সিঙ্গাপুর

সিঙ্গাপুর নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল কেন এতো বিখ্যাত?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*সিঙ্গাপুর* *মাউন্টএলিজাবেথহাসপাতাল*

শফিক ইসলাম: http://sfortunehunter.blogspot.sg/2016/11/blog-post_11.html?m=১

*সিঙ্গাপুর*

শফিক ইসলাম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সিঙ্গাপুরে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে. চারপাশ খোলামেলা, পুলিশও হাতে গোনা, ভোট কেন্দ্রের আসেপাশে নির্বাচনী পোস্টার ব্যানার নাই, কেউ কোন দলের ব্যাজ ও ধারণ করছে না. (আইনত নিষিদ্ধ). ছবিগুলো দেখি আর অবাক হয়ে ভাবতে হয় - আজব এক নিয়মতান্ত্রিকতার কথা. বাংলাদেশী সিঙ্গাপুরিয়ানরাও চোখবুজে এ নিয়ম নেমে যাচ্ছে কিন্তু বাংলাদেশে থাকলে হয়ত উল্টোটা ঘঠত. তার মানে হচ্ছে নিয়ম আর তার প্রয়োগটাই আসল. মানুষগুলো মুখ্য নয়.

*সিঙ্গাপুর* *নির্বাচন* *ভোট*
ছবি

শফিক ইসলাম: ফটো পোস্ট করেছে

পার্টির নেশায় পেয়ে বসেছে. এতে নব সংযোজন ডুরিয়ান পার্টি. আজ সন্ধার ডুরিয়ান পার্টির কিছু মুহূর্ত ........

সিঙ্গাপুরে ঈদ উদযাপন

*ঈদ* *সিঙ্গাপুর* *ডুরিয়ান*

Khoke: *সিঙ্গাপুর*

ছবি

শফিক ইসলাম: ফটো পোস্ট করেছে

LKY

*সিঙ্গাপুর*

শফিক ইসলাম: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 


 
সিঙ্গাপুরের জনগোষ্ঠির ৭০% ই চাইনিজ আর তাই চাইনিজ নববর্ষ উদযাপিত হয় ঘটা করে। এ সময়ই একসাথে সবচেয়ে বেশি সরকারী ছুটি (২দিন)। রাতভর জাগ্রত এ দেশে একটা সময় ছিল যখন নববর্ষের সময়টাতে অনেক দোকানপাটই বন্ধ থাকত। মনে হত ভিন্ন এক সিঙ্গাপুর। কালের বিবির্তনে হয়ত তার কিছুটা ব্যতয় ঘটেছে কিন্তু উৎসবের আমেজ বেড়েছে বৈ কমে নি। এবছরের প্রতীক হল ছাগল। আর তাই সাজসজ্জায় ছাগুর প্রাধান্য থাকাটাই স্বাভাবিক । প্রতিটি জাতিগত উৎসবের মত চাইনিজ নববর্ষেও সিঙ্গাপুরকে সাজানো হচ্ছে মনোরম আভায়। তারই কিছু আলোকচ্ছটা এ পোষ্টে। 
 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 
*সিঙ্গাপুর*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভ্রমন পিপাসুরা নতুনের সন্ধানে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দাপড়ে বেড়ায়। ছুটে বেড়ানো এই সব পর্যটকদের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও দর্শনীয় স্থানের তালিকায় উঠে এসেছে বেশ কিছু শহরের নাম। তাদের মতে বিশ্বের যে ৫টি শহরের সবচেয়ে বেশি পর্যটক ভিড় করে সেগুলো হলো....



