স্বাস্থ্য কথা

স্বাস্থ্যকথা নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

Lutfun Nessa: ফটো পোস্ট করেছে

Mahi Rudro: একটি টিপস পোস্ট করেছে

হাঁচি আসলে আটকাবেন না যে কারণে... | প্রিয়
http://www.priyo.com/2015/Dec/24/186245-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A%E0%A6%BF-%E0%A6%86%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87
আপনি কি কখনো চিন্তা করেছেন কেন হাঁচি দিলে অন্যরা বলেন “স্রষ্টা আপনার মঙ্গল করুন”? কারণ যদি হাঁচি আসা বন্ধ করা হয় তাহলে তা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। হাঁ এটা সত্যি কখনোই হাঁচি বন্ধ করা ঠিক নয় কারণ এর ফলে শরীরের অন্য অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। যদি হাঁচি বন্ধ করা হয় তাহলে তা ডাইভারট হয়ে কান ব্রেইন ঘাড় ডায়াফ্রাম ইত্যাদি অঙ্গের অনেক ক্ষতি করে। হাঁচি বন্ধ করার বিপদজনক দিক গুলো জেনে নিই আসুন। ...বিস্তারিত
*স্বাস্থ্যকথা*
৬৭ বার দেখা হয়েছে

মারুফ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১। দ্রুত শক্তি প্রদানকারী
খেজুরে আছে গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ যা আপনাকে শক্তি দিয়ে থাকে। এটি খুব দ্রুত কাজের শক্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসে শরীরে। আপনি যদি খুব ক্লান্ত থাকেন তখন কিছু খেজুর খাবেন, দেখবেন শরীরের ক্লান্তি এক নিমিষে দূর হয়ে গেছে।

২। রক্ত স্বল্পতা দূর করে
যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন। তারা নিয়মিত খেজুর খেতে পারেন। খেজুর রক্ত উৎপাদন করে দেহের রক্তের চাহিদা পূরণ করে থাকে।

৩। কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে
খেজুরে কোনো কোলেস্টেরল এবং বাড়তি পরিমাণে চর্বি থাকে না। ফলে আপনি সহজেই খেজুর খাওয়া শুরু করে অন্যান্য ক্ষতিকর ও চর্বি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

৪। ওজন কমিয়ে থাকে
মাত্র কয়েকটা খেজুর কমিয়ে দেয় ক্ষুধার জ্বালা। এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। আর এই কয়েকটি খেজুর শরীরের শর্করার চাহিদাও পূরণ করে থাকে। ফলে আপনি শর্করা জাতীয় খাদ্য গ্রহণ না করলেও শরীরে শর্করার অভাব হয় না।

৫। হজমে সাহায্য করে
কখনো বেহিসেবি খাওয়াদাওয়া করে ফেললে, অনেক সময় বদহজম হয়ে যায়। এই সমস্যা থেকে সহজে মুক্তি দেবে কয়েকটি খেজুর।

৬। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ যা খাদ্য পরিপাক হতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। ডায়রিয়া হলে কয়েকটি খেজুর খান। এটি ডায়রিয়া রোধ করতে সাহায্য করবে।

৭। ক্যান্সার প্রতিরোধ
অবাক হলেও সত্য খেজুর ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এক গবেষনায় দেখা যায় খেজুর পেটের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। আর যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের বেলায় ক্যান্সারের ঝুঁকিটা কমে যায় অনেকখানি।

*স্বাস্থ্যকথা* *খেজুর*
খবর

মারুফ: একটি খবর জানাচ্ছে

টানা বসে থাকায় ডায়াবেটিস-ক্যানসার
http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/400057.html
টানা বসে থাকায় ডায়াবেটিস-ক্যানসার ...বিস্তারিত
*ডায়াবেটিস* *ক্যানসার* *স্বাস্থ্যকথা*
২৮৩ বার দেখা হয়েছে
খবর

মারুফ: একটি খবর জানাচ্ছে

নাকডাকা জানুন কতোটা ভয়াবহ
http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/401093.html
নাকডাকা জানুন কতোটা ভয়াবহ ...বিস্তারিত
*নাকডাকা* *স্বাস্থ্যকথা*
১৩১ বার দেখা হয়েছে

