সাহায্য

সাহায্য নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভদ্র ছেলেদের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য -
১। ভদ্র ছেলেরা কখনোই সিগারেট খায়
না ,
তবে তাদের বন্ধুরা খায় । তারা অবশ্য
বন্ধুদের
সিগারেট খেতে মানাও করতে পারে না ।
২। ভদ্র ছেলেরা রাস্তাঘাটে মেয়েদের
দিকে খুব
একটা চোখ তুলে তাকায় না , অবশ্য
বেজায়
সুন্দরী হলে একটু-আধটু তাকায় । কিন্তু
তাদের
বন্ধুদের সাধারণত এক্ষেত্রে ব্যাপক
পারদর্শীতা থাকে ।
৩। ভদ্র ছেলেরা পর্ণ দেখে না , কিন্তু
কোনদিনই
দেখেনি তা অবশ্য হলফ
করে বলা যাবে না ।
৪। ভদ্র ছেলেরা সাধারণত রাত
জেগে ফোনালাপে মগ্ন থাকে না ,
তাদের আবার
পরদিন স্কুল/কলেজে/ভার্সিটি যাবার
তাড়া থাকে তো !
৫। ভদ্র ছেলেরা ফেসবুকে মেয়েদের
অযথা বিরক্ত
করে না । নিতান্ত আকর্ষণ
না থাকলে কাউকে নক করে না

৬। ভদ্র ছেলেরাও একটু-আধটু
গালি জানে ।
তবে তারা সচরাচর ওসব বলে বেড়ায়
না ।হুম !
বুঝতে হবে ।
৭। গার্লফ্রেন্ড থাকলেই
যে আপনি অভদ্র-অসভ্য
হয়ে যাবেন তা কোন
পুস্তকে লেখা আছে শুনি !
৮। বলা বাহুল্য , অনেক ভদ্রছেলেরাই
টুকটাক গল্প-কবিতা-গান লিখে থাকে ।
এটা তাদের ফ্যাশন নয় ,প্যাশন !
৯। কোন মেয়ে প্রেমের প্রস্তাব
নিয়ে এগিয়ে এলে ভদ্র ছেলেরা আবার
‘না’
করতে পারে না ।ইনফ্যাক্ট তার বেশ
মানবতাবাদী তো তাই !
১০। ভদ্র ছেলেরা সাধারণত বয়েজ
স্কুলের ছাত্র
হয়ে থাকে ।এই কারণেই
তারা উল্লেখযোগ্য
হারে প্রকৃতিপ্রেমী হয়ে থাকে ।
তবে অনেকের
বেলাতেই খানিকটা ব্যাতিক্রমধর্মী
দৃশ্যপটও
পরিলক্ষিত হয় ।
১১। ভদ্র ছেলেরা বেশ সাহায্যপ্রবণ
হয়ে থাকে ।
বাচ্চা , নর কিংবা নারী সকলেই
নির্বিশেষে তার
সাহায্যের শিকার হয় !
১২। ভদ্র ছেলে মাত্রই কিউট , কিউট
এবং কিউট।ব্যাপারটা দিবালোকের মত
পরিষ্কার ।

*ভদ্র* *ছেলে* *সাহায্য*

প্যাঁচা : যারা চট্টগ্রামে থাকেন আশা করি তারা এই পরিবারটিকে সাহায্য করবেন।দান করতে বলছি না, কেবল দিনে এক কাপ চা খেয়ে আসবেন ওনার চায়ের দোকান থেকে।দোকানটি সাত রাস্তার মোড়ে।ছবিটি দোকানের সামনে থেকেই তোলা।লোকটি (মোঃ শেখ) বিকলাঙ্গ তাই ব্যাটারী রিকশা চালান,বউ চায়ের দোকান চালান,তিন ছেলে মাদ্রাসায় ও একটি মেয়ে, তাকেও মাদ্রাসায় দিয়েছেন। এক কাপ চা ৬ টাকা, না হয় ১০ টাকাই খরচ করলেন।হাহাহাহা...

