সাজগোজ

সাজগোজ নিয়ে কি ভাবছো?
খবর

Online Khobor: একটি খবর জানাচ্ছে

ত্বক করে তুলুন নিখুঁত দীপ্তিময় মাত্র ৪টি কাজে - Online Khobor
http://onlinekhobor.com/beauty-tips/news/29130
অনলাইন খবর ডটকমঃ   স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করলে আপনার ত্বকও ...বিস্তারিত
*ত্বক* *বিউটিটিপস* *সৌন্দর্যচর্চা* *সৌন্দর্য* *রুপচর্চা* *রুপ* *লাইফস্টাইল* *সাজগোজ*
১৮৯ বার দেখা হয়েছে

★ছায়াবতী★: একটি টিপস পোস্ট করেছে

শ্যামলা ত্বকে মেকআপ মানায় না? এই ১০টি দারুণ টিপস জেনে রাখুন!
http://bangla.rupcare.com/%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%86%e0%a6%aa-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be/#
১) প্রাকৃতিক আলোয় মেকআপ করুন ও কিনুন অল্প আলোতে মেকআপ করবেন না, আবার খুব উজ্জ্বল আলোতেও না। প্রাকৃতিক আলোয় আপনার ত্বকের আনাচ-কানাচ ভালোভাবে বোঝা যাবে এবং সঠিকভাবে মেকআপ করতে পারবেন। মেকআপ কেনার সময়েও একই কথা প্রযোজ্য। এর জন্য একটি কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। হাতের উল্টোপিঠে মেকআপ একটু লাগিয়ে নিতে পারেন, এরপর দোকানের বাইরে গিয়ে দিনের আলোয় দেখে নিতে পারেন তা আপনার ত্বকের জন্য মানানসই কী না। ২) ফাউন্ডেশনের জন্য একটি শেড নয় আপনার ত্বক সর্বত্র একই রকম নয়, আর তাই মাত্র একটি শেডের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করে খুব একটা লাভ হবে না। প্রথমে আপনার ত্বকের সাথে সবচাইতে বেশি যে শেড মানিয়ে যায় তা বেস হিসেবে ব্যবহার করুন। এরপর একটু হালকা একটি শেড হাইলাইট হিসেবে ব্যবহার করুন। এতে ত্বকে আসবে একটি ঝলমলে আভা। ...বিস্তারিত
*ত্বকেরযত্ন* *বিউটিটিপস* *মেকাপ* *সাজগোজ*
২৫৮ বার দেখা হয়েছে

★ছায়াবতী★: একটি টিপস পোস্ট করেছে

শুধুমাত্র একটি চামচ দিয়ে মেকআপের ১০টি কৌশল!
http://bangla.rupcare.com/%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%9a-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87/
আপনার মেকআপ বক্সের সবচাইতে কাজের জিনিসটি কী? আপনি হয়তো বলবেন আপনার প্রিয় মেকআপ ব্রাশ, আইশ্যাডো অথবা মাশকারা? আপনি কী জানেন, মেকআপের জন্য সবচাইতে কার্যকরী জিনিসটি হলো রান্নাঘরে রাখা নিরীহ চামচটি? এটি ব্যবহার করেই একেবারে নিখুঁত মেকআপ করে ফেলতে পারবেন ১০টি উপায়ে! ১) চোখের নিচের ফোলা ভাব দূর করুন রাতে ঘুমাতে যাবার আগে দুইটি চামচ রেখে দিন ফ্রিজে। সকালে বের করে নিয়ে চামচের পেছন দিকটি চোখের ওপরে কিছুক্ষণ রাখুন। এতে ত্বকের নিচে রক্তপ্রবাহ ভালো হবে, কমে যাবে ফোলাভাব। ২) নিখুঁত উইং আইলাইনার দিতে পারেন চামচটাকে চোখের ওপর উল্টো করে ধরে এর ধার দিয়ে এঁকে নিন আইলাইনার। নিখুঁত উইং এর আকৃতি চলে আসবে কোনো চিন্তা ছাড়াই। ৩) মাশকারা ছড়ানো রোধ করুন মাশকারা দেবার সময়ে ত্বকের এদিকে ওদিকে ছড়িয়ে গিয়ে বাকি মেকআপের বারোটা বেজে যায়। সেই ছড়ানো মাশকারা তুলতে আবার আরেক হাঙ্গামা। এসব থেকে রেহাই পেতে হলে চোখের ওপরের পাতায় একটা চামচ ধরে রেখে তারপর মাশকারা দিন। নিচের পাতায় দেবার সময়ে চোখের নিচে চামচ ধরে রাখুন। এতে ত্বকে মাশকারা ছড়াবে না। ...বিস্তারিত
*মেকাপ* *বিউটিটিপস* *চোখের-মেকাপ* *সাজগোজ*
২৩৯ বার দেখা হয়েছে
ছবি

