সুস্থ্য থাকা

সুস্থ্যথাকা নিয়ে কি ভাবছো?

খুশি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ক্ষতি গুলো কি কি?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*হেলথটিপস* *সুস্থ্যথাকা* *অতিরিক্তখাবারখাওয়া*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সন্তান জন্মদানের পর, হুট করে মায়ের শরীরে পরিবর্তন আসে এসময় সুস্থ্ থাকার উপায় কি?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*হেলথটিপস* *সুস্থ্যথাকা* *মায়েরযত্ন*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সুস্থ্য থাকতে খাওয়ার অাগে ও পরের কিছু ধরণের অভ্যাস রপ্ত করা প্রয়োজন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*সুস্থ্যথাকা* *অভ্যাস* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আর মাত্র ক’দিন পরই ঈদ-উল-আজহা। কোরবানী ঈদ মানেই খাওয়া আর খাওয়া| মাংসের হরেক রকমের পদের পাশাপাশি মিষ্টি খাবার, শীতের পিঠা, ইত্যাদি থাকে আমাদের প্লেটে| বেশি খাবার সামনে থাকলে খেতে ইচ্ছা করবেই, আবার নিমন্ত্রণে গেলেও খাবার দেখে লোভ সংবরণ করাই দায়, আর বেশি চাপাচাপি করলে তো আরো খেতে হয়।

এই ঈদে অনেক দিন ধরে চলে খাওয়া-দাওয়া, দাওয়াত, অনেক দিন ধরে মাংশ থাকে ফ্রিজে। তাই ঈদ এবং ঈদ-পরবর্তী সময়ে সুস্থ্য থাকা ও ফিটনেস ধরে রাখাটা অনেক কষ্টকর। কিন্তু যদি থাকে ইচ্ছাশক্তি আর একটু সচেতনতা, খাবার ও ব্যায়াম সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান, তবে ফিটনেস ধরে রাখা কোনো ব্যাপারই না। আর ফিটনেস বাংলাদেশে ব্লগের পাঠকরা তা পারবে বলেই আমার বিশ্বাস| তাই আপনাদের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখুন, পরিমিত আহার করুন। বেশি খেয়ে ওজন বাড়াবেন না বা অসুস্থ্য হবেন না।

ঈদ-উল-আজহার উৎসবে সুস্থ্য থাকার বা ফিটনেস ধরে রাখার কিছু টিপস —

কিভাবে খাবেন?

খাবার দেখেই ঝাপিয়ে না পড়ে, আস্তে আস্তে খাওয়া শুরু করুন, নিজেকে সংযত করুন, পরিমিত আহার করুন।খাবারকে নয়, সবার সাথে সাক্ষাত করে উৎসবের আনন্দ উপভোগ করুন, কোরবানীর ত্যাগের আনন্দ উপভোগ করুন।


বেশি ক্ষুধা লাগিয়ে না খেয়ে অল্প ক্ষুধা লাগলে খান, এতে কম খাওয়া হবে, খাবার আগে পানি খেয়ে নিন, অথবা দাওয়াতে যাওয়ার আগে সালাদ, ফল ইত্যাদি কম ক্যালরির সহজ পাচ্য খাবার বা পানীয় খেয়ে নিন, তাহলেও কম খাওয়া হবে ।


কোরবানী ঈদে যেহেতু লাল মাংশ(গরু,খাসি)ছড়াছড়ি, তাই মাংশ খেতেই হয়, কিন্তু যখন খাবেন, তখন একবারে অল্প পরিমানে খান। কেননা, লাল মাংসে অনেক ফ্যাট থাকে।
লাল মাংস যে আমাদের শরীরের জন্য কি ভয়ংকর তা মনে রাখুন। লাল মাংস, যেমন:  গরু, খাসির মাংশে যে প্রচুর স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি থাকে, তা স্থূলতা বাড়ানোর পাশাপাশি, রক্তনালিতে চর্বি জমায়, রক্তচাপ বাড়ায়, ডায়াবেটিস বাড়ায়, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের দিকে আপনাকে নিয়ে যায়, বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারও হতে পারে এই লাল মাংসের কারণে।মাংশ বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য, বদহজম, ডায়রিয়া, গ্যাস্টিকের/আলসারে সমস্যা ইত্যাদিও হতে পারে। 
কিন্তু তাই বলে কি এই ঈদে লাল মাংশ খাবেন না? খাবেন,তবে মাংশ খাবেন খুবই পরিমিত পরিমানে।
যাঁরা স্থূলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, কিডনির সমস্যা, Arthritis (গেটেবাত ), হৃদরোগ ইত্যাদিতে ভুগছেন, তাঁরা অবশ্যই ডাক্তারের বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ মত ও পরিমিত পরিমানে  খাবেন।


