শীতের কাপড়

শীতেরকাপড় নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতকাল আসি আসি করছে। যদিও ঠান্ডার প্রকোপ এখনো ততটা তীব্র হয় তবু এখন থেকেই চাই শীতের প্রস্তুতি। বিশেষ করে এই মৌসুমে ঠান্ডা গরমের খেলাচ্ছলে শিশুদের সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে, এর থেকে সুৰোক্ষ পেতে বাচ্চাদের লেপ-কম্বলের ওম তো লাগবেই। সব সময় তো আর হাড় কাঁপানো শীত পড়ে না। কম ঠান্ডায় লেপ গায়ে দিতেও বেশ অস্বস্তি হয়। তখন কম্বলটাই বেশি আরামদায়ক। কম্বল তৈরি কম্বল (রেডিমেড) কেনাই ভালো। বাজারে নানা ধরনের কম্বল পাওয়া যায়। বড় কম্বলের আকার হলো ২০০ x ২৪০ সেন্টিমিটার, ছোট কম্বল ১৬০ x ২০০ সেন্টিমিটার আর শিশুদের কম্বল ১১০ x ১৪০ সেন্টিমিটার। 

বাজার গুলোতে শিশুদের কম্বলেও বেশ জমে উঠেছে । বাবা-মায়েরাও বেশ ছুটছেন ছোট্ট মনিটিকে শীতের রুক্ষতা থেকে রক্ষা করতে । অনেকে মনে করেন, শিশুদের জন্য আবার বাড়তি লেপ কম্বলের দরকার কি ! দরকার আছে বৈকি, শিশুর বিছানায় কখনোই অতিরিক্ত বালিশ, লেপ ও কম্বল জড়ো করে রাখবেন না। খেলার ছলে কিংবা ঘুমের মধ্যেও শিশু এসবের নিচে চাপা পড়তে পারে। শিশুর ম্যাপ অনুযায়ী কম্বল কিনলে শিশুর গায়ে সেটি ভালোমতো গুছিয়ে থাকবে, বাইর থেকে ঠান্ডা বাতাস শিশুর শরীরকে ছুঁতে পারবে না। 

গোলাপি, লাল, সবুজ, নীল রংয়ের মাঝে অনেক ফুলের ছাপ এ সব কম্বল সোনামনিরা হাসি খুশি ভাবেই নিবে ।কম্বলের ব্যাপারে যত্নটাও একটা মুখ্য বিষয়। যত্নের ফলে কম্বল ব্যবহার উপযোগী থাকবে বহুদিন। তাতে আপনার সোনামনির শীতের রাতগুলোতে ঘুমটাও ছেয়ে যাবে মায়াবী উষ্ণতায়, আপনার শিশুকে রাখবে আরামদায়ক এক স্বস্তিতে।

শিশুদের কম্বলের দামদর: শিশুদের কম্বলেই রংয়ের বৈচিত্র বেশি মিলবে। শিশুদের জন্য কম্বলের দাম পড়বে ৭০০-১১০০ টাকার মধ্যে। এ ক্ষেত্রে কিছু পরিচিত ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে প্র্যাডো, কেকিউ, সুপার রয়্যাল, প্রেসিডেন্ট, টয়ো জাপান, টয়ো মোরা, গোল্ডেন সগ্‌স, ওয়াচি প্রভৃতি।বিদেশি কম্বলো ক্ষেত্রে প্রস্তুতকারী দেশ এবং আকারের ওপর এর দাম নির্ভর করে। 

শিশুদের কম্বল কোথায় পাবেন : রাজধানীর বঙ্গবাজারকে এখন কম্বলের বাজার মনে হতে পারে। রাজধানীর অভিজাত বাজারগুলোতেও একই চিত্র । কম্বলের কমতি নেই কোন দোকানে। বিভিন্ন আকৃতির সঙ্গে এসব কম্বলের ধরনেও আছে যথেষ্ট পার্থক্য। যার মধ্যে থেকে আপনি নিজের মত বেছে নিতে পারেন যে কোনটি ।রাজধানীর মোস্তফা মার্ট ও ইউনিমার্টে পাওয়া যাবে মেষের লোমের ও সিনথেটিক কম্বল । বৈচিত্রপূর্ণ এসব কম্বলের সর্বনিম্ন দাম পড়বে ১৪০০ টাকা । চাইলে রাজধানীর নিউ মার্কেট, নিউ সুপার মার্কেট, সিঙ্গাপুর মার্কেটে যেতে পারেন । এখানে গেলে দেখা যাবে সারি সারি দোকান যেন কম্বলের সাজে সেজেছে । কম্বল গুলোতে বিভিন্ন আঁকা যেমন ফুল, জীবজন্তু, তারা, ডোড়াকাটা দাগ মিলবে। এই বাজারের চায়না কম্বলের সর্বনিম্ন দাম ২২০০ টাকা, কোরিয়ান সর্বনিম্ন দাম ৩২০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬০০০ টাকা । আর অনলাইনে কিনতে চাইলে আজকের ডিল সবথেকে বড় ভরসা। 

 

*শিশুদেরকম্বল* *শীতেরকাপড়* *কম্বল*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যত্নের অভাবে আপনার শখের শীতের পোশাক তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায় । তাই চলুন জেনে আসি কিভাবে যত্ন নিতে হবে শীতের পোশাক গুলোর-


