স্পন্সরড কনটেন্ট

স্পন্সরডকনটেন্ট নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্যান্ট বর্তমান ফ্যাশনের সর্বাধিক পরিধেয় অনুসঙ্গ। একটা সময় প্যান্ট ছিল অভিজাত লোকদের পরিধেয় কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে প্যান্ট সঙ্গী হয়েছে আপমর জনতার। আগে মানুষ শুধু বাইরে বের হবার জন্য প্যান্ট পরত কিন্তু সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে প্যান্ট এখন ২৪ ঘন্টার সঙ্গী হয়েছে। এজন্য অবশ্য বাহারি ধরনের ভিন্ন ভিন্ন মডেলের প্যান্টও বাজারে এসেছে। বাইরে বের হলে জিন্স, খেলতে গেলে টাউজার আর রাতে শোবার সময় শর্টস সহ বিভিন্ন প্যান্টের সর্বোত্তম ব্যবহার হচ্ছে। চলুন কিছু লেটেস্ট ডিজাইনের আকর্ষণীয় প্যান্ট দেখে নেওয়া যাক।

 

বর্তমানে প্যান্ট শুধু ছেলেদের পরিধেয় হিসেবে ব্যবহারিত হচ্ছে না, বিভিন্ন ধরনের জিন্স প্যান্ট এখন মেয়েরাও ব্যবহার করছে। এক সময় জিন্স মানেই ছিল অনেক মোটা কাপড় আর শীতের সময়ে পরার জন্য আরামদায়ক এমন পোশাক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে জিন্স। জিন্স এখন শীত গরম দুই সময়ে পরা হচ্ছে। বাজারে জিন্সের সাথে কার্গো, গ্যাবার্ডিন ও কটন প্যান্টগুলো জায়গা করে নিয়েছে। যেহেতু তরুণ-তরুণীরা দিনের অনেকটা সময় বাইরে থাকে, তাই তাদের আরামের কথা ভেবেই এখন জিন্সের প্যান্ট তৈরি করা হয়। জিন্স প্যান্টের রং ও সুতার ব্যবহারে এখন মাথায় রাখা হয় ঋতু। তাই শীত-গ্রীষ্ম সব সময়ই জিন্স পরা আরামদায়ক।

  

জিন্স প্যান্টের সাথে পাল্লা দিয়ে সোয়েট ,জগার্স, চুজ কটন ও অন্যান্য স্টাইলিশ প্যান্টর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এগুলো প্যান্ট যেকোন সময় পরা যায়। এটি ক্যাজুয়াল ও আরামদায়ক হওয়ায় প্রতিদিন পরছে এখনকার তরুণরা। প্রিন্টেড কটন কিন্ট প্যান্ট গুলো স্টাইলিশ তরুণরা বেশি পরছে। যারা ডিফেন্সের লুকে নিজেকে সাজাতে চান তারা চাইলে কিন্তু আর্মি প্যান্ট পরতে পারেন।

 


গরমের দিনে স্বস্তি খুঁজতে পরিবর্তন আনতে হয় পোশাকে। এই যেমন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায়, বাসায় থাকলে কিংবা আশপাশে কোথাও গেলে তো আর ফরমাল পোশাক পরা যায় না। গরমে স্বস্তিদায়ক পোশাকগুলোই বেশি কাম্য। এ সময়ে জিন্সের পাশাপাশি গ্যাবাডিন, শর্ট ও কার্গো প্যান্ট হতে পারে ভালো সঙ্গী। তরুণ থেকে মধ্যবয়সীদের জন্য এটি পারফেক্ট হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

  

দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস গুলোতেই শীতের সেরা প্যান্ট গুলো পেয়ে যাবেন। তবে আকর্ষনীয় ও বাহারি ডিজাইনের স্টাইলিশ ও গর্জিয়াস প্যান্ট কিনতে চাইলে নির্ভর করতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের উপর। আজকের ডিলে রয়েছে বাহারি সব প্যান্টের এক্সক্লুসিভ কালেকশন। নিজের জন্য অথবা প্রিয়জনকে উপহার হিসেবে দেয়ার জন্য প্যান্ট কিনতে এক্ষনি এই লিংকে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *ফ্যাশনেবর্ণিলপ্যান্ট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নান্দনিক সব ফিচার নিয়ে হাজির হয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকেরডিলের মোবাইল অ্যাপ। অ্যাপটিতে যুক্ত করা হয়েছে ম্যাজিক ভয়েস সার্চ যার সাহায্যে বাংলায় কথা বলেই পছন্দের পণ্য অর্ডার করতে পারবেন ক্রেতারা। যুক্ত হয়েছে স্পিন হুইল যার সাহায্যে স্পিন করে যেকোন পণ্যের উপর ৭০-৮০% ছাড় পাওয়া সম্ভব। এছাড়াও দেশে এই প্রথমবারের মতো শপিং প্লাটফর্ম-এ নিয়ে এসেছে ‘সোশ্যাল শপিং’ ফিচার। আজকেরডিল মোবাইল অ্যাপে এখন কথা বললেই জিতবেন, খেললেই জিতবেন সাথে অ্যাপ থেকে অর্ডার করলে ডিলিভারী চার্জ একদম ফ্রি। চলুন কোনটিতে কি অফার থাকছে বিস্তারিত জেনে নেই।

 

Spin Wheel:

স্পিন হুইল হচ্ছে ‘খেলুন – জিতুন’ শপিং গেম। প্রতিদিন একজন অ্যাপ ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ তিনবার এই অ্যাপের মাধ্যমে 'স্পিন দা হুইল’ গেমটি খেলতে পারবে এবং তার পছন্দের প্রোডাক্টের উপর বিভিন্ন ছাড় (৭০% পর্যন্ত), একটা কিনলে একটা ফ্রি অফার, ফ্রি ডেলিভারি বা ফ্রি রাইড নিতে পারবে। " অফার টি উপভোগ করতে আজকেরডিল ‘মোবাইল অ্যাপ’ গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে হবে। "

 

Voice Magic:


ম্যাজিক ভয়েস হচ্ছে " বলুন – জিতুন " শপিং গেম। প্রতিদিন একজন অ্যাপ ব্যবহারকারী যত খুশি তত বার এই গেম টি খেলতে পারবে!! অ্যাপ ব্যবহারকারী অ্যাপে প্রবেশ করার পর নিচে ভয়েস ম্যাজিক আইকন দেখতে পাবে, সেখানে ক্লিক করার পর ভয়েস অফার এ ক্লিক করতে হবে। ভয়েস অফারে ব্যাবহারকারী একটি সহজ প্রশ্নের উত্তর ( ভয়েসের মাধ্যমে ) দিয়েই লুফে নিতে পারবে ৭০ - ৮০ % ছাড় অফার!! " অফার টি উপভোগ করতে আজকেরডিল ‘মোবাইল অ্যাপ’ গুগল প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে হবে অথবা অ্যাপটির নতুন ভার্সন আপডেট করে নিলেই হবে। " (বিঃ দ্রঃ বর্তমানে বাংলা ভয়েস সার্চ সেবাটি বন্ধ রয়েছে-খুব শিগগিরই এটি চালু করা হবে)

 Free delivery

অ্যাপের মাধ্যমে আজকের ডিল এর যে কোন প্রোডাক্ট অর্ডার করলেই ঢাকার মধ্যে ডেলিভারী চার্জ একদম ফ্রি এবং ঢাকার বাহিরে মাত্র ৪৫ টাকাতে ডেলিভারী !! সময় ও স্টক সীমিত। তাই আজকের ডিল এর অ্যাপ টি ডাউনলোড করে কিংবা আপডেট করে ডেলিভারী অফার লুফে নিন এখনি!!

" এছাড়াও দেশে এই প্রথমবারের মতো শপিং প্লাটফর্ম-এ নিয়ে আসা হয়েছে ‘সোশ্যাল শপিং’ ফিচার যার মাধ্যমে একজন অ্যাপ ইউজার যেকোনো মার্চেন্ট বা অন্য কোনো ক্রেতাকে ‘ফলো’ করতে পারবেন এবং সকল ইউজার ফেসবুক বা টুইটার আদলে 'শপিং ফিড' দেখতে পাবে, যা প্রতিনিয়ত আপডেট হবে। "

তাহলে আর দেরী কেন বন্ধুরা আজই গুগল প্লে স্টোর থেকে আজকেরডিলের মোবাইল অ্যাপস নামিয়ে বিভিন্ন অফার লুফে নিন। আজকেরডিল ডটকমের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করতে আপনাকে গুগল প্লে স্টোরে যেতে হবে। গুগল প্লে স্টোরে গিয়ে AjkerDeal Online Shopping BD লিখে সার্চ করে অ্যাপসটি ইনস্টল করুন। অথবা এই লিংক goo.gl/2G6AQK এ ক্লিক করুন।

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিলঅ্যাপসঅফার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্মার্টফোন বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রযুক্তি পণ্য। বাজারে এখন সবচেয়ে বেশি ভীড় স্মার্টফোনের শো রুমগুলোতে। যুগের সাথে তালমিলিয়ে সবাই যে যার মত পছন্দের ব্র্যান্ডের সেরা স্মার্টফোনটি খুঁজে নিচ্ছে। প্রযুক্তির এই যুগে স্মার্টনেস ধরে রাখতে চাই নতুন নতুন সব স্মার্ট ফোন।  কোন স্মার্টফোনটি কিনবেন সেটা ভাবছেন? আর যারা কিনবেন না তারা না কিনলেও, জেনে রাখতে দোষ কি?

