সন্দেশ

সন্দেশ নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মাইক্রোওয়েভে প্যারা সন্দেশ কিভাবে বানাতে পারি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*প্যারাসন্দেশ* *মিষ্টি* *সন্দেশ* *রেসিপি*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের নতুন গুড় দিয়ে সন্দেশ না হলেই নয়।, তাই পরিবারের সবাইকে চমকে দিয়ে নিজেই বানিয়েছিলাম খেজুর গুড়ের সন্দেশ। চলুন আপনাদের শিখিয়ে দেই এই সহজ রেসিপিটি।

উপকরনঃ
ছানার জন্য
• দুধ- ৪ কেজি,
• লেবুর রস - ১/২ কাপ (মাঝারি সাইজের দুটি লেবু নিলেই চলবে) অথবা আধা কাপ ভিনিগার
এছাড়া লাগছে খেজুরের গুড় ১ কাপ, চিনি আধা কাপ, ঘি ১ টেবিল-চামচ ও এলাচগুঁড়া ১ চা-চামচ।

সময় : সব মিলে এক থেকে দেড় ঘন্টা।

প্রণালীঃ
* দুধ ভালো করে ফুটিয়ে নিন, বলগ আসলে লেবুর রস বা ভিনিগার দুধের চারদিকে ঘুরিয়ে দিতে হবে, তারপর ঢেকে রাখতে হবে।
* দুধ থেকে ঘোলাটে পানি বের হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ছাঁকনির উপর একটি পরিষ্কার সুতি বা মসলিন কাপড় নিয়ে চেপে ভাল করে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে, তারপর ছানার উপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে যে লেবুর গন্ধ পুরোপুরি চলে যায়, এরপর আবারো ভালো করে চেপে চেপে পানি ঝরিয়ে নিতে হবে এবং ভালো করে কাপড়টি গিট্ বেঁধে কোথায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা।
* এরপর কাপড় থেকে গোল ছানার পিন্ডটি কোনো বোরো থালা বা ট্রেতে নিয়ে, হাত দিয়ে ভাল করে মাখাতে হবে মসৃণ হওয়া পর্যন্ত।
* গুড় ভেঙে নিন। ছানা হাতের তালুতে দিয়ে হালকা মাখান। কড়াইতে গুড় জ্বাল দিন। গুড় গলে নরম হলে ছানা দিন।
*কিছুক্ষণ নেড়েচেড়ে চিনি, ঘি ও এলাচগুঁড়া মিশিয়ে দিন। মৃদু আঁচে ঘন ঘন নাড়ুন। ছানা চটচটে হলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন।
* এবার হাত দিয়ে ভালো করে মেখে মসৃণ করে ট্রে’র মধ্যে ঘি মাখিয়ে ছানা ঢেলে দিন। চেপে চেপে সমান করে নিন। 
* ঠান্ডা হলে পছন্দ মতো ছাঁচের আকারে অথবা স্কয়ার শেপে অথবা বরফি আকারে ছুরি দিয়ে কেটে পরিবেশন করুন।

 

 

*শীতকাল* *নলেনগুড়* *খেজুরগুড়* *নলেনগুড়েরসন্দেশ* *গুড়েরসন্দেশ* *সন্দেশ* *রেসিপি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 খেজুর গুড়ের সন্দেশের রেসিপি জানতে চাই l

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*খেজুরগুড়* *সন্দেশ*
শপিং

সাদাত সাদ: কেনাকাটা সংক্রান্ত একটি তথ্য দিচ্ছে

দাম ৭৫০ টাকা
http://ajkerdeal.com/Product/157468/porabari-shondesh-1-kg

এঐতিহ্যবাহী পোড়াবাড়ির সন্দেশ টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির গোপাল মিস্টান্ন ভান্ডার থেকে সরাসরি সরবরাহ করা হবে স্থানীয় তাই আসল মান ও স্বাদপরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি ও ফ্রেস ১ কেজির প্যাক খেতে খুবই সুস্বাদু নির্ভেজাল উপকরণ দ্বারা তৈরি উৎসব-আনন্দে অনন্য সংযোজন যেকোন অনুষ্ঠান বা উৎসব উদযাপনে ও অর্ডার দেয়া যাবে বিঃ দ্রঃ১. এই প্রোডাক্টটি শুধুমাত্র ঢাকা শহরের ভিতরে হোম ডেলিভারি দেওয়া হবে; ২.প্রোডাক্টটির মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্যাশ অন ডেলিভারি (COD) প্রযোজ্য; এক্ষেত্রে অনলাইন পেমেন্ট গ্রহণযোগ্য