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

অটিস্টিক শিশুরা কোন না কোন বিষয়ে পারদর্শী হয়। তা আবার সুস্থ অনেক শিশুর চেয়েও ভাল ফলাফল করে দেখাতে সক্ষম হয়। পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে অবশ্যই অত্যন্ত ধৈর্য্য, ভালবাসা, উদারতামূলক মনোভাব নিয়ে এদের সাথে কাজ করতে হবে। সেই জন্য যা দরকার তা হলো প্রথমে শিশুটিকে বিশেষ প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষিত করতে হবে। তার জন্য দরকার বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সেখানে অবশ্যই শিশুকে পাঠিয়ে মা, বাবা বা পরিবারের সদস্যরা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে সহযোগিতা করতে হবে। শিশুর মূল সমস্যা চিহ্নিত করে, তা সমাধানের জন্য সহযোগিতা মূলক মনোভাব প্রদর্শন করতে হবে। অটিজম শিশুকে নিজের ঘরের বাহিরে সেটা স্কুল হোক বা সামাজিক কোন পরিবেশ হোক বা বিনোদন কেন্দ্র হোক সব জায়গাতেই যেন শিশুটি খাপ খাওয়াতে পারে তার জন্য বিশেষভাবে পরিবারকে সচেতন হয়ে শিশুকে তৈরি করে পাঠাতে হবে। তবেই, সমাজের সহযোগিতামূলক আচরণ ফলপ্রসু হয়ে শিশুটির মেধার বিকাশের ক্ষেত্রে উপকার হবে।

অটিজম শিশুদের খাদ্য তালিকা নিয়ে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে গবেষণা করে দেখা গেছে আবার অনেক অটিস্টিক ব্যক্তির নিজের অভিজ্ঞতামূলক উক্তির মাধ্যমে জানা গেছে, অনেকগুলো খাদ্য তাদের আচরণগত সমস্যা ঘটায়, অস্থিরতা বাড়ায়, আক্রমণাত্মক করে তোলে, ঘুম কমিয়ে দেয়, ইত্যাদি আরও সমস্যা দেখা দেয়। সেই খাদ্যগুলো হল ময়দা, চিনি, দুধ, টেস্টিং সল্ট জাতীয় খাদ্য। প্রিজারভেটিভ জাতীয় খাদ্য, সাগরের মাছ, চর্বি জাতীয় খাদ্য ইত্যাদি।প্রত্যেক পরিবারে মা-বাবা বা অন্য সদস্যরা মনেপ্রাণে হয়ত আশা করছেন বাচ্চাটির অস্থিরতা কমুক, কিন্তু খাদ্যভ্যাস পরিবর্তন না করলে এর ফল থেকে বঞ্চিত হবেন।
 এবার আসা যাক নিয়মানুবর্তিতার কথায়। এই অটিজম শিশুরা খুব বেশি নিয়মমাফিক চলতে পছন্দ করে। তাদেরকে খুব ছোট বেলা থেকে রুটিন মাফিক প্রত্যেকটি কাজ ঘড়ি ধরে করালে এবং কোন কাজটার পর কোন কাজটা হবে? তাকে কি করতে হবে, কোথায় যেতে হবে, কতক্ষণ থাকতে হবে এই কথাগুলো রুটিন সাজিয়ে সবসময় তার ভিতরে পূর্ব থেকে প্রস্তুতি নেওয়ার প্রচেষ্টা চালালে তার অস্থিরতা কমে যাবে। কারণ সে অভ্যস্থ হয়ে পড়বে কখন কোন্‌ সময় তাকে কি করতে হবে। তা তার ভিতরের ঘড়ির সময়ই তাকে বলে দেবে।
নিয়মানুবর্তিতা আমাদের সকলের জীবনে এমন একটা জিনিস যার ফলাফল খুবই মিষ্টি হয়। অটিজম শিশুকে বোঝা মনে না করে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ব্যায়াম, অকুপেশান থেরাপি, নিয়মানুবর্তিতা, ভালবাসা ইত্যাদি দিয়ে সামাজিক পরিবেশে মেশার উপযুক্ত করে ছেড়ে দিলে সেখান থেকে সমাজের মানুষের ভালবাসা ও সহযোগিতা পেয়ে তার অটিজম ধীরে ধীরে কেটে যাবে। তবে সেই কাজটির সিংহভাগ মা-বাবাই করতে হবে। পরিবারের যেই সদস্য বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের যেই সহকারী বা প্রশিক্ষক ধৈর্য্য সহকারে বা অটিজম ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি না জেনে তার সাথে কথা বলতে আসবে সেই সদস্য বা শিক্ষক সহকারী অটিজম শিশুটির জন্য বিপদজনক হবে। সেইদিকে পরিবার, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান এদের সকলেরই বিশেষ নজরদারীর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অটিজম শিশুদের সাথে খুব যত্নের সাথে কাজ করলে যেমন খুব ভাল কিছু দেখাতে পারে আবার অবহেলা বা মিসম্যানেজমেন্টের কারণে তাদের মেধার বিকাশ থেমে যায়।

