স্মৃতিকথা

স্মৃতিকথা নিয়ে কি ভাবছো?

অনি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সেহেরি খেয়ে অভ্যেশবশত যখন নিদ্রায় ডুব দেয়ার কথা তখন নিদ্রাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে মন চলে গেল স্মৃতি রোমন্থনে, স্পষ্ট মনে আছে, এখন ও রেল ষ্টেশনে পা রাখলে রেলিং এর কোন জায়গায় বসেছিলাম, আশা করি ঠিক বলতে পারবো। কেন সেদিন ফোন করেছিলে, আমি ও সাক্ষাতে সম্মত হলাম কারণ খুঁজে হয়তো বলতে পারবোনা, তবে একটা দিক ভালোই হয়েছিল, নিজের অবস্থান তোমাকে পরিষ্কার করেছিলাম প্রথম দিনই। সে থেকে শুরু বন্ধুত্বের পথচলা। সেদিনের পূর্বের এবং পরের সম্পর্কে যোগ হলো নতুন মাত্রা। চেনা-জানার পর্বটা খুব তাড়াতাড়িই শেষ হলো। এত দ্রুত সময়ে দুজনের কাছাকাছি আসাটা, একে অপরকে জানাটা খুব কমই হয়।

সময়ের স্রোতে তাল মিলিয়ে একদিন যোগাযোগের পথ ও বন্ধ হয়ে গেল। কারণ জানতে পারলাম তিন তিনটি মাস পর। অসুস্থতা, ব্যক্তিগত জীবনে ঝড় বয়ে যাওয়া, এসব মিলিয়ে চোখ, মুখের একি হাল! সাধারণ একটি জামা গায়ে জড়িয়ে যখন আচমকা দেখা করতে এলে, আশ্চর্য্য হলে ও মনের দোটনা কেটে গেল এবং তোমার চেহারায় বুঝাতে সক্ষম হলো, কতটুকু উৎকণ্ঠায় ছিলে আমার দেখা পাওয়ার জন্য! আমি ও কিন্তু মর্যাদা রেখেছিলাম কাছের দুজন বান্ধবী প্রথম বারের মতো বাসায় এসেছিল, তোমার ফোন পেয়ে তাদের বসিয়ে রেখে তোমাকে সময় দেয়ার জন্য বের হয়ে এত বেশি সময় নিয়েছিলাম, তারা বাসা থেকে চলেই গেল!

কোন এক পড়ন্ত বিকেলে অঝোরে বৃষ্টিধারায় রিক্সায় বসে তোমার দুখগুলু যখন শুনছিলাম, বাতাসের তোড়ে বৃষ্টির ঝাপটা চোখে-মুখে লেগে যখন জিহ্বায় লাগে নোনতা স্বাদ, তখন বুঝতে পারি চোখের লোনা জল আর বৃষ্টির পানি এক হয়ে একাকার! তোমার কি মনে পরে?

চাকুরী সুত্রে তুমি দূরে চলে গেলে একদিন, তা ও নিয়ম করে যোগাযোগটা আগের চেয়ে ও বেশি ছিল। কিন্তু কি হলো আবার তোমার হারিয়ে যাওয়া! এবার আর কোন কারণ খুঁজে পায়নি! আমি তোমাকে আমার সীমাবদ্ধতা জানিয়েছি, তুমি ও সেটা মেনে নিয়েছিলে, তাছাড়া তোমার দেখা স্বপ্নে, নিজের কথা বলে আচড় লাগাতে দেইনি, বরং দোটনায় পরবে ভেবে ভালোবাসার অরাধ্য সুপ্তবাসনা প্রকাশ করিনি।

লতা তুমি কেমন আছো? শুনেছি বিয়ে করেছো, বাচ্চা ও আছে! কোন একদিন ফোন করবে ভেবে, সময়ে-অসময়ে মোবাইল নাম্বার এখন ও বন্ধ রাখতে দ্বিধা করি! নিজের একান্ত সময়ে অজানা নাম্বার থেকে ফোন আসলে প্রথমেই মনে হয় এই বুঝি তুমিই ফোন করলে!!!!!!!!!!  

*স্মৃতিকথা*

সাদাত সাদ: মেয়েটি যে রাস্তা দিয়ে স্কুলে যেতো ঠিক সেই রাস্তার পাশেই দাড়িয়ে থাকতো ছেলেটা। প্রতিদিনই দুজনের দেখা হতো কিন্তু কথা হতো না। এভাবে দির্ঘ কয়েক মাস অতিবাহিত হবার পর হঠাৎ একদিন ছেলেটা হারিয়ে গেল। এখন মেয়েটি প্রায়ই রাস্তার পাশে তাকিয়ে থাকে ছেলেটা কে দেখার জন্য।

*ছোটগল্প* *গল্পকথা* *স্মৃতিকথা* *গল্পমালা* *অবিশ্বাস্যভালবাসা* *নাবলাকথা*

মেঘবালক: মুসলিম রেনেসাঁর বাঙ্গালী কবি ফররুখ আহমদ ১৯৭৪ সালের আজকের দিনে ৫৬ বছর বয়সে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। আজ কবির ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী। কবি ফররুখ আহমদের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি। . ”কবি ফররুখ আর ডেকে ডেকে বলবে না রাত পোহাবার কত দেরি? জেগে উঠো নতুন করে একুশ শতকের পাঞ্জেরী“

*স্মৃতিকথা* *কবি-ফররুখ* *ফররুখ-আহমেদ*

Risingbd.com: কৌতুকাভিনেতার হাসি কান্না কৌতুকাভিনেতাদের পর্দায় দেখে আমরা কত সহজেই না আনন্দ প্রকাশ করি। কিন্তু এই অভিনয় মোটেই সহজ নয়। আমরা গভীরে যেতে পারি না বলেই - See more at: http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=73381#sthash.csqUjTkJ.dpuf

