স্মার্ট শপিং

স্মার্টশপিং নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্যান্ট বর্তমান ফ্যাশনের সর্বাধিক পরিধেয় অনুসঙ্গ। একটা সময় প্যান্ট ছিল অভিজাত লোকদের পরিধেয় কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে প্যান্ট সঙ্গী হয়েছে আপমর জনতার। আগে মানুষ শুধু বাইরে বের হবার জন্য প্যান্ট পরত কিন্তু সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে প্যান্ট এখন ২৪ ঘন্টার সঙ্গী হয়েছে। এজন্য অবশ্য বাহারি ধরনের ভিন্ন ভিন্ন মডেলের প্যান্টও বাজারে এসেছে। বাইরে বের হলে জিন্স, খেলতে গেলে টাউজার আর রাতে শোবার সময় শর্টস সহ বিভিন্ন প্যান্টের সর্বোত্তম ব্যবহার হচ্ছে। চলুন কিছু লেটেস্ট ডিজাইনের আকর্ষণীয় প্যান্ট দেখে নেওয়া যাক।

 

বর্তমানে প্যান্ট শুধু ছেলেদের পরিধেয় হিসেবে ব্যবহারিত হচ্ছে না, বিভিন্ন ধরনের জিন্স প্যান্ট এখন মেয়েরাও ব্যবহার করছে। এক সময় জিন্স মানেই ছিল অনেক মোটা কাপড় আর শীতের সময়ে পরার জন্য আরামদায়ক এমন পোশাক। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে জিন্স। জিন্স এখন শীত গরম দুই সময়ে পরা হচ্ছে। বাজারে জিন্সের সাথে কার্গো, গ্যাবার্ডিন ও কটন প্যান্টগুলো জায়গা করে নিয়েছে। যেহেতু তরুণ-তরুণীরা দিনের অনেকটা সময় বাইরে থাকে, তাই তাদের আরামের কথা ভেবেই এখন জিন্সের প্যান্ট তৈরি করা হয়। জিন্স প্যান্টের রং ও সুতার ব্যবহারে এখন মাথায় রাখা হয় ঋতু। তাই শীত-গ্রীষ্ম সব সময়ই জিন্স পরা আরামদায়ক।

  

জিন্স প্যান্টের সাথে পাল্লা দিয়ে সোয়েট ,জগার্স, চুজ কটন ও অন্যান্য স্টাইলিশ প্যান্টর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এগুলো প্যান্ট যেকোন সময় পরা যায়। এটি ক্যাজুয়াল ও আরামদায়ক হওয়ায় প্রতিদিন পরছে এখনকার তরুণরা। প্রিন্টেড কটন কিন্ট প্যান্ট গুলো স্টাইলিশ তরুণরা বেশি পরছে। যারা ডিফেন্সের লুকে নিজেকে সাজাতে চান তারা চাইলে কিন্তু আর্মি প্যান্ট পরতে পারেন।

 


গরমের দিনে স্বস্তি খুঁজতে পরিবর্তন আনতে হয় পোশাকে। এই যেমন বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায়, বাসায় থাকলে কিংবা আশপাশে কোথাও গেলে তো আর ফরমাল পোশাক পরা যায় না। গরমে স্বস্তিদায়ক পোশাকগুলোই বেশি কাম্য। এ সময়ে জিন্সের পাশাপাশি গ্যাবাডিন, শর্ট ও কার্গো প্যান্ট হতে পারে ভালো সঙ্গী। তরুণ থেকে মধ্যবয়সীদের জন্য এটি পারফেক্ট হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

  

দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস গুলোতেই শীতের সেরা প্যান্ট গুলো পেয়ে যাবেন। তবে আকর্ষনীয় ও বাহারি ডিজাইনের স্টাইলিশ ও গর্জিয়াস প্যান্ট কিনতে চাইলে নির্ভর করতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের উপর। আজকের ডিলে রয়েছে বাহারি সব প্যান্টের এক্সক্লুসিভ কালেকশন। নিজের জন্য অথবা প্রিয়জনকে উপহার হিসেবে দেয়ার জন্য প্যান্ট কিনতে এক্ষনি এই লিংকে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *ফ্যাশনেবর্ণিলপ্যান্ট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এই রোদ এই বৃষ্টি! জৈষ্ঠ্য মাসেই যেন বর্ষার রূপ ধারণ করেছে প্রকৃতি। রোদ বৃষ্টির এধরনের আবহাওয়ায় নিজেকে সতেজ রাখাটা একটু কষ্টকর। তার পরেও রোদ-বৃষ্টির আবহাওয়াতে নিজেকে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে একটু চেষ্টা করতে দোষ কি! কর্মব্যস্থ জীবনে বৃষ্টিতে উদাস হয়ে ভেজা কিংবা রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে রোদ উপভোগ করার ফুসরত করোই নেই। এ জন্য বৃষ্টি ও রোদের হাত থেকে বাঁচতে ব্যাগে সবসময ছাতা থাকা চাই-ই চাই। যাদের কালেকশনে ছাতা নেই বা যারা মোটরবাইকার তারা সঙ্গে রাখতে পারেন আকর্ষণীয় রেইনকোট। এই দুই অনুসঙ্গই আপনাকে রোদ বৃষ্টির আবহাওয়াতে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে পারে।

বৃষ্টিতে আপনাকে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখবে ছাতা ও রেইনকোট:

 
ছাতা এবং রেইনকোট রোদ-বৃষ্টির আবহাওয়ায় আপনার অন্যতম অনুসঙ্গ হতে পারে। দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলে দেশী-বিদেশী বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের ছাতা পাওয়া যায়। লম্বা ডাঁটওয়ালা ছাড়াও ফোল্ডিং ছাতাও পাওয়া যায়। দুই ও তিন ভাঁজের ফোল্ডিং ছাতা রয়েছে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে।

 

বাচ্চাদের জন্য বিশেষ কিছু ছাতা এখন বেশি চলছে। সবাই শিশুদের জন্যই আগে ছাতা কিনছে। এছাড়াও আকৃতিতে ছোট, সহজে বহনযোগ্য আর বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের হওয়ায় এ ছাতাগুলোর চাহিদা বেশি। আকারে ছোট হওয়ার কারণে ‘থ্রি ফোল্ড’য়ের ছাতার চাহিদাই বেশি। বিশেষ করে মহিলা ক্রেতাদের মধ্যে এই ছাতগুলোর চাহিদা বেশি। মানভেদে ছাতাগুলোর দাম পড়বে আড়াইশ থেকে এক হাজার টাকা।

 

রেইনকোট বৃষ্টির অন্যতম সঙ্গী। বৃষ্টি থেকে রক্ষা ও সাথে সাথে ফ্যাশনটা বজায় রাখতে রেইনকোটের জুড়ি মেলা ভার। সিঙ্গেল ও ডাবল দুই ধরনের লেয়ারের রেইনকোট পাওয়া যায়। তবে সিঙ্গেল লেয়ারের চেয়ে ডাবল লেয়ারের রেইকোট ভাল। ভালো মানের বর্ষাতির মধ্যে আছে ডার্বিসুপার, কমফোর্ট, ফেদার, ব্রিদেবল, রেড চ্যাম্পিয়ন ইত্যাদি। আবার দেশি পলিয়েস্টার, ওয়াটারপ্রুফ, ফিলিপস, প্যারাসুট, বিগবসও রয়েছে। তবে আমাদের ছেলেরা সাধারণত ক্লাসিক, অ্যাটলাস, হোন্ডা ও প্লেবয় ব্র্যান্ডের রেইনকোট গুলিই বেশি পরে।

 

রাস্তাঘাটে অনেক স্থানেই ছাতা ও রেইনকোট পাওয়া যায় তবে আপনি ঘরে বসে ভালমানের রেইনকোট পেয়ে যেতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকমে। সবচেয়ে কমদামে ঘরে বসে ভাল মানের ছাতা ও রেইনকোট কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *ছাতারেইনকোট*

AjkerDeal.com: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শাড়িতেই বাঙ্গালি নারীদের বেশি সুন্দর দেখায়। তাইতো শাড়ীর আবেদন আজও একটুও কমেনি। বর্তমানে বিভিন্ন উৎসব ও পার্টি উপলক্ষ্যে সবাই ফ্যাশনেবল শাড়িই বেশি পরতে পছন্দ করে। দোখানগুলোতে গিয়ে আপনি শাড়ি কিনলে ‍খুব একটা দেখার সুযোগ থাকে না। একজন কাস্টমারকে কয়টা শাড়িই বা দোকানাদারের পক্ষে দেখানো সম্ভব? এজন্য ফ্যাশনেবল শাড়ি চয়েজ করা ঝামেলা হয়ে যায়। তাছাড়া দামদর না জানলে ৫’শ টাকার শাড়ি বিক্রি করে আপনার কাছে থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে নেয় দোকানীরা। 

এজন্য সহজ সমাধান হতে পারে অনলাইন শাড়ি বাজারগুলো। যারা অনলাইনে কেনাকাটা করতে ইচ্ছুক তারা খুব সহজে বাড়িতে বসেই বাংলাদেশের বিভিন্ন অনলাইন শপিং মল গুলো থেকে অর্ডার করে শাড়িটি কিনে নিতে পারবেন।  এখানে ঠোকে যাবার কোন ভয় নাই। বাজার দরের চেয়ে কমেই সব ধরনের শাড়ি অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে। আপনি অর্ডার করলে আপনার বাড়িতে পৌঁছে যাবে শাড়ি। কাঙ্খিত পণ্য না পেলে রয়েছে ফেরত দেবার সুযোগ। সো-অনলাইনে কেনাকাটাতেই এখন রিস্ক কম। 

আপনারা যারা ফ্যাশনেবল শাড়ি কিনতে চাচ্ছেন তাদেরকে বলছি ফ্যাশনেবল শাড়ির সবচেয়ে বড় কালেকশন রয়েছে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। শাড়িগুলোর দামও রয়েছে সাধ্যের মধ্যে (মাত্র ৪০০ টাকা থেকে শুরু)।  চাইলে আপনিও একবার আজকের ডিল ডট কমের এই লিংকটিতে গিয়ে ফ্যাশনেবল শাড়ির কালেকশন দেখে আসতে পারবেন। অথবা কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করেও দেখে নিতে পারবেন। 

সফট সিল্ক শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

হাফ সিল্ক শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

সুতি সাদা জরি শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

ইন্ডিয়ান ডিজাইনার জর্জেট শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

ইন্ডিয়ান সফট ওয়েটলেস জর্জেট শাড়ি

কিনতে ক্লিক করুন

মনে রাখবেন, অনলাইন শপিং এর মাধ্যম মানেই আজকেরডিল ডট কম। আজকের ডিল থেকে শপিং করুন ঝড়ের গতিতে আর ডেলিভারী নিন তুফানের বেগে। আর মাথা নষ্ট আকর্ষণীয় ও নান্দনিক ডিজাইনের শাড়ি পেতে চোখ রাখুন আজকের ডিলে

