শীতের ফ্যাশন

শীতেরফ্যাশন নিয়ে কি ভাবছো?

Baijeet Khan: *শীতেরফ্যাশন* হ্যা কিনেছি তবে তা পরিবারের জন্য, নিজের জন্য না।

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতে তরুণ-তরুণীদের শীত নিবারণের পাশাপাশি স্টাইল মেইনটেইন করাটাও জরুরি হয়ে পড়ে। তাই শীতের ভারী পোশাক জ্যাকেটেও এসেছে নতুনত্বের ছোঁয়া,তরুণ-তরুণীদের জন্য আধুনিক ফ্যাশনে প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নতুন মাত্রা। পোশাকের রংঢং যেন বদলে দেয় প্রকৃতি।


জ্যাকেটের কাটিং প্যাটার্নের মধ্যেও বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়। কিছু জ্যাকেট সামনে খোলা। তাতে হয়তো বোতাম বা ফিতা ব্যবহার করা হয়েছে আটকানোর জন্য।

শুধু জ্যাকেট ব্যবহার করলেই তো আর হল না। বরং বাছাই করা কিছু পোশাকের সঙ্গে ফ্যাশনেবল জ্যাকেট আপনাকে এনে দিতে পারে এলিট ক্লাসের লুক। চলুন  দারুন কিছু জ্যাকেটের কালেকশন দেখে নেই।

জ্যাকেটটি কিনতে ক্লিক করুন

জ্যাকেটেটি কিনতে ক্লিক করুন

জ্যাকেটটি কিনতে ক্লিক করুন

হুডি জ্যাকেটটি কিনতে ক্লিক করুন

আকর্ষণীয় এই ফুল স্লিভ জ্যাকেটি কিনতে ক্লিক করুন

লেডিজ ফুল স্লিভ প্যাডেড জ্যাকেটটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

লেডিজ উইটার ওভারকোট জ্যাকেট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

 

কোথায় থেকে কিনবেন?


কম দামে বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের জ্যাকেট কিনতে চাইলে চলে যেতে পারেন বঙ্গবাজার, বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেট, নিউমার্কেটে। তাছাড়া ইচ্ছে করলে দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই আকর্ষণীয় জ্যাকেট কিনে নিতে পারবেন দেশের সেরা অনলাইন শপ আজকেরডিল ডটকম থেকে। সাথে দ্রুত ডেলিভারী তো থাকছে। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ছবির পণ্য গুলো কিনতে চাইলে এখনি এখানে ক্লিক করুন

*জ্যাকেট* *শীতেরফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনশীতের হিমেল বাতাস বইছে সাথে সকালের ঘন কুয়াশা। কানের ভেতর বাতাস আর মাথায় পড়া কুয়াশার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মাথা আর কানঢাকা টুপি পরা ছাড়া গতি নেই। এক পোশাকেই কুয়াশা আর হিমেল হাওয়াকে টেক্কা দিতে ফ্যাশনেবল কি পরা যায়? আমার মনে হয়, ৮০ ভাগ তরুণ তরুণীদের উত্তর হবে হুডি। জ্যাকেট বা সোয়েটারের শুধু হুডটা টেনে মাথা ঢেকে নেয়া। দেখতেও দারুণ। ব্যস, আর কী চাই? হুড পরা তরুণ-তরুণীর সংখ্যা তাই বাড়ছেই। আর এজন্য ফ্যাশন হাউসগুলো গড়ে তুলেছে হুডির হুলুস্থুল কালেকশন। চলুন শীত ফ্যাশনের কিছু আকর্ষণীয় হুডি কালেকশন দেখে নেই।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনহুডি কেন পরা হয়_ এর উত্তর বোধ হয় ফ্যাশন আর শীতে আরাম। যে কোনো পোশাকের চেহারা বদলে যায় শুধু হুড যোগ করার ফলে। আর শীতে তো এটা দারুণ কার্যকর। এমনকি গরমেও অনেকে হুডসহ শার্ট পরতে পছন্দ করেন। একটু ভিন্নরকম ক্যাজুয়াল ভাব আসে তাতে।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনঅনেকের কাছে সাদামাটা কাটের সোয়েটার পরতে ভালো লাগে না। আবার পাশ্চাত্য ধাঁচের পোশাক পরতেও খুব পছন্দ করেন। হুড দেয়া সোয়েটার বা জ্যাকেট তাই ভালো লাগে তাদের কাছে। শীতে তো পরেনই, গরমেও খাটো হাতার হুডি টপ পরতে ভালো লাগে। তাদের কাছে ডেনিম প্যান্টের সঙ্গে হুডি টপ দারুণ ফ্যাশনেবল বলে মনে হয়।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনএকটা সময় হুডি ব্যবহার হতো শুধু জ্যাকেটেই। জিপারওয়ালা বা জিপার ছাড়া বড় পকেট থাকত পোশাকে। জরুরি জিনিসগুলো বহন করা আবার মাথা ঢাকা দুটো প্রয়োজনই মিটত। তবে এখন রূপ বদলেছে এর। শুধু জ্যাকেট নয়, সোয়েটার, টি-শার্ট নানা ধরনের পোশাকেই হুড জুড়ে দেয়া হচ্ছে। মেয়েদের জন্য করা হচ্ছে নানা কাটের টপ। সঙ্গে থাকছে হুড।


কিনতে ক্লিক করুনকয়েক বছর ধরেই হুডসহ পোশাক ডিজাইন করা হচ্ছে। ছেলেমেয়ে সবার জন্যই খাদি, সুতি, চেক কাপড়ে তৈরি জ্যাকেট করা হয়েছিল। ফ্যাশন হাউস 'যাত্রা'য় শিশুদের জন্য হুডসহ পোশাক ডিজাইন করা হয়েছে। মেয়েদের ফ্রক বা ছেলেদের ফতুয়ায় জুড়ে দেয়া হয়েছে হুড।

কোথায় থেকে কিনবেন?

কিনতে ক্লিক করুন
কম দামে বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের হুডি কিনতে চাইলে চলে যেতে পারেন বঙ্গবাজার, বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেট, নিউমার্কেটে। তাছাড়া ইচ্ছে করলে দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই আকর্ষণীয় হুডি কিনে নিতে পারবেন। সাথে দ্রুত ডেলিভারী তো থাকছে। দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে ছবির পণ্য গুলো কিনতে চাইলে এক্ষনি এখানে ক্লিক করুন

*হুডি* *শীতেরফ্যাশন* *হুডিফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ট্রেন্ডি সোয়েটার কিনতে ক্লিক করুনশীতের সকালে কোন পোশাক পরে বের হবেন? অফিসে যেতে হলে শুধু যে স্যুট-কোট পরতে হবে তা নয়। এই শীতে স্টাইলের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে ফুলহাতা শার্ট-টাইয়ের সঙ্গে সোয়েটারও পরতে পারেন । ছেলে মেয়ে সকলের জন্য বাজারে রয়েছে বাহারি কালেকশনের সব বাহারি সোয়েটার যেখান থেকে আপনি আনার পছন্দেরটি বেছে নিতে পারবেন। এখন আমাদের দেশেই তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিকমানের বাহারি সব সোয়েটার। চলুন কয়েকটি ফ্যাশনেবল ও ট্রেন্ডি সোয়েটার দেখে নেই।