স্মার্টফোনের চাহিদা আর ব্যবহার দিন দিন বেড়ে যাওয়ার করণেই দেশের সবেচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল নিয়ে এসেছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বেস্ট স্মার্টফোনের এর সেরা সব কালেকশন। আইফোন, স্যামসাং, হুওয়াই, এইচটিসি, শাওমি, ওয়ালটন, অপ্পো, এলজিসহ সব ধরনের স্মার্টফোনের আপডেটেড কালেকশন রয়েছে আজকেরডিলে।

বন্ধুরা, আপনারা ০% সুদে আজকেরডিল থেকে কিস্তিতেও মোবাইল ফোন কিনে নিতে পারবেন। টাকা পরিশোধ করতে পারবেন ৩ অথবা ৬ মাসের কিস্তিতে।  স্টাইলিশ ও আপডেটেড স্মার্টফোনের কালেকশনগুলো দেখতে আজেরডিলের স্মার্টফোনের এই পেজটিতে ক্লিক করুন

শাওমিঃ

প্রতিযোগিতার এই যুগে আকর্ষণীয় সব স্মার্টফোন ও মোবাইল এক্সেসরিজ তৈরী করে গ্রাহকদের মনযোগ ধরে রেখেছে শাওমি। বলে রাখা ভাল, শাওমি হচ্ছে একটি প্রাইভেট চীনা ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি। এটি বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা। শাওমি স্মার্টফোন, মোবাইল অ্যাপস এর পাশাপাশি ভালো মানের বিভিন্ন ধরনের মোবাইল এক্সেসরিজ তৈরী করে থাকে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ব্যাপক আকারে বিশ্বখ্যাত এই ব্রান্ডের স্মার্টফোন গুলি অনলাইনে বিক্রি করছে। 

ভিভো:

 

ভিভো মোবাইল হচ্ছে একটি চৈনিক বহুজাতিক প্রযুক্তি সংস্থা যা স্মার্টফোন উৎপাদন, উন্নয়ন, ও সফটওয়ার, যন্ত্রপাতি এবং অনলাইন পরিষেবা প্রদান করে। এটি ২০০৯ সালে বিবিকে ইলেক্ট্রনিকসের সাব-ব্রান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। বর্তমানে সারা বিশ্বের বাজারে ভিভোর স্মার্টফোন পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন মডেলের দারুণ দারুণ স্মার্টফোন এনেছে প্রতিষ্ঠানটি। 

আসুস:

স্মার্টফোনের বাজারে জনপ্রিয় একটি ব্র্যান্ডের নাম আসুস। আসুসের আকর্ষণীয় ডিজাইনের নতুন নতুন সব মডেল আর আলাদা ফিচার ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছে। আসুসের ফোনগুলি দেখতে যেমন স্মার্ট কাজেও সেরকম স্মার্ট। ক্যামেরাও খুব ভাল। বাংলাদেশের বাজারে তাদের বিভিন্ন শোরুম গুলোতে ফোন কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া অনলাইনেও এটি কিনতে পারবেন।

এইচটিসিঃ

বাংলাদেশের বাজারে তাইওয়ানভিত্তিক প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এইচটিসি দারুন দারুন সব স্মার্ট ফোন নিয়ে এসেছে। শুরুতে এইচটিসির ছয়টি মডেলের স্মার্টফোন বাজারে ছাড়া হয়েছে। স্মার্টফোনগুলো হচ্ছে ওয়ান এম৮ আই, ডিজায়ার আই, ডিজায়ার ৮২০এস, ডিজায়ার ৬২৬জি প্লাস, ডিজায়ার ৬২০ জি, ডিজায়ার ৫২৬জি প্লাস এবং ডিজায়ার ৩২৬জি। এদের ফোন গুলো বেশ ভাল এবং দামও তুলনামূলক ভাবে সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে। আপনার বাজারে তাদের শোরুম এবং অনলাইন থেকেও এইচটিসি ফোন কিনতে পারবেন। 

 আইফোন:

আইফোন অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড দ্বারা নির্মিত একটি আধুনিক ইন্টারনেট ও মাল্টিমিডিয়া সংযুক্ত স্মার্টফোন। অ্যাপলের সাবেক সিইও স্টিভ জবস এর প্রতিষ্ঠান এটি। বর্তমান বিশ্বে টেকসই স্মার্টফোন তৈরী করে গ্রাহকদের আস্থা তৈরী করেছে আইফোন। গত ২০০৭ সালে যাত্রা শরু করার পর ৯-১০ বছরের মধ্যেই পুরো বিশ্বের স্মার্টফোন প্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আইফোন। ক্রেতাপ্রিয় টেকসই আইফোন আপনারা ঘরে বসেই কিনতে পারবেন আজকেরডিল এর মাধ্যমে।

উপরের স্মার্টফোনগুলো ছাড়াও বর্তমানে দেশের বাজারে বেশি বিক্রি হচ্ছে আমাদের দেশীয়পন্য ওয়ালটন সহ আসুস, এলজি ও লাভারফোন। বিশ্বস্থতার সাথে সবধরনের স্মার্টফোন ঘরে বসে অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *স্মার্টফোনকালেকশন* *আজকেরডিল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

টি-শার্ট হাল ফ্যাশনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আরামদায়ক পোশাক।  এ যুগের ফ্যাশনেবল ছেলে মেয়েদের যদি প্রশ্ন করা হয় গরমে আরামের সবচেয়ে জনপ্রিয় পোশাক কোনটি? ৯০ ভাগের উত্তর হবে টি-শার্ট। টি-শার্ট এখন ফ্যাশনেরও অন্যতম অংশ। সমসাময়িক নানা ঘটনা, বিশেষ দিবস মোটিফ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে টি- শার্টে। ফ্যাশনে টি-শার্ট অন্যতম অনুষঙ্গ। যা অনেক আরামদায়ক পোশাক। সব বয়সের পুরুষের নিত্য ব্যবহার্য পোশাকও বটে। অবশ্য নারীরাও বেছে নিচ্ছেন টি- শার্ট। টি-শার্ট সার্বজনীন পোশাক হলেও স্টাইল পরিবর্তনে এর জুড়ি মেলা ভার। বাজারে এখন বাহারি রং, ব্লক, বাটিক স্ক্রিনপ্রিন্টের টি-শার্টের সমারোহ।

     
কালো রং অতিরিক্ত তাপ শোষণ করে। তাই কালোর বাইরে এসে বেছে নিতে পারেন উজ্জ্বল রংগুলো। সাদা, নীল, ছাই, ঘন নীল, সবুজ, মেরুন, চাপা সাদা, হলুদ, হালকা ফিরোজা, গোলাপি, লালচে ইত্যাদি রঙের টি-শার্ট পরতে পারেন। এই গরমে টিশার্টে আপনাকে বেশ ভালো মানাবে। সেই সাথে যারা অতিরিক্ত ফ্যাশন প্রিয় বা ভিন্ন কিছু পরতে চান তারা কিন্তু চায়ের মগ আর সিগারেট প্রিন্টকৃত টি-শার্টটি পরে সকালের নাস্তা সেরে ফেলতে পারেন। 

     
টি-শার্টে সুতি ও নিট ফেব্রিক্সের কাপড় ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ছাড়া কটন, পলিস্টারসহ বিভিন্ন কাপড়ের টি-শার্টও মিলে যাবে ফ্যাশন হাউসগুলোতে। টি-শার্টের কাপড় সম্পূর্ণ সুতি হলে তা বেশ আরাম দায়ক হবে। ফ্যাশানে এখন গোল গলা ও কলারসহ দুই ধরনের টি-শার্টই বেশ চলছে। টি-শার্টে ও এসেছে নতুন ডিজাইন হাফ হাতার নিচের দিকে ও কলারে ভিন্ন কাপড়ের ব্যবহার চলছে।

 

টি-শার্ট জিন্স, গ্যাবাডিন কিংবা অন্য প্যান্টের সঙ্গে বেশ মানিয়ে যায়। আর সব বয়েসের মানুষ স্বাচ্ছন্দে তাদের পোষাকের তালিকায় রাখতে পারে এই পোষাক। উপরের যে দুটি টিশার্ট দেখতে পাচ্ছেন দুটিই বেশ চমৎকার। যারা ঢাকায় আছেন তারা ঢাকা দি সিটি অফ লাভ আর যাদের গার্লফ্রেন্ড নাই তারা নো প্যারা স্ক্রিনপ্রিন্ট যুক্ত টিশার্টটি কিনতে পারেন।

   
দেশজুড়ে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস আধুনিক স্টাইলের টিশার্ট পাওয়া যাবে। তবে যারা বাধাহীন মার্কেটে অভ্যস্থ তারা দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল ডটকমের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে অর্ডার করে পছন্দের টি-শার্ট কিনতে পারবেন। অনলাইনে অসংখ্য টি-শার্টের কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *ফ্যাশনেবলটিশার্ট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সাজগোজে ফুরফুরে অনুভূতি পেতে বিভিন্ন কসমেটিক্স এর ব্যবহার অপরিহার্য। দীর্ঘকাল আগে থেকেই রূপচর্চায় কসমেটিক্স ব্যবহারিত হয়ে আসছে। কসমেটিক্স এ সুমতি নেই এরকম মেয়ে খুঁজে পাওয়া যাবে না। এখন শুধু মেয়েরাই নয় মেয়েদের পাশাপাশি ছেলেরাও বিভিন্ন ধরনের কসমেটিক্স ব্যবহার করছে। সাজের অপূর্ণতা দূর করে নারী-পুরুষের ব্যক্তিত্ব ও রুচিবোধ ফুটিয়ে তুলতে কসমেটিক্স এর আবদার চলতেই থাকবে।

 

রূপ থাকলে রূপচর্চা থাকবেনা তা কি হয়। রূপচর্চায় আগ্রহ নেই এমন মানুষ হয়তবা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। বর্তমান সময়ে রূপচর্চা মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। আর এ ক্ষেত্রে নারীরা যে বহুত অগ্রগামী তা বলাই বাহুল্য। শোনা যায় ক্লিওপেট্রা নাকি জীবনের বেশ বড় একটা সময় ব্যয় করেছেন রূপচর্চায়। আর বর্তমান যুগে এসে এটা যে কত ব্যাপকতা লাভ করেছে তা কল্পনাতীত!

