শীতের ত্বকের যত্ন

শীতেরত্বকেরযত্ন নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সারাদিনের কড়া রোদ আর সন্ধ্যার পর থেকে হিমেল হাওয়া, শীত আসি আসি করছে। আবহাওয়ার সাথে সাথে পরিবর্তন হচ্ছে আমদের ত্বকের এবং চুলের।এর সাথে ধুলার অত্যাচার তো আছেই। এখন থেকেই একটু সতর্ক থাকলে সারা শীতে থাকতে পারবেন সতেজ। শীতে ত্বক স্পর্শকাতর হয়ে যায়, সাথে দেখা দেয় নানা রকম সমস্যা যেমন শুষ্কতা, ব্রণ,খুশকি ইত্যাদি। গরমের জন্য যেসব পণ্য এত দিন ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো বদলে নিতে হবে ধীরে ধীরে এখন থেকেই।চলুন জেনে নেয় শীতের ত্বকের যত্নের আদ্যপান্ত-

১. ত্বক পরিস্কার :


শীতে ধুলোবালি অনেক বেড়ে যায় তাই যতটা সম্ভব ত্বক পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করতে হবে। শীতকালে ত্বক  একটু অদ্ভুত আচরণ করে, ত্বকে মিশ্র একটা ভাব দেখা দিতে পারে। মুখের টি জোন অর্থাৎনাক-কপালের অংশ ছাড়া বাকি জায়গা শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই ত্বকের ধরন বুঝে নিতে হবে বাড়তি যত্ন। যদি ত্বকে মিশ্র ভাব দেখা দেয় তবে সাধারণত যে ফেস ওয়াশ গরমকালে ব্যবহার করেছেন সেটাই রাখুন। তবে তা শুধু টি-জোনটুকুর জন্যই। বাকি শুষ্ক জায়গায় সাধারণ ফেস ওয়াশ বা ফোমিং ক্লিনজার দিয়ে ধোবেন। একটু বেশি শুষ্কতা দেখা দিলে ক্রিম ক্লিনজার, ক্লিনজিং মিল্ক অথবা গ্লিসারিন বার ব্যবহার করুন। প্রতিদিন বাইরে বের হওয়ার আগে দেখে নিন আপনার সঙ্গে ক্লিনজিং ওয়াইপস বা ওয়েট টিস্যু আছে কি না। প্রয়োজনে দরকার মত মুখ মুছে নেবেন। এ সময় ত্বক অনেকাংশেই উজ্জ্বলতা হারিয়ে ফেলে। প্রতিদিন মাইল্ড স্ক্রাব ব্যবহার করতে ভুলবেন না। তৈলাক্ত ত্বকে জেল বা হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন, যেগুলোতে তেলের পরিমাণ কম, পানির পরিমাণ বেশি। ব্যবহার করার আগে অবশ্যই ত্বকের প্রয়োজনীয়তা বুঝে নিতে হবে।

শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে ভারী ময়েশ্চারাইজার লাগানো উচিত। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কড়া রোদ থাকে, এ কারণে সানস্ক্রিন লোশন অবশ্যই ব্যবহার করতে ভুলবেন না। কম পক্ষে ৫০+ এসপিএফ আছে এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন। ৩/৪ ঘণ্টা পরপর মুখ মুছে নিয়ে নতুন করে লাগাতে হবে। কারণ, সানস্ক্রিন ৩/৪ ঘণ্টার বেশি কাজ করে না ।

যদি মেকাপ করেন তবে অবশ্যই তা ভালো ভাবে পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। মেকাপ তুলতে বেবী অয়েল বা মেকাপ রিমুভার ব্যবহার করুন এবং শেষে হালকা গরন পানি ও ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগান।

রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো কোন নাইট ক্রিম অথবা এর বদলে আমন্ড অয়েল লাগাতে পারেন। আমন্ড অয়েল ত্বক ময়েশ্চারাইজ যেমন করবে সাথে ত্বকের উজ্জলতা বাড়ানো, বয়সের ভাঁজ কমানো, ব্রণ অথবা দাগ দূর করতেও সাহায্য করবে।

এই ধরনের কসমেটিক আপনি যে কোনো শপিং সেন্টার গুলোতে পাবেন. তবে অবশ্যই জেনে নিবেন ব্রান্ডের কিনা.এছাড়া আপনি চাইলে ঘরে বসেও আপনি সহজে সংগ্রহ করতে পারবেন আপনার প্রয়োজনীয় জিনিস.এজন্য ঘুরে আসুন http://www.ajkerdeal.com/  এই লিংকে.

