সমুদ্র সৈকত

সমুদ্রসৈকত নিয়ে কি ভাবছো?

Md. Mostakul Islam Ruku: *সমুদ্রসৈকত* আজ পর্যন্ত সমুদ্রসৈকতে যাওয়া হলোনা। এটা একটা বড় না পাওয়ার ব্যাথ্যা। এখানে সেই গানটাই মনে পড়ে... আমি শুনেছি সেদিন তুমি নোনা বালি তির ধরে বহুদুর বহুদুর ........

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন সৈকত বলা যায়। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এ জায়গা থেকেই সূর্যোদয় এবং সূর্যাচ্চের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়। তবে সেটা সৈকতের দুই প্রান্ত থেকে। ভালোভাবে সূর্যোদয় দেখা যায় সৈকতের গঙ্গামতির বাঁক থেকে আর সূর্যাচ্চ দেখা যায় পশ্চিম সৈকত থেকে। এ সৈকতের দৈর্র্ঘ্য প্রায় আঠারো কিলোমিটার আর প্রস্থে প্রায় তিন কিলোমিটার। পুরো সৈকত ঘেঁষেই রয়েছে বিচ্চীর্ণ নারিকেল বাগান। সমুদ্র সৈকতের পূর্ব প্রান্তে রয়েছে গঙ্গামতির খাল। এর পরেই গঙ্গামতির সংরক্ষিত বণাঞ্চল। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের একেবারে পশ্চিম পাশে আছে জেলে পল্লী। মাছের শুটকি তৈরির বিশাল একটি এলাকাও আছে এখানে। এছাড়া পুরো সৈকতজুড়েই সারা বছর দেখা মিলবে মাছ শিকারীদের বিভিন্ন কৌশলে মাছ ধরার দৃশ্য। কুয়াকাটার পুরো সৈকতে বেড়ানোর জন্য রয়েছে মটর সাইকেলের ব্যবস্থা। একটি সাইকেলে দুইজন ভ্রমণ করা যায়। 

বাংলাদেশের দক্ষিনাঞ্চলে সাগরকন্যাক্ষ্যাত মনোরম একটি ভ্রমণ স্বর্গ কুয়াকাটা। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার অন্তর্গত লতাচাপালী ইউনিয়নে অসাধারণ এ সমুদ্র সৈকতটির অবস্থান। কুয়াকাটার ঠিক পূর্বেই রয়েছে গঙ্গামতির বা গজমোতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল, পশ্চিমে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল উত্তরে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মাছের বাণিজ্য কেন্দ্র আলীপুর। সাগরের বুকে এখান থেকেই সূর্যোদয় এবং সূর্যাচ্চের মনোরম দৃশ্য দেখা যায় বলে নৈসর্গিক সৌন্দর্যের বিবেচনায় দেশের অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে এর গুরুত্ব অনেক বেশি।

কুয়াকাটার নামকরণ নিয়ে রয়েছে মজার ইতিহাস। ১৭৮৪ সালে বর্মী রাজা রাখাইনদের মাতৃভূমি আরাকান দখল করলে বহু রাখাইন আরাকান ছেড়ে নৌকাযোগে অজানার উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়ে। চলতে চলতে তারা বঙ্গোপসাগরের তীরের রাঙ্গবালি দ্বীপ খুঁজে পেয়ে সেখানে বসতি স্থাপন করে। সাগরের লোনা পানি ব্যবহারের অনুপযোগী বলে মিষ্টি পানির জন্য তারা এখানে একটি কূপ খনন করে এবং এ স্থানের নাম দেয় কুয়াকাটা। কুয়াকাটা ভ্রমণের আদ্যোপান্ত নিয়ে চলুন জেনে নেই।


কুয়াকাটার কুয়া
কুয়াকাটা নমকরণের উৎস প্রাচীন সেই কুয়াটি এখনো আছে। তবে অদূরদর্শী কুরুচিকর সংস্কারের ফলে এর সৌন্দর্য এবং প্রাচীন আদল নস্ট হয়ে গেছে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের কাছেই রাখাইন আদিবাসীদের বাসস্থল কেরানিপাড়ার শুরুতেই বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে রয়েছে এই কুয়াটি।


