সাফল্য

সাফল্য নিয়ে কি ভাবছো?

nazrul islam : *সাফল্য* সাফল্য মানে শুধু অর্থ বিত্ত খ্যাতি প্রতিপত্তি নয়, সাফল্য মানে কল্যাণকর সবকিছু করার বা পাওয়ার ক্ষমতা। প্রতিটি যুক্তিসঙ্গত চাওয়াকে পাওয়ায় রূপান্তরের সামর্থ্যই। এ এক বিরামহীন প্রক্রিয়া।

আরেফিন রাব্বী: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

সাফল্য বেপার না, বেপার হচ্ছে আপনি কতটুকু হার্ড-ওয়ার্ক করেছেন। কারন সাফল্য নির্ভর করে হার্ড-ওয়ার্কের উপর
*সাফল্য* *হার্ড-ওয়ার্ক*
ছবি

খুশি: ফটো পোস্ট করেছে

সাফল্যের কোন লিফট নাই। সিঁড়ি অাছে।

*সাফল্য*

অর্ঘ্য কাব্যিক শূন্য: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

(আতশবাজি) (গ্যাংনাম) (আতশবাজি) অভিনন্দন , টাইগার্স (আতশবাজি) (গ্যাংনাম) (আতশবাজি)
টি-টুয়েন্টিতে শ্রীলংকার বিপক্ষে নিজেদের ১ম এবং চলতি এশিয়া কাপে টানা ২য় জয় পেয়েছে ম্যাশ বাহিনী। অসাধারণ এই জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাব্বির ৮০ (৬৫), সাকিব ৩২ (৩৪) এবং (২/২১), মাহমুদউল্লাহ্‌ ২৩ (২৩), আল- আমিন (৩/৩৪) এবং মুস্তাফিজুর (১/১৯)।
ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছেন সাব্বির রহমান। এই জয়ে ভারতের সাথে সমান ২টি জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের ২য় স্থানে উঠে এলো বাংলাদেশ। ২রা মার্চ , নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বেঙ্গল টাইগাররা।
*বাংলাদেশ-না-শ্রীলংকা* *এশিয়া-কাপ* *সাফল্য* *টাইগার্স* *রোড-টু-ফাইনাল*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

সাফল্য

(খুকখুকহাসি)

*সাফল্য*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যখন আমরা আমাদের নিজেদের উপর ভরসা করতে পারি না, কোনো কিছু কূল কিনারা খুঁজে পাই না,  ঠিক তখনই আমরা আমরাদের পরিবার, বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষক, গুরুদের শরণাপন্ন হয়ে থাকি। আমরা তাদের কাছে সুপরামর্শ চেয়ে থাকি যে আমাদের এখন কি করা উচিত, কেন করা উচিত বা কিভাবে করা উচিত। জানতে চাই কিভাবে গুছিয়ে নেয়া যেতে পারে সম্পর্ক, ক্যারিয়ার, কিভাবে সাজানো উচিত পরিকল্পনা, কিভাবে বেছে নেয়া উচিত সুযোগ আর কিভাবেই বা মনের দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। সিদ্ধান্ত নেবার ব্যাপারে আমরা সব সময় মেজরিটিকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি, তাদের মতামত, তাদের দর্শনকে নিজের জীবন দর্শন বলে ভেবে নেই । নিজেরদের এসেসমেন্ট করে থাকি অন্যের যুক্তির দ্বারা, প্রভাবিত হই অন্যের মতাদর্শনে। তবে সর্বক্ষেত্রেই যে অন্যের যুক্তি জীবনে মঙ্গল বয়ে আনবে তা কিন্তু ভাবা অনুচিত, এতে করে হারিয়ে ফেলতে পারেন নিজের স্বতন্ত্রতা। 
 
 
সাধারণত আমরা তাদের কাছেই পরামর্শ নিতে পছন্দ করি, যাদেরকে আমরা ভালবাসি বা পছন্দ করি, যাদের উপর আমরা নির্দ্বিধায় ভরসা করতে পারি। ভালবাসার জায়গাতে তাদের স্থান উঁচুতে হলেও তারা যে সবসময় আমাদের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়ক হবে তা কিন্তু মনে কত অনেক বড় ভুল। প্রকৃতপক্ষে এটা সত্যিই বড্ড কঠিন কাজ যে কারো জন্যেই, কারণ অন্যের জন্য প্রযোজ্য সঠিক সিদ্ধান্ত খুঁজে এনে তাকে একাই সমধান দিয়ে দেয়া। একজনের পাশে দাড়িয়ে তাকে গাইড লাইন দেয়া আর সম্পূর্ণই অন্যের চালিকা শক্তি হয়ে তার পাশে দাঁড়ানো এ দুইয়ের মধ্যে রয়েছে বিস্তর তফাৎ। আর সে কারণেই গ্রেট মেন্টরস বা কোচরা একরকম গেম-চেঞ্জার: তারা সমাজের সোরগোল, সমালোচনা থেকে আপনাকে দূরে রাখতে সাহায্য করে এবং আপনার নিজের সত্য উদঘাটন নিজেকেই কাজে লাগাতে সাহায্য করে থাকে। তাদের ভূমিকা প্রায়শই নীরব। 
 
