সংসার

সংসার নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে


‘’আমি তোমার জন্যে যতই করি, তুমি কক্ষনো খুশি হও না। চাওটা কি তুমি আমার কাছে?‘’ অফিস থেকে ফিরে বউ-এর গোমড়া মুখ দেখে, স্বামী এভাবেই রাগ ঝাড়লেন।

উত্তরে বউ-এর পাল্টা মুখ ঝামটা--- ‘’তোমার কাছে আমার জন্যে তো কোন টাইম-ই নেই! সব সময় কি এতো ব্যস্ত থাকো তুমি?’’
অনেক পরিবারেই এটি নিত্তদিনের ব্যাপার। এমনকি প্রেম করে বিয়ে করা স্বামী-স্ত্রীদের মাঝেও এমন খুচো-খুচি চলতে থাকে হরহামেশাই।

তাহলে, উপায়? এমন হলে সংসার চলবে কি করে! এমন কেন ঘটে? এই সমস্যা উত্তরণে করনীয়ইবা কি?

বেশির ভাগ সম্পর্কই কিন্তু ভালোবাসার অভাবে নয়, বরং, স্বামী- স্ত্রী একজন আরেকজনের ভালোবাসা অনুভব করতে না পারার কারণে শেষ হয়ে যায়। দু’জন মানুষের সম্পর্ক সবসময় এক রকম থাকে না। দিনদিন হয় খারাপ হয় অথবা ভালো হতে থাকে।

একজন মানুষের কাছে যদি পৃথিবী’র সব ঐশ্বর্যও থাকে, কিন্তু কাছের মানুষের ভালোবাসা না থাকে, তাহলে তার চেয়ে দুঃখী মানুষ আর কেউ থাকতে পারে না। এমন অনেক স্বামী-স্ত্রী আছেন, যারা বিয়ের ২০-২৫ বছর পরও একজন আরেকজনের কাছে অপরিচিত থেকে যান। এসব দম্পত্তিরা কেন যেন একজন অপরজনের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারেন না, নিজেদের বুকের ভিতর চেপে রাখা ভালোবাসা বুকের গভীরেই রেখে দেন। এসব মানুষেরা বুঝতে চেষ্টা করেন না যে, ভালোবাসা যেমন জরুরী, তা প্রকাশ করাও তেমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

পশ্চিমা বিশ্বে এ নিয়ে বিস্তর গবেষনা হয়েছে কিভাবে এই সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো যায়। তেমনই, এক গবেষণা থেকে ‘রিলেশনশিপ বিশেষজ্ঞ’ ডঃ গ্যারি চ্যাপম্যান আবিস্কার করেছেন যে, আমাদের যেমন মাতৃভাষা আছে, তেমনই প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা ভালোবাসা বুঝতে পারার এবং প্রকাশ করার ভাষা আছে যা ‘ভালোবাসার ভাষা’ বলা যেতে পারে। এই ভাষাতে আমরা অন্যের ভালোবাসা অনুভব করতে পারি।

আমাদের প্রত্যকের ভিতর একটি ইমোশোনাল ‘ভালোবাসার পাত্র’ থাকে। আমরা নিজেদের সেই বিশেষ ভাষায় যদি ভালোবাসা পাই, তাহলে এই ‘ভালোবাসার পাত্র’ ভরে উঠে। আর, যখন ভালোবাসা পাওয়া বন্ধ হতে থাকে, তখন ঐ পাত্রটিও খালি হতে থাকে। আর, এরফলেই আমাদের সম্পর্কের মাঝে নানা রকম টানা-পড়েনের সৃষ্টি হওয়া শুরু হয়।
মজার না ব্যাপারটা? নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে, কিভাবে নিজেদের এবং পছন্দের পাত্র-পাত্রীদের ভালোবাসার সেই পাত্রটি সবসময় পূর্ণ রাখা যায়। চলুন এ নিয়ে একটু গভীরে যাই।