সীমা বৌদ্ধ মন্দির
কুয়াকাটার প্রাচীন কুয়াটির সামনেই রয়েছে প্রাচীন একটি বৌদ্ধ মন্দির, নাম সীমা বৌদ্ধ মন্দির। প্রাচীন এই মন্দিরে রয়েছে প্রায় সাঁইত্রিশ মন ওজনের অষ্ট ধাতুর তৈরি ধ্যানমগ্ন বুদ্ধের মূর্তি।


কেরানিপাড়া
সীমা বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে থেকেই শুরু হয়েছে রাখাইন আদিবাসীদের পল্লী কেরানিপাড়া। এখানকার রাখাইন নারীদেও প্রধান কাজ কাপড় বুনন। এদের তৈরি শীতের চাদর বেশ আকর্ষণীয়।


আলীপুর বন্দর
কুয়াকাটা থেকে প্রায় চার কিলোমিটার উত্তরে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম বড় একটি মাছ ব্যবসা কেন্দ্র আলীপুর। এ বন্দর থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রলার বঙ্গোপসাগরে যায় মাছ ধরতে। আলীপুর বন্দর ঘুরে দেখতে পারেন বিভিন্ন রকম সামুদ্রিক মাছের বিশাল আয়োজন।


মিশ্রিপাড়া বৌদ্ধ মন্দির
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে প্রায় আট কিলোমিটার পূর্বে রাখাইন আদিবাসীদের আকেটি বাসস্থল মিশ্রিপাড়ায় রয়েছে আরেকটি বৌদ্ধ মন্দির। এ মন্দিরেই রয়েছে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ মূর্তি। এখান থেকে কিছু দূরে আমখোলা পাড়ায় রয়েছে এ অঞ্চলের সবচেয়ে বড় রাখাইন বসতি।


গঙ্গামতির জঙ্গল
কুয়াকাটা সুমুদ্র সৈকত পূব দিকে শেষ হয়েছে গঙ্গামতির খালে গিয়ে। আর এখানে শুরু হয়েছে গঙ্গামতির বা গজমতির জঙ্গল। বিভিন্ন রককম গাছপালা ছাড়াও এই জঙ্গলে দেখা মিলতে পারে বন মোরগ, বানর ও নানা রকম পাখির।


ফাতরার বন
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম প্রান্তে নদী পার হলেই সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। এরই নাম ফাতরার বন। এ জায়গাটি অবিকল সুন্দরবনের মতো হলেও হিংস্র কোন বন্যপ্রাণী নেই বললেই চলে। বন মোরগ, বানর আর বিভিন্ন রকম পাখিই এ বনে বেশি দেখা যায়। খুবই কম পরমিানে দেখা মিলে বন্য শুকরের। কুয়াকাটা থেকে ফাতরার বনে যেতে হলে লাগবে ইঞ্জিন বোট। সারা দিনের জন্য মাঝারি মানের একটি বোটের ভাড়া ১৫০০- ২০০০টাকা।


কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে কুয়াকাটা যাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা হলো সদরঘাট থেকে লঞ্চে পটুয়াখালী। সেখান থেকে বাসে কুয়াকাটা। ঢাকা থেকে পটুয়াখালী রশুটে চলাচল করে এমভি দ্বীপরাজ, সৈকত ইত্যাদি লঞ্চ। এসব লঞ্চে প্রথম শ্রেনীর দ্বৈত কেবিনের ভাড়া ৮৫০-১০০০ টাকা। পুয়ায়াখালী বাস স্টেশন থেকে প্রতি ঘন্টায় কুয়াকাটার বাস ছাড়ে। ভাড়া ৬০-৭০ টাকা। এছাড়া ঢাকা থেকে লঞ্চে বরিশাল এসে সেখান থেকেও বাসে চড়ে কুয়াকাটা আসা যায়। ঢাকা থেকে বরিশাল ও পটুয়াখালীর লঞ্চগুলো ছাড়ে প্রতিদিন সন্ধ্যায়। ঢাকা থেকে সরসরি বাসও চলে কুয়াকাটার পথে। কমলাপুর বিআরটিসি বাস স্টেশন থেকে প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় ছাড়ে সরকারী পরিবহন সংস্থার বাস। আর গাবতলী বাস টার্মিনাল থেকে কুয়াকাটার পথে চলে সাকুরা, সুরভী, দ্রুতি ইত্যাদি পরিবহনের বাস। ভাড়া ৪৫০-৫০০ টাকা।