উলঃ
সাধারণত ডিটারজেন্ট বা লিকুইড ডিটারজেন্ট ভালো করে পানির সাথে মিশিয়ে ২০/৩০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে উলের কাপড় হালকা হাতে কেঁচে ধুয়ে ফেলতে হবে। মনে রাখতে হবে বেশি জোরে কাঁচা বা নিংড়ানো যাবে না। উলের কাপড় ওয়াশিং মেশিনেও ধোয়া যাবে, কিন্ত তার জন্য আপনাকে wool mode রাখতে হবে। উলের কাপড়ে যদি কোনো দাগ পড়ে তাহলে ঐ দাগের উপর লেবু ঘষে নিতে হবে।


ফ্লানেলঃ
ফ্লানেল কাপড় ডিটারজেন্ট বা লিকুইড ডিটারজেন্ট ভালো করে পানির সাথে মিশিয়ে ২০/৩০ মিনিট  ভিজিয়ে রেখে কেঁচে ধুয়ে ফেলা যায়। এ কাপড় ওয়াশিং মেশিনে ধোয়ার জন্য জেনারেল mode রাখতে হবে। কিন্তু ধোয়ার আগে কিছুক্ষণ ভিনেগার পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। কারণ ফ্লানেল কাপড়ের বাড়তি রং থাকলে চলে যাবে।


আঙ্গুরা বা পশমিঃ
আঙ্গুরা বা পশমি কাপড় ধোয়ার জন্য আপনাকে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। এই কাপড় ওয়াশিং মেশিনে ধোয়া যাবে না এবং শুধু মাত্র winter wash বা লিকুইট ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুতে হবে। তার জন্য আপনাকে মাত্র ৫/১০ মিনিট ভিজিয়ে নিয়ে কচলে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং পানি চেপে চেপে ফেলতে হবে। পশমি কাপড় গুলোকে কখনো অন্য কাপড়ের সাথে ভিজানো বা ধোয়া যাবে না তাহলে পশম গুলো অন্যান্য কাপড়ে লেগে যাবে। আপনি চাইলে ড্রাই ওয়াশ করাতে পারেন। কাপড় ধোয়ার পর টিসু পেপার দিয়ে মুড়িয়ে ভাজ করে পলিথিনে করে বা হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

লেদারঃ
লেদারের জ্যাকেট বারবার ওয়াশ করা যায় না। তাই মাঝে মাঝে অল্প রৌদ্রে দিয়ে ব্রাশ করে ঝেড়ে ফেলতে হবে। বছরে ১/২ বার ড্রাই ওয়াশ করানোই ভালো। অবশ্যই লেদারের জ্যাকেট হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। অনেক দিন ব্যবহার না করার ফলে জ্যাকেটের জিপার জ্যাম হতে পারে। জিপারের চেইনে মোম বা নারিকেল তেল দিয়ে ঘষে নিলেই জিপার ইজি হয়ে যাবে।
কাশ্মিরিঃ
কাশ্মিরি শাল বা সোয়েটার লিকুইট ডিটারজেন্ট দিয়ে ঘরেই ধোয়া যায়। তবে হালকা ধোয়ার পর তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে পানি বের করতে হবে এবং ছায়া যুক্ত স্থানে হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে শুকাতে হবে। ইস্ত্রি করার সময় একটি তোয়ালে বা সুতির কাপর বিছিয়ে নিয়ে তার উপর আয়রন করতে হবে। কাশ্মিরি শাল বা সোয়েটার শুকানোর পর হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে বা ভাঁজ করে পলিথিন ব্যাগে করে ন্যাপথালিন দিয়ে রাখুন।

শীতের কাপড় গুলোকে মাঝে মাঝে রৌদ্রে দিতে হবে কিন্ত খেয়াল রাখতে হবে যাতে বেশি রৌদ্র না পায় তাহলে  পোশাকটির রং জ্বলে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।তাই সকালে ১০-১২ মিনিট রৌদ্রই যথেষ্ট। দুপুর বেলার কড়া রৌদ্রে কাপড় নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে। অবশ্যই আলমারিতে রাখার আগে ন্যাপথালিন দিয়ে রাখুন। কাপড়ে পারফিউম দিয়ে রাখবেন না তাহলে কাপড়ে দাগ পড়ে থাকবে।




*কাপড়েরযত্ন* *গৃহস্থালিটিপস* *শীতেরকাপড়*

বই বন্ধু: *শীতনিয়ে* *শীতেরপিঠা* *শীতেরকাপড়* *শীতেরপোশাক* *শীতেরড্রেস* *শীতেররাত* *অতিথিপাখি* শীতে আমাদের জন্য কতশত আনন্দ উপাদান আছে কিন্তু দরিদ্র, বস্তিবাসি, বাস্তুহারা অনেক মানুষের কাছে শীত প্রকৃতির অভিশাপস্বরূপ। তাদের কথা যেন ভুলে না যাই।

বই বন্ধু: গোসলের পানিতে শীতের আমেজ টের পাচ্ছি, *শীতেরপিঠা* *শীতেরকাপড়* *শীতেরপোশাক* *শীতেরড্রেস* *শীতেররাত* *অতিথিপাখি* শীতে কতশত আনন্দ উপাদান আছে কিন্তু দরিদ্র, বস্তিবাসি, বাস্তুহারা অনেক মানুষের কাছে শীত প্রকৃতির অভিশাপস্বরূপ। তাদের কথা যেন ভুলে না যাই।

*শীতেরসকাল* *শীতেরপিঠা* *শীতেরকাপড়* *শীতেরপোশাক* *শীতেরড্রেস* *শীতেররাত* *অতিথিপাখি* *শীতনিয়ে*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★