স্বাস্থ্য টিপস

স্বাস্থ্যটিপস নিয়ে কি ভাবছো?

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শিশু কেন খেতে চায় না তা নিয়ে মা-বাবার দুঃশ্চিন্তার অন্ত থাকে না। তাকে খাবার খাওয়াতে গিয়ে নানাসময় গলদঘর্মও হতে হয় মা-বাবাকে। আবিষ্কার করতে হয় কতশত উপায়। ঠিকভাবে শিশুকে খাওয়াতে পারলে তবেই বাড়বে শিশুর ওজন।

চলুন জেনে নিই শিশুর ওজন বাড়াতে হলে করণীয়-

আপনার সন্তানের খাদ্যতালিকা পরিবর্তন করুন। শিশুর খাদ্যতালিকায় রাখুন স্বাস্থ্যসম্মত সব খাবার। শিশুর খাবারের ক্যালরির মাত্রা নিয়ে নিশ্চিত হোন যে তা আপনার সন্তানের চাহিদা পূরণ করছে কিনা।

খাবারের সময়কে আনন্দময় করে তুলুন আর শিশুকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কোন রকমের তাড়াহুড়া করবেন না। পরিবারের সবাই একসাথে শিশুকে নিয়ে খাবার খেতে বসুন।

শিশু যেন জাঙ্কফুড বা ফাস্টফুডের প্রতি আসক্ত যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। তা না হলে শিশুকে স্বাস্থ্যকর খাবারের ব্যাপারে আগ্রহী করতে কষ্ট হবে।

খাবার রান্না ও বিভিন্ন রকমের রেসিপির ব্যপারে ও খাবার পরিবেশনের সময় শিশুর সাহায্য নিন। এতে সে খাবারে আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে। শিশুকে বারবার খাবার খেতে উৎসাহিত করুন।

আপনার শিশু যদি খুব বেশি বেছে বেছে খায় আর ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার খেতে না চায় তবে তাকে ক্যালরি সমৃদ্ধ যেসব ড্রিংক পাওয়া যায় তা খেতে দিন, তবে তা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। শিশুর বৃদ্ধি সম্পর্কে সচেতন হতে নিয়মিত শিশুর ওজন মাপুন।

নিশ্চিত হোন যে আপনার সন্তান শুধু সাধারণ পানি বা পানীয় খেয়েই দিন পার করছে না। এতে শিশুর খিদে কমে যায় আর শিশুর খাবার গ্রহণেও অনিয়ম দেখা যায়।

শিশুর ওজন বাড়াতে যেসব খাবারগুলো খুব দরকার:

* দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার যেমন ঘি, পনির, পায়েস, পুডিং ইত্যাদি।
* প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন ডিম, বাদাম, শিমের বিচি।
* শর্করা জাতীয় খাদ্য যেমন আলু, ভাত, রুটি ইত্যাদি

*শিশুস্বাস্থ্য* *শিশুসন্তান* *স্বাস্থ্যটিপস*

ঈশান রাব্বি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

১. অনেকের হাত-পা খসখসে থাকে। এমন হলে রাতে ঘুমানোর আগে খানিকটা পানির সঙ্গে অল্প একটু গ্লিসারিন মিশিয়ে হাত ও পায়ের ত্বকে লাগান। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক নরম ও সতেজ থাকবে।
২. পায়ের যত্নে কুসুম গরম পানিতে এক চা-চামচ শ্যাম্পু মিশিয়ে গোড়ালি পর্যন্ত ১০ মিনিট ভিজিয়ে নিন। তারপর নেইল ব্রাশ দিয়ে পায়ের নখ ও তলা ভালো করে পরিষ্কার করুন।
৩. ভেজানো পায়ের নখ কাটা সহজ। তাই নখ বড় থাকলে ভেজা থাকা অবস্থায় কেটে নিতে পারেন। একই সঙ্গে পেডিকিওর স্টিক দিয়ে নখের পাশে ফুলে ওঠা চামড়া আলতোভাবে ভেতরে ঠেলে দিন।
৪. যাঁরা নিয়মিত জুতা পরেন, তাঁরা একই মোজা না ধুয়ে ব্যবহার করবেন না। বাসায় ফিরেই হালকা গরম পানিতে ডিটারজেন্ট পাউডার মিশিয়ে মোজা পরিষ্কার করে নিন। এ ক্ষেত্রে কয়েক জোড়া মোজা থাকলে সুবিধা। নিয়মিত পাল্টে পরে নিতে পারবেন।
৫. হাতের নখ কাটার আগেও একই উপায়ে হাতের কবজি পর্যন্ত ১০ মিনিট ভিজিয়ে সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর তোয়ালে দিয়ে মুছে নেইল কাটার দিয়ে নখগুলো নির্দিষ্ট শেপে কেটে নিতে হবে। হাতের নখ চকচকে রাখতে চাইলে নখের ওপর বাফার ঘষে নিন। নখ কাটার ক্ষেত্রে ব্লেড ব্যবহার না করাই ভালো

