সম্মান

সম্মান নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: আমরা পৃথিবীতে বাঁচতে আসি না, কেবল মৃত্যুকে সম্মানিত করতে আসি..

*মৃত্যু* *সম্মান* *বাস্তবতা*

muktar.203@gmail.com: *সম্মান* বিশ্বরঙ পরিবারকে শুভকামনা সকলের প্রতি

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

" হে নারী......! " ණ কানাডায় প্রতি সপ্তাহে একদম উলঙ্গ হয়ে একজন নারী হাজারো পুরুষের সামনে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকে। আর পুরুষরা তার যৌবনের প্রশংসা করে । এতে সে অনেক ডলার আয় করে । দাড়ি শেইভ করার ক্রিমের বিজ্ঞাপনেও এখন নারীকে ব্যবহার করা হয় । যে কোন প্রোগ্রামের উদ্বোধনীতেও অশ্লিল ভঙ্গিমায় কিছু ভাড়াটে নারী তাদের যৌনতা দেখায় । এবার আপনি বলুন ! এগুলোতে কি নারীর সম্মান বৃদ্ধি পাচ্ছে?? আইয়ামে জাহিলিয়্যাতে নারীদের দুই পা'কে দুটি ঘোড়ায় বেঁধে দুইদিকে ছেড়ে দেয়া হতো । আর নারীর দেহটি দ্বিখন্ডিত হয়ে যেত মুহুর্তেই । কোন কণ্যা সন্তান জন্ম নিলে তাকে জীবন্ত কবর দেয়া হতো । ইহুদী ধর্মঃ- নারীদের গুণের চেয়ে পুরুষদের দোষও ভাল । খ্রিষ্ট ধর্মঃ- নারীরা নরকের দ্বার । বৌদ্ধ ধর্মঃ- সকল পাপের মূলে নারী । হিন্দু ধর্মঃ- নারীদের কোন উত্তরাধিকার নেই । গ্রিস ধর্মঃ- নারীরা শয়তানের প্রতিভূ । ইসলাম ধর্মঃ- মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের জান্নাত । গর্ত থেকে তুলে মা , মেয়ে , স্ত্রীর মর্যাদা ইসলাম দিয়েছে তোমাদের । সম্পদে বা অন্য কোন ক্ষেত্রে নারীদের বিন্দুমাত্র অধিকার ছিলনা । কিন্তু রাসূল ( সা: ) তাদের পদতলে জান্নাতের টিকেট দিয়েছেন । বিবাহের জন্য মোহর বাধ্যতামূলক করেছেন । পিতার চেয়ে মাতার অধিকার তিন গুণ বাড়িয়েছেন । সম্পদে তাদের ভাগ দিয়েছেন । এখনো হিন্দু ধর্মে নারীদের কোন সম্পদের অধিকার নেই । তবুও ইসলামে নাকি নারীদের অধিকার নেই । হে নারী! তুমি তোমার অধিকার জেনে নাও । জেনে রাখ ! পর্দাতেই তোমার সম্মান ও মর্যাদা রয়েছে ; অশ্লীল দেহ প্রদর্শনীতে নয় । তোমার ইজ্জাত - আভ্রুর হেফাজত করার দায়িত্ব তোমারই ।এ সমাজ তোমাকে কি দিয়েছে ধর্ষন ছাড়া, আর যার বিচার ও পাওনা। অথচ রাস্তায় নাম তুমি অধিকার চেয়ে কিন্তু নবীকে কেউ গালি দিলে তুমাকে রাস্তায় দেখিনা কেন? যে নবীর জন্য আজ তুমি নারী হয়ে বেঁচে আছ।

*নারী* *সম্মান* *মূল্য* *ইসলাম* *ধর্ম* *ইতিহাস* *কানাডা* *সংগৃহিত*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ক্যাথেরিন জনসন ১৯১৮ সালের ২৬ই অগাস্ট হোয়াইট সালফার স্প্রিংস, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন. তিনি ১৯৫৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাডভাইসারি কমিটি ফর এরোনটিক্সএ (NACA) যোগ দেন, যা পরবর্তীতে ন্যাশনাল এরোনটিক্স এন্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NASA) নামে পরিচিত হয়.