১। প্যারিসঃ
ফ্রান্সের রাজধানী। শহরটি উত্তর ফ্রান্সে ইল-দ্য-ফ্রঁস অঞ্চলের প্রাণকেন্দ্রে সেন নদীর তীরে অবস্থিত। প্রশাসনিক সীমানার ভেতরে প্যারিসের প্রাক্কলিত জনসংখ্যা ২,২১৫,১৯৭। দুই হাজার বছরেরও বেশি ঐতিহ্যের অধিকারী এই নগরী বিশ্বের অন্যতম বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। রাজনীতি, শিক্ষা, বিনোদন, গণমাধ্যম, ফ্যাশন, বিজ্ঞান ও শিল্পকলা — সব দিক থেকে প্যারিসের গুরুত্ব ও প্রভাব এটিকে অন্যতম বিশ্ব নগরীর মর্যাদা দিয়েছে। ইল্‌-দ্য-ফ্রঁস্‌ তথা প্যারিস অঞ্চল ফ্রান্সের অর্থনীতির কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র। শহরটিতে অনেক উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানসমূহের মধ্যে রয়েছে – আইফেল টাওয়ার, নোত্র্‌ দাম গির্জা, শঁজেলিজে সড়ক, আর্ক দ্য ত্রিয়োম্‌ফ, বাজিলিক দ্যু সক্রে ক্যর, লেজাভালিদ্‌, পন্তেওঁ, গ্রঁদ আর্শ, পালে গার্নিয়ে, ল্যুভ্র্‌, ম্যুজে দর্সে, ম্যুজে নাসিওনাল দার মোদের্ন ইত্যাদি। বিশ্বের সবচেয়ে বেশীসংখ্যক পর্যটকের গন্তব্যস্থল প্যারিস। প্রতি বছর প্রায় ১৪.৮ মিলিয়ন পর্যটক প্যারিস ভ্রমন করে।

২। লন্ডনঃ
যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম শহর। এটি ইংল্যান্ডের টেম্‌স্‌ নদীর তীরে অবস্থিত। প্রায় ৭০ লক্ষ লকের বসতি এই লন্ডন সপ্তদশ শতক থেকেই ইউরোপে তার প্রথম স্থান বজায় রেখে আসছে। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এটিই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর। কারণ তখন বিশ্বের উল্লেখযোগ্য সকল স্থানই ছিল ব্রিটিশ রাজত্বের অধীন আর লন্ডন ছিল সেই রাজত্বের রাজকীয় ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। বর্তমান যুগেও লন্ডন পৃথিবীর অন্যতম প্রধান অর্থ-বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে Trafalgar স্কয়ার, লন্ডন ব্রিজ, Covent গার্ডেন, লন্ডন আই, লন্ডন চিড়িয়াখানা, প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর, গ্লোব থিয়েটার, চার্লস ডিকেন্স যাদুঘর এবং মাদাম তুসো. বিগ বেন। প্রতি বছর প্রায় ১৪ মিলিয়ন পর্যটক লন্ডনে আসে এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে।

৩। ব্যাংককঃ
ব্যাংকক মহানগর থাইল্যান্ডের রাজধানী ও প্রধান শহর। ১৯৯০ খ্রীস্টাব্দের আদমশুমারী অনুসারে এর জনসংখ্যা ৮৫,৩৮,৬১০। শহরটি চাও ফ্রায়া নদীর পূর্ব তীরে থাইল্যান্ড উপসাগরের সন্নিকটে অবস্থিত। ব্যাংকক মধ্যে পর্যটক আকর্ষণের গ্র্যান্ড প্রাসাদ, Wat Pho এবং Wat অরুণ অন্তর্ভুক্ত। এখানকার খাবারের খ্যাতি দুনিরজোড়া। নাচ, গান ও নানা ঐতিহ্যে ভরা এই শহরে প্রতি বছর প্রায় ১০.২ মিলিয়ন পর্যটক ভ্রমন করে।

৪। সিঙ্গাপুরঃ
সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া মহাদেশের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। দেশটি মালয় উপদ্বীপের নিকটে অবস্থিত। এর সরকারী নাম প্রজাতন্ত্রী সিঙ্গাপুর। সিঙ্গাপুর পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম অর্থনৈতিক ও পর্যটন কেন্দ্র।নানা দর্শনীয় স্থানে ভরপুর সিঙ্গাপুরে প্রতি বছর প্রায় ৯.৭ মিলিয়ন পর্যটক ভ্রমন করে।







৫। কুয়ালালামপুরঃ
মালয়েশিয়ার রাজধানী ও প্রধান শহর। অনেক পর্যটকের প্রিয় একটি শহর এটি। পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার পর্যটক আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু যা ১৯৯৮-২০০৪ সাল পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা ভবন বলে বিবেচিত হতো।কুয়ালালামপুর হল মালয়েশিয়ার সাংস্কৃতিক, আর্থিক ও অর্থনৈতিক সুতিকাগার। প্রায় ৮.৯ মিলিয়ন পর্যটকের পদচারনায় মুখরিত হয় কুয়ালালামপুর প্রতি বছর। 
(সংকলিত)
*ভ্রমন* *ভ্রমনটিপস* *বিদেশভ্রমন* *ট্রাভেল* *সিঙ্গাপুর* *লন্ডন* *প্যারিস*