*সাহায্য* *সহায়তা* *মানবতা* *মানুষ*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

৩৪ বছর বয়সের যুবক রাজশাহীর বাঘা উপজেলার সরেরহাট গ্রামের সেলিম রেজার দু’টি কিডনিই অকেজো হয়ে গেছে। জটিল সমস্যায় আক্রান্ত সেলিমের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন তার পরিবার।

বর্তমানে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করে তাঁকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে কিডনি প্রতিস্থাপন করানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন রাজশাহী ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। কিন্তু সেলিমের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভাল না হওয়ায় পরিবারের পক্ষে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

তাঁর পিতা আমিরুল  ইসলাম পটল বাঘা সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে নকল নবিষ্টের কাজ করে কোন রকমে ৫ সদস্যর সংসার চালান। বড় ছেলে হওয়ার কারণে  সংসারের হাল ধরতে হয়েছে সেলিমকে। কিন্তু দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে সেলিম এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। কিডনি চিকিৎসার খরচ মেটানোর জন্য ইতোমধ্যে পিতার সহায় সম্বল বিক্রি করতে হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটছে। কিডনির পাশাপাশি তার হার্টেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাই জরুরী ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিডনি প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। এমতাবস্থায়, সেলিমের চিকিৎসার জন্য সকল হৃদয়বান ও দানশীল ব্যক্তির আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন তাঁর অসহায় পিতা-মাতা ও স্ত্রী। চিকিৎসায় সহযোগিতা দিতে সরাসরি যোগাযোগ করে এই মোবাইল নম্বরে-০১৭৫৭০২৪৪৯৪ সাহায্য দিন কিংবা সোনালী ব্যাংক সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর এসবি ৩৪০১৩০৮৬( কাউসার আলী) এই নম্বরে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেছেন পরিবার।


