স্কুল জীবন

স্কুলজীবন নিয়ে কি ভাবছো?

Tanvir Ahmed Rifat: *স্কুলজীবন* তৃতীয় শ্রেণী থেকে রোল নং ৩ ছিল, দুষ্টামিও করতাম প্রচুর। স্যার আর ম্যাডামরা আব্বু আসলে বিচার দিত। কিন্তু পড়াশোনায় বলত ভাল আছি।

সাদাত সাদ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

কেমন ছিল স্কুল লাইফের দিন গুলো?
স্কুলে গেলেই আমার দুচোখ জুড়ে ঘুম আর ঘুম শেষ পর্যন্ত এই ঘুমের জন্যে কতবার যে বেতের আগাত পেয়েছি তাহার হিসাব নেই (মাইরালা২)(আম্মুউউউ)
*স্কুলজীবন*

আমিদেবদুত: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে অতিরিক্ত অর্থায়ন করছে দাতারা। ফলে এটি বাস্তবায়নে বৈদেশিক সহায়তা অংশের বরাদ্দ বাড়ছে। এ কর্মসূচীটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ৪০ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকও দিচ্ছে ১২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় এক হাজার কোটি টাকা। সম্প্রতি অতিরিক্ত এ অর্থায়নের বিষয়টি অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক বোর্ড। চলমান তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচীর জন্য আরও ৪০ কোটি মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত অর্থায়নের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষায় ভর্তির হার ৯৮ শতাংশ এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনের হার ৮০ শতাংশে উন্নীত করে প্রাথমিক শিক্ষা মানের অগ্রগতি অব্যাহত রাখা হবে। এছাড়া এ প্রকল্পের আওতায় মেধাভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ ও শূন্যপদ পূরণের নিশ্চয়তা বিধানে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। শিক্ষা বছরের প্রথম মাসেই ৯০ শতাংশ স্কুলে পাঠ্যবই বিতরণ নিশ্চিত করা হচ্ছে সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত কর্মসূচীর জন্য অতিরিক্ত অর্থায়নের মাধ্যমে ১ কোটি ৯০ লাখ শিশুকে স্কুলমুখী করা এবং মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদান ও প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্ত করা নিশ্চিত হবে। আরও বেশিসংখ্যক শিশুকে প্রাথমিক শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসা ছাড়াও এ কর্মসূচীর অধীনে বিশেষ করে অনগ্রসর এলাকাসমূহে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা অব্যাহত রাখা হবে এবং স্কুলের সুযোগ-সুবিধা ও অবকাঠামো মান উন্নত করা হবে। উপবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে অধিক সংখ্যায় নিম্ন আয়ভুক্ত পরিবারের শিশু ও মেয়েদের ভর্তির ব্যবস্থা করে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় সর্বজনীন অভিগম্যতা অর্জন করে ফেলেছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় বাংলাদেশ নারী-পুরুষ সমতাও অর্জন করেছে। এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি মেয়ে মাধ্যমিক স্কুলে পড়াশোনা করতে পারে। শিক্ষার প্রায় সব ক্ষেত্রেই অভিগম্যতা ও সমতা অর্জনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে উপবৃত্তি। উপবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে অধিক সংখ্যায় নিম্ন আয়ভুক্ত পরিবারের শিশু ও মেয়েদের ভর্তির ব্যবস্থা করে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষায় প্রায় সর্বজনীন অভিগম্যতা অর্জন করে ফেলেছে। প্রাথমিক স্কুলে মোট ভর্তির হারে শতভাগসহ অন্যান্য শিক্ষায় ব্যাপক অগ্রগতি বাংলাদেশ অর্জন করেছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। 

*শিক্ষা* *সরকার* *স্কুলজীবন* *প্রথমিকশিক্ষা* *পড়াশুনা*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাটি হাটি পা পা করে ছোট্ট সোনামনিটি স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে। নতুন বছরে তার নতুন স্কুল যাত্রা উপভোগ্য ও আনন্দময় করে তুলতে অভিভাবকদের একটু বেশি সচেতন হতে হবে। মনে রাখবেন, সবে মাত্র আপনার সন্তানের স্কুলযাত্রা শুরু হল। এ সময়টাতে পড়াশুনার চাইতে প্রস্তুতি ও তার মনযোগ বৃদ্ধির জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার স্কুলজীবনের পথচলা সহজ করতে ও ধারাবাহিকতা ধরে রাখার জন্য অনেক কিছুই করতে হবে আপনাকে? চলুন জেনে নেওয়া যাক স্কুলগামী শিশুর জন্য কি কি করতে হবে ....