কিনতে ক্লিক করুনসোয়েটারের ডিজাইনে লাল, নীল, সবুজ, গোলাপি, বেগুনি, কমলাসহ রঙিন সব নকশা ও বুনন সবার মন কাড়বে। সাদা, কালো, ছাই, বাদামি রংগুলো তো থাকছেই। উষ্ণতা দেয়ার পাশাপাশি সোয়েটার এখন হয়ে উঠেছে ছেলেমেয়েদের অন্যতম ফ্যাশন অনুষঙ্গ। শীতের প্রকোপভেদে তাই এখন হালকা, ভারি, ফরমাল, ক্যাজুয়াল, ফ্যাশনেবল বিভিন্ন ধরনের সোয়েটারে সেজে উঠেছে শপিংমলগেুলো বাদ যায়নি অনলাইন শপগুলোও। 


বর্তমানে কাট, বড় কলার আর বোতামের ফ্যাশন বেশ চলছে। তাছাড়াও  শার্ট, ব্লেজার ও কোট কলার ধাঁচের। এর সঙ্গে ভি ও গোল আকৃতি এবং বন্ধ গলা তো রয়েছেই। ফুলহাতা সোয়েটারের ধারায়ও এবার বৈচিত্র্য এসেছে। কোনোটি ঝোলা আলখাল্লা ঘরানার, আবার কোনোটি কোমর ও হাতের কাছে চাপা। কোনোটিতে আবার বেল্ট ব্যবহার হয়েছে, কোনোটি বা ট্রেঞ্চ কোট কাটের। মজার ব্যাপার হলো, পোশাকের ওপর শীতের সোয়েটারখানি চাপানোর পর এবার আর পোশাক ঢেকে পড়ার দুঃখ থাকবে না আপনার। কারণ সোয়েটারটাই যে দারুণ ফ্যাশনেবল!


কিনতে ক্লিক করুনযারা পাশ্চাত্য পোশাকে অভ্যস্ত, তারা যেমন ইচ্ছামতো বেছে নিতে পারেন পছন্দসই শীতের পোশাকটি, তেমনি দেশীয় পোশাকের সঙ্গেও সহজে মানিয়ে যাবে এসব সোয়েটার। টি-শার্ট ও শার্টের ওপর হালকা শীতে যেমন পরতে পারেন হাতাকাটা সোয়েটার, তেমনি শীতের প্রকোপ বেশি হলে বেছে নিতে পারেন স্ট্রাইপ ও চেকের ফ্যাশনেবল ফুলহাতা সোয়েটারও।


কিনতে ক্লিক করুনতরুণীদের অাঁটসাঁট সোয়েটারের পাশাপাশি একটু ঘের দেয়া ঢোলা সোয়েটারেও খারাপ লাগবে না। চুড়িদার হাতা আর লম্বা ঝুলের সোয়েটারও বেছে নিতে পারেন। ওভারকোট কাটের হাতাকাটা সোয়েটারের নিচে পাতলা হাতাসহ কোনো সোয়েটার আর গলায় রঙিন মাফলার জড়ালে দারুণ মানাবে।

কিনতে ক্লিক করুন
ছেলে ও মেয়েদের ফ্যাশনেবল সোয়েটার মিলবে ১২৫০ থেকে ২৯৫০ টাকার মধ্যে। আর হাতাকাটা কিংবা হাতাসহ সোয়েটার পাবেন ৭৮০ থেকে ১৪৫০ টাকার মধ্যে। এই সবগুলো সোয়েটার অনলাইন থেকে কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 

*সোয়েটার* *শীতেরফ্যাশন* *শীতফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঋতুর পালা বদলে বাংলার প্রকৃতিতে এখন শীতকাল। দিনের আলো মিলিয়ে যেতে না যেতেই শীত এসে জেঁকে বসে চারপাশে। হাড় কনকনে শীতে পরিপূর্ণ উষ্ণতা পেতে অন্যান্য শীত পোশাকের মতই মাফলার একটি অতি প্রয়োজনীয় পরিধান। বাজারেও রয়েছে নিত্যনতুন মাফলারের সমাহার। যেকোনো পোশাকের সঙ্গে স্টাইলিশ মাফলার এখন তরুণদের ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ। জিন্স, টি-শার্ট, ফতুয়া কিংবা শার্টের সঙ্গে চমৎকারভাবে মানিয়ে যায় এটি।

আমাদের দেশে মাফলারের প্রচলন যদিও বহু আগে থেকেই, তবে তার ব্যবহার সীমাবদ্ধ ছিল শুধু পুরুষের মধ্যে। আধুনিক সময়ে বদলে গেছে সে ধ্যান-ধারণা। বৈচিত্র্যময় ডিজাইন আর বাহারি রঙের মাফলারগুলো এখন শোভা পাচ্ছে ছেলেমেয়ে উভয়ের গলায়। তরুণ-তরুণী শুধু নয়, যেকোনো বয়সের মানুষের শীত নিবারণে মাফলার নিত্য সঙ্গী। নগরীর ফ্যাশন হাউজ থেকে শুরু করে ফুটপাতেও মিলবে দৃষ্টি নন্দন এসব মাফলার। উলের নেট মাফলার, এন্ডি কটন, পশমি মাফলারসহ নানা রকম চেক মাফলার পাওয়া যাচ্ছে বাজারে। এর পাশাপাশি এসেছে মেয়েদের জন্য বিনি ক্যাপ। শীত থেকে রক্ষার পাশাপাশি কানও সুরক্ষা করবে বিনি ক্যাপ। টুপির সঙ্গে ম্যাচ করে নিন মাফলারও। টুপির রং ও ম্যাটেরিয়ালের সঙ্গে মানানসই মাফলার বেশ আকর্ষণীয় করে তুলবে আপনাকে। 

বাজারে লং এবং শর্ট দু’ রকম মাফলার পাওয়া যায়। মেয়েদের মাফলারগুলো একটু শর্ট হয়। তবে কিছু মাফলার ছেলেমেয়ে উভয়ে ব্যবহার করতে পারবেন সেভাবেই তৈরি করা হয়। উলের নেট নকশার মধ্যেও পাওয়া যায় বিভিন্ন মাফলার। মাফলারের মধ্যে হাতে বোনা এবং চিকন উলের বিভিন্ন চেক মাফলার পাবেন ১০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে। দেশি মাফলারগুলো পাবেন ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া স্টাইলিশ মাফলার পাবেন ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে। এই মাফলার গুলো বেশিরভাগ আসে চায়না, ব্যাংককসহ বিভিন্ন দেশ থেকে। লাল-কালো, কমলা-সবুজ, টিয়া-সাদা, বেগুনি-গোলাপি, সাদা-কালোর মিশেলের মাফলারগুলো বেশ পছন্দ হবে আপনার। তাই পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে বেছে নিন আপনার গলার বন্ধনিটি।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়  অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলে বিক্রি হচ্ছে চায়না ইন্ডিয়ান ও বাংলাদেশী বিভিন্ন ধরনের মাফলার। আরও আছে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাফলার। চায়না, ইন্ডিয়ান, বাংলাদেশী মাফলার বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। এছাড়া ব্র্যান্ডের মাফলার সেনি, রিবোক, কুমা, নাইফ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা দামের মধ্যে। নারী-পুরুষদের ব্যবহার উপযোগী মাফলার । ছেলেদের শীতের ফ্যাশনে অনেক বড় ভূমিকা রাখে টুপি। পুরো স্টাইলকে যেন পাল্টে দেয়। তবে মাফলারও বেশ মানানসই। এ ছাড়া ছোট শিশু থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী বা বড়দের কানটুপিতেই আনা হয়েছে ভিন্নতা। সুতি, উল, পশমি কাপড়ের পাশাপাশি নিট কাপড়ের কানটুপির কদর বেড়েছে। রঙেও আনা হয়েছে ভিন্নতা। 