  

যাইহোক প্রকৃতিতে এখন বর্ষাকাল বিরাজ করছে। এসময় ত্বকের যত্ন ও সৌন্দর্য্য রক্ষায় চাই একটু বাড়তি সচেতনতা। প্রকৃতির এ গরম ও বর্ষায় ত্বক আর চুল নিয়ে কাবু হওয়ার কিছু নেই। আবহাওয়া-উপযোগী প্রসাধনী নির্বাচন আর একটু বাড়তি পরিচর্যাই হতে পারে এর সহজ সমাধান। 

  

দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলে বিভিন্ন শপিং আইটেমের পাশাপাশি কসমেটিক্স সামগ্রীর বিশাল সম্ভার রয়েছে। মেহেদী, রং ফর্সাকারী ক্রিম, মেকআপ আইটেম, সাবান, আইলানার, মাশকারা, কাজল, ট্রিমার, চুরি, বৈচিত্র্যময় সব দৃষ্টিনন্দন ইমিটেশন গহনা ছাড়াও নামী দামি ব্র্যান্ডের বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী আজকেরডিলেই পাওয়া যাচ্ছে। দামও খুব বেশি না। অফলাইনের চেয়েও কিছু কিছু আইটেম আপনি আজকেরডিলে কম দামে পাবেন। 

দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে যেকেউ চাইলেই অনলাইন শপ আজকেডিলের ওয়েবসাইট থেকে পছন্দনুযায়ী কসমেটিক্স সামগ্রী কিনে নিতে পারবেন। কনটেন্টটির ছবিগুলোতে যে আইটেম গুলো দেখতে পাচ্ছেন এগুলো ছাড়াও আজকেরডিলে প্রায় ৫ হাজারেরও বেশি কসমেটিক্স কালেকশন রয়েছে। আপনি যা চান আশাকরি তাই পাবেন। সেই সাথে পণ্যের গুণগত মানও ঠিক থাকবে।  তাহলে আর দেরি না করে এখনি এখানে ক্লিক করে কসমেটিক্স আইটেম কিনে নিন।

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *রূপচর্চায়কসমেটিক্স*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কর্মব্যস্ত জীবনে সারা দিনের ঘোরাঘুরি শেষে বিছানায়ে এসে মনে প্রশান্তি পেতে বাহারি ডিজাইনের বেডশীট হতে পারে অন্যতম অনুসঙ্গ। কারণ সারাদিন ঘুরে এসে ক্লান্ত শরীরটা বিছানায় এলিয়ে দিতে আপনার মন চাইবেই। আর বিছানাটা যদি মনের মতো হয় তবে তো মনে প্রশান্তির পরশ লাগবেই। এজন্য ঘর সাজেতে বেডশীট নেওয়া চাই-ই-চাই।

বাহারি বেডশীটঃ

 

সবাই চায় নিজের ঘরটাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে, যেন দেখে সবাই মুগ্ধ হয়, প্রশংসা করে । এক্ষেত্রে গর্জিয়াস এবং আনকমন কিছু বেডশীঠ আপনার বেডরুমের সম্পুর্ণ সৌন্দর্য্যটাই পাল্টে দিতে পারে। এই শীতে আপনার ঘরে রাজকীয় লুক এনে দিতে সক্ষম এমন কিছু বাহারি বেডশীট সেট সম্পর্কে জেনে নিই এক পলকে।

 

বেডশীট কেনার পূর্বে ঘরের আসবাব, পর্দা বা ঘরের আকারের সঙ্গে মানিয়েই কেনা উচিৎ। কারণ ঘরের বাকি জিনিস কিংবা পর্দার সঙ্গে মিল রেখে চাদর বিছালে ঘরের মধ্যে আলাদা একটা আবেশ তৈরি হয়। আবার মূল শোয়ার ঘর, শিশুর শোয়ার ঘর কিংবা অতিথিদের শোয়ার ঘরের বিছানার চাদরের মধ্যে পার্থক্য আছে।

 

মূল শোয়ার ঘরের বেডশীট সাধারণত হালকা রঙের হয়ে থাকে। সাদা বেডশীট অনেকেই পছন্দ করেন। তবে সাদা বেডশীট দ্রুত ময়লা হয়ে যায়, তাই নিয়মিত বিছানো যায় না। সাদা ছাড়াও হালকা নীল, ধূসর, বাদামি, হালকা বেগুনি রঙের বেডশীটও বিছাতে পারেন।

 

হালকা রংগুলো চোখের জন্যও আরামদায়ক। যাঁরা গাঢ় রং পছন্দ করেন তাঁদের হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। গাঢ় রঙের বড় ফুলওয়ালা বেডশীট বিছানার সঙ্গে বেশ মানায়। তবে এ ক্ষেত্রে বিছানাটা হতে হবে বড় বা ডবল বেড। মেয়ে বাচ্চাদের শোয়ার ঘরে হালকা গোলাপি, কমলা রঙের কার্টুন সংবলিত চাদর মানাবে। তবে বাচ্চারা যেহেতু দ্রুত ময়লা করে ফেলে, তাই মজার মজার কার্টুনের গাঢ় রঙের চাদরও বিছানো যেতে পারে। ছেলে বাচ্চাদের জন্য হালকা নীল বা সবুজ রঙের বেডশিট মানাবে। অতিথিদের শোয়ার ঘরের চাদর হালকা রঙের মধ্যে স্ট্রাইপ করা হলে ভালো দেখাবে।

কোথায় থেকে কিনবেন?

  

রাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই বেডশীট পাওয়া যাবে। কেনা যাবে ৪০০-৩৫০০ টাকায়। চাইলে গজ কাপড় কিনে বানিয়ে নিতে পারেন মনের মতো বেডশীট। যারা ঘরে বসে রুমটাকে নান্দনিক বেডশীট দিয়ে সাজাতে চান তারা ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। আজকেরডিলের কালেকশন দেখতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *বাহারিবেডশীট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এই রোদ এই বৃষ্টি! জৈষ্ঠ্য মাসেই যেন বর্ষার রূপ ধারণ করেছে প্রকৃতি। রোদ বৃষ্টির এধরনের আবহাওয়ায় নিজেকে সতেজ রাখাটা একটু কষ্টকর। তার পরেও রোদ-বৃষ্টির আবহাওয়াতে নিজেকে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে একটু চেষ্টা করতে দোষ কি! কর্মব্যস্থ জীবনে বৃষ্টিতে উদাস হয়ে ভেজা কিংবা রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে রোদ উপভোগ করার ফুসরত করোই নেই। এ জন্য বৃষ্টি ও রোদের হাত থেকে বাঁচতে ব্যাগে সবসময ছাতা থাকা চাই-ই চাই। যাদের কালেকশনে ছাতা নেই বা যারা মোটরবাইকার তারা সঙ্গে রাখতে পারেন আকর্ষণীয় রেইনকোট। এই দুই অনুসঙ্গই আপনাকে রোদ বৃষ্টির আবহাওয়াতে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে পারে।

বৃষ্টিতে আপনাকে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখবে ছাতা ও রেইনকোট:

 
ছাতা এবং রেইনকোট রোদ-বৃষ্টির আবহাওয়ায় আপনার অন্যতম অনুসঙ্গ হতে পারে। দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলে দেশী-বিদেশী বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের ছাতা পাওয়া যায়। লম্বা ডাঁটওয়ালা ছাড়াও ফোল্ডিং ছাতাও পাওয়া যায়। দুই ও তিন ভাঁজের ফোল্ডিং ছাতা রয়েছে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে।

 

বাচ্চাদের জন্য বিশেষ কিছু ছাতা এখন বেশি চলছে। সবাই শিশুদের জন্যই আগে ছাতা কিনছে। এছাড়াও আকৃতিতে ছোট, সহজে বহনযোগ্য আর বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের হওয়ায় এ ছাতাগুলোর চাহিদা বেশি। আকারে ছোট হওয়ার কারণে ‘থ্রি ফোল্ড’য়ের ছাতার চাহিদাই বেশি। বিশেষ করে মহিলা ক্রেতাদের মধ্যে এই ছাতগুলোর চাহিদা বেশি। মানভেদে ছাতাগুলোর দাম পড়বে আড়াইশ থেকে এক হাজার টাকা।

 

রেইনকোট বৃষ্টির অন্যতম সঙ্গী। বৃষ্টি থেকে রক্ষা ও সাথে সাথে ফ্যাশনটা বজায় রাখতে রেইনকোটের জুড়ি মেলা ভার। সিঙ্গেল ও ডাবল দুই ধরনের লেয়ারের রেইনকোট পাওয়া যায়। তবে সিঙ্গেল লেয়ারের চেয়ে ডাবল লেয়ারের রেইকোট ভাল। ভালো মানের বর্ষাতির মধ্যে আছে ডার্বিসুপার, কমফোর্ট, ফেদার, ব্রিদেবল, রেড চ্যাম্পিয়ন ইত্যাদি। আবার দেশি পলিয়েস্টার, ওয়াটারপ্রুফ, ফিলিপস, প্যারাসুট, বিগবসও রয়েছে। তবে আমাদের ছেলেরা সাধারণত ক্লাসিক, অ্যাটলাস, হোন্ডা ও প্লেবয় ব্র্যান্ডের রেইনকোট গুলিই বেশি পরে।

 

রাস্তাঘাটে অনেক স্থানেই ছাতা ও রেইনকোট পাওয়া যায় তবে আপনি ঘরে বসে ভালমানের রেইনকোট পেয়ে যেতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকমে। সবচেয়ে কমদামে ঘরে বসে ভাল মানের ছাতা ও রেইনকোট কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *ছাতারেইনকোট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আসছে রমজান মাসকে সামনে রেখে যে যার মত ইসলামিক পোশাক কিনতে ব্যস্ত। মেয়েরা যারা বোরকায় অভ্যস্ত তাদের জন্য আজকের আয়োজন বাহারি ইসলামিক বোরকা ও  আবায়া নিয়ে। বোরকা তো সবাই চিনেন কিন্তু আবেয়া যারা চিনেন না দাতের জন্য বলছি এটিও বোরকার মতই। শরীরকে আবৃত করার এক ধরনের উন্নত পোশাক যেগুলো সোদি আরব এবং মালয়েশিয়াতে প্রচুর চলে। 

বোরকাঃ

 