মাংশ যখন খাবেন তখন একবারে কতটুকু খাবেন? আপনার হাতের তালুর সমান মাংশ একবারে খেতে পারবেন।
ডাক্তার বা পুষ্টিবিদের বলেন: “আমাদের  দৈনিক খাদ্যতালিকায় চর্বিজাতীয় খাদ্য থাকবে সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ। এবং তার মধ্যে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকবে মাত্র ৭ শতাংশ।”
আর ভাত জাতীয় খাবার একবারে খাবেন এক থেকে আধা কাপ। 
প্রতি বেলা মাংশ না খেয়ে একবেলা হলেও মাছ খান। যেমন: রাতের খাবারে মাছ রাখতে পারেন| কারণ মাছে আছে ওমেগা-৩ ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ভালো। কোনো দিন বেশি মাংশ খাওয়া হয়ে গেলে, তারপর দিন সবজি, সালাদ, ফল, ডাল খেয়ে ব্যালান্স করুন।


মাংশ মানেই আমিষ। এই আমিষের চাহিদা পুরণে, প্রতিদিন বা প্রতিবেলা লাল মাংশ না খেয়ে ডাল, মাছ, কম ফ্যাটের মুরগির মাংশ ইত্যাদি খেতে পারেন। মাংশ, পোলাও,বিরিয়ানি ইত্যাদি গুরুপাক খাবার যখন খাবেন, তখন খাবারের সাথে প্রচুর সালাদ খাবেন| কারণ সালাদ খাবার হজমে সাহায্য করে। এছাড়া প্রতি বেলার খাবারে অবশ্যই বেশি বেশি সবজি খাবেন।


আঁশ বা ফাইবার রাখবেন প্রতি বেলার খাবারের তালিকায়|কারণ এই আঁশ খাবার হজমে ও হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, চর্বিও জমতে বাঁধা দেয়|এই আঁশ আমরা পেতে পারি রান্না বা কাঁচা শাক-সবজি,ফল মূল, সালাদ, লাল আটা,বাদাম ইত্যাদি থেকে।


ওজন কমাতে ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে কম ক্যালরি যুক্ত খাবার খেতে চেষ্টা করুন সবসময়। তাই মাথায় রাখুন বিরিয়ানি, পোলাউ, ভাত, তেলেভাজা, মিষ্টি খাবার, কোমল পাণীয়তে প্রচুর ক্যালরি।


এই ঈদে যেহেতু অনেক রকম খাবারের সমরোহ থাকে সবার বাড়িতে, তাই অন্যান্য বেশি ক্যালোরির খাবার যেমন: ফাস্ট ফুড, কেক, সিঙ্গারা,পেয়াজু, বেশি তেলে ভাজা খাবার, চিপস ইত্যাদি এড়িয়ে চলুন। প্রতিদিন নিয়ম করে ফল, সবজি, সালাদ, আর প্রচুর পানি খেতে ভুলবেন না। টক দই, বোরহানি, লেবুর শরবত (চিনি ছাড়া) ইত্যাদি খাবার হজমে সহায়ক| এগুলো খাবার পরে খেতে পারেন। সকালে উঠেই লেবু আর মধু এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে গুলে খেলে তা হজমের জন্য এবং মেদ কমাতে সহায়ক। 