আজকেরডিল থেকে টুপি  ও মাফলার  কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

মাফলার বাঁধবার টিপস : 

ইউরোপের বিভিন্ন পার্টিতে তরুণ-তরুণীরা মাফলার বাঁধার স্টাইলের জন্য বাড়তি সমাদর পেয়ে থাকে। লম্বাকৃতি, স্কয়ার বা ত্রিভুজ করে আপনি মাফলার পরতে পারেন। পাগড়ির মতো করে মাথায় বাঁধতে পারেন। মাথার চারদিকে ব্যান্ড করতে পারেন। গলায় পেঁচিয়ে দুই কোনা বুকের ওপর রাখতে পারেন। কাঁধের দু’পাশে ছড়িয়ে অথবা বাড়তি অংশ শার্টের ভেতরে ঢুকিয়ে রাখতে পারেন। গলায় পেঁচিয়ে বিনুনি করে নিতে পারেন। যেভাবে খুশি পরতে পারেন। তবে যে যাই বলুক আপনি নিজের স্টাইলটাই বেছে নেবেন।

*টুপি* *মাফলার* *শীতেরপোশাক* *স্মার্টশপিং* *শীতেরফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত একটু দূরে থাকলেও সন্ধ্যা না নামতেই হালকা কুয়াশায় ঢেকে যায় শহরসহ সারাদেশে। পড়ন্ত বিকেলেই শুরু হতে থাকে শীতল হওয়া। সারারাত যেমন তেমন, ভোরে হালকা ফ্যানের বাতাসের সাথে হালকা কম্বল টেনে গায়ে জড়ানোর সময় চলছে এখন। হীম শীতের হালকা ঠাণ্ডা হাওয়া শরীরকে নিমেষেই শীতল করে দেয়। শীতের এই সময়ে উষ্ণতার পরশ নিতে ফ্যাশন ও ট্রেন্ড বজায় রেখে চলছে শীতের পোশাক কেনার ধুম। হিম কুয়াশায় আর সন্ধ্যায় ঝিরঝিরে বাতাসকে ফাঁকি দিয়ে তরুণ তরুনীরা মেতে উঠছে শীত ফ্যাশনে। শীতে তরুণ-তরুণীর পোশাক মানেই চোখে ভেসে ওঠে পায়ে কনভার্স, পরনে জিন্স ও ফুল স্লিভ টি-শার্ট, ফুল স্লিভ পোলো শার্ট, জ্যাকেট, কাশ্মীরি শাল, চাদর, মাফলার সঙ্গে যোগ হয় শীত ফ্যাশনের মুডি পোশাক।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সবাই এখন এই হালকা ঠাণ্ডা আবহাওয়াকে পোষ মানাতে ফুলস্লিভ ড্রেসের দিকেই বেশি ঝুঁকছে। আর পোশাক ও ফ্যাশনকে প্রাধান্য দেওয়া তরুণ-তরুণীদের কাছে হুডওয়ালা ফুলস্লিভ পোশাক সবচেয়ে জনপ্রিয়। তবে, হালকা শীতে ফুলহাতা টি-শার্ট আর ফুল হাত পোলো শার্টের চাহিদা প্রচুর। আর ক্যাজুয়াল লুক নিতে চাইলে টি-শার্টের চেয়ে ভালো আর কী আছে!  ২০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে কিনতে পারেন ফুল হাতা গেঞ্জি। তাই হালকা এই পোশাকটি পরলে বেশ আরাম বোধ হয়। এই পোশাক পরে হালকা গরম ও হালকা  ঠাণ্ডা অর্থাৎ মিশেলি আবহাওয়ায় বেশ মানিয়ে চলা যায়।  বাসা হোক কিংবা বাইরে, যে কোনো জায়গাতেই ফুল স্লিভ টি শার্ট বেশ মানানসই। ফ্যাশন এখন টিনএজদের মধ্যে জনপ্রিয় একটি পোশাক ও স্টাইল হয়ে উঠেছে। হালকা শীতের মধ্যে এ পোশাকটির চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। একেক সময় একেক রকম তাপমাত্রা থাকে শীতে। তাই শীতের সহনীয় আঁচ গায়ে অনুভূত হওয়ামাত্রই তরুণ-তরুণীরা গায়ে জড়ান তাদের প্রিয় এই পোশাক।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

শুধু ফ্যাশন হাউসগুলোই না, রাজধানীর নিউমার্কেট, বঙ্গবাজার, ধানমণ্ডি হকার্স মার্কেটসহ নগরীর অভিজাত শপিং মলগুলোতেও খুঁজে পাবেন আপনার সঙ্গে মানানসই হরেক রকম ফুল স্লিভ টি শার্টের কালেকশন। অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলে রয়েছে  ফুল স্লিভ টি শার্টের বিশাল কালেকশন। কালেকশনগুলো দেখতে ছবিগুলোতে আর এখানে ক্লিক করুন।  ব্র্যান্ডের ফুল স্লিভ টি শার্ট গুলোর দাম পড়বে ৭০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত। তবে নিউমার্কেট, বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেটে এগুলোর  দাম পড়বে ২৫০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। 

 

*হালকাশীত* *ফুলহাতাগেঞ্জি* *ফুলস্লিভটিশার্ট* *ফুলস্লিভপোলোশার্ট* *শীতেরফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হুডি ফ্যাশন এখন টিনএজদের মধ্যে জনপ্রিয় একটি পোশাক ও স্টাইল হয়ে উঠেছে। হালকা শীতের মধ্যে এ পোশাকটির চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। একেক সময় একেক রকম তাপমাত্রা থাকে শীতে। তাই শীতের সহনীয় আঁচ গায়ে অনুভূত হওয়ামাত্রই তরুণদের মতো আজকাল তরুণীরা গায়ে জড়ান তাদের প্রিয় হুডি পোশাক। তরুণ তরুণীরা হালের ফ্যাশন হিসেবে হুডির ট্রেন্ডটা লুফে নিয়েছেন।শীতে হুডি বেশ কমফ্যের্টেবল এবং বেশ ফ্যাশনেবল। হুডি পরলে মাফলার পরার ঝামেলা নেই। বাসা হোক কিংবা বাইরে, যে কোনো জায়গাতেই হুডি বেশ মানানসই। হুডির ব্যবহার মূলত শুরু হয় পাশ্চাত্যের শীতপ্রধান দেশ থেকে। শীত বেশি হওয়ার কারণে সেসব শীতপ্রধান এলাকার মানুষ নানা ধরনের হুডি পরতেন। সেই হুডি আস্তে আস্তে ফ্যাশন হিসেবে প্রবেশ করে। পরবর্তীকালে আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো হুডির প্রচলন শুরু করে এবং ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে। 

 

US POLO হুডি জ্যাকেট ফর মেনজেন্টস ফুল স্লীভ হুডি

সেই থেকে এখন পর্যন্ত চলছে তো চলছেই। এখন জ্যাকেট, শর্ট-শার্ট, টি-শার্ট, ব্লেজার এবং সোয়েটারে হুডির ব্যবহার এসেছে। এ বছরে হুডির বেশি পরিবর্তন এসেছে একরঙা চেক শার্টের ওপর। টি-শার্টের মধ্যে এমব্রয়ডারি, কটন, হ্যান্ড স্টিচ, চেইন, বাটন, অ্যাপলিক, টাইডাই ও বাটিকের কাজের ওপর বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আর রঙ হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে কালো, অ্যাশ, বাদামি, নীল, মেরুনসহ আরও কয়েকটি রঙ। হুডির পকেটের কাটিংয়ে এসেছে ভিন্নতা।