পরিশেষে বলব আমরা বাঙালিরা উন্নত বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে পারিবারিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে অনেক বেশি দৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে পছন্দ করি না এটা আমাদের সামাজিক রীতি নীতির প্রচলিত প্রথা। সেই কারণে অটিস্টিক শিশুটিকে পারিবারিক বন্ধনে রাখার সুযোগ অন্য দেশের চেয়ে এই দেশে বেশি হয়। একটি অটিজম পরিবার যেন গোটা দেশের প্রতিটি পরিবারেরই দায়বদ্ধতা এই মনোভাব সবার মধ্যে বিস্তার লাভ করুক। আল্লাহ প্রদত্ত এই বিশেষ শিশুগুলোকে নিয়ে কাজ করলে এর পুরস্কার নিশ্চয়ই আল্লাহ দিবেন। তবে আল্লাহ পাঠিয়েছেন আল্লাহ দেখবেন এই মনোভাব না রেখে তাদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যেতে হবে। আল্লাহ তাকেই সাহায্য করেন যে নিজেকে সাহায্য করেন।কোন না কোন বিষয়ে পারদর্শী হয়। তা আবার সুস্থ অনেক শিশুর চেয়েও ভাল ফলাফল করে দেখাতে সক্ষম হয়। পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে অবশ্যই অত্যন্ত ধৈর্য্য, ভালবাসা, উদারতামূলক মনোভাব নিয়ে এদের সাথে কাজ করতে হবে। সেই জন্য যা দরকার তা হলো প্রথমে শিশুটিকে বিশেষ প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষিত করতে হবে। তার জন্য দরকার বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সেখানে অবশ্যই শিশুকে পাঠিয়ে মা, বাবা বা পরিবারের সদস্যরা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে সহযোগিতা করতে হবে। শিশুর মূল সমস্যা চিহ্নিত করে, তা সমাধানের জন্য সহযোগিতা মূলক মনোভাব প্রদর্শন করতে হবে। অটিজম শিশুকে নিজের ঘরের বাহিরে সেটা স্কুল হোক বা সামাজিক কোন পরিবেশ হোক বা বিনোদন কেন্দ্র হোক সব জায়গাতেই যেন শিশুটি খাপ খাওয়াতে পারে তার জন্য বিশেষভাবে পরিবারকে সচেতন হয়ে শিশুকে তৈরি করে পাঠাতে হবে। তবেই, সমাজের সহযোগিতামূলক আচরণ ফলপ্রসু হয়ে শিশুটির মেধার বিকাশের ক্ষেত্রে উপকার হবে।
 শুধু অটিজম নয় সুস্থ স্বাভাবিক একজন মানুষ থেকে আমরা প্রথমে যেটা আশা করি, তা হল সে মানুষটির ভাল আচরণ। অটিজম শিশুর ক্ষেত্রেও আচরণগত সমস্যাগুলো যত লোপ পাবে তত বেশি সে সামাজিক হয়ে উঠবে এবং প্রশিক্ষণ নিতে সক্ষম হবে। সেইক্ষেত্রে অটিজম শিশুদের খাদ্য তালিকা নিয়ে উন্নত বিশ্বের দেশগুলোতে গবেষণা করে দেখা গেছে আবার অনেক অটিস্টিক ব্যক্তির নিজের অভিজ্ঞতামূলক উক্তির মাধ্যমে জানা গেছে, অনেকগুলো খাদ্য তাদের আচরণগত সমস্যা ঘটায়, অস্থিরতা বাড়ায়, আক্রমণাত্মক করে তোলে, ঘুম কমিয়ে দেয়, ইত্যাদি আরও সমস্যা দেখা দেয়। সেই খাদ্যগুলো হল ময়দা, চিনি, দুধ, টেস্টিং সল্ট জাতীয় খাদ্য। প্রিজারভেটিভ জাতীয় খাদ্য, সাগরের মাছ, চর্বি জাতীয় খাদ্য ইত্যাদি।

প্রত্যেক পরিবারে মা-বাবা বা অন্য সদস্যরা মনেপ্রাণে হয়ত আশা করছেন বাচ্চাটির অস্থিরতা কমুক, কিন্তু খাদ্যভ্যাস পরিবর্তন না করলে এর ফল থেকে বঞ্চিত হবেন। এবার আসা যাক নিয়মানুবর্তিতার কথায়। এই অটিজম শিশুরা খুব বেশি নিয়মমাফিক চলতে পছন্দ করে। তাদেরকে খুব ছোট বেলা থেকে রুটিন মাফিক প্রত্যেকটি কাজ ঘড়ি ধরে করালে এবং কোন কাজটার পর কোন কাজটা হবে? তাকে কি করতে হবে, কোথায় যেতে হবে, কতক্ষণ থাকতে হবে এই কথাগুলো রুটিন সাজিয়ে সবসময় তার ভিতরে পূর্ব থেকে প্রস্তুতি নেওয়ার প্রচেষ্টা চালালে তার অস্থিরতা কমে যাবে। কারণ সে অভ্যস্থ হয়ে পড়বে কখন কোন্‌ সময় তাকে কি করতে হবে। তা তার ভিতরের ঘড়ির সময়ই তাকে বলে দেবে।