*ফ্যাশনেবলশাড়ি* *শাড়ি* *শাড়িকালেকশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তরুণদের স্মার্ট ফ্যাশনের অন্যতম আকর্ষণ টিশার্ট। তবে তরুণরা ছাড়াও যে কোন বয়সের মানুষ টিশার্ট প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নিতে পারেন। কারন যে কোন বয়সেই টি-শার্ট অনেক বেশি স্মার্টনেস বয়ে আনে। মানুষ এখন আগেও চেয়ে অনেক বেশি ক্যাজুয়াল থাকতেই পছন্দ করে। তাই সেই পাঞ্জাবী বা শাড়িতে নিজেকে গুটিয়ে রেখে কি লাভ। ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও এই পোশাকে অনেক স্বচ্ছন্দ্য বোধ করে। চলুন টিশার্টের কিছু লেটেস্ট কালেকশন দেখে নেই।

 

ফ্যাশনে একটি পোশাক যেটা সব সময়ই ভীষণ রকম ট্রেন্ডের মধ্যে ইন। শীত কিংবা গরম সব সময় নিজেকে ফিট রাখতে তরুণ তরুণীদের কাছে টিশার্ট বেষ্ট অপশন। শীতে তরুণ তরুণীরা একটু মোট কাপড়ের ফুলস্লিভ টিশার্ট পরে অপর দিকে গরমে হালকা সূতি কাপড়ের হাফহাটা টিশার্ট পরে। বর্তমানে টিশার্টে হরেক রকম রঙ আর ডিজাইন দিয়ে তৈরী করা হয় আরো আকর্ষণীয় ও ফ্যাশনেবল করে।

 

গোল গলা, কলার দেওয়া অথবা ভি-নেক, সব রকমের টি-শার্টই সবসময়ই বছরের সবমাসে গুছিয়ে উপস্থিত। তবে টি-শার্টের উপর লেখা ওয়ান লাইনার কিন্তু ভীষণ রকম হিট। ` `ইউ লাফ অ্যাট মি বিকজ আই`ম ডিফেরেন্ট, বার্সেলনা, আই লাফ এট ইউ বিকজ ইউ`র অল দ্য সেম।` ‘দাদা খেয়ে এসেছে নাকি গিয়ে খাবেন’ ‘এ কেমন বিচার’ থেকে `আই`ম ভ্যাকসিনেটেড`-এর মত ছোট বড় স্লোগানে ভরপুর টি-শার্টের রমরমা। তার সঙ্গেই আছে বিভিন্ন কার্টুন। সঙ্গতে মজাদার স্লোগান। আর ফুটপাথ থেকে বড় শো-রুম, সব জায়গার টি-শার্টেই `অ্যাংরি বার্ড`-এর অবাধ ওড়াউড়ি। তবে চিরন্তন স্ট্রাইপ বা এক রঙা কলার দেওয়া টি-শার্ট কিন্তু নিজেদের মতোই আছে।

 

 টি-শার্টের ক্ষেত্রে নিজেকে কী রং মানাচ্ছে সেটা বুঝে নেওয়া বড্ড জরুরি। তবে এই পোষাকটির ক্ষেত্রে সব চাইতে জরুরি ঠিকঠাক মাপের হওয়া। সঠিক সাইজের টি শার্টের হদিশ না পাওয়া গেলে পুরো অনুষ্ঠানই কিন্তু মাটি। টি-শার্টের বিচরণ আক্ষরিক অর্থেই গলি থেকে রাজপথে। কলেজ ক্যান্টিন থেকে বিয়ের নিমন্ত্রণ পর্যন্ত যদি সঠিক টি শার্টটি বেছে পরা যায় তাহলে ফ্যাশন নিয়ে চিন্তা নেই আর।

 

রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসগুলো থেকেই আপনার পছন্দের টিশার্ট কিনে নিতে পারবেন। তবে বর্তমানে টিশার্ট কেনার জন্য অনেকেই অনলাইন শপিংমলের উপর আস্থা রাখছে কারণ অনলাইন শপের মত এতবড় টিশার্ট কালেকশন বাইরের মার্কেটে নাই। আপনিও আপনার পছন্দের টিশার্ট অনলাইন শপিংমল থেকে কিনে নিতে পারেন। কমদামে টিশার্টের লেটেস্ট কালেকশন কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *স্টাইলিশটিশার্ট*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঢাকা ভিত্তিক একটি অনলাইন ফ্যাশন হাউজ ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মেহেদী হাসান যিনি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ ও এমবিএ শেষ করেছেন। নর্থ সাউথ থেকে বিবিএ শেষ করার পর তিনি একটি কোম্পানিতে চাকরি করার পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সান্ধকালীন এমবিএ শেষ করেছেন।

২০১৪ সালে অনলাইন ব্যবসা শহরে অপেক্ষাকৃত নতুন । কিন্তু হাসান বুঝতে পেরেছিলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা পৃথিবী জুড়ে অনেক শিল্পই বেশ অগ্রসর হচ্ছে, সেদিক বিবেচনা করলে বাংলাদেশেও অনলাইন ব্যবসা দ্রুত গ্রো করবে। এই চিন্তা ভাবনা থেকেই তিনি এবং তাঁর দুই বন্ধু সহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লবিতে বসে ২০১৪ সালে একটি অফিসিয়াল ফেসবুক বিজনেস পেজ খোলার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের ব্যবসা চালু করেন।

এর পরের, যাত্রা অবশ্য সহজ ছিল না। ব্যবসা শুরুর কয়েক মাস পর তার দুই অংশীদার ব্যবসা না করার সিদ্ধান্ত নেয়। তখন তিনি একটু চিন্তিত হয়ে পড়েন। তাছাড়া তাঁর পরিবারও চাচ্ছিলেন না দেশের শীর্ষ দুটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায়িক ডিগ্রী নেওয়ার পর তাদের সন্তান অনিশ্চিত কর্মজীবন চালিয়ে যাক। কিন্তু হাল ছাড়েননি মি. হাসান তিনি সাহস ও ধৈর্যের সঙ্গে এই চ্যালেঞ্জগুলির সাথে সামঞ্জস্য রেখে, একটি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আজকের এই অবস্থানে এসেছেন। বর্তমানে তিনি-ফেসবুক, অফলাইন শপ ও দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করছে। 

দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকম এধরনের নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উদ্দ্যোক্তাদের উঠে আসার গল্প তুলে ধরার চেষ্টা করছে। লক্ষ্য একটাই নতুন উদ্দ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণা জোগানো। যার ধারাবাহিকতায় আজকের আয়োজন মিষ্টার হাসানের ‘ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল’ নিয়ে।

কনটেন্টটি স্পন্সরড করেছে আজকেরডিল.কম

 

মি. মেহেদী হাসান নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ও একাউন্টিং বিভাগে পড়াশুনা করেছে। তিনি ২০১২ সালে বিবিএ শেষ করার পর, সন্ধ্যাকালীন কোর্স ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কেটিং এ এমবিএ করেন এসময় তিনি কোম্পানিতে জব করছিলেন।


প্রথম থেকেই নিতের মত করে কিছু একটা করার চেষ্টা তার মধ্যে ছিল। এর পরিকল্পিত রূপ হিসেবেই তার নেতৃত্বে ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল গড়ে ওঠে। ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল একটি অনলাইন ভিত্তিক শপিং বিজনেস। ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের লবিতে বসে তিনি এবং তার দুই বন্ধু মিলে ব্যবসার জন্য অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ তৈরি করেছিলেন। তার পর থেকে পথ চলা শুরু। যদিও কিছুদিন পর তার দুই বন্ধু ব্যবসা না করার সিদ্ধান্ত নেন কিন্তু তিনি দমে যাননি, এই হাল ধরে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিয়ে চলেন।


মি. মেহেদীর ব্যবসার ট্রেন্ড টা একটু ভিন্ন। তার মতে, যারা অনলাইন থেকে বেশিরভাগ পণ্য কেনা তারা যুবক সুতরাং তার টার্গেট অডিয়েন্স ইয়ং পিপল। এবং সেই লক্ষ্য নিয়ে তিনি পণ্য তৈরী করে আসছেন।


এই প্রজন্মের পথচলার শুরু থেকেই সঙ্গী হয়েছে ইন্টারনেট। মূলত ইন্টারনেটর দ্রুত অগ্রগতি অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পেছনে মি. মেহেদী হাসানকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। তিনি অনুধাবন করেছিলেন দ্রুতই মানুষ ইকমার্সে অভ্যস্থ হয়ে পড়বে কেউ আর মার্কেটে গিয়ে ঘাম ঝরিয়ে পণ্য কিনবে না তাই তিনি এই ধরনের ব্যবসা শুরু করার সিন্ধান্ত নেন। তার বাবার ঐতিহ্যবাহী বিটুবি বিজনেস ছিল সেখান থেকে তিনি অনুপ্রেরণা পান। তার অনুপ্রেরণার আরও একটি জায়গা আলিবাবা.কম। আলিবাবার সাইট দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। এছাড়াও বিডিজবস এর সিইও জনাব ফাহিম মাশরুরের কিছু কথা ও উপদেশ তাকে আরও বেশি অনুপ্রাণিত করেছিল।

 

ব্যবসার শুরুর প্রথম দিকে তার তিন বন্ধু প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা করে কন্ট্রিবিশন করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে একজন রাজি না হওয়ায় দুজনে ৪০ হাজার টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। মি. হাসান প্রথমে কিছু গার্মেন্টস ও বাইং হাউসের সরবারহ কৃত এক্সপোর্ট কোয়ালিটির পোলো টিশার্ট ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিক্রি শুরু করেন। শুরু দিকে তারা মোবাইলে পণ্যের ছবি তুলে অনলাইনে আপলোড করতেন।

ফ্রেন্ডজ লাইফ স্টাইল মূলত পোশাক ও গহণা বিক্রি করে। তারা গ্রাহদের কাছে কোয়ালিটি পণ্য তুলে দেন। তাদের কালেকশনে প্যান্ট, সালোয়ার কামিজ, শাড়ি, গহনা, কূর্তী, টি-শার্ট ও পোলো শার্ট রয়েছে। ছেলে মেয়ে উভয়ের জন্যই তারা তাদের পণ্য সরবারহ করে। পণ্যের গুণগত মান ভালো হওয়ায় তার ব্যবসা দ্রুত অগ্রসরমান হচ্ছে। গত এক বছর ধরে তার ব্যবসার ক্রমর্বমান উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। ফ্রেন্ডস লাইফস্টাইলের কিছু রেগুলার কাস্টমার তৈরী হয়েছে যারা প্রতিনিয়ত পণ্য কিনে। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে ৫ জন টিম মেম্বার রয়েছ যারা প্রতিয়িত কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও তাদের পণ্য কাস্টমারদের কাছে পৌঁছে দেবার জন্য থার্ড-পার্টির ডেলিভারী সার্ভিসের সহায়তা নেন।