শফিক ইসলাম: একটি বেশব্লগ লিখেছে



সিঙ্গাপুর মসজিদের শহর না। এ দেশে ধর্মীয় লোক সংখ্যার অনুপাতে মুসলিম খুব বেশি নয়, মাত্র ১৫ %। যদিও এদেশে ধর্ম নিয়ে কারোও ততটা মাথা ব্যাথা নেই বা বলা চলে ধর্মীয় গোড়ামিমুক্ত । সিঙ্গাপুরিয়ানদের প্রায় সব মালায় এবং ২৫% ইন্ডিয়ান মুসলিম ধর্মানুসারী। তার পরও মসজিদের সংখ্যা নেহায়েতই কম না। ৭১৬ বর্গ কিলোমিটারের এ দেশে ছোট বড় মিলিয়ে ৭১ টি ( ইসলামিক রিলিজিয়াস কাউন্সিলের হিসাব মতে)। সীমিতি সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারকারী দেশ সিঙ্গাপুরে মসজিদ গুলোও ঠিক তেমনি শুধু মাত্র মসজিদ হিসেবেই ব্যবহৃত হয় না বরং মাদ্রাসা এবং ধর্মীয় কর্মকান্ডের প্রানকেন্দ্র হিসেবে ও পরিচালিত হয়। 
মজসিদ গুলো মসজিদ ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের অধীনে মসজিদ ম্যানেজমেন্ট এবং মসজিদ ফাইন্যান্সিয়াল আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। সিঙ্গাপুরের ইসলামিক রিলিজিয়াস কাউন্সিলের শাখা মসজিদভিত্তিক সকল কার্যক্রম মনিটর করে।
 মসজিদে ইমাম সাহেবের খুদবা থেকে শুরু করে মসজিদ কমিটির বক্তব্য সবই বোর্ডের পুর্বানুমতি সাপেক্ষে এবং অনুমোদিত অংশই প্রচার করা হয়। ধর্মীয় সহিষ্ণুতা বজায় রাখার জন্য এ নিয়মের ব্যতিক্রমের কোনই অবকাশ নাই। 

মসজিদ বা তার জায়গা সিঙ্গাপুর সরকার থেকে লিজ নিয়ে পরিচালিত হয়। 
বেশ কয়েকটি মসজিদের ডিজাইন খুবই মনোমুগ্ধকর। আসুন পরিচিত হই সিঙ্গাপুরের কিছু মসজিদের সাথে।

আবদুল গাফুর মসজিদ 
 


আল আনসার মসজিদ


আল ইমাম মসজিদ


আল মুখমিনিন মসজিদ 


আন-নাহদাহ মসজিদ


আসসায়াফ মসজিদ


আসায়াকিরিন মসজিদ


দারুল গোফরান মসজিদ


কাসিম মসজিদ


মজসিদ আঙ্গুলিয়া , বাংলাদেশীদের অঘোষিত মিলন কেন্দ্র মুস্তফা শপিং সেন্টারের আশে পাশে বলে বাঙ্গালিদের কাছে সবচেয়ে পরিচিত মসজিদ এটি। 


মসজিদ আবদুল আমিন


মালাবার মসজিদ


মসজিদ হাজ্জা ফাতিমা


মসজিদ ওয়াক তানজং


সুলতান মসজিদ, সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন মসজিদ।



মসজিদ আলমুত্তাকিন 


মসজিদ ওমার কাম্পুং মালাকা। সবচেয়ে পুরাতন মসজিদ এটি যা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮২০ সালে। 
*সিঙ্গাপুর* *মসজিদ*

