক ত্বক হলে গাজরের ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করুন ১০-১৫ মিনিট। এরপর ক্রিমটা ভালো করে মুছে স্ক্রাব লাগানোর প্রয়োজন হলে হালকা স্টিমও দিতে পারেন। পাঁচ মিনিট ম্যাসাজ করার পর ভালো করে মুখটা মুছে নিয়ে গ্লো শাইন লোশন লাগান। এরপর গ্লো শাইন প্যাক লাগিয়ে ভালো করে শুকিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে মুখটা মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগান। এই ফেসিয়াল নিয়মিত করলে ত্বকে উজ্বলতা থাকবে।ত্বকে রোদে পোড়া দাগ হলে পাকা টমেটোর রস লাগান। পাকা টমেটো প্রাকৃতিক ব্লিচের কাজ করে। 

হারবাল ফেসিয়াল 
ফেসিয়াল করার শুরুতে মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে নিতে হবে। এবার একটা ভেজা নরম তোয়ালে রুমাল দিয়ে মুখটা মুছে ফেলুন। এরপর যে কোনও হারবাল ক্লিনজিং মিল্ক পানির সঙ্গে মিশিয়ে মুখে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। ম্যাসাজ করার সময় উভয় হাতের চার আঙুলের সাহায্যে নিচ থেকে উপরের দিকে ঘষতে হবে। কপাল, থুতনি ও ঠোঁটের উপরে করতে হয় দুই আঙুলের সাহায্যে। এরপর ভেজা তোয়ালে দিয়ে মুখটা মুছে নিন। এবার স্ক্রাব দিয়ে ত্বকের ওপর জমে থাকা মরা কোষ ও ময়লা পরিষ্কার করে নিন। মুখটা ভালো করে মুছে অ্যালোভেরা প্যাক লাগান। এক টুকরো তুলোয় টোনার নিয়ে মুখে ও ঘাড়ে লাগান। বাজারে কেনা টোনার না থাকলে শসার রস বা আলুর রস টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।এতে ত্বকের মরা কোষ ঝরে যাবে এবং ত্বক মসৃণ ও নরম হবে। 

ফ্রুটস ফেসিয়াল 
এই ফেসিয়ালে সব ফল ব্যবহার করা হয়। আপেল, কলা, পেঁপে, গাজর, শসা ও কমলার জুস বেস্নন্ড করে একটু জুস আলাদা করে রাখুন। এর সঙ্গে মুলতানি মাটি মিশিয়ে মুখে লাগান। এরপর মুখ পরিস্কার করে ওই জুস দিয়ে স্ক্রাব করে ব্ল্যাকহেডস তুলে ফেলেই  আবার ওই জুস ম্যাসাজ করুন। এরপর প্যাক দিয়ে ২০ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে নিন।

 ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্যাক :

  • শুষ্ক ত্বকের জন্য আধা কাপ কলা ও মধু মিশিয়ে ব্যবহার করুন, এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
  • মিশ্র ত্বক গোলাপ ফুলের পাপড়ির পেস্ট, গোলাপজল, টক দই ও মধু দিয়ে একটি প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন। প্যাক শুকিয়ে গেলে মুখ ভালোভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
  • তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ব্যবহার করতে পারেন চন্দনের প্যাক। তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে আধা চামচ লেবুর রস, পাকা পেঁপে এবং ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে মাস্ক তৈরি করে ব্যবহার করুন।

সতর্কতা
• ফেসিয়াল আবহাওয়া বুঝে করা উচিত।
• নিজের ত্বকের ধরন বুঝে ফেসিয়াল না করলে মুখে অনেক সময় সমস্যা হতে পারে।
• স্টিম নিলে ত্বকের পোরগুলো খুলে যায়। তাই স্টিম শেষে বরফ দিলে পোরগুলো বন্ধ হয়ে যাবে।

