শীতের সবজি

শীতেরসবজি নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শীতের কোন কোন সবজি আপনার ভীষণ প্রিয়?

উত্তর দাও (৩ টি উত্তর আছে )

.
*শীতকাল* *শীতেরসবজি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 শীতের নানা রকম সবজি দিয়ে সবজির প্যানকেক বানাতে চাই ; রেসিপি জানা আছে কারো?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*শীতেরসবজি* *প্যানকেক* *রেসিপি* *সবজিরপ্যানকেক*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের আগমনী বার্তা এখন প্রকৃতি জুড়ে। শীতের সবজিও উঠতে শুরু করেছে বাজারে। শীতের সবজি আর পিঠা—এ দুটোই শীতের মজার খাবার। পুরো শীতকালে সবজির বাজার নানা রকম সবজিতে থাকে ঠাসা। ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, ব্রোকলি, গাজর, শালগম, টমেটো, শিম, চিনা বাঁধাকপি, লাল বাঁধাকপি, ফ্রেঞ্চবিন—কত-না সবজি! এর সঙ্গে রয়েছে শীতের মজাদার পালংশাক। এসব শাকসবজি খেয়ে পুরো শীতকাল চনমনে হয়ে উঠতে পারেন, বাড়াতে পারেন দেহের পুষ্টি। যদিও শীতের বেশ কিছু সবজি এখন অন্য সময়েও পাওয়া যায়, তবু শীতকালে শীতের সবজির মজাই যেন আলাদা। শীতের শিশিরে সবজি থাকে টাটকা। শাকসবজি যত টাটকা খেতে পারবেন, তার পুষ্টিগুণ তত বেশি ঠিক থাকবে। বিভিন্ন উপায়ে খেতে পারেন শীতকালিন সবজি।

আজকে আপনাদের জন্য থাকছে প্রেসার কুকারে শীতের সবজি রান্নার ঝটপট কিছু রেসিপি :

এই হিম হিম আবহাওয়ায় গরম স্যুপ হতে পারে উপাদেয় খাবার। বাঁধাকপি ও বিভিন্ন সবজি দিয়ে ঝটপট বানিয়ে ফেলতে পারেন মজাদার স্যুপ। 

বাঁধাকপির স্যুপ রেসিপি

উপকরণ :

মুরগির বুকের মাংস - ১ কাপ 
বাঁধাকপি কুচি- ২ কাপ
টমেটো কুচি- ১ কাপ
ধনেপাতা কুচি- ২ চা চামচ
গাজর কুচি- ২ কাপ
পেঁয়াজ কুচি- ২ কাপ
বরবরি কুচি- ১ কাপ
মরিচ গুঁড়া- স্বাদ মতো
গোলমরিচের গুঁড়া- সামান্য
মসলা- যেকোনও একটি স্বাদ মতো
কর্ন ফ্লাওয়ার- ১ চা চামচ


প্রস্তুত প্রণালি
মুরগি ও সব সবজি একসঙ্গে সেদ্ধ করে নিন প্রেসার কুকারে। কর্ন ফ্লাওয়ার দিয়ে আরও ১০ মিনিট সেদ্ধ করুন। মরিচ গুঁড়া ও মসলা দিন। গোলমরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন বাঁধাকপির স্যুপ।

সুস্বাদু সবজি সালাদ

উপকরণ :  মুরগির বুকের মাংস, গাজর কুচি আধা কাপ, শসা কুচি আধা কাপ, বাঁধাকপি কুচি আধা কাপ, পেঁপে কুচি আধা কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, সেদ্ধ ডিম কুচি ১টি, ভাজা বাদাম ১০-১২টি, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল-চামচ, (সিরকায় ভিজিয়ে রাখা) কাঁচামরিচ মিহি কুচি ২টি, ধনেপাতা কুচি ১ চা-চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল-চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, সালাদ ড্রেসিং ৪ টেবিল-চামচ, লবণ স্বাদমতো।

প্রস্তুত প্রণালি :
মাংস লবণ-পানিতে প্রেসার কুকারে সেদ্ধ করে পাতলা পাতলা করে কেটে ওপরের সব উপকরণ দিয়ে একসঙ্গে মাখিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করা যায় মজাদার সবজি সালাদ।