শফিক ইসলাম: একটি বেশব্লগ লিখেছে





প্রবাসে পাড়ি জমাব কখনো স্বপ্নেও ভাবি নি। জীবিকার তাগিদে গৃহ পরিজন ছেড়ে অগ্যতা পরবাসের খাতায় নাম লিখাতে হল। প্রথমদিকে ব্যাপেরটা বনবাসের মতই লাগত। একজন প্রবাসী প্রতিদিনই নিত্তনতুন ঘটনার সম্মুখীন হয় , অভিজ্ঞতার ভান্ডারও বৃদ্ধিপেতে থাকে সেই সাথে। এভাবেই কেটে গেছে বেশ কয়েকটি বছর। 
প্রবাস জীবন শিখিয়েছ কিভাবে কিভাবে আশেপাশে ঘঠে যাওয়া অনেক কিছুকেই এড়িয়ে জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যেতে হয়।
নিরাশার অতল গহ্বরে হারিয়ে যাওয়া ছেলেটা যাতে যাত চেপে, চোখের নোনাজলকে উপেক্ষা করে বলতে শিখিয়েছে “আমি ভাল আছি মা, তোমরা ভাল আছ তো?”
ভাল রান্নার খাবারও পছন্দ না করা সেই ছেলেই তামিল ইডলি, বডে এমনকি অনেক অখাদ্যকে অমৃতসুধা মনে করে খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে।


ঘর থেকে বেরুলেই যার রিক্সা লাগে, তাকে এখন স্বচক্র যানে বা দ্বিচক্র যানে পাড়ি দিতে হয় অনেক পথ।
মায়ের আচল তলে বেড়ে ওঠা ভীতু সন্তান হাজার মাইল দূরে নির্ভিক দিবানিশি কাটায় শুধুমাত্র প্রবাসী বলেই। 
নরম বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়া তখন স্বপ্নের সম্ভব হয়। কারন নরম বিছানের জায়গা কাঠের তক্তা দখল করে নিয়েছে। 

সকালে ঘুম থেকে উঠাতে যাকে বাড়ি শুদ্ধু লোককে ডাকা ডাকি করতে হত , প্রবাসী হবার কারনেই তাকে সূয্যিমামার আগেই জেগে উঠতে হয়।
জ্বর ঠান্ডাকে পিছনে ফেলে রোদ বৃষ্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যায় স্বউদ্দমে
একসময় বন্ধুদের নিয়ে অস্থির জীবন যাপনে অভ্যস্থ ছেলেকে অন্য এক অস্থিরতায় পেয়ে বসে, আর তা হল বিদেশে আসার ধার দেনা ফেরত দেওয়ার অস্থিরতা। প্রতিটি টাকা খরচ করতে তাকে দু’বার ভাবতে হয়।
দেশে যে ছেলে কোন কাজই করে নি, প্রবাসে তাকেই একটি রবিবার কাজে বন্ধ দিলে হতাশায় পেয়ে বসে এই ভেবে যে –এ মাসে টাকা কম আয় হবে। অথচ তাকে বেমালুমই ভুলে যেতে হয় যে সপ্তাহের ৬ টি দিন সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত কাজ করেছে।
ছাত্ররাজনীতির মাঠে বীরদর্পে প্রদক্ষীণ করা ছেলেগুলোই রাজনীতির ভেদাভেদ ভূলে, প্রতিহিংসাকে পিছনে ফেলে “বাংলাদেশী” পরিচয়ে এগিয়ে চলে। বিপদে ভাই বন্ধুর মত পাশে দাঁড়ায়।
সারা দিন কাজের শেষে রাত জেগে পড়াশোনায়ও ক্লান্ত হয় না, ভোর না হয়েই বেড়িয়ে পরে কর্ম স্থলে। প্রবাসীর এ উদ্দম দেখে ঘড়ির কাটা নিজেই যেন ক্লান্ত হয়ে পরে। 
শত কষ্ট, ব্যস্ততার মাঝেও প্রবাসীদের খুশিহতে খুব বেশী কিছু লাগে না। দেশে সবাই ভাল আছে , তার হাসি মাখা কন্ঠস্বরই ভরিয়ে দেয় প্রবাসীদের প্রান।