কোথায় থাকবেন
কুয়াকাটায় থাকার জন্য এখন বেশ কয়েকটি ভালো মানের হোটেল আছে। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো পর্যটন করপোরেশনের পর্যটন হলিডে হোমস। হোটেল স্কাই প্যালেস,  হোটেল নীলঞ্জনা ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল গোল্ডেন প্যালেস, হোটেল সাগর কন্যা। 


প্রয়োজনীয় তথ্য
কুয়াকাটা ভ্রমণে যাওয়ার আগে একটি কথা জেনে যাওয়া ভালো। সুন্দর এ পর্যটন কেন্দ্রটি সরকারের কাছে বরাবরই উপেক্ষিত। তাই পটুয়াখালী থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। সড়কের বেহাল দশার কারণে প্রায় আড়াই ঘন্টার এ পথটুকু পেরুতে কিছুটা দুর্ভোগের শিকার হন পর্যটকরা। তবে সাগরকন্যার সৌন্দর্য দেখার পরে সে কষ্ট অনেকের কাছেই সামান্য মনে হবে। কুয়াকাটার পাশ্ববর্তী দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত বাহন মোটর সাইকেল। 

*কুয়াকাটা* *ভ্রমনটিপস* *ছুটিতেভ্রমন* *সমুদ্রসৈকত*
ছবি

সাদাত সাদ: ফটো পোস্ট করেছে

আরব সাগরে

বহুদিন আগে তোলা ছবি (গ্যাংনাম)

*আমারছবি* *সমুদ্রসৈকত* *আরবসাগর* *ফটোগ্রাফি* *শখের-ফটোগ্রাফি* *আরবসমুদ্র* *আরব* *শখেরফটোগ্রাফি* *প্রকৃতি*

সাদাত সাদ: সমুদ্রের কিনারে বসে আছি, মৃদু হাওয়া সাথে বাতাসের কম্পন। অন্যরকম এক অনুভূতি, বেশ ভালো কাটছে আজকের দিন টা। আল ওয়াঝ সাগরের দক্ষিন পাশে আমি সাথে কয়েকজন বন্ধু (খুকখুকহাসি)

*সমুদ্রতীর* *সমুদ্রসৈকত* *alwajh*

পড়াশোনা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বাংলাদেশে সমুদ্র সৈকত মোট কতটি এবং কোথায় অবস্থিত ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*সমুদ্রসৈকত* *সাধারনজ্ঞান*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

 হনিমুন হোক, ফ্যামিলি ট্যুর হোক বা একদল বন্ধুবান্ধব মিলে হুল্লোড়ের অজুহাত-দক্ষিণ ভারতের বিচ ট্যুরিস্ট স্পটগুলির আকর্ষণ অদম্য। সারা ভারতেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে যদিও, কিন্তু দক্ষিণ ভারতের সমুদ্রসৈকতগুলির আবেদন ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে একটু বেশিই। কাচের মতো স্বচ্ছ জল, সোনালি বালুকা বা পাথুরে ঢাকা তটভূমি আর মাঝেমধ্যে পাম গাছের গ্রিন রিলিফ। চোখ ও শরীর-দু’টোর জন্যই পরম প্রশান্তিদায়ক। যান না, কিছুদিনের জন্য একটু শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে দক্ষিণমুখী হন।

মালপে : উদিপী শহরের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে আছে আরবসাগরের নীলচে বাহার। উদিপী থেকে হাত বাড়ানো দূরত্বে রয়েছে সোনা বালুর মালপে সৈকত। হলদে বালিতে আরবসাগর এখানে শান্ত। নারকেল আর ঝাউয়ের ঠাস বুনট। সমুদ্রের বুকে চষে বেড়ানোর সমস্ত আয়োজন রয়েছে। স্পিডবোট, প্যারাসেলিং, কী নেই এখানে! প্রিয়জনকে সঙ্গে নিয়ে আরবসাগরে ভেসে যাওয়া যায় স্পিডবোটের সঙ্গে। পাখির চোখে মালপের মাদকতায় মুগ্ধ হতে চাইলে অবশ্যই প্যারাসেলিং-এ কয়েক চক্কর কাটা যায়। সৈকতের প্রান্তরেখা সূর্যের নানা রঙের ছটায় মাতোয়ারা, শান্ত বিচের অনেকটা দূর পর্যন্ত বিস্তৃত ঝাউবনে বাতাসের মাতামাতি। মাঝে মাঝেই মাছভাজার তীব্র গন্ধ নাকে আসে। নানান মাছের সম্ভার থেকে পছন্দের মাছভাজা খাওয়ার মজাটাই আলাদা!

