স্নেহ

স্নেহ নিয়ে কি ভাবছো?

আলোহীন ল্যাম্পপোস্ট: স্নেহ,মায়া,প্রেম থেকে ভালোবাসার জন্ম এরপর তাকে পাওয়ার মোহ তৈরি হয় এভাবেই একটি ভালোবাসা সম্পুর্ণ হয় ।।

*স্নেহ* *মায়া* *ভালোবাসা* *প্রেম* *চক্র*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 একটি শিশু যখন জন্মায়, ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই তাকে ঘিরে বাবা-মা স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, সেই স্বপ্ন পূরণের অংশ হিসেবে সেই শিশুর উপর অনেকসময় এমন কিছু বিষয় চাপিয়ে দেওয়া হয় যা শিশুর জন্য ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। শিশুদের মন খুবই কোমল থাকে। কাজেই শিশুর সাথে কিছু কিছু কাজ করা বড়দের একেবারেই উচিত নয়।

আর আদর্শ বাবা-মা হতে হলে সন্তানদের প্রতি কিছু দায়িত্ব পালন করতে হয়। পাশাপাশি এমন কিছু আচরণ করা কখনোই উচিত না যেগুলো সন্তানদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। আসুন জেনে নিই সন্তানদের প্রতি এমন কিছু আচরণ যা একেবারেই করা উচিত না-
 
তুলনা করা: কোন মানুষই পুরোপুরিভাবে আরেকজন মানুষের মত হবেনা। এছাড়া কেইউ অন্য আরেকজনের সাথে নিজের নেতিবাচকভাবে তুলনা পছন্দ করেন না। শিশুদের ক্ষেত্রে এটা আরো বেশি। প্রায় সময়েই দেখা যায়, পরীক্ষায় খারাপ করলে অথবা অন্য যেকোন কারণে বাবা-মা শিশুকে অন্যদের সাথে তুলনা করেন। এই কাজ করলে শিশুর আত্মবিশ্বাস ভেঙে যায়।

সবার সামনে ছোট করা: অনেক বাবা-মা বাচ্চাদের অন্যদের সামনে বকা-ঝকা করেন। কারণে-অকারণে ছোট করেন। এতে শিশুরা মনে কষ্ট পায়। অনেক শিশু কথা কম বলে বা অন্যদের থেকে একটু আলাদা। অন্য সবাই যখন চিৎকার করে বাড়ি মাতিয়ে রাখে, তখন সে হয়তো আপনমনে ছবি আঁকে, গল্পের বই পড়ে। অনেকে সবার সাথে মিশতে পারে না। এ ধরণের শিশুর সাথেও অনেকেই খুব বাজে আচরণ করেন। তাকে সবার সামনে ক্রমাগত ছোট করলে সেই শিশু নিজের মধ্যে আরো গুটিয়ে যায়। ফলশ্রুতিতে সে আত্মবিশ্বাসহীন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।

জোর করা: অনেক সময় এমন হতে পারে, শিশু খেতে চাচ্ছে না। অথবা টিভি দেখার জন্য সে বই নিয়ে বসতে চাচ্ছে না। এক্ষেত্রে শিশুকে আদর করে ধীরে ধীরে বোঝাতে হবে। রাগারাগি করলে অথবা জোর করলে হীতে বিপরীত হবে। শিশু আরো বেশি জেদ দেখাবে।

বকা দেয়া: বিভিন্ন কারণে বাবা মায়েরা বাচ্চাদের বকা দিয়ে থাকেন। কিন্তু এটা করা একেবারে উচিত না। কেননা এর ফলে বাচ্চাদের মস্তিষ্কে বাজে প্রভাব পড়ে। এছাড়া অনেক বাবা-মা বিভিন্ন গালিগালাজ করে বকা দিয়ে থাকেন। এতে বাচ্চাদের বাবা-মার প্রতি খারাপ ধারণা হতে পারে। 

কাজের স্বীকৃতি না দেওয়া: শিশুরা যেমন ভালোবাসা চায়, তেমনি স্বীকৃতি ও উৎসাহ চায়। যেকোন গঠনমূলক কাজেই তাকে উৎসাহ দিতে হবে। শিশুকে পড়তে বলা হলো, সে যদি অনেক তাড়াতাড়ি পড়া তৈরি করতে পারে, তাকে তার জন্য প্রশংসা করতে হবে। তাকে ছোট একটা পুরস্কারও দিতে পারেন। এতে সে আরো বেশি অনুপ্রাণিত হবে। আর ভালো কাজ করলে ও তাড়াতাড়ি পড়া শেষ করেও যদি স্বীকৃতি না পায় তবে সে কাজের উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে দ্রুতই।

