শৈশব স্মৃতি

শৈশবস্মৃতি নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে আপনি ছোটবেলায় কি কি করেছেন?

উত্তর দাও (১৫ টি উত্তর আছে )

.
*টিফিনেরটাকা* *শৈশবস্মৃতি*

রানা মাসুদ: স্কুল বেলার স্মৃতিঃ তখন ক্লাশ 4 এ। আমার বাড়ী থেকে স্কুল প্রায় ১.৫ কিঃমিঃ দূরে। এজন্য যারা স্কুলের পাশে ছিল ফাস্ট বেঞ্চ সব সময় তাদের দখলে থাকত। কিন্তু আমিও দমবার পাত্র ছিলাম না। ক্লাশ শুরু হত ১০. টায়। সকালে মোক্তবে যাওয়ার সময় অর্থাৎ ৭ টার সময় সাঈকেল নিয়ে স্কুল ব্যাগ রেখে আসতাম ফাস্ট বেঞ্চে (খিকখিক) তখন ধীরে সুস্থে যেতাম ক্লাশে কারণ দেরী হলেও ফাস্ট বেঞ্চ আমার দখলে(শয়তানিহাসি) মনে পড়লে এখনো (খুকখুকহাসি) আজএত বছরপরও ফাস্ট বেঞ্চ আর বন্ধুদের মিস করি(চিন্তাকরি)

*স্মৃতি* *শৈশবস্মৃতি*
ছবি

হাফিজ উল্লাহ: ফটো পোস্ট করেছে

শৈশব স্মৃতি

মনে পরে আজও শৈশবের সেই মজার দিনগুলি

*শৈশবস্মৃতি*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পয়লা বৈশাখ, নতুন সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়ে যায় বাঙালির নতুন জীবন। আমাদের ছেলেবেলার মফস্বল শহরে পয়লা বৈশাখ আর হালখাতা ছিল অনেকটা যমজ ভাইবোনের মতো। হাত ধরাধরি করে হাজির হতো দুজনে বছরের প্রথম দিনটিতে। বাজারের প্রায় সব দোকানেই বাংলা বছরের প্রথম দিনে ‘হালখাতা’ হতো বেশ ঘটা করেই। এই দিন দোকানে অতিথি-অভ্যাগতদের মণ্ডা-মিঠাই দিয়ে আদর-আপ্যায়ন করা হতো। আর সেটিই ছিল আমাদের ছেলেবেলার পয়লা বৈশাখের বাড়তি আকর্ষণ। অভিভাবকদের হাত ধরে আমরাও মাঝেমধ্যে সেই নিমন্ত্রণে হাজির হয়েছি। বড়দের মতো আমাদের প্লেটেও দেওয়া হয়েছে রসে ডুবুডুবু ধবধবে সাদা বড় রাজভোগ, রসগোল্লা, কালোজাম, চমচম আর মিরিন্ডার কাঁচের বোতল স্ট্র সহ। সঙ্গে কালিজিরা ছিটানো হালকা গেরুয়া রঙের একখানা নিমকি। মচমচে ভাজা। সাথে এক গ্লাস পানি। রাজভোগের মিষ্টতার বিলাসী আবেশের সঙ্গে নোনতা নিমকির নিরপেক্ষ স্বাদ এই দুই বিপরীত রসের স্রোতে রসনার তৃপ্তি হতে সময় লাগত না।
 
 
ছোটবেলায় বাবার সাথে হালখাতা খেতে যেতাম। খেতে যেতাম বলছি, কারণ খুব ছোটতে ভাবতাম হালখাতা মানে বোধয় মিষ্টি খাওয়া। মিষ্টি, দোকানের সাজগোজ সব মিলে ছেলেবেলাতে হালখাতা আমাকে টানতো, এখনো টানে তবে ডিজিটাল যুগে হালখাতার সেই আবহমানতা ফুটে উঠে কি না তা নিয়ে আমি বড়ই সন্দিহান। রঙিন কাগজের মালা, ফুল, জরির ঝালর দিয়ে সব দোকান সাজানো হতো। বাজারের একটা দোকানের সামনে কলাগাছের গেট তৈরি করে দেবদারু পাতা দিয়ে ছাওয়া হতো। তারই মাঝখানে রঙিন অক্ষরে লেখা ‘শুভ হালখাতা’। তারপর বাবার সাথে ঢুকে পড়তাম হালখাতার দোকানে। দোকানদার খুব আদর করে বসতে দিতেন। প্লেটভর্তি মিষ্টি এনে সামনে ধরে দিতেন। এত মিষ্টি খেতে যদিও পারতাম না, তবুও মিষ্টি দেখে চক্ষু হতো ছানাবড়া। জিভে আস্ত জল। দেনা পাওনা মিটিয়ে বাবা বলতেন "মেয়ে হালখাতা চেনে না, বুঝেছ। হা হা করে খানিক হেসে আমাকে বলতেন —মা এর নামই হালখাতা। খাও, মিষ্টি খাও। এর পরও দোকান থেকে ওঠার সময় আরও এক প্যাকেট মিষ্টি ধরিয়ে দিতেন দোকানদার। বৈশাখী মেলা থেকে নানা রকম খেলনা, বাঁশি, বেলুন কিনে বাবা আর আমার দুজনেরই হাত ভর্তি। তবু দোকানদার নাছোড়। হালখাতার মিষ্টি না নিলে তার দোকানের অকল্যাণ হবে। অতিথি দোকানে বসে খাবে, আর বাড়ির লোকেরা খাবে না, তাই হয়! বাঙালি হচ্ছে অতিথিপরায়ণ জাতি। অতিথিকে খাইয়ে-পরিয়ে আশ মেটে না। 
 