*হাত* *পা* *যত্ন* *স্বাস্থ্যটিপস*

আড়াল থেকেই বলছি: একটি টিপস পোস্ট করেছে

তারুণ্য ধরে রাখতে মেথির ভুমিকা -
http://www.shasthototho.com/2014/09/blog-post_41.html
মেথি সম্পর্কে আমরা অনেকেই কম বেশি জানি। এটি তেতো স্বাদের এক ধরণের বীজ। এটি মসলা, খাবার এবং পথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন-সি, পটাসিয়াম, আয়রণ, জিঙ্ক, কপার, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম। বার্ধক্যকে দূরে ঠেলে দিয়ে তারুণ্যকে ধরে রাখতে মেথির তুলনা নেই। এটি রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে ডায়বেটিক রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টরেল ও চর্বির মাত্রা কমিয়ে হার্ট ভালো রাখে... ...বিস্তারিত
*টিপস* *স্বাস্থ্যটিপস* *স্বাস্থ্যতথ্য*
২০৬ বার দেখা হয়েছে
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

কলা খাওয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা থাকলেও আরেকবার.........

*টিপস* *স্বাস্থ্যটিপস*

অস্তপারের সন্ধ্যাতারা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বাংলাদেশে লাউ একটি জনপ্রিয় সবজি। লাউ সাধারণত শীতকালে বসতবাড়ির আশপাশে চাষ হয়। লাউয়ের পাতা ও ডগা শাক হিসেবে এবং লাউ তরকারী ও ভাজি হিসেবে খাওয়া যায়। বাংলাদেশে লাউয়ের অনেক জাত চোখে পড়ে। ফলের আকার-আকৃতি এবং গাছের লতানোর পরিমাণ থেকেও জাতগুলো পাথর্ক্য করা যায়। যাই হোক নিচে যে সকল কারণে আমাদের নিয়মিত লাউ খাওয়া উচিৎ তা  নিয়ে আলোচনা:
হজমে সাহায্য করে:
লাউয়ে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় এবং অদ্রবনীয় ফাইবার আছে। দ্রবণীয় ফাইবার খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে এবং হজম সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানে সহায়তা করে। এছাড়াও নিয়মিত লাউ খেলে অ্যাসিডিটি ও কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যার সমাধান করে। অদ্রবণীয় ফাইবার পাইলসের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
ওজন সাহায্য করে:
আপনি যদি ওজন কমানোর কথা ভেবে থাকেন তাহলে খাবার তালিকায় লাউ রাখুন। লাউ একটি কম ক্যালোরি সম্পন্ন ডায়েট। লাউয়ের ৯৬% হলো পানি। লাউয়ে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার থাকে এবং খুবই কম ক্যালোরি থাকে যা ওজন কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। তাই ওজন কমানোর চিন্তা করছেন যারা তাঁরা বেশি করে লাউ খান। তাহলে শরীরে কম ক্যালোরি যুক্ত হবে এবং পেটও ভরবে।
হার্টের জন্য ভালো:
এই সবজিতে শূন্য কলেস্টেরল আছে যা হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এতে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহের মত ভিটামিন এর সমৃদ্ধ পরিমাণ রয়েছে যা হার্টের জন্যে ভালো।
মানষিক চাপ কমায়: 
লাউ-এর বেশিরভাগ অংসও পানি দ্বারা পূর্ন যা শরীরের উপর তার শীতল প্রভাব ফেলে ফলে মানুষিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
প্রস্রাবে বিশৃঙ্খলা রোধ করে:
লাউয়ে প্রচুর পরিমাণে পানি আছে। তাই যাদের প্রসাবে জ্বালা পোড়ার সমস্যা আছে কিংবা প্রসাব হলদে হয় তাদের নিয়মিত লাউ খাওয়া উচিত। নিয়মিত লাউ খেলে এ ধরণের সমস্যা থেকে নিস্তার পাওয়া যাবে।
তথ্য সূত্র : জি.নেউজ
প্রচারে : বিডি.নিউজ২৪ 
সম্পাদনায়: তাহমিনা শাম্মী


