সুগন্ধি

সুগন্ধি নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনবাইরে অসহ্য গরম। গরমে চেহারা ও শরীরের বারটা বেজে যাচ্ছে। উষ্কোখুষ্কো চেহারা, শরীর থেকে ঘামের গন্ধ আসছে। এর থেকে রেহাই পেতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি থাকা প্রয়োজন। এই গরমে বাজারে পুরুষের জন্য নানা ধরনের প্রসাধন পাওয়া যায়। এই যেমন শেভিং জেল, শেভিং ক্রিম বা ফোম, ডিওডোরেন্ট ও সুগন্ধি। এসব প্রসাধনের ব্যবহার একদিকে আপনাকে সতেজ রাখবে, অন্যদিকে ব্যক্তিত্বও বাড়িয়ে তুলবে। তবে কেনার আগে ভালো মানের প্রসাধন বেছে নিতে হবে। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, এসব প্রসাধন আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত কি না।

নির্ঝঞ্ঝাট শেভিংয়ের জন্য জেল

কিনতে ক্লিক করুন

তরুণদের এখন শেভিংয়ের জন্য শেভিং জেলই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শেভিং জেল পাওয়া যায়। যারা প্রতিদিন সকালবেলা উঠে অফিস কিংবা ক্লাস করতে যান তাদের জন্য শেভিং জেল অত্যান্ত দরকারী। নিয়মিত শেভের জন্য ফোম, ক্রিমের তুলনায় জেল বেশ কার্যকর। দাড়ি কাটার সময় জেল ব্যবহারের জন্য দাড়ির গোড়া দ্রুত নরম হয়ে যায়। যার কারণে খুব সহজেই দ্রুত শেভ করা যায়।

শেভিং ক্রিম ও ফোম

কিনতে ক্লিক করুন

যুবক থেকে শুরু করে বয়ষ্ক—বেশির ভাগের শেভের জন্য পছন্দ শেভিং ফোম। একটু ফোমেই বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে শেভ করা যায় বলেই শেভিং ফোম বেছে নেন কেউ কেউ। তবে ফোম, জেল বা ক্রিম—যা-ই হোক না, গোসলের সময় শেভিং করা ভালো।

আফটার শেভের ব্যবহার

কিনতে ক্লিক করুন

শেভের আগে হালকা গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিলে দাড়ি নরম হয়ে যায়। পুরো দাড়িতে ব্রাশ বা আঙুল দিয়ে শেভিং জেল, ফোম ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে। দাড়ি কাটার সময় রেজারের ব্লেড নিচের দিকে টানবেন, কখনোই ওপরের দিকে টানবেন না। ওপরের দিকে টানলে দাড়ির গোড়া উপড়ে আসার সম্ভাবনা থাকে। এ ছাড়া দাড়ির গোড়ায় গোটা বা ত্বক কেটে যেতে পারে। বারবার এভাবে শেভ করলে ত্বক খসখসে হয়ে যায়।

গরমে ঘাম প্রতিরোধে

কিনতে ক্লিক করুন

গরমে কারও কারও অতিরিক্ত ঘাম হয়। আর তা থেকে শরীরে দুর্গন্ধ তৈরি হয়। এ জন্য ব্যবহার করতে পারেন ডিওডোরেন্ট। গোসলের পরপরই ব্যবহার না করে কিছু সময় পর শুকনা শরীরে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করুন। গরমে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করলে ঘামের কারণে সৃষ্ট ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিরোধ করা যায়।

সতেজ থাকতে সুগন্ধি

কিনতে ক্লিক করুন

সুগন্ধির কথা বললেই শুধু মেয়েদের কথা ভেবে নেন অনেকেই, এই ধারণা ভুল। বাজারে নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা সুগন্ধি পাওয়া যায়। কেনার সময় বিষয়টি মাথায় রাখলেই হবে। পারফিউম বা কোলন—যেকোনোটি পুরুষরা বেছে নিতে পারেন। সাধারণত পারফিউমের গন্ধটা একটু কড়া হয়ে থাকে। তুলনামূলকভাবে মৃদু গন্ধের হয়ে থাকে কোলন। ফলে অনুষ্ঠান ছাড়া পুরুষরা সব সময়ের জন্য কোলনই বেছে নিতে পারেন।