*সাহায্য* *সাহায্যেরআবেদন*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সকাল বেলা বিছানা ছাড়তে পারছিলাম না, রাতে গরম অনুভুত হওয়ার কারণে ফ্যান চালিয়ে ঘুমানোর কারণে! আপাকে বললাম, ফ্যানটা বন্ধ করে দাও তো! তারপর উঠে শাওয়ার নেয়ার সময় বুঝলাম, পানি বেশ ঠান্ডা! যাক পরেরদিন ঘুম ভেঙ্গে দেখি রাতের অন করা ফ্যান বন্ধ হয়ে আছে, অর্থাৎ আপামনি আগের দিনের অবস্থা বিবেচনা করে গভীর রাতে নিশ্চয় ফ্যান বন্ধ করে দিয়েছে! হুম ভাল! অয়াশ রুমে গিয়ে দেখি, পানিতে ঘরম পানি মিক্সড করা হয়েছে! আহারে আরাম! শীতের শুরুতে ব্যস্তময় ঢাকা শহরে ঠান্ডা প্রভাব বিস্তার করতে না পারলে ও বাসা বোটানিক্যাল গার্ডেন এর কাছাকাছি হওয়াতে শীত আমার বাসায় হয়তো একটু আগেই কড়া নেড়েছে! 
ভাবতেই অবাক লাগে এই শীত যখন বাংলার দূর গ্রামে তার ঠান্ডা হাওয়া দিয়ে আচ্ছন্ন করে রাখছে তখন ছেড়াফাটা বা উপরের শরীর কাপড়বিহীন, খোলা আকাশে যারা রাত্রি যাপন করে তাদের কথা ভাবতে গেলেই গা শিউরে উঠে!!!!!!!!
এই গা শিউরে উঠা ভাব থেকে মুক্তি পেতেই মানবিকতার সামান্য সচেতনতা থেকে বেশতো পরিবারের সদস্য এবং বেশতোর সহযোগীতায় শীতার্তদের সাহায্যের আবেদন জানানো হয়! কয়েকজনের না্‌ যারা এ ব্যাপারটিতে নিজেদের মেধা, শ্রম এভং আর্থিক সামর্থ্য দিয়ে এটিকে সম্মানজনক স্থানে নিয়ে এসেছে খুব কষ্ট হলেও তাদের নাম উল্লেখ করলাম না এই ভেবে ভুলে যদি কার ও নাম বাদ পড়ে যায়। 
আমি কিছুই করতে পারিনি শুধু তাদের পোস্ট শেয়ার করা ছাড়া! তবে সেখানে কিছু মজার প্রশ্নের সম্মুখীন হলাম! তুমি কি দিয়েছ? কত টাকা? কম্বল বা কাপড়? যথারীতি আমার ব্যক্তিগত ভাবটাই শুনালাম, আমি যাই দিই পরিমান বা কত সেটা তো কাউকে বলিনা, অনেকটা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলে, নাম প্রকাশ করলে কি হয়? হতে পারে সেটা তুলনায় নগন্য বলে অথবা দান না জানিয়ে করতে পারলে ভালো বলে। ঠিক আছে, তা তোমার গ্রামেই তো অনেক লোক আছে, যাদের এই শীতে কষ্ট হচ্ছে, এখানে না দিয়ে সেখানে ও দিতে পারতে! তোমাদের বেশতো পরিবারের সদস্য সখ্যা কত? লাখের কাছাকাছি! ও! তা তোমরাই তো ১০ টাকা করে দিলে ১০ লক্ষ টাকা হয়ে যায়, সবার সাথে শেয়ার করার দরকার কি? তাকে কি বোঝাব সবাই যদি একসাথে থাকতো, তাহলে ১০ টাকা করে নিতে সমস্যা নয়, কিন্তু দূর প্রান্তে যে আছে সে হয়তো ১০০ টাকা দিতে চাইলে ও দিতে পারছেনা!
যাহোক এতো গেলো প্রশ্নের সমাহার!
আমি নিজেই অসন্তুষ্ট সব ঠিক করে রেখে ও কিছুই করতে পারিনি বলে! তবে আমাদের এক ইউজার (যিনি বাহিরে থাকেন) এর স্ট্যাটাস পড়ে জানলাম শীত বস্ত্র বিতরণ করবেন, টার্গেট ১০ লক্ষ টাকা যার অধিকাংশ বিদেশীরাই সাহায্য হিসাবে দিয়েছে! আমাদের বাংলাদেশে এ রকম লোকের কি না অভাব! অথচ আমরা মোবাইলের বিল বা ইন্টারনেট বা সিগারেট কত কিছুর ব্যাপারে অপ্রয়োজনীয় কত ব্যয় করছি, তার কিছু মাত্র শেয়ার করলে কত জন এই মানবেতর জীবন থেকে রক্ষা পেতে পারতো!
কাকে কি বলবো আমি নিজেই কিছুই পারি না! তাই নিজেরই সমালোচনা করছি। নির্দিষ্ট কাউকে উদ্দেশ্য করে লিখিনি, তাই কার ও সাথে মিলে গেলে কষ্ট পাবেন না।
তবে যাদের উদ্যেগে এই কাজ সফলতা পাচ্ছে তাদেরকে জানাই শ্রদ্ধা এবং সালাম!  
*শীতার্ত* *সাহায্য* *আত্মসমালোচনা*

ওম: কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন | কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদেরনির্বাহী কমিটি (একনেক)।এ প্রকল্পটি ব্যাস্তবায়িত হলে নদীর নিচদিয়ে গাড়ি চলাচল করতে পারবে.. বিস্তারিত আরো http://www.nirapadnews.com/2015/11/24/news-id:108965/

*অনুমোদন* *এবং* *কর্ণফুলী* *কোটি* *চূড়ান্ত* *টাকা* *টানেলের* *তহবিল* *নিজস্ব* *প্রকল্প* *লাখ* *শত* *সংস্থার* *সাহায্য* *হাজার*
ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

বিপদের সময় এভাবে আশা দেখিয়ে লাভ কি?