 
আমি মনে করি, কি হবে আর কি হবে না এই চিন্তা চেতনা বা অন্যের কাছে সাহায্যের আশা না করে বরং নিজেরাই নিজেদের জন্য সমাধানের পথ খুঁজে নিতে পারি।  এটা বরঞ্চ বেশি সহজ। আমাদের নিজেদেরকে ঘিরে যে কোনো সমস্যার, যে কোনো প্রশ্নের জবাব আমাদের নিজেদের কাছেই রয়েছে এবং নিজের চেয়ে ভালো আর কেউ জানতেই পারেনা, শুধু সমস্যার সমাধান খনন করতে একটু বেশি সময় আর ধৈর্য্য লাগে এই আর কি। কারণ নিজের সমস্যার কথা আমি, আপনি যতই চাই পুরোপুরি খোলসা করে কাউকেই বলতে পারি না, জড়তা, লজ্জা থেকেই যায়। কিন্তু নিজের কাজ থেকে তো আড়াল করার কিছু নেই, কেউ নিজেকে কখনই মিথ্যে বলতে পারে না।  নিজেদের উপর পূর্ণ ভরসা ফিরিয়ে আনতে, নিজেরাই নিজেদেরকে এসেস করতে, নিজেকে পুনরায় আবিষ্কার করতে, নিজের আলটিমেট লক্ষ্যে শেষ পর্যন্ত অটুট থাকতে শুধু নিজের সাথে নিজের যোগাযোগ রাখলেই চলে, তাহলেই সামনে বেরিয়ে আসে সুস্পষ্ট জবাব।  আর এই যোগাযোগের মাধ্যম হলো প্রশ্ন ; হুম, প্রশ্ন, নিজের সাথে নিজের প্রশ্ন। 
 
 
আমি যখনি এরকম দ্বিধাদ্বন্দ্বে জড়িয়ে গেছি নিজের সাথে নিজেই, তখনই নিজেকে কিছু প্রশ্ন করে এবং নিজেই সেই প্রশ্নের জবাব দিয়ে বেরিয়ে এসেছি সেই বিড়ম্বনা থেকে। উদাহরণ প্রসঙ্গে আমরা ক্যারিয়ার নিয়েই বরং খানিক আলোচনা করলেই পেয়ে যেতে পারি নিজেদের ক্যারিয়ার বিষয়ক যে কোনো সমস্যার সমাধান কিছু প্রশ্নের মাধ্যমে। আসলে অনেক প্রশ্নই করা যেতে পারে, তবে যে কোনো বিষয়ের জন্য নিজেকে নিচের ১০০টি প্রশ্ন করে দেখুন তো একবার, ফল পান কি না মিলিয়ে নিন।  এই প্রশ্নগুলি বলে দেবে আপনার বর্তমান অবস্থান আর সত্যি কোথায় আর কতটা দূর পর্যন্ত নিজেকে দেখতে চান। প্রতিটি প্রশ্নই অনেক শক্তিশালী ভূমিকা রাখে কারণ এগুলিই আপনাকে আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্যে নিয়ে যেতে আপনাকে সাহায্য করবে।  এই অ্যাকশেনেবল স্টেপসগুলিই ধাপে ধাপে আপনাকে পৌছে দিবে আপনার স্বপ্নের পথে। তবে একটা দিক, স্বচ্ছতা অতি আবশ্যক এক্ষেত্রে।  ওই যে, নিজেকে নিজে ফাঁকি দিলে চলবে না।  সৎ থেকে প্রত্যেকটা প্রশ্নের সঠিক জবাব দিতে হবে, এখানে কিছু হারানোর ভয় নেই, সন্মান খোয়ানোর আশংকা নেই। এভাবে প্রত্যেকটা স্টেপে নিজের উত্তর খুঁজে নিতে হবে শেষ পর্যন্ত। এখানেই কিন্তু শেষ নয়, এভাবে যেতে যেতে একসময় পুনরায় ফিরে আসতে হবে আর সকল প্রশ্নের জবাবগুলো ফ্রেশ করে লিপিবদ্ধ করতে হবে। তারপর একবার রিভিউ করুন, দেখবেন বুঝে যাবেন ঠিক কি করতে হবে আপনাকে, পেয়ে যাবেন সমধান, কেটে যাবে সকল ধোয়াশা, অস্থিরতা, আর বাই ডিফল্ট পুনর্জ্জীবিত হবে আপনার নিজের উপর আস্থা, বিশ্বাস আর ভরসা, খুঁজে পাবেন নিজেকে। তাহলে চলুন প্রশ্ন করি নিজেদের :
 
