সবজি

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সবজি কাটার বোর্ডে লেগে থাকা সবজি আর তা থেকে ছড়ানো দুর্গন্ধ দূর করতে কি করণীয়?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*সবজিকাটার* *কাটারবোর্ড* *সবজি* *লাইফস্টাইলটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শুধু ছোটদের দুষে লাভ কি ! বাড়ির বড়রাও কিন্তু সবজি দেখলেই মুখ বাঁকা করে। তও যদি রোজ রোজ একই আঙ্গিকে রান্না করা হয় সবজি তাহলে তো না খাওয়ার পেছনে অজুহাতের কমতি থাকে না। তাই আপনি হয়ে উঠতে পারেন স্মার্ট গৃহিনী,  প্রতিদিন একই উপায়ে সবজি রান্না না করে স্বাদ বদলে নিতে পারেন। এতে খেতেও ভালো লাগবে।

সবজি রান্নার আগে দেখে নিতে পারেন টুকটাক কিছু পরামর্শ :


♦ বাজার থেকে সবজি কিনে এনে ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে কোনো ধরনের কীটনাশক থাকলে তার প্রভাব কেটে যাবে।
♦ সবজি কাটার সময় দা-বঁটির বদলে ছুরি ব্যবহার করতে পারেন। একটু ধারালো ছুরিতে সবজি কাটলে তার আকার ঠিক থাকবে। ভোঁতা কিছু ব্যবহার করলে সবজি ছেঁচে রস বেরিয়ে আসতে পারে।
♦ সবজি দিয়ে কি রান্না করছেন মাথায় রাখুন। কাটার সময় আকার ঠিক না হলে রান্না খারাপ হতে পারে। সবজি কাটার উপর কিন্তু স্বাদের তারতম্য হয়ে থাকে।
♦ সবজি সম্পূর্ণ সেদ্ধ করে গলিয়ে ফেলা ঠিক নয়। এতে গুণাগুণ ঠিক থাকে না।
♦ একাধিক সবজি একত্রে রান্নার সময় যেসব সবজি সেদ্ধ হতে সময় নেয়, তা আগে দিন।
♦ সবুজ রঙের সবজি কম সময় ধরে রান্না করলে রং ঠিক থাকে।

*সবজি* *গৃহস্থালিটিপস* *কুকিংটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দারুন রাধুনি আপনি, খুব মজা করে রান্না করতে জানেন । কিন্তু এর পরিবেশন যদি আকর্ষণীয় না হয় তবে কি আর রান্নার সার্থকতা থাকে। অনেকেই ফল ও সবজি পরিবেশনে বৈচিত্র্য আনতে চান। আর এই বৈচিত্র্য আনা যায় ফল ও সবজি শেপে ভিন্নতা আনার মাধ্যমে। এসব কাটাকুটোর আছে নানা কৌশল। সে কৌশলগুলোর আছে আবার নানা সুন্দর সুন্দর নাম। বিশেষ কোন যন্ত্রপাতির প্রয়োজন নেই শুধু ছুরি দিয়ে করা যায় এই কাটাকুটো।

♦ জুলিয়ান কাট
প্রথমে খোসা ছাড়িয়ে লম্বা স্লাইস করে সবজিটি (যেমন-গাজর) কেটে নিতে হবে। এই স্লাইসগুলোর পুরুত্ব হবে আনুমানিক ৩ মিলিমিটার। এবার একটি স্লাইসের একপাশ থেকে কোনাকুনিভাবে কাটা শুরু করে পুরো স্লাইসটিকে লম্বা লম্বা অংশে ভাগ করে ফেলতে হবে। প্রতিটি লম্বা অংশের দৈর্ঘ্য হবে ৩-৫ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থ ৩ মিলিমিটার। এভাবে প্রতিটি স্লাইস কাটলেই হয়ে গেল জুলিয়ান কাট। ফরাসি ভাষায় ‘জুলিয়ান’ শব্দের অর্থ ‘চিকন ও লম্বা করে কাটা’।