গায়ে হাত তোলা: শিশুরা অনেকভাবেই বিরক্ত করে থাকে। বিভিন্ন জিনিসপত্র অগোছালো করা থেকে শুরু করে নানা ধরনের দুষ্টমি করে থাকে। এসব কারণে অনেক বাবা মা বিরক্ত হয়ে বাচ্চাদের মারধর করে থাকেন। কিন্তু এটা একেবারেই ভুল কাজ। ছোট বয়সে বাচ্চাদের মানসিক অবস্থা অনেক শক্তিশালী থাকে। তাদেরকে বিভিন্ন কারণে মারধর করলে তা তাদের মস্তিষ্কে আঘাত আনে। এ কারণে বাচ্চাদের গায়ে কখনই হাত তোলা উচিত না।

লোভ দেখানো: অনেক বাবা-মা সন্তানদের বিভিন্ন লোভ দেখিয়ে কাজ করে নেন। এর ফলে বাচ্চাদের মাঝে লোভ বিষয়টা স্থায়ী হয়ে যায়। পরে তারা বিনিময় ছাড়া কোনো কাজই করে না। পাশাপাশি লোভের মত খারাপ স্বাভাবটি থেকে যায়।

ঝগড়া করা: অনেক সময়ই বাবা মায়ের মধ্যে ঝগড়া হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে বাবা মায়ের যে আচরণটি একেবারেই করা উচিত না সেটি হল সন্তানদের সামনে ঝগড়া করা। এর ফলে বাচ্চাদের মনে এক ধরনের ভয় তৈরি হয়, পাশাপাশি তাদের মানসিক অবস্থারও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে।
*শিশুকাল* *স্নেহ* *শিশু*

সাদাত সাদ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জিবনে মানুষের কত সপ্নই না থাকে ঠিক তেমনই আমারও অনেক সপ্ন ছিল ইঞ্জিনিয়ার হব,  কিন্তু ভাগ্যক্রমে সেটা হয়ে উঠেনি।  প্রাথমিক থেকে শুরু উচ্চবিদ্যালয় পর্যন্ত বরাবরই আমি ভাল ছাত্র ছিলাম। স্কুলের ম্যাডাম কিংবা স্যার সবাই আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। তাদের মধ্য থেকে সাইফুল স্যার এবং ফাতেমা বুবু একটু বেশিই খেয়াল রাখতেন আমার উপর। তাদের স্নেহ আদরে আমি সুন্দর ভাবেই এগোচ্ছিলাম কৃতিত্বের সাথে এসএসসি পাস করে কলেজে পা রাখলাম। কলেজে কয়েক মাস অতিবাহিত হবার পরেই আমার ফ্যামিলি তে অভাব অনটন শুরু হল।  এসব দেখে খুবই কষ্ট লাগতো তাই নিজের ইচ্ছেতেই লেখাপড়ার ইতি টানলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম দেশেই থাকবো না,  অবশেষে আব্বুকে বললাম কিছু টাকা জোগাড় করতে আব্বু জমিজমা বিক্রি করে ২ লাখ টাকা দিলেন তার উপর ভরসা করেই চলে আসলাম দূর দেশে। অতপর বহু কষ্টে ১৬ বছরের কিশোর ছেলেটার কেটে গেল অনেক বছর।  হঠাৎ একদিন বাড়ী থেকে জন্মদাতা পিতার মৃত্যু সংবাদ শুনলাম। কিছুতেই বিশ্বাস হচ্ছিল না আব্বুর মরার কথা।  কারন আমার কাছে মনে হল এইতো সেদিন বাবার সাথে সাইকেল চালিয়ে ছিলাম কাচাঁ রাস্তা দিয়ে।  বাবার মৃত্যুতে আমি অনেক কষ্ট পেয়েছি কিন্তু কাদতেঁ পারিনি। আসলে আমি কাঁদতেই চাইনি। কারণ আব্বু সব সময় বলতো বোকা ছেলে পুরুষ মানুষ কাদে নাকি? 
*বাবা* *স্নেহ*

হাফিজ উল্লাহ: একটি বেশটুন পোস্ট করেছে

৫/৫
স্নেহ সবসময় নিম্নগামী। মা-বাবা আমাদের যতটা ভালবাসেন, আমরা কিছুতেই তাদের ততটা দিতে পারি না।
*স্নেহ*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★