কাবাব,গ্রিল, সেদ্ধ করা মাংশ খান। ভাজা বা ভুনা, মশলাদার মাংশ বেশি খেলে স্বাস্থ্য ও পেটের সমস্যায় পড়তে হবে|এগুলোতে ক্যালরি বেশি থাকায় ওজনও বাড়তে পারে। 
মাংশের যে জায়গায় চর্বি কম, সেখানকার মাংশ খেতে পারেন, যেমন: রানের মাংশ
মাংসের চর্বি পরিহার করুন, চর্বি/ কোলেস্টেরল যুক্ত অঙ্গ, যেমন: মগজ, কলিজা ইত্যাদি যথাসম্ভব কম খান, বা বাদ দিন।
কোনো বেলা বেশি খেয়ে ফেললে বা দাওয়াত থাকলে অন্য বেলা রুটি,সালাদ বা স্যুপ খেয়ে ব্যালান্স করুন। 
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে শর্করা( ভাত, চিনি ) জাতীয় খাবার কম খেতে হবে। 
আর মিষ্টি খাবার/চিনি যুক্ত খাবার দুই, একদিনের বেশি না খাওয়াই ভালো। খেলেও খুবই অল্প পরিমানে। সেক্ষেত্রে সেবেলা শর্করা জাতীয় অন্যান্য খাবার কম খাবেন অথবা খাবেন না।


কোমল পাণীয় চিনি যুক্ত পানীয় না খাওয়াই ভালো। বদলে, ফলের চিনি ছাড়া জুস,  বোরহানি, টক দই, পুদিনা লাচ্ছি, ডাবের পানি ইত্যাদি খেতে পারেন। মিষ্টি খাবার, গুরুপাক খাবার যেদিন খাবেন, সেদিন প্রচুর পানি খাবেন। গুরুপাক খাবারের সাথে বা মাংসের সাথে লেবুর রস খেলে তা হজমে সাহায্য করে ।


সকালের নাস্তা, দুপুরের ও রাতের খাবারে শর্করা, সবজি, আমিষ রাখতে চেষ্টা করুন। প্রতিদিনের খাবারে সব খাবারের উপাদান যেমন: শর্করা,আমিষ, ভিটামিন, ফ্যাট,দুধ,মিনারেলস ইত্যাদি যেন থাকে তা নজর দিন। 


বেশি বেশি সচেতন হয়ে আবার মজাদার খাবার না খেয়ে নিজেকে সব খাবার থেকে বঞ্চিত করেবেন না। মনে রাখবেন দৈনিক ৫০০ ক্যালরি বেশি খেলে, আপনার ওজন বাড়বে এক সপ্তাহে এক কেজি বা দুই পাউন্ড।
আপনার প্রতিদিনের শারীরিক ক্যালোরির চাহিদা অনুযায়ী ক্যালরি মেপে খাবার খান।


যারা ওজন কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তারা সেভাবেই বুঝে শুনে খাবার খাবেন। উৎসবের আনন্দে ভেসে, মজার খাবারের জোয়ারে ডুবে, আপনার ডায়েট নষ্ট করবেন না। এতে আপনার সব কষ্ট মাটি হয়ে যাবে। অল্প খাবার খেয়েই খাবারের মজা নিন। 


কিভাবে মাংস রাঁধলে স্বাস্থ্যসম্মত হবে?

মাংস ভাজতে হলে, হালকা বা খুব কম তেলে ভাজুন। উৎসবের রান্নার সময় তেল, ঘি, মাখন, ক্রিম, ডালডা ইত্যাদি কম ব্যবহার করুন। মাংশেই যে পরিমান সম্পৃক্ত চর্বি বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, তা শরীরের জন্য যথেষ্ট ক্ষতিকর। মাংশ রান্নার সময় লবন দিয়ে সেদ্ধ করে, পানি ফেলে দিলে কিছুটা হলেও চর্বি পানির সাথে চলে গিয়ে দূর হবে। কাবাব, গ্রিল, সেদ্ধ করে মাংশ রাঁধলে কিছুটা হলেও ক্যালরি বা ফ্যাট কমবে। কম মশলায় ও তেলে মাংশ রাধলে হজমে সহায়ক হবে। 