* যেহেতু সন্তনরা প্রথম স্কুলে যাচ্ছে তাদের একটু বেশি গুরুত্ব ও সময় দিতে হবে শিশুদের। কিছু বিষয় সন্তানদের শেখানো জরুরি। যেন তারা স্কুলে মানিয়ে নিতে পারে।
* সন্তানকে প্রথম থেকেই অন্যদের সাথে মেশার সুযোগ করে দেবেন এবং এর জন্য তাদের উৎসাহ দেবেন।
* স্কুল কেন খুব মজার জায়গা সেগুলো তাদের বোঝাবেন। যেমন স্কুলে অনেক বন্ধু হবে, স্কুলে সে বন্ধুদের সাথে পড়াশোনার সাথে সাথে খেলবে, গল্প শুনবে, কবিতা শিখবে। মজার টিফিন খাবে- এসব বিষয় তাদের বুঝিয়ে বলুন।
* প্রথম থেকেই শিশুদের সময়ানুবর্তিতা শেখান। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো, ঘুম থেকে ওঠা, স্কুলে পৌঁছানো যেন সঠিক সময়ে হয় সে জন্য শিশুকে সাহায্য করুন।
* বইখাতা ঠিকমতো গুছিয়ে দিন। বড়দের বইখাতা গোছানোর পর নিজেরা একবার চেক করে নিন।
* সকালে দুধ, ডিম তৈলাক্ত খাবার না খাওয়ানোই ভালো। এতে অনেক সময় শিশুদের অ্যাসিডিটি হয় বমি বমি ভাবও হতে পারে।
* স্কুলের টিফিন আওয়ারে খাওয়ার জন্য টিফিন ও পানি অবশ্যই দিয়ে দেবেন। তবে টিফিন যেন পুষ্টিকর হয় সে বিষয়টি লক্ষ রাখুন।
* খাওয়ার সময় ব্যবহার করার জন্য অবশ্যই সাথে ন্যাপকিন দেবেন। খাওয়ার পর কিভাবে টিফিন বক্স গুছিয়ে রাখবে সেই বিষয়টিও শিখিয়ে দেবেন।
* টিফিন বক্স ও পানির ফাস্কের মুখ ভালোভাবে আটকে দিন। যেন কোনোভাবেই খুলে না যায়।
* নতুন ও সুন্দর পেনসিল, রাবার রঙপেন্সিল, ব্যাগ শিশুদের পড়াশোনায় উৎসাহ বাড়ায় তাই মাঝে মধ্যে তাদের এগুলো উপহার দিতে পারেন। সেই সাথে প্রতিদিন ছুটির আগে সব কিছু গুছিয়ে নিয়ে আসার কথা বুঝিয়ে দিন।
* ক্লাসে যেন বেশি কথা না বলে, টিচার বা অন্যদের যেন বিরক্ত না করে, টিচার যা করতে বলেন সেগুলো যেন ঠিকঠাকমতো করে সেই বিষয়টিও বুঝিয়ে দিন।
* প্রতিদিন হোমওয়ার্ক ঠিকমতো শেষ করতে সাহায্য করুন।
* স্কুলের ড্রেসকোড ঠিকঠাকমতো মেনে চলুন। সেই সাথে প্রতিদিন পরিষ্কার জামা ও জুতা গুছিয়ে দিন।
* ক্লাসের শিক্ষক বা শিক্ষয়েত্রীর সাথে কথা বলে জানতে চেষ্টা করুন আপনার সন্তানের ক্লাস পারফরম্যান্স কেমন। তার কোনো সমস্যা আছে কি না।
* আপনার সন্তানের কোনো অসুস্থতা বা সমস্যা থাকলে সেই বিষয়টিও শিক্ষিকাকে জানিয়ে রাখুন।
* অনেক শিশু খুব চাপা স্বভাবের হয়। তাকে জোর করে কিছু করাতে চেষ্টা করবেন না।
* দুষ্ট শিশুদের সাথে আরো ভালো আচরণ করুন। যেন তারা ধীরে ধীরে নিজেদের সমস্যাগুলো বুঝতে শেখে।
* সঠিক সময়ে শিশুকে স্কুল থেকে নিয়ে আসবেন। অনেক সময় ছুটির পর বাবা-মাকে না দেখে শিশুরা ভয় পেয়ে যায়। তাই এ অবস্থা যেন তৈরি না হয় সে দিকে লক্ষ রাখুন।
* সন্তানের সাথে কোনো দামি জিনিস দেবেন না; বা সে যেন এ ধরনের জিনিস সাথে করে স্কুলে না নিয়ে যায় সেই দিকেও নজর রাখুন।
* ছোটবেলা থেকেই পাঠ্যবইয়ের সাথে সাথে অন্যান্য গল্প, ছড়ার বই পড়তে শেখান। এতে শিশুর পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়বে।

