সেহেরি

সেহেরি নিয়ে কি ভাবছো?

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 সেহেরি নাকি সাহরি ...... কোনটি সঠিক?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*সেহেরি* *সাহরি*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 রমজানে ডায়াবেটিস রোগীরা ইফতার ও সেহেরিতে কি ধরণের খাবার খাবেন?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*রমজান* *রোজা* *ইফতার* *সেহেরি* *ডায়াবেটিস*
ছবি

ফুড লাভার: ফটো পোস্ট করেছে

নানদোসে ইফতার ও সেহরি

প্রতিবারের মতো এবারও সেহরি ও ইফতারের নানা আয়োজন নিয়ে হাজির। এবার ইফতারিতে নানদোসের তিনটি ভিন্ন প্ল্যাটার হাংরি, ভেরি হাংরি এবং ভেরি ভেরি হাংরি। প্রতিটি প্ল্যাটারেই থাকছে বিফ এগ চপ, মালাই মুর্গ কাবাব, মিনি পিজ্জা, বিফ কাবাব, পেরি চানা চাট, লাশিয়ান সালাদ, পিটা, খেজুর, মাল্টা আপেল, ড্রিংকস এবং আইসক্রিম। এছাড়া হাংরি প্ল্যাটারে আছে নানদোসের বিখ্যাত কোয়ার্টার পেরি চিকেন, ভেরি হাংরিতে বাটারফ্লাই চিকেন এবং ভেরি ভেরি হাংরিতে চিকেন এস্পাদাতা। দাম যথাক্রমে ৯৯৯, ১২৯৯ এবং ১৫৯৯ টাকা। ইফতারে আরও আছে ৪ হাজার টাকার জাম্বো বক্স এবং ৫২০ টাকার সলো বক্স অফার। সেহরিতে থাকছে ‘বাই ওয়ান গেট ওয়ান’ অফার। রাত ১১টা থেকে ৩টার মাঝে কোনো অর্ডার করলে একই মিল আরেকটি পাবেন একদম বিনামূল্যে। এই অফারটি চলবে চাঁদরাত পর্যন্ত। আপনিও উপভোগ করতে পারেন নানদোসের যেকোনো শাখা থেকে তৃপ্তিভরা ইফতার ও সেহরি আইটেম।

*নানদোস* *ইফতার* *সেহেরি* *রেস্টুরেন্ট* *রেস্টুরেন্টে-ইফতার*
ছবি

ফুড লাভার: ফটো পোস্ট করেছে

মেজবানবাড়ির মুখরোচক ইফতার ও সেহেরি

আঞ্চলিক ঐতিহ্যবাহী ইফতার করতে চাইলে বনানীর ১০ নম্বর রোডের মেজবানবাড়ি রেস্তোরাঁয় যেতে পারেন। যেখানে ইফতারের পাশাপাশি মুখরোচক খাবার দিয়ে সেহরির আয়োজন করা হয়। ইফতার আয়োজনে একটি প্লাটার রাখা হয়েছে। খেজুর, মাল্টা, কলা, আপেল, আখনি, হালিম, জিলাপি, লেবুর শরবত ও সালাদ দিয়ে সাজানো হয়েছে এই প্লাটার। এর দাম পড়বে মাত্র ১৯৯ টাকা। আর সেহরির জন্য রয়েছে দুটি প্ল্যাটার। মেজবানি গোশত, নলা কাজি, ভাত, সালাদ ও কোমল পানীয় রয়েছে এই প্লাটারে। দুজনের এই প্ল্যাটারের দাম সাড়ে ৫০০ টাকা এবং চারজনের প্ল্যাটারের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা। তাই আঞ্চলিক খাবারের স্বাদ পেতে চাইলে আজই ইফতারটা সেরে ফেলুন মেজবানবাড়িতে। চাইলে পরিবারের সবাইকে নিয়ে সেহরির আয়োজনেও যোগ দিতে পারেন।

*মেজবানবাড়ি* *রেস্টুরেন্ট* *রেস্টুরেন্টে-ইফতার* *ইফতার* *সেহেরি*

ফুড লাভার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাবার নিয়ে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ গড়ে উঠেছে। এসব রেস্তোরাঁর সেহরি ও ইফতারের আয়োজন জানা জানা যায় তাদের ফেইসবুক পেইজ থেকে। তবুও সবগুলোর আয়োজন জেনে নিন। 