সব শেষে মুখে লাগান ময়েশ্চারাইজার। মুখটা একটু ভেজা থাকতেই দু’হাতে ময়েশ্চারাইজার লোশন নিয়ে আলতো হাতে লাগান। মুখের যেসব জায়গা বেশি শুষ্ক সে জায়গাগুলোতে দু’বার করে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। এতে দীর্ঘ সময় ত্বক আর্দ্র থাকবে। প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার বেশি হওয়াই ঘরোয়া ফেসিয়াল ঘন ঘন করালেও সমস্যা নেই। তবে সপ্তাহে একবারের বেশি ফেসিয়াল করা ঠিক নয়।

 

 

 

*ফেসিয়াল* *ঘরোয়াফেসিয়াল* *শীতেত্বকেরযত্ন* *সৌন্দর্য্যচর্চা* *বিউটিটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত কিন্তু আসি আসি করছে, গুটি গুটি পায়ে শীতের আমেজ চলে এসেছে। রাত বাড়ার সাথে সাথে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা হিমেল হাওয়া শীতের আগমনী বার্তার জানান দিচ্ছে। ঋতুর পালাবদলে শীতের আগমনটা চোখে বা অনুভবে আঁচ করতে পারুন আর না-ই পারুন, আপনার টানটান ত্বক নিশ্চয়ই তা এতদিনে অনুভব করতে পেরেছে! শীতকালে আমাদের ত্বক সহজেই শুষ্ক হয়ে যায়। এর কারণ হলো শীতে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকে বিধায় ত্বকের এপিডার্মাল লেয়ার থেকে আর্দ্র ভাব কমে যায়। শীত শুরুর এ সময়টায় বাতাস থাকে শুষ্ক। হয়তো কারও কারও এখনই শুরু হয়েছে ত্বক ফাটা, মৃত কোষ জমে ত্বকের রংও মলিন হতে শুরু করেছে। অনেকেই শীতের প্রসাধনী যেমন পেট্রোলিয়াম জেলি, কোল্ড ক্রিম, পমেড ব্যবহার শুরু করেছেন। তবে সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই যাঁদের নানা কাজে সকালে বের হতে হয়, তাঁদের হালকা মেকআপ নিতেই হয়। এ জন্য ত্বক সুন্দর রাখা জরুরি, প্রয়োজন নিয়মিত যত্ন।

প্রকৃতির এ রুক্ষতায় ত্বক আর চুল নিয়ে কাবু হওয়ার কিছু নেই। আবহাওয়া-উপযোগী প্রসাধনী নির্বাচন আর একটু বাড়তি পরিচর্যাই হতে পারে এর সহজ সমাধান।  চলুন জেনে নেবেন এমন কিছু প্রসাধনী সমন্ধে : 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম ও লোশন  : এ সময়টায় ময়েশ্চারাইজারের ব্যবহার শুরু করবেন নিয়মিত, আর তা যেন ঘন ময়েশ্চারাইজিং লোশন বা ক্রিম হয়। শীতে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে তেলযুক্ত ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। সাধারণত আমরা বছরের অন্যান্য সময়ে পানিযুক্ত যে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করি, তা শীতে কাজ দেয় না। যাদের ত্বক বেশি শুষ্ক তারা পেট্রোলিয়াম জেলিও ব্যবহার করতে পারেন। যারা মুখমণ্ডলে ক্রিম ব্যবহার করেন, তাদের ক্রিম নির্বাচনের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।

যাদের ঘরের বাইরে বেরোতে হয়, তারা অবশ্যই সানস্কিন ব্যবহার করুন। আপনি কত সময় ঘরের বাইরে অবস্থান করবেন তার ওপর নির্ভর করে আপনার সানস্কিন বেছে নিন। হাতে-পায়েও খুব ভালোমতো ময়েশ্চারাইজিং লোশন মেখে ঘুমাবেন। সকালে উঠে ত্বকের উপযোগী ফেসওয়াশ বা কোমল ময়েশ্চারযুক্ত সাবান দিয়ে মুখ পরিষ্কার করবেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