 

 ফুল স্লীভ জেন্টস ইয়েলো কালার হুডিANGEL লেডিজ ফুল-স্লিভ উইন্টার হুডি

কোথায় পাবেন : রাজধানীতে  নামিদামি ফ্যাশন হাউস ছাড়াও বাজারে রেডিমেড হুডি প্রচুর পাওয়া যাচ্ছে। এদের মধ্যে আছে ইজি, পল্গাস পয়েন্ট, এক্সট্যাসি, ক্যাটস আই, ট্রেন্ডজ, ইয়েলো, প্লেয়ার, সেইলর ওয়েসটেক্স। গেঞ্জি উলের হুডি সোয়েটার পাওয়া গেলেও হুডি শার্ট ও হুডি গেঞ্জির বেচাকেনা বেশি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা। ডিজাইনাররা বিভিন্ন কটন, কলারের হ্যান্ডস্টিচ, এমব্রয়ডারি, হাতের কাজ, চেইন ও বোতামের বৈচিত্র্য, টু-ইন ওয়ানসহ অসংখ্য ডিজাইনে ব্যবহার করছেন কালো, মেরুন, অ্যাশ, গাঢ় নীলসহ তারুণ্যের সব রঙ। মেয়েদের ফ্যাশনেবল হুডিগুলো সাধারণত কিছুটা শর্ট কাটিং হয়ে থাকে। মেয়েদের হুডিগুলো সাধারণত বিভিন্ন রকম স্ট্রাইপের রঙবেরঙের। তবে জিন্সের সঙ্গে এসব হুডি বেশি জুতসই।

 

 NIKE হুডি জ্যাকেট ANGEL লেডিজ ফুল স্লীভ হুডি

শুধু ফ্যাশন হাউসগুলোই না, রাজধানীর নিউমার্কেট, বঙ্গবাজার, ধানমণ্ডি হকার্স মার্কেটসহ নগরীর অভিজাত শপিং মলগুলোতেও খুঁজে পাবেন আপনার সঙ্গে মানানসই হরেক রকম হুডির কালেকশন। তবে বাজারে গেঞ্জির কাপড়ের সামনে পকেটওয়ালা হুডির চাহিদা তুলনামূলক বেশি। টু-ইন গেঞ্জির হুডিগুলোর চাহিদা অন্য ডিজাইনের হুডির চেয়ে অনেক বেশি। কম দামে বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের হুডি কিনতে চাইলে চলে যেতে পারেন বঙ্গবাজার, বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেট, নিউমার্কেটে। বাংলাদেশের বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলে ফ্যাশনেবল সব ধরনের হুডি পাবেন।ফুরফুরে মেজাজে শীতকে উপভোগ করতে সেইসঙ্গে শীতে স্মার্ট থাকতে আজই কিনে নিন আপনার পছন্দের হুডি আজকের দিল থেকে। এই লিংকে ও ছবিতে ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন আজকের ডিলের লেডিজ হুডির যাবতীয় তথ্য।

 

জেন্টস ফুল স্লীভ ব্ল্যাক হুডিলেডিজ হুডি জ্যাকেট

দামদর : ব্র্যান্ডের হুডিগুলোর দাম পড়বে ৭০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত। তবে নিউমার্কেট, বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেটে হুডির দাম পড়বে ২৫০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। তাই ফ্যাশনসচেতন তরুণীরা বেছে নিতে পারেন আপনার পচ্ছন্দমতো হরেক ডিজাইনের ট্রেন্ডি হুডি।

*বউনিঅফার* *লেডিজহুডি* *শীতেরফ্যাশন* *হালফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ডেনিমের আকর্ষণীয় শার্ট কালেকশনএই শীত এই গরম! সারাটা দিন গরমে গেলেও বিকেল হলেই শীতের বাতাস। এই আবহাওয়ায় কড়া রোদ দেখে একদম পাতলা হাফ-হাতা টি–শার্ট পরলেন তো একটু পরেই শুরু হলো শীতের বাতাস। যদি শীত ও গরম একই সঙ্গে আপনাকে বোকা বানায় তাহলে কী করণীয়? গভীর চিন্তায় ডুবে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ, এই ঠান্ডার সময়ের শুরুর দিকে ফুলহাতা শার্টই হতে পারে আপনার জন্য ফ্যাশন। অনেকটা এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো, ঠান্ডা এবং ফ্যাশন দুটোই সামলে নিতে পারবেন ফুলহাতা ডেনিম শার্টের মাধ্যমে।

ডেনিম

শার্ট কিনতে ক্লিক করুনশার্ট কিনতে ক্লিক করুন
ডেনিমের পোশাকের সূচনাটা হয়েছিল ছেলেদের প্যান্ট দিয়ে। পরে এলো শার্ট। এখন ছেলে-মেয়ে উভয়ের প্যান্ট-শার্ট তো বটেই, ফুল ও শর্ট স্লিভ জ্যাকেট, ব্লেজার, হুডি, কুর্তি, ফুল স্লিভ স্কার্ট, ফতুয়া থেকে শুরু করে হাল ফ্যাশনের কটি-সবই ডেনিম দিয়ে। একটা সময় ভাবা হতো, ডেনিম পোশাক শুধু তরুণদের। সে ধারণাও বদলেছে। এখন সব বয়সীর জন্যই আছে ডেনিমের পোশাক। 'পরতে আরাম। ক্যাজুয়াল ও ফরমাল দুটো লুকেই এই পোশাক মানিয়ে যায়। এবার শীত ফ্যাশনের ট্রেন্ডটাও ডেনিমকে ঘিরেই।'

শার্ট কিনতে ক্লিক করুনশার্ট কিনতে ক্লিক করুনসময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফ্যাশন অনেকটাই বদলে গেছে। ফুলহাতা শার্ট এখন ফ্যাশনের নতুন এক মাত্রা যোগ করেছে। এই সময়ে ডেনিমের ক্যাজুয়াল ফুলহাতা শার্ট পাওয়া যাচ্ছে প্রায় সব শপিং মলে। তাই একটু ভারী ফুলহাতা শার্ট পরে ঠান্ডাকে বুড়ো আঙুল আপনি দেখাতেই পারেন। যাঁদের একটু ঠান্ডাতেই নাজেহাল অবস্থা হয়ে যায়, তাঁরা কান ঢেকে চলাফেরার জন্য পরতে পারেন হুডি শার্ট।

শার্ট কিনতে ক্লিক করুনশার্ট কিনতে ক্লিক করুনবাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্লিম ফিটেড ও কোমর পর্যন্ত লম্বা শার্টগুলো এখন অনেকেরই পছন্দ। তাই এখন ফরমাল, ক্যাজুয়াল বা এক্সিকিউটিভ শার্টগুলো হচ্ছে স্লিম ফিটেড। চেক, স্ট্রাইপ, এক রঙের কিংবা অনেক রঙের শার্টগুলোর কদর এখনো আগের মতোই আছে। তবে এই সময়ে গাঢ় রঙের শার্টগুলোই একটু বেশি বিক্রি হয়। হালকা শীত পড়লে ডেনিম শার্টও বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। পাতলা ডেনিম দিয়ে তৈরি এই শার্টগুলো শীত-গরম সব সময়ই পরতে পারেন। যদি সস্তায় এ ধরনের শার্ট পেতে চান তাহলে একটা ঢুঁ মেরে আসতে পারেন ঢাকার শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট, পুরান ঢাকার বঙ্গবাজার কিংবা নিউমার্কেটে। আর যদি আরও একটু ভালো শার্ট চান তাহলে চলে যেতে পারেন ব্র্যান্ডগুলোর শোরুমে। তবে সত্যি বলতে সব শার্টের দাম নির্ভর করে ব্র্যান্ড, নকশা ও কাপড়ের ওপর।

