সচেতনতা

সচেতনতা নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

হোস্টিং বাংলাদেশ: ফটো পোস্ট করেছে

বজ্রপাত: আতংকিত নয়, সচেতন হোন

*বজ্রপাত* *সচেতনতা* *বর্ষাকাল* *সাবধানতা*
ছবি

ইমরান নাজির লিপু: ফটো পোস্ট করেছে

আমার গর্ভের সন্তানকে বাড়তে দিন, মারবেন না প্লিজ(প্লিইইজ)

সচেতন হোন।। ছড়িয়ে দিন।।

*ইলিশ* *সচেতনতা*

মাহাবুবুর রহমান আরমান: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সেদিন ছিলো আমাদের পরীক্ষা। আর পরীক্ষা এর দিন গুলোতে আমাদের ছেলেমেয়ে একসাথে একই ক্লাসের পরীক্ষা হতো। আমি ভ্যান এ যেতাম। ৮ জন সঙ্গী এর মাঝে ৩ জন মেয়ে। রোজকার মতন সবাই ভ্যান এ চড়ে স্কুলের সামনে। একে একে নেমে গেলো সবাই। আমি সবার নামার অপেক্ষা তে ছিলাম, কারন আমি বই নিয়ে যেতাম। সবাই নামলে সেটা ভ্যান এ সুন্দর করে রাখতে হবে। যাতে আসার সময় পাই। কিন্তু সবাই নামার পরে ও মেয়েটি নামছিলো না। বুঝতে পারছিলাম না। ভ্যান ওয়ালা মামা বলছে বার বার নামতে, সে নামছে নাহ। আসলে নামতে পারছেনা। আমি জিজ্ঞেস করলাম যে সাহায্য দরকার কিনা ভাব্লাম পায়ে হয়তো ঝি ঝি ধরেছে। সে বলছে ও না কিছু নড়ছে ও না। হঠাত আমাকে ডেকে এক্তা মেয়ে কে দেখিয়ে বলল ঐ মেয়ে টাকে ডেকে দিতে। মেয়ে টা মুডি ছিল তাই ভয় পাচ্ছিলাম। ভয়ে ভয়ে গিয়ে যখন বললাম তখন সে এসে তার সাথে কি কি যেনো বলল। পরে ফার্মেসি তে গিয়ে কিছু এক্তা এনে দিলো। আরো ২ টা মেয়ে কে ডেকে ভ্যান এর পর্দা ফেলে দিলো। তার ৫ মিনিট পরি বেড়িয়ে এসেছিলো। সেদিনো তুলায় রক্ত আর ভ্যান এর পাদানী তে রক্ত দেখে ও বুঝি নি আসলে তা কি ছিলো?

বছর পাচেক আগের কথা, ভালোবাসার মানুষ টাকে নিয়ে বের হয়েছি। প্ল্যান আজকে সারাদিন ঘুরবো। ১২ টা বাজতে তার যেনো হঠাত কি হলো, সে বলছে হঠাত বাড়ি যাবো। আমি প্রথমে দুষ্টামি ভাবলাম। কিন্তু পরে দেখি সে খুব করে জোড় করছে। কথা বাড়াইনি। মন খারাপ হয়েছিল। তাকে বার বার কারন জিজ্ঞাসা করার পর ও সে বলে নি। পরে সে আমি থাক্তেই রিক্সা থেকে নেমে কিছু একটা কিনলো। রাতে ফোনে জানতে পেরেছিলাম তার ঋতুস্রাব হয়েছিলো। আর তেমন ব্যবস্থা ও ছিলো না।

আমার এমন কিছু হলে আমি যে আসলে কি করতাম তা আমি জানি নাহ। মেয়েরা কিন্তু একদমি এরকম নাহ। তারা অনেক কষ্টই চেপে রাখতে জানে। জানে ধৈর্য ধরতে। চুপচাপ কাউকে না জানিয়ে সব কিছু করে ফেলার মধ্য়েই তাদের আনন্দ নিহীত। নিজের কথা তারা শুধু নিজেকে বলতেই বেশি ভালোবাসে। নিজের প্রয়োজনটা ও প্রকাশ করে নাহ খুব সহজে।