*সন্দেশ* *কেনাকাটা* *মিষ্টি*
৯৯বার দেখা হয়েছে

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মিষ্টি মানেই দুধের ছানা। ছানা ছাড়া মিষ্টি কল্পনাই করা যায় না। দুধের ছানা দিয়ে হরেক রকমের মিষ্টি তৈরী করা হয়। তবে ছানা দিয়ে তৈরী সন্দেশে ছানার পরিমান একটু বেশিই থাকে। তাইতো ছানার সন্দেশ মানেই ভিন্ন রকম স্বাদ আর অন্য রকম অনুভূতি। দেখতে আকর্ষণীয় আর খেতেও সুস্বাদু বলে এর কদরও সবার কাছে বেশি। বাংলাদেশের সব জেলাতেই ছানার সন্দেশ পাওয়া যায় তবে স্বাদে গন্ধে...
অন্যতম। চলনু ছানার সন্দেশ সম্পম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।

ছানার সন্দেশ
ছানা ও পনির তৈরির কাজ বাঙালিদের শিখিয়েছে পর্তুগিজরা। তাদের কাছ থেকে বাঙালি ময়রারা ছানা ও পনির তৈরির কৌশল শেখে। ভাস্কো দা গামা কালিকট বন্দরে এসেছিলেন ১৪৯৮ সালে, ভারত ত্যাগ করেন ১৫০৩ সালে। উপমহাদেশে ছানা তৈরির শিক্ষাবিস্তার অনেক পরের ঘটনা।যদিও ছানা বাঙালিরাই বেশি ব্যবহার করে। ভাষাতাত্ত্বিক ও সাহিত্যবিশারদ সুকুমার সেনের ‘কলকাতা কাহিনী’ বই থেকে জানা যায়, সংস্কৃত ভাষায় ‘ছানা’ বলে কোনো শব্দ ছিল না। দুধে অন্য উপকরণ যুক্ত করে বাঙালি জলীয় অংশ ও সারবস্তু আলাদা করে ফেলছে। তৈরির উপায় লক্ষ করেই নামকরণ হয় ‘ছেনা’ বা ‘ছানা’। এটি বাঙালি মহলে সমাদৃত হওয়ার আগেই সন্দেশের আবির্ভাব ঘটে। সন্দেশ তৈরি হতো বেসন, নারকেল, মুগ ডালের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে। ছানা তৈরির কাজ শেখার পরই এতে চিনি ব্যবহার করে তৈরি বাঙালির মস্তিষ্কপ্রসূত ‘ছানার সন্দেশ’। পরবর্তীতে শীতের সময় চিনির বদলে গুড় মিশিয়ে তৈরি হতে লাগল গুড়ের সন্দেশ। বাংলার বাইরে ছানার সন্দেশের তেমন দেখা মেলে না।

দাম কেমন, কোথায় থেকে কিনবেন?
বিখ্যাত ছানার সন্দেশ বাংলাদেশের সব জায়গায় পাওয়া যায়। এর রেসিপিটাও বেশ সহজ। চাইলে বাড়িতেও বানিয়ে নিতে পারবেন। ছানার সন্দেশের দাম অবশ্য খুব একটা বেশি না। ১৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকার মধ্যে দেশের যে কোন মিষ্টির দোকানে ছানার সন্দেশ কিনতে পাবেন। যারা ঢাকার মধ্যে রয়েছেন তারা বাড়তি কষ্ট না করে দেশের জনপ্রিয় সব অনলাইন শপ গুলোর মিষ্টির কালেকশন থেকে ছানার কিনে নিতে পারেন। সন্দেশ কেনার সুবিধার্থে আপনার  জন্য নিচের লিংকটি শেয়ার করলাম।
*সন্দেশ* *মিষ্টি* *ছানারসন্দেশ* *শপিং* *স্মার্টশপিং* *অনলাইনশপিং*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বনলতা সেনের নাটোর জেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য আর নজরকাড়া প্রাচীন সব স্থাপত্যশৈলী দেখার জন্য দেশী-বিদেশী হাজারও পর্যটক প্রতিদিন রাণী ভবানীর রাজ্যে ভিড় জমান। ঐতিহাসিক রাজবাড়ী, উত্তরা গণভবন আর চলন বিলের জন্য নাটোর খুব বিখ্যাত। কিন্তু ভ্রমনপিপাসু যারা নাটোর ভ্রমনে যাবেন তারা ভ্রমনের পাশাপাশি যদি নাটোরের তিনটি ঐতিহ্যবাহী খাবার না খেয়ে আসেন তাহলে নাটোর ভ্রমন অপূর্ণ রয়ে যাবে। আজকে নাটোরের জনপ্রিয় তিনটি খাবার নিয়ে আলোচনা করব, যে তিনটি খাবার না খেলে আপনার নাটোর ভ্রমনের আনন্দটাই মাটি।

নাটোরের ঐতিহ্যবাহী তিনটি খাবার...