১. আপনি কি জানতে চান? 
২. আপনি আপনার অবসর সময়টাতে কতটা মজা করে থাকেন? 
৩. আপনি কি কোনো নির্দিষ্ট কাজ বার বার করেন কারণ কারণ আপনি মনে করেন যে এটা আপনার করা উচিত?
৪.আপনি আপনার কর্মজীবন বা বর্তমান কর্মক্ষেত্র বেছে নিয়েছেন আপনার পরিবারের চাপে বা জন্য, মা-বাবাকে খুশি করতে, সমাজে নিজের অবস্থান তৈরী করতে, বেছে নিয়েছেন কারণ আপনি নিজেকে চেয়েছিলেন এই কাজে দেখতে নাকি আপনাকে এই কাজ করতে হচ্ছে শুধুই টাকা রোজগারের জন্য? 
৫. আপনি কি মনে করেন যে, শুধু কাড়াকাড়ি টাকা উপার্জন করলেই আপনি সুখী মানুষ হতে পারবেন? 
৬. আপনি কিভাবে কাজকে সংজ্ঞায়িত করবেন?
৭.আপনি কি বিশ্বাস করেন যে আপনি যে কোনো কাজই ভালোবেসে করতে পারেন আর সেটা করেই আপনি টাকা উপার্জন করতে পারেন?
৮. আপনার স্বপ্ন কি?
৯. বাস্তবতার সাথে সেই স্বপ্নের মিল আছে কি? থাকলে কতটুকু?
১০. আপনি আপনাকে বিশ্বাস করেন তো? কতটা ভরসা আছে আপনার নিজের উপর? কতটা কনফিডেন্ট আপনি?
১১. আপনার বর্তমান জীবন যাপনে কোন ধরনের চ্যালেঞ্জগুলো আপনাকে বেশি প্রভাবিত করে? কিসে উত্তেজিত হয়ে যান আপনি?
১২. আপনি আপনার কাজের দ্বারা কিভাবে অন্যদের জীবনযাত্রা আর পুরো বিশ্বকে প্রভাবিত করতে চান? 
১৩. আপনি কি ওভার কনফিডেন্ট যে কোন এক বিশেষ বিষয়ে আপনি অনেক বেশি পারদর্শী? আপনার কম্পেটেটিভ অ্যাডভান্টেজেস কি?
১৪. আপনি কাকে আপনাকে সমর্থন করার যোগ্য মনে করেন? 
১৫. আপনি কি বিশ্বাস করেন কে কঠোর পরিশ্রম আর লক্ষ্যে অবিচল থেকে আপনি যাই চান তাই হাসিল করে নিতে পারেন? 
১৬. আপনি কি মনে করেন আপনার যথেষ্ট বুদ্ধিমত্তা রয়েছে? বা ঈশ্বর প্রদত্ত বিশেষ প্রতিভা রয়েছে?
১৭. যদি তাই মনে করে থাকেন, তাহলে আপনার ক্যারিয়ার গঠনে এটা কিভাবে আর কতটা সাহায্য করেছে?
১৮. আর যদি তাই মনে না করে থাকেন, তাহলে এই বুদ্ধিমত্তার অভাবে ক্যারিয়ারে আপনাকে কি কি হেঁপা পোহাতে হয়েছে?
১৯. আপনি মূলত কার বা কাদের থেকে ক্যারিয়ার বিষয়ক পরামর্শ নিয়ে থাকেন?
২০. তাদের পরামর্শ কি আপনার লক্ষ্যের সাথে যায়? তারা কি আপনার পক্ষে কথা বলে নাকি বিপক্ষে? কেন বলে? (যেমন : পরিবার, বন্ধু ইত্যাদি) 
২১. যখন আপনি কলেজে পড়তেন তখন আপনার নিজের জীবন আর ক্যারিয়ার নিয়ে কি ধরনের কল্পনা মনে মনে করেছিলেন?
২২. আপনি কর্মক্ষেত্রে কাজ করতে গিয়ে কি চান : অধিক আনন্দ নাকি অধিক ক্ষমতা?
২৩. আপনি কি একেবারে আপনার পিতামাতার মতই হতে চান?
২৪. কেন বা কেন নয়?
২৫. নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য আপনি কি কি করেছেন?
২৬. সেই পদ্ধতিগুলো কি আপনি প্রায়ই চেষ্টা করে দেখেন?
২৭. যদি না হয়ে থাকে, তাহলে কেন পারেন না সবসময় সেগুলো প্রাকটিস করতে?
২৮.আপনি কি নিজের উপর যত্নশীল? সুস্বাস্থ্যের অধিকারী? হেলদি ফুড খান, নিয়মিত ব্যায়াম করেন?
২৯. যদি না হয়ে থাকে এসব তাহলে কেন নয়?
৩০. আপনি কি আপনার কাজকে পছন্দ করেন, সেই কাজ করতে ভালোবাসেন?
৩১. আপনার কি মনে হয় যে আপনার অবদানকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে?
৩২. আপনি কি আপনার উধস্তন কর্মকর্তা এবং আপনার সহকর্মীদের বিশ্বাস করেন?
৩৩. আপনি কি সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস মাইন্ডে অফিসে যাবার জন্য সদা প্রস্তুত থাকেন?
৩৪. যদি না হয়ে থাকে তাহলে এর পেছনে কি কারণ?
৩৫. আপনার কাজের কোন বিষয়গুলো আপনাকে বেশি টানে?
৩৬. আপনি কত ঘন ঘন উদাস বা বোরড ফিল করেন?
৩৭.আপনার নিজের মতামত বা আইডিয়াগুলো আপনার কলিগ বা ম্যানেজারদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনি কতটা প্রোএকটিভ থাকেন?
৩৮.আপনার কাজের ক্ষেত্র এবং সেখানকার পরিবেশ বা কালচারকে আপনি কিভাবে বর্ণনা করবেন?
৩৯. আপনি ওই কালচার বা সংস্কৃতির সাথে মেলাতে পারেন সাবলীলভাবে?
৪০. আপনি কি আপনার কাজের জায়গায় প্রায়শই প্রাণ খুলে হাসতে পারেন?
৪১. প্রতিষ্ঠানের লিডার বা উধস্তন কর্মকর্তাদের কাজকর্ম আপনাকে কতটা ইন্সপায়ার করে থাকে? 
৪২. প্রতিষ্ঠানের লিডার বা উধস্তন কর্মকর্তাদের সাথে আপনার কি সরাসরি কথা হয় বা যোগাযোগ আছে?
৪৩. আপনার কাছে এটা পরিষ্কার তো যে উক্ত প্রতিষ্ঠানে আপনার জন্য পরবর্তিতে কোন লেভেলটি অপেক্ষা করে আছে?
৪৪. সেটা মনে করে কি আপনি খুশি নাকি খুশি নন?
৪৫. শুধু দায়িত্বের জন্য নয় বরং ভালোবেসে কাজ করাটা আপনার জন্য কতটা গুরত্বপূর্ণ?
৪৬. আপনি যাদের সাথে কাজ করছেন তারাও ভালোবেসে কাজ করবে এই বিষয়টা আপনার কাছে কতটা গুরত্বপূর্ণ এবং কেন?
৪৭. আপনার কি সুনির্দিষ্ট ক্যারিয়ার ভিশন রয়েছে?
৪৮. আপনি কি আপনার সেই ভিশনের জন্য লক্ষ্যে অবিচল?
৪৯. জব সিকিউরিটি আপনার জন্য কতটা ভাববার বিষয়?
৫০. আপনি আপনার ক্যারিয়ারে কতটা পর্যন্ত রিস্ক নিতে আগ্রহী এবং আপনার কমফোর্ট জোন কি?
৫১. শেষ কখন ক্যারিয়ারে আপনার সাথে এমন কিছু হয়েছিল যে আপনি ভয় পেয়েছিলেন?
৫২. কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? শেষ পর্যন্ত সেটি কি ছিল? উল্লাসজনক নাকি আশংকাজনক?
৫৩. আপনি আপনার কাজের দ্বারা কতটা স্বয়ংসম্পূর্ণ?