নিয়মানুবর্তিতা আমাদের সকলের জীবনে এমন একটা জিনিস যার ফলাফল খুবই মিষ্টি হয়। অটিজম শিশুকে বোঝা মনে না করে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ব্যায়াম, অকুপেশান থেরাপি, নিয়মানুবর্তিতা, ভালবাসা ইত্যাদি দিয়ে সামাজিক পরিবেশে মেশার উপযুক্ত করে ছেড়ে দিলে সেখান থেকে সমাজের মানুষের ভালবাসা ও সহযোগিতা পেয়ে তার অটিজম ধীরে ধীরে কেটে যাবে। তবে সেই কাজটির সিংহভাগ মা-বাবাই করতে হবে। পরিবারের যেই সদস্য বা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের যেই সহকারী বা প্রশিক্ষক ধৈর্য্য সহকারে বা অটিজম ম্যানেজমেন্ট পদ্ধতি না জেনে তার সাথে কথা বলতে আসবে সেই সদস্য বা শিক্ষক সহকারী অটিজম শিশুটির জন্য বিপদজনক হবে। সেইদিকে পরিবার, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের প্রধান এদের সকলেরই বিশেষ নজরদারীর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। অটিজম শিশুদের সাথে খুব যত্নের সাথে কাজ করলে যেমন খুব ভাল কিছু দেখাতে পারে আবার অবহেলা বা মিসম্যানেজমেন্টের কারণে তাদের মেধার বিকাশ থেমে যায়।

পরিশেষে বলব আমরা বাঙালিরা উন্নত বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে পারিবারিক, আত্মিক ও সামাজিকভাবে অনেক বেশি দৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ থাকতে পছন্দ করি না এটা আমাদের সামাজিক রীতি নীতির প্রচলিত প্রথা। সেই কারণে অটিস্টিক শিশুটিকে পারিবারিক বন্ধনে রাখার সুযোগ অন্য দেশের চেয়ে এই দেশে বেশি হয়। একটি অটিজম পরিবার যেন গোটা দেশের প্রতিটি পরিবারেরই দায়বদ্ধতা এই মনোভাব সবার মধ্যে বিস্তার লাভ করুক। আল্লাহ প্রদত্ত এই বিশেষ শিশুগুলোকে নিয়ে কাজ করলে এর পুরস্কার নিশ্চয়ই আল্লাহ দিবেন। তবে আল্লাহ পাঠিয়েছেন আল্লাহ দেখবেন এই মনোভাব না রেখে তাদের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যেতে হবে। আল্লাহ তাকেই সাহায্য করেন যে নিজেকে সাহায্য করেন। সুত্রঃ ইন্টারনেট

*অটিজম* *স্বাস্থ্যকথা* *হেল্‌থটিপস* *টিপস*

★ছায়াবতী★ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

শরীরের অন্যতম ভাইটাল অরগান কিডনি। হার্ট, ফুসফুস, লিভার, ব্রেইনের মতো কিডনি অকেজো হলে জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। কিডনি ভালো না থাকলে ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করে হয়তো বা জীবনের গতি খানিকটা টিকিয়ে রাখা যায়। কিন্তু জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ। দরিদ্র, মধ্যবত্তি পরিবার হয় সর্বস্বান্ত, নিঃস্ব। কারণ কিডনির চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

অথচ কিছু নিয়মনীতি অনুসরণ করে কিডনি সুস্থ রাখা যায়। প্রখ্যাত কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হারুন অর রশীদ কিডনি সুস্থ রাখার জন্য কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তার এসব পরামর্শের মধ্যে রয়েছে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকতে হবে অাঁশ জাতীয় খাবার, শাক-সবজি, নিরামিষ। তবে মাছ খেতে পারেন। রেড মিট যেমন_ গরুর মাংস, খাসির মাংস পরিহার করতে হবে। তবে মুরগির মাংস খাওয়া যাবে। কম মশলাযুক্ত খাবার খেতে হবে। অধ্যাপক হারুন অর রশীদের মতে কিডনির সবচেয়ে ক্ষতিকারক খাবার সফট ড্রিঙ্কস, ফাস্টফুড। কিডনি ভালো রাখতে হলে ফাস্টফুড পরিহার করা ভালো।