আরেকবার মনে করিয়ে দেই, ছোট শিশুরা যেমন পরিবেশ পাবে সেভাবই বেড়ে উঠবে। তাই প্রথম থেকেই তাদের প্রতি যত্নশীল হতে চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে আপনি আপনার সন্ধানের বন্ধু হয়ে যান।

*স্কুলজীবন* *পড়াশুনা* *শিক্ষা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আপনার আদরের ছোট সোনামনি কি স্কুল জীবন শুরু করেছে? ছোট সোনামনিটির স্কুল জীবন শুরু হলেই তার প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়া দরকার। তার প্রতিদিনের স্কুলে যাওয়ার সময় প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো সে নিচ্ছে কি না তা খেয়াল রাখার দ্বায়িত্ব আপনারই? সেক্ষেত্রে স্কুল গামী বাচ্চাদের জন্য যা কিছু চাই-ই-চাই সে সব প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া খবই জরুরী। চলুন জেনে নেয়া যাক স্কুল গামী সোনামণিদের প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র গুলো সম্পর্কে।

স্কুল ব্যাগ
স্কুল ব্যাগ নিয়ে বাচ্চাদের যেন একটু বেশি আগ্রহ। সব শিশুই চায়, তার ব্যাগটি হবে সবচেয়ে সুন্দর। শিশুরা কার্টুনের ভক্ত। তাই  প্রায় সব শিশুই পছন্দ করছে টম অ্যান্ড জেরি, পাপাই, বার্বি ডল, ডোনাল্ড ডাক, জেরি, বু ব্যাট, মিকি মাউস, পাওয়ার পাফ গার্লস ও পোকেমনের ছবিসহ ব্যাগগুলো।

টিফিন বক্স ও পানির পট

শিশুদের স্কুল ব্যাগের সঙ্গে টিফিন বক্স ও পানির পট অপরিহার্য। বিভিন্ন আকার, রঙ ও ডিজাইনের বক্স ও পানির পট পাওয়া যায় বাজারে। সাদা, লাল, নীল, সবুজ, কমলা, আবার বিভিন্ন রঙের মিশ্রণও আছে। আরএফএল পাস্টিক শিশুদের জন্য মিকি মাউস, আপেল শেপ, ক্যান্ডি বক্স ও স্কুল টিফিন বক্সে চার ধরনের টিফিন বক্স এনেছে। পানির পটের ডিজাইনও আছে বিভিন্ন ধরনের।

রঙ পেন্সিল ও পেন্সিল বক্স
বাজারে বিভিন্ন রকম পেন্সিল বক্স পাওয়া যায়। তবে ভালো মানের পছন্দসই বক্সের জন্য দিতে হবে কিছুটা বেশি দাম। রঙ পেন্সিল ১২, ২৪ ও ৩৬ রংয়ের পেন্সিলের সেট পাওয়া যায়। ছোট বক্সের এক ডজন রঙ পেন্সিলের দাম ৭০ থেকে ১০০ টাকা। বিভিন্ন রঙের ব্যাগও পেন্সিল বক্সের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এগুলোর দাম ২৫ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে।

ছাতা
বর্ষার দিনে ছাতার প্রয়োজন অতুলনীয়। শুধু বৃষ্টি নয়, প্রচণ্ড রোদের হাত থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহার রয়েছে ছাতার। বাহারি রঙের ছাতা পাওয়া যাবে ৪০০-৪৫০ টাকায়।

রেইন কোট
রেইন কোটের ব্যবহার ছাতার চেয়েও সুবিধাজনক। রঙবেরঙের রেইন কোট শিশুদের কাছে অনেক পছন্দের একটি জিনিস। এখন বাজারে বাচ্চাদের পছন্দের কথা বিবেচনা করে নানা ডিজাইনের কার্টুনসংবলিত রেইন কোট পাওয়া যায়, যা শিশুদের তো আকৃষ্ট করেই, বড়দেরও দৃষ্টি কাড়ে।