*টিপস* *স্বাস্থ্যটিপস*
ছবি

আড়াল থেকেই বলছি: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

কলা মানব দেহের অনেক উপকারী...তবে কলাতেও মিশানো হচ্ছে বিষাক্ত ফরমালিন

পানির সাথে একটু সিরকা মিশ্রিত করে এক ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে ফরমালিন দূর হয়ে যাবে

*কলা* *স্বাস্থ্যটিপস* *টিপস*

সাইফ: একটি টিপস পোস্ট করেছে

দাঁত ও মাড়ির সমস্যা থেকে মুক্ত রাখবে দারুণ কার্যকরী ১০ টি অভ্যাস |
http://www.priyo.com/2015/06/01/150740-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%A4-%E0%A6%93-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8
আমরা এমন সব অভ্যাস গড়ে তুলি যা আমাদের দাঁতের ক্ষতি করে দাঁতের ক্ষয় করে এবং মাড়ির রোগ বৃদ্ধি করে। তারপর যখন আর সময় থাকে না তখন আফসোস শুরু করি। কিন্তু আগে থেকেই একটু সতর্ক থাকলে এমনটি হবে না কখনোই। একটু কষ্ট করে কিছু অভ্যাস গড়ে নিলে বিশেষ করে ছোটদের একেবারেই শিশুকাল থেকে কিছু কার্যকরী অভ্যাস করিয়ে নিলে চিরকাল দাঁত এ মাড়ির সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব হবে বেশ সহজেই। ...বিস্তারিত
*স্বাস্থ্যটিপস*
১৮৩ বার দেখা হয়েছে