শীতের সবজি বিরিয়ানি

বিরিয়ানি নামটা শুনলে মাংস আর তেল, মশলা দেওয়া খাবারের কথা মনে পড়ে যায়। তেল মশলা কম দিয়েও বিরিয়ানি রান্না করা সম্ভব। নানারকম সবজি দিয়ে রান্না করে নিতে পারেন স্বাস্থ্যকর সবজি বিরিয়ানি। প্রেসার  কুকারে শীতের সবজি দিয়ে তৈরি করে নিন মজাদার সবজি বিরিয়ানি।

উপকরণ:

  • ১ কাপ পোলাও চাল
  • ৪টি লবঙ্গ
  • ২টি দারুচিনি
  • ১টি তেজপাতা
  • ৮-১০ টি গোলমরিচ
  • ১ চা চামচ জিরা
  • ১/২ চা চামচ মরিচের গুঁড়ো
  • ১ টেবিল চামচ ধনিয়া গুঁড়ো
  • ২ টেবিল চামচ বিরিয়ানি মশলা
  • ১/২ কাপ টকদই
  • ১ কাপ পেঁয়াজ কুচি
  • ১ টেবিল চামচ আদা রসুন কুচি
  • ১/৪ কাপ ফুলকুপি
  • ১/৪ কাপ বিনস
  • ১/৪ কাপ গাজর কুচি
  • ১/৪ কাপ আলু
  • ১/৪ কাপ পুদিনা পাতা কুচি
  • ১/৪ কাপ ধনেপাতা কুচি
  • তেল
  • লবণ
  • পানি

প্রণালী:

• পোলাও চাল ভালো করে ধুয়ে ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর পানি ফেলে দিন।

• প্রেসার কুকারে তেল গরম করতে দিন। তেল গরম হয়ে আসলে এতে তেজপাতা, এলাচ, গোলমরিচ, লবঙ্গ, জিরা দিয়ে দিন।

• কিছুক্ষণ নাড়ুন তারপর এতে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিন।

• পেঁয়াজ বাদামী রং হয়ে আসলে এতে আদার পেস্ট, রসুনের পেস্ট, পুদিনা পাতা এবং ধনেপাতা কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করুন।

• এরপর এতে আলু, গাজর, ফুলকুপি, বিনস দিয়ে দিন।

• সবজি রান্না হলে এতে লবণ, মরিচ গুঁড়ো, ধনিয়া গুঁড়ো, বিরিয়ানি মশলা এবং টকদই দিয়ে ৫ মিনিট রান্না করুন।

• এবার এতে চাল দিয়ে মশলার সাথে ৫ মিনিট নাড়ুন।

• এতে পৌনে দুই কাপ পানি দিয়ে প্রেসার কুকারের ঢাকনা লাগিয়ে দিন।

• প্রেশার কুকারে হুইসেল দিলে চুলা বন্ধ করে দিন।

• ব্যস তৈরি হয়ে গেল মজাদার সবজি বিরিয়ানি।

প্রেসার কুকার কোথায় পাবেন : প্রেসার কুকারে রান্না করলে অনেকটা সময় সাশ্রয় হয়। ছোট বড় কয়েকটি প্রেসার কুকার কিনতে পারেন। এগুলোর দাম পরবে ১০০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে। বাজারে এক থেকে ছয় লিটার ধারণক্ষমতার প্রেসার কুকার রয়েছে। দেশে তৈরি বেশ কয়েকটি ব্র্যান্ড বাজারে পাবেন নিউ মার্কেট, চন্দ্রিমা সহ  আপনার এলাকার যেকোনো ক্রোকারিজের দোকানেও। আর অনলাইনে কিনতে চাইলে আজকের ডিল থেকে নিশ্চিন্তে কিনতে পারেন। ওখানে দেশি-বিদেশী নানা ব্র্যান্ডের প্রায় ১০০ টি প্রেসার কুকার রয়েছে। কিনতে চাইলে এখানে ও ছবিতে ক্লিক করুন।

 

*প্রেসারকুকার* *শীতেরসবজি* *কুকিংটিপস* *রন্ধনটিপস* *রেসিপি*

বিডি আইডল: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাধাকপির স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জানতে চাই ।

উত্তর দাও (৯ টি উত্তর আছে )