♦ ডায়মন্ড কাট
প্রথমে শসা বা কোনো সবজির খোসা ছাড়িয়ে বেশ পুরু স্লাইস নিতে হবে। এবার এই স্লাইসগুলোকে তিন কোনা টুকরা করে কাটতে হবে। যে ত্রিভুজাকৃতির টুকরা তৈরি হবে, তাদের তিন দিকের দৈর্ঘ্যই সমান হতে হবে।

♦ ব্রানোসিয়া
গাজর,পেঁয়াজ বা যে কোন সবজি ১-৩ মিলিমিটার দৈর্ঘ্যে ছোট ছোট করে কাটতে হবে। সাধারণত গাজর, পেঁয়াজ, শালগম ইত্যাদি এভাবে কাটা হয়।

♦ জার্ডিনিয়ার
গাজর বা অন্য সবজি খোসা ছাড়িয়ে ৫-৬ সেন্টিমিটার করে টুকরা করতে হবে। এবার একটি টুকরার চারপাশ থেকে কেটে একটি চারকোনা অংশ তৈরি করতে হবে। এই চারকোনা অংশটি থেকে কয়েকটি স্লাইস কাটতে হবে। তারপর সেগুলোকে আবার চিকন করে কেটে নিন। টুকরাগুলোর পুরুত্ব হবে ১ সেন্টিমিটার।

ব্রুনাইজ
প্রথমে সবজির (যেমন-গাজর) খোসা ছাড়িয়ে সেটি থেকে ৩ মিলিমিটার প্রস্থ ও ৩ মিলিমিটার পুরুত্বের লম্বা অংশ কেটে নিতে হবে। এরপর লম্বা অংশগুলো থেকে ৩ মিলিমিটার দৈর্ঘ্যের ছোট ছোট অংশ কেটে নিলেই হয়ে গেল ব্রুনাইজ কাট।

♦ ম্যাসিডোনিয়া
এটি মূলত ডাইস করে কাটাকে বোঝায়। পেঁয়াজ, আলু, বা যে কোন সবজি খোসা ছাড়িয়ে সেটিকে ৫ মিলিমিটার দৈর্ঘ্যে এবং প্রস্থে কাটা হয়। এটি ব্রুনাইজ কাটের থেকে কিছুটা বড় হবে।

ওয়েজেস
টমেটো অথবা এ ধরনের কোনো সবজি বা ফলকে এভাবে কাটা যায়। একটি টমেটোকে প্রথমে অর্ধেক করে নিয়ে সেটিকে সমান পুরুত্বের তিনটি অংশে ভাগ করে কাটতে হবে। এবার বাকি অর্ধেকটা অংশকেও একইভাবে কেটে নিতে হবে।

*গৃহস্থালিটিপস* *ফল* *সবজি* *কাটাকুটি*
খবর

Bangla Recipe: একটি খবর জানাচ্ছে

পালং সবজি কারি | বাংলা রেসিপি
http://www.bn.banglarecipe.net/%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%bf/%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%82-%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a6%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf/
পালং সবজি কারি রেসিপিঃ নাদিয়া নাতাশা ছবিঃ নাদিয়া নাতাশা ...বিস্তারিত
*সবজি* *রেসিপি* *বাংলারেসিপি* *খাবার* *রান্না* *রান্নাবান্না* *রান্নাঘর* *কিচেন* *কেক* *সহজরান্না*
২০৭ বার দেখা হয়েছে