প্রতিটি মেয়ের এরকম অসংখ্য ইতিকথা থাকে। সব কথা বলে ফেলার পরও এরকম অসংখ্য কথা তারা বলতে পারে না। লজ্জার বিষয় হয়ে যায় সেই ব্যাপার টা যা কিনা তাদের গর্বের কারন হতে পারে। ৪৫ ডেল পরিমাপের কষ্ট সহ্য করার শক্তি থাকলে ও তাদের সন্তান জন্ম দেয়ার সময় সহ্য করতে হয় ৫৭ ডেল! একসাথে ২০ টি হাড় ভেঙ্গে গেলে আমরা যে পরিমান কষ্ট সহ্য করতাম তার সমান! আর এই কষ্ট সহ্য করে তারাই কিনা জন্ম দিচ্ছে আমাদের মতন পুরুষ জাতী কে। এর চেয়ে সম্মান উপর ওয়ালা প্রদত্ত আর কি হতে পারে?

ফার্মেসীতে গিয়ে তারা স্বাভাবিক ভাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন ও কিনতে পারে নাহ। দোকানদার ছেলে টা ও আশপাশের মানুষ গুলো খুব বাজে ভাবে তাকায়। তাই সুপারশপ গুলোই এখন ভরশা।

ঋতুস্রাবের বিষয় টা এখনও অনেকেই লজ্জাকর বিষয় ভাবে আর লুকিয়ে চলতে পছন্দ করে। দেশের প্রায় অনেক মেয়েদের ই রমজানে পিরিয়ড হবার পরেও সবার সাথে এক সাথে বসে সেহেরী খেতে হয় শুধুমাত্র সচেতনতার অভাবে। শুধুমাত্র সমাজ ব্যবস্থার কারনে, রমজান মাসে যখন তারা এই সমস্যায় পরে রোজা রাখতে পারে নাহ, তখন তাদের পরিবার কে কারন দর্শাতে হয়। আর এই ভয়ে অনেকে বাসায় জানায় ই না। চুপচাপ রোজা ভাঙে। রোজা ভাঙ্গা সত্ত্বে লোক লজ্জা এর ভয়ে তারা সারাদিন না খেয়েই থাকে। এরপরেও তারা পায় না মুক্তি, শান্তি। কয়টা রোজা রেখেছো - বলে তাদের দুরবলতা টা তাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে না দেখিয়ে দিলে আমাদের পেট ভরে না।

সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হলো, সুন্নত-এ-খত্না বা মুওলমানি হলে আমরা তা উৎসবের মতন পালন করি কমিউনিটি সেন্টারে গিয়ে। আর একটি মেয়ে সন্তান জন্ম দেবার অংশবিশেষ ঋতুস্রাবের মত ঘটনার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে - সেটি হয়ে যায় গোপন আর লজ্জাকর !

আমরা ভাবি এগুলো একান্ত মেয়েদের ব্যাপার। ছেলেদের না জানলেও চলবে। মেয়েকে আড়ালে ডেকে মেয়ের মা এক সময় বুঝিয়ে বলবে। ব্যাস তাতেই কাজ সাড়া। আসলে ব্যাপারটি এতো টা সহজ নয়।আাপনার আমার আমাদের প্রতিটা ছেলের এটি বুঝতে হবে। বড়ভাই ছোটোভাই সবাইকে বুঝাতে হবে। যাতে আমরা আমাদের আশেপাশের কোন মেয়েকে বিব্রত না করি এসব ব্যাপারে।

সবাইকে বুঝতে হবে, মেয়ে হওয়া এতো সহজ নয়। একজন মেয়েকে মা হতে গেলে এমন অনেক পিরিয়ড পার করতে হয় আর কত সংগ্রাম করে যেতে হয়। কোন মেয়ের পিরিয়ড হয়েছে বলে তাকে বিব্রতকর পরিস্থিতি তে না ফেলে এটা মাথায় রাখবে যে তোমার মা-বোন-বউ অর্থাৎ সকল নারীই প্রতি মাসে একবার এমনটা হয় । এতে হাসাহাসি করার কিছুই নেই।