.
*বাধাকপি* *স্বাস্থ্য-উপকারিতা* *শীতেরসবজি*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত মানেই সুস্বাদু সবজি ফুলকপির সমাহার। সবজির আধিক্যে ফুলকপির নিজস্ব অবস্থান ভিন্নতর। নানাগুণে গুণান্বিত এই সবজি রোগ প্রতিরোধক হিসেবে দারুণ উপকারী। তাই খাওয়ার আগে জেনে নিন ফুলকপির পুষ্টিগুণ।
ফুলকপিতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট৷ যা মানবশরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। গবেষকরা বলেছেন, ফুলকপি খেলে মূত্রথলির ক্যানসারের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ কমে যায়। তাই যুক্তরাষ্ট্রের রসওয়েল পার্ক ক্যানসার ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকরা সপ্তাহে অন্তত ৩ বার ফুলকপি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।  জেনে নিন সুস্বাদু আর উপকারি এই সবজিটির কিছু অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা।

ক্যান্সার প্রতিরোধক
ফুলকপি ক্যান্সারের জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সক্ষম। স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে এই সবজি। ক্যান্সারের জীবাণুকে দেহ থেকে বের করে দেওয়ার জন্য ফুলকপির রয়েছে যথেষ্ট অবদান।

ফুসফুস ভালো রাখতে
ফুলকপি খাওয়ার একটি অন্যতম উপকারিতা হল ফুসফুস রক্ষা করা।  ফুসফুস রোগ বৃদ্ধির জন্য দায়ী ভয়াবহ জীবাণুগুলো ফুলকপি খাওয়ার মাধ্যমে সহজেই ধ্বংস করা যায়। তাই ফুসফুস ভালো রাখতে ফুলকপি খেতে ভুলবেন না।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে
শীতের সুস্বাদু সবজি ফুলকপির আরও একটি অন্যতম গুণের একটি হল রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা। যারা ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন, তারা ফুলকপি খাবারের তালিকায় রাখতে দ্বিধা করবেন না।

খনিজ ও ভিটামিনের অন্যতম উৎস
ফুলকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, প্রোটিন, থায়ামিন, রিবোফ্লাভিন, নিয়াসিন, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, ফাইবার ভিটামিন বি৬, ফলেট, পটাশিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। যা কিনা মানবশরীরের পুষ্টি ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম। যারা নিয়মিত শারীরিক দুর্বলতার শিকার হন, তারা ফুলকপি বেশী বেশী করে খেতে পারেন।

মস্তিষ্ক ভালো রাখতে
ফুলকপির ভিটামিন বি উপাদান ও Choline উপাদান মস্তিষ্ক ভালো রাখতে ভীষণ উপকারি। বিশেষ করে যদি গর্ভবতী মায়েরা নিয়ম করে ফুলকপি গ্রহণ করেন, তাহলে নবজাতকের মস্তিষ্কের সম্পূর্ণ বিকাশ সাধন ঘটে।

বাড়তি ওজন কমাতে
ফুলকপি  শরীরের বাড়তি মেদ কমিয়ে  শরীরকে একটি সুন্দর গঠনে আনতে সাহায্য করে। যারা তাদের শরীরের বাড়তি ওজন নিয়ে চিন্তিত ও ডায়েট করার কথা ভাবছেন তারা নির্দ্বিধায় ডায়েট লিস্টে ফুলকপির নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

হজমে সাহায্যকারী
ফুলকপির উচ্চ ফাইবার উপাদান  খাদ্য হজম প্রক্রিয়াতে খুব সহায়ক।  যদি শীতের এই সময়টাতে  প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় সামান্য করে হলেও ফুলকপির কোন পদ রাখা যায়, তাহলে  খাবারে হজম নিয়ে কোন সমস্যায় হচ্ছে না।

চোখের যত্নে
চোখের যত্নে ফুলকপির কোন তুলনা হয় না। কারণ ফুলকপির ভিটামিন এ উপাদান  চোখের সঠিক দেখভাল করার জন্য যথেষ্ট। তাই চোখকে সুস্থ আর সুন্দর রাখতে ফুলকপি বেশী বেশী করে খাওয়া উচিত।

শুধু সুস্থ দেহের জন্যই নয়, চুল, ত্বক ও সাধারণ কাঁটা ছেঁড়া ও ইনফেকশন প্রতিরোধে ফুলকপির তুলনা হয় না।
কনটেন্ট সহযোগিতাঃ কলকাতা২৪
*শীতেরসবজি* *ফুলকপি* *হেলথটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য*