উপরের আইটেম গুলো রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব ধরনের কসমেটিক্স শপে পেয়ে যাবেন। তবে র্নিঝামেলায় ঘরে বসে অনলাইন শপ থেকেও কিনতে পারেন আপনার পছন্দের এসব পণ্য। অনলাইনে থেকে কিনতে ঘুরে আসুন এই লিংক থেকে। 

*লাইফস্টাইল* *সুগন্ধি* *আফটারসেভ* *স্মার্টশপিং*

শুভাশীষ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সুগন্ধি ব্যবহার প্রকৃত নিয়ম কানুন সমন্ধে জানতে চাই l

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*সুগন্ধি* *লাইফস্টাইলটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাজগোজ শেষে ফুরফুরে অনুভূতি ও নিজের আবেদন একটু ভিন্ন ভাবে তুলে ধরতে পারফিউম বা সুগন্ধির জুড়ি নেই। বর্তমানে সময়ে বিশেষ করে ফ্যাশন সচেতন মেয়েরা পারফিউম ব্যবহার ছাড়া একটি ধাপের জন্যও বাড়ির বাইরে যেতে চায় না। খালি মেয়েরা বর্তমানে ছেলেরাও ব্যপক হারে পারফিউম ব্যবহার করছে।

(কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করে পারফিউম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ও কিনতে পারবেন)

পারফিউম ব্যবহারকারী বলেন, সুগন্ধি বা পারফিউম না দিলে সাঁজ যেন অপূর্ণই থেকে যায়। তবে পারফিউম যে শুধু সাঁজগোজের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাই নয়,এর মিষ্টি গন্ধ নারী-পুরুষের ব্যক্তিত্ব ও রুচিবোধ ফুটিয়ে তোলে। তাই প্রত্যেকেই পারফিউম দিতে পছন্দ করে। এছাড়া পারফিউম এর ঘ্রাণ অন্যকে কাছে টানার যথেষ্ট ক্ষমতা রাখে যা শুধু ভালবাসা বাড়ায় না কাছে টানতেও সাহায্য করে।

বাজারে প্রাপ্ত পারফিউম সমূহঃ


ফ্লোরাল, ফ্রুটি, ওশনিক, পিয়েরি গার্ডেন, গুচি, সাফারি, ফারেনহাইট গ্রিনস,ওরিয়েন্টাল এবং উডিসহ নানা গন্ধের পারফিউম বাজারে পাওয়া যায়। রুচি ও পছন্দ অনুযায়ী এসব পারফিউম চাইলেই এক নিমিষে বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার ব্যক্ত্বিকে।

কখন কি ধরনের পারফিউম চাই?


পারফিউম বা সুগন্ধি নির্বাচন বা শরীরে দেওয়ার আগে কিছু জিনিষ অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। যেমন সব জায়গায় একই সুগন্ধি দেওয়া ঠিক না।পরিবেশ অনুযায়ী আলাদা আলাদা সুগন্ধি ব্যবহার করতে হয়।শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান,অফিস-আদালতে হালকা গন্ধের সুগন্ধি দেওয়া ভালো।বিয়ে বাড়িতে কড়া গন্ধযুক্ত পারফিউম ব্যবহার করা যায়।তবে এমন পারফিউম ব্যবহার করতে হবে যেনো আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিলে যায়।

গম্ভির টাইপের মানুষেরা কস্তুরির গন্ধযুক্ত পারফিউম ব্যবহার করতে পারেন।এতে আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিলে যাবে। অন্যরা লেমন, ফ্রুটি বা অন্যান্য হালকা গন্ধের পারফিউম ব্যবহার করতে পারেন।

পারফিউম কেনার ক্ষেত্রে হাতে দিয়ে দেখতে হয়। যদি পারফিউম গড়িয়ে পড়ে যায় তাহলে সেটি নকল।আর যদি শুকিয়ে দানাদানা হয়,সেটি আসল ।