মনে রাখবেন, একজন নারী একদিন নারী হয়ে যায় নি। সবার মতনি তারা ও নারী হয়ে জন্মায় না। অনেক লজ্জা, ত্যাগ, তিতীক্ষা, বিব্রতবোধ এড়িয়ে তারা তীলে তীলে নারী হয়ে উঠে। আর এভাবে তারা শারীরিক আর মানসিক দিক দিয়ে নারী হয়ে উঠে। এটাই তাদের নিয়তি।

- অনেক আগে কেউ একজনের এমনি একটি স্ট্যাটাস দেখেছিলাম। কার মনে পড়ছে না। গল্প গুলো আমার নিজের smile emoticon ভেতর টা অনেক অগোছালো। লিখতে গিয়ে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন। আরো বেশি খুশি হবো অযথাই আমাকে নারীবাদী, নারীপ্রেমী আখ্যায়িত করে আর ভুল না ধরে মূলত মূল সমস্যাটাতে ফোকাস করুন। - 


আসল লিখা টি পাবেন এখানে - https://www.facebook.com/Mahabubur.Rahaman.Arman/posts/1193851757321504

*ঋতুস্রাব* *নারী* *পুরুষ* *সন্তান* *সচেতনতা*
ছবি

বিম্ববতী: ফটো পোস্ট করেছে

(চিন্তাকরি)

(চিন্তাকরি)

*সচেতনতা*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে




মহিলারটির নাম "Pauline Shoemaker"। বাংলাদেশে এসেছিলেন "Full Bright Scholarship"-এর মাধ্যমে। জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির বিদেশীদের নিয়ে বিশেষ পর্বে অভিনয়ও করেছেন। সেখানেই ছবি তুলেন রিক্সাচালকসহ বিভিন্ন দেশী মানুষের সাথে। সেই ছবির একটি US Embassy, Dhaka তাদের ফেইসবুকে পোস্ট দেয়। view this link


২-৩ মাস পর যেটি কোনভাবে নজর কারে রেডিও ঢামাকা নামক কোন পেইজের।
view this link
ব্যাস! প্রসব হয়ে গেল নিউজ- "সততায় মুগ্ধ মার্কিন যুবতি, বিয়ে করলেন বাঙালি রিক্সা চালককে"


Pauline-এর নাম হয়ে গেল ব্রাউন। যে রিক্সাচলকের সাথে ছবি তুলেছেন তার নাম হয়ে গেল মোকলেস। "bangladesh24online"-নামের একটি "বস্তুনিষ্ঠ" অনলাইন "পত্রিকায়" জায়গা করে নিল। মজা করেই হোক বা বিশ্বাস করেই হোক, শেয়ার হল ৭.৬ হাজার, তাদের পেইজে লাইক পেল ৫ হাজারের উপরে। অত:পর আরো বিভিন্ন ২৪, ৪২০ নিউজ পোর্টালে খবরটি ছাপা শুরু হল। পাবলিক ডিমান্ড বলে কথা!
গতকাল আবার bangladesh24online পত্রিকা সংশোধনী ছেড়েছে। view this link

ফেইসবুক বন্ধ করাতে অনেকেরই ব্যবসায়িক ক্ষতি অবশ্যই হয়েছে। কিন্তু এসব বিবেকহীনতা ও নির্বুদ্ধিতার মাঝে এই সামাজিক মাধ্যম প্রতিদিন দেশের জাতিগত মূর্খতাকে যেদিকে নিয়ে যাচ্ছে, সেই ক্ষতি টাকায় মাপলে কি খুব কম হবে?
ফেইসবুক সহ সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করা যেমন সমাধান না, তেমনি এসব দায়িত্বজ্ঞানহীন লাইসেন্সবিহীন "মিডিয়াগুলো"-কে অবাধে চলতে দিয়ে মূর্খতা প্রসার করতে দেওয়াও উচিত না। সরকারের উচিত আরো একটু মাথা খাটানো। স্কাইপ, ফেইসবুক, ভাইবার ব্যবহার করে নাশকতার পরিকল্পনা করছে সন্ত্রাসীরা, বুঝলাম। কিন্তু সেই নাশকতা সফল হয় সাধারন জনগণকে বিভ্রান্ত করেই। যদি জনগনকে সচেতন করা যায়, একত্র করা যায়, তবে এইসব নাশকতা সফল হওয়া সম্ভব হবে না। তাই এসব কান্ডজ্ঞানহীন মিডিয়াগুলোকে দায়িত্বশীল করুন। নিবন্ধনের আওতায় আনুন। মিনিটে মিনিটে চাচা-খালা-ভাই নিয়ে ঘরে বসে বসে এদের খবর প্রসব করা বন্ধ করুন। ওয়েব সাইটের মাধ্যমেই এরা টাকা উপার্জন করে। এটাই তাদের মূল মোটিভেশন। সেটা না থাকলে, ফেইসবুকে এরা এসব অবিবেচক নিউজ প্রচার করবে না। এসব ব্যপারে হূটহাট সিদ্ধান্ত না, দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী পরিকল্পনা দরকার।