দীপ্তি: শীতের সবজি হিসেবে পালং শাক অতুলনীয়, এর পুষ্টিগুণও অপরিসীম l পারলে প্রতিদিন খান এই শাক, তবে এমনভাবে রাধুন যাতে ফ্রিজে রাখতে না হয় কারণ আয়রন ও নাইট্রেটে পূর্ণ এই স্বাস্থ্যকর খাবার ফ্রিজে রেখে গরম করলেই বাধায় ঝামেলা। এতে পালংয়ের নাইট্রেট ক্ষতিকর নাইট্রাইটে পরিণত হয়। আর জানেন তো, ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে নাইট্রাইট।

*পালংশাক* *শীতেরসবজি* *স্বাস্থ্যতথ্য*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শালগম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি সবজি। সাধারণত শীতকালের এ সবজিতে প্রচুর ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং প্রচুর পরিমাণে আঁশ আছে। এর পাতা শাক হিসেবে খাওয়া যায়, যা অত্যন্ত পুষ্টিকর। শালগম দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এর লিউটিন নামক উপাদান হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন-সি দেহের কোষ ক্ষয় রোধ করে। শালগমের পাতায় গ্লুকোসিনোলেট নামক উপকারী উপাদান রয়েছে, যা ক্যানসার প্রতিরোধ করে। রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

শালগমে প্রচুর আঁশ থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময় করে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। শালগম কফ, ব্রঙ্কাইটিস ও অ্যাজমা নিরাময়ে সাহায্য করে। রক্ত পরিশোধিত করে এবং রক্তকণিকা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি দেহে রোগসংক্রমণে বাধা দেয়। শালগম ক্ষুধামন্দা দূর করে। শালগমের রস রক্তে ইউরিক এসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এটি ব্রণসহ ত্বকের অন্যান্য সমস্যা নিরাময়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তবে বয়স্ক ব্যক্তি, যাদের অন্ত্রের সমস্যা আছে এবং খাবার হজমে অসুবিধা হয়, তাদের শালগম না খাওয়া উচিত।

সূত্র : ওয়েবসাইট

*শালগম* *শীতেরসবজি* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অতি পরিচিত লাউয়ের জন্ম কিন্তু আফ্রিকায় আমাদের দেশে লাউকে আঞ্চলিক ভাষায় কদু বলা হয় কচি লাউয়ের রং হালকা সবুজ, ভেতরে সাদা রঙের শাঁস এটি সবজি হিসেবে খাওয়া হয় শুধু লাউ নয়, লাউয়ের বাকল, লতা, এমনকি পাতাও খাওয়া যায়
পুষ্টিগুণ:
প্রতি ১০০ গ্রাম লাউয়ে রয়েছে জলীয় অংশ ৯৬.১০ গ্রাম, আঁশ . গ্রাম, খাদ্যশক্তি ১২ কিলোক্যালরি, প্রোটিন . গ্রাম, চর্বি . গ্রাম, শর্করা . গ্রাম খনিজ উপাদানের মধ্যে ক্যালসিয়াম ২০. মিলিগ্রাম, আয়রন . মিলিগ্রাম ছাড়াও সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিংক, ফসফরাস সেলেনিয়াম রয়েছে ছাড়া ভিটামিন , বি-কমপ্লেক্স সি ছাড়াও এতে ফলিক এসিড, ওমেগা- ফ্যাটি এসিড আছে
উপকারিতা:
- লাউয়ে প্রচুর পানি থাকে, যা দেহের পানির পরিমাণ ঠিক রাখতে সাহায্য করে ডায়রিয়াজনিত পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে
- লাউ খেলে ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক থাকে
- প্রসাবের সংক্রমণজনিত সমস্যা দূর হয় কিডনির কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে
- উচ্চ রক্তচাপবিশিষ্ট রোগীদের জন্য এটি আদর্শ সবজি
- কোষ্ঠকাঠিন্য, পাইলস, পেট ফাঁপা প্রতিরোধে সহায়ক
- এই সবজি দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ইনসমনিয়া বা নিদ্রাহীনতা দূর করে পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে
- লাউয়ে রয়েছে ক্যালসিয়াম ফসফরাস, যা দেহের ঘামজনিত লবণের ঘাটতি দূর করে দাঁত হাড়কে মজবুত করে
- ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লাউ যথেষ্ট উপকারী ডায়েটিংকালেও লাউ ভালো ফল দেয়
- চুলের গোড়া শক্ত করে, ধূসর হয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে

-সুত্র: আমার হেলথ ডেস্ক


*লাউ* *শীতেরসবজি* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশব্লগ লিখেছে


মুলা ভিটামিন সি সমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি, যা দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে মুলা সাধারণত সাদা, লাল হালকা গোলাপি রঙের হয়ে থাকে
পুষ্টিগুণ:
১০০ গ্রাম মুলা থেকে ১৬ কিলোক্যালরি খাদ্যশক্তি, . গ্রাম খাদ্যআঁশ, ২৫ মাইক্রোগ্রাম ফলেট, ১৪. মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ২৩৩ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ২৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, .২৮ মিলিগ্রাম জিংক এবং ১০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়
স্বাস্থ্যতথ্য:
* মুলার ক্যারোটিনয়েডস চোখের দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং ওরাল, পাকস্থলী, বৃহদন্ত, কিডনী এবং কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে
*মুলার ফাইটোস্টেরলস হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতে সাহায্য করে
* জন্ডিস আক্রান্ত হলে মুলা রক্তের বিলিরুবিনের কমিয়ে তাকে একটি গ্রহনযোগ্য মাত্রায় নিয়ে আসে যা কিনা জন্ডিসের চিকিৎসার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী
* মূলা মানুষের ক্ষুধাকে নিবৃত্ত করে এবং নকম ক্যালরিযুক্ত সবজি হওয়ায় দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে
* অর্শের প্রধান কারন হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রচুর আঁশ সমৃদ্ধ সব্জী মূলা খাদ্যের পরিপাক ক্রিয়াকে গতিশীল করে হজমে সহায়তা করে, যা অর্শ রোগের আশংকাকে নির্মুল করে দেয়
* রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে সেই সাথে লিভার এবং পাকস্থলীর সমস্ত দুষন এবং বর্জ্য পরিস্কার করে থাকে
* মুলা কিডনি রোগসহ মূত্রনালির অন্যান্য রোগে উপকারী
*শ্বেত রোগের চিকিৎসায় মূলা ফলদায়ক এন্টি কারসেনোজিনিক উপাদান সমৃদ্ধ মুলার বীজ আদার রস এবং ভিনেগারে ভিজিয়ে আক্রান্ত জায়গায় লাগাতে হবে অথবা কাঁচা মূলা চিবিয়ে খেলেও কাজ হবে
* মুলার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে কফ, মাথাব্যথা, অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণ করা যায়
* পোকামাকড়ের কামড় থেকে সৃষ্ট ক্ষত নিরাময়ে মুলার রস কার্যকরী
*জ্বর এবং এর কারনে শরীর ফুলে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে অত্যন্ত উপকারী সব্জী মূলা
* ত্বক পরিচর্যায়ও মুলা ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে কাজ করে কাঁচা মুলার পাতলা টুকরা ত্বকে লাগিয়ে রাখলে ব্রণ নিরাময় হয় এছাড়া কাঁচা মুলা ফেস প্যাক এবং ক্লিন্সার হিসেবেও দারুন উপকারী
সতর্কতা:
যাদের থাইরয়েড গ্রন্থি, বুকজ্বলার সমস্যা আছে তাদের মুলা খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত

-ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত

*মুলা* *শীতেরসবজি* *হেলথটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য*

নাফিসা আনজুম রাফা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের সবজি দিয়ে মজার বড়া।
উপকরণ 
শালগম ১টি বড়। কর্ন ফ্লাওয়ার আধা কাপ। মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ। হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ।
আদার রস ১ চা-চামচ। পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল-চামচ। লবণ স্বাদমতো। তেল পরিমাণমতো।
পদ্ধতি
শালগম ছোকলা ছাড়িয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে মুছে নিন। পরিষ্কার চপিং বোর্ডে শালগম পাতলা করে কুচি করে নিন।
উপরের সব উপকরণ মাখিয়ে ইচ্ছামতো আকার দিয়ে নিন। এবার ডুবো তেলে ভেজে সস বা চাটনির সঙ্গে পরিবেশন করুন।
*শীতেরসবজি* *পাকোড়া*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★