কাপুঃউদিপী থেকে ৩৭ কিলোমিটার দূরে মাঙ্গালোরগামী বাসে কাপু মোড়।লালমাটির রাস্তা ফুঁড়ে, গ্রামজীবনের সরল ছবি পিছনে ফেলে চলে আসা যায় কাপুর কিনারে। সমুদ্রপ্রেমীদের এক অজানা অচেনা সৈকতপ্রান্ত। আরব সাগরের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে জল কোথাও নীল, কোথাও সবুজ। যতদূর চোখ যায়, সোনালি বালির পাড়ে সবুজ নারকেলবীথি, মাঝে মাঝে ঝাউয়ের সমাবেশ, নীল আকাশে সিগালদের ওড়াওড়ি। গাছের ছায়ায় একটা গ্রাম্য রেস্তরাঁ, দেদার সস্তা মাছ। সম্প্রতি এখানেও ওয়াটার স্পোর্টসের নানান আয়োজন রয়েছে। দূরে সমুদ্রের বুকে জেগে আছে পতুগিজদের দুর্গ। ভগ্নপ্রায় দুর্গ নিয়ে নানান কাহিনি-কিংবদন্তির ছড়াছড়ি। পাশের টিলায় কালো-সাদা একটা বাতিঘর।

সেন্ট মেরিজ আইল্যান্ড: যাঁরা অ্যাডভেঞ্চার ভালবাসেন, উদিপী থেকে একটু ভোরবেলা বেরিয়ে তাঁরা চলে আসুন মালপে বন্দরের বোট অফিসে। হাজার হাজার বোট সাগর ছেঁচে মাছ ধরার প্রহর গুনছে। অশান্ত আরবসাগরের ঢেউয়ের দোলায় দুলতে দুলতে দূরে একটা পাথুরে রেখা চোখে পড়ল। কালিকট যাওয়ার পথে ১৪৯৮ সালে ভাস্কো-দ্য-গামা এই দ্বীপে নামেন। তিনি এই দ্বীপের নাম রাখলেন পাদ্রো-দ্য-সান্তা-মারিয়া। সেই দ্বীপই আজকের সেন্ট মেরিজ আইল্যান্ড।

মুরুডেশ্বর: অশান্ত ঝোড়ো হাওয়াকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গল, পাহাড় পেরিয়ে কোস্টাল কর্ণাটকের আনকোরা সমুদ্রশহর মুরুডেশ্বর। উদিপী থেকে আসার পথে মাঝে মাঝে সমুদ্রটা উঁকিঝুঁকি মারছিল। তারপরই হঠাত্ উধাও!টিলার ওপর বিশাল মহাদেবের মূর্তিকে কুর্নিশ জানায় গোপুরম। চালুক্য ও কদম্ব রাজাদের ভাস্কর্যের ছাপ। মন্দির পেরিয়ে বিশাল শিবের মূর্তি, মূর্তির নীচে ভূ-কৈলাস গুহা। তার অনেক নীচে আরবসাগরের ফুঁসে ওঠা। সমুদ্রের প্রান্তরেখায় পাহাড়ের সীমারেখা। সমুদ্রের পাড় জুড়ে সবুজের সমারোহ। সমুদ্রের গা-ঘেঁষে একটা রেস্তরাঁ। বিচের ওপর আমিষ-নিরামিষ খাবারের অভাব নেই।

গোকণর্: এখানেও সমুদ্রতীর বরাবর বিভিন্ন মন্দির এবং তাদের ঘিরে কিংবদন্তির ছড়াছড়ি। আরবসাগর এখানে নীল, ঘন নীল। শুধু সমুদ্রস্নান নয়, এখানে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের ওয়াটার স্পোর্টসের আয়োজন। ওয়াটার স্কুটার কিংবা ফড়িং-এর মতো লাফিয়ে লাফিয়ে চলা ব্যানানা কেট চড়ে নেওয়া যেতে পারে। আকাশের বুকে সিগালদের সঙ্গে উড়তে হলে পাখির মতো উড়ে বেড়ানো যায় প্যারাসেলিং নির্ভর করে। গোকর্ণ থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে আরও নির্জন সৈকত ওম। দূরে লাল পাহাড়ে সবুজের সমাহার। ঘুরে আসতে পারেন ওই সৈকতও।