*স্কুলজীবন* *পড়াশুনা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতা, দুর্নীতি, স্বজন প্রীতি, দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং মুল্যস্ফীতির কারণে আমরা যারা ভাবি, “এই দেশে কিসসু হবে না। দেশটা একদম রসাতলে গেছে”, তাদেরকে বলছি। আশার আলো এখনো ফুরিয়ে যায়নি। বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে ভালো কিছুর জন্য মডেল হতে পারে। যেটি আমরা অতীতেও দেখেছি এখনো দেখছি। তারই একটি উদাহরণ এই ‘ভাসমান স্কুল’।

ছয় বছর বয়সি মোহাম্মদ ওয়াসীমকে নদীর ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তার বন্ধুদের সাথে। পিঠে তাদের নানা রঙের ব্যাগ৷ অপেক্ষা স্কুলের জন্য৷ এখানকার স্কুলে শিক্ষার্থীদের যেতে হয়না, বরং স্কুলই চলে আসে শিক্ষার্থীর কাছে ! বলছি নাটোরের চলনবিল সংলগ্ন একটি দুর্গম এলাকার কথা৷ যেখানে নৌকাতে তৈরি করা হয়েছে এমন একটি বিদ্যালয় যাতে আছে পাঠাগার এমনকি ইন্টারনেট ক্যাফেও৷ শিশু কিশোররা এসব নৌকায় চড়ে প্রাথমিক শিক্ষা নেয়, বই পড়ে আর ইন্টারনেটের ব্যবহার করে৷ বলা বাহুল্য এটিই হচ্ছে আলোচিত ‘ভাসমান স্কুল’ যার উদ্যোক্তা বাংলাদেশের তরুণ স্থপতি মোহাম্মদ রেজওয়ান।

বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের শতকরা ৬৬ ভাগই বাস করেন গ্রামে৷ ২০০২ সালের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, মৌসুমী বন্যায় বাংলাদেশের এক পঞ্চমাংশ এলাকা প্লাবিত হয়৷ এছাড়া বড় বড় বন্যায় দেশটির দুই তৃতীয়াংশ এলাকা পানির নীচে চলে যায়৷ এই বন্যার সবচেয়ে বড় শিকার স্কুলের শিক্ষার্থীরা৷ বন্যার সময় দেশের অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়৷ ২০০৭ সালের বন্যায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ শতাংশ মানে ১৫ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয় স্কুল ডুবে যাওয়ার কারণে৷ জাতিসংঘের হিসেব অনুযায়ী, এই শতকের শেষ নাগাদ বাংলাদেশের অন্তত ১৮ শতাংশ এলাকা তলিয়ে যাবে৷ গৃহহীন হবে কমপক্ষে ৩০ মিলিয়ন মানুষ৷ তাই, পানিতে বেঁচে থাকার নানা উপায় নিয়ে গবেষণা চলছে এদেশে৷ এমনই এক তরুণ গবেষক মোহাম্মদ রেজওয়ান। বেসরকারি সাহায্য সংস্থা সিধুলাই স্বনির্ভর সংস্থার কর্নধার তিনি৷ নিজের উদ্যোগে তৈরি করছেন একের পর এক নৌকা-স্কুল৷

রেজওয়ান তার স্কুল সম্পর্কে বলেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে৷ উত্তরাঞ্চলের নদীগুলো দিনে দিনে বড় হচ্ছে৷ কারন নদীর ভাঙন বাড়ছে৷ তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে জলবায়ু পরির্বতনের সঙ্গে খাপ খাওয়ার নানা উপায় ভাবতে হচ্ছে আমাদেরকে৷তিনি বলেন, ‘‘নৌকায় স্কুল, লাইব্রেরি বা ট্রেনিং সেন্টার তৈরির ক্ষেত্রে আমাদের সফল মডেল রয়েছে৷”