মি. মেহেদীর প্রতিষ্ঠান তার ব্যবসা থেকে প্রতিবছর প্রায় কয়েক মিলিয়ন টাকা আয় করেন। অনলাইনের পাশাপাশি তারা অফলাইনেও তাদের পণ্য বিক্রি করেন। তাদের মোট বিক্রির ৬০% হয় অনলাইনে বাঁকি ৪০% হয় অফলাইনে।

 

মি. হাসানের অনলাইন এই ব্যবসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ লজিস্টিক সাপোর্ট। সারাদেশে দ্রুত পণ্য ডেলিভারী দেবার মত কোন ভালো ডেলিভারী সার্ভিস এখনো গড়ে ওঠেনি। কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য ডেলিভারীতে বহু রকমের সমস্যা ফেস করতে হয়। সরকারি পোস্ট অফিস যদি এগিয়ে আসত তাহলে এই ব্যবসা দ্রুত অগ্রসর হবে এবং সব জায়গায় পণ্য পৌঁছে দেওয়া যাবে বলে তিনি মনে করেন।

দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের মাধ্যমে মি. হাসান ব্যবসা করছে। প্রায় ৪ বছর থেকে ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল আজকেরডিলের মার্চেন্ট হিসেবে যুক্ত রয়েছেন। তাছাড়াও আজকেরডিলের সিইও জনাব ফাহিম মাশরুরের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক বেশ ভাল। শুরু থেকে কিভাবে একটি ব্যবসা বড় করতে হয় সে পরামর্শ তিনি ফাহিম মাশরুরের কাছ থেকেই পেয়েছেন। আজকেরডিলের মাধ্যমে ফ্রেন্ডজ লাইফস্টাইল প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২০টির অধিক পণ্য বিক্রি করেন। তার মতে, পণ্য বিক্রির জন্য আজকেরডিল একটি বড় মাধ্যম।

নতুনদের জন্য মি. মেহেদী হাসানের পরামর্শঃ

প্রথমত, ব্যবসা শুরুর আগে সঠিক গবেষণা করুন, আপনার পণ্যের চাহিদা এবং বাজার বুঝে ব্যবসা শুর করা ভাল। সময় পরিবর্তিত হয়েছে, বাজার আরো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠেছে, আগে আমরা মোবাইল ফটোগ্রাফি করে পণ্য বিক্রি করেছি কিন্তু এখন আর মোবাইল ফটোগ্রাফি অনলাইনে আপলোড করার মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন না। এজন্য ভালো প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামতে হবে।

দ্বিতীয়ত, আপনার ব্যবসার জন্য সম্পূর্ণ সাপ্লাই চেইন সম্পর্কে জানুন এবং পরিকল্পনা করুন। আপনার পণ্য কোথায় থেকে আসবে কিভাবে ডেলিভারী দিবেন সেগুলো ঠিক করুন তারপর ব্যবসা শরু করুন। প্রতিশ্রুতি বজায় রাখার চেষ্টা করুন। কোন ক্রমেই যেন, কাস্টমাররা প্রতারিত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। মনে রাখবেন, যখন একজন গ্রাহকের সাথে আপনার খারাপ অভিজ্ঞতা হবে, সাধারণত তখন সেই গ্রাহক আপনার কাছে দ্বিতীয়বার আসবেনা।

অবশেষে এবং সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হলো, ব্যবসার এবং জীবনে অনেক উত্থান পতন থাকবে। সংগ্রাম ও চেষ্টার মাধ্যমে কঠিন সময়গুলো পার করতে হবে। একটি টেকসই ব্যবসা দাঁড় করারনোর জন্য দীর্ঘ সময় লাগবে। আপনি যদি সত্যিই একটি ব্যবসা দাঁড় করাতে চান, তাহলে আত্মসমর্পণ করলে চলবে না, স্বপ্ন সত্যি করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে এগিয়ে যেতে হবে।

*সফলতারগল্প* *স্পন্সরডকনটেন্ট* *আজকেরডিল* *স্মার্টশপিং* *ফ্রেন্ডজলাইফস্টাইল*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ওয়ালটন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধরনের মাল্টিন্যাশনাল ইলেকট্রনিক্স পণ্য, হোম এবং কিচেন সামগ্রী, অটো মোবাইলস ও অন্যান্য এক্সেসরিজ তৈরী করে বাংলাদেশের সব ধরনের মানুষের জনপ্রিয়তা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্বের ১১টি দেশে ওয়ালটনের পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকম ওয়ালটন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ব্র্যান্ডেড প্রোডাক্ট অনলাইনে বিক্রি করছে। আজকেরডিলের সাইট ব্রাউজ করে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী বেস্ট পণ্যটি  বেছে নিতে পারেন।


আপনার বাড়ি অত্যাধুনিক সাজে সাজাতে ওয়ালটনের হাই কোয়ালিটি গৃহস্থালী সামগ্রী অনলাইন থেকে নিতে পারবেন। কারণ তাদের রয়েছে উন্নত মানের রিফ্রিজারেটর, ডিপ ফ্রিজ, স্মার্ট এলইডি টিভি। ওয়ালটনের সব পণ্যেই আপনি কোম্পানি কর্তৃক সার্ভিস ওয়ারেন্টি পাবেন। কাস্টমারদের চাহিদা অনুযায়ী ওয়ালটন সবচেয়ে বেস্ট সার্ভিস প্রদান করে।

ওয়ালটনের বিভিন্ন ধরনের রান্না ঘরের সামগ্রী রয়েছে যেমন, টোস্টার, স্যান্ডউইচ মেকার, মাল্টি-কুকার, সালাদ মেকার ইত্যাদি। এগুলো আপনার রান্না ঘরের কাজকে সহজ করে দেবে। আরেকটি কথা আপনি আপনার বাড়ি পরিস্কার রাখার জন্য বাড়িতে ওয়ালটনের মপ সেট নিয়ে নিন।

ওয়ালটনের মোবাইল সেবা কার্যক্রম ২০১০ সাল থেকে শুরু হয়। প্রথম দিকে তারা ফিচার ফোনের মাধ্যমে বাজারে অংশগ্রহণ করে। এরপর থেকে বিভিন্ন ধরনের স্মার্টফোন তৈরী করে গ্রাহকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে তারা ওয়ালটন প্রিমো নামেই মোবাইল প্রস্তুত করে। তাদের মোবাইল সেবা কার্যক্রম ১১টি দেশে সীমাবদ্ধ থাকলেও ভবিষ্যতে তা অন্যান্য অনেক দেশে রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে। ওয়ালটনের প্রধান লক্ষ্য স্বল্প মূল্যে সকলের কাছে মানসম্মত স্মার্টফোন পৌছে দেওয়া।

উপরের আইটেমগুলো ছাড়াও ওয়ালটন বিভিন্ন মোবাইল এক্সেসরিজ বাজারে ছেড়েছে। সেগুলোর মধ্যে ওটিজি কানেক্টর, ক্লথ ড্রায়ার, রিচার্জ্যাবল লাইট, স্মার্ট রিমোর্ট ও পাওয়ার ব্যাংক অন্যতম। এই এক্সেসরিজ গুলোও আপনি আজকেরডিল ডটকমের ওয়েবসাইট থেকে ঘরে বসেই কিনতে পারবেন।

ওয়ালটন ব্র্যান্ডের অরিজিনাল প্রোডাক্ট অনলাইন থেকে কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপ থেকে ঘরে বসেই ওয়ালটনের পণ্য অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

*ওয়ালটন* *ওয়ালটনপণ্য* *ওয়ালটনমোবাইল* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রযু্ক্তি বাজারে লেনোভো একটি পরিচিত ব্র্যান্ড। এটি একটি চীনা বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। উন্নত প্রযুক্তি সম্বলিত পার্সোনাল কম্পিউটার, ট্যাবলেট কম্পিউটার, স্মার্টফোন, ওয়ার্কস্টেশন, সার্ভার, ইলেক্ট্রনিক স্টোরেজ ডিভাইস এবং স্মার্ট টেলিভিশন তৈরী করে নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ৪ বছর আগেও লেনোভো ছিল বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম কম্পিউটার বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান। এখনো লেনোভোর জনপ্রিয়তা চরমে প্রায় ১৬০টি দেশে লেনোভোর পণ্য বিক্রি হয়।

 

লেনোভোর অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও অন্যান্য প্রযুক্তি পণ্যগুলোর রিভিউও বেশ ভালো। আজকেরডিল ডটকম সারাদেশে অনলাইনের মাধ্যমে লেনোভো ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য রিজনেবল প্রাইসে বিক্রি করছে। আপনি ঘরে বসেই লেনোভোর সবপণ্য আজকেরডিল থেকে কিনতে পারবেন।

প্রতিনিয়তই আজকেরডিলের ওয়েবসাইট থেকে লেনোভোর স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও নোটপ্যাড বিক্রি হচ্ছে। এ পণ্যগুলোর প্রতিটিতে রয়েছে লেটেস্ট ও স্মার্ট ফিচার। স্মার্টফোনগুলোর ক্যামেরা ও সাউন্ড কোয়ালিটি বেশ ভালো।



লেনোভোর আকর্ষণীয় একটি স্মার্টফোন লেনোভো ‘এ৭০০০’। সেটটিতে রয়েছে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চির এইচডি ডিসপ্লে। এটির স্ক্রিনের মান আগের চেয়ে উন্নত। এটির আকর্ষণীয় ডিজাইন ইতোমধ্যে টেকি প্রজন্মের নজর কেড়েছে।লেনোভো ‘এ৭০০০’ বডি প্ল্যাস্টিক ও মেটালিক ধাচের তৈরি। ফোনসেটটির ওজন মাত্র ১৪০ গ্রাম। ফোনটির চৌকো আয়তন এটিকে ভিন্নতা দিয়েছে। লেনোভো এ৭০০০-এ রয়েছে ১.৫ গিগাহার্টজ ওক্টা কোর মিডিয়াটেক চিপ। এটির ২ জিবি র‌্যাম ফোনটিকে আরো গতি দিয়েছে। দীর্ঘক্ষণ ফোন চালানো জন্য এটিতে রয়েছে ২৯০০ মেগাঅ্যাম্পায়ার ব্যাটারি। যা কিনা ৪জি নেটওয়ার্কে একদিন পর্যন্ত অন রাখা সম্ভব।