শার্ট কিনতে ক্লিক করুনশার্ট কিনতে ক্লিক করুন

ব্র্যান্ডের পোশাকের দাম একটু বেশি হয়েই থাকে। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসে ডেনিম শার্টের দাম পড়বে ১০০০ থেকে ২৫০০ টাকা। যদি ঘরে বসেই ব্র্যান্ডের শার্ট কিনতে চান তাহলে ঘরে আসুন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকম থেকে। কমদামে ভালো মানের ডেনিম ফ্লুল-স্লিভ শার্ট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ডেনিমশার্ট* *শার্ট* *জিন্সশার্ট* *স্মার্টশপিং* *শীতেরফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের ফিটফাট ফ্যাশন কালেকশনফ্যাশন সচেতন সবাই সবসময় একটু পরিপাটি ও ফিটফাট থাকতে চায়। কিন্তু সকালের হালকা কুয়াশা ও বিকেলের হালকা শীতে শুধু জিন্স, টি-শার্ট পরে আর চলছে না। গরম কাপড় চাই এখন। তবে খুব ভারি নয়, মোটা কাপড়ের শার্ট, ফুলস্লিভ পোলোশার্ট, জ্যাকেট কিংবা ব্লেজারই যথেষ্ট এই সময়ে। চলুন হালকা শীতে ফিটফাট থাকার কিছু পণ্য কালেকশন দেখে নেই।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনগরম কাপড় মানেই এখন আর মোটা কাপড় বোঝায় না। তাছাড়া তরুণরা চান, শীতের কাপড়ে যেন ফ্যাশনটাও হয় ঠিকঠাক। আর তাই তো এখন বাজারে হালকা গরম কাপড়ের কাটছাঁটে বৈচিত্র্যের অভাব নেই। মোটা স্যুট-কোট বা হাত থেকে পা অবধি শীত পোশাকের আবরণে নিজেকে মুড়িয়ে রাখা ঠিক পছন্দ নয় অনেকের। কাপড়ের ধরনের সঙ্গে রং আর নকশাটাও দেখে নেন ছেলেরা।

কিনতে ক্লিক করুনশীতের পোশাকে এখন হালকা-পাতলার চল। মোটা কাপড়েরর শার্ট, ফুলস্লিভ পোলো, পাতলা হুডি, জ্যাকেট আর ব্লেজারের মিশ্রণে তৈরি নতুন ধরনের শীত পোশাক তাই আছে ছেলেদের পছন্দের শীর্ষে। আজকাল এ পোশাকের ভেতরে গরম কাপড় বা ‘ইনার’ পরে নেন অনেকে। ফলে জ্যাকেট বা ব্লেজার একটু পাতলা হলেও চলে।

কিনতে ক্লিক করুনপাতলা বা কৃত্রিম চামড়া, জিন্স, সুতি, গ্যাবার্ডিন, মখমল কাপড়ের ব্লেজার বা জ্যাকেট, উলের তৈরি পাতলা নানা রঙের সোয়েটার ইত্যাদি বেশ চলছে এবারের শীতে। তবে এসব জ্যাকেটে হাই শোল্ডার, বড় আকারের বোতাম, হাতা বা নিচের দিকটায় নানা ধরনের কাটের চল এসেছে। কোনো কোনো জ্যাকেটের সামনের দিকে বোতামের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়েছে চেইন। চাইলে জ্যাকেটের বুক খুলে ভেতরে রঙিন টি-শার্ট পরে বেরোতে পারেন।

কিনতে ক্লিক করুনহুডি জ্যাকেটও মিলবে বাজারে। উলের সোয়েটারে গোল গলার পাশাপাশি ভি গলা চলছে। সামনের দিকে বুক পর্যন্ত কেটে কোনোটিতে আবার দু-তিনটি রঙিন বোতাম এঁটে দেয়া আছে। ফুল হাতার এসব সোয়েটারের হাতার দিকে আলাদা রং তার উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে তুলেছে। গ্যাবার্ডিন কাপড়ের ক্যাজুয়াল ব্লেজারে এক রং ছাড়াও মিলবে নানা ধরনের ওয়াশ। ফলে এগুলো বেশ বৈচিত্র্যময়। জ্যাকেট বা ব্লেজার, যেটাই পরুন না কেন, সঙ্গে হাইনেক বুট আর গলায় পেঁচিয়ে নিতে পারেন স্কার্ফ। ব্যস, এটুকুতেই এই শীতে আপনি হয়ে উঠতে পারেন আকর্ষণীয়।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনরাজধানীর আর্টিস্টি, ওটু, একস্ট্যাসি, ফ্রিল্যান্ড, স্মার্টেক্স, তানজিম স্ট্রিট, ক্যাটস আই, প্লাস পয়েন্ট, ইনফিনিটিসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস, বসুন্ধরা সিটি, নিউমার্কেট ও তার আশপাশ, উত্তরা, ধানমণ্ডির বিভিন্ন শপিং মল, মিরপুর ছাড়াও রাজধানীর প্রায় মার্কেটেই কিনতে পারেন শীতের পোশাক।

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুনএতো গেল অফলাইন মার্কেটের কথা। এর বাইরেও দেশের বড়বড় অনলাইন শপগুলোতে জমে উঠেছে হালকা শীতের জমজমাট কালেকশন। অনলাইন থেকে আপনি ঘরে বসেই সাধ্যের মধ্যে সব ধরনের ফুলস্লিভ টি-শার্ট কিনতে পারবেন। অনলাইন এথকে এসব পণ্য কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্মার্টশপিং* *শীতেরফ্যাশন* *ফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হালকা শীতের বেস্ট কালেকশনশীত জেঁকে বসতে এখনো অনেকটা দেরি। তবে সকালে কাজে বের হলে কিংবা রাতে বাড়ি ফেরার সময় বেশ ঠাণ্ডা ভাব অনুভূত হয়। মৌসুমটি বেশ উপভোগেরও বটে। এমন সময়ে না ভারি শীতের পোশাক পরা যায়, না বেছে নেয়া যায় সাধারণ পোশাক। এ হালকা শীত ফ্যাশনের জন্য দারুণ উপযোগী। চমৎকার সব স্টাইলিশ পোশাক হতে পারে আপনার এ সময়ের সঙ্গী।

পণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনপণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনবাজারে ঘুরলেই দেখবেন একদম হালকা জিন্স বা গ্যাবাডিনে তৈরি জ্যাকেট এরই মধ্যে চলে এসেছে। হালকা শীতে এগুলো দেখাবে দারুণ স্টাইলিশ। পাতলা উলের সোয়েটার কিংবা ফুল স্লিভ টি-শার্টও চলে এসেছে বাজারে। এগুলো একইসঙ্গে আপনাকে দেবে উষ্ণতা ও স্টাইল। শীতের সময় জ্যাকেট কিংবা সোয়েটারের সঙ্গে নানা স্টাইলের জিন্সের চলটাই সবচেয়ে বেশি। ভালো লাগবে ফর্মাল প্যান্টের সঙ্গেও। ফুল শার্টের ভেতরে একটি টি-শার্ট পরে নিলে মন্দ হয় না।