কিছু মানুষ আপনাকে শুধু প্রাণপণ সাহায্য করার ভান ধরে।

*বিপদ* *সাহায্য*

তিথি মনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার ব্যাপারে ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যখন দ্বিধাবিভক্ত, তখনই অভিবাসীদের জন্য টাকা তুলে মানবতার এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল যুক্তরাষ্ট্র ভার্জিনিয়ার ৭ বছরের এক শিশু। ছুটির দিনে লেবুর শরবত বিক্রি করে শরণার্থীদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেছে এমারি অ্যালফোর্ড নামের শিশুটি।

ভার্জিনিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডব্লিউ ডব্লিউ বিটি এক প্রতিবেদনে জানায়, “আমি তাদেরকে সাহায্য করতে চাইছিলাম যাতে তারা ইউরোপে ভালোভাবে পৌঁছায়।” মায়ের মুখে শরণার্থীদের দুর্ভোগের কথা শোনার পরই তাদের সহায়তা দেওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ওঠে এমারি। সুতরাং, পরিকল্পনা অনুযায়ী এমারি শরণার্থীদের সাহায্যার্থে ভার্জিনিয়ায় নিজের বাড়ির বাইরে মুদি দোকানের পাশে লেবুর শরবত বিক্রি করা শুরু করে।

আর মাত্র ৪ ঘন্টায় সে ২৫০ মার্কিন ডলার আয় করে। এমারির এ টাকা মাইগ্রেন্ট অফশোর এইড স্টেশন নামের এক এনজিওকে দেওয়া হবে যাতে তারা তা শরণার্থীদের সাহায্যার্থে ব্যবহার করতে পারে। এমারির মা ডব্লিউ ডব্লিউ বিটি ‘কে বলেন, “একটি উন্নত দেশে বাস করতে পেরে আমরা যে কতটা ভাগ্যবান তা আমি আমার সন্তানকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কারণ আমাদেরকে বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার মত সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না।” এমারি ডব্লিউ ডব্লিউ বিটি’কে বলেন, আমি নিজেকে খুব ভাগ্যবতী মনে করি। আর শরণার্থীরা কোনও খাবার বা জল ছাড়াই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত হয়। তাই আমি তাদেরকে সাহায্য করতে চাই।”
তথ্যসূত্র- ইন্টারনেট
*সাহায্য* *শরনার্থী*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

আমাদের একটুখানি সহানুভূতিই পারে এই সমস্ত শিশুদের মুখে একটু হাসি ফুটাতে...

আসুন আমরা সবাই মিলে এই পবিত্র ঈদে এই সমস্ত অসহায় শিশুদের পাশে দাঁড়াই.....(প্লিইইজ)(প্লিইইজ)

*মানবিকতা* *বিবেক* *সাহায্য*

অনুপ: হেল্লো !! কেমন আছেন সবাই ?? (হ্যালো) খুব ঝামেলায় পরে গেছি লেও আমাকে সাহায্য করেন । আমার কাছে আগামিকালের খেলার ২৫০ টাকা দামের ২ টা টিকেট আছে। কিন্তু আমার বাকি বন্ধুরা ১৫০ টাকা দামের টিকেট কিনেফেলছে। (মনখারাপ) কেউ কি আছেন যে আমাকে ১৫০ টাকা দামের ২ টা টিকেট দিয়ে ২৫০ টাকা দামের ২ টা টিকেট দেবেন ?

*খেলারটিকেট* *টিকেটবদল* *সাহায্য*

সুমন: ল্যাব এইডে ভর্তি একজন মুমূর্ষ রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন। অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। মিশু: 01811456294