নৌকা-স্কুলের পুরোটা জুড়েই ক্লাসরুম৷এসব ভাসমান বিদ্যালয়ে সপ্তাহে ৬ দিন গড়ে চারঘন্টারও বেশি সময় লেখাপড়া করে শিক্ষার্থীরা৷ অনেকে বাড়ির ঘাট থেকেই নৌকায় ওঠে৷নৌকা স্কুলগুলোর দৈর্ঘ্য ৫৫ ফুট, প্রস্থ ১১ ফুট৷অন্তত জনাত্রিশেক শিক্ষার্থী একত্রে বসতে পারে সেখানে৷এক যুগের ব্যবধানে বর্তমানে প্রায় ৯০ হাজার পরিবারের শিশুরা আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় ভাসমান স্কুলে শিক্ষা গ্রহণ করছে৷ ২২টি স্কুলে ১,৮১০ জন শিশু পড়াশুনা করছে৷শিক্ষক ছাড়াও তাদের জন্য রয়েছে মাল্টিমিডিয়া শিক্ষার ব্যবস্থা৷ কম্পিউটার ব্যবহার করেও নানা বিষয় সেখানো হয় তাদের৷এ স্কুলের এক নিয়মিত শিক্ষার্থী হাসিনুর রহমান৷ তাঁর কথায়, আমাদের গ্রামে নৌকা পাঠাগার আসার আগে ইন্টারনেট বা কম্পিউটার সম্পর্কে কেউ কিছু জানতো না৷

প্রশ্ন হলো, নৌকার মধ্যে কম্পিউটার চলে কীভাবে? কিভাবেই বা জ্বলে লাইট বাল্ব? উত্তরটা কিন্তু সোজা৷ নৌকা-স্কুলের ছাদেই বসানো আছে সোলার প্যানেল, সেই প্যানেল চার্জ করে কয়েকটি ব্যাটারিকে৷ এসব ব্যাটারিই শক্তির মূল উৎস৷

এছাড়া কলম, বই – সবই থাকে বিনা খরচায়৷ তাই এই বিদ্যালয়ে যেতে শিক্ষার্থীদের কিছুই কিনতে হয়না৷এক শিক্ষার্থী জানালেন, তাদের গ্রামে দুই থেকে তিনবার বন্যা হয়৷ বন্যার সময় অন্যান্য স্কুল ডুবে যায়৷ নৌকা স্কুল ডোবে না৷

নৌকা-স্কুলের দেখাশোনার দায়িত্বে আছেন মধুসুদন কর্মকার৷ তিনি বলেন, বর্ষাকালে চলনবিল এলাকায় স্কুলে যাওয়া বড় কঠিন কাজ৷ কেননা রাস্তাঘাটে পানি উঠে যায়৷ চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে অনেক এলাকা৷ তাই, নৌকা-স্কুলই ভরসা অনেকের জন্য৷

বেশ দ্রুতই রেজওয়ানের ‘ভাসমান স্কুল’ প্রকল্প নাম করেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে৷ একদিকে তিনি যেমন গেটস ফাউন্ডেশন থেকে ‘মিলিয়ন ডলার ফান্ড’ পেয়েছেন তো অন্যদিকে ইন্টেল তাঁকে অ্যাওয়ার্ডও দিয়েছে। সিধুলাই এর উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে দেশী বিদেশী সংবাদমাধ্যমে৷ সিএনএন থেকে শুরু করে গার্ডিয়ান পর্যন্ত প্রায় সব আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এই খবরকে গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে৷ ইউনিসেফের ওয়েবসাইটে শোভা পাচ্ছে ‘ভাসমান স্কুল’ নিয়ে রেজওয়ানের লেখা একটি নিবন্ধ৷ টুইটারে টপ ট্রেন্ড এটি৷ইতিমধ্যে এই সংস্থা কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছে গেটস ফাউন্ডেশনের পুরস্কার, সাসাকা এওয়ার্ড, ইন্টেল পরিবেশ এওয়ার্ডসহ বেশকিছু সম্মাননা৷ এ প্রকল্পকে ঘিরে নির্মিত হয়েছে দুটি তথ্যচিত্র৷ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির মুখে থাকা আরও অনেক দেশে চালু হয়েছে এই নৌকা স্কুল৷ এ সব দেশের মধ্যে রয়েছে কম্বোডিয়া, নাইজেরিয়া, ফিলিপাইন্স, ভিয়েতনমি ও জাম্বিয়া৷সর্বশেষ আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রমে এ ভাসমান স্কুল প্রকল্প সম্পর্কে পড়ানো হচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সংকট মোকাবেলায় মানুষের সংগ্রামের অসাধারণ চিত্রকল্প হিসেবে৷