কারোয়ার: গোয়ার চমৎকার সমূদ্রতট কারোয়ার। গোয়া থেকে মাত্র ষাট কিলোমিটার পেরিয়ে কারোয়ার। অনেকেই জানেন না, রবীন্দ্রনাথ মাত্র ২২ বছর বয়সে এই নির্বাক সাগরপারে বসে লিখেছিলেন ‘প্রকৃতির প্রতিশোধ’। তাঁরই নামে ‘টেগোর বিচ’ এক অনবদ্য বালুকাবেলা, কারোয়ারের বুকে। শহরের মধ্যেই রয়েছে অক্টাগোনাল চার্চ, সর্পদেবীর মন্দির, দেভবাগ বিচ। কারোয়ারের দক্ষিণপ্রান্তে আরও নির্জন সৈকতের নাম দেভবাগ। জেলেবস্তির মাঝে সমুদ্রের প্রান্তরেখায় দাঁড়িয়ে আছে ছোট ছোট টিলা। সেই টিলার পাড়ে ঢেউ ভাঙছে অবিরত। কর্ণাটকের দক্ষিণপ্রান্তের এই আনকোরা কোস্টাল সিটিতে মন চায় বারে বারে হারাতে।
(সংগ্রহীত)
*ভ্রমণ* *দক্ষিনভারত* *সমুদ্রসৈকত*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রকৃতিতে কত বিস্ময়কর জিনিষ আছে যা আমাদের মুগ্ধ করে প্রতিনিয়ত। কত না সুন্দর ভাবে সাজানো আমাদের এই ছোট গ্রহ পৃথিবী। কিন্তু আমরা কি পৃথিবীর সকল বিস্ময়কর জায়গা সম্পর্কে জানি? মনে হয় না কেউ বলতে পারবে হ্যাঁ জানি পৃথিবীর সব বিস্ময়কর জিনিষ।তাহলে চলুন জেনে নেই প্রকৃতির বিস্ময় কর কিছু স্থান সম্পর্কে
,জ্বলজ্বলে সমুদ্র সৈকতঃ
মালদ্বীপের ভাডু  সমুদ্র সৈকত সত্যিকার অর্থে যেন এক স্বপ্নের জগত। দেখলে মনে হবে যেন বিশ্বের সব থেকে রোমান্টিক সমুদ্র সৈকত এটি। এই মিটিমিটি জ্বলজ্বল করে জ্বলতে থাকা প্রতিটা ঢেউ যেন আপনাকে নিয়ে যাবে স্বপ্নের কোন এক দুনিয়ায়। জ্বলজ্বলে জ্বলতে থাকা এই ঢেউ গুলির মধ্যে থাকে অনুজীব যেগুলি বাতাসে অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসা মাত্রই এরকম জলে ওঠে। সে যা হোক সত্যি কিন্তু এক অভুতপূর্ব দৃশ্য এটি।
ব্লু ড্রাগন নদীঃ
উপরের এই নদীর ছবি দেখলে মনে হবে যেন ফটোশপের মাধ্যমে তা বানানো হয়েছে। কিন্তু না, সত্যি সত্যি এই নদীর অস্তীত্য রয়েছে, আর এই নদীর আসল নাম "অদেলেইটি", আর এই নদী পূর্তগালে অবস্থিত। এই নীল রঙয়ের আঁকা বাকা ড্রাগন আকৃতির জন্য এই নদীকে সবাই ব্রু ড্রাহন নদী হিসেবেই চিনে।
হিলার লেকঃ
৬০০ মিটার চওয়া অষ্ট্রেলিয়ার এই লেকের পানির রঙ গোলাপি রঙয়ের। এই লেকের পানি রঙ কেন গোলাপি এই নিয়ে এখন পর্যন্ত গবেষনা চললেও ধারনা করা হয়, এই লেকের মধ্যে কম ঘনত্বের ডানেলিয়া  স্যালাইন এবং হ্যালিকোব্যাকটেরিয়াম থাকার কারনে এই রঙ হয়। যদিও এখন পর্যন্ত এই গোলাপি রঙয়ের আসল কারন আবিস্কার করা সম্ভব হয় নাই তারপরেও দেখতে কিন্তু অসম্ভব সুন্দর। সূত্রঃ ইন্টারনেট