ক্যাথেরিন ১৯৩৭ সালে সর্বোচ্চ সম্মান সহ স্নাতক হন এবং ভার্জিনিয়াতে একটা কালোদের স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন. জেমস গোব্লেকে বিয়ে করার পর এবং তিন মেয়েকে দেখাশুনা করার জন্য তিনি শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে দেন. মেয়েরা বড়ো হওয়ার পর ১৯৫৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাডভাইসারি কমিটি ফর এরোনটিক্সএ (NACA) যোগ দেন. ১৯৫৬ সালের ডিসেম্বর মাসে তার স্বামী মারা যান.

১৯৫৭ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক স্যাটেলাইটে উৎক্ষেপণ করার পর মহাকাশ বিজ্ঞনের ইতিহাস যেমন পাল্টে যেতে থাকে তেমনি পাল্টে যেতে থাকে ক্যাথেরিন জনসনেরও জীবন. তিনি ১৯৫৮ সালে চালক বিহীন বিমান চালনার ক্ষত্রে কিছু গাণিতিক সমাধান প্রদান করেন. ১৯৬১ সালে আমেরিকার প্রথম মানুষ্য চালিত মহাকাশ ভ্রমণ, ফীডম ৭ মিশনের, গতি পথের গাণিতিক বিশ্লেষণ করেন.

১৯৬২ সালে নাসা সিদ্ধান্ত নেয়, জন গ্লেনকে কক্ষপথ পরিভ্রমনে পাঠাবে. কিন্ত এটা ছিল খুবই জটিল একটা কাজ. কারণ কম্পিউটার তখন এত উন্নত ছিলোনা. আই বি এম কম্পিউটারের মাধ্যমে একটা বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যাবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে যুক্ত থাকবে ওয়াশিংটন ডিসি, কেপ ক্যানাভেরাল, এবং বারমুডা. কম্পিউটারে প্রোগ্রাম করা হলো, উৎক্ষেপণ থেকে শুরু করে মহাকাশযানের সমুদ্র-অবতরণ পর্যন্ত কক্ষপথকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য. কিন্তু মহাকাশচারীরা ভরসা করতে পারছিলেননা, তাদের জীবন শুধুমাত্র কম্পিউটার প্ৰগগ্রামের উপর ছেড়ে দিতে. গ্লেন ইঞ্জিনীরদেরকে বললেন "সেই মেয়েকে নিয়ে আসো", ক্যাথেরিন জনসন যে কম্পিউটারের পাশাপাশি তার মেকানিকাল ক্যাল্কুলেটিং মেশিন দ্বারা গানিতিক বিশ্লেষণ করবে. মহাকাশচারী গ্লেন বললেন, হিসাব করার পর ক্যাথেরিন জনসন যদি বলে কম্পিউটারের হিসাব ঠিক আছে, তাহলেই আমি মহাকাশ অভিযানে যেতে প্রস্তুত. গ্লেনের অভিযান সফল হয়ে ছিল, যা মহাশূন্য অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে এগিয়ে দেয়.
ক্যাথেরিন জনসনের সবচে বড়ো অবদান হচ্ছে এপোলোর লুনার ল্যান্ডের মডিউল ও সার্ভিস মডিউলকে চাঁদের কক্ষপথে স্থাপনের ক্ষত্রে সঠিক হিসাব নির্ণয় করা. তিনি স্পেস শাটল এবং আর্থ রিসোর্সেস স্যাটেলাইটও কাজ করেছেন. তিনি এ পর্যন্ত ২৬টা গবেষণা রিপোর্টের লেখক অথবা সহ-লেখক. তিনি ১৯৮৬ সালে অবসর গ্রহণ করেছেন. ২০১৫ সালে ৯৭ বছর বয়সে প্রেসিডেন্ট ওবামা তাকে প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম পদকে ভূষিত করেন, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে সর্বোচ্চ সম্মামনা পদক.