রেজওয়ান জানান, তিনি পুরস্কারের টাকায় নৌকা স্কুল, সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে গ্রাম আলোকিত করার প্রকল্পসহ স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার কাজ করছেন৷ এখন তিনি কাজ শুরু করেছেন পানিতে ভাসমান সবজি চাষ এবং কৃষি খামার প্রকল্প করার লক্ষ্যে৷ আর ভাসমান স্কুলকে ভাসমান বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত উন্নীত করার স্বপ্নও তাঁর রয়েছে৷ তবে এর জন্য আরও বেশি তহবিল প্রয়োজন৷ এ তহবিলসংগ্রহ অনেক কঠিন৷ সেই কঠিন প্রচেষ্টাই এখন চালিয়ে যাচ্ছেন মোহাম্মদ রেজওয়ান৷সিধুলাই স্বনির্ভর সংস্থা চলনবিল সংলগ্ন এলাকার সাধারণ মানুষকে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিভিন্ন শিক্ষা দেবারও চেষ্টা করে৷ তবে, তাদের মূল উদ্দেশ্য নৌকা স্কুল৷ সংস্থাটি চায়, চলনবিলের এক লাখ আশি হাজার শিশু কিশোরকে নৌকায় শিক্ষা দিতে৷ এজন্য চাই আরো নৌকা, আর্থিক সহায়তা৷
সূত্রঃ বিডি নিউজ২৪.কম

*স্কুল* *পড়াশুনা* *স্কুলজীবন*

★ছায়াবতী★ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে


সন্তানের প্রথম স্কুল শুরু হচ্ছে নতুন বছরে। স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি নিয়ে কিছুটা দুঃচিন্তা হতেই পারে। এই প্রথম বাসার বাইরে সময় কাটাবেও।

মিশতে শুরু করবে নতুন ছেলেমেয়ের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে চলতে গিয়ে, একই পড়তে গিয়ে অসুবিধায় পড়বে না তো আদরের সোনামণিটা? অার প্রথমিদন ক্লাসে বসিয়ে দেয়ার পর যদি কান্নাকাটি করে।

বাচ্চার প্রথম স্কুল নিয়ে বাবা মায়ের এমন চিন্তা হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। বাচ্চার প্রথম স্কুল যাওয়ার বিষয়ে করণীয় কী, এ বিষয়ে অভিভাবকদের কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয়ের এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মেহজাবিন হক।

০ স্কুলে যাওয়ার আগে থেকেই স্কুল সম্পর্কে ইতিবাচক ধারনা বাচ্চার মধ্যে গড়ে তুলুন। বাচ্চাদেরকে আগে থেকেই স্কুল সম্পর্কে মজার মজার গল্প বলে স্কুলের ব্যাপারে তাদের উৎসাহী করে তুলুন।

০ বাসায় দুজন মিলে স্টুডেন্ট-টিচার খেলতে পারেন। আপনি প্রথম টিচার আর ও স্টুডেন্ট। আবার ও টিচার, আপনি স্টুডেন্ট হোন। এভাবে ক্লাসে টিচার ঢুকলে উঠে দাঁড়ানো, ক্লাস থেকে বাইরে বা ভেতরে ঢোকার সময় অনুমতি নেওয়া এরকম কিছু সহবত আগে থেকেই শিখিয়ে দিন।

০ স্কুলের ব্যাগ, পানির বোতল, টিফিন বক্স এবং বইপত্র কেনার সময় অবশ্যই বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে যাবেন। এতে স্কুল সম্পর্কে সে কৌতুহলি হয়ে ওঠবে।

০ ক্লাস রোল, সেকশন, নিজের নাম আগে থেকেই শিখিয়ে দিন। স্কুল শুরু হওয়ার আগে বাসার নম্বর, টেলিফোন ও মোবাইল নম্বর খুব ভালো করে শিখিয়ে দিন। যাতে প্রয়োজনের সময় কাজে লাগে।

০ সম্ভব হলে হলে ক্লাস শুরুর আগে একদিন ওকে স্কুল, স্কুলের খেলার মাঠ ইত্যাদি ঘুরিয়ে আনতে পারেন।

০ স্কুলের প্রথম দিন জামা জুতো ওকে নিজেই পরতে দিন। আগের রাতে বইয়ের ব্যাগ গুছিয়ে রেখে দিন। স্কুলের আইডি কার্ড ইউনিফর্মের পকেটে লাগিয়ে দিন।

০ প্রথম প্রথম বাচ্চারা স্কুলে একটু ভয় পেতেই পারে। তাই প্রথম ক’দিন সারাটা দিন স্কুলেই থাকুন। পরে আস্তে আস্তে কমিয়ে দিন। সপ্তাহ শেষে ক্লাস টিচারের সঙ্গে অবশ্যই একবার কথা বলে নিন।