বোরকা এক ধরনের ধর্মীয় পোশাক। শরীরকে আবৃত করে বাড়ির বাইরে বের হবার জন্য মেয়েরা বোরকা ও হিজাব পরিধান করে। তবে বোরকা এখন আর ধর্মীয় পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই এটি এখন ফ্যাশনের অন্যতম একটি অংশ। আমাদের একটি কথা মনে রাখা উচিৎ বোরকা সৌন্দর্য প্রকাশের জন্য নয়; সৌন্দর্য আবৃত রাখার জন্য। এমন বোরকা ব্যবহার করতে হবে, যা এই উদ্দেশ্য পূরণ করে।

 

বোরকার ব্যবহার অনেক আগেও ছিলো, রয়েছে সবসময়। তবে পরিবর্তন হয়েছে ধরন-ধারণে। পর্দা বা শালীনভাবে চলার পাশাপাশি বোরকা এখন মেয়েদের ফ্যাশনও। সেই ফ্যাশনও পরিববর্তন হচ্ছে দিনকে দিন। বোরকা এখন লং থেকে রূপান্তরিত হয়েছে শর্ট, থ্রি-কোয়ার্টারে। তবে যারা বোরকা, হিজাব কিংবা আবায়া পড়েন তারা সেই পোশাকের মধ্য দিয়েই নিজেকে ফুটিয়ে তোলেন।

আবায়াঃ

 

সবগুলো মুসলিম দেশে পর্দা বা শালীন ভাবে পরার পোশাক কে আবায়া বলে। আবায়া নামটি সৌদি আরবে বেশ পরিচিত। সৌদি আরবে নারীরা পা পর্যন্ত পুরো শরীর ঢেকে রাখার জন্য যে ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহার করে, তাকে আবায়া বলে। বোরকার চেয়ে এটি একটু বেশি স্টাইলিশ বলে মনে হয়। এর উপরের লেয়ারটাও বেশ চমৎকার ডিজাইনের। এটির দুই পাশে লেজ থাকে। দেখতে বেশ সুন্দর ও পরতে আরাম দায়ক। 

 

রাজধানীসহ দেশের সব শপিংমল গুলোতেই বোরকা ও আবায়া পাওয়া যাবে। কেনা যাবে ৪০০-১০০০০ টাকায়। তবে সবচেয়ে লেটেস্ট কালেকশনগুলো পাওয়া যাবে অনলাইন শপগুলোতে। তাই যারা ঘরে বসে বোরকা ও আবায়ার নান্দনিক সাজে নিজেকে সাজাতে চান তারা ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিল থেকে। বোরকা ও হিজাবের কালেকশন দেখতে এখানে ক্লিক করুন

*আবায়া* *বোরকা* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *ইসলামিকপোশাক* *আজকেরডিল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চলতি ফ্যাশনের সাথে খাপ খাইয়ে নিজেকে কিভাবে মানিয়ে তুলবেন সেদিকেই নজর সবার। তাইতো এখন পোশাকে সেই ভানার ভাব প্রকাশ পাচ্ছে, বিশেষকরে, ছেলেদের প্যান্টে নতুনত্বের ছাপ। এই গরমে ফ্যাশন প্রিয় ছেলেরা জিন্স ও ফর্মাল প্যান্টগুলোকে বাদ দিয়ে বেছে নিচ্ছে কার্গো শর্টস প্যান্ট। ফর্মাল কোন আয়োজনে নয় বিকেলে ঘুরতে অথবা বাড়িতে পড়ার জন্য কার্গো ও শর্টস প্যান্ট ব্যবহৃত হচ্ছে। 

আরামদায়ক হওয়ায় গরমে কার্গো ও শর্টসের প্রতি তরুণদের আগ্রহ বাড়তে শুরু করেছে। ক্যাজুয়াল পোশাক হিসেবে গরমে কার্গো জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় বর্তমানে কাপড়ের পাশাপাশি থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের ডিজাইনেও ভিন্নতা আনা হচ্ছে। ছোট থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবার জন্যই রয়েছে কার্গো ও শর্টসের নানা ডিজাইন।

বৈচিত্র্যে কার্গো ও শর্টসঃ


প্যান্টে বর্তমানে বেশ বৈচিত্র্য এসেছে। থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের সামনের দিকে কোনোটিতে দুপাশে দুটি পকেট রয়েছে, কোনোটিতে চারটি। কোনোটিতে আবার পেছনেও পকেট রয়েছে। কার্গো প্যান্টগুলোতেও থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের মত পকেট রয়েছে। প্যান্ট ভেদে কোন কোন টিতে চারটির অধিক পকেটও রয়েছে। বর্তমান বাজারে পকেট ছাড়াও কিছু প্যান্ট রয়েছে যে প্যান্টগুলোও অনেকেই পছন্দ করছেন।

শর্টস প্যান্টের কোমরে বোতাম, ইলাস্টিক কিংবা ফিতাও ব্যবহার হয়ে থাকে। বর্তমানে থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের পকেটে চেইন বা বোতামের ব্যবহারে নতুনত্ব এসেছে। বৈচিত্র্য আনতে শর্টস প্যান্টের মধ্যেও এখন অনেক নতুনত্ব এসেছে। নিচের দিকে এক ইঞ্চি পরিমাণ জায়গাজুড়ে কোনোটায় লাগানো হচ্ছে অন্য রঙের কাপড়। তার সঙ্গে মিলিয়ে দুপাশের পকেটের কোনায় অল্প করে সেই রঙ জুড়ে দিয়ে আনা হচ্ছে বৈচিত্র্য। একটু সেমি ফিটিং শর্টসই এ সময় বেশি চলছে।

এখন জিন্স কাপড় অনেকটা পাতলা করে বানানো হচ্ছে থ্রি-কোয়ার্টার ও শর্টস প্যান্ট। সুতি কাপড়ের থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট এবং গ্যাবার্ডিনের কাপড়ের হালকা ধরনের মাল্টিপারপাস পকেটওয়ালা মোবাইল থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টগুলোও গরমে বেশ আরামদায়ক। বর্তমানে অর্গানিক কটন ব্যবহার করেও থ্রি-কোয়ার্টার ও শর্টস প্যান্ট বানানো হচ্ছে যা শীত-গরম সব সময়ই আরামদায়ক। নানা ধরনের কাপড়ের থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট রয়েছে বাজারে। এর মধ্যে সুতি ও জিন্স কাপড়ের থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টই এখন বেশি চলছে। এর পাশাপাশি গেঞ্জি, গ্যাবার্ডিন কাপড়ের শর্টস প্যান্ট পরতে পারেন। গেঞ্জি কাপড়ের শর্টস প্যান্টগুলো ঘরে পরার জন্য আরামদায়ক এবং মানানসই।

অনেক ভাই আছে যারা এধরনের প্যান্ট পছন্দ করেন। আপনি যদি তাদের মধ্যে পড়েন তাহলে আপনাকেই বলছি, দেরি কেন ভাইয়া? স্টক শেষ হবার আগেই আপনার পছন্দের প্যান্টটি কিনে নিন আজকেরডিল থেকে। ঘরে বসেই দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল থেকে কার্গো ও শর্টস প্যান্ট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *প্যান্ট* *কার্গোফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তরুণদের স্মার্ট ফ্যাশনের অন্যতম আকর্ষণ টিশার্ট। তবে তরুণরা ছাড়াও যে কোন বয়সের মানুষ টিশার্ট প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নিতে পারেন। কারন যে কোন বয়সেই টি-শার্ট অনেক বেশি স্মার্টনেস বয়ে আনে। মানুষ এখন আগেও চেয়ে অনেক বেশি ক্যাজুয়াল থাকতেই পছন্দ করে। তাই সেই পাঞ্জাবী বা শাড়িতে নিজেকে গুটিয়ে রেখে কি লাভ। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও এই পোশাকে অনেক স্বচ্ছন্দ্য বোধ করে। চলুন টিশার্টের কিছু লেটেস্ট কালেকশন দেখে নেই।

 

ফ্যাশনে একটি পোশাক যেটা সব সময়ই ভীষণ রকম ট্রেন্ডের মধ্যে ইন। শীত কিংবা গরম সব সময় নিজেকে ফিট রাখতে তরুণ তরুণীদের কাছে টিশার্ট বেষ্ট অপশন। শীতে তরুণ তরুণীরা একটু মোট কাপড়ের ফুলস্লিভ টিশার্ট পরে অপর দিকে গরমে হালকা সূতি কাপড়ের হাফহাটা টিশার্ট পরে। বর্তমানে টিশার্টে হরেক রকম রঙ আর ডিজাইন দিয়ে তৈরী করা হয় আরো আকর্ষণীয় ও ফ্যাশনেবল করে।

 

গোল গলা, কলার দেওয়া অথবা ভি-নেক, সব রকমের টি-শার্টই সবসময়ই বছরের সবমাসে গুছিয়ে উপস্থিত। তবে টি-শার্টের উপর লেখা ওয়ান লাইনার কিন্তু ভীষণ রকম হিট। ` `ইউ লাফ অ্যাট মি বিকজ আই`ম ডিফেরেন্ট, বার্সেলনা, আই লাফ এট ইউ বিকজ ইউ`র অল দ্য সেম।` ‘দাদা খেয়ে এসেছে নাকি গিয়ে খাবেন’ ‘এ কেমন বিচার’ থেকে `আই`ম ভ্যাকসিনেটেড`-এর মত ছোট বড় স্লোগানে ভরপুর টি-শার্টের রমরমা। তার সঙ্গেই আছে বিভিন্ন কার্টুন। সঙ্গতে মজাদার স্লোগান। আর ফুটপাথ থেকে বড় শো-রুম, সব জায়গার টি-শার্টেই `অ্যাংরি বার্ড`-এর অবাধ ওড়াউড়ি। তবে চিরন্তন স্ট্রাইপ বা এক রঙা কলার দেওয়া টি-শার্ট কিন্তু নিজেদের মতোই আছে।

 