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিটার মেলন যার বাংলা নাম করল্লা এমন একটি সবজি যা দূর করতে পারে কান্সা, ডায়বেটিস এবং অন্যান্য অনেক মারাত্মক সব শারীরিক সমস্যা। যদিও এর তেতো স্বাদের কারণে কারো মুখে রোচে না, কিন্তু শুধুমাত্র স্বাদের কথা ভেবে স্বাস্থ্যের কথা একেবারে ভুলে বসলেও চলে না। দ্য নেভাডা সেন্টার অফ আল্টারনেটিভ অ্যান্ড অ্যান্টি এইজিং মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ, ডঃ ফ্রাংক শ্যালেনবার্গার এম.ডি দেখতে পান এই করল্লার রয়েছে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধির প্রতিরোধ ক্ষমতা। এবং তিনি তার রোগীদের এই প্রাকৃতিক ক্যান্সার নিরাময়ের সবজিটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি প্রতিরোধের জন্য। তিনি তার নতুন গবেষণায় দেখতে পান করল্লার রস পানিতে মাত্র ৫% মিশ্রিত হয় যা প্রমাণ করে এটি অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। করল্লার প্রায় ৯০%- ৯৮% পর্যন্ত ক্যান্সারের কোষ ধ্বংসের ক্ষমতা রয়েছে। দ্য ইউনিভার্সিটি অফ কলোরাডোর একটি গবেষণায় দেখা যায় করল্লা অগ্ন্যাশয়ের টিউমার প্রায় ৬৪% কমিয়ে আনতে সক্ষম। এছাড়াও ডঃ শ্যালেনবার্গার তার গবেষণায় দেখতে পান, উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যা, অ্যাজমা, ত্বকের ইনফেকশন, ডায়বেটিস এবং পাকস্থলীর নানা সমস্যা প্রতিরোধ করতে পারে শুধুমাত্র এই একটি সবজি ‘করল্লা’। খুব কম ক্যালরি সমৃদ্ধ করল্লায় রয়েছে পটাশিয়াম, বেটাক্যারোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাংগানিজ, হাই ডায়াটেরি ফাইবার, ভিটামিন বি১, বি২, বি৩ ও সি, ফোলায়েট, জিংক এবং ফসফরাস। করল্লা দূর করে আরও ৭ টি শারীরিক সমস্যা ১) পরীক্ষিত ভাবে প্রমাণিত যে করল্লা স্ট্যামিনা ও এনার্জি লেভেল বাড়ায়। ২) গর্ভধারণের প্রাথমিক সময়ে নারীরা করল্লা নিয়মিত খেলে শিশুদের নিউট্রাল টিউব ডিফেক্ট হতে রক্ষা করে। ৩) করল্লার নানা পুষ্টি উপাদান রক্তের সুগারের মাত্রা কমায় এবং টাইপ-২ ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। ৪) করল্লার রস নিয়মিত পান করার ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং নানা ধরণের ইনফেকশনের হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়। ৫) হজমে সমস্যা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও করল্লার জুড়ি নেই। ৬) করল্লার রস লিভার পরিস্কারে সহায়ক এবং লিভারকে টক্সিনমুক্ত রাখতে সহায়তা করে। এছাড়াও এটি রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা উন্নত করে। ৭) নিয়মিত করল্লার রস পানের অভ্যাস সোরাইসিসের অবস্থা উন্নত করে এবং ফাঙ্গাস জনিত সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। যেভাবে খেতে পারেন করল্লা বাজার থেকে ভালো করল্লা কেনার পর ঠাণ্ডা পানিতে ভালো করে ধুয়ে নরম ব্রাশ দিয়ে আলতো ঘষে পরিষ্কার করে নিন। ১) যে কোনো আমিষ খাবারের সাথে বা অন্যান্য সবজির সাথে ভাজি করে খেতে পারেন। ২) করল্লার শুকনো গুঁড়ো তৈরি করে রেখে আইসড ও দুধ চায়ে মিশিয়েও পান করতে পারেন। ৩) আচার তৈরি করে খেতে পারেন। ৪) শুধু করল্লার রস দিয়ে জুস তৈরি করে পান করতে পারেন। সূত্রঃ makeyourlifehealthier - See more at: http://www.deshebideshe.com/news/details/52062#sthash.Fu6xxYS9.dpuf
*স্বাস্থ্যটিপস* *সবজি-করলা* *রোগমুক্তি*

সাইফ: একটি টিপস পোস্ট করেছে

প্রতিদিন মাত্র ১ টি এলাচ খাওয়ার অভ্যাস দূরে রাখবে ৮ টি বিরক্তিকর স্বাস্থ্য সমস্যা |
http://www.priyo.com/2015/05/13/147398
প্রতিদিন মাত্র ১ টি এলাচ খাওয়ার অভ্যাস দূরে রাখবে ৮ টি বিরক্তিকর স্বাস্থ্য সমস্যা (প্রিয়.কম) খাবার খেতে বসলে মুখে এলাচ চলে গেলে মুখের স্বাদটাই মাটি হয়ে যায় অনেকের। মনে মনে ভাবতে থাকেন এলাচ রান্নাতে না দিলেই কি নয়? কিন্তু সত্যিই এই এলাচ রান্নাতে না ব্যবহার করলেই নয়। কারণ রান্নার স্বাদ ও গন্ধ বাড়ানো এলাচের অন্যতম কাজ। কিন্তু আপনি জানেন কি রান্না ছাড়াও আপনি এলাচ খেলে তা আপনার ১০ টি শারীরিক সমস্যা দূরে রাখবে? অনেকেই হয়তো বিষয়টি জানেন না। কিন্তু প্রতিদিন মাত্র ১ টি এলাচ খাওয়ার অভ্যাস করেই দেখুন না নানা রকম সমস্যার সমাধান পাবেন। ...বিস্তারিত
*স্বাস্থ্যটিপস*
১২২ বার দেখা হয়েছে