রুপালি বীন: ফটো পোস্ট করেছে

জোকস

হাফিজ উল্লাহ: একটি জোকস পোস্ট করেছে

৪/৫
[বাঘমামা-শরমলাগে] পার্টিতে যাওয়ার আগে...মেয়েরা- ৩ ঘণ্টা ধরে সাজগোজ করে...একজন আরেকজনকে বলে, "সাজার সময়ই পাই নাই, আমাকে Natural লাগছে না!"
*সাজগোজ* *পুরাইধরা*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মেহন্দী তো মেয়েদের সাজের একটা গুরত্বপূর্ণ অনুসঙ্গ, আমার মেহন্দী পড়তে অনেক ভালো লাগে, যেকোনো অনুষ্ঠানেই আমাদের দেশের মেয়েরা মেহন্দীর নকশায় রাঙিয়ে নেই হাত, এমনকি বিয়ের সময় মনে করা হয়‚ মেহন্দীর রঙ যত গাঢ় হয়‚ তত নাকি স্বামী ভালবাসে বেশি | যদিও এটা কুসংস্কার ছাড়া কিছুই নয় | কিন্তু মেহন্দি লাগানোর পর সব মহিলাই চান মেহন্দির রঙ হোক গাঢ় | তার জন্য কিছু টিপস মেনে চলতে হবে |


১) আপনার স্কিন যেন মেহন্দি লাগানোর আগে একদম পরিষ্কার থাকে | কোনরকম তেল বা লোশন লাগাবেন না মেহন্দির আগে |

২) মেহন্দি লাগানোর আগে বাথরুম থেকে ঘুরে আসুন | (যদিও এটা করলে আপনার মেহন্দি গাঢ হবে না কিন্তু মাঝপথে বাথরুম গেলে বেশ অসুবিধায় পরবেন | 

৩) মেহন্দি লাগানোর পর শুকিয়ে গেলে যাতে ডিজাইন ক্র্যাক না হয় তাই তার ওপরে লেবুর রস বা অল্প জলে চিনি ভিজিয়ে লাগান |

৪) যতক্ষণ পারবেন ওই পেস্ট লাগিয়ে রাখার চেষ্টা করুন | অন্তত ৬ ঘন্টা রাখতেই হবে |

৫) যত বেশি গরম হবে তত রং গাঢ় হবে | তাই পারলে হাল্কা আঁচের ওপর হাত সেঁকে নিন |

৬) শুকনো মেহন্দি পেস্ট তুলে ফেলার পর ভিক্স ভেপোরাব বা beeswax লাগিয়ে নিন ডিজাইনের ওপর | এতে মেহন্দির রং গাঢ় হবে |


৭) অন্তত ২৪ ঘন্টা কোনও রকম ঘরের কাজ করবেন না |

৮) ২৪ ঘন্টা যদি না চান করে থাকতে পারেন তা হলে খুব ভাল হয় | যদি তা না পারেন তাহলে মেহন্দির ওপর ভালো করে ভ্যাসলিন লাগিয়ে নিন |