ব্যায়াম করা ছাড়বেন না

ব্যায়ামের অভ্যাস থাকলে সেটা অব্যাহত রাখুন। কোনো ভাবেই ব্যায়াম বন্ধ করা যাবে না| উৎসবের ব্যায়াম কিভাবে করবেন?
জিম বন্ধ? দেশের বাড়িতে ঈদ করবেন? তারপরেও ব্যায়াম করা যায়। ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়। যেমন: ফাঁকা জায়গায় হাঁটুন, দৌড়ান, সিঁড়ি দিয়ে উঠুন ও নামুন, আর একটু ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করুন। পুশ আপ দিন, কিছু পেটের ব্যায়াম করুন। ব্যাস আর কি লাগে? বাসায় কিছু ব্যায়ামের যন্ত্রপাতি থাকলেতো কথাই নেই। যেমন: ট্রেড মিলে হাঁটুন। সব সময় অলস সময় না কাটিয়ে একটু ঘরের কাজ করুন, শরীরটাকে কর্মচঞ্চল রাখুন। দেখবেন কেমন ঝরঝরে লাগছে। 


বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয় সজন নিয়ে হাঁটতে বের হোন, পারলে দৌড়ান, সাইকেল চালান। হাটাহাটি এবং ব্যায়াম করবেন সেদিন বেশি বেশি, যেদিন বেশি খাওয়া হবে। ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনার বাড়তি ক্যালরি যা খেয়েছেন, তা বার্ন হয়ে দৈনিক ক্যালোরির চাহিদার সমতা আনবে। ফলে আপনার শরীরে বাড়তি ক্যালরি জমে, ওজন বাড়বে না। 


উৎসবে একটু হলেও আপনার স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখুন। খাওয়া দাওয়ার সঠিক নিয়ম মেনে চলার পাশাপাশি ব্যায়ামটাও চালিয়ে যান আগের মতই।  নিজেকে বোঝান, যে আপনি কিছুতেই ওজন বাড়াতে দেবেন না এবং সুস্বাস্থ্য বজায়  রাখবেন। চিন্তা   করুন , বেশি খেয়ে   ওজন বাড়াবেন, ডায়বেটিস, রক্তচাপ, গেটেবাতের সমস্যা বাড়াবেন, পেটের সমস্যা করবেন , নাকি  সুস্থ্য থাকবেন ও  ওজন নিয়ন্ত্রণে  রাখবেন?

আপনার বন্ধু, আত্মীয়, স্বজন, এবং প্রিয়জনকে এই টিপস গুলো দিয়ে উপকার করুন। ভালো থাকবেন সবাই,  সবার জন্য রইল ঈদের অনেক অনেক শুভেচ্ছা...

(সংকলিত)

মূল অনুপ্রেরণা: কাজী চন্দ্রিমা।

*ফিটনেস* *লাইফস্টাইলটিপস* *ঈদেফিটনেস* *সুস্থ্যথাকা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অনেকে ঈদের সময় আত্নীয় স্বজনদের বাড়িতে গিয়ে অতিরিক্ত খাওয়া দাওয়া করেন। ঈদের দিন নানান রকম মুখরোচক আইটেমে শুধু তো আর নিজের বাসায় খাওয়া দাওয়া করে শেষ হয়, সাথে আত্মীয়স্বজন আর বন্ধুবান্ধবের বাসায় গিয়েও নানান খাবার খাওয়া হয়। তাই ঈদের আনন্দ অটুট রাখতে আমাদের কিছুটা নিজের প্রতি খেয়াল দিতে হবে। আমরা কী খাচ্ছি, কতটুকু খাচ্ছি, খাবারের প্রতিক্রিয়া কী ইত্যাদির দিক বিবেচনা না করে, সামনে যা পাওয়া যাচ্ছে তাই খাওয়া উচিত নয়।