পার্সোনাল কম্পিউটার, ট্যাবলেট কম্পিউটার ও স্মার্টফোন ছাড়াও এদের রয়েছে পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভ ও ল্যাপটপ এডাপ্টার। লেনোভোর সবগুলি পণ্যের বিক্রয়োত্তর ওয়ারেন্টি রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখে এবং বিক্রয়োত্তর কোয়ালিটি সার্ভিস প্রদান করে। বিশ্বাসযোগ্যতার সাথে যে কেউ লেনোভোর পণ্য কিনতে পারেন। এদের পণ্য কিনে ঠকার ভয় খুব কম।

লেনোভো ব্র্যান্ডের অরিজিনাল প্রোডাক্টগুলো কিনতে আপনি ভরসা রাখতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের উপর। কোন রকম বিড়ম্বনা ছাড়াই দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসে লেনোভোর লেটেস্ট প্রোডাক্ট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*লেনোভো* *স্মার্টফোন* *লেনোভোট্যাব* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জিলেট পুরুষদের পছন্দের জনপ্রিয় একটি ব্র্যান্ড। জেলেট পুরুষ ও মেয়েদের জন্য শেভিং প্রোডাক্ট তৈরী করে। সারা বিশ্বে জিলেটের প্রোডাক্ট খুব জনপ্রিয়। ১৯০৪ সালে অনুমোদন পাওয়ার পর থেকে পুরুষদের জন্য বিভিন্ন ধরনের শেভিং প্রোডাক্ট তৈরী করে আসছে। জিলেটে কোম্পানি প্রথমে দ্বিমুখী ব্লেড তৈরী করে ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরে বিভিন্ন আইটে নিয়ে আসে। বাংলাদেশেও বহু আগে থেকেই জিলেটের বিভিন্ন সেভিং প্রোডাক্ট পাওয়া যায়।

জিলেটের তৈরী বিভিন্ন ধরনের রেজর, ব্লেডস, শেভার, ট্রিমার আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয়। এই প্রোডাক্টগুলো দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকেরডিলে জিলেটের সব পণ্য পাওয়া যায়। গ্রাহকরা ঘরে বসেই আজকেরডিলের ওয়েবসাইট থেকে জিলেটের সব পণ্য কিনতে পারবেন।

জিলেটের রেজরগুলো এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা ব্যবহারে আপনি একান্ত মসৃণতা অনুভব করবেন। প্রোডাক্টগুলোতে মসৃণ ব্লেড ব্যবহৃত হয়েছে। জিলেট রেজরের বিভিন্ন ভাগ রয়েছে। মেয়েদের জন্যও জিলেটর ভাল মানের রেজর পাওয়া যায়। জিলেটের প্রোশেইলড, প্রোগ্লাইড, ফিউশন ইত্যাদি লেটেস্ট প্রযুক্তির রেজর যা আপনাকে শেভিংয়ের বেস্ট এক্সপেরিয়েন্স দেবে। রেজরগুলোর আলাদা মাথা পাওয়া যায় যা আপনি পুরাতনটির সাথে পুনরায় লাগিয়ে নিতে পারবেন।

জিলেটের রেজর ছাড়াও ডিওডোরেন্ট, এন্টিপ্রিসপ্রেন্ট ও বডি স্প্রে রয়েছে যা আপনাকে সারাদিন ফ্রেশ ও ঘামের গন্ধ মুক্ত রাখতে সাহায্য করবে। ডিসকাউন্ট ও কম্বো অফারে জিলেটের বিভিন্ন প্রোডাক্ট আজকেরডিলে পাওয়া যাচ্ছে।

শেভার এবং আফটার শেভারের সব পণ্য কিনতে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারুন। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসেই বিখ্যাত জিলেট ব্র্যান্ডের পণ্য কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*জিলেট* *জিলেটরেজর* *ব্র্যান্ড* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

টিপি লিংক একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। রাউটার, সুইচ, ওয়্যারলেস সরঞ্জাম, এডিএসএল মডেম এবং নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টারের মত গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্ক এক্সেসরিজ তৈরী করে সারা বিশ্বে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। আপনি যদি বাজারের সেরা নেটওয়ার্ক এক্সেসরিজ চান তাহলে নিশ্চি্ন্তে টিপি লিংককে তালিকার প্রথমে রাখতে পারেন। টিপি লিংকের সব পণ্য নিজের এবং অফিসিয়াল কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

টিপি লিংকের পণ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে রাউটার। বর্তমানে স্মার্টফোনের ব্যবহার বেশি হওয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য অনেকেই একটি রাউটার কিনে নিয়ে ব্রডব্যান্ড সংযোগের সাথে যুক্ত কর নেট ভাগাভাগি করে নিচ্ছে। দ্রুত একাধিক ব্যক্তির কাছে ই্ন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার এক দুরন্ত মাধ্যম হিসেবে টিপি লিংকের ওয়াইফাই রাউটার ব্যবহার করতে পারেন।

টিপি লিংকের রাউটার গুলো আপনাকে হাই স্পিড ইন্টারনেট ব্যবহারে সুবিধা দেবে। রাউটারগুলো থ্রিজি ও ফোরজি সহ বিভিন্ন মোডে সাপোর্ট করবে। মাত্র ৫০০ টাকা থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ করলেই আপনি রাউটার কিনতে পারবেন। আপনারা যারা ঘরে বসেই ভাল মানের রাউটার কেনার কথা চিন্তা করছেন তারা ঢুঁ মারুন দেশের সেরা অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের ওয়েবসাইটে।

রাউটার ছাড়াও টিপি লিংক অন্যান্য ব্র্যান্ডেড প্রোডাক্ট আজকেরডিলে পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের পাওয়ার ব্যাংক, পিসিআিই ল্যান কার্ড, ওয়্যারলেস এডাপ্টার, হাব, সুইস এর মত জনপ্রিয় প্রোডাক্ট কালেকশনে রয়েছে। আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোন পণ্য আপনি বেছে নিতে পারেন।

ডুয়েল পোর্ট পাওয়ার ব্যাংক টিপি লিংকের আরও একটি উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তি পণ্য। যেকোন স্মার্টফোন চার্জ করার জন্য পাওয়ার ব্যাংক বেশ উপযোগী। টিপি লিংকের ওয়্যারলেস এডাপ্টার দিয়ে আপনি আপনার পিসিকে হাই স্পিড ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করতে পারবেন। ওয়্যারলেস এডাপ্টার দিয়ে সহজেই এইচডি ভিডিও স্ট্রিমিং, অনলাইন গেমিং সহ দ্রুত ফাইল শেয়ার করতে পারবেন।

টিপি লিংকের সবগুলো এক্সেসরিজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকমে পাওয়া যাচ্ছে। দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে আজকেরডিলের পণ্য কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*টিপিলিংক* *রাউটার* *এডাপ্টার* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান বিশ্বের স্মার্টফোন প্রস্তুকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে হুয়াওয়ে বড় স্থান দখল করে নিয়েছে। চীনা বহুজাতিক নেটওয়ার্কিং এবং টেলিকমিউনিকেশন উপকরন প্রস্তুতকারী ও সেবা প্রদাণকারী এই প্রতিষ্ঠানটির প্রযুক্তিপণ্য গুলো বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে। ১৯৮৭ সালের পর থেকে ক্রমান্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি ক্রেতা ও গ্রাহকদের জনপ্রিয়তা লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে তাকলাগানো সব স্মার্টফোন তৈরী করে এটি বাংলাদেশের গ্রাহকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে।

টানা ৩ বছর ধরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া জনপ্রিয় মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের নতুন মডেলের সবগুলো স্মার্টফোন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলে পাওয়া যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় চলার ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যাটারিও রয়েছে সেটগুলোতে। হুয়াওয়ের মোবাইল সেট গুলোর পারফরমেন্স ও বেশ ভাল।

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানটি ট্যাবলেট ও অন্যান্য প্রযুক্তি পণ্য তৈরী করে যেগুলোর রিভিউও বেশ ভালো। আজকেরডিল ডটকম সারাদেশে অনলাইনের মাধ্যমে হুয়াওয়ে ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য রিজনেবল প্রাইসে বিক্রি করছে। আপনি ঘরে বসেই হুয়াওয়ের সবপণ্য আজকেরডিল থেকে কিনতে পারবেন।

স্মার্টফোন ব্যবহারে নতুন এক্সপেরিয়েন্স পেতে হুয়াওয়ের স্মার্টফোনের বিকল্প নেই। এসেন্ড , অনার ও ম্যাটসহ বিভিন্ন সিরিজের ফোন রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটির। আপনার পছন্দমত যেকোন ফোন আপনি অনলাইন থেকে কিনে নিতে পারবেন। হুয়াওয়ের ফোনগুলোর এক্সেপেরিয়েন্স খুব ভালো। ছবি উঠানো, সেলফি তোলা, গেম খেলা ও ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের সব কাজ আপনি স্বাচ্ছন্দ্যে করতে পারবেন। লার্জেস্ট টাসস্ক্রিণ প্রযুক্তির এই ফোনগুলোতে লেটেস্ট অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে। হুয়াওয়ের কিছু কিছু সেট দিয়ে আপনি ডিএসএলারের মত ছবি উঠাতে পারবেন। তাছাড়াও সবগুলো সেটের ইমেজ রেজ্যুলেশন ও ছবির কোয়ালিটি দেখলে আপনার চোখ জুড়িয়ে যাবে।

স্মার্টফোন ছাড়াও হুয়াওয়ের সিম সাপোর্টেড ডেস্ক ফোন আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের বাজারে হুয়াওয়ের চার্জিং এডাপ্টার, ডাটা ক্যাবল, আল্ট্রা প্রোটেবল ব্লু-ট্রুথ স্পিকার অ্যাভেইলেবল। আজকেরডিলেও সবগুলো পণ্য রয়েয়ে যেগুলোর সাথে ক্রেতারা কোম্পানি প্রদত্ত ওয়ারেন্টি সুবিধাও পাবে।