ওপরের টিপস গুলো মেনে চললে মেহন্দির রং হবে গাঢ আর অন্তত থাকবে ১০ দিন অবধি |

আর একটা দরকারি কথা মনে রাখবেন তা হল মেহন্দি কোনও দোকান থেকে না কিনে তা ঘরেই বানিয়ে নিন | ঘরে মেহন্দি কোন তৈরী করা এমন কিছু কঠিন কাজ নয় | মেহন্দি পাতা বাজার থেকে কিনে ভালো করে বেঁটে নিন | এতে কয়েক ফোঁটা ইউক্যালিপটাস অয়েল মেশান আর ২ চা চামচ লেবুর রস | একটা পরিষ্কার পলিথিন বা প্লাস্টিক নিয়ে তা 'cone' শেপ এ পাকিয়ে নিন | এতে এবার মেহন্দি পেস্ট ভরে নিন | 'cone' এর চারপাশে সেলোটেপ লাগিয়ে নিন ভাল করে | মেহন্দি কোন এরপর ১ ঘন্টা রেখে দিন, তারপর তা ব্যবহার করুন |
*মেহেদী* *সাজগোজ* *বিউটিটিপস* *সৌন্দর্য্যচর্চা*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে


যাদের চোখের আকৃতি একটু ছোটো তারা মেকআপ নিয়ে একটু ঝামেলাতেই পড়েন। নিজের দিকে তাকিয়ে আফসোস করেন আরেকটু বড় আকৃতির চোখ হলে ভালো মানাতো। কিন্তু আপনার এই ছোট্ট সমস্যাটি খুব সহজেই দূর করতে পারেন মেকআপের মাধ্যমে। দারুণ কিছু মেকআপের ট্রিক্স খাটিয়ে চোখের আকৃতি সাধারণের চাইতে বড় দেখানো সম্ভব। এবং এই কাজগুলো করতে পার্লারেও যাওয়া লাগবে না। ভাবছেন কীভাবে? চল...ুন তবে আজ শিখে নেয়া যাক মেকআপের মাধ্যমে চোখের আকৃতি বড় করার দারুণ ৫ টি কৌশল।

১) হাইলাইটার ব্যবহার করুন
চোখের আকৃতি বড় দেখানোর সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে হাইলাইটার পেন্সিল ব্যবহার করা। চোখের নিচের কোলে, ভ্রুর উঁচু স্থানের হাড়ের উপর এবং চোখের ভেতরের কোন থেকে চোখের পাতার অর্ধেকটা অংশ জুড়ে ভালো করে হাইলাইটার দিয়ে নিন এবং একটি ব্রাশের মাধ্যমে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এতে করে চোখের আকৃতিতে পরিবর্তন আসে।

২) আইলাইনার পুরো চোখে ব্যবহার করবেন না
যাদের চোখের আকৃতি একটু ছোটো তারা পুরো চোখে আইলাইনার ব্যবহার করবেন না, বিশেষ করে ভেতরের কোণে। কারণ এতে চোখের আঁকার ছোটো হয়ে আসে। উপরের পাতায় মোটা করে লাইনার টানুন। নিচের পাতায় ভেতরের কোণে লাইনার দেবেন না। চোখের পাপড়ির ঠিক নিচের দিকে লাইনার দিন মাঝামাঝি পর্যন্ত। এতে করে চোখ অনেকটা বড় দেখাবে।

৩) সাদা কাজল ও হোয়াইট বেস আইশেড
চোখের নিচের পাতার ভেতরের কোণে সাদা কাজল দিন। এতে করে চোখ অনেকটা খোলা ও বড় দেখাবে। এছাড়াও চোখের ভেতরের কোণে সাদা এবং হালকা রঙের আইশেড দিলে চোখের আঁকার বড় হয়।

৪) চোখের পাপড়ি কার্ল করে নিন
চোখের পাপড়ি কার্ল করে নিলে চোখের আঁকার আপনাআপনিই বড় দেখায়। এটি সবচাইতে সহজ উপায় চোখ বড় দেখানোর। আইল্যাশ কার্লার গরম করে চোখের পাপড়ি কার্ল করে নিতে পারেন, অথবা একটি সাধারণ চামচ হালকা গরম করে চাপ দিয়েও এটি করতে পারেন। কার্ল করার পর চোখে ভালো করে মাশকারা ব্যবহার করুন।

