সুবীর নন্দী

সুবীরনন্দী নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সুবীর নন্দীর গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলো কি কি?

উত্তর দাও (৭ টি উত্তর আছে )

.
*সুবীরনন্দী* *গান* *সংগীতশিল্পী*

দস্যু বনহুর: [বাঘমামা-আম্মু] অথচ আমায় তুমি সইতে গেলে, দুচোখের লোনা জলে নাইতে গেলে। ভালবেসে বোকা মেয়ে, মেলেছ তুমি অবনন, শতদল। আমার দুচোখে অনন্ত মেঘ, অজন্তা তোমার চোখেতে জল। অথচ তোমাকে কাঁদতে বলিনি, হৃদয়ে লোবান জ্বালাতে বলিনি।

*সুবীরনন্দী* *প্রিয়গান*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


দিন যায় কথা থাকে... ঠিক এই গানটির মতই সময় পাল্লা দিয়ে বয়ে চলে আপন গতিতে। বাংলা গানের জগতে দীর্ঘ সময় কোটি কোটি ভক্ত শ্রোতাকে সুরের মূর্ছনায় মাতিয়ে প্রিয় শিল্পী সুবীর নন্দী তার জীবনের আরো একটি নতুন বছরে পা দিলেন। আজ নন্দিত সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দীর ৬১ তম জন্ম দিন।

নতুন নতুন জনপ্রিয় সব গান উপহার দিয়ে ভক্তদের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এই শিল্পী আজও গেয়ে চলেছেন আপন মহিমায়।  তার গাওয়া বিখ্যাত কিছু গানের মধ্যে রয়েছে, আমার এ দু’টি চোখ পাথর তো নয়, নেশার লাটিম ঝিম ধরেছে, বন্ধু হতে চেয়ে তোমার, আমি বৃষ্টির কাছ থেকে কাঁদতে শিখেছি সহ আরও অনেক গান।

গানের সঙ্গে দীর্ঘ বছর জড়িয়ে রয়েছেন এ গুণী মানুষটি। আর দুর্দান্ত সব গান গেয়ে দেশের সংগীতাঙ্গনকে করেছেন দারুণভাবে সমৃদ্ধ। আজকের দিনেই পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন সুবীর নন্দী।  বিশেষ এদিনে বরাবরই বাসায় সময় কাটান তিনি। এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটবে না। তবে বাসায় থাকলেও জন্মদিনকে ঘিরে তার রয়েছে নানা পরিকল্পনা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জন্মদিনে প্রতি বছরই সকাল থেকে আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুরা সবাই বাসায় আসেন। বিশেষ খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন থাকে। অবশ্য সবাই এলেও আমি প্রতি বছর যেটা করি তা হলো- দিনের যে কোন ভাগে মন্দিরে গিয়ে হাজির হই। সেখানে প্রার্থনা করতে যাই। মা-বাবা সবার জন্য প্রার্থনা করি। এবারও তাই করবো।

বাসায় ফিরেই আবার সবার সঙ্গে সময় কাটাবো। এরপর বিকালের দিকে বাসার সবাই মিলে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। যে মা এ শিল্পীকে জন্ম দিয়ে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন তাকে এ দিনটিতে কিভাবে স্মরণ করেন জানতে চাইলে সুবীর নন্দী বলেন, মায়ের কথা তো প্রতিটি মুহূর্তেই মনে পড়ে। আর সন্তান হিসেবে তাকে প্রতিনিয়ত স্মরণ রাখাটাই স্বাভাবিক। বিশেষত আমার জন্মদিনে মায়ের কথা বেশি মনে পড়ে। মা বেঁচে থাকতে এ দিনটিতে আমার জন্য শিঙ্গাড়া বানাতেন। ওই সময় খুব মজা করে খেতাম। এখনও মায়ের হাতের তৈরি শিঙ্গাড়া যেন মুখে লেগে আছে। অবশ্য এখনও বাসায় আমার জন্মদিনে এ খাবারটি তৈরি করা হয়। এখন আমার মেয়েই মায়ের সে দায়িত্ব পালন করে। আজও সেসব আয়োজন করবে।

কোটি কোটি ভক্ত শ্রোতাকে সুরের মূর্ছনায় মাতিয়ে সুবীর দা এগিয়ে চলেছেন আপন গতিতে। বাংলা গানের জগতে তার এই এগিয়ে চলা হোক হাজার বছরের এই শুভ কামনা বেশতো পরিবারের পক্ষ থেকে। শুভ জন্মদিন সুবীর নন্দী।
*সুবীরনন্দী* *প্রিয়গান* *শিল্পী* *মিউজিক*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★