 
তারপর বেশ বড় হবার পর বুঝলাম, "হালখাতা" জিনিষটা কি আসলে ! ’হালখাতা শব্দটি বাংলা ভাষার অতিথি, আরবি-ফারসি জাত। জমিদারি আমলে ‘হালখাতা’ বৈভবের চূড়ান্তে পৌঁছেছিল।হালখাতা নতুন বাংলা বছরের হিসাব টুকে রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের অর্থাৎ দেশীয় ধরনের যাঁরা ব্যবসার হিসাব রাখেন, তাঁদের নতুন খাতা খোলায় এক আনুষ্ঠানিক উৎসব। পয়লা বৈশাখের এই অনুষ্ঠানটি এখন বেশ কিছুটা কমে গেছে। তবু হালখাতা এখনো যথারীতি খোলা হয়। 
 
 
‘মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো করে এভাবে না ভাবলেও নতুন বছরে পুরনো দিনের হিসাব শেষ করতে চান ব্যবসায়ীরা। গত বছরের সকল দেনা-পাওনা চুকিয়ে নতুন বছর থেকে হিসাবের নতুন খাতা খোলেন তারা। এতে ব্যবসায়ীরা তাদের লেনদেন, বাকি বকেয়া, সবকিছুর হিসাব-নিকাশ লিখে রাখেন। নতুন বছরের প্রথম দিনটিতে যারা ব্যবসায়ীদের নিয়মিত গ্রাহক, পৃষ্ঠপোষক ও শুভার্থী, তাদের চিঠি দিয় বৈশাখের প্রথম দিন গ্রামবাংলা-শহরে ছোট-মাঝারি-বৃহৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালখাতার আয়োজন করা হতো। এ উপলক্ষে ছাপানো হতো নিমন্ত্রণপত্র। মুসলমানদের নিমন্ত্রণপত্রে থাকত মসজিদের মিনারের ছবি, আর হিন্দুদের কার্ডে মাটির পাত্রে কলাগাছের পাতা, ডাব এবং উপরে দেবতা গণেশের ছবি।
হালখাতার এ রেওয়াজটি সময়ের বিবর্তনে প্রায় হারিয়ে গেছে। বাংলা নববর্ষের দিনটিতে হালখাতার আয়োজন এখন তেমন চোখে পড়ে না, তবুও শুনেছি পুরান ঢাকার ব্যবসায়ীরা হালখাতার এ ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। চিঠি বা লোক মারফত আমন্ত্রণ জানিয়ে এখনো জলযোগে আপ্যায়ন করা হয়। এই দিনটিতে কেনাবেচার চেয়ে সামাজিকতা ও সৌজন্য বিনিময় হয় বেশি। তবে মনন সৌজন্যমূলক হলেও এ সুযোগে অনেকে তাদের বকেয়াও শোধ করে দেন।
 
 
হালখাতার অনুষ্ঠানটি অবশ্যই পয়লা বৈশাখে প্রতিপালিত হতে হবে। সেদিন যে নতুন খাতার সূচনা হয়, তা অন্য দিনে চলে না। ব্যাপারটি সাংবাৎসরিক হিসাব রাখার বিষয় বলে তার ব্যবস্থা বাধ্য হয়েই নির্দিষ্ট দিনেই করতে হয়। হালখাতার সঙ্গে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের কোনো সম্বন্ধ নেই, যদিও হালখাতার মাথায় একটা স্বস্তিবচন লেখা থাকে। মুসলিম ব্যবসায়ী হলে তাঁর হালখাতায় ‘এলাহি ভরসা’ অথবা হিন্দু ব্যবসায়ী হলে ‘গণেশায় নমঃ’ লেখা থাকতে পারে। 
 