*তথ্য* *ব্যাক্তি* *ক্যাথরিন* *ইন্টারনেট* *নাসা* *যুক্তরাষ্ট্র* *সম্মান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নাম সাবেরী আলম । উনি অভিনয়ের পাশাপাশি শিক্ষতা করেন ।। উনি একজন বিখ্যাত মায়ের সন্তান। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে একুশে পদক পেয়েছিলেন উনার মা আভা আলম ১৯৭৭ সালে। 

সময় সংবাদে তার একটা উপস্থাপনা নেয়া হয়েছিল উনি শহীদ বেধীতে তখন দাঁড়ানো ছিল ।।

তাকে জিজ্ঞেস করা হলো শহীদ বেধীতে যারা জুতা পায়ে উঠেন তাদের ব্যাপারে তিনি কি বলবেন ? তিনি বলবেন শিক্ষাটা পারিবারিক থেকে পরিবার যদি সম্মান,শ্রদ্ধ্বা না  শিখায় তাহলে কিভাবে আসবে ।।

উনি বুঝাতে চাচ্ছেন এগুলো বাপ মায়ের নৈতিকতা শিক্ষার অভাব ।। যাই হোক ভালো বলেছেন ।।

কিছুক্ষন পর সংবাদ কর্মী তাকে জিজ্ঞেস করলেন আপনি ও তো জুতা পায়ে বেধীতে হেটেছেন সাথে সাথে তিনি বোল পাল্টালেন বললেন জুতা পায়ে বেধীতে উঠল কোন ক্ষতি নেই ।।

এই হচ্ছে আমাদের জাতীর অবস্থা সুশীল সমাজের লোকেরা যদি ভন্ডামী করে জাতী তাহলে আদের কাছ থেকে শিখবে ।।

শুধু ভাষার মাস আসলেই ভালোবাসা ,চেতনাদন্ড  দাঁড়িয়ে যায় সবার এই খান থেকে বের হয়ে আসতে হবে তাহলেই জাতী সামনে এগিয়ে যাবে ।।

মনে প্রানে ভাষাকে লালন করতে হবে ।। আর মন থেকে বলতে হবে " আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি"

আসুন না ভণ্ডামীর মুখোশ ছিড়ে ফেলে ভাষার জন্য দেশের জন্য একযোগে কাজ করি ।।

১ দিনের জন্য না ভাষাকে সারাজীবনের জন্য মনে প্রানে আগলে রাখি ধারন করি বুকের মাঝে ।।

*ভাষা* *শহীদ* *শ্রদ্ধ্বা* *সম্মান* *ভন্ডামী* *মুখোশ* *২১*

সাদাত সাদ: প্রবাসে বাংলাদেশি নারীরা মারাত্মক ঝুঁকিতে জীবন যাপন করছেন। বিশেষ করে আরব দেশগুলোতে এই আশংকা বেশী লক্ষ্য করা যায়। একজন নারীর সবচেয়ে বড় সম্পদ তার ইজ্জত, সেই ইজ্জতের উপর ও হামলা চলে আরব দেশগুলোতে। আমি একজন মুসলিম হয়ে আরব দেশ গুলোর বিরুদ্ধে এই লেখা গুলো লিখতে লজ্জাবোধ করছি, তবুও লিখতে হচ্ছে আমার দেশের নারীদের জন্যে। কেননা আমার দেশের নারীর সম্মান সবার আগে। এই সুন্দর দেশে যে আমি জন্ম নিয়েছি। আমি দেশের সব নারীদের কে বলছি প্লিজ প্রবাসে আসবেন না (মাফচাই)