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রমজান মাস বাদ দিয়ে আমাদের দেশে খেজুর খাওয়া একটু কমই হয়ে থাকে। রোজা রাখার সাথে খেজুরের একটি সম্পর্ক রয়েছে বলে বছরের অন্যান্য সময়ে আমরা অনেকেই খেজুর খাই না। কিন্তু অসাধারণ পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খেজুর আমাদের শারীরিক নানা সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। একেক শারীরিক সমস্যার জন্য একেক পরিমাণের খেজুর প্রতিদিন খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। আর তাই গড়ে প্রত্যেকের দিনে ৫টি খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাখা উচিত, তাতে করে ১০ ধরণের শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

১) হৃদপিণ্ডের সমস্যা দূর করতে প্রতিদিন খেজুর খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। গবেষণায় দেখা যায় পুরো রাত খেজুর পানিতে ভিজিয়ে সকালে পিষে খাওয়ার অভ্যাস হার্টের রোগীর সুস্থতায় কাজ করে।

২) খুব দুর্বল লাগছে অথবা দেহে এনার্জির অভাব হচ্ছে? তাহলে ঝটপট খেয়ে নিন খেজুর। তাৎক্ষণিকভাবে দেহে এনার্জি সরবরাহের ক্ষেত্রে খেজুরের তুলনা নেই।

৩) গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস আমাদের দেহের ইন্টেস্টাইনের ভেতর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো প্যাথলজিক্যাল অর্গানিজমের উৎপাদন বৃদ্ধি করে যা ইন্টেস্টাইনের নানা সমস্যা দূর করে।

৪) খেজুর ল্যাক্সাটিভ ধরণের খাবার। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে তারা খুব সহজেই কোষ্ঠকাঠিন্যের হাত থেকে মুক্তি পেতে পারেন। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাসের মাধ্যমেই এই সমস্যা সমাধান সম্ভব।

৫) গবেষণায় দেখা যায় অ্যাবডোমিনাল ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে খেজুরের।

৬) খেজুরের মধ্যে রয়েছে স্যলুবল এবং ইনস্যলুবল ফাইবার ও বিভিন্ন ধরণের অ্যামিনো অ্যাসিড যা সহজে খাবার হজমে সহায়তা করে। এতে করে খাবার হজম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

৭) খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং খুব অল্প পরিমাণে সোডিয়াম। এতে করে প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস দেহের খারাপ কলেস্টোরল কমায় এবং ভালো কলেস্টোরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে। অর্থাৎ প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কমায়।

৮) খেজুর দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে বিশেষভাবে সহায়ক। এবং প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস রাতকানা রোগ ভালো করতেও সাহায্য করে থাকে।

৯) খেজুরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস দেহের আয়রনের অভাব পূরণ করে এবং রক্তস্বল্পতা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। যাদের এই রক্তস্বল্পতার সমস্যা রয়েছে তাদের প্রতিদিন খেজুর খাওর অভ্যাস করা উচিত।

১০) একটি গবেষণায় দেখা যায় প্রতিদিন খেজুর খাওয়ার অভ্যাস মাত্র ৪ সপ্তাহের মধ্যে লিপিডের কোয়ালিটি উন্নত করতে সহায়তা করে দেহের সুগারের মাত্রা বাড়ানো ছাড়াই।

*টিপস* *স্বাস্থ্যটিপস* *খেজুর* *খুর্মা* *হেলদিফুড*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

*স্বাস্থ্যটিপস*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 বিশ্বব্যাপী প্রাপ্তবয়স্ক প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। তবে সবসময় উচ্চ রক্তচাপের উপসর্গগুলো বোঝা যায় না।এর ফলে প্রতি বছর নয় মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। আপনি কি এই ঘটনা শোনার পর আতংকিত হচ্ছেন? কারন, আপনারও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে। তাহলে চিন্তা বাদ দিন। বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে, আমরা আপনাদের জন্য কিছু সুস্বাদু খাবারের তালিকা তৈরি করেছি। যাতে আপনাদের রক্ত চাপের সমস্যা দূর হয় ও মুখরোচক খাবার খেয়ে আপনিও সুখী থাকবেন।
তাহলে জেনে নেয়া যাক সেই খাদ্যগুলোর নাম-