অনেকেই একসঙ্গে প্রচুর তৈলাক্ত আর চর্বিজাতীয় খাবার খেতে অভ্যস্ত নয়। ফলে এত খাবার খাওয়ার কারনে হজমে সমস্যা দেখা দেয়, সেই সাথে পেট ফাঁপা, জ্বালাপোড়া, পেট ব্যথা, বার বার পায়খানা ইত্যাদি সমস্যা তো আছেই। এসময় পানি পরিমানমত পান না করার কারনে, অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগে থাকেন। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পানি, সরবত, ফলের রসসহ তরল খাবার বেশি খেতে হবে। এতে গুরুপাক খাবারের জন্য পেটে স্থান কমে যাবে। খাবারের মেন্যুতে এই দিন মিষ্টিজাতীয় খাবার বেশি থাকে। এ ছাড়া পোলাও, মুরগি, গরু বা খাসির মাংস, কাবাবসহ ঝাল খাবারও থাকে। অনাভ্যাসের কারনে অনেকেই হঠাৎ এত বেশী ঝাল খাবার খেয়ে অসুস্থবোঢ করেন। তাই অতিরিক্ত মশলা আর তেল চর্বিযুক্ত খাবার না তৈরি করাই ভালো। যারা মাঝবয়সী, বয়োবৃদ্ধ বা যাদের শারীরিক সমস্যা আছে যেমন ডায়াবেটিস, প্রেসার, হৃদরোগ ইত্যাদি তাদের এসকল খাবারের ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।


ডায়বেটিস রোগীদেরকে অবশ্যই মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে। টকজাতীয় খাবারের মাধ্যমে তারা তাদের রসনা পূরণ করতে পারেন। তাই সবজি আর টক ফল দিয়ে আগে থেকেই খাবার তৈরি করে রাখুন। মুরগি আর গরুতে অতিরিক্ত চর্বি না থাকলে, তা খেতে তেমন সমস্যা নেই। কিন্তু তারপরও প্রেসার, হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের এসকল ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। কিডনির সমস্যা থাকলে মাংস পরিহার করা ভালো। যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের রোগী তাদের অবশ্যই তেল-চর্বি জাতীয় খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। চর্বি ছাড়া গরুর মাংস খাওয়া যাবে, তবে পরিমাণ মতো। খাসির মাংস, কলিজা, মগজ, চিংড়ি মাছ ইত্যাদি না খাওয়াই ভালো। খাবারের পরিমাণটা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। তাই যাই খাওয়া হোক না কেন তা পরিমাণ মতো খাওয়া বাঞ্ছনীয়।

*হেলথটিপস* *ঈদেরখাওয়া* *সুস্থ্যথাকা*

রহমান মাতাব্বার : একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 হঠাৎ শ্বাস কষ্ট উঠলে প্রাথমিক কি করা উচিত?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*শ্বাসকষ্ট* *স্বাস্থ্যতথ্য* *সুস্থ্যথাকা* *হেলথটিপস*

শিহাব: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 অল্প শব্দে এবং কারনে অকারনে ভয় পাই ও কোন কোন ক্ষেত্রে লাফিয়ে উঠি, এটি কিভাবে দূর করা যায়?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*বিষণ্ণতা* *মানসিকঅবসাদ* *হেলথটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য* *সুস্থ্যথাকা* *ভয়*

★ছায়াবতী★: একটি টিপস পোস্ট করেছে

৪০-এ ফিট থাকতে যা করতে হবে
http://www.arthosuchak.com/archives/215090/%e0%a7%aa%e0%a7%a6-%e0%a6%8f-%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%9f-%e0%a6%a5%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87/
আপনার ঘাড়ে-কোমরে ব্যাথা হয়। মোকাবিলায় তাই এবার কোমর বেধে নেমে পড়ুন। তবে এ জন্য আপনাকে টাকা খরচ করে জিমে ছুটতে হবেনা। নিজের বাসায় কয়েকটি সহজ উপায় অবলম্বন করেই ফিট থাকতে পারবেন আপনি। ⇔সকালে ওঠার অভ্যাস যদি আপনার না থাকে, তাহলে অকারণে ভোরবেলা অ্যালার্ম দিতে যাবেন না। বরং প্রতিদিন যে সময়ে ওঠেন তার থেকে ১০-১৫ মিনিট আগে উঠে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ, স্ট্রেচিং এবং যোগাসন অভ্যেস করুন। প্রতিদিন আধ ঘণ্টা করলেই দেখবেন ঝরঝরে লাগছে। ⇔যদি অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে চান এবং মেটাবলিক রেট বাড়াতে চান, তাহলে লো বা মিডিয়াম ইনটেনসিটি কার্ডিও এক্সারসাইজ করতে পারেন। ...বিস্তারিত
*সুস্থ্যথাকা* *স্বাস্থ্যতথ্য*
৯১ বার দেখা হয়েছে