১. নাটোরের কাঁচাগোল্লাঃ
কাঁচাগোল্লা নাটোর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী  মিষ্টি । দেশব্যাপী কাঁচাগোল্লা এর স্বাদের জন্য  খুব বিখ্যাত । দুধ ও চিনি ব্যবহার করে  কাঁচাগোল্লা  তৈরি করা হয়। কাঁচাগোল্লা নাটোরের যে কোন মিষ্টির দোকানে পাওয়া যায়। সবচেয়ে বিখ্যাত কাঁচাগোল্লা পাওয়া যায় কালিবাড়ী মন্দির গেট ,মৌচাক মিষ্টান্ন ভান্ডারে। দাম প্রতি কেজি ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা।

২. অবাক সন্দেশঃ
কাঁচা গোল্লার পরে অবাক সন্দেশ নাটরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টান্ন। অবাক সন্দেশ অত্যন্ত সুস্বাদু, মুখরোচক। অন্যান্য জায়গায় পাওয়া যায় না বলে এই মিষ্টা্ন্নটি এতটা সুপরিচিত না। তবে নাটোর ও এর আশেপাশের কয়েকটি জেলায় অবাক সন্দেশের যথেষ্ঠ সুনাম রয়েছে। এই মিষ্টান্নটি নাটোর সদরের প্রতিটি মিষ্টির দোকানেই পাওয়া যাবে। দাম প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।

৩. রাঘব শাহীঃ
রাঘব শাহী নাটোরের অন্যতম একটি জনপ্রিয় মিষ্টান্ন। এটি অত্যান্ত সুস্বাদু ও মজাদার। রাঘবশাহী মিষ্টি উতকৃষ্ঠ মানের দুধী মিষ্টি। নাটোর ছাড়াও বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলায় এই মিষ্টি পাওয়া যায়। তবে নাটোরেই এর উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। নাটোর জেলার প্রায় প্রতিটি স্থানেই এই মিষ্টি পাওয়া যায়। দাম ৩০০ টাকা থেকে ৪৫০ টাকা প্রতি কেজি। 
*মিষ্টান্ন* *কাঁচাগোল্লা* *নাটোর* *ভ্রমন* *খাবার* *ভ্রমনটিপস* *সন্দেশ*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উপকরণঃ
ছানা দেড় কাপ
চিনি আধা কাপ
এলাচ গুঁড়া আধা চা চামচ
পেস্তা বাদাম ৮/১০ টা
আমন্ড বাদাম ৮/১০ টা
জাফরান পরিমাণমতো
গরম দুধ ১ টেবিল চামচ

ছানা তৈরিঃ
দুধ ১ কেজি, সাদা ভিনেগার আধা কাপ ও পানি আধা কাপ একসঙ্গে মিলিয়ে নিতে হবে। দুধ জ্বাল করে একটা বলক তুলে নিতে হবে। এখন চুলা বন্ধ করে ভিনেগার মেলানো পানিটা ঢেলে দিতে হবে। ছানা ঠান্ডা হলে কাপড়ে ছেঁকে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

প্রণালীঃ
এক কাপ গরম পানিতে পেস্তা বাদাম ভিজিয়ে রাখতে হবে পাঁচ মিনিট। পানি থেকে তুলে খোসা ফেলে ছোট ছোট করে চপ করে নিতে হবে। গরম দুধ ও জাফরান গুঁড়া দিয়ে মিলিয়ে চপ করে রাখা বাদাম দিয়ে মেলাতে হবে। এবার ভালো করে ছানা মোথে চিনি ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে প্যানে ৫-৬ মিনিট জ্বাল করে নিতে হবে অল্প আঁচে। ঘন ঘন নাড়তে হবে। চুলা বন্ধ করে নেড়ে নেড়ে মিলাতে হবে। কিছুটা ঠান্ডা হলে সন্দেশের আকার দিয়ে বাদাম ও জাফরানের মিশ্রণে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
*ডেজার্ট* *সন্দেশ* *ঈদরেসিপি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★