১. কলা: 
আপনি যদি আপনার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে চান, তাহলে কলা হল সবথেকে ভালো বিকল্প। কলা সস্তা ও সারা বছরই পাওয়া যায়। এতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে। পটাসিয়াম আপনার রক্তচাপ ২ থেকে ৩ পয়েন্টে নামিয়ে আনবে। পটাসিয়াম স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। সুনিতা বলেছেন, কলা এক প্রকার সেরা খাবার। কারন এতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে। পটাসিয়াম কিডনির সোডিয়াম ফিল্টারে সাহায্য করে। শরীরের অতি ক্ষুদ্র ধমনী হতে শিথিল ধমনী পর্যন্ত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

২. স্কিম দুধ:
রক্তচাপ কমাতে প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস স্কিম দুধ পান করার অভ্যাস করুন। দুধ এ প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন-ডি রয়েছে। এই দুই পুষ্টি একটি দলের ন্যায় কাজ করে আপনার হাড়কে মজবুত করবে। পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

৩. তরমুজ:
গ্রীষ্মের রিফ্রেশিং খাদ্য হিসেবেই শুধু তরমুজের পরিচিতি নয়। এটি হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। তরমুজে ফাইবার, লিকোফেন, ভিটামিন ও পটাসিয়াম রয়েছে। এই সকল পুষ্টি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

৪. কমলা:
ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ফল হল কমলা। রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে কমলা অনেক কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এক গ্লাস কমলার রস বা একটি কমলা খেলে একদিনে আপনার শরীরের পর্যাপ্ত পরিমাণ ফাইবার ও ভিটামিন সি পেয়ে যাবেন।

৫. ডার্ক চকলেট:
চকলেট প্রেমিদের জন্য এটি একটি আনন্দের বিষয়। কারন, চকলেটে যে ফ্ল্যাভোনয়েড রয়েছে তা রক্তচাপের সমস্যা প্রতিরোধ করে। এরা প্রাকৃতিক হবার কারনে রক্তচাপের রিডিং কম করতে সাহায্য করে। চকলেটের ক্ষেত্রে ডার্ক চকলেট এর উপকারিতা বেশী। কারন এতে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ কোকো রয়েছে।

৬. শাক:
শাকে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে। যা হার্টের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এর পটাসিয়াম, ফাইবার, ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপের মাত্রা কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।

৭. মিষ্টি আলু:
মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম রয়েছে। পটাসিয়াম শরীরের সোডিয়ামের মাত্রা কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে।

৮. আঙ্গুরের জুস:
আঙ্গুরের রস এ রয়েছে পলিফেনল। যা হার্টের জন্য অত্যাধিক সুফল বয়ে আনে। প্রতিদিন ২ গ্লাস আঙ্গুরের রস খাবার চেষ্টা করুন। তবে খেয়াল রাখবেন, কারন আঙ্গুরে অনেক ক্যালরি রয়েছে।

৯. মটরশুঁটি:
মটরশুঁটিতে দ্রবণীয় ফাইবার, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এ সকল পুষ্টি রক্তচাপ কমিয়ে আনে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করে।

১০. বেরি:
বেরিতেও আঙ্গুরের রস এর মত পলিফেনল রয়েছে। এছাড়াও, ভিটামিন সি, পটাসিয়াম ও ফাইবার এ সমৃদ্ধ বেরি। যা, কোলেস্টেরল কমিয়ে শরীরের রক্তচাপ সঠিক করে।

যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, তারা অবশ্যই তাদের খাদ্য তালিকার ব্যাপারে সচেতন হন। এতে আপনার স্বাস্থ্য উন্নত হবে এবং মৃত্যুঝুঁকি কমবে।–সূত্র: টাইম্‌স অফ ইন্ডিয়া।

- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/34461/index.html#sthash.R9iz98Ks.dpuf
*স্বাস্থ্যটিপস* *উচ্চরক্তচাপ*

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

 স্তন - মানব শরীরের একটি খুবই স্বাভাবিক অঙ্গ হলেও এটি একটু বিশেষভাবে মহিমান্বিত। নারীর স্তনেই রয়েছে তার সন্তানের প্রথম খাদ্য। আর শারীরিক সৌন্দর্যে এর অবদানের কথা বলাই বাহুল্য। তবুও যেন এই স্তনের ব্যাপারেই নারীদের অসচেতনতা। বিশেষ করে রোগের ব্যাপারে। স্তনের কিছু পরিবর্তন বয়ে নিয়ে আসতে বিপদের বার্তা। তাই চিনে নিন কিছু লক্ষণ এবং হোন সতর্ক।