৫৪. কাজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা নিয়ে আপনি কতটা যত্নশীল?
৫৫. পারপাস ড্রাইভেন হয়ে কাজ করার সুবিধাগুলো কি কি, যদি কি না আপনি এমনটা না হয়ে থাকেন?
৫৬. কাকে সবচেয়ে বেশি আপনি তারিফ বা প্রশংসার দাবি মনে করেন?
৫৭. তারা কি প্যাশন আর উদ্দেশ্য চালিত বা পারপাস ড্রাইভেন হয়ে কাজ করে?
৫৮. আপনি কি মনে করেন আপনা যে ধরনের কাজ পছন্দ করেন আপনি ঠিক সেই ধরনের ক্যা পাবার যোগ্য এবং সেই সাথে ভালো মাইনে বা বেতন পাবার মত যথেষ্ট যোগ্যতা আপনার আছে?
৫৯. আপনি কি অধিকাংশ সময়েই আত্মবিশ্বাসী থাকেন নিজের এবং নিজের কাজের সমন্ধে?
৬০. আপনার আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে যাবার ক্ষেত্রে কোন জিনিষটা সব থেকে বেশি দোষী?
৬১. সেই জিনিষটা রিকভার করার চেষ্টা করেছেন কখনো, কিভাবে?
৬২. আপনি সবথেকে বেশি কিসে ভয় পান?
৬৩. লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য কি ধরনের নতুন আচরণ আপনাকে সাহায্য করতে পারে? 
৬৪. আপনি কি মনে করেন নতুন কিছু করার জন্য আপনি প্রস্তুত?
৬৫. কেন বা কেন নয়?
৬৬. অন্যেরা আপনার সফলতা নিয়ে আসলে কি ভাবে না ভাবে এসব বিষয়গুলো কি আপনি নিজের মনে প্রশ্রয় দেন?
৬৭. আপনি যখন আপনার ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো প্রকার সিদ্ধান্ত নেন, তখন কি এসব চিন্তা মাথায় আসে যে আপনার সিদ্ধান্ত অন্যেরা কি চোখে দেখবে?
৬৮. আপনি কি টাকার কাঙ্গাল নাকি ক্ষমতার?
৬৯. কেন বা কেন নয়?
৭০. আপনি আপনার ক্যারিয়ারে ঠিক যা চেয়েছিলেন আর আজ আপনি যেখানে আছেন এই দুটি বিষয় তুলনা করলে আপনি আপনার নিজেকে কি পরামর্শ দেবেন?
৭১. আপনি যদি উদ্দ্যোক্তা হয়ে থাকেন, তাহলে নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করুন যে আপনি সত্যি কি একজন উদ্দ্যোক্তা হবার যোগ্যতা রাখেন?
৭২. আপনার নিজের এই ব্যবসাটি পরিচালনার ক্ষেত্রে আপনার সবথেকে পছন্দের বিষয়টি কি?
৭৩. আর সবথেকে কোনটি বেশি অপছন্দের?
৭৪. আপনি কি সত্যি আপনার স্বপ্নের জবে নিযুক্ত?
৭৫. যদি না হয়ে থাকে, তাহলে আপনি এবার নিজেকেই প্রশ্ন করে দেখুন যে আপনার স্বপ্নের জব কি আসলে?
৭৬. আপনি কি অধিকাংশ সময়ই অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসি থাকেন নাকি আপনাকে এর পেছনে অনেক বেশি স্ট্রাগল করতে হয়?
৭৭. আপনি কি একা কাজ করতে ভালবাসেন?
৭৮. সেরা চিন্তাগুলো আপনার মাথায় কিভাবে আসে?
৭৯. কোথায় বসে এই সেরা চিন্তাগুলো আপনার মাথায় আসে?
৮০. আপনি যেই কাজ করেন সেই কাজে আপনি নিজেকে কতটা স্বয়ং সম্পূর্ণ মনে করেন?
৮১. যদি উত্তর না হয়ে থাকে, তাহলে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন কেন নয়?
৮২. কোনো কিছু চিন্তা করার জন্য আপনি নিজেকে কি যথেস্ট সময় দেন?
৮৩. সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে আপনি নিজেকে কতটা দক্ষ এক্সিকিউটিভ বলে মনে করেন?
৮৪. যদি আপনার সত্যি অর্থে দক্ষ না হয়ে থাকেন, তাহলে এই না হওয়ার পেছনে নিশ্চয় কোনো ক্ষোভ আছে আপনার, কি সেই ক্ষোভ?
৮৫. আপনি কি কখনো চেষ্টা করেছেন নিজের মন সেই ক্ষোভ তাড়াতে? কিভাবে?
৮৬. আপনার নিজের সমন্ধে সেই সাথে আপনার নিজের ব্যবসা নিয়ে আপনার কি স্বচ্ছ ধারণা আর সুস্পষ্ট দূরদৃষ্টিতা রয়েছে?
৮৭. আপনি যে কাজটি করেন সেটা কি আপনার সর্ব বৃহৎ শক্তিকেই প্রকাশিত করে?
৮৮. যদি তা না হয়ে থাকে তাহলে আপনি কি আপনার দুর্বলতার জায়গাগুলোতে অন্যদের কাছ থেকে সাহায্য নিয়ে থাকেন?
৮৯. আপনার কর্মদক্ষতার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধাগুলো কি কি? কোন ধরনের বাধাগুলো আপনাকে সব কিছু থেকেই পিছিয়ে রাখে?
৯০. কর্মক্ষেত্রের এই ধরনের বাধাগুলো সরিয়ে ফেলার জন্য আপনি কি কোনো পরিকল্পনা বা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন?
৯১. যদি না হয়ে থাকে, তাহলে কেন নেয়া হয়নি এখনো?
৯২. যদি হ্যা হয়ে থাকে, তাহলে সেই পরিকল্পনা আর পদক্ষেপগুলো কি কি? শুরু করে দিয়েছেন নাকি এখনো হয় নি? আজ থেকে শুরু করতে পারবেন?
৯৩. সপ্তাহে একদিনের জন্য হলেও কি আপনি নিজেকে নিজের কমফোর্ট জোনে নিয়ে যান?
৯৪. আপনি কিভাবে বুঝতে পারেন যে আপনি দিনের পর দিন নিজের জন্য সময় বের করতে পারেন নি? নিয়ে যেতে পারেন নিজেকে নিজের কমফোর্ট জোনে?
৯৫. আপনি নিজেকে কতটা সফল মনে করেন?
৯৬. আপনার মতে সফলতার সংজ্ঞা কি?
৯৭. সেই সংজ্ঞা কি আপনাকে প্রভাবিত করে? সেটা কি আপনার চালিকাশক্তি?
৯৮. আপনার ব্যবসাতে বা কর্মক্ষেত্রে সেই চালিকাশক্তিগুলো কি কখনো কাজে লাগিয়েছেন?
৯৯. যদি না এনে থাকেন, তাহলে প্রতিদিনের কাজে বা কর্মক্ষেত্রে সেগুলো আনতে বলা হলে আপনি কিভাবে সেগুলোর প্রয়োগ করবেন?
১০০. নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করে আপনি কি শিখলেন নিজের জীবন সমন্ধে? এবং উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তরের মধ্যে দিয়ে কি চিত্র পেলেন শেষ পর্যন্ত নিজের বর্তমান অবস্থান সমন্ধে? জানতে পারি কি?
 
