সুজ

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কথায় আছে ছেলেদের জুতাতেই নাকি আগে চোখ আটকে যায় মেয়েদের! কেন, সেই রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারলেও এটি প্রতিষ্ঠিত সত্য যে, ফ্যাশন দুনিয়ায় জুতার গুরুত্ব অনেক। ধরা হয় ১২০০ খ্রিস্টপূর্বের দিকে শুরু হয়েছে জুতার ব্যবহার। আর তখন থেকেই যুগে যুগে নতুন ফ্যাশন আর ট্রেন্ডের স্বার্থে জুতোয় এসেছে নানা রকম ডিজাইন। সেই ধারা বজায় রেখে ছেলেদের পায়ের অন্যতম এক ফ্যাশনের নাম এখন 'লোফার'।

ট্রেন্ডি লোফারে রয়েছে দারুণ এক ফ্যাশনেবল লুক। তবে এর ব্যবহারে রয়েছে কিছু সুবিধা ও অসুবিধা। যদিও এক্ষেত্রে সুবিধারই পাল্লাই ভারি। লোফারগুলো সাধারণত রকমারি রঙে বেশি মানানসই। লোফারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এগুলোর তলা সমান্তরাল। যারা ক্যাজুয়াল ফ্যাশন পছন্দ করেন, তাদের জন্য লোফার খাপে খাপ। সেমি ফরমালের সঙ্গেও একবারে ঠিকঠাক ভাবেই চলে। লোফার নিতে পারেন ফরমালের সঙ্গেও। কিন্তু বেছে নিতে হবে কিছু বিষয় ঠিক রেখে। তার জন্য জেনে নিতে হবে কোন পোশাকে কোন ডিজাইন বা কোন রঙের লোফার ভালো হবে।

ক্যাজুয়াল রঙিন লোফার বেশিরভাগ লোফারই ক্যাজুয়াল এবং রঙিন হয়ে থাকে। এ লোফারগুলো হতে পারে সফট লেদার বা কাপড়ের। ডিজাইনের প্রয়োজনে থাকতে পারে মেটাল বা ব্রেইডের মতো জিনিসের ব্যবহার। যারা ক্যাজুয়াল পোশাকে বিশ্বাসী, তাদের জন্য বেশ জুতসই হবে এ ধরনের লোফারগুলো। টি-শার্ট বা হাতের ঘড়ির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে বেছে নিতে পারেন পছন্দের লোফারটি। আবার পছন্দ করতে পারেন চশমা বা রোদ চশমার ফ্রেমের রঙের সঙ্গে ম্যাচ করেও।

টি-শার্ট, শার্ট আর একটু ন্যারো কাটিংয়ের প্যান্টের সঙ্গেই বেশি মানায় এ ধরনের জুতা। এ গেটআপে যাওয়া যেতে পারে ক্লাস, আড্ডা আর ঘোরাঘুরিতেও। সব সময় পরার জন্য লোফারগুলো অন্যান্য জুতার তুলনায় বেশ আরামদায়ক হবে। ফরমাল ধাঁচ হার্ড লেদার বা সফট লেদারের হতে পারে ফরমাল ধাঁচের লোফার। এগুলো রঙিন নয়। সাধারণত কালো, কফি বা চকোলেট কালারের হয়ে থাকে এগুলো। অফিসিয়াল গেটআপের সঙ্গে বেশ ভালো মানানসই হয় এ ধরনের লোফার। পরনের বেল্টের রঙের সঙ্গে মিল রেখে নেওয়াটাই ভালো হবে এই লোফারগুলো। এ জুতাগুলো ফরমালেই ফুটিয়ে তোলে ফ্যাশনেবল লুক।