*আরব* *প্রবাস* *হামলা* *নারীরইজ্জত* *সম্মান* *অবিচার*

হোস্টিং বাংলাদেশ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিশ্ব মা দিবস আজ। মাকে ভালোবাসার বিশেষ দিন। যদিও মায়েদের ভালোবাসার বিশেষ কোনো দিনের প্রয়োজন হয় না। তবুও বিশ্বের সব মাকে একসঙ্গে একদিনে সম্মান জানাতে বিশেষ একটি দিন নির্বাচন করা হয়েছে। যে দিনটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মান ও স্মরণ করা হয় মায়েদের। আজই সে কাঙ্ক্ষিত দিন।

পৃথিবীর সব মায়েরা ভালো থাকুক তাদের সন্তানদের নিয়ে। সব মায়েদের জন্য আমাদের ভালোবাসা এবং শুভকামনা।

*মা* *দিবস* *ভালোবাসা* *সম্মান* *শুভকামনা*

অন্তু: সব মানুষ কে সম্মান দেয়াও অসম্মানের কাজ তাই সবাইকে সম্মান দিতে নেই অন্তু

*সম্মান*

নিপু: সম্মান - অনেক ছোট শব্দ কিন্তু দামী ! সম্মান দিলে সম্মান পাওয়া যায় ( প্রচলিত কথা ) একজন মানুষকে আমি চিনি - যাকে দেখলে বা যার কথা শুনলে মনে হয় " না প্রচলিত কথাটা সত্যি- সম্মান দিলে সম্মান পাওয়া যায় " @Ronyrahman হুম আপনি সেই মানুষ ! আশা করি আপনি এমনই থাকবেন- রেসপেক্ট ব্রাদার (থাম্বসআপ)

*সম্মান* *রেসপেক্ট*

অনি: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

আমি শুধু বলছি আমার স্বাধীনতার ইতিহাসকে সম্মান করো, বুকে ধারণ করো!
একুশে ফেব্রুয়ারীর প্রভাত ফেরীর মিছিল দেখে তোমার ভ্রু কুঁচকে উঠলো! স্বাধীনতা বা বিজয় দিবসে তোমার কপালের চামড়া ও কুঁচকে উঠলো! স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচারের রায়ে বিরক্তি মুখেই প্রকাশ করলে কবেকার কি হয়েছিল! এতদিন পর! এদের আর কোন কাজ নেই! তোমার মনের এই ভাব কার ও চোখ এড়ায়নি! আমি বলছিনা মিছিলের অগ্রভাগে তোমাকে থাকতে হবে মধ্যে বা পিছনে!
বলছিনা বিজয় দিবসে তুমি আনন্দে আত্মহারা হও, যেভাবে ইংরেজি নববর্ষে হও! বলছিনা স্বাধীনতার ইতিহাস শুনে, বর্বরতার বর্ণনা শুনে শরীরের রক্ত টগবগিয়ে ফুটে উঠতে হবে! বলছিনা স্বাধীনতা বিরোধীদের রায় শুনে উল্লাসে মেতে উঠ! আমি শুধু বলছি এ সময়ে তুমি স্বস্তির নিঃশ্বাস নাও! বুকে হাত রেখে স্রষ্ট্রাকে ধন্যবাদ জানাও মনের অজান্তে আওড়ে উঠ এ আমার দেশ, এ আমার রক্তের শোধ!
*স্বাধীনতা* *সম্মান* *দেশাত্মবোধ* *রক্তেরশোধ*

দীপ্তি: পুতুলখেলার বয়সেই একজন মেয়েশিশুর মনে মা হবার সাধ জাগে মনের অজান্তে, তখনই তো তার মধ্যে একজন মায়ের দেখা মেলে, যদিও তখন অবশ্য সমাজের কোনও লাইসেন্স বা বিবাহের স্বীকৃতির দরকার হয় না পুতুলের মা হতে, বাবা,কাকা, মামা, খালা, ফুফু এমনকি মায়েরও মা হতে ৷একজন নারী আমৃত্যুই মাতৃরুপিনী, আর মায়ের সম্মান নিশ্চয়ই ঠুনকো নয়, তাই মা, বউ আর মেয়েকে যথার্থ সম্মান দিন (খুকখুকহাসি)