জানাতে না চাইলে দরকার নেই, তবে অন্যকে না জানালেও নিজে জানুন, ভালো করে বোঝার চেষ্টা করুন বর্তমান অবস্থান সমন্ধে।  যাচাই করে দেখুন নিজেকে, বদলে ফেলুন যা কিছু বদলানোর, ভালো প্রাপ্তিগুলোকে উন্নত করুন আরো বেশি, অন্তত ধরে রাখার চেষ্টা করুন। দেখবেন, কতটা শান্তি পাচ্ছেন মনে। ব্যাস ! আর কি, হয়ে গেলো না মুশকিল আসান। 
*আত্মবিশ্বাস* *সাফল্য* *আত্মৌন্নয়ন*

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিদায়ের পথে আরও একটি বছর। ২০১৫ সালকে বিদায় দিয়ে ২০১৬ সালকে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় প্রত্যেকটি মানুষ। আগের বছরের সালতামামিজুড়ে ছিল শুধুই হাহাকার। তবে, ২০১৫ সালটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের একটি সফল বছরের সমাপ্তি। সফল সমাপ্তি এই অর্থে বলা যে, এই বছরে প্রাপ্তির পাল্লা অনেকাংশে সমৃদ্ধ।

২০১৫ বছরটিকে বাংলাদেশ মনে রাখবে অনেক দিন। এ রকম সোনালি সময় আর কখনো পার করেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ১৯৮৬ সাল থেকে ওয়ানডে ক্রিকেট খেললেও ২০১৫ সালে এসে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বোচ্চ সাফল্যই মিলেছে বাংলাদেশের। এ বছর ১৮ ম্যাচের ১৩টিতেই জিতেছে টাইগাররা। হারিয়েছে পূর্ণশক্তির ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দলকে।