 টি-শার্টের ক্ষেত্রে নিজেকে কী রং মানাচ্ছে সেটা বুঝে নেওয়া বড্ড জরুরি। তবে এই পোষাকটির ক্ষেত্রে সব চাইতে জরুরি ঠিকঠাক মাপের হওয়া। সঠিক সাইজের টি শার্টের হদিশ না পাওয়া গেলে পুরো অনুষ্ঠানই কিন্তু মাটি। টি-শার্টের বিচরণ আক্ষরিক অর্থেই গলি থেকে রাজপথে। কলেজ ক্যান্টিন থেকে বিয়ের নিমন্ত্রণ পর্যন্ত যদি সঠিক টি শার্টটি বেছে পরা যায় তাহলে ফ্যাশন নিয়ে চিন্তা নেই আর।

 

রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসগুলো থেকেই আপনার পছন্দের টিশার্ট কিনে নিতে পারবেন। তবে বর্তমানে টিশার্ট কেনার জন্য অনেকেই অনলাইন শপিংমলের উপর আস্থা রাখছে কারণ অনলাইন শপের মত এতবড় টিশার্ট কালেকশন বাইরের মার্কেটে নাই। আপনিও আপনার পছন্দের টিশার্ট অনলাইন শপিংমল থেকে কিনে নিতে পারেন। কমদামে টিশার্টের লেটেস্ট কালেকশন কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *স্টাইলিশটিশার্ট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দাড়ি কিংবা গোফে বাহারি কাট ছাট দিয়ে তারকা সাজার ভাব প্রায় প্রতিটি পুরুষের মধ্যেই লক্ষ্য করা যায়। প্রিয় তারকার মতো শেপ দিয়ে চুল কিংবা দাড়ি রাখতে আপনার অন্যতম অনুসঙ্গ হতে পারে ইলেকট্রিক ট্রিমার। ইলেকট্রিক শেভার দিয়ে মুহুর্তেই কোনরুপ কাটা-ছড়ার ঝুঁকি ছাড়াই ইচ্ছেমতো দারুণ সব শেপ দিতে পারেন নিজের গোফ কিংবা দাড়িতে।


বর্তমান সময়ে আধুনিতার ছোঁয়া সর্বত্র। ম্যানুয়াল রেজারের বদলে এসেছে আধুনিক ইলেকট্রিক শেভার ও ট্রিমার। কম সময়ে ঝুঁকিমুক্ত আরামদায়ক শেভ। অনেক আগে থেকে, মূলত শুরুর দিকে প্রাচীন যুগে ঝিনুকের খোলস, মাছের বড় কাঁটা বা পশুর হাড়ের অংশ দিয়ে চলত ছাঁটাই-কাটাই। আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সময় থেকে শুরু হয় দাড়ি-গোঁফ কামানোর প্রথা। ত্বক মসৃণ রাখা তখন খুব কঠিন ছিল পুরুষের জন্য। আর এখন শুধু একটা বোতামের চাপই যথেষ্ট।

সুবিধা : যখন-তখন, ঘরে-বাইরে, যে কোনো জায়গায় সহজে বহন ও ব্যবহার করা যায়। আরামদায়ক শেভের জন্য যন্ত্রটি ভালো। এটি ব্যবহারে কাটার শঙ্কা কমায়। এতে কোনো আলাদা শেভিং ক্রিম বা লোশনের প্রয়োজন হয় না। এখন বাজারে যেসব ইলেকট্রিক শেভার পাওয়া যায় তা দুই ধরনের। রোটারি ইলেকট্রিক শেভার, এতে গোলাকার দু'তিনটি ঘূর্ণায়মান ব্লেড থাকে। এগুলো খুব সহজেই যে কোনো ধরনের চেহারায় ব্যবহার করা যায়। ফয়েল ইলেকট্রিক শেভার, এই যন্ত্রে ব্লেড একটি পাতলা ছিদ্রযুক্ত স্টিল ফয়েলের পেছনে লুকানো থাকে এবং পাশাপাশি দুলে। সাধারণত কাজ সারে এ শেভারগুলো।


ত্বকের ধরন বুঝে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী কিনতে পারেন ইলেকট্রিক শেভার। যাদের ত্বক এবং দাড়ি-গোঁফ রুক্ষ, তারা ব্যবহার করতে পারেন রোটারি ইলেকট্রিক শেভার। যাদের দাড়ি-গোঁফ তাড়াতাড়ি বাড়ে তারা ব্যবহার করতে পারেন ফয়েল ইকেট্রিক শেভার। আপনার পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিন ইলেকট্রিক শেভার। রঙচঙে শেভারের রকমারি ফিচারে ভুলে না গিয়ে নামি ব্র্যান্ডেরটি বেছে নেওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। শেভারের ব্যাটারির মেয়াদ, ব্লেডগুলো কোয়ালিটি আর ভেতরের কলকব্জা যাচাই করে নিন।

বাজারে হরেক রকম ইলেকট্রিক শেভার ও ট্রিমার পাওয়া যায়। ব্র্যান্ডও রয়েছে অনেক। এর মধ্যে আছে কিমেই, ফিলিপস, নোভা, এইচটিসি, ফিলিপস নরেলেস্পিড, ব্রন সিরিজ, প্যানাসনিকসহ আরও অনেক। সুপার শপগুলোয় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ইলেকট্রিক শেভার ও ট্রিমারের দাম পড়বে ৫০০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

যত্ন : ইলেকট্রিক শেভার ও ট্রিমার ব্যবহারের পর পরিষ্কার করে রাখা ভালো। প্রতিবার না পারলেও তিনবারে অন্তত একবার পরিষ্কার করে রাখুন। মাসে অন্তত একবার ব্লেডগুলো খুলে সাবান পানিতে ধুয়ে নিতে পারেন। শেভারের স্কিনে কখনও ব্রাশ লাগাবেন না। এতে টিকবে বেশি দিন।

এই ট্রিমার ও শেভার গুলো আপনি ইচ্ছে করলে ঘরে বসেই কিনে নিতে পারেন। নতুন মডেলের শেভার ও ট্রিমার সবচেয়ে কম দামে কিনতে ঢুঁ মারুন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে দ্রুত ডেলিভারী নিতে ও কিনতে এখানে ক্লিক করুন। 

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *ইলেকট্রিকটিমার* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীত জেঁকে বসতে খুব একটা দেরি নেই। হঠাৎ ঘনকুয়াশা আর হাড়কাঁপানো শীত যদি আপনার ঘরে হানা দেয় তখন আপনি কি করবেন? বাইরে বের হওয়ার সময় তো ঠিকই একগাদা গরম কাপড় পরে বের হন। কিন্তু রাতের বেলা ঘরে ঘুমানোর সময় কি আর শীতের পোশাক পরে ঘুমানো সম্ভব? তাছাড়া সারা দিনের দৌড়াদৌড়ি আর ব্যাস্ততার পর রাতে একটু আরাম করে ঘুমাতে না পারলে শরীর ও মন দুটোয় বিগড়ে যায়। তাই শীত জেঁকে বসার আগেই পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে শোবার ঘরের জন্য ইলেক্ট্রনিক্স রুম হিটার।

ইলেকট্রিক রুম হিটারঃ

শীতে ঘরের মধ্যে উষ্ণতার পরশ পেতে আপনার ঘরে ইলেকট্রিক রুম হিটার লাগিয়ে নিতে পারেন। এটি ঘরে থাকলে সারা দিনের পরিশ্রমের পরে শীতের এই সময়টাতে আরামে ঘুমাতে পারবেন। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের রুম হিটার পাওয়া যায়। আপনার চাহিদা অনুযায়ী ছোট, বড়, মাঝারি যে কোন সাইজের রুম হিটার নিয়ে নিতে পারেন। এই ধরনের হিটার গুলো ব্যবহারে কোন ঝুঁকি নেই। চালু করার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এটি ঘরকে গরম করতে সক্ষম। তাহলে আর দেরী কেন আজই আপনার পছন্দ অনুযায়ী ঘরের জন্য একটি ইলেকট্রিক রুম হিটার কিনে নিন।

বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রুম হিটার পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর মধ্যে মিয়াকো নোভা, নোভেনা, ওশেন, বুসরা, কমেট ও ডিলঙ্গি ব্র্যান্ডের রুম হিটারগুলোই চলছে বেশি। এগুলো ছাড়াও চায়না ব্র্যান্ডের বিভিন্ন রুম হিটারের চাহিদাও রয়েছে বেশি। এছাড়া রোওয়া, ইয়ামাদা (মালয়েশিয়া), সিমেন্স ও সনি ব্র্যান্ডের রুম হিটারও চলছে বেশ।

পণ্যের গুণগত মান অনুযায়ী দাম নির্ভর করে, রুম হিটারের ক্ষেত্রেও এর বিকল্প নেই। বাজারে মিনি রুম হিটার গুলো ১ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন। তবে রিমোট কন্ট্রোল ও ভালো মানের হিটার গুলো কিনতে চাই ৫ থেকে ১২ হাজার টাকা গুণতে হবে। যদি আপনি ভালো মানের রুম হিটার কেনেন তাহলে আপনার বিদ্যুৎ খরচ কম হবে। এখন সিদ্ধান্ত আপনার।

বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স শপে আপনি রুম হিটার পেয়ে যাবেন। তবে পছন্দমত সবগুলো রুম হিটার একসাথে পেতে চাইলে ঢুঁ মারতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ আজকেরডিল.কম এর ওয়েব সাইটে। সাশ্রয়ী মূল্যে ভালোমানের রুম হিটার আজকেরডিল থেকেই সংগ্রহ করতে পারবেন। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে দ্রুত ডেলিভারী নিতে আপনার পছন্দের রুম হিটারটি কিনুন এখান থেকে

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিলে* *স্মার্টশপিং* *রুমহিটার*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শীতের সবচেয়ে ফ্যাশনেবল পোশাক হুডি। তাইতো শীত আসার সাথে সাথেই হুডি কেনার ধুম পড়ে যায়। শীত পোশাকের পাশাপাশি ফ্যাশনটাও হয়ে যায় হুডির মাধ্যমে। আর তাই এখন বাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে শীতের পোশাক হুডির। মূলত তরুণ-তরুণীরা এই হুডির বেশি ভক্ত। যখন গরম লাগবে, তখনহুড ফেলে রাখলেই যথেষ্ট। আবার ঠাণ্ডার সময় হুড পরে ফেললেই ঠান্ডা গায়েব! ফ্যাশনের সঙ্গে সঙ্গে শীত মোকাবেলার ভালো বন্ধুও বটে এ হুডি পোশাক।