২.চুলের যত্ন:

চুলজনিত সমস্যার মধ্যে খুশকিকে মোটামুটি চোখ বুঝে প্রথম সারিতে রাখা যায়। খুশকি নিয়ে বিপদে নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। খুশকির জন্য দায়ী অন্যতম প্রধান কারণ হল মাথার ত্বকের মৃত কোষ। আবার অনেকের মাথার ত্বকে অতিরিক্ত তেল নিঃসৃত হওয়া ও জেনেটিক কারণেও খুশকি হতে দেখা যায়। আমরা অনেকেই মাথায় খুশকি হওয়াকে পাত্তা দিতে চাইনা কিন্তু যখন সাদা সাদা খুশকি আপনার মাথা থেকে ঘাড়ে ও কাঁধে ঝরে পড়ে তখন যে বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় সেটা কিন্তু পাত্তা না দিয়ে উপায় থাকেনা। এমনকি অতিরিক্ত খুশকি থাকলে আপনার মাথায় স্থায়ী ক্ষতের সৃষ্টি হতে পারে। তাই খুশকিকে খুব হালকাভাবে না নিয়ে এটি প্রতিরোধ বা প্রতিকারের জন্য আজই আপনার সচেতন হওয়া দরকার।তারপর  আবার শীতের ধুলার কারণে খুশকি খুব খারাপ ভাবে আমাদের উপর প্রভাব ফেলে.

যারা খুশকি নিয়ে বিপদে আছেন তারা আর্টিকেলটি পড়তে মিস করবেন না। এই আর্টিকেলে আজ আপনাদের জানাবো কী করে আপনার মাথার খুশকি সমস্যার সমাধান করবেন।

যেহেতু  আমাদের প্রধান সমস্যা খুশকি, এক্ষেত্রে আমাদের চুলের ত্বকের কথাও আমাদের ভাবতে হবে আর এজন্য আমাদের চুলের প্রসাধনী নির্বাচনক্ষেত্রে এমন কিছু সিলেক্ট করতে হবে যা আমাদের চুলকে শুস্ক না করে দেয়.যতটা সম্ভব ন্যাচারাল প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে হবে এবং  অবশ্যই চুলের ত্বকে ময়লা জমতে দেওয়া যাবে না.

তেল দেওয়ার ক্ষেত্রেও শীতে নিতে হবে বিশেষ যত্ন.সপ্তাহে অন্তত তিন দিন চুলে তেল দিতে হবে এবং ১ ঘন্টা অথবা সারারাত রেখে সকালে ধুয়ে ফেলতে হবে.চাইলে তেলের সাথে ই-ক্যাপ ব্যবহার করতে পারেন,আরও একটু কষ্ট করে তেলটা যদি গরম করে নেন তাহলে সুস্থ চুলের সাথে আরামও পাবেন.বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ডের তেল পাবেন.কয়েক রকমের তেল মিশিয়ে  ব্যবহার করাটা আরও ভালো.

আর এই সবকিছু আপনি যে কোনো শপিং সেন্টার গুলোতে পাবেন. তবে অবশ্যই জেনে নিবেন ব্রান্ডের কিনা.এছাড়া ঘরে বসে সংগ্রহ করতে চাইলে আজকের ডিল তো আছেই সবসময় আপনার পাশে.এজন্য ঘুরে আসুন http://www.ajkerdeal.com/  এই লিংকে.