গহনা পড়ার আগে পারফিউম লাগাতে হয়।এতে গহনা কালো হয় না।

পারফিউম স্প্রে করার সময় খেয়াল করতে হবে,সেটি যেনো কাপড়ে না লাগে।কাপড়ে লাগলে দাগ বসে যেতে পারে। তাই পারফিউম পার্লস পয়েন্টে স্প্রে করতে হয়।

ব্যবহার করার পর পারফিউম ঠাণ্ডা ও অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করলে ভালো থাকে।

দামদর ও কেনাকাটা


মার্কেট ও ব্রান্ডভেদে সুগন্ধির দাম পড়বে কোবরা ১৮০ টাকা, হ্যাভক ১৯০ টাকা, ডেনিম ২০০ টাকা, এক্স ২২০, হার্ডেন বিউটি ২০০০ টাকা, সিকে ব্ল্যাক ৪০০০ টাকা, হুগো বস ৪০০০ টাকা, এলিজাবেদ আরডেল ৭০০০ টাকা, চেনেল ১৫০০০ টাকা, আরমানি ১৭০০০ টাকা। 

নিউমার্কেট,গাউছিয়া,রাপা প্লাজা,গুলশান-১,বসুন্ধরা শপিং মলসহ সব মার্কেটে পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের সুগন্ধি। মার্কেটে নারী-পুরুষের জন্য আলাদা আলাদা পারফিউম রয়েছে। আর যারা ঘরে বসে ভাল মানের সুগন্ধি কিনতে চান তারা ভরসা রাখতে পারেন দেশের সেরা অনলাইন শপ আজকের ডিলের উপর। আজকের ডিল থেকে অনলাইনে বিভিন্ন নামকরা ব্র্যান্ডের পারফিউম কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*সুগন্ধি* *পারফিউম* *স্মার্টশপিং*

Risingbd.com: হরিণের নাভিতে সুগন্ধি সুগন্ধির প্রধান উৎস হচ্ছে প্রকৃতি। উদ্ভিদ ও এর লতা-পাতা, ফুল, ফল, মূল, কাণ্ড হতে যেমন সুগন্ধি সংশ্লেষিত হয় তেমনই অনেক প্রাণী থেকেও বিভিন্ন রকমের সুগন্ধি পাওয়া যায় । সুগন্ধী দ্রব্যের মধ্যে কস্তুরী বহুকাল থেকেই প্রসিদ্ধ। প্রাচীন ভারতীয় .... বিস্তারিত পড়ুন - http://bit.ly/1Vgv64x

*সুগন্ধি* *নাভিতেসুগন্ধি* *আড্ডা* *বেশম্ভব* *জানাঅজানা* *ভাগ্য*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সুগন্ধিতে সুমতি নেই এমন মানুষের সংখ্যা পৃথিবীতে খুবই নগণ্য। নামি দামি তারকা থেকে শুরু করে খোদ সাধারণ মানুষ পর্যন্ত পারফিউম ব্যবহার করে। সারাদিনের কর্মব্যস্ততা আর ছোটাছুটিতে নিজেকে সতেজ আর প্রাণবন্ত রাখতে সবারই পারফিউম চাই-ই চাই। ঋতু পরিবর্তনের পরিক্রমায় প্রকৃতিতে চলছে শীতকাল। ঋতু পরিবর্তনের ফলে আপনার সাজসজ্জা, পোশাক-আশাক সবকিছুরই পরিবর্তন ঘটেছে। ঠান্ডা ঠান্ডা আবহাওয়া থেকে রেহাই পেতে শীতের পোশাক তো পরতেই হবে। আর তাই সে পোশাকের ভিত্তি করেই পারফিউম ব্যবহার খুবই গুরুত্বপুর্ণ।   