ঐতিহ্যগতভাবে আগেকার দিনে ব্যবসায়ীরা একটি মাত্র মোটা খাতায় তাদের যাবতীয় হিসাব লিখে রাখতেন। এই খাতাটি বৈশাখের প্রথম দিনে নতুন করে হালনাগাদ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে সর্বত্র ইংরেজি মাসের হিসাব-নিকাশ প্রচলিত হওয়ায় হালখাতার উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। এখন আগের মতো ঘটা করে হালখাতা পালন করা হয় না। তবে পহেলা বৈশাখের আগে দোকানগুলো ধোয়া-মোছা এবং পহেলা বৈশাখের দিনে মিষ্টি খাওয়া ও নতুন হিসাবের খাতা খোলার রেওয়াজ এখনও চালু আছে। 
 
পয়লা বৈশাখ—নববর্ষের উৎসব, যা আমাদের সমাজজীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নির্মল, ভেদবুদ্ধিমুক্ত অসাম্প্রদায়িক উৎসব। নতুন বছর সকলের মিষ্টি মধুর হয়ে উঠুক l  হালখাতা খেতে যেতে পারি কি না পারি নববর্ষে মুখ মিষ্টি করতে দোষ কি ! বছরের শুরুটা যদি মিষ্টিমুখ দিয়ে শুরু না হয় তাহলে কি জমে নাকি বলুন l আজকে সকালে আজকের ডিল ঘাটতে গিয়ে চোখে পড়ল "হালখাতার মিষ্টি" নামের ক্যাটাগরি আর আমি হয়ে গেলাম নস্টালজিক, আর তারই ফল স্বরূপ এই লেখাটি l "শুভ হালখাতা", সকলের মিষ্টি খাওয়ার নিমন্ত্রণ রইলো ! 
 
 
 
 
 
*হালখাতা* *হালখাতারমিষ্টি* *পয়লাবৈশাখ* *পহেলাবৈশাখ* *মিষ্টি* *শৈশবস্মৃতি*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছোটবেলায় ডিসেম্বর জানুয়ারি মাসের অপেক্ষায় থাকতাম। কবে পরীক্ষা শেষ হবে আর কবে গ্রামের বাড়ি যাবো। এই শীতেও সকাল ৭ টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠা, সকাল থেকে সন্ধ্যা গোল্লাছুট, বউছি, দাড়িয়াবান্ধা, সাতখোলা, কুমির তোর জলে নেমেছি, ইলন্টিলন্টন, কুতকুত, লাটিম, ক্রিকেট, ফুটবল আরও কত খেলা খেলতাম। সকালে খেজুরের রস, পিঠাপুলি, কখনওবা গ্রামের মেলা। বড়ই, কামরাঙা চুরি, পলোয়া দিয়ে মাছ ধরা, আলুক্ষেতে পানি দেয়ার পাম্প এ গোসল, বাঁশঝাড় এর নিচে আড্ডা। রাতে ৯ টার মধ্যেই সবাই ঘুমিয়ে পড়া। সত্যি জীবনের সবচেয়ে রঙিন সময় ছিলো ছোটবেলা (খুকখুকহাসি)
*শৈশবস্মৃতি* *রঙিনসময়* *স্মৃতিচারণ*

দীপ্তি: একটা সময় সপ্তাহের হিসাব ছিল অন্য রকম। শুক্রবার মানেই সিন্দবাদ, রোববার মানে রোবোকপ, বুধবার মানে ম্যাকগাইভার ! আলিফ লায়লা না দেখে রাতে ঘুমাতে পারতাম না, মনে হতো কি মিস হয়ে গেলো, গামছা বেধে সুপারম্যান সাজার আলাদাই মজা ছিল l সময়ের সঙ্গে বেড়েছে ব্যস্ততা, টিভির সামনে বসার সুযোগ হয়তো খুব একটা হয় না। আর যত চ্যানেল, কি দেখব আর কি দেখব না তার কুল পাই না (মাইরালা)

*শৈশবস্মৃতি* *ফিরেদেখা*

নাহিন: [বাঘমামা-ব্যাপকমনখারাপ] শৈশবের দিনগুলোর কথা আজ এতো বেশি মনে পড়ছে...(কান্না) খুব ইচ্ছে করছে শৈশবের সেই জটিলতামুক্ত জীবনে ফিরে যেতে (ফুঁপিয়েকান্না)