প্রবাসে চরিত্র গুলো ভিন্ন হতে পারে কিন্তু তাদের জীবন যুদ্ধ, গল্পকথা মোটামুটি একই রকম। প্রতিটি জীবনই প্রবাসে এসে বদলে যায়, সজ্জিত হয় সম্পুর্ন এক নতুন ধাচে।
প্রবাস জীবন শিখায় জীবনকে উপলব্ধি করতে, শত বাধা উপক্ষা করে এগিয়ে চলতে। আর “আদু ভাই” এর মত আমি / আমরা শিখে যাচ্ছি বছরের পর বছর। এ শিক্ষা জীবনের শেষ কোথায় কে জানে।
*প্রবাস* *সিঙ্গাপুর* *স্ম্রৃতিকথা*

শফিক ইসলাম: একটি বেশব্লগ লিখেছে





 
অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশী মেরিন প্রকৌশলিদের সবচেয়ে বড় কমিউনিটি ডিএমইএবিএস (DMEABS) এর বার্ষিক পুনর্মিলনী ২০১৫। 
 

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত প্রায় ৪০০ প্রবাসি যোগ দেয় এ মিলন মেলায়। চারদিকে সাজ সাজ রব , অন্ন এক উতসবের আমেজ যা বঙ্গদেশীয় ঈদের আমেজের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। প্রকাশ করা হয় *বন্ধন* নামে একটি ম্যাগাজিন ও। 
 

সিঙ্গাপুরের ব্যস্ত জীবনে যেখানে কয়েকজন পরিচিতকে একসাথে পাওয়া দুরুহ সেখানে প্রতি বছরের এ দিনটা সত্যি ই এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে মেরিন টেকনোলজির কমিউনিটির প্রতিটি সদ্যেশের মাঝে। এ দুরুহ কাজটি করে যাচ্ছে কার্যকরী কমিটি, সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশী হাইকমিশনার সহ কমিটির সদস্যবৃন্দ ফটোবন্দি।  

এতে বাড়তি আনন্দ যোগ করে বাংলা গান, কৌতুক, হাসি তামাশা বা প্রতিযোগিতা। স্মৃতিচারন, আড্ডায় মুখরিত সন্ধ্যা যেন সবাইকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে JCube (অনুষ্ঠান স্থল) থেকে নারায়াঙ্গঞ্জের মেরিন ইন্সটিটিউট এ। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের উচ্ছাস বড় দের থেকে কোন অংশে কম ছিল না। তাদের প্রান যেন বলে উঠছে - আমরা করব জয় একদিন।  

প্রতি বছর বাংলাদেশী নতুন নতুন মেরিন প্রকৌশলি সিঙ্গাপুরে কর্ম জীবন শুরু করে, নবাগত এ প্রকৌশলিদের কাছে এ অনুষ্ঠান ভিন্ন বার্তা বয়ে নিয়ে আসে। নবীন প্রবীনের সম্মিলনে শুধু আনন্দ ই না কর্ম জীবনের দিকনির্দেষনা ও যে খুজে ফিরে না তা কিন্তু নয়। 

 
বাংলা গানের সুরের মুর্ছনার রেশ কাটতে না কাটতেই পরিবেশিত হয় দেশীয় খাবার।  

সন্ধায় যত এগিয়ে চলে অনুষ্ঠান যেন ততই জমতে থাকে। চলতে থাকে শত শত ক্যেমেরা , গ্রুপ ফটো, সেলফি আরো কত কি। 
 
 
 

 
এর পর লাকি ড্র। লাকি ড্রকে ভিন্ন মাত্রা দিতে বদল হয় উপাস্থকও। পুরষ্কার পাক বা না পাক সবাই যেন আনন্দ পায় সেটাই থাকে যার উদ্দেশেয়। 

আনন্দমুখর একটি সন্ধ্যা এক্সময় সাংগ হয় , মন না চাইলেও সবাইকে আবার সেই এক ঘেয়ে ব্যস্ত জীবনের দিকে পা বাড়াতে হয় । সাথে নিয়ে যায় কিছু মূহূর্ত যা সারা বছর এমন কি বাকি জীবনের জন্য হয়ে থাকবে স্মৃতি । পিছনে পড়ে থাকে JCube এর অডিটরিয়াম ।  

এমন আর একটি সন্ধ্যা পেতে দিন গননা শুরু হয়ে যান এখান থেকেই। প্রবাসে আরোও একটি বছর পার করার অনুপ্রেরনার জন্য কিছুটা শুখ স্মৃতি, একে অপরের খোজ খবর, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন টা কিছুটা দৃঢ় হবে এটাই হয়তো কামনা আয়োজকদের। 
আরো লিংক এ