সালোয়ার কামিজ পরা মেয়েদের জন্য আছে লং জ্যাকেট, পঞ্চ। ফুলহাতা উজ্জ্বল রঙের লম্বা পাঞ্জাবিও আছে। যা চুড়িদার পায়জামার সাথে পরে তার ওপর একটা শাল জড়িয়ে নিলে ফ্যাশনও হবে, হবে আরামও।

পণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনএখন তরুণীরা পছন্দ করছে মোটা কাপড়ের টপস, লেগিংস আর বাহারি ডিজাইনের কার্ডিগেন। শাড়ির ক্ষেত্রে ফুলস্লিভ ব্লাউজ আর শাড়ির সাথে মিলিয়ে শাল জড়িয়ে হয়ে উঠতে পারেন অনন্য। টি শার্ট বা শার্ট পরলে উপরে পরতে পারেন হাতা কাটা সোয়েটার। অথবা একটু ঢিলেঢালা পুলওভার। এবারে শীতে আঁটসাঁট নয় বরং ঢিলেঢালা পোশাকই পরতে আগ্রহী কিশোরী আর তরুণীরা। সোজা কাটের পোশাকের সাথে বেছে নিতে পারেন হাঁটু পর্যন্ত লম্বা ব্লেজার।

পণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনপণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনজ্যাকেট আর ব্লেজারের সংমশ্রিণে তৈরি নতুন ধরনের শীতের পোশাক উঠে আসছে তরুণদের পছন্দের তালিকায়। অফিসের প্রয়োজনে ব্লেজার পরতে পারেন। তবে আগের মত আর সাদা, কালো বা ছাই রঙের ব্লেজার নয়। এবার বেছে নিতে পারেন গাঢ় মেরুন, কালো হলুদের মিশ্রণ, বেগুনি, পার্পেল রঙের ব্লেজার। এ ছাড়া হুডি জ্যাকেটও ধরে রাখছে হাল ফ্যাশনের আবেদন। আর মাফলার তো আছেই। ছেলে-মেয়ে সবার পছন্দের র্শীষে উঠে এসেছে রঙিন মাফলার।

পণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনশীতকাল হলো আঁটসাট চাপা জিন্স পরার উপযুক্ত সময়। এক্ষেত্রে গাঢ় রঙ এর প্রাধান্য দেয়া উচিত। বিভিন্ন রঙ এর শার্টের সাথে অল্প কিছু গয়না কিংবা গয়না না পরে কেবলমাত্র স্কার্ফ ব্যবহার করা যায়। স্কার্ফ এমন একটা ফ্যাশন অনুসঙ্গ, যা কি না শীত বা গ্রীষ্ম যে কোনো ঋতুতে যে কোনো পোষাককেই দারুণ আকর্ষণীয় করে তোলে। সাদা টপ আর প্লেইন জিন্সের সাথে একটা স্কার্ফ জড়িয়ে নিলেই ভীষণ মার্জিত আর স্টাইলিশ দেখাবে। এটাই স্কার্ফ ব্যবহারের সুবিধা।

পণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনপণ্যটি কিনতে ক্লিক করুনএই শীতে লেগিংসের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। ঢিলেঢালা সোয়েটারের সাথে লেগিংস আর পা ঢাকা জুতোয় দারুণ মানাবে যে কোন তরুণীকেই। ভি আকৃতির টিশার্টের সাথে সোয়েটার আর একটা স্কার্ফ জড়িয়ে নিলেও দেখতে ভালো লাগবে। এখন চেক শার্টও তরুণীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে।

শীত ফ্যাশনের এই সব কালেকশন পেয়ে যাবেন ঘরে বসেই। এজন্য আপনি ঢুঁ মারতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকেরডিল ডটকম এর ওয়েবসাইটে। এখানে ক্লিক করে আজকের ডিলের সবরকম কালেকশন দেখেনিন। 

*স্মার্টশপিং* *শীতেরফ্যাশন* *ফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাফলার, কান টুপি এই পোশাকগুলো তো বড্ড সেকেলে। শীত থেকে বাঁচতে কান মাথা বাঁচাতে যা তা কি আর পড়া যায়?  ফ্যাশনেবল না হলে কি আর তা পরা যায়? এর স্মার্ট সমাধান হুডি। জ্যাকেট বা সোয়েটারের শুধু হুডটা টেনে মাথা ঢেকে নেয়া। দেখতেও দারুণ। ব্যস আর কী চাই। হুড পরা তরুণ-তরুণীর সংখ্যা তাই বাড়ছেই। হুডিতে যেমন শীত থেকে সহজেই মুক্তি মেলে, তেমনি হাল ফ্যাশনের সব পোশাকের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা আলাদা ডিজাইন রং ও কাটের বৈচিত্র্যময় হুডি দিয়ে ভরে আছে ফ্যাশন হাউসগুলো। যেকোনো পোশাকের চেহারা বদলে যায় শুধু হুড যোগ করার ফলে। আর শীতে তো এটা দারুণ কার্যকর। এমনকি গরমেও অনেকে হুডসহ শার্ট পরতে পছন্দ করেন। একটু ভিন্ন রকম ক্যাজুয়াল ভাব আসে তাতে।

অনেকের কাছে সাদামাটা কাটের সোয়েটার পরতে ভালো লাগে না। আবার পাশ্চাত্য ধাঁচের পোশাক পরতেও খুব পছন্দ করেন। হুড দেয়া সোয়েটার বা জ্যাকেট তাই ভালো লাগে তাদের কাছে। শীতে তো পরেনই, গরমেও খাটো হাতার হুডি টপ পরতে ভালো লাগে। তাদের কাছে ডেনিম প্যান্টের সঙ্গে হুডি টপ দারুণ ফ্যাশনেবল বলে মনে হয়। 

একটা সময় হুডি ব্যবহার হতো শুধু জ্যাকেটেই। জিপারওয়ালা বা জিপার ছাড়া বড় পকেট থাকত পোশাকে। জরুরি জিনিসগুলো বহন করা আবার মাথা ঢাকা দুটো প্রয়োজনই মিটতো। তবে এখন রূপ বদলেছে এর। শুধু জ্যাকেট নয়, সোয়েটার, টি-শার্ট নানা ধরনের পোশাকেই হুড জুড়ে দেয়া হচ্ছে। মেয়েদের জন্য করা হচ্ছে নানা কাটের টপ। সঙ্গে থাকছে হুড। 

মেয়েদের হুডি :

ওয়েস্টার্ন আউটফিটের সঙ্গে হুডি খুব ভালো মানিয়ে যায়। সারা দিন শাল বা ভারী সোয়েটার সামলানোটা বেশ বিরক্তিকর। স্টাইলিশ হুডিগুলো দিনের বেলায়ও ভালো লাগে। আর রাতে তো কথাই নেই—টুপি তুলে, পকেটে দুহাত ভরে শীত উপভোগ করা। মেয়েদের হুডিগুলো সাধারণত উজ্জ্বল রঙের হয়ে থাকে। হলুদ, গোলাপি, বেগুনি, নীল, লাল, কালো ইত্যাদি রঙের।

এ ছাড়া প্রিন্টেড হুডি, সামনে রঙিন কার্টুন, বার্বির ছবি আঁকা হুডিও পাওয়া যায়। নিট কাপড়ের হুডিগুলো টি-শার্টের মতো পাতলা হওয়ায় দিনের অল্প শীতে বেশ আরামদায়ক। মেয়েদের হুডির কাটছাঁটে বৈচিত্র্য আরো বেশি। কটি, টি-শার্ট, টু ইন ওয়ান হুডি এমনকি টপস স্টাইলের হুডিরও দেখা মেলে। মেয়েদের হুডিতে ব্যবহার করা হয় বৈচিত্র্যময় বোতাম, স্টিকার, এমব্রয়ডারি।