 


চই ঝাল: খুলনা অঞ্চলের খাবারের স্বাদ নিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ঢোকার রাস্তার মাঝামাঝি অবস্থিত এই রেস্তোরাঁয় ৬৫৪ টাকায় থাকছে ‘যত খুশি তত খাও’ সুযোগ। বেলা সাড়ে তিনটা থেকে সেহরি পর্যন্ত খোলা। তাদের এই ‘আনলিমিটেড’ আয়োজনের মধ্যে আছে চই মাটন, চই বিফ, চই চিকেন, চই কলিজা, ভাত, ডাল, কোমল পানীয়, পানি ও ফিরনি বা দই।

নওয়াব চাটগাঁ: চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাবারের এই রেস্তোরাঁয় ইফতার ও সেহরির ব্যবস্থা রয়েছে। রাজধানীর গুলশান এক নম্বরের রাজউক কমার্শিয়াল কমপ্লেক্সের উল্টা পাশের এই রেস্তোরাঁয় ইফতারের জন্য রয়েছে তিনটি সেট মেন্যু। প্রতিটি সেটের মূল্য ৩৪৯ টাকা। এছাড়া আলাদা করেও ইফতারের পদ অর্ডার করা যায়। সেহরির আয়োজনে আছে- ভাত/পরোটা, মেজবানি মাংস, কালাভুনা, ঝুরা মাংস, চনার ডাল, মসুর ডাল, সবজি, চিকেন রেজালা, লইট্যা ফ্রাই, রূপচাদা ফ্রাই ও চিংড়ি ফ্রাই।

প্রিমিয়াম সুইটস: মিষ্টির দোকান হিসেবে পরিচিত হলেও তাদের উত্তরা সেক্টর সাত ও গুলশান দুই শাখাতে চলছে সেহরি ফেস্টিভল।

চিটাগং এক্সপ্রেস: রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পেছনে ঢালিবাড়ি মাদ্রাসা রোডে অবস্থিত এই রেস্তোরাঁয় ইফতার ও সেহরির আয়োজন আছে। বিশেষ কোনো মেন্যুর ব্যবস্থা না করে তাদের প্রচলিত খাবারই থাকছে আয়োজনে। প্রতি জন হিসেবে সেট মেনুর দাম ২২০ টাকা- যাতে থাকবে মেজবানি মাংস, মেজবানি ডাল, পায়া কারি ও ভাত।


মেজবান বাড়ি:  বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পেছনে কুয়েতি মসজিদ রোডে আরেকটি চাটগাঁইয়া খাবারের রেস্তোরাঁ। তাদের ইফতারে রয়েছে একটি প্ল্যাটার। ১৯৯ টাকার এই আয়োজনে থাকবে- খেজুর/মাল্টা/কলা, আখনি, হালিম, জিলাপি, লেবুর শরবত ও সালাদ। সেহরির জন্য রয়েছে দুটি প্ল্যাটার। দুই জনের প্ল্যাটারের দাম সাড়ে ৫শ’ টাকা, চার জনের প্ল্যাটারের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা। পদগুলো হল- মেজবানি গোশ, নলা কাঁজি, ভাত, সালাদ ও কোমল পানীয়।

*আঞ্চলিকখাবার* *রেস্টুরেন্ট* *ইফতার* *সেহেরি*

AjkerDeal.com: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চাকরিজীবী নারীদের রোজার মাসে অফিসের পাশাপাশি অন্য সকল কাজ চালিয়ে যাবার লক্ষ্যে অবশ্যই আগে থেকে পরিকল্পনা সাজিয়ে নিতে হবে। কেননা একজন নারীকে যখন মা হিসেবে সন্তানের নানা চাহিদা পূরণ, পরিবারের সকলের জন্য রোজার সেহেরি, ইফতারির ব্যবস্থা করার পাশাপাশি চাকরি চালিয়ে যেতে হয়- তখন তা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। তাই চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চাপের কথা মাথায় রেখে এ মাসে ঘর ও অফিসের কাজকে সমানভাবে ভাগ করে নিতে হবে। এর জন্য তার জীবনসঙ্গীর ভূমিকা কিন্তু মুখ্য। 