৫) চোখের অন্যান্য সমস্যা দূর করুন
চোখের নিচে ফোলাভাব বা ডার্কসার্কেল থাকলে চোখ ছোটো দেখায়। তাই মেকআপ করার আগে এই সমস্যাগুলো দূর করার চেষ্টা করুন। চোখে ব্যবহৃত টী ব্যাগ ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে ব্যবহার করলে ফোলাভাব ও ডার্ক সার্কেলের সমস্যা দূর করে নিতে পারবেন।

*সাজগোজ* *চোখের-সাজ* *মেকাপ* *সংগৃহীত*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 বড় কোনো উৎসবের আগে নিজেকে ফ্রেশ রাখার উপায় জানতে চাই l

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*সাজগোজ* *সৌন্দর্যচর্চা* *বিউটিটিপস*

উদয়: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 প্রেগনেন্সির সময় মেয়েদের কি কি ধরনের কসমেটিক্স ব্যবহার এড়িয়ে চলা উচিত ?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*নারী* *প্রেগনেন্সি* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হবুমা* *সাজগোজ* *প্রেগন্যান্সি* *নারীজিজ্ঞাসা*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে


সন্ধ্যা এবং রাতের পার্টিতে যেতে চাইলে একটু গ্ল্যামারাস লুকের প্রয়োজন হয়। গ্ল্যামারাস লুক মানেই যে কড়া মেকআপ তা কিন্তু নয়। খুব হালকা মেকআপেও আপনি চেহারায় আনতে পারেন এই গ্ল্যামারাস লুক।
গ্ল্যামারাস লুকের জন্য সবচাইতে জরুরী হচ্ছে চোখের সাজ। চোখের মেকআপ স্মোকি হলে খুব সহজেই রাতের পার্টির জন্য আপনি পেতে পারেন পারফেক্ট লুক। গাঢ় রঙের আইশেড ও কাজল বা আইলাইনার দিয়ে অনেকে চোখের সাজ স্মোকি করে থাকেন। কিন্তু সময় বাঁচাতে চাইলে আপনি শুধুমাত্র ১টি পেন্সিল কাজল দিয়েই সেরে ফেলতে পারেন চোখের এই সাজ। ভাবছেন কীভাবে করবেন? চলুন তবে দেখে নেয়া যাক।


– প্রথমে একটি ভালো গাঢ় কালো রঙের কাজল পেন্সিল দিয়ে চোখের উপরের পাতায় মোটা করে কাজল দিয়ে এঁকে নিন। খুব বেশি পরিপাটি করে না আঁকলেও চলবে।



– এবার একটি স্মাজ বা পেন্সিল ব্রাশ ব্যবহার করে কাজল চোখের পাতায় সুন্দর করে ব্লেন্ড করে ছড়িয়ে দিতে থাকুন।

– এভাবে ভালো করে ব্লেন্ড করুন ততোক্ষণ যতক্ষণ না কাজলের রেখা পুরোপুরি চোখের পাতায় ভালো করে ব্লেন্ড হয়ে যায়। এবং কাজলের রেখা আলাদা করে নজরে না পড়ে।

– মনে রাখবেন কাজল চোখের পাতায় আঁকার পরপরই ব্লেন্ড করা শুরু করবেন, তা না হলে কাজল চোখের পাতায় বসে যাবে এবং আপনি তা ব্লেন্ড করতে পারবেন না একেবারেই।

– এবার চোখের পাতার উপরের অংশের পাপড়ির নিচে সুন্দর করে কাজলের পেন্সিল দিয়ে এঁকে চোখের আকার ঠিক করে ফেলুন।

– একইভাবে চোখের নিচের পাতার অংশেও স্মোকি ভাব আনুন। ব্যস খুব সহজেই পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত লুকটি। এটি সাধারণ আইশেডের স্মোকি সাজ থেকে অনেক বেশি সহজ এবং অনেকক্ষণ থাকবে।