বিয়ের পরের প্রথম দিকে স্বামী-স্ত্রী দুজনই একটা ঘোরের মাঝে থাকেন। সম্পূর্ণ অচেনা একটি অবস্থায় পড়ে একজন আরেকজনের প্রতি প্রচন্ড আবেগ প্রকাশ করতে থাকেন। দু’জন যেন পারফেক্ট একটি জুটি। ডঃ চ্যাপম্যান একে ‘In-Love’ অবস্থা বলেছেন। কিন্তু, সাময়িক সে ঘোর যখন কেটে যায়, তখন সেই জুটি এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসে। তখন, তারা একজন আরেকজনের মাঝে গুণের চেয়ে দোষটাই বেশি খুজে পেতে থাকে। ফলে, একজন অপরজনের কাছে বিরক্তিকর হয়ে উঠতে থাকে ক্রমশঃ। যেজন্যে, নিজেদের মাঝে সম্পর্কের প্রথম দিকে তারা একজন আরেকজনের প্রতি যেভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করতো, তা যায় কমে।

ফলাফল?

‘ভালোবাসার পাত্র’ বা Love Tank-টিও খালি হতে থাকে একটু একটু করে।

*ভালোবাসা* *দাম্পত্য* *জীবন* *সংসার*

প্যাঁচা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্ত্রী: এই শোনো, ভাবছি চুলটা ছোট করে
কেটে ফেলি। কি বল?
স্বামী: কেটে ফেল।
স্ত্রী: এত কষ্ট করে বড় করলাম...
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: কিন্তু আজকাল ছোট চুলই তো
ফ্যাসান...
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: আমার বন্ধুরা বলে যে আমার মুখের সাথে বড়
চুলই মানায়।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: কিন্তু ইচ্ছে তো করে।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: ছোট চুলে তো বিনুনি হবে না।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: ভাবছি এক্সপেরিমেন্ট করেই ফেলি।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: বাজে করে কেটে দিলে?
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: না। কেটেই দেখি না একবার।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: যদি আমাকে স্যুট না করে তাহলে কিন্তু
তুমি দায়ী।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: আসলে ছোট চুল সামলাতে সুবিধা।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: ভয় করে, যদি খারাপ লাগে।
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: নাঃ, একবার কেটেই দেখি।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: তাহলে কবে যাবে?
স্বামী: তাহলে কেটো না।
স্ত্রী: আমি মায়ের কাছে যাবার কথা বলছি।
স্বামী: তাহলে কেটে ফেল।
স্ত্রী: কি সব বলছ আবোলতাবোল। শরীর
খারাপ নাকি?
স্বামী: তাহলে কেটো না।

ছেলেটি এখন পাবনায় ভর্তি আছে, এখনো
মাঝে মাঝেই হঠাৎ করে বলে ওঠে "তাহলে
কেটো না'' আর "তাহলে কেটে ফেল" ...

(সংগ্রহ)

*জোকস* *স্বামী-স্ত্রী* *দাম্পত্যজীবন* *সংসার*

বিম্ববতী: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

প্রেম না হলে সংসার হয় না,,,(বৃষ্টি) সংসার না হলে সংসার ত্যাগীর তীব্রতা আসেনা,,,(বৃষ্টি) আর গৃহত্যাগ না করলে সিদ্ধিলাভ করা যায় না,,(বৃষ্টি),,,প্রকৃতি ছোঁয়া যায় না,,,,(বৃষ্টি) কোনো কিছুর গভীরতম অন্ত স্পর্শ করা যায় না,,,,(বৃষ্টি)
,,(বৃষ্টি),,,,,,, আমার কি তবে প্রেম ই হলো না এই জীবনে !!,,,,,,,(বৃষ্টি),,, ,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,প্রেম ছাড়া বিম্ববতী !! এও সম্ভব !! ,,,,,প্রকৃতি কি স্পর্শ করা হবে না আমার,,?,,,(বৃষ্টি),, ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,(বৃষ্টি),,,,কোনোদিন,,,??,,,(বৃষ্টি),,,,,
*প্রেম* *সংসার* *গৃহ* *গৃহত্যাগ*