*শৈশবস্মৃতি*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যখন শরতের শিউলি ফুল ফোটা শুরু হয়, নদীর ধরে কাশবনের শুভ্রতায় ঢেকে যায় প্রকৃতি, তখনই মনে হয় পূজা আসছে। এ সময় প্রকৃতি একটু অন্য রকম রূপ নেয়। শিউলি ফুলের গন্ধে পুরো পরিবেশটা অন্য রূপে আবির্ভূত হয়। মহালয়ার দিন থেকে পূজা শুরু হয়ে যায়। ছোটবেলায় যখন রেডিও, টিভিতে মহালয়ার চণ্ডীপাঠ শুনতাম, তখন অন্য রকম লাগত, অদ্ভুদ একটা শিহরণ হত বুকের ভেতরে, কি যেন এক পবিত্র অথচ অদৃশ্য ছোয়া মনকে শান্ত, ধীর, স্থবির এবং পরিশুদ্ধ করে তুলত, মনের ভেতর কেবল সুখের জোয়ার বইতে থাকত, একই অনুভূতি এখনো ঠিক আগের মতই । পূজা শুরুর আগে মাকে দেখতাম ঘর গোছানোর কাজে ব্যস্ত। ভাইবোনেরা ব্যস্ত হয়ে যেতাম নতুন জামা-কাপড়ের জন্য। সবচেয়ে বেশি আগ্রহী ছিলাম আমি, মুখিয়ে থাকতাম নতুন জামা জুতার. চুড়ি. কসমেটিকসের জন্য l পূজায় কে কি নেব তার একটা ছোট তালিকা করে ফেলতাম মনে মনে। যখন নতুন পোশাকটি হাতে পেতাম, তখন মজা ছিল অন্য রকম। আর আমার তো মোটে একটা দিয়ে মন ভরতো না, যদিও এখনো সেই অভ্যেসটি রয়ে গেছে l বাবা, মামা, মাসি, পিসি, কাকু সবার দেয়া পোশাকে পূজা ছিল রমরমা,  পূজার পোশাকটি যেন কেউ দেখতে না পারে, সেজন্য পোশাকটি লুকিয়ে রাখতাম না আমি, বরং বাসায় যেই আসত তাকেই বের করে দেখাতাম সবার কাপড়, আর তারপর সুন্দর করে গুছিয়ে রাখতাম, অনেক সময় তো বড় ব্যাগে সব গুছিয়ে নিয়েও পাড়া পড়শীর বাসায় গিয়ে দেখিয়ে নিয়ে আসতাম। পূজার পাঁচ দিনে, কোন দিন কোন পোশাক পরব তা ঠিক করা শুরু করতাম। এখনো তাই ই করি ; হা হা হা ! আমার ছোট ভাই, মা-বাবা, স্বামী সবাই আমার এই ছেলেমানুষী দেখে খুবই আনন্দ পায় আর চেষ্টা করে তাদের সর্বোচ্চ দিয়ে আমাকে খুশি করতে l 

ষষ্ঠীপূজার দিন সন্ধ্যার পর  চলে যেতাম মন্দিরে মা দুর্গাকে দেখতে বাবার হাত ধরে, সেদিন যে মাকে বরণ করে নেবার পালা। তারপর পরের দিন থেকে অঞ্জলি দেয়া, প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলায় সবাই মিলে বিভিন্ন মন্দিরে পূজা দেখতে। পুরো শহরের সমস্ত মন্ডপ বার বার প্রতিদিন ঘুরে দেখবার পরও যেন মন ভরত না, আনন্দের সময়গুলোর সর্বোচ্চটুকু তলিয়ে নেবার চেষ্টাতে মন প্রাণ যেন উন্মুখ হয়ে থাকত এবং থাকে l  নবমী পূজা যেদিন আসত, সেদিন মন খারাপ হয়ে যেত। তবে দশমীর দিনে আবার মায়ের বিদায় বেলায় মাকে বরণ করে নেয়া, সিদুর খেলার আনন্দও যেন অন্যরকম। তবুও সেদিন আমি কিছুতেই মায়ের মুখের দিকে তাকাতে পারি না। ভেতরের আনন্দটা বুক চেরা কষ্টে পরিনত হতে থাকে l তারপর সময় ঘনিয়ে আসে মায়ের বিসর্জনের, শোভাযাত্রা করে মায়ের ভাসানের জন্য দীঘির আশপাশে শত শত লোক জমায়েত হয়ে যেত। এভাবেই মহালয়া থেকে টানা দশ দিনের ধুমধাম আনন্দ শেষে সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজা শেষ হয়। তারপর পরিশ্রান্ত দেহে বাসায় ফিরে শুভ বিজয়ার মুখরিত বাণীতে মন যেন আবার ফিরে পায় স্নিগ্ধতা এই প্রয়াসে যে আসছে বছর আবার হবে l 
*পূজারস্মৃতি* *ছোটবেলারপূজা* *শৈশবস্মৃতি* *শারদীয়াদুর্গাপূজা* *শরত্কাল* *শিউলিফুল* *কাশবন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★