লিপবাম ও পেট্রোলিয়াম জেলি : ঠোঁটের হাসিতে সজীবতা ধরে রাখতে ব্যবহার করুন লিপবাম। বাইরে বের হওয়ার আগে এসপিএফ-১৫ সমৃদ্ধ লিপবাম বেছে নিন। রাতে ঘুমানোর আগে শরীরে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন, যাদের পা ফাঁটার সমস্যা আছে তারা পায়ের গোড়ালি ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন। শীতে ঠোঁট ফাটা  এড়াতে ফাঁটা স্থানে কমলার রস মেখে কিছুক্ষণ রাখতে পারেন। অথবা গোলাপের পাপড়ির সঙ্গে দুধের সর মিশিয়ে ঠোঁটে মাখাতে পারেন। দাগ তো কমবেই, ঠোঁট নরমও থাকবে। ঠোঁট নরম রাখতে কোকো বাটারযুক্ত লিপবাম ব্যবহার করতে পারেন।

শ্যাম্পু :  শীতে চুলও বিবর্ণ হয়ে পড়ে। অনেকেই খুশকির সমস্যায়ও ভুগে থাকেন। তারা অবশ্যই অ্যান্টি ড্যানড্রাফ (খুশকি প্রতিরোধক) শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। 

ঘরোয়া যত্ন : এ সময় নিয়মিত বা এক দিন অন্তর স্ক্রাব করা ভালো। অনেকের ধারণা, নিয়মিত ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুলে বা স্ক্রাব করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। কিন্তু ত্বক পরিষ্কার করতে ও মৃত কোষ সরিয়ে ত্বক উজ্জ্বল করে তুলতে এর বিকল্পও নেই। মাঝে মাঝে স্ক্রাবিংয়ের পর দুধের সর ও মধু মেখে একটু পর ধুয়ে ফেলবেন। অথবা গাজরের রস মুখে মেখে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলবেন। ত্বকের পরিবর্তন নিজেই টের পাবেন। এভাবে ত্বক ঠিকমতো ধোয়াও হবে, কালো ছোপও কমবে। 

প্রসাধন যেমন আপনাকে সজীব, সতেজ করে সাজিয়ে তুলতে পারে, তেমনি ভুল প্রসাধন নির্বাচন এবং এর অতিরিক্ত প্রয়োগ আপনার স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে কেড়েও নিতে পারে। তাই প্রসাধন কেনার সময় অবশ্যই ভালোমানের পণ্য বেছে নিন এবং ব্যবহারের আগে এর ব্যবহার-নির্দেশিকা ও ব্যবহারের সময়সীমা দেখে নিন। প্রসাধন সরাসরি মুখমণ্ডলে ব্যবহার না করে প্রথমে হাতের অল্প একটু অংশে ব্যবহার করে দেখুন, সেটি আপনার ত্বকে সহায়ক কি না। এরপর তা ত্বকে ব্যবহার করুন। নকল প্রসাধনী থেকে সাবধান, প্রসাধনী কেনার জন্য আপনি বেঁচে নিতে পারেন সুপারশপ, বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক তবে গুলশান ডিসিসি মার্কেট আমার মতে সবথেকে সেরা প্রসাধনীর জন্য। আর অনলাইন থেকে কিনতে আজকের ডিলের উপর ভরসা করতে পারেন। আজকের ডিল থেকে কিনতে  উইন্টার কসমেটিক্স এ ক্লিক করুন।

শীতকালে ত্বকের যত্নে কিন্তু আপনাকে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারেও মনোযোগী হতে হবে। শীতের শাকসবজি ও ফল সুন্দর স্বাস্থ্যজ্জ্বল ত্বকের জন্য প্রয়োজন। আর হ্যাঁ, প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে আধা গ্লাস ঈষদুষ্ণ পানিতে এক চামচ মধু ও এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেয়ে নেবেন। এই শীতেও সবার ত্বক হবে লাবণ্যময়, স্বাস্থ্যজ্জ্বল।