*নারী* *সম্মান*

হাফিজ উল্লাহ: এক শ্রেণীর আছে যাদের কাছে সম্মানের থেকে টাকার মূল্য বেশী। এরা ভাবে টাকা হলেই সম্মান কিনে নিতে পারবে l আসলে সত্যি বলতে কি এরা বুঝেনা কিভাবে সম্মান অর্জন করতে হয়।এদের ভেতরে সেই শিক্ষাটাই নেই।

*আমারকথা* *সম্মান*

★ছায়াবতী★: [রানী-ফুলফরইউ]প্রত্যেক মানুষকে সমান সম্মান করা উচিৎ সে যে শ্রেণি পেশারই হোক না কেন।কেউ যদি নিজেকে বড় মনে করে বা অন্য কারো ভয়ে কাউকে অসম্মান করে তবে তার চেয়ে নির্বোধ আর কেউ নাই। এতে তার নিজের মান বাড়ে না বরং কমে।

*সম্মান*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

ইমরান হোসেন : একটি বেশব্লগ লিখেছে

ইসলাম ডেস্ক, সময়ের কণ্ঠস্বর : একদিন হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) রাসুল (সাঃ) এর নিকট এসে কাঁদছেন। রাসুল (সাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আবু হোরায়রা তুমি কেন কাঁদছ? আবু হোরায়রা বললেন, আমার মা আমাকে মেরেছেন। রাসুল (সাঃ) বললেন, কেন তুমিকি কোন বেয়াদবী করেছ?

আবু হোরায়রা বললেন, না হুজুর কোন বেয়াদবী করিনি। আপনার দরবার হতে বাড়ি যেতে আমার রাত হয়েছিল বিধায় আমার মা আমাকে দেরির কারণ জিজ্ঞেস করায় আমি আপনার কথা বললাম। আর আপনার কথা শুনে মা রাগে আমাকে মারধর করল আর বলল, হয়ত আমার বাড়ি ছাড়বি আর না হয় মুহাম্মদ (সাঃ) এর দরবার ছাড়বি।আমি বললাম, ও আমার মা। তুমি বয়স্ক মানুষ। তোমার গায়ে যত শক্তি আছে তত শক্তি দিয়ে মারতে থাকো। মারতে মারতে আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দাও। তবুও আমি আমার রাসুলকে ছাড়তে পারবো না।

তখন রাসূল (সাঃ) বলেছেন, তোমার মা তোমাকে বের করে দিয়েছেন আর এজন্য আমার কাছে নালিশ করতে এসেছ? আমার তো এখানে কিছুই করার নেই।

হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ) বললেন, হে রাসূল (সাঃ) আমি আমার মায়ের জন্য এখানে নালিশ করতে আসি নাই। রাসুল (সাঃ) বললেন, তাহলে কেন এসেছ?

আবু হোরায়রা বললেন, আমি জানি আপনি আল্লাহর নবী। আপনি যদি হাত উঠিয়ে আমার মায়ের জন্য দোয়া করতেন, যাতে আমার মাকে যেন আল্লাহ হেদায়েত করেন।

আর তখনই সাথে সাথে রাসুল (সাঃ) হাত উঠিয়ে আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন, হে আল্লাহ! আমি দোয়া করি আপনি আবু হোরায়রার আম্মাকে হেদায়েত করে দেন।”

রাসুল (সাঃ) দোয়া করলেন আর আবু হোরায়রা বাড়ির দিকে দৌড়ে যাচ্ছেন। পিছন থেকে কয়েকজন লোক আবু হোরায়রার জামা টেনে ধরল এবং বললো, হে আবু হোরায়রা! তুমি দৌড়াচ্ছ কেন?