এছাড়া যাদের ইতোমধ্যেই কিডনির সমস্যা আছে তাদের অবশ্যই কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার তালিকা অনুসরণ করতে হবে। এছাড়া বছরে একবার অন্তত রক্তের সেরাম ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করা উচিত। রক্তের ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা ১ এর নিচে থাকা ভালো। ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গেলে কিডনির জটিলতা শুরু হয়। অকেজো হয়ে পড়তে পারে কিডনি। তাই কিডনি ভালো রাখতে যথাসময় খাদ্য তালিকা যেমন অনুসরণ জরুরি তেমনি প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান। দিনে অন্তত ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত।
*স্বাস্থ্যকথা* *কিডনি*

লিজা : একটি বেশব্লগ লিখেছে

লিভার শরীরের সর্ববৃহৎ অঙ্গ। আকৃতিতে যেমন বৃহৎ, প্রয়োজনীয়তার দিক থেকেও এটি অতি গুরুত্বপূর্ণ। শরীরকেসুখে রাখতে দরকার সুস্থ লিভার। অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত লিভার আমাদের জীবনে বয়ে নিয়ে আসে দুঃখ, কষ্ট এমনকি অকালে প্রস্থান। অন্য যে কোন যন্ত্র বা মেশিনের মত আমাদের দেহ যন্ত্রও চলে শক্তির সাহায্যে। এ শক্তি আসে খাদ্য থেকে। আমরা যেরূপে খাবার খাই তা থেকে সরাসরি শক্তি উৎপন্ন হতে পারে না। জটিল খাবার লিভারে প্রক্রিয়াজাত হয়ে শক্তি উৎপাদনের উপযোগী হয়ে জমা থাকে এবং প্রয়োজন মাফিকশরীরের কোষে কোষে পৌছে শক্তি উৎপাদন করে। তাই লিভারকে বলা হয় শরীরের পাওয়ার হাউজ। শুধু তাই নয়, শরীরে উৎপন্ন বিভিন্ন দুষিত পদার্থ লিভার বিশুদ্ধ করে এবং পরবর্তীতে শরীর থেকে বের করার ব্যবস্থা করে। অনিচ্ছাকৃত বা ইচ্ছাকৃত ভাবে শরীরে কোন বিষাক্ত পদার্থ প্রবেশ করলে লিভার সেটিকে বিষমুক্ত করে। বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন জাতীয় পদার্থ তৈরী করে যা শরীরের জন্য অপরিহার্য।

লিভারের যত রোগঃ
গুরুত্বপূর্ন এই অঙ্গটি নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হতে পারে। কিছু রোগ বংশগত , কিছু রোগ অর্জিত । কিছু রোগ স্বল্পস্থায়ী এবং পুরোপুরি ভাল হয়ে যায়; কিছু রোগ দীর্ঘস্থায়ী, যা জটিল থেকে জটিলতর হয়ে কেড়ে নেয় জীবন-এমনকি চিকিৎসা করা সত্ত্বেও। হেপাটাইটিস বা লিভারে প্রদাহ বিশ্ব জুড়ে লিভারের প্রধান রোগ। নানা কারনে এই প্রদাহ হতে পারে। যার অন্যতম কার এ,বি,সি,ডি,ই, নামক হেপাটাইটিস ভাইরাস। পানি ও খাবারের মাধ্যমে সংক্রমিত হেপাটাইটিস এ ও ই ভাইরাস লিভারে একিউট হেপাটাইটিস বা স্বল্প স্থায়ী প্রদাহ সৃষ্টি করে যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরোপুরি সেরে যায়। দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহের জন্য দায়ী হেপাটাইটিস বি, সি ও ডি ভাইরাস। অনেক কারনেই লিভারের প্রদাহ হতে পারে। ভাইরাস ছাড়া ও অতিরিক্ত এলকোহল পান, লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়া, বিভিন্ন ড্রাগ ও কেমিক্যালস হেপাটাইটিস করে থাকে। অটোইমিউন হেপাটাইটিস, উইলসন্স ডিজিজ সহ বিভিন্ন অজানা কারণ জনিত রোগ ও বংশগত রোগে লিভারে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।