ফেইসবুকে আপনারা যারা এসব নিউজ না ঘেটেই মজা করে শেয়ার দিচ্ছেন, দয়া করে মনে রাখবেন আপনার শেয়ারের মাধ্যমে এসব মিডিয়াগুলো আরো ফলোয়ার পাচ্ছে। আজ এরা "দেখতে অক্ষতিকর" নিউজ দিলেও কাল এরাই চাঁদে সাইদিকে দেখাবে। রাস্তায় মানুষ মরবে আবারো।
দায়িত্ব নিন নিজে, দায়িত্ব কেবল সরকার না, আপনাকেও নিতে হবে। তাই, সতর্ক থাকুন।

*নিউজ* *সচেতনতা* *জনগন* *পেপার* *বাংলাদেশ* *ইউএস* *খবর* *মানসিকতা* *ডিজিটাল*
*সচেতনতা* *জনগন* *পেপার* *বাংলাদেশ* *ইউএস* *খবর* *মানসিকতা* *ডিজিটাল*

★ছায়াবতী★: একটি টিপস পোস্ট করেছে

প্রযুক্তির ব্যবহারে রূপসমস্যা
http://bangla.bdnews24.com/lifestyle/article1062423.bdnews
স্মার্টফোন ট্যাব ল্যাপটপের কল্যাণে জীবন সহজ হয়ে উঠলেও এসব প্রযুক্তিই আপনার অকালে বুড়িয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে। গলার চামড়ায় ভাঁজ: আপনার ডিভাইসটি সবসময় নিচু করে ধরে থাকার ফলে সবসময় মাথা নিচু করে রাখতে হয়। এতে গলার চামড়ায় ভাঁজ পড়ে এবং ঝুলে যায়। শুধু তাই নয়, প্রতিদিন এভাবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে কুঁজো হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আর অল্প বয়সেই ভাঁজ পড়া চামড়া বা কুঁজো হয়ে যাওয়া আপনার মোটেই কাম্য নয়। সমাধান: গলা সোজা রাখুন এবং ফোন বা ব্যবহার্য ডিভাইসটি চোখের জন্য সুবিধাজনক উচ্চতায় রাখুন। এছাড়াও, চামড়া মসৃণ ও টানটান রাখার জন্য কোলাজেন ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ঘুমের ব্যাঘাত: ঘুমানোর সময় মাথার কাছে ফোন রাখা স্বাভাবিক ঘুমের রুটিন ব্যাহত করে। ট্যাব বা স্মার্টফোনের পর্দা থেকে বিচ্ছুরিত আলো মেলাটোনিন নামক হরমোনের মাত্রা প্রভাবিত করার ফলেই এমনটি হয়। আর অপর্যাপ্ত ঘুম মুখমণ্ডলে তার বেদনাদায়ক চিহ্ন রেখে যায়, তা হল- ফ্যাকাশে চামড়া, কালো দাগ আর বলিরেখা। সমাধান: ঘুমানোর জায়গাটি থেকে সমস্ত ডিভাইস পর্যাপ্ত দূরত্বে রাখুন। রাতে ঘুমানোর আগে ফোনটি ‘এয়ারপ্লেন মোড’য়ে রেখে দিন। এমন কি সকালে ঘুম ভেঙেই ফোন টেপার জন্য ব্যস্ত হবেন না। চোখের ক্ষতি: স্মার্টফোন বা কম্পিউটার ব্যবহারের সময় আমরা চোখের পলক স্বাভাবিকের চেয়ে কম ফেলি, এর ফলে চোখে শুষ্কতা ও মাথাব্যথা হয়। পর্দার দিকে তেড়ছাভাবে তাকানোর ফলেও চোখের চারপাশে ভাঁজ আর বলিরেখার জন্ম হয়। ...বিস্তারিত
*প্রযুক্তি* *সচেতনতা* *রূপ* *ছায়াবতী*
১২৪ বার দেখা হয়েছে