শীতে কেমন পারফিউম ব্যবহার করবেন?
পারফিউম সাধারণত কোনোটা ফুলেল আবার কোনোটা কস্তূরীর গন্ধযুক্ত। আর এই শীতে বেশি পোশাক পরার জন্য সব পারফিউম তার সুবাস ছড়াতে পারে না। তাই আপনার শীতের পোশাক এবং দৈহিক গঠনের ওপর ভিত্তি করে পারফিউম পছন্দ করবেন। শুকনো ও আর্দ্রতাশূন্য ত্বকে পারফিউমের সুগন্ধি বেশিক্ষণ স্থায়ীও হয় না, এজন্য কড়া কোনো সুগন্ধি ব্যবহার করাটাই ভালো। যারা একটু গম্ভীর প্রকৃতির তারা কস্তূরী গন্ধযুক্ত পারফিউম ব্যবহার করে দেখতে পারেন, এটা আপনার মুডের সঙ্গে ভালোই মানিয়ে যাবে। আর রোমান্টিকদের জন্য রয়েছে ভালো ফলের গন্ধযুক্ত পারফিউম। সবগুলো পারফিউমই আপনি হাতের নাগালে পেযে যাবেন। তবে দামদরটা একটু যাচাই করে কিনবেন।  
এই শীতে ছেলেরা...
আমেরিকান ঈগল জাতীয় সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারেন; যেগুলো অরেঞ্জ, ক্যারামেল, লেমন অথবা ফ্রটসের গন্ধযুক্ত। 
সচেতন নারীরাও এ সময়ের জন্য বেছে নিচ্ছেন বিভিন্ন ব্রান্ডের পারফিউম। শীতে নারীরা..
পারফিউম ব্যবহার করে দেখতে পারেন। এগুলোই এ সময়ের জন্য উপযোগী। এছাড়াও হাজার হাজার কালেকশন গুলোর মধ্যে থেকে আপনার পছন্দের পারফিউমটি কিনতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন। 
পারফিউমের হাজার খানেক কালেকশন দেখতে ক্লিক করুন
*পারফিউম* *সুগন্ধি* *শপিং* *অনলাইনশপিং*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

এটি ব্রিটিশ পারফিউমার ক্লিভ ক্রিস্টিয়ানের স্পেশাল এডিশন যার মূল্য ২,২৮,০০০ ইউএস ডলার। সুগন্ধিটি বেশী মূল্যবান হওয়ার কারণ এর ক্রিস্টাল বোতলটিও বটে। কারণ ক্রিস্টাল বোতলটি সাজানো হয়েছে ২৪ ক্যারট সোনা এবং ২,০০০ পিস ক্ষুদ্র হীরা দিয়ে। এর ক্যাপ অর্থাৎ মুখীতে ব্যবহার করা হয়েছে হীরার অতি দুর্লভ দুটি গোলাপি পাথর এবং দুটি হলুদ পাথর।

ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়ার জন্য এটি একটি ট্রিবিউট। নির্মাতা ক্রিস্টিয়ান বলেন, “আমি অনুপ্রাণিত ছিলাম নিঃক্ষুদ এই সুগন্ধিটি তৈরি করার জন্য যা হবে একটি স্পেশাল রয়াল ক্রাউন এবং স্মরণীয় করে রাখবে যেকোনো অনুষ্ঠান।”

মাত্র ৩০ এমএল এর এই পারফিউমটির স্মেল ফ্রেঞ্চ দ্বীপ তিহাতিয়ান ভ্যানিলা এবং কিছু দুর্লভ ফুলের।(সংগ্রহীত)

*পারফিউম* *সুগন্ধি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সুগন্ধি বাংলা শব্দ যার ইংরেজী হচ্ছে পারফিউম। তবে ইতিহাস বলছে পারফিউম  শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ "per fumus" থেকে, যার অর্থ হল ‘ধোঁয়ার মাধ্যমে’। ধারণা করা হয় মিশরীয়রাই প্রথম সুগন্ধি তৈরি করে। বিভিন্ন উদ্ভিদের নির্যাস তেল এবং চর্বি মিশিয়ে এক ধরণের মলম তৈরি করতো তারা। আর সেই মলম তারা গায়ে মাখতো বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে। বিভিন্ন সুগন্ধি লতা ও গুল্ম পুড়িয়ে তৈরি করা হতো এধরনের পারফিউম। মেসোপটেমিয়ার তাপ্পুতি নামক এক কেমিস্ট-এর নাম পাওয়া যায় যিনি দুই হাজার খ্রিস্টপূর্বাব্দে পারফিউম তৈরি করেন।