তখন আবু হোরায়রা বললেন, ওহে সাহাবীগণ তোমরা আমার জামা ছেড়ে দাও।আমাকে দৌড়াতে দাও।

আমি দৌড়াইতেছি এই কারণে যে, আমি আগে পৌঁছলাম নাকি আমার নবীজির দোয়া আগে পৌঁছে গেছে। হযরত আবু হোরায়রা দরজায় ধাক্কাতে লাগলো। ভিতর থেকে তার মা যখন দরজা খুললো তখন আবু হোরায়রা দেখলেন তার মার সাদা চুল বেয়ে বেয়ে পানি পড়ছে। তখন মা আমাকে বললেন, হে আবু হোরায়রা! তোমাকে মারার পর আমি বড় অনুতপ্ত হয়েছি, অনুশোচনা করেছি। মনে মনে ভাবলাম আমার ছেলে তো কোন খারাপ জায়গায় যায়নি। কেন তাকে মারলাম? আমি বরং লজ্জায় পড়েছি তোমাকে মেরে। হে আবু হোরায়রা! আমি গোসল করেছি। আমাকে তাড়াতাড়ি রাসুল (সাঃ) এর দরবারে নিয়ে চল।

আর তখনই সাথে সাথে আবু হোরায়রা তার মাকে রাসুল (সাঃ) এর দরবারে নিয়ে গেলেন। আর তার মা সেখানেই কালিমা পাঠ করে মুসলমান হয়ে গেলেন। পিতা মাতা জান্নাতের মাঝের দরজা। যদি চাও, দরজাটি নষ্ট করে ফেলতে পারো, নতুবা তা রক্ষা করতে পারো। সুবাহান আল্লাহ
[তিরমিজি ] —