নিরাপদ নিউজ: পঞ্চম শ্রেণি পাস কবিরাজের অদ্ভুদ চিকিৎসা! মৌলভী বাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার জালালপুর গ্রামে তার বাডি়। হিন্দুদের কির্তন থেকেই তার কবিরাজি জ্ঞানের সূত্রপাত। বাহিরে সাটানো বড় প্যান্ডেল। চারিদিকে ....বিস্তারিত - http://www.nirapadnews.com/2015/12/10/news-id:113727/

*কবিরাজ* *চিকিৎসা* *এক্সক্লুসিভ* *যান্ত্রিকজীবন* *সচেতনতা*

নিরাপদ নিউজ: যেভাবে এইডস থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন বাঁচা সম্ভব! এইডস একটি মরণব্যাধি। এ থেকে বাঁচার এখনও কোন কার্যকরী উপায় বের করা হয়নি। তবে কিছু উপায় অবলম্বন করলে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা সম্ভব। আসুন সে উপায় সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক...বিস্তারিত- http://www.nirapadnews.com/2015/12/05/news-id:112244/

*এইডস* *ভাগ্য* *যান্ত্রিকজীবন* *টিপস* *আড্ডা* *সচেতনতা*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেয়েটার ১৪ বছর পেরিয়ে গেছে তাড়াতাড়ি বিয়ে দেয়া দরকার। আমাদের দেশে  মা বাবাদের চিন্তা চেতনা এরকমই,  সেই আদিকাল থেকেই হয়তো।   ছেলেটার ২৫ বছর পেরিয়ে গেছে অনেক আগেই তবুও মা বাবার চিন্তাভাবনা হল, আরো কয়েক বছর যাক এত তাড়াতাড়ি কিসের?


যেখানে মেয়েটার ১৪ বছর হলে তাঁর বিয়ের জন্যে উঠেপড়ে লেগে যায়, সেখানে ছেলেটার জন্যে কেন নয়।  ছেলেটার ২১ বছর হলে তারও বিয়ের দরকার সেটা আমাদের অভিভাবকদের মনে আসেনা কেন?

আমার ব্যক্তিগত মতামত হলো ছেলেমেয়ে যেই হোক প্রাপ্ত বয়স হলে উভয়ের ই বিয়ে দেয়া উচিৎ। 
 বাল্যবিবাহ কারোই কাম্য নয় যদিও আমাদের দেশে মেয়েদের ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহের হার অত্যন্ত বেশী। তবে ইদানীং সবাই কমবেশি সবাই সচেতন হচ্ছে, আগামীতে আরো সচেতন হবেন। এই প্রত্যাশা আমাদের সবার। 


.
সাদাত সাদ
৫.১২.২০১৫
*সচেতনতা* *বাল্যবিবাহ* *প্রাপ্তবয়স্ক* *বিয়ে*

Risingbd.com: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আজ বিশ্ব এইডস দিবস - আসুন সবাই সচেতন হই
বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৩৪ মিলিয়ন মানুষ এইডসে আক্রান্ত এবং এ পর্যন্ত প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মানুষ এ মরণঘাতি রোগে মৃত্যুবরণ করেছে। বিস্তারিত জানতে- http://bit.ly/1ThdZv7
*এইডস* *সচেতনতা* *যান্ত্রিকজীবন* *মৃত্যু*