*সাহায্য* *সহযোগিতা*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একবার এক ইঁদুর লক্ষ্য করল
যে বাড়িতে ইঁদুর
মারার ফাঁদ পাতা রয়েছে। সে খুবই
ভয় পেল।
ফাঁদটি অকেজো করার জন্য সে ওই
বাড়িতে থাকা মুরগির সাহায্য
চাইল।
মুরগি ঘটনা শুনে জবাব দিল-
“ফাঁদটি আমার
কোন ক্ষতি করতে পারবেনা। অতএব
আমি এখানে কোন সাহায্য
করতে পারবনা”।
মুরগির কাছ থেকে এই উত্তর শুনে ইঁদুর
খুব
দুঃখিত হল এবং ছাগলের
কাছে গিয়ে সাহায্য চাইল। ছাগল
ফাঁদের
কথা শুনে বলল- “ওই ফাঁদ বড়দের জন্য
নয়।
আমি এখানে তোমাকে সাহায্য
করতে পারবনা”।
ইঁদুর ছাগলের কাছ থেকে একই উত্তর
শুনে দুঃখিত হয়ে গরুর কাছে এলো।
সব
কথা শুনে গরু বলল- “ইদুরের ফাঁদ আমার
মত
বড় প্রাণীর কোন ক্ষতিই
করতে পারবেনা।
যা আমার কোন
ক্ষতি করতে পারবেনা-
তাতে আমি সাহায্য
করতে পারবনা”।
ইঁদুর শেষ পর্যন্ত নিরাশ হয়ে তার
ঘরে ফিরে এলো।
রাতের বেলা বাড়ির
কর্ত্রী অন্ধকারের ভিতর
বুঝতে পারলেন যে ফাঁদে কিছু
একটা ধরা পরেছে।
অন্ধকারে ফাঁদের কাছে হাত
দিতেই
উনি হাতে কামড় খেলেন
এবং দেখলেন
ফাঁদে ইঁদুরের বদলে সাপ
ধরা পরেছে।
তার চিৎকারে কর্তার ঘুম ভাঙল।
তাড়াতাড়ি ডাক্তার ডাকা হল।
চিকিৎসা শুরু
হয়ে গেল। কিন্তু অবস্থা মোটেই
ভালো না। পথ্য হিসেবে ডাক্তার
মুরগির সূপ
খাওয়াতে বল্লেন। সুপের জন্য
কর্তা মুরগিকে জবাই করে দিলেন।
অবস্থা আস্তে আস্তে আরও খারাপ
হতে লাগলো। দূরদূরান্ত থেকে আরও
অনেকে আত্মীয় স্বজন
আসতে লাগলো।
বাধ্য হয়ে কর্তা ছাগলকে জবাই
করলেন
তাদের
আপ্যায়ন করার জন্য। আরও
ভালো চিকিৎসার জন্য অনেক
টাকার
দরকার হতে লাগলো।
অবশেষে বাড়ির কর্তা তাদের
গরুটিকে কসাইখানায়
বিক্রি করে দিল। একসময় বাড়ির
কর্ত্রী সুস্থ
হয়ে উঠল। আর এই সমস্ত কিছু
ইঁদুরটি তার
ছোট্ট
ঘর থেকে পর্যবেক্ষণ করল। শিক্ষণীয়
বিষয়ঃ কেউ বিপদে সাহায্য
চাইলে তাকে সাহায্য করা উচিৎ,
হোক সেই
বিপদ আমাকে স্পর্শ করুক বা না করুক।
বিপদ্গ্রস্থকে সাহায্য করা নৈতিক
দায়িত্ব
*বিপদ* *সাহায্য* *শিক্ষনীয়গল্প* *গল্প*
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

৪/৫

আমরা কি পারি না আমাদের আশে-পাশের গরিব-অসহায় দের প্রতি একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে ????

কেও বেশি খায় কারো খিদে পায়না কেও আবার সস্তা দামের কোনো কিছুই খেতে চায় না আমি চিনি এমন অনেক কে যারা রক্তে-মাংশে আমার মতই কিন্তু সারা দিনে কিছুই খেতে পায় না

*সহযোগিতা* *সাহায্য*

A1-Mamu9 রাসেল: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছোট্ট শিশুটির নিষ্পাপ মুখের হাসিটা দেখেছেন? কি পবিত্র!

নাম তার নিলাদ্রী, পরিবারের সবাইকে নিয়ে আনন্দে থাকা নিলাদ্রির এই মায়াময় হাসি সবারই পছন্দ!