*সম্মান*

মাসুম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

[বাঘমামা-পেমেপড়ছি]
সত্যি বলছি যদি দেশের জন্য কোন নিবেদিত প্রাণের বর্তমান উদাহরণ চান তাহলে আমাদের মাশরাফি কে সেরা উদাহরণ হিসেবে দেখতে বলব।
বার বার অস্ত্রোপচারে এই মানুষটা যতটুকুই না ক্ষতবিক্ষত তার চেয়ে বেশি দেশের জন্য খেলবার আশায় ততোধিক অনুপ্রাণিত!
ভুমিকম্পের সময়, বিপদের সময় মানুষ সব জ্ঞান একত্রে করে সবকিছু ভুলে শুধু বাচার আশায় শত ঝুকি নেয়। কোথায় কি ফেলে রাখলাম, কোথায় অপারেশনের সেলাই, কোথায় কাটাছেড়া সবকিছু ভুলে মানুষের একটাই লক্ষ নিরাপদ স্থান, নিরাপদ জীবণ, নিরাপদ বেঁচে থাকা।
তেমনি খেলার সময় মাশরাফিও এমন ভঙ্গিমায় ভাস্বর। কঠিন ক্যাচ ধরার সময়, বল ডেলিভারী করেই প্রস্তুত হওয়ার আগেই বল ধরার জন্য ডাইভ দেয়া, আর ফিল্ডিংয়ের সময় তো নড়াইল এক্সপ্রেস নির্বাধ। কোথায় আঘাত? কোথায় অস্ত্রোপচার? বরং লক্ষ্য একটাই বল ধরার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টার ফিল্ডিং আর সেরা খেলা উপহার দেয়া।
কোন জায়গায় ব্যথা থাকলে কারণে অকারণে সেই জায়গাতে আগে ভাগে আঘাত লাগে তা যতই সতর্ক থাকি না কেন। আর একবার আঘাত লাগলে আমরা আগের থেকেই বেশি সতর্ক হই! কিন্তু মাশরাফির ক্ষতবিক্ষত হওয়া জায়গাটা ঠিক এমন জায়গাতে যে ক্রিকেট খেলতে গেলে সেই জায়গাটাতে আঘাত লাগার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু ওঁর প্রতিটা প্রচেষ্টায় একবারও মনে হয় না ও সতর্ক! বরং খুব বেশি সাবলীল আর সুস্থ মনে হয়।
আরও একটা সত্যি কথা বলি, ওঁর অদম্য ফিল্ডিংয়ের সময় প্রতিবার ডাইভ করতে দেখলে মনের অজান্তে বুকের ভিতর কেমন করে উঠে। আবার ইনজুরিতে বাদ পড়বেনা তো??
প্লেয়ারদের উজ্জীবিত করার জন্য তার মত মিশুক আর উদ্দীপক আর টনিক দাতা খেলোয়াড় সর্বোপরি একজন ক্যাপ্টেন সবসময় প্রথম সারির।
ইদানিং খেলায় উইকেট পাবার পর তাসকিনের সাথে উদযাপনের ভঙ্গিমাটা অসাধারণ অনুভুতি দেয়। নিঃসন্দেহে সেরা উদযাপন। পাকিস্তানের সাথে তৃতীয় ওয়ানডে তে সৌম্যর সেই দারুন ইনিংসের পরে মাথা দিয়ে একে অপরের সাথে ঠেস দিয়ে চোখে চোখে তাকানো। মাঝে মাঝে এনিমেল প্লানেটে বা এজাতীয় চ্যানেলে বাঘ বা সিংহের দলের উপর ডকুমেন্টারিতে দেখি একাধিক বাঘ বা সিংহ বা বাঘ, সিংহকে বাবা বা মা হিসেবে তাদের বাচ্চাদের সাথে এমনভাবে খুনসুটি করতে, খেলা করতে। আমাদের মাশরাফি সত্যিকার অর্থেই সেই বাঘ যে কিনা সংঘর্ষ এড়িয়ে বয়স ভুলে, নিজের অবস্থান ভুলে সবকিছুই ন্ধুর মত সহ উদযাপী, সহযোগী, সমব্যথী। নেই, নেই কোন অহংকার।
একজন ফ্যান হিসেবে তোমার মত খেলোয়াড়, ক্যাপ্টেন সর্বোপরি সেরা দেশপ্রেমিকের মানুষের প্রতি সম্মান আমার এমনি এমনি বহমান। এই সম্মান বা ভক্তি মানুষ কেমনে যে অর্জন করে নেয় তা আর নাই বা বললাম। শুধু আরেকটা সত্য কথা বলব তোমার প্রতি সম্মান দেখানোর আগেই সম্মান তোমার পদপ্রান্তে পৌছে যায়। অমর হও সবকিছুর সেরার আঙ্গিনায়। আর কিছু চাইনে।(ভালবাসি)(হার্ট)
*মাশরাফি* *ক্যাপ্টেন্সি* *খেলোয়াড়* *দেশপ্রেমিক* *উদযাপন* *টাইগার্স* *ভালোবাসা* *সম্মান* *দুখোব্লগ*
৫/৫

মেঘবালক: [গুল্লু-কিযেপ্যারা]আপনি ছোটদের স্নেহমমতা দিন, বড়রা আপনাকে স্নেহ উজাড় করে দেবে, আপনি বড়দের সম্মান দিন, ছোটরা আপনাকে অবশ্যই সম্মান করবে। আমরা অহঙ্কার পরিত্যাগ করি।(খুকখুকহাসি)

*সম্মান*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
ছোট বড় যাই হোক সম্মান দিলে সম্মান পাওয়া যায়। কাউকে সম্মান দিতে না জানলে অন্য কারো কাছ থেকে সম্মান আশা করাটা বোকামি ছাড়া আর কিছু না।
*সেরামবচন* *সম্মান*
৪/৫

হাফিজ উল্লাহ: মেয়েদেরকে সম্মান করা অথবা তাদের সাথে ভাল আচরন করাও এক প্রকার ভদ্রতা। চরিত্রবান হতে হলে এই ভদ্রতা অতীব প্রয়োজনীয় l - হিল কোয়ার

*ভদ্রতা* *সম্মান* *লাইফস্টাইল* *সেরামবচন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★