★ছায়াবতী★: একটি টিপস পোস্ট করেছে

জেনে নিন কোন কোন প্রসাধনী মা হওয়ার পথে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে
http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2015/11/23/293901
মূলত সুগন্ধীতে থ্যালেট ব্যবহার করা হয়৷ থ্যালেট গন্ধের স্থায়িত্ব বজায় রাখে৷ তাই সুগন্ধী প্রসাধনী ব্যবহারের আগে সতর্ক হন৷ বিশেষ করে স্প্রে পারফিউম, নেলপলিশ, শ্যাম্পু, সাবান, হেয়ার জেল...৷ এমনকি প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা ঠাকুরের সামনে যে ধূপ জ্বালেন তাতেও থ্যালেট ব্যবহৃত হয়৷ এক্ষেত্রে ধূপ জ্বালার সময় উচ্চ তাপমাত্রাতেও সুগন্ধী যাতে পুড়ে না যায় সেজন্য থ্যালেট ব্যবহার করা হয়৷ সুগন্ধীর স্থায়িত্ব বাড়ানো ছাড়াও পিভিসি প্লাস্টিককে নমনীয় করতে ব্যবহৃত হয় থ্যালেট৷ ...বিস্তারিত
*হেলথটিপস* *প্রসাধনী* *প্রসূতি* *নারীস্বাস্থ্য* *সচেতনতা* *পরামর্শ* *জানা-অজানা*
৩০৩ বার দেখা হয়েছে
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

আমরা একটু চাইতে চাই, আমাদের চাওয়া মিলে চেষ্টা করলে মাতৃভূমির দরিদ্র মানুষ গুলো শীতের প্রকোপ থেকে কিছুটা পরিত্রাণ পাবে

(প্লিইইজ)ওদের হক আদায় করুন আর আপনার দ্বায়িত্ব পালন করুন(খুকখুকহাসি) পারস্পারিক সহযোগীতার মাধ্যমে কিছু মানুষ উষ্ণতা পেতে পারে (খুকখুকহাসি) (এদিকেআসো) শামিল হই উষ্ণতা দিতে, শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচী আপনার আমার সহায়তা ছাড়া সম্ভব (না) তাই আবারো বলছি প্লিজ এগিয়ে আসুন, কন্ট্রিবিউট করুন(মিশনেআছি)

*শীতার্তদের-জন্য* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *বিবেক* *সচেতনতা*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

সময়ত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে....

শীত কড়া নেড়ে ফেলেছে আপনি কন্ট্রিবিউট করেছেনত?(প্লিইইজ)

*শীতার্তদের-জন্য* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *বিবেক* *সচেতনতা*

সুমন: মাঝখানে বগুড়ায় (সিটি) ছিলাম বেশ কিছুদিন. খুব কাছে থেকে কিছু বিসয় দেখলাম. বিশেষ করে লেখাপড়া. ওখানকার গার্ডিয়ানদের সচেতনতায় অবাক হয়েছি বেসি. অবাক হয়েছি লেখাপড়ার কোয়ালিটি দেখে. আসলে শিক্ষাই মানুষকে সচেতন করে, কথাটি সত্যি. এই সচেতনতা ঢাকাসিটির মানুষ গুলোর মধ্যে যদি থাকত, তাহলে ৮০% গজিয়ে ওঠা স্কুলই তাসের ঘরের মত ধসে যেত. এদের অস্তিত্ব বলে কিছু থাকত না.