ঈশান রাব্বি: (মনখারাপ) আপনাদের ভাবী প্রায়ই বলে, আমি বলে তোমার সংসারে আছি অন্য কেউ হলে সেই কবে চলে যেত আমি ওনার কথা শুনে নিশ্চুপ থাকি কারণ কথা গুলো সত্য ১০০% সত্য। আম্মা মরার পর সে আমাদের ঘরে এসেছিল, আমার পিচ্চি দুই ভাইকে সে কত কষ্ট করে যে বড় করেছে সেটা সেই জানে। ২০০৯ সালে ওনার ও জমজ ছেলে সন্তান হল, তাই ওনার কষ্ট যেন আরো বেড়ে গেল। আমরা তিন ভাই বাবা এবং আমার দুই ছেলে, সব মিলিয়ে ছয় জন পুরুষ একজন মেয়ের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। সেই মেয়েটি আপনাদের ভাবী (খুকখুকহাসি)

*আমারপরিবার* *জমজসন্তান* *মেয়ে* *বউ* *ভাগ্যবতী* *মায়াবতী* *সংসার* *ছায়াবতী*

নিরাপদ নিউজ: ভেঙ্গে গেলো মিস্টার বিনের ২৪ বছরের সংসার! ৬০ বছর বয়সী ‘জনি ইংলিশ’ তারকা দেড় বছর ধরে ৩২ বছর বয়সী লুইস ফোর্ডের সঙ্গে ডেটিং করছেন। লুইসও স্কাই টেলিভিশনের একজন তারকা। রোয়ান নতুন...বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2015/11/13/news-id:105987/

*বিনোদন* *হলিউডতারকা* *মিস্টারবিন* *সংসার* *গুজব* *আড্ডা*

সত্যজিৎ রায়ের নায়িকা: এক মানুষের হাত ধরে রই, সংসার বলে তাকে অন্য মানুষ মেঘের রাতে, বৃষ্টি ধরে রাখে মেঘের গায়ে হাত দিয়ে পাই... বৃষ্টি কোথায়? অশ্রূতে ছল ছল.. এই যে আমার চোখটি দিয়ে পড়ছে বলো কার বা চোখের জল... পাগল রাতে ঝড়ের ভেতর ওড়াই আলো, ফানুস আঁধারগুলো নিংড়ে মনে, সংসার মানে কাছের মানুষ, কাছের মানুষ, কাছের মানুষ...

*কাছেরমানুষ* *প্রিয়গান* *সংসার*
জোকস

আল ইমরান: একটি জোকস পোস্ট করেছে

রাজতন্ত্র...........
*জোকস* *স্বামী-স্ত্রী* *সংসার*

সাদাত সাদ: [ফুলকি-আরজ্বালাইসনা] মেয়েরা অহংকারী হয় আবার উদার ও হয় মেয়েরা ঘর সাজাই আবার ঘর ভাঙ্গে আবার ছেলেদের বেলায় ও ঠিক তাই তাদের জন্যে ঘরে সুখ আসে আবার পালিয়ে ও যায় সর্বোপরি কাউকে ছোট্ট কিংবা বড় করার কোন অবকাশ নেই বটে তবে সাংসারিক ক্ষেত্রে মেয়েদের ভূমিকা অতুলনীয়

*সংসার* *মেয়ে* *জীবন*

Risingbd.com: বলিউডের ৯ ‘খান’ ও তাদের হিন্দু স্ত্রী এটা শুধু কেতাবি কথা নয়, বাস্তবও বটে, বলিউডে ‘খান’ অভিনেতারা। আসুন দেখে নেওয়া যাক বলিউডের সেই ৯ খান অভিনেতাদের, যাদের স্ত্রীরা হিন্দু- বিস্তারিত -http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=103352

*বলিউড* *অভিনেতা* *খান* *হিন্দু* *বিয়ে* *সংসার* *প্রেমকাহিনী* *বিনোদন* *বিলিভ-ইট-অর-নট*

সুখীমানুষ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গিন্নির সাথে আমার মনের মিলটা সে..ই রকম।
কথা পুরাটা বলতে হয়না। কথাটা শুরু করলেই বাকীটা তিনি বুঝে যান।
উদাহরণ দেই-

যদি বলি
- বউ শুনো না, কী হইছে...