ভারতবর্ষের সুগন্ধির ইতিহাসও খুব পুরনো। হিন্দু আয়োর্বেদিক গ্রন্থ চক্র সংহিতায় রয়েছে আতর-এর উল্লেখ। খ্রিস্টজন্মের সাতশত বছর পূর্বের ‘হর্ষচরিতা’ গ্রন্থে উল্লেখ আছে সুগন্ধযুক্তকাঠের তেলের।

প্রাচীন পারস্যেও সুগন্ধির ব্যবহার ছিলো। সুগন্ধি ছিলো আভিজাত্য ও মর্যাদার প্রতীক। আর গ্রীসে প্রথম সুগন্ধির ব্যবহার শুরু করেন আলেকজান্ডার। জানা যায় আলেকজান্ডার সম্রাট তৃতীয় দারিয়ুসকে পরাজিত করে শিখে নিয়ে যান সুগন্ধি তৈরির কৌশল। সেই গ্রিস থেকেই ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপে।

আরবে সুগন্ধির ব্যবহার ছিলো আগে থেকেই। তবে আরব্য চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী ইবনে সিনা সর্বপ্রথম গোলাপ ফুলের নির্যাস থেকে সুগন্ধি বের করেন। সেই থেকে আরবীয়রা সুগন্ধি শিল্পে বেশ সমৃদ্ধি লাভ করে। আরবদের পারফিউম ইউরোপ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিলো তার প্রমাণ পাওয়া যায় শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক লেডি ম্যাকবেথের কণ্ঠের ‘The Perfume of Arabia’।

প্রাকৃতিক উপায়ে পাতনের মাধ্যমে আগে সুগন্ধি তৈরি করা হতো। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে সূচিত হয় কৃত্রিম সুগন্ধির। রসায়নবিদ্যার প্রসারে উৎপন্ন হয় এ্যারোমেটিক যৌগ। আর তৈরি হতে থাকে নানা সুরভীযুক্ত রাসায়ানিক পদার্থ।

সবচেয়ে ভালো পারফিউম কোথায় পাওয়া যায়? প্রশ্ন করার সাথে সাথে নিশ্চত ভাবে উত্তর করবেন। ফ্রান্স। হ্যাঁ, ফরাসীরাই এখন পারফিউম শিল্পে শীর্ষে। দুশো বছর আগে ফ্রান্সের দক্ষিন প্রভিন্সে ছিল ট্যানারি শিল্প। চামড়া পচা গন্ধে সেখানে টেকা ছিলো কঠিন। সেই দুর্গন্ধ দূর করার জন্য চাষ করা হয় সুগন্ধি লতা গুল্ম। সেখান থেকেই শুরু হয় ফরাসীদের পারফিউম শিল্পের যাত্রা।

শুধু সুগন্ধিই না, আরো আরো উপকরণ লাগে পারফিউম তৈরি করতে। উদ্ভিদজাত উপাদান, প্রাণিজাত উপাদান ব্যবহার করা হয় পারফিউম তৈরি করতে। গোলাপ, লাইলাক, লিলি, ম্যগনোলিয়া প্রভৃতি ফুলের নির্যাস থেকে সুগন্ধি যেমন তৈরি করা যায়। তেমনি হরিণের নাভীর চর্বি ছাড়াও স্পার্ম তিমির অ্যাম্বার্গিস, বিভার ও সিভেটের ব্যবহারও রয়েছে পারফিউম তৈরিতে। চন্দন, সিডার, ইউক্যালিপটাস গাছ থেকে পাওয়া যায় সুগন্ধি তৈরির উপকরণ। ধনে, এলাচী, দারুচিনি, তেজপাতা এরাও পারফিউম তৈরির উপাদান। আরো উপাদানের মাঝে আছে নানা ফল ও বৃক্ষের ছাল।
(সংকলিত)
*পারফিউম* *সুগন্ধি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে পারফিউম। পারফিউম ব্যবহারে নারীরা এগিয়ে থাকলেও পুরষরা মোটেও পিঠিয়ে নেই। যে কোন অনুষ্ঠান, পার্টিতে কিংবা অফিসে নিজেকে পরিপাটি করে উপস্থাপন করতে পারফিউম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নিজেকে একটু ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করতে ও ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে পারফিউমের ব্যবহার একান্ত অপরিহার্য।