কিন্তু সাহায্য না পেলে এই হাসি আর বেশিদিন আমাদের মাঝে থাকবে না।

নিলাদ্রী জটিল ক্যান্সারে অাক্রান্ত। যে বয়সে তার হেসে খেলে বেড়ানোর কথা। পিঠে ব্যাগ ঝুলিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা, বন্ধুদের সাথে দুষ্টুমি করার কথা, বাসায় পকেমন, বেন টেন, কার্টুন নেটওয়ার্ক আর সুপার হিরোদের নিয়ে পড়ে থাকার কথা সেই নিলাদ্রী বাঁচার আকুল চেষ্টায় এখন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হেমোটোলজি বিভাগের ডাক্তার সালাউদ্দিন শাহ এর তত্ত্বাবধানে মরণব্যাধি ক্যান্সারের চিকিৎসা নিচ্ছে।

নিলাদ্রীর বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজন প্রায় ৪০ থেকে ৪২ লক্ষ টাকা। যা মধ্যবিত্ত নিলাদ্রীর পরিবারের পক্ষে যোগাড় করা সম্ভব হয়ে উঠছে না। 

অতীতে আমরা ফেসবুকের মাধ্যমে অনেককেই বাঁচিয়েছি। অনেকে জীবন ফিরে পেয়েছে। তাহলে আরেকটি ছোট্ট প্রাণ কি বাঁচাতে পারি না? কে জানে হয়তো এই নিলাদ্রী একদিন বড় হয়ে আমাদের আইনস্টাইন হবে, আমাদের আরেক সাকিব আল হাসান হবে, কিংবা হবে কোন নোবেলজয়ী লেখক! আমরা যদি আমাদের সম্ভাবনাকে বাঁচিয়ে না তুলি, তাহলে কে তুলবে?

সবাইকে চাই। আসুন, আরেকবার ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামি। বাঁচিয়ে তুলি নিলাদ্রী কে। 

সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা-

তানজিয়া আলম।

সঞ্চয়ী হিসাব নং - 116-151-21525
ডাচ বাংলা ব্যাংক,গুলশান শাখা,ঢাকা।

মোবাইল ব্যাংকিং নং- 019442724908

বিকাশ একাউন্ট নং- 01944272490
*সাহায্য*

সুমন: বেশতো তে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি. আমি বড় ঝামেলায় আছি ভাই. ভালো কোনো একজন হুজুর বা কবিরাজ এর সন্ধান চাই. কেউ কি একটু হেল্প করবেন?

*সাহায্য*

নিপু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নভেম্বরের ৩ তারিখ রনি ভাইয়ের বেশব্লগ "শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র প্রদান" পড়ে বেশ ভালো লাগলো, নিজেকে বললাম আমিও এই উদ্যোগের অংশ হবো ! কিন্তু কাজের চাপে প্রথম মিটিংটা মিস করলাম... 
নিজের অফিসের কিছু কলিগদের কাছে বললাম আমাদের এই উদ্যোগের বিষয়ে সবাই তাদের মত করে হেল্প করলো.... এর পর বিস্তারিত আমি জানতে পারলাম অপু ভাই, সালাম ভাই এর পোস্ট থেকে 
এর পরের ধাপে আমরা রাজশাহীতে বিতরণের  জন্য কম্বল, কান টুপি আর মাফলার কিনি- আমি সঙ্গী ছিলাম- অপু ভাই, সালাম ভাই, মুকতাদির ভাইএর- 
বেশ মজা করতে করতে অনেক "খোঁজ দ্যা সার্চ" এবং মুলামুলি করার পর আমরা সব কিছু কিনতে সফল হই। সেই রাতেই কম্বল গুলো পাঠিয়ে দেয়া হয় রাজশাহী...
প্রথমবার নতুন একটা  জায়গায় যাবো ভেতরে বেশ উত্তেজনা কাজ করছিলো, অপু ভাই আমাদের সবার জন্য ট্রেনের টিকেটের ব্যবস্থা করেন...
 যাই হোক অপেক্ষার পালা শেষ হয়- ৪ ডিসেম্বর রাত ১১ টায় আমরা সবাই রাজশাহী গামী ধূমকেতু ট্রেনে উঠে পরি ।
ট্রেনে উঠার পর থেকে শুরু হয় ভিন্ন ভাবে খুনসুটি আর মজা । 
ভোঁর ৫.৪৫ এর দিকে আমরা রাজশাহী রেলওয়ে ষ্টেশনে পোঁছাই এবং হোটেল "ডালাসে" উঠি, রুমে কিছু ক্ষণ রেস্ট নেবার পর নাস্তা সেরে নেই " বিন্দুর " হোটেলে...
এর পর আমরা যাত্রা শুরু করি, গন্তব্য জগপুর ( গোদাগাড়ী ) আমরা নতুন ৪  জন সঙ্গী পাই এখানে, যারা আমাদের যাত্রাপথ মসৃণ করে রেখেছিলেন- রিঙ্কু, সাদিয়া আপু এবং উনার দুই ছোট ভাই ।
আমরা গ্রামে পৌছাই দুপুর ১২ টার দিকে... যা দেখতে পাই, বহু বয়স্ক মানুষ অপেক্ষা করছিলেন আমাদের আগমনের, বিতরণের প্রথম পর্ব থামাতে হয়, নামাজের বিরতির কারনে। 
জম্পেশ দুপুরের খাবারের পর আমরা এবং স্থানীয় ভলেন্টিয়াররা ঝাঁপিয়ে পরি বিতরন কার্যক্রমে, বয়স্কদের জন্য কম্বল আর মাফলার, 
বাচ্চাদের জন্য কানটুপি । বিতরন শেষে আমরা রওনা দেই আধাকাচা আর আধাপাকা রাস্তা ধরে চারপাশের সরিষার ক্ষেত আর সবুজ তার সাথে সালাম ভাইয়ের গান এবং শীতের কাঁপুনি । 
সাদিয়া আপু এবং স্থানীয়দের দক্ষতায় আমরা রাজশাহীর বিতরণ কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করতে পারি ।