*বিস্ময়* *হিলারলেক* *ব্লুড্রাগননদী* *সমুদ্রসৈকত* *মালদ্বীপ* *জানাঅজানা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পর্যটকদের আকর্ষণের জন্য চিলিতে তৈরী করা হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম সমুদ্র সৈকত। বিশ্বের সর্ববৃহৎ মানুষের তৈরি সমুদ্র সৈকত হিসেবে রেকর্ড স্থাপন করেছে ‘ক্রিস্টাল লেগুন’ নামক একটি কোম্পানি। শিরোনামটি শুনে আশ্চর্যের মনে হলেও এটি সত্যি। চিলির সান আলফানসো ডেল মার টুরিস্ট কমপ্লেক্সে ৮ হেক্টর জায়গা জুড়ে এক বিশাল সৈকত বানিয়ে এই রেকর্ড স্থাপন করেছে ‘ক্রিস্টাল লেগুন’। অসাধারণ সৌন্দর্যের এই সমুদ্র সৈকতটি মানুষের তৈরি অতুলনীয় এক স্থাপত্য হিসেবে সকলের নজর কেড়ে নিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রচুর টুরিস্ট এই কৃত্রিম সৈকত এক নজর দেখার আশায় ভিড় জমাচ্ছেন চিলিতে।

ক্রিস্টাল লেগুনের তৈরি প্রথম এই একটি প্রকল্পই গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নিয়েছে। অবশ্য তারা নিজেরাই নিজেদের রেকর্ড ভাঙার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতোমধ্যেই সাড়ে ১২ হেক্টরের আরেকটি সৈকত তৈরি করার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তারা। বিশাল মরুভূমির মাঝে অবস্তিত মিসরের শার্ম আল শেখ অবকাশ যাপন কেন্দ্রে হবে এই দ্বিতীয় প্রকল্পের কাজ। এছাড়াও ২০২০ সালে দুবাইয়ের আরেকটি সৈকত বানানোর প্রকল্পে কাজ করবে ‘ক্রিস্টাল লেগুন’ যার আয়তন হবে প্রায় ৪০ হেক্টর জায়গা।
(সংকলিত)

*ভ্রমন* *সমুদ্রসৈকত* *চিলি* *বিদেশভ্রমন* *ট্রাভেল*

শুভাশীষ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাটির সরু পথ চলে গেছে ম্যানগ্রোভ বনের ভেতর দিয়ে, থেমেছে বঙ্গোপসাগরের কূলে। 

সোনাদিয়া সৈকতের উদ্দেশে মহেশখালীর ঘটিভাঙ্গা থেকেই শুরু করতে হয় যাত্রা। এই প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার সময় বারবার মনে হবে, সাগরবুকের ছোট্ট সুন্দর এই জায়গাটি যেন বাকি ভূখণ্ড থেকে আলাদা। তিন-তিনটি সাগর চ্যানেলের ওপর দুটি সেতু ও একটি বাঁশের সাঁকো দিয়ে জোড়াতালি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে একে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে।


ইনানী, সেন্টমার্টিন—এই দুই সৈকতের কথা তো অনেকেরই জানা। তবে শান্ত- নিরিবিলি সোনাদিয়া সৈকত চেনেন কম মানুষই। সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে বেশ কিছুকাল থেকে। 
এখানে আসতে হলে অবশ্য একটু প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। 

জোয়ার থাকলে নৌকায় করেও যাওয়া যায়। তবে হেঁটে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। কেননা, প্যারাবনের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় দুই চোখ ভরে যাবে অসাধারণ সব দৃশ্য দেখে। সাগর চ্যানেলে জেলেদের মাছ ধরা, ছোট ছোট নালাসমৃদ্ধ বনের সৌন্দর্য্য এবং সে বনের নুনিয়া, সাদা, কালো বাইনসহ নানা ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ আপনাকে মুগ্ধ করবে। 