ছেলেদের হুডি :

হুডি শুধু এখন সোয়েটার আর পেছনের একটা টুপি না, ব্লেজার, কটি, টি-শার্ট এমনকি শার্টের কাটছাঁটেও তৈরি হচ্ছে হুডি। আর ছেলেদের হুডির কাপড় হিসেবে লেদার, কোটের কাপড়, গ্যাবার্ডিন, কড, নিট, ডেনিম ইত্যাদি কাপড় ব্যবহার করা হচ্ছে। নকশায় প্রাধান্য পায় চেক, স্টাইপ, পলকা ডট ইত্যাদি। ছেলেদের হুডির রং হিসেবে কালো, বাদামি, কফি, অফ হোয়াইট, নেভি ব্লু প্রভৃতি রং মানিয়ে যায়। অনেক সময় এক রঙা হুডির ভেতরের অংশে ব্যবহার করা হয় অ্যানিমেল প্রিন্টসহ বিভিন্ন প্রিন্ট। হুডির সঙ্গে ক্যাজুয়াল যেকোনো প্যান্টই পরতে পারেন, জিন্স, গ্যাবার্ডিন কিংবা ডেনিম। হুডির হাতায়ও আছে বৈচিত্র্য । ম্যাগি হাতা, হাফ হাতা, ফুল হাতার সঙ্গে ফোন্ড করার বাড়তি বোতামসহ হুডিগুলো বেশ স্টাইলিশ। ছেলেদের হুডিগুলোতে পেছনের টুপি খোলার ব্যবস্থা করা থাকে অনেক সময়। দিনের বেলায় শীত কম থাকলে বাড়তি টুপিটা পিঠে বয়ে বেড়াতে না চাইলে বাড়িতে রেখেই বের হতে পারেন।

 

কোথায় পাবেন? কেমন দামে?

দেশের সব ফ্যাশন হাউসেই পাবেন হুডি। এ ছাড়া ঢাকা কলেজের বিপরীত পাশের গ্লোব সুপার মার্কেটে, গুলিস্তান স্টেডিয়াম মার্কেটেও পাবেন অনেক বৈচিত্র্যময় হুডি। ব্রান্ডের হুডি পাবেন এক হাজার ৫০০ থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকার মধ্যে। নন ব্রান্ড হুডির দাম ৬০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকার মধ্যেই। আর অনলাইনে কিনতে চাইলে আজকের ডিল ছাড়া আর কি হতে পারে। কারণ আজকের ডিলে চলছে হুডির অস্থির কালেকশন ! ৪২০ টাকা থেকেই পাওয়া যাচ্ছে। আজকের ডিলের হুডির কালেকশন দেখতে ছবিগুলোতে এবং হুডি এই লিংকে ক্লিক করুন।

*হুডি* *শীতেরফ্যাশন* *হালফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতে ফ্যাশনেবল আউটলুক ধরে রাখতে মেয়েয়ের পছন্দের তালিকায় যুক্ত হয়েছে বাহারি সব সোয়েটার।রুচিশীল মার্জিত সোয়েটারই এখন মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে। পছন্দসই ও সময়োপযোগী সোয়েটার শুধু শীত নিবারণ নয় সৌন্দর্যও বাড়িয়ে তোলে দ্বিগুণ। সোয়েটারে ফ্যাশনে আধুনিক মেয়েদের পছন্দের তালিকায় যে সব সোয়েটার উঠে  এসেছে আজকের আয়োজন সেই সব সোয়েটার নিয়ে। 

স্ট্রাইপ সোয়েটার 
তরুণীদের মানসিকতার প্রতি লক্ষ্য রেখে পাশ্চাত্য ধারা অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে মেয়েদের জন্য বিশেষ সোয়েটার। দৈর্ঘ্য একটু বেশি ও স্ট্রাইপ সোয়েটার এবার বেশি চলছে। সোয়েটারের গলায় ওভার ফ্লিপ ডিজাইন ব্যববার করা হয়েছে।এটি স্কার্ফের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।শীত থেকে দূরে থাকতে এই সোয়েটারটি ব্যাবহার করতে পারেন। এটি বেশ আরামদায়ক ও স্টাইলিশ। যে কোন প্যান্ট বা পোশাকের সাথে এটি মানিয়ে যায়।

হাতাকাটা লং সোয়েটার
টি-শার্ট ও শার্টের ওপর পরার জন্য হাতাকাটা সোয়েটার মানানসই। এর মধ্যে কুচি দেয়া, চুড়িদার বাতা তরুণীদের পছন্দ। এগুলো সম্পূর্ণ আঁটসাঁট নয় বরং একটু ঘের দেয়া, ঢোলা শীত পোশাকের বেশ চাল দেখা যাচ্ছে। নিট কাপড় দিয়েই মূলত তৈরি হয়েছে এসব সোয়েটার।


পশমি উল ও ক্রুশ কাজের সোয়েটার 
বর্তমানে পশমি উল ও ক্রুশ কাজের সোয়েটারও পরছেন অনেকে। তবে সোজা কাটের প্যান্ট বা জিনসের সঙ্গে মানানসই বেন্টজার ও কোট অনেকের পছন্দ। এর নিচের দিকে ফিতা দিয়ে নকশা করা হয়েছে, যাতে ফিকিং ভালো হয়। নকশায় ইয়ার্কিও ব্যববার করা হয়েছে ছোট ছোট পাথর।

হাতায়-গলায় কুচি দেয়া সোয়েটার
হাতায়-গলায় কুচি দেয়া, ভাঁজ করা সোয়েটার চলছে।  কি-শার্টের মতো সোয়েটারের চাহিদাও রয়েছে। পাতলা কাপড়ের সোয়েটার চলছে বেশ। অল্প শীতে এ ধরনের পাতলা সোয়েটার আরামদায়ক। এসব সোয়েটার স্কিন জিন্স ছাড়াও সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে পরা যায়। এটি বেশ আরামদায়ক ও স্টাইলিশ। যে কোন প্যান্ট বা পোশাকের সাথে এটি মানিয়ে যায়। ফ্যাশনে আউটলুক ধরে রাখতে এই ধরনের সোয়েটার আপনাকে সবসময় সাহায্য করবে।


ক্রু নেক বা গোল গলার সোয়েটার 
বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায়, পার্কিতে বা বেড়াতে গেলে সব থেকে সহজ ও আরামদায়ক হতে পারে ক্রু নেক বা গোল গলার সোয়েটারগুলো। যে-কোন ট্রাউজার বা জিনসের সঙ্গে মানিয়ে যায় এটি। এ ছাড়া ব্লেজার কিংবা জ্যাকেটের নিচে পরা যায়, যা ট্রেন্ডি ও স্টাইলিশ। 