*শীতেত্বকেরযত্ন* *শীতেরপ্রসাধনী* *কসমেটিক্স*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ঘরোয়া প্রাকৃতিক উপায়ে শুস্ক ত্বকের যত্ন কিভাবে নেয়া যেতে পারে?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*শুষ্কত্বক* *ত্বকেরযত্ন* *শীতেত্বকেরযত্ন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নারীর সৌন্দর্য্যে অন্যতম হল ঠোঁট। আর এই ঠোঁটকে রাঙাতে লিপিস্টিকের জুড়ি নেই। কিন্তু শীতের রুক্ষতায় ঠোঁট ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। এই সময় কি লিপস্টিক ব্যবহার করা যাবে? অবশ্যই শীতেও লিপিস্টিকস ব্যবহার করা যাবে। চুলন শীতে ব্যবহার উপযোগী ৪টি লিপিস্টিক সম্পর্কে জেনে নেই। যে গুলো ঠোঁটে কয়েকবার লাগালেই এর সফট,বাটারি টেক্সচার অনুভব করতে পারবেন। ক্রিমের ন্যায় এই লিপস্টিক গুলো শীতের সময় ব্যবহারে ঠোঁটের রুক্ষতা কমানোর সাথে সাথে ঠোঁটকে কোমল করে তুলবে।

ELF ময়শ্চারাইজিং লিপস্টিক
এটি ময়শ্চারাইজিং লিপস্টিক। শীতের সময় যাদের ঠোঁট ফেঁটে যায় তারা অনায়াসে এই লিপিস্টিক ব্যবহার কেরতে পারেন। এটি শীতের হাত থেকে আপনার ঠোঁটকে রক্ষা করবে।  বাজারের অন্যান্য লিপিস্টিকের চেয়ে এটি হাই-কোয়ালিটির। এই ধরনের লিপিস্টিকের রয়েছে ক্রিমি ফরমুলা যা আপনার ঠোঁটকে রাখবে সবসময় সজীব। এছাড়াও এতে রয়েছে ভিটামিন A, C, ও  E এর সংমিশ্রন। এই ধরনের তিন পিস লিপিস্টিকের দাম  ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা।

MAYBELLINE সেনসেশনাল লিপস্টিক
লিপিস্টিক দিয়ে মহময়ী রুপে সাজতে যাদের ভাল লাগে তারা বেছে নিতে পারেন মেবিলাইন সেনসেশনাল লিপিস্টিক। এই লিপস্টিকটি গ্লসি ধাঁচের। ঠোটের আবেদন বাড়িয়ে দেয় বলে এই লিপস্টিকের চাহিদা প্রচুর। শীতে যারা ঠোঁট সাজাতে ভয় করেন তাদের জন্য এই লিপিস্টিকটি অন্যতম প্রসাধনী হতে পারে। এই ধরনের তিন পিস লিপিস্টিকের দাম একটু বেশি। ভালমানেরটা কিনতে গেলে আপনাকে  ৮০০ থেকে ১৫০০  টাকা পর্যন্ত গুনতে হতে পারে। 


3 MUA MATTE লিপস্টিকস
মুউয়া ম্যাট লিপিস্টিকস বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। এই লিপিস্টিক গুলোর বেশ কয়েকটি কালার কম্বিনেশন রয়েছ। এই লিপস্টিকটি লাগানোর সময় বেশ ক্রিমি মনে হলেও কিছুক্ষণ পরে একদম ম্যাট হয়ে যায়। ঠোটে ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত স্থায়ী হয় এটি। শীতের এই সময়টাতে যারা ঠোঁট ফাটা নিয়ে চিন্তা করেন তারা নির্দ্বিধায় এই প্যাক বেছে নিতে পারেন। এটি আপনার ঠোটের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির পাশাপাশি শীতের শুষ্কতাও কিছুটা কমাবে। 