মান্নাদে'র গান আছে, তোমার দেহের ভঙ্গিমাটি যেন বাঁকা সাপ...। ভাগ্য ভালো, গীতিকার গিন্নিকে দেখেন নাই। দেখলে লেখতেন, তোমার ভ্রু এর ভঙ্গিমাটি যেন বাঁকা ...।

যাই হোক, তিনি শীতল (রোমান্টিক) দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকান। তাকিয়ে বলেন
- আবার কোথায় ঠইকা আসছো!

ঐদিন এক বন্ধুর সাথে আড্ডা দিচ্ছি। কথায় কথায় উদাহরণ হিসাবে বউয়ের একটা প্রশংসা করে ফেল্লাম। ভাবলাম, আজ বাসায় গিয়ে বউরে বলবো, শুধু যে তোমার দোষ করি তা না...।

বাসায় গেলাম। বউরে বল্লাম
- বউ শোনো না কী হইছে...

আমাকে অবাক করে দিয়ে গিন্নি সুন্দর করে একটা হাসি দিলেন। হাসি দিয়ে বল্লেন
- বলো কী হইছে।

আমি তো অবাক! এতটাই অবাক যে, কী বলবো ভুলে গেলাম। ভেবে পাচ্ছি না ডিমান্ডটা কী হইতে পারে। তাই ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞাসা করলাম
- ঘটনা কী?  কী চাই বলো?


*সংসার*

সুপ্ত দিয়া: পুরুষ ঝাতির জন্য ছুটির দিন মানে,বেলা করে ঘুমানো আয়েশ করে চা খাওয়া! (চাখাই) আর নারী জাতির জন্য ছুটির দিন মানে,হরেক পদের রান্না করা,সংসারের যাবতীয় কাজ আছে সুচারু রুপে সম্পন্ন করা এবং ঘরের পুরুষ ঝাতির সেবা করা!!!!!! (রাগী)(মাইরালা)

*ছুটিরদিন* *সংসার* *পুরুষ-ঝাতি*

অমৃতা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেয়েরা অল্প কারণে কাঁদতে জানে এবং বিনা কারণে হাসতে পারে... কারণ ব্যতীত কার্য হয় না, জগতের এই কড়া নিয়মটা কেবল পুরুষের পক্ষেই খাটে... রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যথার্থই বলছেন।

মেয়েরা হল সবচেয়ে আবেগি... তারা আবেগের বসে একজনকে পাগলের মত ভালবাসতে পারে, আবার কাউকে ঘৃণা করলে তাকে অন্তর থেকে ঘৃণা করা শুরু করে।

একজন মেয়ের যখন বিয়ে হয়, সে তখন তার মা, বাবা, ভাই, বোন সবাইকে ছেড়ে চিরতরের জন্য এমন আরেকটি পরিবারে যায়, যে পরিবারের সাথে তার কোন রক্তের সম্পর্কই থাকেনা। শুধুমাত্র বিবাহ নামক একটা বন্ধনের কারণে সে এতো বড় একটা ত্যাগ স্বীকার করে।

রক্তের বন্ধন ছেড়ে চলে যাওয়া সহজ কথা না... যে যায় ও যারা বিদায় দেয়- তারাই শুধু এটার কষ্ট উপলব্ধি করতে পারে...

মেয়ের বিদায়ের সময় মার উচ্চস্বরে কান্না যেকোনো মৃত ব্যক্তির জন্য কান্নাকেও হার মানায়... অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত থাকা বাবা হয়তো মুখে হাসি ধরে রাখেন সারাদিন , কিন্তু দিনশেষে তিনি যখন একটু একা হয়ে যান, তার চোখ দিয়ে জল এমনি গড়িয়ে পড়ে...