★ছায়াবতী★: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

মাংসে চর্বি, ক্যালরির পরিমাণ কমানোর উপায়:
- মাংস ছোট করে টুকরা করে নেয়ার পর গরম পানি দিয়ে মাংস ধুয়ে নিন। গরম পানি দিয়ে মাংস ধুয়ে নিলে পানির সাথে বেশ কিছুটা চর্বি গলে বের হয়ে যাবে। - গরু আর খাসীর মাংসে এমনিতেই অনেক চর্বি থাকে যেগুলো গলে তেল বের হয়। তাই এই মাংস রান্না করার সময় বেশি তেল ব্যবহার না করাই ভালো। সামান্য পরিমান তেল দিয়ে রান্না করলেও গরুর/খাসীর মাংস সুস্বাদু হয়।
সম্ভব হলে অলিভ অয়েল বা সূর্যমুখীর তেল ব্যবহার করুন। -খেয়াল করেছেন হয়তো যে মাংস রান্না করার পরে ঠান্ডা হয়ে গেলে উপরে বেশ পুরু একটি হলদে আস্তরণ জমে। এটা চর্বির আস্তরণ। তাই মাংস রান্না করার পর ঠাণ্ডা হবার জন্য রেখে দিন। এরপর উপরে যে আস্তরণটি জমবে সেটা চামচ দিয়ে উঠিয়ে ফেলে দিন। বেশ কিছুটা চর্বি মুক্ত হয়ে যাবে মাংস।
*হেলথটিপস* *সুস্থ্যথাকা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *ঈদফিস্ট*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

এ্যালার্জি নিরাময়ে একটি যাদুকরী পানীয়

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন ভাবে রান্নাঘরের টুকিটাকি দিয়েই অনায়াসে অ্যালার্জি নিরাময়ের জাদুকরী পানীয় তৈরি করে নিতে পারেন। চলুন তাহলে দেখে নেয়া যাক পানীয়টি তৈরির পদ্ধতি এবং এর কার্যকারিতা। যা যা লাগবে: - ২ টি আপেল - ২ টি গাজর - ১ টি বড় বিটরুট পদ্ধতি: - প্রতিটি উপকরণ ভালো করে ধুয়ে ছোট ছোট করে কেটে নিন। - ব্লেন্ডারে বা জুসারে দিয়ে ব্লেন্ড করে রস ছেঁকে নিন অথবা জুসারে জুস তৈরি করে নিন। - চাইলে না ছেঁকেও খেতে পারেন, কারণে এই সবজি ও ফলের আশও অনেক উপকারী। - ব্যস, প্রতিদিন ১ গ্লাস পান করে নিন। দেখবেন অ্যালার্জির উদ্রেক অনেক কমে গিয়েছে। কার্যকারণ ও উপকারিতা: আপেলে রয়েছে ভিটামিন এ, বি এবং সি যা আমাদের দেহের পরিপাকতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে এবং হজম সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূরে রাখে। বিটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটেইন, এনজাইম এবং ভিটামিন এ যা গলব্লাডার ও লিভারের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষভাবে সহায়ক। গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং গাজরের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান লিভার এবং পরিপাকতন্ত্রকে রোগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে। আর এই সকল পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এই পানীয়টি আমাদের দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সুরক্ষা করে এবং ভেতর থেকে মজবুত করে। এতে করে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় যার কারণে অ্যালার্জির মতো ছোটখাটো সমস্যা আপনা থেকেই সেরে যেতে সাহায্য করে। সতর্কতা: যদি দেহে অন্যান্য কোনো সমস্যার কারণে উপরের যেকোনো উপকরণ খাওয়া নিষেধ থাকে তাহলে এই পদ্ধতি অবলম্বনের আগে নিজের চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহন করুন।

*এ্যালার্জি* *জানা-অজানা* *সুস্থ্যথাকা* *হেলথটিপস*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