নতুন বছরে পা রাখার আগে পেছন ফিরে দেখা যাক ২০১৫ সালে বাংলাদেশের ক্রিকেটে ঘটে যাওয়া কিছু আলোচিত-সমালোচিত ঘটনা। দেশের ক্রিকেট ২০১৫ সাল ইতিবাচক-নেতিবাচক দুভাবেই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মাঠের লড়াইয়ে তামিম-সাকিব-মাশরাফি-মুশফিকদের বছরটা ছিল জমজমাট। পুরোনো সৈনিকদের সঙ্গে লড়াইয়ে সামিল হয়েছিলেন নতুন যোদ্ধা সাব্বির-লিটন-সৌম্য-মুস্তাফিজরা।

বিশ্বকাপে ক্রিকেট বিশ্বকে কাঁপিয়ে আর ইংল্যান্ডকে হারিয়ে যে ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ দল, তার পূর্ণতা আসে দেশের মাটিতে টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ জয় দিয়ে।

একটু পেছনে যাওয়া যাক। শঙ্কা আর অনিশ্চয়তা নিয়ে ২০১৪ সালের শুরুটা হয়েছিল। শ্রীলঙ্কা, এশিয়া কাপ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ধারাবাহিক ব্যর্থতা ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটের নিত্যসঙ্গী। পরাজয়ের বৃত্তেই বন্দি ছিল টাইগাররা। সে বছরের জুলাইয়ে বিশ্বসেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে সবধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করে বিসিবি। তবে, নভেম্বরে জিম্বাবুয়ে সিরিজ দিয়েই আত্মবিশ্বাসের টনিক ফিরে পায় বাংলাদেশ, সঙ্গে সাকিবকেও ফিরে পায় টাইগার দলটি। বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য বছরের শেষভাগে এসে মরূদ্যানে এক পশলা বৃষ্টির মতোই ছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের ফল (৮-০)। জিম্বাবুয়েকে টেস্ট এবং ওয়ানডেতে ধবলধোলাই করে বছরের শেষটা রাঙিয়ে দেন মুশফিক-মাশরাফিরা।

কিন্তু, বছরের একদম শেষ ভাগে এসে ক্রিকেটপাড়ায় নতুন বিতর্কের জন্ম দেন পেসার রুবেল হোসেন। অভিনেত্রী হ্যাপি তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করলে ক্রিকেটের গায়ে লাগে কলঙ্ক। তবে, ২০১৫ সালে অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপে টাইগারদের এ পেসার যে পারফর্ম করেছেন এক নিমিষেই সব বিতর্ক উড়ে চলে যায় ক্রিকেটের বাইরে। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আয়োজিত বিশ্বকাপে ঝড় তোলার প্রত্যয় নিয়ে দলের সঙ্গে যান পেসার আল আমিন হোসেন। টিম কারফিউ ভঙ্গ করে তিনি রাতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে টিম হোটেল থেকে বাইরে বের হন। ফলশ্রুতিতে আল আমিনকে বিশ্বকাপ দল থেকে বহিষ্কার করে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ বছর ক্রিকেটাররা নেতিবাচক কারণে সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন আরও একবার। গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের অভিযোগে সস্ত্রীক শাহাদাত হোসেনের কারাগারে যাওয়া ছাড়া এ বছর কোনো কলঙ্ক নেই বাংলাদেশের ক্রিকেটে।
 
ফেরা যাক ২০১৫ সালের শেষ দিকে। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের সঙ্গে সিরিজের মধ্যদিয়ে শেষ হয় টাইগারদের রূপকথার গল্পের উপসংহার। তবে, সফরকারীদের বিপক্ষে শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটিতে হেরে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বিদায় নেয় টাইগাররা।

এবার যাওয়া যাক বছরের শুরুতে। এর আগে বাংলাদেশ ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে সুপার এইটে খেলার কৃতিত্ব দেখালেও ২০১৫ সালেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে সাফল্য রেখার দাগ টানা শুরু করে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বের এক ম্যাচ বাকি থাকতেই এই অনন্য সাফল্য। ২০১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি, বিশ্বমঞ্চে পুল ‘এ’র সপ্তম ম্যাচ, বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান। ক্যানবেরার মানুকা ওভালে আফগানদের দাপটের সঙ্গে ১০৫ রানে হারিয়ে মিশন শুরু হয় টাইগারদের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পরের ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পণ্ড হয়। লঙ্কানদের বিপক্ষে ২৬ ফেব্রুয়ারি ৯২ রানে হেরে বসে বাংলাদেশ। ০৫ মার্চ স্কটল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারায় লাল-সবুজের জার্সিধারিরা।

এর পরের ম্যাচ ০৯ মার্চ, অ্যাডিলেড, বিশ্বমঞ্চের ৩৩তম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। বিশ্বক্রিকেটকে আরেকবার চমকে দিয়ে সে ম্যাচে মাশরাফি বাহিনীর জয়টি ছিল ১৫ রানের। ক্রিকেটের সুতিকাগার ইংল্যান্ড দল পর পর দুই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হার মানতে বাধ্য হয়। ইংলিশদের হারিয়েই কোয়ার্টারে উঠে টাইগার বাহিনী। সে ম্যাচে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি করেন মাহমুদুল্লাহ। প্রতিকূল অবস্থায় ব্যাটিংয়ে নেমে তিনি ১০৩ রান করে বিশ্বকাপে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সেঞ্চুরির খাতায় নাম লেখান।  আস্থার প্রতিদান দিয়ে মুশফিক ৭৭ বলে ৮৯ রানের অনবদ্য একটি ইনিংস খেলেন। ৫০ ওভারে টাইগাররা ৭ উইকেটে ২৭৫ রান করে ইংল্যান্ডের জন্য চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়। বাঁচা-মরার খেলায় ইংলিশরা জেতার জন্য সাধ্যের সবটুকু ব্যয় করেও জয় পায়নি রুবেল, তাসকিন ও মাশরাফির দৃষ্টিনন্দন বোলিং সাফল্যের কারণে। ২৬০ রানে ইংলিশদের থামিয়ে দিতে রুবেল ৪টি, মাশরাফি আর তাসকিন ২টি করে উইকেট তুলে নেন।