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খুব পরিচিত সবজি লালশাক। বাড়ির আঙিনা হয়ে বিস্তৃত মাঠে চাষ হয় সবজিটির। একটা সময় শীতকালীন সবজি হিসেবে এটি পরিচিতি পেলেও এখন বছরজুড়েই পাওয়া যায় লালশাক। ভাজি কিংবা রান্না করেই খাওয়া হয় সবজিটি। মজার ব্যাপার হলো, রান্নার পরেও সবজিটি লাল রং ছড়াতে থাকে। বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো বলেন, লালশাক দেখতে যেমন ভালো, স্বাদেও অনন্য। এবার জেনে নিন লালশাকের আদ্যপান্ত।
রক্তশূন্যতা রোধে লালশাক খেতে পারেন। এই শাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। এই আয়রন শরীরে নতুন রক্তকোষ তৈরিতে সহায়তা করে, অ্যানিমিয়া রোগ দূরে রাখে।
লালশাক রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দিতে সক্ষম। সেই সঙ্গে কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
নিয়মিত খেলে রাতকানা রোগ এড়ানো যায়। সেই সঙ্গে বয়সজনিত ছানি পড়ার প্রবণতাও কমে।
গর্ভবতী নারী ও মায়েদের পুষ্টি পূরণে লালশাক খুব প্রয়োজনীয়।
লালশাকে থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, যেটি চোখের দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধির জন্য খুব দরকার। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি ও চোখের রোগ এড়াতে খেতে পারেন।
চুলের স্বাস্থ্যের জন্য লালশাক ভালো। এটি চুলের গোড়া মজবুত করে, এ ছাড়া চুলে মিনারেল ও পুষ্টি জোগাতে সক্ষম।
লালশাকে বিটা ক্যারোটিন নামে একটি উপাদানের উপস্থিতি পাওয়া যায়, এটি হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়।
জ্বর সারাতেও লালশাক কার্যকর। জ্বরের সময় লালশাক খেলে জ্বরের প্রকোপ কমে, সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতাও বাড়ে।
লাশশাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণাবলি থাকায় এটি ক্যানসার প্রতিরোধে বিশেষ কার্যকর।
ক্যালরি কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এক আদর্শ সবজি হলো লালশাক।
লালশাকের আঁশজাতীয় অংশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে, সেই সঙ্গে যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে, তাদের জন্যও ভালো সবজিটি।
এতে ভিটামিনগুলো ত্বক ভালো রাখে এবং যাদের মাড়ি ফোলা রোগ আছে, তাদের জন্যও খুব উপকারী।
ক্যালরি কম থাকায় বেশি খেয়ে ফেললেও ওজন বাড়ার শঙ্কা নেই। তাই প্রতিদিন ভাতের পাতে রাখুন লালশাক
*লালশাক* *সবজি*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রতি মাসে হয়তো একসঙ্গে পুরো মাসের বাজার করে থাকেন অনেকে। আবার প্রতি সপ্তাহে বাজার করতে পছন্দ করেন কেউ কেউ। কিন্তু বাজার যখনই করা হোক না কেন, সেটা তো ঠিকমতো ফ্রিজে তুলে রাখতে হবে। বাজার থেকে কাঁচা শাকসবজি, মাছ-মাংস এনে টাটকা রাখার উপায় সম্পর্কে জেনে নিন।
‘বাজার থেকে মাছ-মাংস এনে বেশিক্ষণ বাইরে রাখলে তাতে ব্যাকটেরিয়া জন্মায়। ফলে দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ জন্য বাজার থেকে আনার সঙ্গে সঙ্গে রান্না করার অংশটুকু রেখে প্রক্রিয়াজাত করে দ্রুত ঠান্ডা স্থানে রাখতে হবে। যেকোনো শাকসবজি বাজার থেকে এনে প্রক্রিয়াজাত করে রাখলে তাতে পুষ্টিগুণ অটুট থাকবে, আর টাটকাও থাকবে।’ বলছিলেন পুষ্টিবিদ সিদ্দিকা কবীর। তাঁর পরামর্শ—