সকালে যখন বের হচ্ছেন তখন সবকিছুই ঠিকঠাক মনে হচ্ছে। দীর্ঘক্ষণ অফিস বা কর্মক্ষেত্রে থাকার পর ঘেমে তৈরি হতে পারে দুর্গন্ধ। যা অনেক সময় আপনার সহকর্মীদের কাছে বিরক্তির কারণ হয়ে উঠতে পারে। হেয় হতে পারেন কখনো কখনো। তাই সচেতন হোন এখনই।

প্রতিটি মানুষের দেহে একটি নিজস্ব ঘ্রাণ থাকে। যে সুগন্ধিটি ব্যবহার করছেন তার সঙ্গে মিশে তৈরি হচ্ছে আলাদা একটি ঘ্রাণ। তাই বেশ কিছু সুগন্ধির মধ্য থেকে বাছাই করুন কোনটি আপনার দেহে সবচেয়ে উপযোগী।

ভিন্ন পরিবেশে আসতে পারে সুগন্ধির ভিন্নতা। যেমন- অফিসের জন্য হালকা এবং মিষ্টি গন্ধই উপযোগী। তবে ভাল মানের হতে হবে অবশ্যই। কারণ সারাদিন আপনাকে সুগন্ধযুক্ত রাখার দায়িত্ব তো তারই। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা বা বিয়ে-জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ব্যবহার করতে পারেন অপেক্ষাকৃত গাঢ় ঘ্রাণ।

বাইরে কোথাও পিকনিকে গেলে বডি স্প্রে ব্যবহার করুন। পারলে সঙ্গে রাখুন। কারণ বার বার ঘেমে নষ্ট হতে পারে আপনার শরীরের মিষ্টি গন্ধটি।

মনে রাখা দরকার, পরিবেশ বুঝে সুগন্ধির ব্যবহার ব্যক্তিত্বের উপর প্রভাব ফেলে। কারণ এতেই বোঝা যাবে আপনার রুচিবোধ। পছন্দ মানানসই হলে প্রশংসা পেতে পারেন সহকর্মী বা বন্ধুর কাছ থেকে। যা আপনাকে দ্বিগুন আত্মবিশ্বাসী হতে সাহায্য করবে। প্রাধান্য পাবেন সবখানেই।

ভাল ব্র্যান্ডের পারফিউমের মধ্যে এন- ৫ চ্যানেল, ভারসে, বেনটেল, মিলিয়ন, পোলো, হিপনোজ, গুছি, ব্লু ক্যাভিয়ার, ইন্টারনিটি, হুগো বস, এডিডাস, মন্ট ব্লাঙ্ক, ল্যাকোস্টি, মিডনাইট, আরমানি, প্লেবয়, এ্যাকুয়া, ফগ, এক্স, এনভি, নেভিয়া, এঙ্গেজ, বডি মিস্ট, কোবরা উল্লেখযোগ্য। নকল এড়াতে যাচাই করে নেয়া জরুরী। বিশ্বস্ত কোন বিক্রয় প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বেছে নিন আপনার পছন্দের পারফিউমটি।
*পারফিউম* *সুগন্ধি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাজগোজ শেষে ফুরফুরে অনুভূতি ও নিজের আবেদন একটু ভিন্ন ভাবে তুলে ধরতে পারফিউম বা সুগন্ধির জুড়ি নেই। বর্তমানে সময়ে বিশেষ করে ফ্যাশন সচেতন মেয়েরা পারফিউম ব্যবহার ছাড়া একটি ধাপের জন্যও বাড়ির বাইরে যেতে চায় না। খালি মেয়েরা বর্তমানে  ছেলেরাও ব্যপক হারে পারফিউম ব্যবহার করছে।