প্রকৌশলীদের মিলনমেলায় আরোও একবারঃ সিঙ্গাপুর কথন



 
অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সিঙ্গাপুরস্থ বাংলাদেশী মেরিন প্রকৌশলিদের সবচেয়ে বড় কমিউনিটি ডিএমইএবিএস (DMEABS) এর বার্ষিক পুনর্মিলনী ২০১৫। 
 

সিঙ্গাপুরে বসবাসরত প্রায় ৪০০ প্রবাসি যোগ দেয় এ মিলন মেলায়। চারদিকে সাজ সাজ রব , অন্ন এক উতসবের আমেজ যা বঙ্গদেশীয় ঈদের আমেজের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। প্রকাশ করা হয় *বন্ধন* নামে একটি ম্যাগাজিন ও। 
 

সিঙ্গাপুরের ব্যস্ত জীবনে যেখানে কয়েকজন পরিচিতকে একসাথে পাওয়া দুরুহ সেখানে প্রতি বছরের এ দিনটা সত্যি ই এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে মেরিন টেকনোলজির কমিউনিটির প্রতিটি সদ্যেশের মাঝে। এ দুরুহ কাজটি করে যাচ্ছে কার্যকরী কমিটি, সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশী হাইকমিশনার সহ কমিটির সদস্যবৃন্দ ফটোবন্দি।  

এতে বাড়তি আনন্দ যোগ করে বাংলা গান, কৌতুক, হাসি তামাশা বা প্রতিযোগিতা। স্মৃতিচারন, আড্ডায় মুখরিত সন্ধ্যা যেন সবাইকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে JCube (অনুষ্ঠান স্থল) থেকে নারায়াঙ্গঞ্জের মেরিন ইন্সটিটিউট এ। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের উচ্ছাস বড় দের থেকে কোন অংশে কম ছিল না। তাদের প্রান যেন বলে উঠছে - আমরা করব জয় একদিন।  

প্রতি বছর বাংলাদেশী নতুন নতুন মেরিন প্রকৌশলি সিঙ্গাপুরে কর্ম জীবন শুরু করে, নবাগত এ প্রকৌশলিদের কাছে এ অনুষ্ঠান ভিন্ন বার্তা বয়ে নিয়ে আসে। নবীন প্রবীনের সম্মিলনে শুধু আনন্দ ই না কর্ম জীবনের দিকনির্দেষনা ও যে খুজে ফিরে না তা কিন্তু নয়। 

 
বাংলা গানের সুরের মুর্ছনার রেশ কাটতে না কাটতেই পরিবেশিত হয় দেশীয় খাবার।  

সন্ধায় যত এগিয়ে চলে অনুষ্ঠান যেন ততই জমতে থাকে। চলতে থাকে শত শত ক্যেমেরা , গ্রুপ ফটো, সেলফি আরো কত কি। 
 
 
 

 
এর পর লাকি ড্র। লাকি ড্রকে ভিন্ন মাত্রা দিতে বদল হয় উপাস্থকও। পুরষ্কার পাক বা না পাক সবাই যেন আনন্দ পায় সেটাই থাকে যার উদ্দেশেয়। 

আনন্দমুখর একটি সন্ধ্যা এক্সময় সাংগ হয় , মন না চাইলেও সবাইকে আবার সেই এক ঘেয়ে ব্যস্ত জীবনের দিকে পা বাড়াতে হয় । সাথে নিয়ে যায় কিছু মূহূর্ত যা সারা বছর এমন কি বাকি জীবনের জন্য হয়ে থাকবে স্মৃতি । পিছনে পড়ে থাকে JCube এর অডিটরিয়াম ।  

এমন আর একটি সন্ধ্যা পেতে দিন গননা শুরু হয়ে যান এখান থেকেই। প্রবাসে আরোও একটি বছর পার করার অনুপ্রেরনার জন্য কিছুটা শুখ স্মৃতি, একে অপরের খোজ খবর, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন টা কিছুটা দৃঢ় হবে এটাই হয়তো কামনা আয়োজকদের। 
আরো লিংক এ 
http://sfortunehunter.blogspot.sg/2015/01/blog-post.html

*সিঙ্গাপুর* *বন্ধন* *বন্ধন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★