এবার শীত উপলক্ষ্যে বাজারে বিভিন্ন ডিজাইন ও মডেলের হুডি পাওয়া যাচ্ছে। দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল থেকে প্রতিদিন শতশত হুডি কিনছে ক্রেতারা। ক্রেতাদের পছন্দ এবং সবচেয়ে বেশি বিক্রির তালিকায় থাকা সেরা ১০টি হুডি আপনাদের মাঝে তুলে ধরালাম। শীতের কাপড় তো আর প্রতি বছর কেনা হয় না। তাই যারা ভাবছেন এবার পছন্দসই এক-দুটি হুডি কিনে নেবেন, তাদের জন্য রইলো এই ১০টির যেকোন একটি।

০১. কোরিয়ান স্টাইল জেন্টস ফুল স্লিভ কটন হুডি

কিনতে ক্লিক করুন

০২. মেনজ ফুল স্লিভ হুডি

কিনতে ক্লিক করুন

০৩. Ghost কটন জেন্টস ফুল স্লিভ হুডি

কিনতে ক্লিক করুন

০৪. Ghost কটন জেন্টস ফুল স্লিভ হুডি ২

কিনতে ক্লিক করুন

০৫. মেনজ ফুল-স্লিভ হুডি

কিনতে ক্লিক করুন

০৬. হুডি উইথ লেদার (আর্টিফিশিয়াল) হ্যান্ড ফর মেন

কিনতে ক্লিক করুন

০৭. ফুল স্লিভ জেন্টস হুডি

কিনতে ক্লিক করুন

০৮. জেন্টস ফুল স্লীভ হুডি

কিনতে ক্লিক করুন

০৯. মাল্টিকালার ফুল স্লিভ হুডি ফর মেন

কিনতে ক্লিক করুন

১০. হুডি ফর মেন

কিনতে ক্লিক করুন

বাহারি ডিজাইন আর নানান রঙের সমন্বয়ে তৈরী উপরের হুডিগুলি শীত ফ্যাশনে অন্যতম অলংকারে পরিণত হয়েছে। এই শীতে পায়ে কনভার্স, পরনে জিন্স ও টি-শার্ট, সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন এসব ফ্যাশনেবল হুডি। এ যেন ফ্যাশনের সঙ্গে নিত্যনতুন পথচলা। শীতে পরার মতো পোশাক তো অনেক কিছুই আছে। কিন্তু শীত তাড়ানো এবং ফ্যাশন একসঙ্গে এই দুই শর্ত পূরণ করতে আজই হুডি কিনে নিন।


হুডির হুলুস্থুল কালেকশন থেকে সেরা হুডিগুলো কিনতে চাইলে অন্যতম মাধ্যম হতে পারে আজকেরডিল ডটকম। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে হুডি কিনতে চাইলে আজকের ডিল ছাড়া আর সহজ উপায় কি হতে পারে? কারণ আজকের ডিলে আছে হুডির অস্থির কালেকশন ! আজকের ডিলের হুডির কালেকশন দেখতে ছবিগুলোতে ক্লিক করুন অথবা এখানে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *হুডি* *সেরা১০টিহুডি* *শীতেরপোশাক* *শীতফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঢাকা ভিত্তিক একটি অনলাইন ফ্যাশন হাউজ ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মেহেদী হাসান যিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ ও এমবিএ শেষ করেছেন। নর্থ সাউথ থেকে বিবিএ শেষ করার পর তিনি একটি কোম্পানিতে চাকরি করার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সান্ধকালীন এমবিএ শেষ করেছেন।

২০১৪ সালে অনলাইন ব্যবসা শহরে অপেক্ষাকৃত নতুন । কিন্তু হাসান বুঝতে পেরেছিলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা পৃথিবী জুড়ে অনেক শিল্পই বেশ অগ্রসর হচ্ছে, সেদিক বিবেচনা করলে বাংলাদেশেও অনলাইন ব্যবসা দ্রুত গ্রো করবে। এই চিন্তা ভাবনা থেকেই তিনি এবং তাঁর দুই বন্ধু সহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লবিতে বসে ২০১৪ সালে একটি অফিসিয়াল ফেসবুক বিজনেস পেজ খোলার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ব্যবসা চালু করেন।

এর পরের, যাত্রা অবশ্য সহজ ছিল না। ব্যবসা শুরুর কয়েক মাস পর তার দুই অংশীদার ব্যবসা না করার সিদ্ধান্ত নেয়। তখন তিনি একটু চিন্তিত হয়ে পড়েন। তাছাড়া তাঁর পরিবারও চাচ্ছিলেন না দেশের শীর্ষ দুটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায়িক ডিগ্রী নেওয়ার পর তাদের সন্তান অনিশ্চিত কর্মজীবন চালিয়ে যাক। কিন্তু হাল ছাড়েননি মি. হাসান তিনি সাহস ও ধৈর্যের সঙ্গে এই চ্যালেঞ্জগুলির সাথে সামঞ্জস্য রেখে, একটি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আজকের এই অবস্থানে এসেছেন। বর্তমানে তিনি-ফেসবুক, অফলাইন শপ ও দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করছে। 

দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকম এধরনের নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উদ্দ্যোক্তাদের উঠে আসার গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করছে। লক্ষ্য একটাই নতুন উদ্দ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা জোগানো। যার ধারাবাহিকতায় আজকের আয়োজন মিষ্টার হাসানের ‘ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল’ নিয়ে।

কনটেন্টটি স্পন্সরড করেছে আজকেরডিল.কম

 

মি. মেহেদী হাসান নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ও একাউন্টিং বিভাগে পড়াশুনা করেছে। তিনি ২০১২ সালে বিবিএ শেষ করার পর, সন্ধ্যাকালীন কোর্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং এ এমবিএ করেন এসময় তিনি কোম্পানিতে জব করছিলেন।


প্রথম থেকেই নিতের মত করে কিছু একটা করার চেষ্টা তার মধ্যে ছিল। এর পরিকল্পিত রূপ হিসেবেই তার নেতৃত্বে ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল গড়ে ওঠে। ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল একটি অনলাইন ভিত্তিক শপিং বিজনেস। ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের লবিতে বসে তিনি এবং তার দুই বন্ধু মিলে ব্যবসার জন্য অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ তৈরি করেছিলেন। তার পর থেকে পথ চলা শুরু। যদিও কিছুদিন পর তার দুই বন্ধু ব্যবসা না করার সিদ্ধান্ত নেন কিন্তু তিনি দমে যাননি, এই হাল ধরে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়ে চলেন।


মি. মেহেদীর ব্যবসার ট্রেন্ড টা একটু ভিন্ন। তার মতে, যারা অনলাইন থেকে বেশিরভাগ পণ্য কেনা তারা যুবক সুতরাং তার টার্গেট অডিয়েন্স ইয়ং পিপল। এবং সেই লক্ষ্য নিয়ে তিনি পণ্য তৈরী করে আসছেন।


এই প্রজন্মের পথচলার শুরু থেকেই সঙ্গী হয়েছে ইন্টারনেট। মূলত ইন্টারনেটর দ্রুত অগ্রগতি অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পেছনে মি. মেহেদী হাসানকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। তিনি অনুধাবন করেছিলেন দ্রুতই মানুষ ইকমার্সে অভ্যস্থ হয়ে পড়বে কেউ আর মার্কেটে গিয়ে ঘাম ঝরিয়ে পণ্য কিনবে না তাই তিনি এই ধরনের ব্যবসা শুরু করার সিন্ধান্ত নেন। তার বাবার ঐতিহ্যবাহী বিটুবি বিজনেস ছিল সেখান থেকে তিনি অনুপ্রেরণা পান। তার অনুপ্রেরণার আরও একটি জায়গা আলিবাবা.কম। আলিবাবার সাইট দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। এছাড়াও বিডিজবস এর সিইও জনাব ফাহিম মাশরুরের কিছু কথা ও উপদেশ তাকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করেছিল।

 

ব্যবসার শুরুর প্রথম দিকে তার তিন বন্ধু প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা করে কন্ট্রিবিশন করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে একজন রাজি না হওয়ায় দুজনে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। মি. হাসান প্রথমে কিছু গার্মেন্টস ও বাইং হাউসের সরবারহ কৃত এক্সপোর্ট কোয়ালিটির পোলো টিশার্ট ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিক্রি শুরু করেন। শুরু দিকে তারা মোবাইলে পণ্যের ছবি তুলে অনলাইনে আপলোড করতেন।

ফ্রেন্ডজ লাইফ স্টাইল মূলত পোশাক ও গহণা বিক্রি করে। তারা গ্রাহদের কাছে কোয়ালিটি পণ্য তুলে দেন। তাদের কালেকশনে প্যান্ট, সালোয়ার কামিজ, শাড়ি, গহনা, কূর্তী, টি-শার্ট ও পোলো শার্ট রয়েছে। ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্যই তারা তাদের পণ্য সরবারহ করে। পণ্যের গুণগত মান ভালো হওয়ায় তার ব্যবসা দ্রুত অগ্রসরমান হচ্ছে। গত এক বছর ধরে তার ব্যবসার ক্রমর্বমান উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। ফ্রেন্ডস লাইফস্টাইলের কিছু রেগুলার কাস্টমার তৈরী হয়েছে যারা প্রতিনিয়ত পণ্য কিনে। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে ৫ জন টিম মেম্বার রয়েছ যারা প্রতিয়িত কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও তাদের পণ্য কাস্টমারদের কাছে পৌঁছে দেবার জন্য থার্ড-পার্টির ডেলিভারী সার্ভিসের সহায়তা নেন।

মি. মেহেদীর প্রতিষ্ঠান তার ব্যবসা থেকে প্রতিবছর প্রায় কয়েক মিলিয়ন টাকা আয় করেন। অনলাইনের পাশাপাশি তারা অফলাইনেও তাদের পণ্য বিক্রি করেন। তাদের মোট বিক্রির ৬০% হয় অনলাইনে বাঁকি ৪০% হয় অফলাইনে।