হুয়াওয়ে ব্র্যান্ডের অরিজিনাল প্রোডাক্টগুলো কিনতে আপনি ভরসা রাখতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের উপর। কোন রকম বিড়ম্বনা ছাড়াই দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে ঘরে বসে হুয়াওয়ের লেটেস্ট প্রোডাক্ট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*হুয়াওয়ে* *হুয়াই* *হুয়াওয়েস্মার্টফোন* *হুয়াইয়ে* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্যারিসের বিশ্ববিখ্যাত কসমেটিক্স কোম্পানী লরিয়েল এর অন্যতম ব্র্যান্ড গার্নিয়ার। গার্নিয়ার গণমানুষের প্রশাধণী হিসেবে বিশ্বব্যাপী বেশ পরিচিত। চুল ও ত্বকের যত্নে বিভিন্ন রকমের অত্যাধুনিক  প্রোডাক্ট সব শ্রেণীর মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও গার্নিয়ারের প্রোডাক্টের বেশ চাহিদা রয়েছে। গার্নিয়ারের সব ধরনের ব্র্যান্ডেড পণ্য এখন অনলাইনেও হাতের কাছে পাওয়া যাচ্ছে। ঘরে বসেই আজকেরডিল.কম এর ওয়েবসাইটে গিয়ে গার্নিয়ার ব্র্যান্ডের সব প্রোডাক্ট কিনে নিতে পারবেন।

গার্নিয়ারের পণ্যসমূহঃ


গার্নিয়ারের অনেক নামিদামি পণ্য আমাদের দেশে পাওয়া যাচ্ছে। গার্নিয়ারের রয়েছে হেয়ার কেয়ার শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার যেটা ছেলে মেয়ে উভয়ের ব্যবহারে জন্যই বেশ উপযোগী। গার্নিয়ারের বিভিন্ন ফ্লেভারের শ্যাম্পু রয়েছে যার মধ্যে আলটিমেট ব্লেন্ড ও গার্নিয়ার ফুট্রিস রিস্টোরিং শ্যাম্পু বেশ জনপ্রিয়। চুল ভাঙ্গা, অনুজ্জ্বলতা, শুষ্কতা, চুল পড়া, এবং রুক্ষতা সমস্যার সমাধানে গার্নিয়ার শ্যাম্পু অত্যন্ত কার্যকরী। পেটেন্টেড সিরামাইড, কেসনিক পলিমার এবং এমিনো এসিডের সমন্বয়ে তৈরী এই শ্যাম্পু চুলে পুষ্টি বাড়িয়ে চুলের ভাঙ্গন রোধ করে এবং চুলকে করে আরো শক্তিশালী।

  

চুলের যত্নে তাদের রয়েছে বেষ্ট কন্ডিশনার কালেকশন। এছাড়াও গার্নিয়ারের হেয়ার কালার রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে আপনি বাড়িতে বসেও আপনার চুলে কালার করতে পারবেন।

স্কিন কেয়ার পণ্যগুলোর মধ্যে ক্লিনজিং ওয়াটার, বডি লোশন, ফেস ওয়াশ, ফেস স্ক্রাব, সান ব্লক ক্রিম, বিবি ক্রিম এবং ডে ও নাইট কেয়ার ক্রিম অন্যতম। এই পণ্যগুলো অনলাইনে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটেও পাওয়া যাচ্ছে। গার্নিয়ারের কোয়ালিটি পণ্যগুলো আপনার পছন্দ অনুযায়ী সঠিক দামে কিনতে আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে ক্লিক করুন

*গার্নিয়ার* *গার্নিয়ারেরপণ্য* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এডাটা তাইওয়ান ভিত্তিক একটি মেমোরি এবং কম্পিউটার ডাটা স্টোরেজ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। এডাটা টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেড ২০০১ সাল থেকে ডিআরএএম মডিউলস, ইউএসবি ড্রাইভ,ইউএসবি,হার্ড ড্রাইভ, পেনড্রাইভ, মেমোরি কার্ড ও পাওয়ার ব্যাংক এর মত প্রযুক্তি পণ্য তৈরী করে আসছে। বাংলাদেশের বাজারেও এডাটা ব্র্যান্ডের আকর্ষণীয় এই পণ্যগুলো পাওয়া যাচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকমে। আগ্রহীরা ঘরে বসেই আজকেরডিল ডটকম থেকে অর্ডার করে এডাটার পণ্য কিনতে পারবেন।

 এডাটা পণ্যের ব্যবহার:

এডাটার এক্সটার্নাল পোর্টেবল হার্ড ড্রাইভ দিয়ে আপনি আপনার স্টোরেজ বাড়িয়ে নিতে পারবেন। আপনার ল্যাপটপ ও কম্পিউটারের ডাটাগুরেো নিরাপদ রাখতে এবং বড় সংগ্রহ গড়েতে এটি বেশে কার্যকরী। এডাটার এলইডি লাইট বাজারে রয়েছে যেগুলো যেকান বৈদ্যুতিক ডিসকানেকশনের সময় ব্যবহার করতে পারবেন। পড়া এবং লেখালেখির কাজ এটির মাধ্যমে সহজেই সারা যায়। এডাটার রয়েছে ড্রাম মডিউলস যেটির সাহাযে্য আপনি আপনার ডেক্সটপ ও ল্যাপটপের মেমোরি এক্সপান্ড করতে পারবেন।

এডাটার রয়েছে অত্যাধুনিক পাওয়ার ব্যাংক যেটির সাহায্যে আপনি যেকোন জায়গায় যেকোন সময়ে মোবাইল চার্জ করতে পারবেন। যখন আপনি দূরে কোথাও ভ্রমনে যাবেন তখন এই পাওয়ার ব্যাংক আপনার বিশ্বস্থ সঙ্গী হিসেবে কাজ করবে। এডাটা ব্র্যান্ডের ওটিজি পেনড্রাইভ রয়েছে যেটি আপনি আপনার স্মার্টফোনে ব্যবহার করতে পারবেন। ওটিজি পেনড্রাইভের সাহায্যে আপনি দ্রুত ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এগুলো ছাড়াও স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, ই-রিডার ও ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য এডাটার মাইক্রো এসডি কার্ড পাওয়া যায়। এগুলোর সাহায্যে আপনি হাই স্পিডে ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবেন।

 এডাটার সব ধরনের পণ্য কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলের ওয়েবসাইটে। সঠিক দামে বেষ্ট প্রোডাক্টটি ঘরে বসেই অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

*এডাটা* *প্রযুক্তিপণ্য* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আই লাইফ যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। কমদামে গ্রাহকদের কাছে উন্নতমানের প্রযুক্তি পণ্য পৌঁছে দেবার জন্য প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে। এর পণ্য গুলো যেমন ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট পিসি ইত্যাদি বাংলাদেশ সহ বিশ্বের ৭০টি দেশে পাওয়া যাচ্ছে। আই লাইফের প্রযুক্তি পণ্য গুলোর মধ্যে বাংলাদেশীদের নজর কেড়েছে জেডবুক ও জেড এয়ার ল্যাপটপ। কমদামে আকর্ষণীয় এই ল্যাপটপ গুলো দেশের প্রযুক্তি প্রেমীদের খুব ভালোভাবেই আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে।

মানুষের স্বাদ ও সাদ্ধের কথা মাথায় রেখে, এই প্রথম বাংলাদেশের বাজারে আই লাইফের সুপার আলট্রা স্লিম ল্যাপটপ অনলাইনে বিক্রি করছে দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকম। আগ্রহীরা ঘরে বসেই আজকেরডিল ডটকম থেকে অর্ডার করে আই লাইফের পণ্য কিনতে পারবেন। আশাকরি, আই লাইফের পণ্য আপনার অফিস ও পার্সোনাল কাজ গুলোকে সহজ ও গতিময় করবে। চলুন আই লাইফের কয়েকটি পণ্য দেখে নেই:

আই লাইফ জেড এয়ার মিনি ল্যাপটপঃ


জেড এয়ার মিনি নামের এই ল্যাপটপ আমদানী করা হয়েছে দুবাই থেকে।এতে রয়েছে ১০.৬ ইঞ্চির ডিসপ্লে, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ১০। সঙ্গে আছে ২ জিবি র‍্যাম, ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ।ল্যাপটপটির ওজন ৯০০ গ্রাম। এটি সিলভার, গ্রে ও পিঙ্ক রঙে পাওয়া যাচ্ছে।ল্যাপটপটিতে ১ বছরের ওয়ারেন্টি রয়েছে। আজকেরডিলে এটির দাম মাত্র ১২ হাজার ৯৯৯ টাকা।

জেড এয়ার প্রোঃ


১২.৫ ইঞ্চি এইচডি ডিসপ্লে’র এই ল্যাপটপে সকাল ধরনের কাজ করা যাবে। এতে রয়েছে ৮ হাজার এমএএইচ ব্যাটারি, যার মাধ্যমে টানা ৮ ঘণ্টা ল্যাপটপটি চালানো যাবে। এতে রয়েছে ২ জিবি র‌্যাম, ৩২ জিবি এসএসডি স্টোরেজ যা ১২৮ জিবি পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। ল্যাপটপটিতে রয়েছে ২টি ইউএসবি পোর্ট টু, এইচডিএমআই ও মাইক্রো এসডি কার্ড পোর্ট। এতে এক্সটারনাল হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ ব্যবহার করা যাবে। ল্যাপটপটি পাওয়া যাচ্ছে গ্রে, সিলভার ও গোল্ডেন রংয়ে। শিক্ষার্থীর পাশাপাশি অফিস এবং ব্যক্তিগত কাজেও স্বাচ্ছন্দ্যে ডিভাইসটি ব্যবহার করা যাবে।

বন্ধুরা, I-Life Technology Inc এর পণ্য ঘরে বসেই আপনি আজকেরডিল থেকে কিনে নিতে পারবেন। আজকেরডিল থেকে অনলাইন কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*আইলাইফ* *জেডএয়ারল্যাপটপ* *জেডবুক* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রযক্তি বাজারে এখন সবচেয়ে বেশি ভীড় স্মার্টফোনের শো রুমে। যুগের সাথে তালমিলেয়ে সবাই যে যার মত পছন্দের ব্র্যান্ডের সেরা স্মার্টফোনটি খুঁজে নিচ্ছে। প্রযুক্তির এই যুগে স্মার্টনেস ধরে রাখতে চাই নতুন নতুন সব স্মার্ট ফোন। অনেকই হয়তবা কোন স্মার্টফোনটি কিনবেন সেটা ভাবছেন? আর যারা কিনবেন না তারা না কিনলেও, জেনে রাখতে দোষ কি?