ভাটার সময় দেখতে পাবেন নালায় মাছ কুড়ানোর দৃশ্য আর বনের মধ্যে মহিষের পাল চরে বেড়ানো। বন পার হলেই ঠিক সোনাদিয়ার আগে চোখে পড়ে বিশাল এক লবণখেত। সোনাদিয়ার সৈকতে পৌছানোর পর মনে হবে, হাঁটার ক্লান্তি উবে গেল যেন নিমেষে।

মাত্র নয় বর্গকিলোমিটারের এই সোনাদিয়ার তিন দিকে বঙ্গোপসাগর। আড়াই থেকে তিন হাজার মানুষের বাস এখানে। কোনো বাজার নেই। কয়েকটি মুদির দোকান ছাড়া ভরসা ওই মহেশখালীর ঘটিভাঙ্গা।সোনাদিয়া সৈকতের মূল আকর্ষণ লাল কাঁকড়ার লুকোচুরি খেলা, কচ্ছপের ডিম ও ঝিনুকের আস্তরণ। শত শত লাল কাঁকড়ার বিচরণ সৈকতে। মানুষের আভাস পাওয়ামাত্রই শুরু হয়ে যায় তাদের লুকোচুরি খেলা। সৈকতের বুকে কাঁকড়ার পায়ের ছাপ দেখে ভ্রম হতে পারে কোনো শিল্পীর তুলির আঁচড় কি না। রাতের বেলা সামুদ্রিক কচ্ছপের ডিম পাড়ার আদর্শ সময়। শীতের সকালে আপনিও দেখে আসতে পারেন সোনাদিয়া সৈকতের বালুর নিচে কচ্ছপের পেড়ে যাওয়া শত শত ডিম। সোনাদিয়া মৎস্যজীবী সমিতি প্রতিষ্ঠিত এখানকার একমাত্র হ্যাচারিটিতে বাচ্চা ফুটিয়ে সাগরে ছেড়ে দেওয়া হয় সেসব কচ্ছপশিশু। এখানে রাতে থাকার ব্যবস্থা নেই। মিস করবেন না সোনাদিয়ার সৈকতে সূর্যাস্ত।

যেভাবে যাবেন
কক্সবাজার এসে পরের দিন খুব সকালে বেরিয়ে পড়ুন কিছু শুকনা খাবার সঙ্গে নিয়ে। শহরের ৬ নম্বর ঘাট থেকে স্পিডবোটে মহেশখালীর গোরকঘাটা যাওয়া যায়। মহেশখালী সদর থেকে মিশুক কিংবা অটোরিকশায় যেতে হবে ঘটিভাঙ্গা। তারপর হাঁটা আরম্ভ করুন অথবা নৌকা ঠিক করে নিন।  জেনে রাখুন, সোনাদিয়ায় থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা নেই। তাই দিনে দিনে ফিরে আসার প্রস্তুতি নিয়েই বের হওয়া ভালো। এ ছাড়া কক্সবাজার থেকে স্পিডবোটে করেও দেখে আসতে পারেন সোনাদিয়ার সৌন্দর্য্য।

*কক্সবাজার* *সোনাদিয়া* *সমুদ্রসৈকত* *শীতেভ্রমন* *মহেশখালী*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গডস ওন কান্ট্রি কেরলের এক বৈচিত্র্যপূর্ণ জায়গা কোভালম। ৩০ বছর আগে কোভালামকে ছিল হিপ্পিদের পীঠস্থান, একেবারে পিকচার পারফেক্ট ট্রপিকাল বিচ- তাজা মাছ, ফল এবং কোকোনাট বিয়ারের জন্যে জনপ্রিয়।

কোভালমের ইতিহাস আজকের নয়। ট্রাভাঙ্কোরের মহারাজা সর্বপ্রথম কোভালমকে লোকজনের নজরে নিয়ে আসেন। গত ৩ দশক ধরে কোভালাম হয়ে উঠেছে অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। শান্তি আর নির্জনতা যাঁরা পছন্দ করেন তাঁদের জন্যে তিরুভনান্তাপুরম- কন্যাকুমারী সড়কে কোভালম বিচ একেবারে পারফেক্ট। পাহাড় পাহাড় পরিবেশ, শান্ত ফিরোজা সমুদ্র, চারদিকে গাছগাছালি আর ওপরে নীল আকাশ, সব মিলিয়ে কোভালাম যেন ঠিক মায়ানগরী।। আর তাই বোধহয় কোভালমকে বলা হয় প্যারাডাইস অফ সাউথ।