পারফিউম ব্যবহারকারী বলেন,  সুগন্ধি বা পারফিউম না দিলে সাঁজ যেন অপূর্ণই থেকে যায়। তবে পারফিউম যে শুধু সাঁজগোজের অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাই নয়,এর মিষ্টি গন্ধ  নারী-পুরুষের ব্যক্তিত্ব ও রুচিবোধ ফুটিয়ে তোলে। তাই প্রত্যেকেই পারফিউম দিতে পছন্দ করে। এছাড়া পারফিউম এর ঘ্রাণ অন্যকে কাছে টানার যথেষ্ট ক্ষমতা রাখে যা শুধু ভালবাসা বাড়ায় না কাছে টানতেও সাহায্য করে।


বাজারে প্রাপ্ত পারফিউম সমূহঃ

ফ্লোরাল, ফ্রুটি, ওশনিক, পিয়েরি গার্ডেন, গুচি, সাফারি, ফারেনহাইট গ্রিনস,ওরিয়েন্টাল এবং উডিসহ নানা গন্ধের পারফিউম বাজারে পাওয়া যায়। রুচি ও পছন্দ অনুযায়ী এসব পারফিউম চাইলেই এক নিমিষে বাড়িয়ে দিতে পারে আপনার ব্যক্ত্বিকে।

কখন কি ধরনের পারফিউম চাই?
পারফিউম বা সুগন্ধি নির্বাচন বা শরীরে দেওয়ার আগে কিছু জিনিষ অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। যেমন সব জায়গায় একই সুগন্ধি দেওয়া ঠিক না।পরিবেশ অনুযায়ী আলাদা আলাদা সুগন্ধি ব্যবহার করতে হয়।শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান,অফিস-আদালতে হালকা গন্ধের সুগন্ধি দেওয়া ভালো।বিয়ে বাড়িতে কড়া গন্ধযুক্ত পারফিউম ব্যবহার করা যায়।তবে এমন পারফিউম ব্যবহার করতে হবে যেনো আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিলে যায়।

গম্ভির টাইপের মানুষেরা কস্তুরির গন্ধযুক্ত পারফিউম ব্যবহার করতে পারেন।এতে আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিলে যাবে। অন্যরা লেমন, ফ্রুটি বা অন্যান্য হালকা গন্ধের পারফিউম ব্যবহার করতে পারেন।

শীতের দিনে কড়া গন্ধযুক্ত পারফিউম ব্যবহার করতে হয়,কেননা অনেক কাপড়ের মধ্যে পারফিউমের গন্ধ বোঝা নাও যেতে পারে।

পারফিউম কেনার ক্ষেত্রে হাতে দিয়ে দেখতে হয়।যদি পারফিউম গড়িয়ে পড়ে যায় তাহলে সেটি নকল।আর যদি শুকিয়ে দানাদানা হয়,সেটি আসল ।

গহনা পড়ার আগে পারফিউম লাগাতে হয়।এতে গহনা কালো হয় না।

পারফিউম স্প্রে করার সময় খেয়াল করতে হবে,সেটি যেনো কাপড়ে না লাগে।কাপড়ে লাগলে দাগ বসে যেতে পারে। তাই পারফিউম পার্লস পয়েন্টে স্প্রে করতে হয়।


ব্যবহার করার পর পারফিউম ঠাণ্ডা ও অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করলে ভালো থাকে।


পারফিউম যেখানে পাবেনঃ
নিউমার্কেট,গাউছিয়া,রাপা প্লাজা,গুলশান-১,বসুন্ধরা শপিং মলসহ সব মার্কেটে পেয়ে যাবেন আপনার পছন্দের সুগন্ধি।মার্কেটে নারী-পুরুষের জন্য আলাদা আলাদা পারফিউম রয়েছে।

দামদর কেমন হতে পারেঃ
মার্কেট ও ব্রান্ডভেদে সুগন্ধির দাম পড়বে কোবরা ১৮০ টাকা, হ্যাভক ১৯০ টাকা, ডেনিম ২০০ টাকা, এক্স ২২০, হার্ডেন বিউটি ২০০০ টাকা, সিকে ব্ল্যাক ৪০০০ টাকা, হুগো বস ৪০০০ টাকা, এলিজাবেদ আরডেল ৭০০০ টাকা, চেনেল ১৫০০০ টাকা, আরমানি ১৭০০০ টাকা।

*পারফিউম* *সুগন্ধি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★