স্মার্টফোনের চাহিদা আর ব্যবহার দিন দিন বেড়ে যাওয়ার করণেই দেশের সবেচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল নিয়ে এসেছে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বেস্ট স্মার্টফোনের এর সেরা সব কালেকশন। আইফোন, স্যামসাং, হুওয়াই, এইচটিসি, শাওমি, ওয়ালটন, অপ্পো, এলজিসহ সব ধরনের স্মার্টফোনের আপডেটেড কালেকশন রয়েছে আজকেরডিলে। এই ফোনগুলো আপনারা কিস্তিতেও কিনতে পারবেন তাও আবার ০% সুদে। টাকা পরিশোধ করতে পারবেন ৩ অথবা ৬ মাসের কিস্তিতে।

স্টাইলিশ ও আপডেটেড স্মার্টফোনের কালেকশনগুলো দেখতে আজেরডিলের স্মার্টফোনের এই পেজটিতে ক্লিক করুন।

আসুস:


 
স্মার্টফোনের বাজারে জনপ্রিয় একটি ব্র্যান্ডের নাম আসুস। আসুসের আকর্ষণীয় ডিজাইনের নতুন নতুন সব মডেল আর আলাদা ফিচার ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি কাড়তে সক্ষম হয়েছে। আসুসের ফোনগুলি দেখতে যেমন স্মার্ট কাজেও সেরকম স্মার্ট। ক্যামেরাও খুব ভাল। বাংলাদেশের বাজারে তাদের বিভিন্ন শোরুম গুলোতে ফোন কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া অনলাইনেও এটি কিনতে পারবেন। অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

শাওমিঃ

 

প্রতিযোগিতার এই যুগে আকর্ষণীয় সব স্মার্টফোন ও মোবাইল এক্সেসরিজ তৈরী করে গ্রাহকদের মনযোগ ধরে রেখেছে শাওমি ( xiaomi-mobile ) । বলে রাখা ভাল, শাওমি হচ্ছে একটি প্রাইভেট চীনা ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি। এটি বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা। শাওমি স্মার্টফোন, মোবাইল অ্যাপস এর পাশাপাশি ভালো মানের বিভিন্ন ধরনের মোবাইল এক্সেসরিজ তৈরী করে থাকে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ব্যাপক আকারে বিশ্বখ্যাত এই ব্রান্ডের স্মার্টফোন গুলি অনলাইনে বিক্রি করছে। কিনতে ক্লিক করুন

আইফোনঃ

 

আইফোন অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড দ্বারা নির্মিত একটি আধুনিক ইন্টারনেট ও মাল্টিমিডিয়া সংযুক্ত স্মার্টফোন। অ্যাপলের সাবেক সিইও স্টিভ জবস এর প্রতিষ্ঠান এটি। বর্তমান বিশ্বে টেকসই স্মার্টফোন তৈরী করে গ্রাহকদের আস্থা তৈরী করেছে আইফোন। গত ২০০৭ সালে যাত্রা শরু করার পর ৯-১০ বছরের মধ্যেই পুরো বিশ্বের স্মার্টফোন প্রেমীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে আইফোন। ক্রেতাপ্রিয় টেকসই আইফোন আপনারা ঘরে বসেই কিনতে পারবেন আজকেরডিল এর মাধ্যমে। কিনতে ক্লিক করুন

এইচটিসিঃ

 

বাংলাদেশের বাজারে তাইওয়ানভিত্তিক প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এইচটিসি দারুন দারুন সব স্মার্ট ফোন নিয়ে এসেছে। শুরুতে এইচটিসির ছয়টি মডেলের স্মার্টফোন বাজারে ছাড়া হয়েছে। স্মার্টফোনগুলো হচ্ছে ওয়ান এম৮ আই, ডিজায়ার ৮২০এস, ডিজায়ার ৬২৬জি প্লাস, ডিজায়ার ৬২০ জি, ডিজায়ার ৫২৬জি প্লাস এবং ডিজায়ার ৩২৬জি। এদের ফোন গুলো বেশ ভাল এবং দামও তুলনামূলক ভাবে সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে। আপনার বাজারে তাদের শোরুম এবং অনলাইন থেকেও এইচটিসি ফোন কিনতে পারবেন। অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

অপপো:

 

স্মার্টফোনেরবাজার ক্রমাগত ওজনে হালকা ও পাতলা ফোন তৈরির প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়। আরএক্ষেত্রে সবসময়ই এগিয়ে আছে চীনের মোবাইলফোন নির্মাতা কোম্পানিগুলো। আর সবচেয়ে পাতলা স্মার্টফোন তৈরি করে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছে আরেকচীনা কোম্পানি অপপো। অপপোর ফোনগুলি দেখতে যেমন স্মার্ট কাজেও সেরকম স্মার্ট। অপপোর ক্যামেরা খুবই ভাল। বর্তমানে অপপো ক্যামেরা ফোন হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বাংলাদেশের বাজারে তাদের বিভিন্ন শোরুম গুলোতে ফোন কিনতে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া অনলাইনেও এটি কিনতে পারবেন কিনতে চাইলে ক্লিক করুন oppo mobile এই লিংকে। 

 

লাভাঃ

ভারতের মোবাইল ফোন সেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান লাভা কমদামে দারুনসব স্মার্টফোন তৈরী করেছে। নিত্যনতুন প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে তারা প্রতিনিয়ত তাদের স্মার্টফোনে নিয়ে এসেছে নানা সব পরিবর্তন। আকর্ষণীয় ডিজাইনের লাভা সেটগুলো ঘরে বসেই কিনতে পারবেন অনলাইন থেকে।

উপরের স্মার্টফোনগুলো ছাড়াও বর্তমানে দেশের বাজারে বেশি বিক্রি হচ্ছে আমাদের দেশীয়পন্য ওয়ালটন সহ , এলজি , হুয়া্ই, ফ্লাই টরন্ডো, মিজু ফোন। বিশ্বস্থতার সাথে সবধরনের স্মার্টফোন ঘরে বসে অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্মার্টফোন* *মোবাইলফোন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রাজধানী সহ সারা দেশেই চিকনগুনিয়ার আতঙ্ক। এই আতঙ্ক কোন ভাবে যেন থামছেই না। এই টেনশনে থাপড়িয়ে মশা মারতে মারতে সারা রাত যাদের ঘুম হয় না তাদের জন্য সুখবর! এখন আর থাপড়িয়ে মশা মারা লাগবেনা, মশা এখন নিজের টানেই মরবে। মশা মারার সেরকম সব আজব যন্ত্রের সাথে আজ পরিচয় করিয়ে দেব। অনেকেই হয়তবা এগুলো সম্পর্কে জানেন বা অলরেডি ব্যবহার করে ফেলেছেন। তবে যারা জানেন না তারা এই মজার যন্ত্র ও ডিভাইসগুলো সম্পর্কে জেনে নিন।

ইলেকট্রিক ব্যাটঃ


ছবিতে দেখে বুঝতেই পারছেন এটার আকৃতি ব্যাটমিন্টন বা টেনিস ব্যাট এর মতন। এটা দিয়ে আনন্দের সাথে মশা মারা যায়। এটাতে কয়েকটি সুইচ আছে যেটা দিয়ে অন করার পর। অন্য আর একটি সুইচ চেপে ধরতে হবে। তখন একটি লাল লাইট জ্বলবে। তখন বুঝতে হবে আপনার যন্ত্রটি মশা মারা জন্যে প্রস্তুত। এখন আপনাকে সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে হবে। ঠিক যেমনটি ব্যাটমিন্টন বা টেনিস খেলার সময় যে ভাবে ব্যাট দিয়ে নিয়ন্ত্রন করেন বা বাড়ি দেন ঠিক সেই ভাবে। মশা টা কে মনে করবেন ব্যাটমিন্টনের কর্ক বা টেনিস এর বল।

ইলেকট্রিক শক মস্কুইটো ট্র্যাপঃ


এই ইলেকট্রিক ডিভাইসটি আপনাকে মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে। এর কার্যকর ফটো-ক্যাটালিক অক্সিডেশন টেকনোলজি মশাকে আকর্ষণ করে মেরে ফেলে। ঘর, অফিস, বাগান বা ছাদে ৭০ স্কয়ার মিটার পর্যন্ত কাজ করবে। মাটি থেকে কমপক্ষে ০১ মিটার উপরে যে কোন 220v লাইনে ট্র্যাপটি সংযুক্ত করুন।

এন্টি মসকুইটো কিলার ল্যাম্পঃ


ইলেকট্রনিক মসকুইটো কিলার এর সাহায্যে এখন মশার হাত থেকে বাঁচুন। মশা ছাড়াও অন্যান্য পোকামাকড় ধ্বংস করে। কোনো রাসায়নিক, ধোঁয়া বা গন্ধ নেই; তাই মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। একটি শক্তিশালী আলোর সাহায্যে পতঙ্গকে আকৃষ্ট করে এবং ইলেক্ট্রিক ওয়েভ দিয়ে ধ্বংস করে দেয়।

LED মাশরুম শেপড মস্কুইটো কিলিং ল্যাম্পঃ


এলিডি মাশরুম শেপড মস্কুইটো কিলিং ল্যাম্পটি ৩০০মিটার ব্যাসার্ধ পর্যন্ত মশাদের ফাঁদ তৈরি করে মশা মারতে সক্ষম। এটি সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত এবং কোন প্রকার রাসায়নিক ওষুধ বা ক্যামিকেল ছাড়া এটা কাজ করে। মশা মারা ছাড়াও নাইট-ল্যাম্প বা ডেকোরেশন ল্যাম্প হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন।

মসকুইটো কিলিং ল্যাম্পঃ


ইলেকট্রনিক মসকুইটো কিলার এর সাহায্যে এখন মশার হাত থেকে বাঁচুন। মশা ছাড়াও অন্যান্য পোকামাকড় ধ্বংস করে। কোনো রাসায়নিক, ধোঁয়া বা গন্ধ নেই; তাই মানব শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। এটি শক্তিশালী আলোর সাহায্যে পতঙ্গকে আকৃষ্ট করে এবং ইলেক্ট্রিক ওয়েভ দিয়ে ধ্বংস করে দেয়। ঘরের বৈদ্যুতিক AC লাইনের মাধ্যমে চলে।

এন্টি মসকুইটো রিস্ট ব্যান্ডঃ


এন্টি মসকুইটো রিস্ট ব্যান্ড মশা থেকে আপনাকে রাখবে নিরাপদ। অ্যাডজাস্টেবল বিভিন্ন ধরনের সাইজ রয়েছে কিডস এন্ড এডাল্ট উভয়ে এটি ব্যবহার করতে পারবে। ক্লাইম্বিং, ক্যাম্পিং, হাইকিং অথবা ফিশিং-এর সময় হাতে অথবা গোড়ালিতে পড়তে পারবেন। এক মাস পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন। এই রিস্ট ব্যান্ডটির কোন ধরনের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই।

মশা মারার আজব এই ইলেকট্রিক যন্ত্রগুলো ঘরে বসেই কিনতে পারবেন। এজন্য ঢুঁ মারতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকমে। সরাসরি পোড্রাক্টগুলো কিনতে ও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