যে কারণেই প্রদাহ সৃষ্টি হউক না কেন, দীর্ঘস্থায়ী বা ক্রনিক হেপাটাইটিস বছরের পর বছর চলতে থাকলে লিভারের কোষগুলো মরে যায়। অকার্যকর ও অপ্রয়োজনীয় ফাইব্রাস টিসু সেস্থান দখল করে জন্ম দেয় সিরোসিস নামক মারাত্মক রোগ। সিরোসিস হলে লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। আমাদের দেশে হেপাটাইটিস বি এবং সি সংক্রমনই লিভার সিরোসিসের প্রধান কারন। উন্নত বিশ্বে এ স্থান দখল করে আছে অতিরিক্ত মদ বা এলকোহল পান জনিত হেপাটাইটিস। এছাড়া সাম্প্রতিক কালের বিভিন্ন গবেষণায় উঠে আসা ফ্যাটি লিভার, লিভারের সিরোসিসের অন্যতম কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। আমাদের দেশে সিরোসিসের দ্বিতীয় প্রধান কারণ হিসাবে এটি দায়ী বলে ধারনা করা হচ্ছে। ডায়াবেটিস, রক্তের চর্বির উচ্চমাত্রা প্রভৃতি কারণে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের মত লিভারেও ফ্যাট জমে ফ্যাটি লিভার হয়।

এছাড়া ব্যাকটেরিয়া এবং প্যারাসাইট লিভারে এ্যাবসেস বা ফোঁড়া তৈরী করতে পারে। সর্বোপুরি প্রাণঘাতি ক্যান্সার ও ভর করতে পারে লিভারে। সিরোসিস যাদের হয় তাদের এ ক্যান্সার হওয়ার প্রবনতা সবচেয়ে বেশি।

হেপাটাইটিস ভাইরাস কিভাবে ছড়ায়ঃ

দুষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে হেপাটাইটিস এ ও ই ছড়ায়। তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশের মত বাংলাদেশেও বড়দের জন্ডিস এর প্রধান কারণ হেপাটাইটিস ই ভাইরাস। ঘরের বাহিরে-আমরা যখন থাকি, তখন খোলা খাবার, পানি, ফলের রস ইত্যাদির উৎস ও বিশুদ্ধতা যাচাই না করে ক্ষেতে অভ্যস্ত অনেকেই। এতে আক্তান্ত হই জন্ডিসে। তাছাড়া শহরে পানি সরবরাহ লাইনে ভাইরাসের সংক্রমন হয়ে জন্ডিস ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাও নতুন কিছু নয়। তাই ফুটিয়ে পানি খাওয়া আর বেছে বুঝে খাবার খাওয়ার কোন বিকল্প নেই। এতে শুধু হেপাটাইটিস এ এবং ই নয় টাইফয়েড আর ডায়ারিয়ার মত আরো অনেক পানি বাহিত রোগ থেকে বাঁচা যাবে।

রক্ত ও ব্যক্তিগত অনৈতিক আচরনের মাধ্যমে ছড়ায় হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস। দুষিত রক্ত গ্রহণ বা দুষিত সিরিজ ব্যবহারের মাধ্যমে অনেকেই নিজের অজান্তে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। একই শেভিং রেজার, ব্লেড কিংবা খুর ব্যবহারের মাধ্যমে এ দুটি ভাইরাস ছড়াতে পারে। হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত মায়ের সন্তানের জন্মের পর পর বি ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা শতকরা ৯০ ভাগ। তবে মায়ের দুধের মাধ্যমে বি ভাইরাস ছড়ায় না। সামাজিক মেলামেশা যেমন হ্যান্ডশেখ বা কোলাকোলি এবং রোগীর ব্যবহার্য সামগ্রী যেমন গ্লাস জামা কাপড় ইত্যাদির মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায় না।

কিভাবে বুঝবেন আপনার হেপাটাইটিস হয়েছে কি না?

একিউট হেপাটাইটিসে ক্ষুধামন্দা, শরীর ব্যাথা, বমির ভাব কিংবা বমি এবং কিছু দিনের মধ্যে প্রস্রাবের রং ও চোখ হলুদ বর্ন ধারন করে। এ সময় শরীরে চুলকানী দেখা দিতে পারে। জন্ডিস ক্রমে বেড়ে যেয়ে ধীরে ধীরে কমতে থাকে। ক্রনিক হেপাটাইটিস বা সিরোসিসের প্রাথমিক পর্যায়ে বেশির ভাগ রোগীর উপসর্গ থাকে না বললেই চলে। কেউ কেউ দুর্বলতা, অবসন্নতা বা ক্ষুধামন্দা অনুভব করতে পারে। হেপটাইটিস বি ও সি অনেকাংশই নিরাময় যোগ্য রোগ হলেও অ্যাডভ্যান্সড লিভার সিরোসিস অথবা লিভার ক্যান্সারে আক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত রোগী প্রায়ই কোন শারীরিক অসুবিধা অনুভব করে না। এসব রোগিদের পেটে পানি জমে পেট ফুলে যেতে পারে, রক্ত বমি বা কাল পায়খানা কিংবা অজ্ঞান হয়ে জীবন ঝুকির সম্মখিন হতে পারে। এ সময় শরীর জীর্ন শির্ন হয়ে যায়। আমাদের দেশে অনেকে বিদেশে যাওয়ার প্রক্কালে রক্ত পরীক্ষার সময়, কিংবা রক্ত দিতে গিয়ে বা ভ্যাকসিন দিতে গিয়ে অনেকেই হেপাটাইটিস বি ইনফ্যাকশনের কথা প্রথম জানতে পারেন।