 

মি. হাসানের অনলাইন এই ব্যবসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ লজিস্টিক সাপোর্ট। সারাদেশে দ্রুত পণ্য ডেলিভারী দেবার মত কোন ভালো ডেলিভারী সার্ভিস এখনো গড়ে ওঠেনি। কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য ডেলিভারীতে বহু রকমের সমস্যা ফেস করতে হয়। সরকারি পোস্ট অফিস যদি এগিয়ে আসত তাহলে এই ব্যবসা দ্রুত অগ্রসর হবে এবং সব জায়গায় পণ্য পৌঁছে দেওয়া যাবে বলে তিনি মনে করেন।

দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের মাধ্যমে মি. হাসান ব্যবসা করছে। প্রায় ৪ বছর থেকে ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল আজকেরডিলের মার্চেন্ট হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। তাছাড়াও আজকেরডিলের সিইও জনাব ফাহিম মাশরুরের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক বেশ ভাল। শুরু থেকে কিভাবে একটি ব্যবসা বড় করতে হয় সে পরামর্শ তিনি ফাহিম মাশরুরের কাছ থেকেই পেয়েছেন। আজকেরডিলের মাধ্যমে ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০টির অধিক পণ্য বিক্রি করেন। তার মতে, পণ্য বিক্রির জন্য আজকেরডিল একটি বড় মাধ্যম।

নতুনদের জন্য মি. মেহেদী হাসানের পরামর্শঃ

প্রথমত, ব্যবসা শুরুর আগে সঠিক গবেষণা করুন, আপনার পণ্যের চাহিদা এবং বাজার বুঝে ব্যবসা শুর করা ভাল। সময় পরিবর্তিত হয়েছে, বাজার আরো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে, আগে আমরা মোবাইল ফটোগ্রাফি করে পণ্য বিক্রি করেছি কিন্তু এখন আর মোবাইল ফটোগ্রাফি অনলাইনে আপলোড করার মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন না। এজন্য ভালো প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামতে হবে।

দ্বিতীয়ত, আপনার ব্যবসার জন্য সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইন সম্পর্কে জানুন এবং পরিকল্পনা করুন। আপনার পণ্য কোথায় থেকে আসবে কিভাবে ডেলিভারী দিবেন সেগুলো ঠিক করুন তারপর ব্যবসা শরু করুন। প্রতিশ্রুতি বজায় রাখার চেষ্টা করুন। কোন ক্রমেই যেন, কাস্টমাররা প্রতারিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। মনে রাখবেন, যখন একজন গ্রাহকের সাথে আপনার খারাপ অভিজ্ঞতা হবে, সাধারণত তখন সেই গ্রাহক আপনার কাছে দ্বিতীয়বার আসবেনা।

অবশেষে এবং সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হলো, ব্যবসার এবং জীবনে অনেক উত্থান পতন থাকবে। সংগ্রাম ও চেষ্টার মাধ্যমে কঠিন সময়গুলো পার করতে হবে। একটি টেকসই ব্যবসা দাঁড় করারনোর জন্য দীর্ঘ সময় লাগবে। আপনি যদি সত্যিই একটি ব্যবসা দাঁড় করাতে চান, তাহলে আত্মসমর্পণ করলে চলবে না, স্বপ্ন সত্যি করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে এগিয়ে যেতে হবে।

*সফলতারগল্প* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *ফ্রেন্ডজলাইফস্টাইল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দিনে দিনে প্রযুক্তি মানুষের নিত্য সঙ্গী হয়েছে। আগে সময় দেখার জন্য মানুষ যে হাতঘড়ি ব্যবহার করত তাতে এখন যুক্ত হয়েছে লেটেস্ট প্রযুক্তি । এখন হাতঘড়িতে এত্তোসব আকর্ষণীয় ফিচার যুক্ত হয়েছে যা আপনি হয়তাবা এখনো জানেন না। প্রযুক্তিবিদরা ফ্যাশনেবল এই লেটেস্ট ঘড়ির নাম দিয়েছে স্মার্টওয়াচ। এখন আর কষ্ট করে পকেটের স্মার্টফোন বারবার বের করার প্রয়োজন হয় না। একটি স্মার্ট ওয়াচ হাতে থাকলে যথেষ্ঠ। যদিও এটি একটি ঘড়ি তারপরেও এর এক্সট্রা সুবিধা হলো এটার মধ্যে পুরো একটি অপারেটিং সিস্টেম লোড করা আছে। এটি স্মার্ট মোবাইলের এক্সট্রা গিয়ার হিসেবে কাজ করবে এবং চাইলে এতে সিম ভরে মোবাইল হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন।

ঘড়ির টাইম ঠিক থাক আর না থাক স্টাইলিশ ফ্যাশনের জন্য হাতে ঘড়ি থাকা চাই-ই-চাই। আপনার হাতেও যদি একটি স্টাইলিশ ঘড়ি থাকে তাহলে আপনার মন ভাল থাকবে আর ফ্যাশেনের মুড হবে একটু অন্য রকম। আপনাদের ফ্যাশনে অন্যরকম ভাব দিতে আপনাদের পছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল নিয়ে এসেছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বেস্ট স্মার্টওয়াচ এর বেটার কালেকশন। স্টাইলিশ সব স্মার্টওয়াচ গুলোর কালেকশন দেখতে আজেরডিলের স্মার্টওয়াচের এই পেজটিতে ক্লিক করুন।

যে কারণে স্মার্টওয়াচ কিনবেনঃ

ধুরুন আপনি অফিসে কোন গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এ ব্যস্ত, এমন সময় আপনার বাসা থেকে কোন জরুরী বার্তা (Message) এল। মিটিং চলাকালীন তো আর মুঠোফোন বের করে মেসেজের রিপ্লাই দেয়া যায় না। আবার মেসেজের রিপ্লাই দেয়াটাও হয়তো খুব জরুরী হতে পারে। অগত্যা আপনার কিছু করার নেই। আবার ধরুন, নিজেই গাড়ি চালাচ্ছেন এমন সময় বেজে উঠলো ফোন। ব্যস্ত রাস্তায় গাড়ি চালাতে চালাতে তো আর পকেট থেকে মোবাইল বের করে কল রিসিভ করা যায় না। হয়তো বেশ ভীড়ের মাঝে আছেন, এমন সময় যদি বেরসিক ফোনখানা বেজে ওঠে তবে ভীড়ের মাঝে পকেট বা ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে মোবাইল বের করে কল রিসিভ করাটা রীতিমতো দুঃসাধ্য ব্যপার। এমন সব মুহূর্তে বেশ অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। আপনি না পারেন মোবাইলের বিড়ম্বনা এড়াতে, না পারেন চলমান কাজে মনোযোগ দিতে। আধুনিক যুগে প্রায় প্রত্যেকেরই স্মার্ট ফোন রয়েছে। কল রিসিভ অথবা মেসেজ চেক করার জন্য প্রত্যেককেই পকেট কিংবা পার্স থেকে ফোন বের করতে হয়। কিন্তু এমন বিড়ম্বনায় পড়লে, প্রায়ই গুরুত্বপূর্ণ কল রিসিভ বা ম্যাসেজের রিপ্লাই দেয়া প্রায়ই সম্ভব হয় না। এসব ক্ষেত্রে সমাধান হতে পারে আপনার হাতের স্মার্টওয়াচটি। একটি স্মার্ট ওয়াচ আপনি আপনার হাতে পড়ে এমন সব বিড়ম্বনা খুব সহজেই এড়াতে পারেন।

যা কিছু করতে পারবেন স্মার্ট ওয়াচ দিয়েঃ

আপনার ফোন পকেটে আছে হেডফোন কানে লাগিয়ে গান শুনছেন, গান চেঞ্জ করবেন ঘড়ির মিউজিক অ্যাপটা ওপেন করেন তারপর গান চেঞ্জ করেন, ভলিউম বাড়ান কমান, প্লে পজ করেন। নতুন ম্যাসেজ আসছে কিন্তু মোবাইল পকেট থেকে বের করতে ইচ্ছা করছে না সমস্যা নেই ম্যাসেজিং অ্যাপ দিয়ে ঘড়িতেই পড়ে ফেলতে পারবেন ম্যাসেজটি। এমনকি প্রিডিফাইন্ড রিপ্লাই বা কল ব্যাক ও করতে পারবেন যাস্ট টাচ করেই। যার অর্থ এইটা একটা ঘড়ি হলেও আপনার মোবাইলের রিমোট কন্ট্রোল হিসাবে কাজ করবে। আর চাইলে আপনি অনেক স্মার্ট ওয়াচে সিমও লাগিয়ে নিতে পারবেন। অ্যালার্ম দিয়ে রাখতে পারবেন, ক্যালেন্ডার ও ক্যালকুলেটর সুবিধা পাবেন। ছবি উঠাতে পারবেন, ভিডিও রেকর্ড করতে পারবেন। অডিও রেকর্ড করতে পারবেন। ইমেজ ভিউ ও ভিডিও প্লেয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

কোথা থেকে কিনবেন

বর্তমান বাজারে দেশের বিভিন্ন ইলেকট্রিক এক্সেসরিজ, কম্পিউটারশপ গুলোতেই স্মার্ট ওয়াচ কিনতে পারবেন। তবে বিশ্বস্থতার সাথে ঘরে বসে ভাল মানের স্মার্টওয়াচ কিনতে চাইলে ভরসা রাখতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের উপর। আজকেরডিলে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের অনেকগুলো স্মার্টওয়াচের কালেকশন রয়েছে। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে অনলাইনে অর্ডার করে আপনি আপনার পছন্দমত স্মার্টওয়াচ কিনে নিতে পারবেন। আজকের ডিল কর্তৃপক্ষ আপনার অর্ডারকৃত পণ্যটি দ্রুত আপনার ঠিকানা বরাবার পৌঁছে দেবে। আজকের ডিল থেকে স্মার্ট ওয়াচ কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *লেটেস্টস্মার্টওয়াচ* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

Four Dimension ডিজাইনার ব্যাগ ও টি-শার্ট বিক্রয়কারী একটি ফ্যাশন রিটেইলার। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও  মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, ২০০৭  সালে তার বন্ধুদের সাথে ডিজাইনার ব্যাগ ও টি-শার্ট বিক্রি করে তার ব্যবসা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সেটা মোটেই ট্রেন্ডি ও সহজ কাজ ছিল না।

তাছাড়া, ব্যাগ বিক্রয় একটি চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার ছিল কারণ বাজারে তখন চীনা ও স্থানীয় পণ্যগুলির প্রতিযোগিতার একটা চাপ ছিল। কিন্তু মিঃ রহমান বাজারে ভালো মানের ডিজাইনার ব্যাগের চাহিদা অনুভব করেন।

এই কনটেন্টটি স্পন্সরড করেছে আজকেরডিল

 মিঃ রহমান বলছিলেন...