চাইলে ইউটিউব ভিডিও লিংকটি থেকে দেখে নিতে পারেন (খুবকিউটলাগছে)(লজ্জা)

https://www.youtube.com/watch?v=WRs5NPs_Hk0

সূত্র: প্রিয় লাইফ


*পার্টিমেকাপ* *সাজগোজ* *মেকাপ* *স্মোকি-লুক* *পার্টি-সাজ*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে


পার্টির সিজনে কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না৷ মানে আপনার চশমাটা পরবেন না খুলে রাখবেন! কন্ট্যাক্ট লেন্স পরতেই পারেন৷ তবে ঠিকঠাক ফ্যাশন স্টেটমেন্ট মেনে চললে চশমাতেও আপনি হয়ে উঠবেন আকর্ষণীয়া৷

১) গোল মুখের জন্য দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে সমান এরকম আয়তাকার চশমা বাছুন৷চৌকো মুখের জন্য এভিয়েটর লুক আর লম্বা ফেস কাটিংয়ের জন্য লম্বাটে গোল ধাঁচের চশমা পারফেক্ট৷
২) পার্টিতে চশমা পরে যেতে হলে চুলটা স্ট্রেট হলে ভালো৷ চুল খুলে চশমা পরলে স্মার্ট লাগবে৷
৩) তবে চশমা পরার আগে একটা স্মোকি আই মেকআপ করে নিতে ভুলবেন না৷ চশমার ফাঁক দিয়ে চোখটা আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে৷
৪) একটু কোঁকড়া চুল হলে চুলটাকে হাল্কা ব্রাশ করে সামনের দিকে এনে রিমলেস চশমা পরলে চেহারায় ফুটে উঠবে আলাদা গাম্ভীর্য৷
৫) আপনার চশমাটা যদি মোটা কালো ফ্রেমের হয়, তাহলে সাইড পার্টিং করে টাইট জিন্স আর টপের সঙ্গে দিব্যি মানিয় যাবে৷
৬) ব্লু জিন্স আর সাদা বা ফেডেড টপ পরে বের হলে, তার সঙ্গে সোনালি ওভাল ফ্রেমের চমা দারুণ মানানসই৷
৭) একটু অফবিট ফ্যাশন চাইলে মুনগ্লাসও পার্টিতে ব্যবহার করতে পারেন৷ তবে লেন্সের কালার যেন আপনার পোশাকের সঙ্গে ম্যাচিং না হলেও মানানসই হয়৷
৮) পার্টিতে সবসময় চশমা চোখে রাখবেন না৷ কখনও বা মাথার উপরে তুলে, কখনও বা হাতে নিয়ে, কখনও বা মুঠিতে ধরে পোজ দিন৷ আর সঙ্গে রাখুন আত্মবিশ্বাস৷ পার্টিতে সকলেই একবার আপনার দিকে না তাকিয়ে পারবে না৷ (সংগ্রহীত)
*সাজগোজ* *ফ্যাশন* *সানগ্লাস* *চশমা* *পার্টিসাজ*

★ছায়াবতী★: একটি টিপস পোস্ট করেছে

প্রসাধন ব্যবহারে আপনি যত্নশীল?
http://www.prothom-alo.com/life-style/article/452173/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B2
ত্বকের সুস্থতার জন্য তো আমরা অনেক চিন্তাভাবনা করি। বাড়তি সৌন্দর্যের জন্যই হোক কিংবা ত্বককে সুস্থ রাখতেই হোক যেকোনো ক্ষেত্রেই আমরা নানা ধরনের প্রসাধনসামগ্রী ব্যবহার করি। কিন্তু ত্বকের সুরক্ষায় এমন তোড়জোড় থাকলেও অনেকেই কেমন প্রসাধনসামগ্রী ব্যবহার করছেন কীভাবে করছেন তা নিয়ে খুব একটা... ...বিস্তারিত
*সাজগোজ* *লাইফস্টাইলটিপস* *বিউটিটিপস*
১৩৯ বার দেখা হয়েছে