০ স্কুলে যাওয়ার সময় অনেক বাচ্চাই প্রথম প্রথম একটু ভয় পায়। তাই আগে থেকে স্কুল সম্পর্কে বাচ্চার মনে কোনো বিভীষিকা তৈরি হয় এমন কাজ করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকুন।

০ সন্তান স্কুলে মারপিটে হেরে গেলে নিজেকে দুর্বল মনে করে বা অন্য কোনো কারণে লজ্জা পেলে স্কুলের প্রতি তাদের অনীহা সৃষ্টি হতে পারে। অনেক সময় বাবা মাকেও এসব ব্যাপারে এড়িয়ে যায়। তাই গল্পচ্ছলে এসব ব্যাপারে জেনে নিন। বিষয়টা সহজ করে বুঝিয়ে বলুন।

০ স্কুলে কোনো বন্ধুর কাছে নতুন দামী কিছু দেখলে সে ব্যাপারে বাচ্চারা অনেক সময় আগ্রহী হয়ে ওঠে। ওকে এ ব্যাপারেও বুঝিয়ে বলুন, সব সময় দামী জিনিস মানেই সুন্দর জিনিস নয়।

০ বাচ্চার পড়ার সময় খেয়াল রাখুন যাতে সে কোনো কিছু শেখার ব্যাপারটা উপভোগ করে।

০ বাচ্চাকে পড়ে দেখিয়ে দেওয়ার সময় পড়ার সঙ্গে বাইরের জগতের সঙ্গে মিল রেখে কোনো কনটেন্ট বুঝিয়ে দিলে তারা পড়তেও আনন্দ পাবে। এতে করে নিজেই পড়ার দিকে আস্তে আস্তে মনোযোগী হয়ে উঠবে।

০ পড়াশোনাকে ওর কাছে সহজ করে তোলার চেষ্টা করুন। যেমন বাসার নম্বর, টেলিফোন নম্বর, নিজের খেলনার নাম যেভাবে মনে রাখে সেভাবে ওর সাধারণ জ্ঞান বাড়াতে পারেন।

০ অনেক সময় দেখা যায় বাচ্চা পড়তে ভালোবাসে কিন্তু শিখতে চায় না তখন জোর না করে ছোট ছোট কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে শেখার প্রতি আগ্রহী করে তুলুন। যেমন, দোকানে আইসক্রিম কেনার সময় ফেরত টাকাটা হিসেব করে বের করতে বলুন ওকে। কিংবা দুইটা চকলেটের দাম ১০ টাকা হলে চারটার দাম কত এমন সহজ হিসেব ওকে বের করতে বলুন।

০ অন্যের থেকে ভালো করতে হবে এমন ধারনা বাচ্চার মনে জন্ম হতে না দেওয়াই ভালো। ওর ভেতর এখনই অসুস্থ প্রতিযোহিটারে বিষয়টা জন্ম হতে দিবেননা।

*সংগৃহীত*
*স্কুলজীবন*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজ ১ জানুয়ারি শুরু হল ইংরেজী নতুন বছর ২০১৫। বছরের প্রথম দিন হওয়ায় স্কুলে ভর্তির ধুম পড়ে গেছে শুরু হয়েছে ছোট্ট সোনামণিদের স্কুল জীবনের পথচলা। দু’দিন আগেই যে শিশুটি হাটি হাটি পা পা করে মায়ের হাত ধরে ঘুরে বেড়িয়েছে সে আজকে তার নতুন স্কুল জীবন শুরু করতে যাচ্ছে। শুরু হল নতুন করে পথ চলা।

বছরের শুরুর দিনটা অর্থাৎ ১ জানুয়ারি এখন জাতীয় পাঠ্যপুস্তুক উৎসব দিবস। এই দিন সারা দেশজুড়ে চলছে বর্ণাঢ্য পাঠ্যবই উৎসব।
দেশজুড়ে চলছে বর্ণাঢ্য পাঠ্যবই উৎসব।
দেশজুড়ে চলছে বর্ণাঢ্য পাঠ্যবই উৎসব।
নতুন ভাবে স্কুলে ভর্তি ও নতুন শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে একযোগে পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে। শিশুদের হাতে হাতে শোভা পাবে নতুন বই।