যেকোনো ধরনের শাকপাতা তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। এ জন্য বাজার থেকে আনার সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করে ছড়িয়ে রাখতে হবে। এরপর শাকের গায়ে লেগে থাকা পানি শুকিয়ে গেলে প্লাস্টিক কন্টেইনারে রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে।
ধনেপাতা, পুদিনাপাতা ধুয়ে কতক্ষণ পানি ঝরিয়ে ছড়িয়ে রাখার পর প্লাস্টিক কন্টেইনারে রাখতে হবে। তবে অবশ্যই এর গোড়াগুলো পরিষ্কার করে তবে মুখবন্ধ পাত্রে রাখতে হবে।
অন্যান্য যেকোনো সবজি বাজার থেকে এনে ময়লা পরিষ্কার করে রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে। তবে কিছু কিছু তরকারি, যেমন—পটল তাড়াতাড়ি রান্না করে ফেলতে হবে, না হলে পচে যাবে।
বাজার থেকে মাছ-মাংস এনে যতখানি রান্না করা দরকার, ততখানি বাইরে রেখে বাকিটা প্রয়োজনমতো পর্যাপ্ত পরিমাণ প্যাকেট করে কিংবা কন্টেইনারে ডিপ ফ্রিজে রাখতে হবে।
মাছ-মাংস প্যাকেট করার আগে এমনভাবে পরিষ্কার করে রাখতে হবে, যেন রক্ত না লেগে থাকে।
ডিপ ফ্রিজে (মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়) মাছ-মাংস রাখলে অনেক দিন ভালো থাকে।
ডিপ ফ্রিজে না রাখতে চাইলে রান্না করে মাছ-মাংসের তরকারি ঠান্ডা করে রেফ্রিজারেটরে রাখা যেতে পারে।
রেফ্রিজারেটর না থাকলে…
গ্রীষ্মকালীন এবং উষ্ণ আর্দ্র স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় কাঁচা শাকসবজি, মাছ-মাংস টাটকা রাখতে হলে নিতে হবে সঠিক পদ্ধতি। বলছিলেন রন্ধনশিল্পী সিতারা ফেরদৌস। তাঁর পরামর্শ—
 পাকা মিষ্টিকুমড়া, পাকা চালকুমড়া, পাকা শসা—এসব অক্ষত অবস্থায় বাইরে রেখে দিলে অনেক দিন ভালো থাকে।
 কাঁচকলা, পটল, ঝিঙা, পেঁপে—এসব রান্নাঘরের তাকের নিচে একটা ঝুড়িতে সাজিয়ে ঠান্ডা স্থানে ছড়িয়ে রেখে দিলে দিন চারেক ভালো থাকে। খেয়াল রাখতে হবে, একটার গায়ে যেন অন্যটা লেগে না যায়।
 শজনে ডাঁটা ভেজা কাপড়ে পেঁচিয়ে ১৫-১৬ দিন বা তারও বেশি সময় রাখা যেতে পারে, তবে প্রতিদিনই কাপড়টা তুলে দেখতে হবে এবং পুনরায় ভিজিয়ে রাখতে হবে।
 কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা বোঁটা ফেলে কাগজের ঠোঙায় পেঁচিয়ে রাখলে পাঁচ-ছয় দিন ভালো থাকে।
 আদা, আলু ঠান্ডা স্থানে বালির ভেতর রেখে দিলে অনেক দিন ভালো থাকে।
 সবজি, ফল যেকোনো জিনিস রেফ্রিজারেটরে রাখতে হলে ছিদ্র করা পলি প্যাকে রাখলে ভালো থকবে।
 মানকচু, ওলকচু, কলার থোড়—এসব প্রাকৃতিকভাবেই ভালো থাকে অনেক দিন।
 কই মাছ, শিং মাছ, মাগুর, শোল, টাকি—এসব মাছ পানিতে জিইয়ে রেখে অনেক দিন খাওয়া যায়। তবে মাঝেমধ্যে পানি পরিবর্তন করতে হবে এবং মাছ তাজা আছে কি না, তা লক্ষ রাখতে হবে।
 ইলিশ মাছ মাটির পাত্রে লবণ মাখিয়ে লোনা করে রেখে দেওয়া যায়। আবার আঁশটা না ছাড়িয়ে প্যাকেট করে আস্ত ইলিশ ডিপ ফ্রিজে রাখলে ভালো থাকে।
 ছোট মাছ ডিপ ফ্রিজে পলিপ্যাক অথবা কন্টেইনারে পানিসহ রেখে দিলে টাটকা মাছের স্বাদ পাওয়া যাবে
*সবজি* *ফলমূল* *টিপস*

নাবালক: *সবজি* অনেক মজা!!(হাসি২)

ইসরাত: *সবজি* পুরো শীতকালে সবজির বাজার নানা রকম সবজিতে থাকে ঠাসা। ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, ব্রোকলি, গাজর, শালগম, টমেটো, শিম, চিনা বাঁধাকপি, লাল বাঁধাকপি, ফ্রেঞ্চবিন—কত-না সবজি! এর সঙ্গে রয়েছে শীতের মজাদার পালংশাক। এসব খেয়ে পুরো শীতকাল চনমনে হয়ে উঠতে পারেন |

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★