লোফারের সুবিধা-অসুবিধা ট্রেন্ডি ফ্যাশনের পাশাপাশি লোফারের রয়েছে ভালো কিছু সুবিধাও। লোফারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটি অন্যান্য জুতার তুলনায় বেশ আরামদায়ক। মোজা ছাড়াই খুব সহজে পায়ে দেওয়া যায় লোফার। নেই ফিতা বাঁধারও ঝামেলা। হুটহাট করেই পায়ে জড়িয়ে যেতে পারবেন অনেক জায়গায়। এর আরেকটি সুবিধা হচ্ছে_ কম দাম থেকে বেশি দামি সবই পাবেন বাজারে। এত সুবিধার ভিড়ে লোফারে রয়েছে একটু-আধটু অসুবিধাও। বৃষ্টিতে তেমন জুতসই নয় এ ধরনের জুতা। পানি লাগলে নষ্ট হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। এমনকি একদিনের বৃষ্টিতেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে জুতার সৌন্দর্য। সফট লেদার বা কাপড়ের লোফারের বড় সমস্যা হচ্ছে_ এগুলো কালি করা যায় না। কিন্তু ময়লা লাগলে আবার তা সহজে ওঠেও না। তাই এগুলো একটু কাদামাটি এড়িয়েই ব্যবহার করা ভালো।

কোথায় পাবেন দাম কেমন:


ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন মার্কেটের জুতার দোকানগুলোয় পাবেন বিভিন্ন মান, ডিজাইন আর সাশ্রয়ী দামে লোফার। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বাটা আর অ্যাপেক্সের শোরুমগুলোয় বেশ দেখা যায়। এসব স্থানে দাম পড়বে ১০০০ থেকে ৬০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ফ্রিল্যান্ড, এক্সট্যাসির মতো ব্র্যান্ডগুলোর আউটলেটে পাবেন বেশ ভালো মানের কিছু লোফার জুতা। দাম পড়বে ১৮০০ থেকে ৭০০০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটের জুতার দোকানগুলোয় পাবেন বিভিন্ন মান আর দামে লোফার। বসুন্ধরা সিটি, নিউমার্কেট, উত্তরার পলওয়েল কারনেশন, নর্থ টাওয়ার আর এলিফ্যান্ট রোডের জুতোর দোকানগুলোয় পাবেন ক্যাজুয়াল লোফার। কাটিং আর শেপ ঠিক রেখে অনেক ডিজাইনই চোখে পড়ে এগুলোর। সঙ্গে থাকছে রঙের তফাত। দাম পড়বে ৭০০ থেকে ৪০০০ টাকা।

তবে অসংখ্য কালেকশনের মধ্য থেকে ঘরে বসেই যদি মনের মত লোফার কিনতে চান তাহলে অনলাইন শপ আপনার জন্য বেস্ট হবে। এজন্য ঢুঁ মারতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইশ শপিংমল আজকের ডিলে। আজকের ডিলের লোফার কালেকশন দেখতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*লোফার* *সুজ* *শু* *লোফারশু* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ছেলেদের ক্যাজুয়াল সুজগুলোর মধ্যে জেন্টস লোফার সবথেকে স্টাইলিশ ও রুচিসম্মত। মনকাড়া ডিজাইন, গর্জিয়াস লুক আর ট্রেন্ডি হওয়ার কারণে দিন দিন জেন্টস লোফারের জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। 

এই শীতে তাই আপনিও ফ্যাশন বজায় রেখে পায়ে ফুটিয়ে তুলুন আভিজাত্যপুর্ণ লুক। দৃষ্টিনন্দন এসব সুজগুলোর মুল্যও আপনার হাতের নাগালে। বর্তমান যেসব মডেলের জেন্টস লোফারগুলো বেশি চলছে বাজারে সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি সুজ নিয়ে আজকের এই লেখা। তো চলুন দেখে নিই সাম্প্রতিক ট্রেন্ডি কিছু জেন্টস লোফারের খুটিনাটি >।



















*জেন্টসলোফার* *সুজ* *জুতা* *ছেলেদেরজুতা* *স্মার্টশপিং*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★