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

সুপ্রাচীনকাল থেকেই তেলের বহুল ব্যবহার চলছে। রূপচর্চার ক্ষেত্রে ত্বক ও চুল দুটোতেই সমান ফলপ্রসূ তেল। তেল আসলে চুলকে কোমল ও মসৃন রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে ও চুলকে মজবুত করতে তেলের জুড়ি নেই। তবে তেল যে শুধু চুলের সৌন্দর্যেই ব্যবহৃত হয় তা নয়। বিভিন্ন রকম তেলের বিভিন্ন ব্যবহার ও উপকারিতা রয়েছে। তাই প্রতিদিনের জীবনযাপনে বিভিন্ন ধরনের তেলের ব্যবহার বেড়েছে। তবে সৌন্দর্যচর্চায় এক এক ধরনের তেলের উপকার এক এক ধরনের। চলুন জেনে নেই রূপচর্চায় বিভিন্ন তেলের ভূমিকা সম্পর্কে –

*নারিকেল তেল :
সৌন্দর্যচর্চায় বিশেষ করে চুলের যত্নে যুগে যুগে সেরা হিসেবে খ্যাত নারিকেল তেল। চুলের গোড়া শক্ত করে এই তেল। এছাড়া ত্বকে মালিশ করলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়। ত্বকে ব্লিচ ও ক্লিনজারের কাজ করে নারিকেল তেল। নারিকেলের তেল দিয়ে নিয়মিত ম্যাসাজ করলে ত্বক উজ্জ্বল হয় এবং পিগমেন্টেশনের সমস্যা দূর হয়।

* সরিষার তেল :
সরিষার তেল হালকা গরম করে মাথার তালুতে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ফেলুন। দেখবেন খুশকি একেবারেই উধাও হবে। এই তেল ত্বকে আর্দ্রতা জোগায়। তাই শীতে ফাটা ত্বকে এর মালিশ খুব উপকারী। শিশুর ত্বকেও খাঁটি সরিষার তেলের ম্যাসাজ অন্য রাসায়নিকযুক্ত তেলের তুলনায় নিরাপদ।

* অলিভ অয়েল :
শুষ্ক মাথার তালু প্রাণ ফিরে পায় অলিভ অয়েলের গুণে। তবে চুলে না লাগানই ভালো। অলিভ অয়েল অতিরিক্ত শুষ্ক ও ছোপ ছোপ দাগ দূর করে ত্বক কোমল এবং মসৃণ করে তোলে।

* তিলের তেল :
তিলের তেলের ব্যবহারে ত্বক সজীব হয়। যাদের ত্বকে রোদে পোড়া ভাব রয়েছে তারা এই পোড়া দাগ দূর করতে পারেন এ তেল ম্যাসাজের মাধ্যমে। এই তেল ব্যবহারে চুল পড়া বন্ধ হয়। মাথা ঠাণ্ডা থাকে।

* সূর্যমুখী তেল :
এই তেলের সুবিধা হলো, ত্বকে ব্যবহার করলে কোনো অস্বস্তিকর তেলতেলে অনুভুতি হয় না। বরং বেশ ভালো বোধ হয়। ত্বক সজীব ও লাবণ্যময় করতে সূর্যমুখী তেল ম্যাসাজ করতে পারেন।

* নিম তেল :
যাদের ত্বকে ব্রণের সমস্যা আছে, তারা নিম তেল ব্যবহার করতে পারেন সপ্তাহে দুদিন। এতে ব্রনের সমস্যা দূর হবে।

* আমন্ড অয়েল :
এই তেল চোখের নিচের কালি, ব্যথা, ফোলা ও চুলকানি কমাতে সাহায্য করে।

* এপ্রিকট অয়েল :
ময়েশ্চারাইজার ও ত্বকের পুষ্টির জন্য এই তেল খুবই উপকারী।

* ইভনিং প্রিমরোজ :
এই তেল অ্যাকনে, অ্যাকজিমা এবং খুশকি দূরীকরনের ক্ষেত্রে বেশ উপকারী।