এই পুরো কার্যক্রমে আমাদের সাথে অদৃশ্য ভাবে ছিলেন মারগুব ভাই, কখনো ফোনে কখনো অন্যকোন ভাবে সবার মনবল বাড়িয়ে দিয়েছেন উনি ! 
আলদা করে বলতে চাই রিঙ্কুর কথাও,  ও চুপচাপ কাজ করে গেছে সবার পাশে ! 
কেমন ছিলো- জগপুর ( গোদাগাড়ী )? আমি যখন ভাবতে বসি, অধিকাংশ ঘড় মাটির,  চাষাবাস ছাড়া মনে হয় না আর কোন ইনকাম সোর্স আছে গ্রামে বসবাস কারীদের ! মাটির ওই ঘড়ের শীতের তীব্রতা আমার নিজের কল্পনার
বাইরে, কম্বল আর গরম কাপড় পাবার পর কিছু বৃদ্ধ মানুষের চোখের ভাষা আর মুখের অভিব্যক্তি ছুঁয়ে গেছে আমাদের মন !
হুম ! আপনি সেই মানুষ... জী আপনার জন্যেই আমরা পেরেছি, এই মানুষ গুলোর জন্য রাতের উষ্ণতা তাদের হাতে তুলে দিতে, আমরা সবাই মিলে ছুঁয়ে দিতে চাই আরও এমন মানুষদের যারা একটু উষ্ণতার জন্য রাতের ঘুম,  
দিনের স্বাভাবিক কাজ করতে পারেন না। আশা করি আজ রাত থেকে সেই মানুষগুলোর তৃপ্তির নিঃশ্বাস আপনাকে স্পর্শ করবে, যদি আপনি একটু ভাবেন !
*শীতার্তদের-জন্য* *সাহায্য* *মানবিক-আহবান* *শীতার্ত* *এগিয়েআসুন* *শীতবস্ত্র*
৫/৫

ফাহীমা: "কান পেতে রই" হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম আবেগ সংক্রান্ত বা মানসিক সমস্যা সম্পর্কিত হেল্প লাইন..এখানে প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবকরাই আপনাদের যেকোনো সমস্যার কথা শুনবে এবং সে অনুযায়ী সাহায্য করবে. প্রতি রবিবার থেকে বুধবার:বিকেল ৩ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত এবং প্রতি বৃহস্পতি বিকেল ৩ টা থেকে রাত ৩ টা পর্যন্ত হেল্পলাইন খোলা থাকে.আরো জানতে পারেন নিচের লিঙ্কে

*মানসিকসমস্যা* *সাহায্য*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★