"Four  Dimension ,  আমি যখন ২০০৭ সালে আমার দুই বন্ধুের সাথে শুরু করেছিলাম, তখনও আমি ফাইন আর্টস ছাত্র ছিলাম, এটি একটি ব্যক্তিগত গল্প। সেই দিনগুলোতে, আমি তরুণদের ফ্যাশন প্রবণতার একটি অনুরাগী অনুসারী ছিলাম। আমি বিশেষ করে ব্যাগের নকশাকে প্রাধান্য দিয়েছি, নানান ডিজাইনের ব্যাগ দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি এবং সময়ের পরিসরে আমার সংগ্রহে প্রচুর ব্যাগের সংগ্রহ আছে, এটা আমার ব্যক্তিগত শখ। আর এই শখ থেকেই Four  Dimension এর যাত্রা শুরু।”

বর্তমানে সেই শখ থেকে উঠে আসা প্রতিষ্ঠান Four Dimension  তার একটি সমৃদ্ধ ব্যবসা। ঢাকাতে দুটি রিটেল স্টোর ছাড়াও, এটি তার পণ্য ওয়েবসাইট, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং আজকেরডিলের মত প্ল্যাটফর্মেও বিক্রি করে। এখানে ষ্টুডিও ম্যানুফ্যাকচারিং ফেসিলিটি আছে, যেখানে প্রায় ২৫ জনের উপরে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা রয়েছে এবং দিনকে দিন এটা বেড়েই চলছে।

গত কয়েক বছরে, আকর্ষণীয় পণ্য এবং চমৎকার গ্রাহক সেবা প্রদানের মাধ্যমে, এটি গ্রাহকদের মনে একটি বিশেষ স্থান তৈরি করে নিয়েছে । এই কোম্পানি  loyal community of customers তৈরী করে নিয়েছে, যেটা এর ব্যবসাকে দিন কে দিন আরো বেশি প্রসারিত ও স্বনামধন্য করে তুলছে।

আমরা সম্প্রতি মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে কথা বলেছি, আজ তিনি যা, এবং যে কাজ করছেন সে সম্পর্কে,  তার প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা সম্পর্কে, Four Dimension  এর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে  এবং স্ক্র্যাচ থেকে একটি ব্যবসা নির্মাণের বিষয়ে তার চিন্তাভাবনা ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় এখানে আলোচনা হয়েছে। আবেগ, কঠোর পরিশ্রম এবং উৎসর্গীকরণের এই উজ্জ্বল কাহিনী আপনাদের সাথে  আজকারডিলের মাধ্যমে তুলে ধরছি।

স্পন্সরড বাই আজকেরডিল

 

সিরাজগঞ্জের ছেলে মো : মোস্তাফিজ , যেখানে তিনি তার প্রাথমিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ব্যয় করেছেন। এইচএসসির পরে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন আর্টস ইনস্টিটিউটে যোগ দিয়েছিলেন এবং সেখানে স্নাতক ও সিরামিক পটভূমিতে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছিলেন।

আন্ডারগ্রাজুয়েট থাকাকালীন তিনি নকশা সম্পর্কিত কাজে জড়িত ছিলেন। ডিজাইনিং এর প্রতি তার বিশেষ আকর্ষণ ছিল বরাবরই, যা তাকে সৃজনশীল চিন্তাভাবনা করতে সাহায্য করে থাকে পরবর্তীতে। চারটি মাত্রা নেভিগেশন কাজ করার সময়, নিয়মিত পাশাপাশি নকশা প্রকল্পে কাজ করেছেন। Four Dimension  ছাড়াও তিনি গ্রাফিক ডিজাইন ও ইন্টেরিয়র ডিজানের সাথে সম্পৃক্ত আছেন।

স্বাভাবিক ভাবে, আমরা দেখি না যে আমাদের সমাজে ছেলেরা সেই অর্থে ফ্যাশন সচেতন । আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে প্রকৃতপক্ষে, ফ্যাশন শব্দটা যেন এক তরফ মেয়েদের মালিকানাধীন। তিনি মনে করেন, নান্দনিক টি শার্ট পরে আর একটি ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ছেলেরাও ফ্যাশন  সচেতন হয়ে তাদের নান্দনিক অভিব্যক্তি সকলের সামনে ফুটিয়ে তুলতে পারেন।

Four Dimension  এর যাত্রা শুরু হয়েছিল দুটো পণ্য দিয়ে : টি-শার্ট এবং ব্যাগ। ২০০৭ সালে আজিজ সুপার মার্কেটের একটি ছোট্ট কর্নারের দোকান ভাড়া করে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। তখন পর্যন্ত আজিজ সুপার প্রধানত একটি বইয়ের বাজার। বিল্ডিংটি তখন অব্দি সম্পূর্ণরূপে কার্যকরী হয়নি। ব্র্যান্ডেড দোকান সংখ্যা মুষ্টিমেয় ছিল। ভাড়া তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী মূল্যের ছিল। তখন মোস্তাফিজ নিশ্চিত হয় যে তারা এই ব্যবসাটি তাহলে শুরু করতেই পারে। বাঙালির ট্রাডিশনাল উৎসবকে কেন্দ্র করেই মূলত তারা টি শার্টের ডিজাইন করতে শুরু করে। প্রাথমিকভাবে এটি সহজ কাজ ছিল না। ব্যাগের চেয়ে টি শার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং করা তাদের জন্য বেশি সহজ ছিল। ব্যাগ ম্যানুফ্যাকচারিং প্রসেস ভীষণ কঠিন ব্যাপার হয়ে উঠেছিল তাদের জন্য। এর দক্ষ কারিগর ও ম্যাটেরিয়ালস প্রয়োজন ছিল। ২০০৭ তাদের জন্য সব মিলে একটা কঠিন সময় ছিল।

যেহেতু তাদের লক্ষ্য ছিল গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য তারা সুলভ মূল্যে ক্রেতাদের মধ্যে ছড়িয়ে দেবে, তাই ব্যাগ ও টি শার্টই ছিল তাদের জন্য আদর্শ প্রডাক্ট। তখন মার্কেটে চারপাশে চাইনিজ ব্যাগের ছড়াছড়ি, প্রতিযোগিতা যেন ছিল তুঙ্গে। তবে আশার কথা ছিল এটাই যে, চাইনিজ ব্যাগগুলো ছিল নিম্নমানের, তিন চারমাসের ব্যবহারেই এর জেল্লা, চেইন সব আস্তে আস্তে নষ্ট হতে শুরু করে দেয়। আর এই বিষয়কেই Four Dimension অপর্চুনিটি হিসেবে নেয় এবং সেইভাবে নিজেদের প্রস্তুত করতে থাকে। মাত্র ২০০০০০ টাকা দিয়েই তাদের ব্যবসা শুরু হয়েছিল। তারা মোটামোটি বিভিন্ন ডিজানের ৫০০ টি শার্ট ও ৩০০ ব্যাগ নিয়ে প্রতিষ্ঠান শুরু করে। প্রথম দিকে সেভাবে সাড়া না পেলেও, আস্তে আস্তে এটি ব্যাপকভাবে সাড়া পেতে শুরু করে এবং অনেক ক্রেতা পেতে থাকে। এখন তারা ব্যাগ, টি শার্ট, পাঞ্জাবি, মূলত ছেলেদের হরেকরকম পোশাক সরবরাহ করে থাকে। এখন তাদের ব্যাপ্তি আজিজ সুপার মার্কেটের সেই কোনার দোকান থেকে পুরো ইন্টারনেট দুনিয়ায়। তারা আজকেরডিল, ইকমার্স সাইটের সাথে প্রায় দু বছর ধরে ব্যবসা করছে। তাদের পণ্যগুলো আজকেরডিল থেকে ব্যাপক বিক্রি হচ্ছে।

আজিজ সুপার মার্কেটে দুটো শো রুম ছাড়াও বেইলি রোড ও ওয়ারীতে তাদের আউটলেট রয়েছে। তারা বিভিন্ন ইভেন্ট ও উৎসবের জন্য আলাদাভাবে কাস্টমারের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী অর্ডারও নিয়ে থাকেন। তাদের লক্ষ্য এখন পাইকারি বাজারে অনুপ্রবেশ। তাদের ইউনিক ডিজাইন ও গুনগত মান সম্পন্ন প্রোডাক্ট তাদেরকে অন্যদের থেকে ব্যতিক্রম করে তুলেছে।

মোঃ মোস্তাফিজের পরামর্শ : সকলের মধ্যেই উদ্যোক্তার সম্ভাবনা থাকে, সেটি প্রস্ফুটিত করতে দিতে হবে। ইচ্ছা শক্তি, কঠোর পরিশ্রম, সততা ও গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য সরবরাহ করতে পারলে যে কেউই উদ্যোক্তা হবার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন অনায়াসে। ব্যবসা করতে গেলে উত্থান পতন থাকবেই, তবে সেটিকে আঁকড়ে না ধরে নতুন নতুন কৌশল রপ্ত করে ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারাটাই একজন সফল উদ্যোক্তার সফলতা।

(কনটেন্টটি futurestartup থেকে অনুবাদকৃত)

*ফোরডাইমেনশন* *উদ্দ্যোক্তা* *স্পন্সরডকনটেন্ট*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★