* ক্যারট অয়েল :
বয়সের ছাপ কমানো ও পুড়ে যাওয়া রোধে ব্যবহৃত হয় এই তেল।

* হ্যাজেলনাট অয়েল :
ত্বকের শৈথিল্য দূর করে নতুন কোষ উৎপন্ন করে এই তেল।

* এসেন্সিয়াল অয়েল :
তেলের ব্যবহার এখন শুধু খাওয়া আর রূপচর্চায় সীমাবদ্ধ নেই। এখন মনকে প্রফুল্ল করতেও তেলের ব্যবহার দেখা যায়। তেলের সঙ্গে বিভিন্ন গাছের ফুল, লতাপাতা, মূলের নির্যাস মিশিয়ে এখন তৈরি করা হচ্ছে এসেন্সিয়াল অয়েল। সুগন্ধির পাশাপাশি এই তেল ব্যবহৃত হয় অ্যারোমাথেরাপির জন্য। নানারকম এসেন্সিয়াল অয়েল পাওয়া যায় যে কোনো সুগন্ধির দোকানে। এছাড়া বিউটি পার্লারগুলোতেও এসব তেল কিনতে পাওয়া যায়।-সূত্র: উইকিপিডিয়া।


*টিপস* *সাজগোজ*

শ্রীময়ী: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রথমে হাল্কা গরম জল দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন | ভাল কোনও ফেস ওয়াশ দিয়ে | এরপর ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে ভাল করে মুখ পরিষ্কার করে নিন | লোশন বা ময়শ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না | কিন্তু তা যেন অবশ্যই অয়েল ফ্রি হয় |

এরপর আপনার গায়ের রঙ অনুয়াযী ফাউন্ডেশন লাগান | এরপর হাল্কা করে সিমার পাউডার বুলিয়ে নিন | চিক বোনস আর কপালের ধারে এবার ব্লাশার লাগিয়ে নিন |

চোখের জন্যে: প্রথমে চোখের পাতায় আই শ্যাডো লাগান | এই বছর মেটালিক কালারস যেমন কপার, ডার্ক সিলভার, গোল্ড,লাইট সিলভার আর রোজ গোল্ড খুব ইন | এর থেকে যে কোন একটা বেছে নিন | 

এরপর আইলাইনার লাগিয়ে নিন | পোশাক অনুযায়ী ব্লু, বা গ্রিন আই লাইনার লাগাতে পারেন | যদি এই রঙ গুলো নিয়ে কনফিডেন্ট না থাকেন তাহলে কালো আইলাইনার ব্যবহার করুন | এরপর ২, ৩ কোট মাস্কারা লাগান | সব শেষে আই ব্রো পেন্সিল দিয়ে ভ্রূ এঁকে নিন |

ঠোঁটের জন্য : প্রথমে আই লাইনার দিয়ে ঠোঁট একে নিন | ব্রাশের সাহায্যে লিপ স্টিক লাগান এরপর | এই বছর 'রেড লিপ্স' খুব ইন | গায়ের রঙ যাই হোক‚ লাল রং কিন্তু মোটামুটি সবাইকে ভাল লাগে | এছাড়া ইলেকট্রিক অরেঞ্জও ট্রাই করে দেখতে পারেন | এক্সট্রা লিপস্টিক ট্যিসু পেপার দিয়ে ব্লট করে নিন | এরপর যদি মনে হয় লিপ গ্লস লাগাতে পারেন | কিন্তু মনে রাখবেন লিপ গ্লস খুব সহজেই উঠে যায় তাই একটুক্ষণ পর পর রিটাচ করতে ভুলবেন না |

নখের জন্যে: নখ পরিষ্কার করে শেপ করে নিন | কালারলেস বেস লাগান প্রথমে | শুকিয়ে গেলে নেইল পলিশ লাগান | ১০ মিনিট পরে আর এক কোট লাগান | কালারলেস বেস কোট আরও একবার লাগিয়ে নিন | সবশেষে‚ সিলভার বা গোল্ড নেইল পলিশ লাগাতে পারেন |
*ভ্যালেনটাইনসাজ* *পার্টিসাজ* *সাজগোজ* *ঠোটেরযত্ন* *নখেরযত্ন* *ভ্যালেনটাইনডে*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★