অনেক সময় সেহেরির জন্য খুব বেশি সময় বাকি থাকে না। তখন খুব ঝটপট কিছু রান্না করতে হয়। আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে তো বটেই আমাদের জীবনধারণের অপরিহার্য্য অংশ খাবার কাজেও প্রযুক্তি আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে পরম সুহৃদের মতো। প্রেসার কুকার তাদের মধ্যে অন্যতম। তাই রোজাদার কর্মজীবী নারীসহ যে কোনো নারীই প্রেসার কুকারে অল্প সময়ে দ্রুত ইফতার বা সেহেরির রান্না সেরে উঠতে পারেন। এতে সময় বাঁচার পাশাপাশি, বাড়ির বউ/মা/মেয়েটি রোজার মাসে ইবাদত বন্দেগী করার পাশাপাশি খানিক বিশ্রামও নিতে পারবে। রমজান মাসে সংসারের নারীর কাজটি সহজ করে দিতে তাকে উপহার দিতে পারেন প্রেসার কুকার। 

আজ থাকছে প্রেসার কুকারের সাহায্যে সহজে কিছু নিত্য নৈমিত্তিক রান্না করার টিপস 


ভাত:
প্রথমেই আসি ভাত রান্নার কথায়। ভাত ফুটাতে এমনিতে যতটা সময় লাগে তার তিন ভাগের এক ভাগ সময় নিয়ে ফুটাতে পারেন যদি প্রেসার কুকার ব্যবহার করেন। শুধু চাল আর পানির পরিমাণটা ঠিক থাকলেই হবে। সাধারণভাবে যেটুকু চাল তার দ্বিগুণ পানি নিলেই হবে। প্রেসার কুকারে তিনবার লম্বা সিটি বাজলেই ভাত সিদ্ধ হয়ে যাবে। এতে সময় নিবে পাঁচ থেকে সাত মিনিট। যদি কারও কুকারে লম্বা সিটি না বাজে, ছোট ছোট সিটি বাজে, তাহলে তিনবারের বদলে ছয়বার সিটি গুণতে হবে। আর চুলা বন্ধ করার আরও ১৫-২০ মিনিট পর কুকারের ঢাকনি খুলতে হবে। তাহলে ভাত মোটামুটি ঝরঝরে হয়ে যাবে। এর আগে ভাপ বের করে খুলে ফেললে ভাত আঠালো থাকে। আর কেউ যদি ইলেকট্রিক রাইস কুকারে ভাত ফুটান, তাহলে তো ভাতের পিছনে কোন গ্যাসই খরচ হবে না।


প্রেসার কুকার কিনতে ক্লিক করুন 

ডাল:
ভাতের পরই চলে আসে ডালের কথা। মসুরের ডাল সিদ্ধ হতে যে সময় লাগে একেও তিন ভাগের এক ভাগে কমিয়ে আনতে পারেন। শুধু একটা ছোট কাজ করতে হবে। ডাল সিদ্ধ বসানোর চার ঘন্টা আগে ডাল ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। আমি যেটা করি, অফিসে যাওয়ার আগে ডাল ভিজিয়ে রেখে যাই, দুপুরে অফিস থেকে এসে রান্না করি। দশ মিনিটের মধ্যে ডাল সিদ্ধ হয়ে যায়। এরপর পেঁয়াজ-মরিচ-রসুন তেলে ভেজে বাগার দিয়ে দিলেই হল। পনের মিনিটে ডাল রান্না শেষ। মনে করে ডাল সিদ্ধ করার সময় পানি কমিয়ে দিতে হবে। নয়তো পানি শুকাতেই সময় লেগে যাবে। একেইভাবে ইফতারের পেয়াজু বানানোর জন্য প্রেসার কুকারে ডাল সিদ্ধ করে নিতে পারেন।



প্রেসার কুকার কিনতে ক্লিক করুন 

গরু/খাসীর মাংস:
গরু/খাসীর মাংসের জন্যও সেই প্রেসার কুকারই ভরসা। তবে দুইভাবে রান্না করা যায়। একটা হলো মাংস আগে প্রেসার কুকারে সিদ্ধ করে পানিটুকু ফেলে দিয়ে এরপর মশলা কষিয়ে রান্না করা যায়। অথবা আগেই মশলা দিয়ে কষিয়ে নিয়ে এরপর পানি দিয়ে প্রেসার কুকারে বসিয়ে দেয়া যায়। প্রথমটায় তেল-চর্বি কম থাকে, দ্বিতীয় পদ্ধতিতে কষানোটা ভালো হয়। প্রেসার কুকারে মাংস ভালো মত সিদ্ধ হতে কমপক্ষে বারোটা লম্বা সিটি বাজতে হবে। কেউ কেউ মুরগীর মাংসও প্রেসার কুকারে করে। আজকাল তো রাইস কুকারের মত কারি কুকারও পাওয়া যায়। এমনটা হলে গ্যাস আরও অনেকখানি সাশ্রয় করা যায়। 