অন্যতম ফেভারিট নিউনিল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে হেরে যায় বাংলাদেশ। তবে, লড়াই করেই ৩ উইকেটের হার মানে টাইগাররা। টানা দ্বিতীয় ম্যাচেও শতক হাঁকান মাহমুদুল্লাহ। ১২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৫৮ বলে সৌম্য করেন ৫১ রান। আর শেষ দিকে ব্যাটে ঝড় তুলে ২৩ বলে ৪০ রান করেন সাব্বির রহমান। মাশরাফির অনুপস্থিতিতে সে ম্যাচে সাকিবের নেতৃত্বে খেলে টাইগাররা ৭ উইকেট হারিয়ে তোলে ২৮৮ রান। জবাবে ৭ বল হাতে রেখে ৭ উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয় কিউইরা। কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের কাছে ১০৯ রানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু সে ম্যাচটি কতটা বিতর্কিত ছিল, তা সবারই জানা।

এরপর ঘরের মাটিতে পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা আর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টানা তিনটি সিরিজ জেতে টাইগাররা। ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে সাতে উঠে আসে বাংলাদেশ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির টিকিটি কেটে নেয় মাশরাফি বাহিনী। টেস্ট র্যাঙ্কিংয়েও নিজেদের সর্বোচ্চ চূড়ায় ওঠে মুশফিক বাহিনী।

এ বছরে বাংলাদেশ মোট ১৮টি ওয়ানডে খেলেছে (বিশ্বকাপের অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ বাদ দিয়ে)। এর মধ্যে ১৩টি ম্যাচেই বিজয়ীর হাসি নিয়ে মাঠ ছেড়েছে লাল-সবুজরা। এর আগে ২০০৯ সালেই সবচেয়ে সফল সময় পার করেছিল বাংলাদেশ। সেবার ১৯টি ওয়ানডের মধ্যে ১৪টি ম্যাচে জিতেছিল বাংলাদেশ।

টেস্টেও টাইগাররা ২০১৫ সালটি কাটিয়েছে দারুণভাবে। পাকিস্তান-ভারত-দ. আফ্রিকার বিপক্ষে ৫টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সাদা পোশাকে মাত্র একটি ম্যাচেই হারের মুখ দেখে মুশফিক বাহিনী, বাকি চারটি ম্যাচ ড্র হয়। ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ড্র হওয়া ছাড়াও টেস্টের সে সময়কার এক নম্বর দল দ. আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজও ড্র হয়।

এর আগে অবশ্য পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ৩২৮ রানের বড় ব্যবধানে হারে স্বাগতিক বাংলাদেশ। তবে তারও আগে প্রথম টেস্টে মিসবাহ উল হকের পাকিস্তানকে যেভাবে টাইগার ব্যাটসম্যানরা আঁচড়ে দিয়েছিল, সেটি সফরকারীরা যত দ্রুত ভুলে যেতে চাইবেন, টাইগারপ্রেমীরা ততটাই স্মরণ রাখতে চাইবেন। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৩৩২ রানে অলআউট হলে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৬২৮ রানের বিশাল পাহাড় গড়ে। টাইগার স্পিনার তাইজুল সে ইনিংসে তুলে নেন ৬টি উইকেট। পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে বাংলাদেশ ৬ উইকেট হারিয়ে তোলে ৫৫৫ রান। ড্র মেনে নেন সফরকারী অধিনায়ক। উদ্বোধনী জুটি থেকেই তামিম-ইমরুল তুলে নেন ৩১২ রান। তামিম ২০৬, ইমরুল ১৫০ আর সাকিব অপরাজিত ৭৬ রান করেন।

টি-টোয়েন্টি ফরমেটে টাইগাররা ২০১৫ সালে খেলেছে ৫টি ম্যাচ। এর মধ্যে দুটি ম্যাচেই জেতে স্বাগতিক হিসেবে খেলতে নামা বাংলাদেশ। পাকিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ জেতে দাপটের সঙ্গে। সফরকারীদের ১৪১ রানকে লাল-সবুজরা টপকে যায় ২২ বল হাতে রেখে। সাকিব আর সাব্বির রহমানের দুটি অপরাজিত অর্ধশতকে ৩ উইকেট হারিয়ে সহজ জয় তুলে নেয় মাশরাফির দল। অপর জয়টি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৪ উইকেটের। একই দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ হার মানে ৩ উইকেটে। তার আগে দ. আফ্রিকার বিপক্ষে দুটি ম্যাচেই পরাজয়ের মুখ দেখে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