ফুসকুড়ি
ঘামাচির মতো ছোট ছোট ফুসকুড়িকে আমরা সাধারণত পাত্তা দিতে চাই না। কিন্তু এই ফুসকুড়ি যদি দেখা দেয় স্তনে, বিশেষ করে স্তনবৃন্তের আশেপাশে তাহলে মোটেও হেলাফেলা করা উচিত নয়। এটা হতে পারে স্তনে অ্যালার্জির লক্ষণ, এমনকি স্তন ক্যান্সারেরও। তাই অবশ্যই চিকিত্‍সকের পরামর্শ নিন।

কুঁচকে যাওয়া
স্তনের চামড়া কুঁচকে যাওয়া বা টোল খাওয়া বড় বিপদের লক্ষণ হতে পারে। এটি স্তন ক্যান্সারের প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই হেলাফেলা না করে চিকিত্‍সকের শরণাপন্ন হোন।

চুলকানি
স্তনের বিভিন্ন অংশ চুলকাচ্ছে? প্রথমেই বলে রাখি, স্তনের চামড়া ভীষণ পাতলা, তাই জোরে জোরে চুলকালে ছিলে যেতে পারে, কেটে যেতে পারে, রক্তপাতও হতে পারে। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো চাপ লেগে রক্ত জমাট বেঁধে ব্যথা হতে পারে। তাই স্তনে ঘনঘন চুলকানি হতে থাকলে চিকিত্‍সকের কাছে যান।

টোল পড়া
অনেকেরই স্তনের চামড়া ঢিলা থাকায় টোল পড়ে। কিন্তু এটাও মনে রাখা জরুরি যে, কুঁচকে যাওয়ার মতো টোল পড়াও কিন্তু বিপদ অর্থাত্‍, স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ হতে পারে। আপনার স্তনে যদি হঠাত্‍ টোল পড়া শুরু করে তাহলে অতিসত্বর চিকিত্‍সকের সাথে যোগাযোগ করুন।

চাকা অনুভব
পিরিয়ড শেষ হবার পর স্তন পরীক্ষা করা খুবই জরুরি। কারণ এ সময়টাতেই পরিষ্কারভাবে বোঝা যায় যে স্তনে কোনো চাকা বা গোটার উপস্থিতি আছে কি না। স্তনে চাকা অনুভূত হওয়া মাত্রই চিকিত্‍সকের কাছে যাওয়া উচিত। কারণ স্তন ক্যান্সার স্তনে এক ধরনের চাকা হিসেবে দেখা দিতে পারে। শতকরা ৮০ শতাংশ বা তার চেয়ে বেশি ক্ষেত্রে নারীরা স্তনে চাকা অনুভব করে থাকে।
ব্যথা

অ্যালার্জি
স্তনে বিভিন্ন কারণে অ্যালার্জি হতে পারে। অনেক সময় অন্তর্বাসের কারণেও অ্যালার্জি হয়। অ্যালার্জি কারণ যা-ই হোক না কেন চিকিত্‍সকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ আপনি যেটাকে সাধারণ অ্যালার্জি ভাবছেন সেটা হতে পারে স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ। কারণ স্তন ক্যান্সারের একটি উপসর্গ হলো Paget রোগ। এই অসুখে স্তনের চামড়াতে অ্যালার্জি বা এগজিমার মতো পরিবর্তন আসে। যেমন লালচে ভাব, স্তনের চামড়া ও রঙে পরিবর্তন আসা, স্তনের চামড়া উঠে যাওয়া ইত্যাদি।

কষ বা পুঁজ নিঃসরণ
স্তনবৃন্তের আশেপাশে কোনো ক্ষত বা স্তনবৃন্ত থেকেই যদি কষ বা পুঁজ নিঃসৃত হতে থাকে তাহলে দেরি না করে দ্রুত চিকিত্‍সকের কাছে যান। কারণ এটা হতে পারে ক্যান্সারের মতো ভয়াল রোগের উপসর্গ।

তথ্যসূত্র: ইবনে সিনা হেলথ ম্যাগাজিন

- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/33354/index.html#sthash.kxIJnwNK.dpuf
*স্বাস্থ্যটিপস*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★