কোথায় পাবেন 
স্টাইলিশ সোয়েটারের দেখা মেলে বসুন্ধরার ইনফিনিকি, মুস্তফা মার্ট, স্মার্টটেক্স, আর্টিস্টিতে। এছাড়া গুলিস্তান, মালিবাগ, ফার্মগেট, সদরঘাট, উত্তরা, বনানী, গুলশান, মিরপুর, সদরঘাট, কেরানীগঞ্জ, এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেটসব রাজধানীর বিপণিবিতানে সোয়েটার পাওয়া যায়। দরদাম সাধারণত হাতকাটা বা ম্যাগিবাহ সোয়েটার পাওয়া যাবে ৯০ থেকে ২৫০ টাকা। ফুলহাতা মেয়েদের সোয়েটার ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকা। ভাল মানের সোয়েটারের দাম পড়তে পারে প্রতিটি সোয়েটার ৭০০  থেকে ৩০০০ টাকা। ফুলহাতা সোয়েটার ১২৫০ থেকে ৭০০০ বাজার টাকা পর্যন্ত।অনলাইন থেকে কিনতে চাইলে ঘুরে আসুন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল ডটকমের ওয়েব সাইট থেকে। 
*সোয়েটার* *শীতেরপোশাক* *শীতেরফ্যাশন* *শপিং* *অনলাইনশপিং*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত মানেই ‘জ্যাকেট সিজন’। স্পষ্ট করে বললে, লেয়ারিং-এর ফান্ডায় ফ্যাশনে উষ্ণতার বুনিয়াদ। এই শীতে শরীরে রঙ ঢালতে হলে জ্যাকেটই ভরসা! এক রঙা লেয়ারিং-এর কেতাবি সাজে চড়া রঙের জ্যাকেটেই থাকে একমাত্র যাদু। শপিং মল থেকে শুরু করে নিউ মার্কেট বা ফুটপাথ পর্যন্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে এখন জ্যাকেটের পসরা। আর কত রকম ভাইব্র্যান্ট, এনার্জেটিক সব রঙ! দেখে চোখ আর মন দুই-ই জুড়োতে বাধ্য। ওয়ার্ড্রোব সাজাতে অগত্যা ঝাঁপিয়ে পড়া ছাড়া গতি নেই।

বোম্বার জ্যাকেট
হাতের নাগালেই রয়েছে বোম্বার জ্যাকেট। যার অন্য নাম ফ্লাইট জ্যাকেটও বটে। এক সময় এই জ্যাকেটের উদ্ভাবন কেবল পাইলটদের জন্যই। তবে একে এখন ফ্যাশন স্টেটমেন্ট-এর এক অন্য পরিভাষা বলাই যায়। হাড়কাঁপানো শীতে উষ্ণতা পেতে গেলে এ রকম এক পিস স্টকে রাখতেই হবে। উল, লেদার ইত্যাদি নানা ঢঙে পাওয়া যাবে। কোনও পার্টিতে একটা ইভনিং ড্রেসের উপর পরে ফেলুন নির্দ্বিধায়। পায়ে থাকুক হিল। ফেমিনিন লুক পেতে বাধ্য। মুহূর্তেই যে পার্টির মধ্যমণি হয়ে উঠবেন, সে ক্ষেত্রে সন্দেহ নেই। বেশি হাড়কাঁপানো শীতে একটা বোম্বার জ্যাকেট চাপিয়ে নিলে যে বেশ ভালই আরাম, সেটাও মানছেন আজকের আধুনিকারা। 
ওভারসাইজড সোয়েটার
ওভারসাইজড সোয়েটার-এর কথাও ভুললে চলবে না। টমবয়িশ লুক পেতে গেলে এই সোয়েটারের জুড়ি মেলা ভার। চটপট একটা বয়ফ্রেন্ড জিনস্-এর উপরে একটু বড় সাইজের সোয়েটার পরে ফেলতে পারেন। পায়ে থাকুক ক্যানভাস জুতো। আর গার্লি লুক পেতে হলে লার্জ-স্মল কনট্রাস্ট করে পরুন। মিনি স্কার্ট বা পেনসিল স্কার্টের সঙ্গে রঙ বা প্রিন্টের সাম্যতা বজায় রেখে একটা বড় সোয়েটার পরুন। 'ভিতরে যদি এক কালারের টপ পরেন, তবে অবশ্যই উপরের সোয়েটার প্রিন্টেড হতে হবে। ঠিক তেমনই উল্টোটা। চাইলে সোয়েটারের ভিতরে ট্যাঙ্ক টপও পরতে পারেন'। বোহেমিয়ান লুক পেতে  ম্যাক্সি স্কার্টের সঙ্গে মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ করে ওভার সাইজড সোয়েটার গলান। এ বেলায় পায়ে অবশ্যই ওয়েজ হিল পরবেন।


কিমোনো জ্যাকেট
এছাড়া এখন বাজার গরম ‘কিমোনো-ইন্সপায়ার্ড’ ফ্যাশনে। কিমোনো হল জাপানের ট্র্যাডিশনাল পোশাক। ষাট-সত্তরের দশকে এই জ্যাকেটের চাহিদা ছিল তুঙ্গে। একটু পুরনো বা ভিনটেজ লুকে ফিরে যেতে মন চাইছে? তাহলে কিমোনো জ্যাকেট বেস্ট। এই প্রজন্মের আধুনিকারাও কিমোনো বেশ ভালই পছন্দ করছেন। এছাড়াও ডিজাইনাররা শীতের পোশাক হিসেবে বোলেরো জ্যাকেট, পঞ্চু কিংবা ট্রেঞ্চ কোটকেও বেশ প্রাধান্য দিচ্ছেন।

(সংকলিত)

*শীতেরফ্যাশন* *জ্যাকেট*
শপিং

লিজা : কেনাকাটা সংক্রান্ত একটি তথ্য দিচ্ছে

৮০০ টাকা
http://www.ajkerdeal.com/Product/28104/multi-color-sweater

আকর্ষনীয় ডিজাইনের আরামদায়ক শীতের সোয়েটার

*অনলাইনশপিং* *শীত* *ফ্যাশন* *শীতেরফ্যাশন*
২৮০বার দেখা হয়েছে

প্রশ্ন-লাইফস্টাইল: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তসর নিয়ে এখন ফ্যাশনে চলছে নানা ধরনের এক্সপেরিমেন্ট। আপনার শীতের ফ্যাশন সাজিয়ে তুলতে দেওয়া হল দারুণ কয়েকটি অপশনস।


তসর শাড়ির বৈশিষ্ট্য আসলে এর আঁচলে। আঁচলের কনট্রাস্ট হলুদ, সবুজ এবং লাল রঙের সঙ্গে মানানসই সবুজ ব্লাউজ। ছিমছাম লুকের জন্যে কোনও গয়না না পড়লেও চলে। হাতে শুধু পড়ুন ওভার সাইজের রুপোর আংটি। মেরুনরঙা তসরের শাড়িতে উইভ করা সরু সিলভার পাড় চাইলে বসাতে পারেন। আঁচলে হরাইজন্টাল স্টাইপ বেশ ভালো মানাবে। 


কনট্রাস্ট রাস্ট কালারের ব্লাউজ আর ক্লাচে অভিনব স্টাইল স্টেটমেন্ট। সঙ্গে মানানসই রুপোর গয়না। তসরের শাড়িটির পাড়ে অসমের বুনট পাড়, আঁচলের সঙ্গে সঙ্গে সারা গায়ে সুতোর কাজ করা থাকলে সেটা বেশ ইউনিক লুক আনবে নি:সন্দেহে । সঙ্গে মানানসই রুপোর গয়না। এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে  লাল তসরের শাড়ির পাড়ের উপরে গোল্ডেন টেম্পল কাজ করা। সারা গায়ে রয়েছে এই একই টেম্পলের কাজ। উইভড আঁচল শাড়িগুলোকে আরও আকর্ষক করেছে। সঙ্গে মানানসই বটুয়া এবং হালকা গয়না থাকলে তো কোনো কোথায় নেই l 
*শাড়ি* *হালেরফ্যাশন* *শীতেরফ্যাশন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★