প্রেসার কুকার কিনতে ক্লিক করুন 

শাক-সবজি:
এগুলো প্রেসার কুকারে সবজি ভাপিয়ে নিতে পারেন, এতে সবজি রান্না করতে সময় কম লাগবে। সিদ্ধ সবজি ফোড়ন আর মসলা দিয়ে কষিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রান্না করুন, এতে তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়। শুধু আলুভর্তার জন্য আলু সিদ্ধ করতে প্রেসার কুকার খুব কাজে লাগে, আলুর চপের জন্য আলুও সিদ্ধ করে নিতে পারেন প্রেসার কুকারে । দুইটা লম্বা সিটিই আলু সুন্দরমত সিদ্ধ করার জন্য যথেষ্ট। 



প্রেসার কুকার কিনতে ক্লিক করুন 

পোলাও/খিচুড়ি:
প্রেসার কুকারে সাদা পোলাও করা যায়। এক্ষেত্রে চালের পরিমাণ যতটুকু, পানিও ঠিক ততটুকু নিতে হবে। আর খিচুড়ি যদি পোলাও-এর চাল দিয়ে করতে চান, তাহলে চাল-ডালের সমপরিমাণ থেকে একটু কম পানি দিতে হবে। ভাতের চাল দিয়ে খিচুড়ি করলে ডালের সমপরিমাণ পানি, আর চালের দ্বিগুণ পরিমাণ পানি যোগ করে দিলেই হবে। সবজি-খিচুড়ি করলেও একই নিয়ম, শুধু সবজীর জন্য খুব সামান্য পরিমাণ পানি যোগ করে দিতে হবে।

প্রেসার কুকারের বিশাল কালেকশন থেকে আপনার পছন্দেরটি কিনতে এখানে ্ক্লিক করুন

*প্রেসারকুকার* *রমজান* *সেহেরি* *রান্না*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আর ঘুম নয়। সময় হয়েছে সেহেরির। গলায় সুর তুলে হাঁক দিয়ে চলে যায় রাত জাগানিয়ার দল। গোটা রমজান মাস জুড়েই চোখে ঘুম নেই এই রাত জাগানিয়াদের। তা না হলে গ্রামবাসীদের রোজার জন্য তৈরি হতে বলবে কে? সেহেরি খাওয়ার কথা মনে করিয়ে দেওয়াই কাজ ওঁদের। কারণ বিশ্বাস, তাতে তুষ্ট হবেন আল্লাহ্। বিপদ আপদ, রোগ বালাই রক্ষা করবেন তিনি। আর তাই পবিত্র রমজান মাস পড়লেই কাজে নেমে পড়েন তারা। সাধারণ মানুষের কাছে ওদের পরিচিতি ‘ রাত জাগনিয়া দল’ হিসেবে l  

দলের মানুষজনের হাতে থাকে টর্চ, হ্যাজাক আর হ্যারিকেন। সারা রাত ধরে গ্রামে গ্রামে ঘুরে তাঁরা গাইতে থাকেন গজলের পংক্তি। আর সেই সুর শুনেই সেহেরির জন্য প্রস্তুত হতে থাকেন যাঁরা রোজা রাখেন তাঁরা। প্রচণ্ড গরম, বৃষ্টি কোনও কিছুই বিরত করতে পারে না এই রাত জাগানিয়াদের। সকলেই মনে করেন এটি তাদের সামাজিক ও ধার্মিক কর্তব্য।

রাত জাগানিয়া দলের ঐতিহ্য অবশ্য বেশ প্রাচীন। আগে যখন সময় প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সময় দেখার তেমন বন্দোবস্ত ছিল না, তখন থেকেই রোজাদারদের সেহেরি খাওয়ানোর জন্য রয়েছে এই দল। শহর বা গ্রামে মূলত কিশোরেরাই বেশিরভাগ সময়ে জাগনদার হিসেবে কাজ করেন। তবে অনেক দলে বয়স্করাও থাকেন।