রক্তচাপ দ্রুত কমিয়ে ফেলার দারুণ একটি কৌশল

যারা ঘুমাতে বেজায় পছন্দ করেন, তাদের জন্য সুসংবাদ, দুপুরের দিকে একটুখানি ঘুম আপনার রক্তচাপ কমাতে পারে। শুধু যে রক্তচাপ কমায় তাই না, বরং এই ঘুমটা আপনার হার্ট অ্যাটাক এবং অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায় অনেকখানি। অস্বাভাবিক রকমের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হলো হাইপারটেনশন। এই সমস্যায় ভোগা ৪০০ জন মধ্যবয়সী মানুষের মানুষকে নিয়ে গবেহসনা করা হয়। এতে দেখা যায়, যারা দুপুরের দিকে ঘুমিয়ে নেন, ২৪ ঘন্টার মাঝে তাদের রক্তচাপ ৫ শতাংশ কম থাকে। এটা খুব ছোট একটি পার্থক্য মনে হলেও এর কারণেই ১০ শতাংশের মতো কমে আসতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি। ঘুমের সময়সীমা যতো বেশি হবে, উচ্চ রক্তচাপ তত প্রশমিত হবে। সবচাইতে ভালো ফলাফলের জন্য এক ঘন্টা ঘুমানোটাকে ভালো মনে করা হয়। এই গবেষণায় যারা অংশ নেনে, তাদের হাইপারটেনশন ছিলো কন্ট্রোলড বা স্থিতিশীল। অস্থিতিশীল হাইপারটেনশন যাদের ছিলো, তাদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি কাজ করবে কিনা তা নিশ্চিত নয়। অনেকে মনে করতে পারেন দুপুরে শুধুমাত্র বিশ্রাম নিলে কমে যাবে রক্তচাপ। কিন্তু আসলে এর জন্য প্রয়োজন ঘুম। ঘুমের REM পর্যায়ের ঠিক আগে রক্তচাপ কমে যায় সবচাইতে বেশি তাই। ঘুমানোটা প্রয়োজন। এটা ঠিক যে নয়টা-পাঁচটা অফিসের মাঝে দুপুরে ঘুমানোর চিন্তা করাটা আসলেই অদ্ভুত। কিন্তু লাঞ্চ ব্রেকের মাঝে কিছুটা সময় করে ঘুমিয়ে নিতে পারলে আসলে আপনার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটা অনেক কমে যাবে।

*সুস্থ্যথাকা* *হেলথটিপস*
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

হিটস্ট্রোকের লক্ষণ: ১. তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫০ ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়। ২. ঘাম বন্ধ হয়ে যায়।

৩. ত্বক শুষ্ক ও লালাভ হয়ে যায়। ৪. নিঃশ্বাস দ্রুত হয়। ৫. নাড়ির স্পন্দন ক্ষীণ ও দ্রুত হয়। ৬. রক্তচাপ কমে যায়। ৭. খিঁচুনি, মাথা ঝিমঝিম করা, অস্বাভাবিক ব্যবহার, হ্যালুসিনেশন, অসংলগ্নতা ইত্যাদি। ৮. প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়। ৯. রোগী অজ্ঞান হয়ে যায়।

*হিটস্ট্রোক* *স্বাস্থ্যতথ্য* *সুস্থ্যথাকা* *হেলথটিপস*
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

তাপদাহের ছোবল হিটস্ট্রোক(চারদিকে লু হাওয়া বইছে। গরমে প্রাণ যেন ওষ্ঠাগত)

প্রচণ্ড গরমে তাপ নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা নষ্ট হয়ে শরীরের তাপমাত্রা ১ হাজার ৫০ ফারেনহাইট ছাড়িয়ে গেলে তাকে হিটস্ট্রোক বলে।প্রচণ্ড গরম ও আর্দ্রতায় যে কারোরই হিটস্ট্রোক হতে পারে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে হিটস্ট্রোকের আশঙ্কা বেড়ে যায়।

*হিটস্ট্রোক* *স্বাস্থ্যতথ্য* *সুস্থ্যথাকা* *হেলথটিপস*

মারুফ: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 লিভার সুস্থ রাখতে কি করা উচিত ?

উত্তর দাও (৬ টি উত্তর আছে )

.
*লিভার* *লিভাররোগ* *সুস্থ্যথাকা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★