*শিক্ষা* *সচেতনতা*

★ছায়াবতী★: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

স্বার্থ ভুলে অন্যের কষ্ট কে নিজের কষ্ট ভেবে নিপীড়িত মানুষ এর পাশে গিয়ে তাদেরকে সাহায্য করতে পারার নাম ও মানবতা
মানুষ কে মানবতার দৃষ্টি দিয়ে দেখতে পারা, ভালবাসতে , সম্মান করতে , সুখে দুঃখে সাহায্য করতে, সততার সাথে নিরপেক্ষ ভাবে ন্যায় ও কে প্রতিহতকরা- মানবতা কে জাগিয়ে তুলে।মানবতাবোধ,এর আরেক টা রুপ ই হলো স্বেচ্ছাসেবক হওয়া।সেই মানবতার প্রেক্ষিতেই এবার আমরা একটু চাইতে চাই, আমাদের চাওয়া মিলে চেষ্টা করলে মাতৃভূমির দরিদ্র মানুষ গুলো শীতের প্রকোপ থেকে কিছুটা
পরিত্রাণ পাবে, আমাদের সাহায্য পাঠানোর বিস্তারিত --বিকাশ নম্বর: ০১৯১২৫৬২০৭২ (পার্সোনাল) বিকাশ নম্বর: ০১৮২০৫৮২৬৩৬ (পার্সোনাল) ডাচ বাংলা মোবাইল একাউন্ট ০১৬৭৪৫৬৫৮৯৮০ ব্যাংক এ্যাকাউন্ট- Name of the Account: MD. YASEEN KHAN Account No: 105 -101 -70249 Dutch-Bangla Bank Ltd Foreign Exchange Br. Motijheel, Dhaka. হটলাইন নম্বর-০১৯১২৫৬২০৭২
*শীতার্তদের-জন্য* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *বিবেক* *সচেতনতা*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 সাহায্য নয় দায়িত্ব পালুন করুন
একটি পথশিশু, শুয়ে আছে ফুটপাথে।
ছেলেটি রাস্তার পাশে হাজারো কোলাহলের
মাঝেই দিব্যি ঘুম দিচ্ছে। মাথার নিচে বালিশের কাজ করছে নিজের ছোট্ট হাতটি। আমি তো টানা ৫ মিনিট  হাতের ওপর মাথা রেখে শুতে গেলেই হাত
ব্যাথা করে,ঝিরঝির করে। ও কিভাবে পারে?

এইসব না খেয়ে না পড়ে থাকা পথশিশুগুলি দিনে-রাতে আমাদের সামনে এসে যখন হাত পেতে দাঁড়ায়, কিংবা জামা-কাপড় ধরে টানাটানি করে,ওদেরও নিশ্চয়ই ভালো লাগে না। ভালো লাগে না ওদের ফিরিয়ে দিতেও। কিন্তু, বাস্তবতা হল, এরাই একদিন
খিদের জ্বালা সইতে না পেরে একসময় সমাজের বোঝা থেকে শত্রু হয়ে দাঁড়ায়। এদের এই পরিণতির জন্য আমরা নিজেরাও দায়ী।

কেননা...
আমরা ওদের মানুষ করতে পারিনি।
শীতের আগমনী বার্তা চলে এসেছে, কিন্তু আমরা কি কিছু করেছি তাদের জন্য? আমাদের কি কোনই দায়বদ্ধতা নেই? ওরা ত আমরাই আজকে ওর জায়গায় আমি নিজেও থাকতে পারতাম। শীতের কনকনে কষ্টে যখন রুম হিটারে বসে থাকেন তখন তারা এক টুকরা কাপড়ের অভাবে শীতের সাথে যুদ্ধে রত থাকে। আসুননা এবার একটা চাদর/জ্যাকেট/বাহারি কোরট না কম কিনে ওদের কে গিফট করি। বেশতো তে কত্ত ইউজার সবাই যদি একটু করেও সাহায্য করেন তাহলে অনেক শিশুর একটি শীত একটু ভাল কাটবে।

 আপনাদের নিজেরদের দায়িত্ব ওদের দিকে হাত বাড়িয়ে দেবার। আর বেশি সময় নেই নিজের বিবেক টাকে একটু জাগ্রত করুন। যে যেভাবেই পারবেন কাপড় বা আর্থিকভভাবে সহায়তা করুন। মানুষ কে খুশি করার মত এহেন করম / তৃপ্তি ইহজগতে নেই। আসুন আমরা বেশতো পরিবার এক প্ল্যাটফর্ম থেকে সুবিধা বঞ্চিতদের একটু সুবিধা দেই। মনে রাখবেন ওরাই আমরা। 

মনে রাখবেন একদিন বার্গার না খেলে একদিন মোবাইল রিচার্জ না করলে একদিন বিলাসিতা কম করলে একদম মানুষ সানন্দ্যে থাকতে পারবে।  আমাদের দেশ,আমাদের শিশু আগামির ভবিষ্যৎ,  এদের দেখভাল করার দায়িত্ব আপনার উপরেও বর্তায়। আপনারা  উপরের নিয়মে সাহায্য করতে পারেন। 
সাহায্য নয় দায়িত্ব পালুন করুন
*শীতার্তদের-জন্য* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র* *বিবেক* *সচেতনতা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★