একেবারেই সামাজিক কতর্ব্য মনে করে কোনও পারিশ্রমিক না নিয়েই কাজ করেন এই সব জাগনদাররা। তবে বহু জায়গায় স্থানীয় মানুষ এদের অর্থ সাহায্য করেন। ওই টাকায় দলের সদস্যদের নতুন কাপড় কিনে দেওয়া হয়। এমনকি দুঃস্থ ছেলেমেয়েদের সাহায্য করেন তারা l 

গ্রামাঞ্চলে এই দৃশ্য আজও নজর কাড়ে আমাদের, তাদের এই নিঃস্বার্থ অবদান মুগ্ধ করে আমাদের (গুরু)
*সেহেরি* *রমজান* *রাতজাগানিয়া*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উপকরণ: শসা আধা কেজি (বড় শসা), চিংড়ি মাছ বেছে নেওয়া আধা কাপ, হলুদ গুঁড়া ও ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ করে, মরিচ গুঁড়া ইচ্ছামতো, আস্ত কাঁচামরিচ ৪/৫টি, লবণ পরিমাণমতো, জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ, তেল ৪ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ৪ টেবিল চামচ, তেজপাতা ২ টি, ধনেপাতা কুচি ১ মুঠো।

 

প্রণালি: শসা খোসা ছাড়িয়ে টুকরা করে কেটে ধুয়ে নিন। এবার কড়াইয়ে তেল দিয়ে তেজপাতা ও পেঁয়াজ কুচি দিন। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে জিরা গুঁড়া বাদে সব গুঁড়া মসলা সামান্য পানিতে গুলে ঢেলে দিন। এবার মসলা কষিয়ে চিংড়ি দিন। তারপর শসা দিয়ে কষিয়ে লবণ দিয়ে নেড়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে মাঝারি আঁচে ঢেকে দিন। শসা সিদ্ধ হয়ে ঝোল কমে এলে জিরা গুঁড়া ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ২/৩ মিনিট পর নামিয়ে নিন।
*শসা* *চিংড়ি* *রেসিপি* *সেহেরি* *হেলদিফুড*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে


উপকরণ: বড় শসা ১ টি টুকরো করে নেয়া, বোনলেস চিকেন ১ কেজি, আদা বাটা ১ টেবিল চামচ (সমান), রসুন বাটা ২ চা চামচ, ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ, কাঁচা মরিচ বাটা ১ চা চামচ (ইচ্ছামতো ঝাল যে যেমন খান), তেজপাতা ২টি, এলাচ ও দারুচিনি ৩টি করে, তেল আধা কাপ, কাঁচা মরিচ ১/২টি (গার্নিশের জন্য) , লবণ পরিমাণমতো, কারি পাউডার আধা চা চামচ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ এবং পেয়াজ ফুল আধা কাপ l 

প্রণালি: চিকেন টুকরো করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার কড়াইতে তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি দিন। তারপর তেজপাতা ও গরম মসলার ফোড়ন দিন। এবার সব বাটা ও গুঁড়া মসলা কষিয়ে তাতে মোরগের মাংস ঢেলে দিন। লবণ দিয়ে নেড়েচেড়ে ঢেকে দিন। ৪/৫ মিনিট পর শসা  দিয়ে কষিয়ে পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে দিন ; মাঝারি আঁচে মাংস ও শসা সিদ্ধ হয়ে এলে কারি পাউডার ও আস্ত কাঁচা মরিচ, পেয়াজ ফুল, কাটা পেয়াজ দিয়ে মৃদু আঁচে রাখুন। কিছুক্ষণ পর পরিবেশন পাত্রে ঢেলে নিন।
*সেহেরি* *হেলদিফুড* *রেসিপি*
ছবি

অভ্র মেঘ: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

রাজশাহী ইউনিভার্সিটি এর কেন্দ্রীয় মসজিদ .

আমার তোলা .

*রমজান* *ঈদ* *ঈদুলফিতর* *ইফতার* *সেহেরি*

আকমল হোসেন আজাদ: ..:: সেহরির দোয়া ::.. "নাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম মিন শাহরি রমদানাল মুবারকি ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বাব্বাল মিন্নী ইন্নাকা আনতাস সামীউল আলীম" আল্লাহ যেন আমাদেরকে রমজানের সবগুলো রোজা রাখার তৌফিক দান করুক (আমিন)।

*রমজান* *সেহেরি*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★