*মশা* *মশামারারযন্ত্র* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

চলতি ফ্যাশনের সাথে খাপ খাইয়ে নিজেকে কিভাবে মানিয়ে তুলবেন সেদিকেই নজর সবার। তাইতো এখন পোশাকে সেই ভানার ভাব প্রকাশ পাচ্ছে, বিশেষকরে, ছেলেদের প্যান্টে নতুনত্বের ছাপ। এই গরমে ফ্যাশন প্রিয় ছেলেরা জিন্স ও ফর্মাল প্যান্টগুলোকে বাদ দিয়ে বেছে নিচ্ছে কার্গো শর্টস প্যান্ট। ফর্মাল কোন আয়োজনে নয় বিকেলে ঘুরতে অথবা বাড়িতে পড়ার জন্য কার্গেো ও শর্টস প্যান্ট ব্যবহৃত হচ্ছে। 

আরামদায়ক হওয়ায় গরমে কার্গো ও শর্টসের প্রতি তরুণদের আগ্রহ বাড়তে শুরু করেছে। ক্যাজুয়াল পোশাক হিসেবে গরমে কার্গো জনপ্রিয় হয়ে ওঠায় বর্তমানে কাপড়ের পাশাপাশি থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের ডিজাইনেও ভিন্নতা আনা হচ্ছে। ছোট থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবার জন্যই রয়েছে কার্গো ও শর্টসের নানা ডিজাইন।

বৈচিত্র্যে কার্গো ও শর্টসঃ


প্যান্টে বর্তমানে বেশ বৈচিত্র্য এসেছে। থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের সামনের দিকে কোনোটিতে দুপাশে দুটি পকেট রয়েছে, কোনোটিতে চারটি। কোনোটিতে আবার পেছনেও পকেট রয়েছে। কার্গো প্যান্টগুলোতেও থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের মত পকেট রয়েছে। প্যান্ট ভেদে কোন কোন টিতে চারটির অধিক পকেটও রয়েছে। বর্তমান বাজারে পকেট ছাড়াও কিছু প্যান্ট রয়েছে যে প্যান্টগুলোও অনেকেই পছন্দ করছেন।

শর্টস প্যান্টের কোমরে বোতাম, ইলাস্টিক কিংবা ফিতাও ব্যবহার হয়ে থাকে। বর্তমানে থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টের পকেটে চেইন বা বোতামের ব্যবহারে নতুনত্ব এসেছে। বৈচিত্র্য আনতে শর্টস প্যান্টের মধ্যেও এখন অনেক নতুনত্ব এসেছে। নিচের দিকে এক ইঞ্চি পরিমাণ জায়গাজুড়ে কোনোটায় লাগানো হচ্ছে অন্য রঙের কাপড়। তার সঙ্গে মিলিয়ে দুপাশের পকেটের কোনায় অল্প করে সেই রঙ জুড়ে দিয়ে আনা হচ্ছে বৈচিত্র্য। একটু সেমি ফিটিং শর্টসই এ সময় বেশি চলছে।

এখন জিন্স কাপড় অনেকটা পাতলা করে বানানো হচ্ছে থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট। সুতি কাপড়ের থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট এবং গ্যাবার্ডিনের কাপড়ের হালকা ধরনের মাল্টিপারপাস পকেটওয়ালা মোবাইল থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টগুলোও গরমে বেশ আরামদায়ক। আমরা অর্গানিক কটন ব্যবহার করেও থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট বানাচ্ছি, যা শীত-গরম সব সময়ই আরামদায়ক। নানা ধরনের কাপড়ের থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট রয়েছে বাজারে। এর মধ্যে সুতি ও জিন্স কাপড়ের থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টই এখন বেশি চলছে। এর পাশাপাশি গেঞ্জি, গ্যাবার্ডিন কাপড়ের শর্টস প্যান্ট পরতে পারেন। গেঞ্জি কাপড়ের শর্টস প্যান্টগুলো ঘরে পরার জন্য আরামদায়ক এবং মানানসই।

অনেক ভাই আছে যারা এধরনের প্যান্ট পছন্দ করেন। আপনি যদি তাদের মধ্যে পড়েন তাহলে আপনাকেই বলছি, দেরি কেন ভাইয়া? স্টক শেষ হবার আগেই আপনার পছন্দের প্যান্টটি কিনে নিন আজকেরডিল থেকে। ঘরে বসেই দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল থেকে কার্গো ও শর্টস প্যান্ট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*কার্গো* *শটর্স* *প্যান্ট* *গরমেরফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

রোদ বৃষ্টির এধরনের আবহাওয়ায় নিজেকে সতেজ রাখাটা একটু কষ্টকর। তার পরেও রোদ-বৃষ্টির আবহাওয়াতে নিজেকে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে একটু চেষ্টা করতে দোষ কি! কর্মব্যস্থ জীবনে বৃষ্টিতে উদাস হয়ে ভেজা কিংবা রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে রোদ উপভোগ করার ফুসরত করোই নেই। এ জন্য বৃষ্টি ও রোদের হাত থেকে বাঁচতে ব্যাগে সবসময ছাতা থাকা চাই-ই চাই। যাদের কালেকশনে ছাতা নেই বা যারা মোটরবাইকার তারা সঙ্গে রাখতে পারেন আকর্ষণীয় রেইনকোট। এই দুই অনুসঙ্গই আপনাকে বর্ষার আবহাওয়াতে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখতে পারে।

বৃষ্টিতে আপনাকে সুন্দর ও প্রাণবন্ত রাখবে ছাতা ও রেইনকোট:

ছাতা এবং রেইনকোটেএই বর্ষায় আপনার অন্যতম অনুসঙ্গ হতে পারে। বাজারে দেশী-বিদেশী বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের ছাতা পাওয়া যায়। লম্বা ডাঁটওয়ালা ছাড়াও ফোল্ডিং ছাতা বাজারে পাওয়া যায়। দুই ও তিন ভাঁজের ফোল্ডিং ছাতা বাজারে রয়েছে।

আকৃতিতে ছোট, সহজে বহনযোগ্য আর বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের হওয়ায় এ ছাতাগুলোর চাহিদা বেশি। এছাড়াও আকারে ছোট হওয়ার কারণে ‘থ্রি ফোল্ড’য়ের ছাতার চাহিদাই বেশি। বিশেষ করে মহিলা ক্রেতাদের মধ্যে এই ছাতগুলোর চাহিদা বেশি। মানভেদে ছাতাগুলোর দাম পড়বে আড়াইশ থেকে এক হাজার টাকা।


রেইনকোট বর্ষার অন্যতম সঙ্গী। বৃষ্টি থেকে রক্ষা ও সাথে সাথে ফ্যাশনটা বজায় রাখতে রেইনকোটের জুড়ি মেলা ভার। বাজারে সিঙ্গেল ও ডাবল দুই ধরনের লেয়ারের রেইনকোট পাওয়া যায়। তবে সিঙ্গেল লেয়ারের চেয়ে ডাবল লেয়ারের রেইকোট ভাল। বাজারে ভালো মানের বর্ষাতির মধ্যে আছে ডার্বিসুপার, কমফোর্ট, ফেদার, ব্রিদেবল, রেড চ্যাম্পিয়ন ইত্যাদি। আবার দেশি পলিয়েস্টার, ওয়াটারপ্রুফ, ফিলিপস, প্যারাসুট, বিগবসও রয়েছে। তবে আমাদের ছেলেরা সাধারণত ক্লাসিক, অ্যাটলাস, হোন্ডা ও প্লেবয় ব্র্যান্ডের রেইনকোট গুলিই বেশি পরে।


রাস্তাঘাটে অনেক স্থানেই ছাতা ও রেইনকোট পাওয়া যায় তবে আপনি ঘরে বসে ভালমানের রেইনকোট পেয়ে যেতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিল ডটকমে। ঘরে বসে ভাল মানের ছাতা ও রেইনকোট কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ছাতা* *রেইনকোট* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে কার্যকরী একটি গেমিং টুলসের নাম ফিজেট স্পিনার (Fidget Spinner)। এটা নিয়ে কৌতুহলী মানুষের কৌতুহলের শেষ নেই। এটার কাজ কি আর কেনই বা কিনবেন তা নিয়ে ভাবনা সবার! চলুন আলোচিত এই ফিজেট স্পিনার সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।



ফিজেট স্পিনার হলো স্ট্রেস কমানো এবং মনঃসংযোগ বাড়ানোর জন্য একপ্রকার খেলনা। মৌলিক ফিজেট স্পিনার একটি ব্রাস, স্টেইনলেস স্টীল, টাইটানিয়াম, তামা এবং প্লাস্টিক সহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে তৈরি একটি খেলনা। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বা মনস্তাত্ত্বিক চাপের জন্য মুক্তির প্রক্রিয়া হিসাবে অভিনয় করার মাধ্যমে ফোকাসিং বা বিচ্ছুরিত; যেমন- এডিএইচডি, অটিজম, বা উদ্বেগযুক্ত এমন সমস্যাগুলি থেকে মুক্তি পেতে অনেকে তা ব্যবহার করে থাকেন।

১৯৯০ সালের দিকে এটি আবিষ্কার করা হয়েছিল, তবে ২০১৭ সালে ফিজেট স্পিনারটি একটি জনপ্রিয় খেলনা হয়ে ওঠে।

ফিজেট স্পিনারের ব্যবহার:

১. মনঃসংযোগ বাড়ানোর জন্য ফিজেট স্পিনার ব্যবহার করা হয়।

২. মানসিক চাপ বা অস্তিরতা দূর করার জন্য ফিজেট স্পিনার একটি স্ট্রেস বাস্টার।

৩. কাজের চাপ সামলে মনকে স্থিতধী রাখার শক্তি এর থেকে পাওয়া যায় ফিজেট স্পিনার ব্যবহার করে।

৪. আইটি সেক্টরের কর্মী যারা কাজ করতে করতে চেয়ার থেকে উঠতে সুযোগ পান না, তাদের মনঃসংযোগ ধরে রাখার ক্ষেত্রে ফিজেট স্পিনার বেশ কাজ দিচ্ছে। কারণ এই টয় খেলার জন্য হাত আর চোখের দৃষ্টি খুব বেশি প্রয়োজন।

৫. অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের মনঃসংযোগ বাড়ানোর জন্যই এই স্পিনারের ব্যবহার করা হয়।

৬. যখন কোনও মনোবিদ প্রথমবার অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তারা সাড়া দিচ্ছে না। তাই প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়ার জন্য এই ধরনের টয় ব্যবহার করা হয়।

৭. যে সব শিশু আচমকা রেগে যায়, তাদের রাগ নিয়ন্ত্রণের একটা উপায় হিসেবে ফিজেট টয় ব্যবহার করা হয়।

৮. যাদের সেন্সর-ওরিয়েন্টেড সমস্যা থাকে, যেমন- চোখে পাওয়ারের সমস্যা নেই, কিন্তু ফোকাসের সমস্যা আছে, তাদের একাগ্রতা বাড়ানোর জন্য ফিজেট টয় ব্যবহার করা হয়।

৯. নখ খাওয়া, পা নাচানো প্রভৃতি বদভ্যাস ছাড়ানোর জন্য ফিজেট টয়ের ব্যবহার করা যায়।

সতর্কতা:

তবে অটিজম হোক বা এডিএইচডি, প্রতিটি শিশুর সমস্যা কিন্তু ভিন্ন ধরনের। তাই সমস্যা বুঝেই এই খেলনা ব্যবহারের পরামর্শ দেন মনোবিদরা।

কোথায় থেকে কিনবেন?


বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকেরডিলেই আকর্ষণীয় এই খেলনাটি পাওয়া যাচ্ছে। আপনি চাইলে ঘরে বসে অর্ডার করে পণ্যটি কিনতে পারবেন। দাম মাত্র ১৫০ টাকা থেকে শুরু। অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ফিজেট-স্পিনার* *খেলনা* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদে সবকিছুই নতুন চাই। পোশাক-আশাকের বাইরেও ঈদে ফ্যাশন বাড়িয়ে দেয় ছোট খাট প্রয়োজনীয় সব অনুসঙ্গ। ফ্যাশনের গণ্ডি এখন পোশাক-আশাক ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে হাতের ব্রেসলেট, চোখের চশমা, গলার বিশেষ মালা, এমনকি পকেটের মানিব্যাগ পর্যন্ত। বিশেষ করে মানিব্যাগের ফ্যাশন বর্তমান সময়ে জমে উঠেছে দারুণভাবে। তাছাড়া ঈদে নতুন টাকা নতুন মানিব্যাগ ভাবই আলাদা। মানিব্যাগের ফ্যাশনে মজেনি এমন তরুণ-তরুণী এখন খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। এখন আর শুধু টাকা রাখার জন্যই মানিব্যাগ ব্যবহার করা হয় না। সুন্দর ও আধুনিক একটি মানিব্যাগ ব্যক্তিকে যেমন ফ্যাশনেবল করে তোলে, তেমনি প্রকাশ করে মর্যাদাপূর্ণ আভিজাত্য। সেই সঙ্গে সহজে বহনযোগ্য মানিব্যাগে টাকা-পয়সা নিরাপদ তো থাকেই, সঙ্গে রাখা যায় প্রয়োজনীয় ভিজিটিং এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডও।

তরুণ কিংবা বয়স্ক সবাইকে এখন নানা প্রকৃতির মানিব্যাগ ব্যবহার করতে দেখা যায়। মানিব্যাগগুলোর মডেল নির্ধারিত হয় ডিজাইন, রঙ ও কাঁচামালের ভিন্নতায়। বেশির ভাগ মানিব্যাগ তৈরি হয় চামড়া দিয়ে। সেই সঙ্গে রেকসিনের সুনিপুণ ব্যবহারও থাকে। বাজারে আরও পাওয়া যায় বিভিন্ন প্রাণীর চামড়া, আর্টিফিশিয়াল লেদার ও খাঁটি চামড়ার মানিব্যাগ। এছাড়া কিছু মানিব্যাগে আজকাল নামি ব্র্যান্ডের ধাতব, বিভিন্ন লোগোও সংযুক্ত করতে দেখা যায়, যার মাধ্যমে মানিব্যাগগুলো দেখতে দৃষ্টিন্দন হয়ে ওঠে। সুন্দর ও আকর্ষণীয় মানিব্যাগ এখন অনেকটাই শিল্পের মতো।


ছেলে ও মেয়েদের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মডেলের মানিব্যাগ পাওয়া যায়। যেমন ছোট, মাঝারি, বড় ও লম্বাটে মানিব্যাগ। ব্র্যান্ডভেদে এগুলোর আকার আলাদা আলাদা। ছোট ব্যাগগুলো সাধারণত ছেলেরাই ব্যবহার করে। দুই স্তরবিশিষ্ট ব্যাগগুলোতে অল্প কাগজের নোট, ছবি ও ভিজিটিং কার্ড রাখা সুবিধাজনক।


তুলনামূলক অনেক চেম্বারবিশিষ্ট মানিব্যাগের প্রচলন বেশি। এটাকে বলা হয় ফোল্ডিং মানিব্যাগ। বাজারে ট্রাই ফোল্ডিং মানিব্যাগও আছে। আকারে খুব বড় না হলেও এগুলো তিনটি ভাঁজ করা যায়। মানুষের নানারকম চাহিদার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রঙের মানিব্যাগ দেখা যায়। সবচেয়ে জনপ্রিয় হল কালো ও কফি রঙেরগুলো। সেই সঙ্গে লালচে, গ্রে ও গাঢ় অফহোয়াইট রঙের মানিব্যাগও প্রচুর বিক্রি হয়। ছেলেদের মানিব্যাগ দুই-তিনটি রঙের হলেও মেয়েদের মানিব্যাগে রঙের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। ফলে বাজার ঘুরে দেখেশুনে বাছাই করে সুন্দর একটি মানিব্যাগ আজই কিনে ফেলুন। নান্দনিক ডিজাইনের অভিজাত মানিব্যাগে বাড়িয়ে নিন নিজের ব্যক্তিত্ব!

পাবেন কোথায় ও দরদাম :

ব্র্যান্ড ও নন-ব্র্যান্ড দুই রকম মানিব্যাগই পাওয়া যায় বাজারে। ব্র্যান্ডের মানিব্যাগের জন্য যে কোনো শপিংমলে যেতে পারেন। বড় ফ্যাশন হাউসগুলোও এখন নিজেদের সংগ্রহে মানিব্যাগ রাখছে। চাইলে সেখান থেকেও বেছে নিতে পারেন নিজের পছন্দের মানিব্যাগ। দেশী ব্র্যান্ডের মানিব্যাগগুলোর দাম পড়বে ৩০০ থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত। আর বিদেশী ব্র্যান্ডের মানিব্যাগের দাম পড়বে ৫০০ থেকে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত। অনলাইন প্লাটফর্ম থেকেও মানিব্যাগ কিনতে পারেন। অনলাইনে ঘরে বসে মানিব্যাগ কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*ওয়ালেট* *ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ঈদ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ পাঞ্জাবি হলেও বর্তমানে শার্টের আবেদন মোটেও কম নয়। ফ্যাশন, স্মার্টনেস আর ব্যক্তিত্ব সবকিছুই ফুটে ওঠে শার্টের মাধ্যমে।ছেলেদের ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো শার্ট। শার্টের ট্রেন্ডটা একটু দ্রুতই পরিবর্তিত হয়। লং শার্টের ফ্যাশনকে পেছনে ফেলে বর্তমান সময়ে শর্ট আর সেমি লং শার্টের প্রাধান্য বেড়েই চলেছে। হাল ফ্যাশনের কথা মাথায় রেখে ছেলেদের শার্টে প্রতিনিয়তই নতুনত্ব আনছে দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো। এই ঈদে গর্জিয়াস ও স্টাইলিশ শার্টগুলো পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। তাই পছন্দের শার্ট কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন অনলাইন শপিংমল কিংবা অফলাইন শোরুমে। চলুন এবারের ঈদ ফ্যাশনের কিছু গর্জিয়াস শার্টের কালেকশন দেখে নেই।


ঈদে গর্জিয়াস শার্ট:

ঈদ আসছে। জমে উঠছে শার্টের বাজার। এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে ঈদের প্রস্তুতি নিয়ে তোড়জোড়। ঈদের কেনাকাটার পরিকল্পনায় মেয়েদের চেয়ে পিছিয়ে নেই ছেলেরাও। ঈদ আয়োজনে প্রথমেই প্রাধান্য পায় মার্জিত রুচির ও সবার আবেদন আছে এমন একটি গর্জিয়াস শার্ট।


ছেলেদের ফ্যাশনে অন্যতম আবেদন এই শার্টকে ঘিরেই। ছেলেদের পোশাকের তালিকায় প্রথমেই আসে শার্টের ব্যাপারটি। তাই উৎসবের এ আনন্দে ছেলেদের শার্ট কেনা চাই-ই চাই। ছেলেদের ফ্যাশন, স্মার্টনেস আর ব্যক্তিত্বই বলুন, সবকিছুই ফুটে উঠে শার্টের মাধ্যমে। তাই পরনের শার্টটি হতে হবে সবচেয়ে আধুনিক ও ফ্যাশনেবল।


বাজারে আসা শার্টগুলো এক কালারের বা কনট্রাস্ট লাইট কালারের। শতভাগ দেশীয় কটন কাপড় দিয়ে তৈরি এসব শার্ট তরুণদের পছন্দের শীর্ষে। এবার ঈদে লাইট কালারের কিছুটা লুজ ফিটিং এবং একটু লং শার্ট বেশি চলবে বলে আশা করা যায়। তবে বডি ফিটিং শার্টগুলোর চাহিদাও কম নয় বলে জানান বিক্রেতারা।


এবারের ঈদে গরম ও বর্ষার কথা মাথায় রেখে সুতি শার্টের ওপর বেশি নজর দেওয়া হয়েছে। আর সে সঙ্গে ফ্যাশন সচেতন তরুণদের থাকছে স্ট্রাইপ, কালারফুল স্ট্রাইপ ও বিভিন্ন ধরনের চেক শার্টের সমাহার। ঈদে পাঞ্জাবির পর ছেলেদের পছন্দের তালিকায় থাকে একটা ভালো শার্ট কেনা। কেননা বছরের বেশিরভাগ সময়ই ছেলেদের সঙ্গী শার্ট। আর তাই শার্টের ব্যাপারে তাদের পছন্দ গর্জিয়াস ও স্টাইলিশ লুকের শার্ট বেশি কিনছে।


কোথায় যাওয়া যাবে

শার্ট পাওয়া যাবে শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট, মালিবাগ, মগবাজার রোডের বিভিন্ন শো-রুম, বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স, নিউমার্কেট, গ্লোব শপিং সেন্টার, মিরপুর-১০, এলিফ্যান্ট রোড এবং বিভিন্ন অভিজাত শপিং মলগুলোতে। একটু গর্জিয়াস শার্ট কিনতে আপনাকে খরচ করতে হবে ৫০০ থেকে ৫০০০ হাজার টাকা। উপরের শপিংমল গুলো ছাড়াও এই ঈদে ঘরে বসেই আপনি আপনার পছন্দের শার্ট কিনে নিতে পারবেন। এজন্য ঈদের কেনাকাটায় আস্থা রাখতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের উপর। তাদের কালেকশনে হাজারও শার্ট রয়েয়ে আপনি আপনাার পছন্দের শার্ট বেছে নিতে এখানে ক্লিক করুন

*ঈদফ্যাশন* *স্মার্টশপিং* *গর্জিয়াসশার্ট*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★