REVLON BURST লিপ গ্লস
যারা লিপিস্টিকের বদলে একই ধাচের লিপ গ্লাস ব্যবহার করেন তাদের জন্য REVLON BURST লিপ গ্লসটি খুব কার্যকরী হবে। এটি আপনাকে আকর্ষণীয় লুক দেবার পাশাপাশি ঠোঁটকে রাখবে কোমল ও মসৃন। এই লিপ গ্লাসটি ঠোঁটে লিপস্টিকের মতো ভারী আবরণের বদলে হালকা লালচে শেড দিবে। যারা বেশি গাঢ় লাল পছন্দ করেন না তারা এখনি এই লিপ গ্লাসটি কিনে নিতে পারেন।
*লিপিস্টিক* *ঠোটেরযত্ন* *সৌন্দর্য্যচর্চা* *শীতেত্বকেরযত্ন* *শপিং* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের প্রসাধনী কিনতে ক্লিক করুনপ্রকৃতিতে শীতের আমেজ বেশ ভাল ভাবেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শীতের এই সময়টাতে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় ত্বকের এপিডার্মাল লেয়ার থেকে আর্দ্র ভাব কমে যায়। যার ফলে শীতকালে আমাদের ত্বক সহজেই শুষ্ক হয়ে যায়। শীতে শুষ্ক ত্বক আর্দ্রতা হারানোর ফলে হাত-পা ও ঠোট সহ শরীরের বিভিন্ন অংশে ফাটা ভাব লক্ষ্য করা যায়।  তাই এ সময় ত্বকের চাই বাড়তি যত্ন। শীতে আপনার ত্বকের শুষ্কতা থেকে রক্ষার জন্য নিচের প্রশাধনীগুলো ব্যবহার করুন। এগুলো আপনার শুষ্ক ত্বককে কোমল করে তুলবে।
 
 
ময়শ্চারাইজিং ক্রিম
এই শীতে আপনার শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বককে কোমল ও মসৃন করতে ময়শ্চারাইজিং ক্রিম  ব্যবহার করতে পারেন।  ময়শ্চারাইজিং ক্রিমচামড়া স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ময়শ্চারাইজার শুধু আপনার ত্বককে কোমলই করে না বরং লাবণ্যময় ও উজ্জ্বল করে।
 
 
ভ্যাসলিন লিপ থেরাপী
ভ্যাসলিন ঠোঁটের জন্য খুব ভালো এক্সফলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। নরম ও সুন্দর ঠোঁট পেতে ঠোঁটে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন। এটি কোকোয়া বাটার ও ভিটামিন ই সমৃদ্ধ পেট্রোলিয়াম জেলী যা ঠোটের কোমলতা রক্ষায় খুবই কার্যকর।
 
 
বডি লোশন
বডি লোশন শরীরের উপরি ভাগে পাতলা আবরণ তৈরি করে যাতে শরীরের ভেতরের পানি তাড়াতাড়ি শুকিয়ে না যায়। যা শুষ্ক দিনগুলোর এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই শীত ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন বডি লোশন। এটি ত্বকের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এটা ত্বকের উজ্বলতা বাড়ানোর পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি বৃদ্ধি করে। 
 
 
লাভ লিপ বাম
লিপ বাম আমরা কম বেশি সবাই ব্যবহার করি, তাই সবাই নিশ্চয়ই এই নামটির সাথে পরিচিত। শীতকালে তো বটেই, অনেকেই আছে যারা সারা বছরই লিপ বাম ব্যবহার করে অভ্যস্ত। লিপ বাম ঠোঁটের আর্দ্রতা ধরে রাখতে বিশেষ ভাবে সহায়তা করে, কেননা সেই ভাবেই এটি তৈরি। আজকাল বিভিন্ন ফ্লেভার ও ঠোঁটের ভিন্নতার উপর নির্ভর করেও লিপ বাম তৈরি হচ্ছে।
 
 
ভিটামিন ই ক্রিম
ভিটামিন ই ত্বকের আর্দতা বজায় রাখার পাশাপাশি ত্বকে পুষ্টি যোগায়। সুতরাং এই শীতে ত্বকের পরিপূর্ণ সুরক্ষার জন্য ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। 
 
এছাড়াও শীতে ত্বকের যত্নের যব প্রোডাক্ট দেখতে  এখানে ক্লিক করুন
*শীতেত্বকেরযত্ন* *ত্বকেরযত্ন* *প্রশাধনী* *শপিং* *কেনাকাটা* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★