কোভালাম বিচ- কোভালাম বিচকে তিনটি টুকরোতে ভাগ করা হয়েছে। অদূর দক্ষিণে সবচেয়ে জনপ্রিয় লাইটহাউস বিচ। বেশি বড় নয়, তবে দোকান পাট এখানে সংখ্যায় প্রচুর। ফাঁকতালে লাইটহাউস অভিযানও সেরে নেওয়া যায়। সাধারণত দুপুর ২টো থেকে ৪টে অবধি এই লাইহাউস খোলা থাকে। লাইটহাউসের দক্ষিণে ভিজ়িনজাম গ্রামটিও ঘুরে আসতে পারেন। ভিজ়িনজাম মসজিদটিও খুব জনপ্রিয়, তবে এখানে ছবি তোলা নিষেধ। দ্বিতীয় বিচ খাঁড়ির আকারে, নাম হাওয়া বা মিডল বিচ। হেটেই ঘুরে দেখা যায়। প্রতিদিন ভোরে এখান থেকেই জেলেরা সমুদ্রে মাছ ধরতে বেরয়। তৃতীয় বিচ একেবারে উত্তরে অবস্থিত। এখানে সমুদ্র যেন চির আদিম। কোভালাম থেকে ৩ কিমি দূরে আরব সাগর এবং ব্যাকওয়াটারে সৃষ্ট লেগুনটিও দেখে আসতে পারেন। হ্রদের দু পাশে আছে রপোলী বালির ২ সাগরবেলা-পোজ়িক্কারা এবং পচাল্লুর।

আরুভিক্কারা- শহর থেকে ১৬ কিমি উত্তরে করমানা নদীর তীরে অবস্থিত ওয়াটার ওয়ার্কস আরুভিক্করা পিকনিকের জন্যে আদর্শ জায়গা। এখানে দেখতে পাবেন ভেরিন লেগুন, ভগবতী মন্দির এবং সুন্দর ফুলের বাগান।
নায়ার বাঁধ এবং ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংকচুয়ারি- শহর থেকে ৩০ কিমি পূর্বে নায়ার বাঁধের পরিবেশ দেখার মতো। এখানে পার্ক এবং লেকের মজা নিতে পারবেন। ছোট ছোট দ্বীপ লেকের সৌন্দর্য্য আরও বাড়িয়েছে। এখানে বোটিং করার ব্যবস্থা আছে। ১৯৮৫ গড়া নায়ার ওয়াল্ডলাইফ স্যাংকচুয়ারিতে দেখা মিলবে গউর, শম্বর, নীলগাই, হাতি ছাড়াও নানান জীব জন্তু। এছাড়াও পোনমুড়ি, অগস্ত্য মালাই পাহাড় চূড়ো,অগস্ত্য ভনাম বায়োলজিকাল পার্কও ঘুড়ে আসতে পারেন।

কিভাবে যাবেন
কলকাতা থেকে ট্রেনে বা প্লেনে করে তিরুবনান্তাপুরম চলে যান। ওখান থেকে বাস, অটো, ট্যাক্সি, শেয়ার ট্যাক্সি আপনাকে কোভালামে পৌঁছে দেবে।

কেনা কাটা
বাটিক প্রিন্টের লুঙ্গি, ঝিঁনুক, ছোবড়া এবং শাঁখের তৈরি নানান জিনিষ, ধাতুর মিশ্রণে তৈরি আয়না, কথাকলি নৃত্যের রংবেরং মুখোশ এখানকার স্পেশালিটি। এছাড়াও নানান ধরনের স্যুভেনির পাওয়া যায় এখানে।

কখন যাবেন
নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি কোভালম যাওয়ার বেস্ট সময়। (তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট) 
*ভারত* *বিদেশভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *ভ্রমনগাইড* *সমুদ্রসৈকত*
ছবি

মাহনূর তাবাসসুম মীম: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি

মোহাম্মদ সোলায়মান: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি শেয়ার করেছে

*সূর্যাস্ত* *সমুদ্রসৈকত* *এবংআমি*
ছবি

আসিফ আমিন: ফটো পোস্ট করেছে

ছবি শেয়ার করেছে

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে একটি অসাধারন দৃশ্য......

*কুয়াকাটা* *সমুদ্রসৈকত* *রূপসীবাংলাদেশ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★