লিভারের রোগ হলে কি করবেনঃ

লিভারের রোগীর কোন উপসর্গ দেখা দিলে বা সন্দেহ হলে অথবা আপনার শরিরে ভাইরাসের সংক্রমন নিশ্চিত হলে দেরী না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এক্ষেত্রে সব চেয়ে ভাল হয় লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ। তিনি আপনার রোগ নির্ণয় করে এর কারণ, রোগের জন্য সৃষ্ট জটিলতা এবং রোগের বর্তমান অবস্থা জেনে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও উপদেশ দিবেন। হেপাটাইটিস এ ও ই জনিত রোগ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভাল হয়ে যায়। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে জটিলতাও দেখা দিতে পারে। হেপাটাইটিস ই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২৮% গর্ভবতী মা মারা যায়। যখন শেষ তিনমাসের সময় মা তীব্রভাবে হেপাটাইটিস ই প্রদাহে ভোগেন। অন্যদের ক্ষেত্রে জীবন সংহারী একিউট হেপাটিক ফেইলিউর নামক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই জন্ডিস কে কখনও অবহেলা করবেন না। ক্রনিক হেপাটাইটিসের জন্য দায়ী হেপাটাইটিস বি ও সি এর বিরুদ্ধে কার্যকর ঔষধ গুলির সবই এখন আমাদের দেশে পাওয়া যায়। তাই এ ক্ষেত্রেও হতাশ না হয়ে লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

লিভার রোগ প্রতিরোধে আপনার করণীয়ঃ

০ হেপাটাইটিস বি এর টীকা নিন

০ ঝুঁকিপূর্ণ আচারণ যেমন-অনিরাপদ যৌনতা, একই সুঁই বা সিরিন্‌জ বহুজনের ব্যবহার পরিহার করুন।

০ নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন ও ডিজপজেবল সুঁই ব্যবহার করুন। বেøড, রেজার, ব্রাশ; খুর বহু জনে ব্যবহার বন্ধ করুন।

০ শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রন করুন।

০ শাক সবজি ও ফলমূল বেশি করে খান আর চর্বি যুক্ত খাবার কম খান।

০ মদ্যপান ও অন্যান্য নেশা জাতীয় দ্রব্য পরিহার করুন।

০ বিশুদ্ধ পানি ও খাবার গ্রহন করুণ। (সংগ্রহীত)

০ ডায়াবেটিস ও হাইপারটেনশন নিয়ন্ত্রনে রাখুন।

০ পরিস্কার পরিছন্ন থাকুন।

*স্বাস্থ্যকথা* *পরামর্শ* *লিভার* *রোগ* *হেলথটিপস*

মারুফ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা আমাদের সবারই এক প্রকার যন্ত্রণার কারণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অত্যাধিক অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিক সমস্যা অনেক সময় মৃত্যুর কারণ হতে পারে। আমারা অনেকই বাইরের ভাজা পোড়া খোলা জায়গার খাবার খেয়ে থাকি যা আমাদের অ্যাসিডিটি বাড়িয়ে দেয়। অনেক সময় সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেট খেয়ে থাকি যা আমাদের শরীরের জন্য মারাত্নক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তির জন্য আমরা কিছু টিপস ফলো করতে পারি:
 1.
আপনার খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে। কখনো বেশি অথবা কখনো খাবেন না এমনটি করলে অ্যাসিডিটি বৃদ্ধি পায়। জন্য সবসময় পেট ভরা রাখতে হবে।
 2.
পানিশূন্যতা পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটির অন্যতম কারণ। পানি পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে। তাই অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে বেশি করে পানি পান করুন।
 3.
লবণাক্ত কিংবা মসলা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ ধরনের খাবার পাকস্থলীতে বদহজমের মতো গ্যাসের সৃষ্টি করে।
4.
ধূমপান কিংবা মাদকও পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটি বৃদ্ধি করে। অতএব ধরনের বাজে অভ্যাস পরিহার করুন।
5.
প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস দুধ পান করুন।
6.
তাজা পুঁদিনা পাতা চিবিয়ে খান। কারণ পুঁদিনা পাতা পাকস্থলীকে ঠাণ্ডাই রাখে না বরং হজম প্রক্রিয়ায়ও সাহায্য করে।
 7.
অ্যাসিডিটি কমাতে বা নিয়ন্ত্রণে খেতে পারেন নারকেলের পানি অথবা মাঠাজাতীয় ঠাণ্ডা খাবার

*টিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য* *স্বাস্থ্যকথা*

মারুফ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

গোড়াতেই চিহ্নিত করা গেলে অনেক দুরারোগ্য রোগের হাত থেকেই নিস্তার মেলে। কিন্তু আমরা তো সেগুলোকে মোটেই পাত্তা দিই না! উল্টো বলি, 'শরীর থাকলে একটু-আধটু আধি-ব্যাধি থাকবেই'। এরকমই ক্যান্সারের একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের ১০টা লক্ষণ আছে। অবহেলা না করে একটু নজর দিলে 'মৃত্যু'-কে গুণে গুণে দশ গোল দিতে পারবেন হাসতে হাসতে।

                  

১.ফুসফুসে ক্যান্সারের প্রথম লক্ষণ-ই হলো শ্বাসকষ্ট। যাদেরই এই রোগ হয় তারাই শুরুতে বলেন, শ্বাস নিতে গিয়ে যেন বাতাসের অভাব বোধ করছেন। এবং হাঁপানি-র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন!

২.কাশি আর ব্রঙ্কাইটিস - দুটোই লাং ক্যান্সার আর লিউকোমিয়ার কমন 'ফ্যাক্টর'। আবার সাধারণ ব্রঙ্কাইটিস হলেও কাশি আর বুকে ব্যথা হয়। পার্থক্য বুঝবেন কী করে? ব্রঙ্কাইটিসের কাশি আর বুকে ব্যথা চিকিত্সায় সেরে যায়। যখনই তা সারে না, বুঝবেন ব্যাপারটা অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে।

৩.লিউকোমিয়ায় রক্তে শ্বেত রক্ত কণিকার পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ায় শরীর চট করে সংক্রমণজনিত রোগে কাবু হয়ে পড়ে। যেমন, জ্বর, ফ্লু বাড়ে বাড়ে হতে থাকে।

৪.খাবার গিলতে অসুবিধা কিন্তু সার্ভাইকাল বা লাং ক্যান্সারের প্রথম ধাপ হলেও হতে পারে।

৫.শরীরের কোথাও আচমকা গ্ল্যান্ড ফুলে যাওয়া লিম্ফেটিক সিস্টেম পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। এটা ক্যান্সারের পূর্ব লক্ষণ হতেও পারে। যেমন বগলের নীচে ব্যথাযুক্ত গ্ল্যান্ড দেখা দিলে ব্রেস্ট ক্যান্সার, কুঁচকি বা ঘাড়ে এরকমটা হলে লিউকোমিয়া হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

৬.কোনো আঘাত ছাড়াই শরীরে কালশিরা বা কালশিটে দাগ দেখা দেওয়া লিউকোমিয়া-কেই মনে করায়। সেইসঙ্গে মুখে, ঘাড়ে, বুকে লাল স্পট দেখা দিলে খুব সহজভাবে নেবেন না ব্যাপারটাকে।

৭.পেটে ঘিনঘিনে ব্যথা মানেই 'সিস্ট' হয়েছে ভেবে উড়িয়ে দেবেন না। এই ব্যথা যে কোনও ধরনের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। ।

৮.রেক্টাল দিয়ে বা মলের সঙ্গে রক্তপাত সাধারণত কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ। তাই এরকম কিছু হলে আগে ডাক্তারবাবুর পরামর্শ নিন।

৯.ডায়েটিং বা শরীরচর্চা ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া কোলন ক্যান্সারের লক্ষণ নয় তো! কারণ, এই রোগে খাওয়ার ইচ্ছে কমে যায়। ফলে বিনা কারণে ওজন কমতে থাকে।

১০.আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ, নখের রং পাল্টে যাওয়া। অনেক রকমের ক্যান্সারেরই এটা প্রাথমিক লক্ষণ। যেমন, নখে বাদামি বা কালো রেখা বা ছিটে দাগ ত্বকের ক্যান্সারের কথাই বলে। আবার নখের রং বিবর্ণ হলে বুঝতে হবে লিভার ঠিকঠাক কাজ করছে না। এবং লিভার ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষন।

 

তথ্য-সূত্র-হেলথপেজ

*স্বাস্থ্যকথা* *স্বাস্থ্যতথ্য* *ক্যান্সার*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★