প্রতিটি বিদ্যালয়ের আঙিনায় গিয়ে আজ দেশের কয়েক কোটি শিক্ষার্থী নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নেবে। বাড়ি ফিরবে নতুন বই হাতে আনন্দে উদ্বেলিত শিশু-কিশোররা। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চার কোটি ৪৪ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে ৩৫ কোটি নতুন বই তুলে দেবে সরকার। প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এ বই বিনামূল্যে পাবে।

সোনামণিদের নতুন দিনের পথ চলা শুভ হোক। শিক্ষার আলোয় আলোকিত হোক সমগ্র বাংলাদেশ। এই শুভ প্রত্যয় রইল ছোট্ট সোনামণিতের জন্য।
*স্কুলজীবন* *পড়াশুনা* *শিক্ষা*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাটি হাটি পা পা করে স্কুল জীবন শুরু হয় সেই নার্সারী থেকে। নার্সারী থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশুনায় শত সফলতা আসলেও মূলত সর্বচ্চো সফলতা প্রকাশ পায় পিএসসি পরীক্ষায় পাশ করা মধ্য দিয়ে। পিএসসি হচ্ছে দেশের সর্ববৃহৎ পাবলিক পরীক্ষা যেখানে সর্বচ্চো সংখ্যক পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। আর পিএসসি পরীক্ষায় পাশ করার মধ্যদিয়ে একজন শিক্ষার্থী সরকারী ভাবে তার সফলতার স্বীকৃতি লাভ করে।

স্কুল জীবনের ধাপ মূলত দু’টি। প্রথমটি হচ্ছে নার্সারী থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় ধাপটি হচ্ছে ক্লাশ সিক্স থেকে এসএসসি পরীক্ষার পাশ করা পর্যন্ত। পিএসসি যেহেতু সর্ব বৃহৎ পাবলিক ও জীবনের প্রথম পরীক্ষা তাই এই পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বাড়তি চাওয়া পাওয়া থাকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবক দু’জনের মধ্যেই।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া পিএসসি পরীক্ষা ২০১৪ এর ফলাফল প্রকাশের সময় তেমনটাই বাড়তি উচ্ছাস লক্ষ্য করা গেছে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে। ভাল ফলাফল করা বেশ কিছু শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তাদের জীবনের প্রথম পরীক্ষা সফল হওয়ায় তারা উজ্জিবিত। ভবিষ্যৎতে তারা লেখাপড়া শিখে মানুষের মত মানুষ হয়ে সোনার বাংলা গড়তে চায়। তাদের কারও কারও স্বপ্ন ডাক্তার হওয়া, কারও স্বপ্ন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার, কেউবা আবার শিক্ষক হয়ে মানুষ গড়তে চায়।

আজকের এই দিনে পিএসসি পরীক্ষায় পাশকৃত সকল শিক্ষার্থীদের প্রতি রইল বাড়তি শুভকামনা। তাদের সকল স্বপ্ন সফল হোক। সুন্দর হোক তাদের পথচলা।


*স্কুলজীবন* *পড়াশুনা* *ফলাফল*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৪/৫
অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে বাবার কাছে টাকা চেয়ে চিঠি লিখল....
শ্রদ্ধেয় বাপ, পড়ার বড় চাপ। ফুরিয়ে গেছে টাকা, কেমনে থাকি ঢাকা...? টাকার দরকার তাই, কিছু টাকা চাই। ইতি, তোমার কানাই।
বাবা চিঠি পেয়ে উত্তর দিলেন...., জাদু কানাই, সত্য কথা জানাই। পকেট এখন ফাকা, কেমনে পাঠাই টাকা...? টাকার খুব অভাব, ইতি তোর বাপ।
*জোকস* *স্কুলজীবন*
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

স্কুলজীবনে পরীক্ষাভীতিতে ভুগেনি এমন শিক্ষার্থী খুবই কম!

*স্কুলজীবন*
ছবি

নাহিন: ফটো পোস্ট করেছে

ক্সুলজীবনের মজার স্মৃতি কখনো ভোলার নয়

*স্কুলজীবন*

মৃন্ময়ী সাবিহা: *স্কুলজীবন* ও *কলেজজীবন* ভালো ভাবেই পার করেছি।কিন্তু এখন পড়াশুনায় যে *ফাঁকিবাজী* শুরু করেছি, তাতে *ভার্সিটিজীবন* শুরু করার সৌভাগ্য হবে কিনা তা নিয়েই ভীষন টেনশনে আছি! (ব্যপকটেনশনেআসি) (কান্না)

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★