৩. হাত-পায়ের যত্নঃ

ধুলোবালিটা এ সময় যেন একটু বেশিই থাকে। এ কারণে নিয়মিত হাত-পায়েরও যত্ন নিতে হবে। খুব সহজে বাসায়ই পেডিকিওর-মেনিকিওর করে নিতে পারেন।

এইজন্য পেডিকিওর-মেনিকিওরের প্রোডাক্ট গুলো আপনি চাইলে সহজে যে কোনো শপিং সেন্টার থেকে কিনে নিতে পারেন বা ঘরে বসে কল করতে পারেন আজকের ডিলকে.এজন্য ঘুরে আসুন http://www.ajkerdeal.com/  এই লিংকে.

যারা কাজের জন্য সব সময় ঘরের বাইরে থাকেন তারা চাইলে সবসময়ের জন্য একটা ছোট ময়েশ্চারাইজরের বোতল কাছে রাখতে পারেন.কিছু সহজ নিয়মের মধ্যে থাকলে আমার মনে হয় খুব সহজে আমরা শীতের রুক্ষতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব.

আর এরকম জিনিস পেতে আজকের ডিল তো আছেই.ঘুরে আসুন আজকের ডিল  পেজ থেকে আর জেনে নিন আপনার প্রয়োজনীয় সব প্রোডাক্ট সম্পর্কে.এজন্য ঘুরে আসুন http://www.ajkerdeal.com/  এই লিংকে.

…এরকম সহজ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে আপনি খুব সহজেই শীতের রুক্ষতা থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে থাকতে পারেন সজিব-সতেজ।

৪.ঠোঁটের যত্ন:

শীতের আগমন আবহাওয়ার পরিবর্তনের মাধ্যমে যেমন  ভালোই টের পাওয়া যাচ্ছে। সেই সাথে ত্বকে এর প্রভাবের মাধ্যমেও। ঋতু পরিবর্তন এবং শীতের শুরুর সময় যে সমস্যায় কম-বেশি সকলেই ভুগে থাকেন তা হচ্ছে ঠোঁট ফাটা। এই সমস্যা থেকে কিন্তু খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জানতে চান কিভাবে? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক।

-ভালো লিপবাম ব্যবহার করুন:

ঠোঁটে সবসময় লিপবাম ব্যবহার করবেন। তবে তা অবশ্যই ভালো কোনো ব্র্যান্ডের। নতুবা ঠোঁট কালো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে ঠোঁট ফাটা থেকে মুক্তি পাবেন।

-প্রচুর পানি পান করুন:

ঠোঁট ফাটার সমস্যা অনেক বেশি মাত্রায় শুরু হয় যখন দেহ অনেক বেশি পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই শীতকালেও প্রচুর পরিমাণে পানি পান করে দেহকে হাইড্রেট রাখুন। এতে ঠোঁট ফাটার সমস্যা আপনাআপনি দূর হয়ে যাবে।

-জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজাবেন না:

অনেকে ঠোঁট ফাটার হাত থেকে রক্ষা পেতে কিছুক্ষণ পরপরই জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে থাকেন। এই কাজটি করতে যাবেন না। এতে করে ঠোঁট আরও বেশি শুকিয়ে যাবে এবং ঠোঁট ফাটার প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
প্রতি রাতে ভালো করে ময়েসচারাইজার লাগান

প্রতি রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ত্বকের পাশাপাশি ঠোঁটকেও ময়েসচারাইজ করতে ভুলবেন না। রাতের বেলা ভালো কোনো ময়েসচারাইজার অথবা প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজার অলিভ অয়েল ঠোঁটে লাগিয়ে ঘুমুতে যান। এতে ঠোঁট ফাটার হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

এইটা ছিল শীতের ত্বকের যত্নের খুব সহজ কিছু টিপস.যা আপনাকে সহজে করবে সতেজ এবং সবার মধ্যে মনোমুগ্ধকর.তো আর দেরী কেন?এখনি করে ফেলুন নিজেকে সকলের মধ্যে সব থেকে মনোমুগ্ধকর.
*শীতেরত্বকেরযত্ন* *রূপচর্চা* *বিউটিটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★