"আপু, তাড়াতাড়ি বিয়ে কর। তোর বিয়েতে অনেক সাজবো" বলে যে ছোট বোনটি এতদিন ঘ্যান ঘ্যান করতো, সেও তখন মনে মনে বলে "আপু, কেন তুই আর কিছুদিন আমাদের মধ্যে থাকলি না"।

যে ভাইটি সারাদিন মারামারি করতো, বিভিন্নভাবে দুস্টমি করতো, সেও রাতে বোনের ঘরের শুন্য বিছানার দিকে তাকিয়ে চোখ মুছতে মুছতে বলে, "আপু, আমি আর কখনো তোকে মারব না। তবুও তুই আমার কাছেই থাক।"

একজন মেয়ে যখন তার শ্বশুর বাড়িতে আসে, সে একা আসে না... সাথে থাকে তার পরিবারের সকলের কান্না ও ভালোবাসা...

যে মেয়ে তার আপনজনকে ছেড়ে আসার মত এত বড় ত্যাগ স্বীকার করতে পারে, নিজে রাজা না হলেও সেই মেয়েকে রাণীর মত করে সারাজীবন একজন পুরুষের রাখা উচিত..

প্রেমিকার ভালোবাসা পাওয়া কঠিন হলেও স্ত্রীর ভালোবাসা পাওয়া অনেক সহজ... দুনিয়ার সবচেয়ে ভাগ্যবান ব্যক্তি সে, যে তার স্ত্রীর সত্যিকার ভালোবাসা পায়... আবার সেই সবচেয়ে হতভাগা, যে সেই ভালোবাসার মুল্য দেয় না।

*ভালোবাসা* *সংসার* *সম্পর্ক*

অমৃতা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

"আজকের কান্নাটা একটু জোরেই শোনাচ্ছে....হয়তো আবেগটা একটু বেশিই কাজ করছে মিমির...নাহিদকে সে তার নিজের লাইফের চেয়েও বেশি ভালোবাসে...নাহিদের এতটুকু অবহেলাও তার কাছে পাহাড়সম মনে হয়....!

নাহিদের সাথে মিমির রিলেশান প্রায় ১০ বছরের....রোমান্সের চেয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়াই বেশি হয়....কিন্তু সেটা তাদের মধ্যকার ভালোবাসাকে আরও বেশি মজবুতই করেছে.....!

নাহিদের লাইফে মিমি প্রথম মেয়ে হলেও মিমির কাছে ব্যাপারটা অন্যরকম....নাহিদের আগেও তার আরেকটা ছেলের সাথে রিলেশান ছিল....সবকিছু জেনেও নাহিদ কোন প্রতিক্রিয়া ছাড়াই মিমিকে বিয়ে করতে রাজি হয়....আর তখন থেকেই নাহিদের প্রতি কেমন যেন একটা দুর্বলতা কাজ করে মিমির.... smile emoticon

আজ অফিসে যাওয়ার সময় সামান্য ভুল বোঝাবুঝিতে নাহিদ এতটা ওভাররিয়েক্ট করবে সে স্বপ্নেও ভাবেনি....প্রতিদিন দুপুরে বাসায় এসে ভাত খায় নাহিদ....আজ হয়তো আসবেনা... এই কথা ভেবেই কাদছে সে... তারপরেও নিজের হাতে নাহিদের প্রিয় খাবারটি বানাচ্ছে সে....

....এই কথা ভাবতে ভাবতেই বাসার কলিংবেলটা বেজে উঠল..এই বুঝি নাহিদ আসল...দরজা খুলেই নাহিদের বুকে ঝাপিয়ে পড়ে মিমি.... চোখে অশ্রুধারা,আর মুখে স্বর্গজয়ের হাসি.. (লজ্জা২)

আপন মানুষের অতি অল্প কথাই অনেকবেশি পীড়া দেয়....হয়তো ভালোবাসা এমনই...প্রিয় মানুষটার একটু স্পর্শই সে পীড়া দুর করার জন্য যথেষ্ঠ... (খুকখুকহাসি)(হার্ট)"

*ভালোবাসা* *কান্না* *সংসার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★