আইসিসির নবতর সংস্করণ টি-টোয়েন্টিকে বলা হয় ক্রিকেট বিশ্বের অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার। তবে, এর কারণেই ক্রিকেটে কিছুটা হলেও অনিয়ম-দুর্নীতি বাসা বাঁধে। বিপিএল এর প্রথম আসর (২০১২) নিয়ে নানা রকম সমস্যা তৈরি হলেও, দ্বিতীয় আসরটিকে (২০১৩) দেশের ক্রিকেটের সবথেকে বড় কলঙ্ক হিসেবে ধরা হয়। এক বছর বাদে ফের ২০১৫ সালে বিপিএলের জমজমাট তৃতীয় আসরটি বসে বাংলাদেশে। এতে টি-টোয়েন্টির সবথেকে বড় বিজ্ঞাপন ক্রিস গেইল, শহীদ আফ্রিদিদের সঙ্গে অংশ নেন কুমার সাঙ্গাকারা, লেন্ডল সিমন্স, মারলন স্যামুয়েলস, রবি বোপারা, সুনীল নারাইন, মোহাম্মদ হাফিজ, মোহাম্মদ আমির, শোয়েব মালিকদের মতো তারকা ক্রিকেটাররা। টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘটে নতুন দল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের জয়ের মধ্য দিয়ে। টানা তিনটি শিরোপাই হাতে নেন কুমিল্লার দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা।

এ বছর বাংলাদেশ পেয়েছে নতুন নতুন ম্যাচ উইনার। টেস্টের বিস্ময় মুমিনুল হক, তাইজুল ইসলাম, জুবায়ের লিখন আর ওয়ানডের চমক সৌম্য, সাব্বির, লিটন, মুস্তাফিজ, তাসকিনদের মতো বিশ্বমানের ক্রিকেটার নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন। বিশ্ব র্স্পোটস মিডিয়ায় বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতির কথা বারবার ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে। বলা যায়, বাংলাদেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক ফলাফল নিশ্চিত উর্ধগামী।

২০১৫কে পেরিয়ে ২০১৬তে টাইগারদের সাফল্য লুটোপুটি খাবে, সেটিও বলার অপেক্ষা রাখে না। যে দেশে আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে একাদশের সদস্য ‘কাটার মাস্টার’ খ্যাত মুস্তাফিজ রয়েছেন, যে দেশে ক্রিকেট বিশ্বের তিন ফরমেটের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান রয়েছেন, যে দেশে ক্রিকেট বিশ্বকে বারবার চমকে দেওয়া অধিনায়ক মাশরাফি রয়েছেন- সে দেশটি ক্রিকেটের পরাশক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে এটিও আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

*বাংলাদেশ* *ক্রিকেট* *২০১৫* *সাফল্য* *ক্রিকেটরঙ্গ* *সংগৃহীত*
*ক্রিকেট* *২০১৫* *সাফল্য* *ক্রিকেটরঙ্গ* *সংগৃহীত*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

সফল আর অসফল ব্যাক্তির মধ্যে জ্ঞানের অসমতা কিংবা শক্তির পার্থক্য থেকেও মূল পার্থক্য গড়ে দেয়, "সাফল্যের তীব্র আকাঙ্খা" l
*সফলতা* *সাফল্য*

শুভাশীষ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পরীক্ষা এখনো শেষ হয় নাই, দুটো বাকি আছে ... তারপর ল্যাব, ভাইবা সহ সব শেষ করতে আরো হয়তো একমাস! কিন্তু এখন থেকেই সবার প্রশ্ন এরপর কি করবা? আমার নিজের কাছেই আমার প্রশ্ন ছিল অনেকবার এরপর কি করব?

আশে পাশে বন্ধুদের দিকে তাকাই... FBS/কলা ভবন এর বন্ধুরা internship বা job শুরু করে দিয়েছে, science faculty এর বন্ধুরা GRE দিয়ে বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে!!!

তারপর নিজেকে বললাম এত কিছু না হয় কিছুদিন পরেই ভাবলাম, জীবনে তো কখনই কোনো কিছু প্লান করে করিনি, যারা কোন পথে হাটবে জানে না জীবনের বাস্তবতাই তাদের পথ দেখায় সামনের..আমিও না হয় সেই theory অনুসরন করলাম, তবে যতটা সহেজে বললাম বাস্তবতা হয়তো এত সহজ হবে না l 

আমি কি করলাম, কোথায় থেকে করলাম, মানুষের মাঝে আমার.. আমার কথার গুরুত্ব কতটুকু এসব কিছুর পরে দিন শেষে আমি কতটা ভালো আছি এটাই জীবনের সার্থকতা l 

কেউ হয়তো আমেরিকার কোনো সুন্দর জায়গায় দাড়িয়ে সেলফি তুলে ফেসবুকে আপলোড করে খুশি হবে, আমার সুখ হয়তো আমার ছোট ছোট সাফল্যে আমার মা বাবার হাসিতে, তাদের গর্বে ভরা চোখের জলে :)
*সাফল্য* *সফলতা*

Risingbd.com: কিশোরী বয়সে মা হয়েছেন যে তারকারা বিখ্যাত তারকারা বিয়ে করেন অনেক দেরিতে। ছেলে-সন্তানের ব্যাপারেও একই বিষয় লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু এমন কিছু তারকা রয়েছেন যারা ক্যারিয়ারের শুরুতে এবং খুব অল্প বয়সেই...বিস্তারিত- http://bit.ly/1NQEO9C

*বিনোদন* *সাফল্য* *তারকাকথা* *মা* *অভিনয়* *জানাঅজানা* *ভাগ্য*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

সবচেয়ে পরিশ্রমী শব্দ হল - সাফল্য, এটাকে অর্জন কর।
*অর্জন* *সাফল্য*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★