*বিনোদন* *স্মৃতিকথা* *শিল্পসাহিত্য*

মেঘবালক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আলহামদুলিল্লাহ। প্রথমেই আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ ও মোবারাকবাদ জানাই যারা আমাকে উইশ করলেন। মানুষের জীবনে প্রতিটি দিন আসছে আর যাচ্ছে। আজকের দিনটা শনিবার, অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, আমি যেদিন এই পৃথিবীতে আসি সেই দিনটাও ছিল শনিবার হাঃ হাঃ হাঃ কি মিল। 

আমার জীবনের কিছু স্বরনীয় ঘটনা আছে যা শুধু ১৫ নভেম্বরই বেশি ঘটে যায় এবং তা খুব বিপদজ্জনক। ছোটবেলায় মামার সাথে বাজারে গেলাম। সন্ধ্যার সময়। "পদ্মরাগ" এক্সপ্রেস নামক একটা ট্রেন লালমনির হাট থেকে সান্তাহারের দিকে যাবে। আমি দেখতেই পাইনি এমনি ট্রেনের হুইসেলও শুনতে পাইনি। মামা রেলগেইট পার হয়ে ওপারে গেছে আর আমি বে-খেয়াল থাকার কারনে এপারেই আছি। হঠাৎ দেখি ট্রেন আসছে। মাথায় চিন্তা কাজ করলো যে আমি এপারে থাকবো আর মামা ওপারে, তা হবে না। যেই ভাবা সেই কাজ, আমি দুই লাফে  রেইল গেইট পার হলাম। আর সমনে থেকে মামা আর একজন প্রায় বৃদ্ধ মানুষ একসাথে জাপটে ধরে প্রথমে আদর করলো পরে ধমকালো। তাৎক্ষনিকভাবে রেইলগেট এলকায় প্রচার হয়ে গেলো খাইরুলের ভাগনে ট্রেনে কাটা থাকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে। মামা একটা দোকানের সামনে গিয়ে দাড়াল। বাজার বেলার অনেক মানুষ ভীড় করলো আমাকে একনজর দেখার জন্য। 

একবার আমগাছের চুড়ায় উঠলাম শুকনো ডাল কেটে দেওয়ার জন্য। পায়ের নিচের ডাল ভেঙ্গে পরে গেলাম নিচে ছোট একটা গাছ ছিল তার উপর গিয়ে পড়লাম। মনে হলো আমাকে রক্ষা করার জন্যই আল্লাহ এই গাছটি বড় করেছে। 

দশম শ্রেণীতে পড়ার সময় এক বন্ধুকে মারামারি থেকে রক্ষা করতে গিয়ে পিঠে চোট পেয়েছিলাম। 

২০১০ সালের ১৫ নভেম্বর পেট্রলের আগুনে মাছভাজার মত হয়ে গেলাম। সে কি কষ্ট। শরীরের ৬০% পুরে গেলো। পেট, বুক, মুখ, ঠোট এবং মাথার চুলও পুরে গেলো। ঠান্ডা হওয়ার জন্য পুকুরে ঝাপ দিলাম। সেখানেও অনেক পানি খেলাম কারন ঠোঁটে কোন বোধ-শক্তি ছিল না। তাই ঠোট বন্ধ না খোলা বুঝতে পারছিলাম না(হাসি-৩) 

সর্বশেষ বাগেরহাট গত বছরের এইদিনে মটরসাইকেলের সাথে একসিডেন্ট করলাম। মাথায় আঘাত পেলাম। ডান চোখের ভ্রু কেটে গেলো। রক্তে আমার বুক ভেসে যাচ্ছে। ঘটনা পুরাই বলি, আমি সন্ধ্যায় হাটছি রাস্তার বাম পার্শ্ব দিয়ে। হঠাৎ সামনে থেকে তিনজন আরোহী নিয়ে একটা মটরসইকেল এসে আঘাত করলো। আমি মুখে শুধু "ইন্নালিল্লাহ" উচ্চারণ করতে পারছি। তারপরেই পিছনদিকে প্রায় তিন ডিগবাজী খেয়ে বসলাম। ভাবছি ব্যটা বাইকওয়ালাকে একটা কষে মার দিব। ওমা!(অবাক)আমার ডান হাত নড়ছেনা। ওরে আর মারবো কি(খিকখিক)পরে বাম হাত দিয়ে পরখ করে দেখলাম, ডান হাত নড়বে কি ভাবে কাঁধ থেকে হাত খসে গেছে। তাই...তো নাড়াতে পারছিনা। বাইকওয়ালারে মারতে পারলাম না। স্থানীয়রা একটা রিকশা ডেকে হাসপাতলে নিল। 

আজকে তেমন কিছু হয়নি। রান্না করতে গিয়ে হাত থেকে একটা বাসন পরে ভেঙ্গে গেলো। জানিনা ভবিষ্যতে কি হবে। 

সবাইকে আবারও ধন্যবাদ। বাবা-মা, বোন সবাই উইশ করলো। আর আমার "সে"(লজ্জা) বেশি বেশি মিস করলো আমাদের দাম্পত্যজীবনের আমার প্রথম জন্মদিন। আমার জন্য দোয়া করবেন। 
*জন্মদিন* *দূর্ঘটনা* *আতঙ্ক* *স্মৃতিকথা*
ছবি

মেঘবালক: ফটো পোস্ট করেছে

শুভ্র মেঘ হয়ে আকাশে থাকো। কোটি ভক্তের মাঝে বৃষ্টি হয়ে ঝড়ো যেখানে থাকো ভালো থাকো।

(শ্রদ্ধা-১)(শ্রদ্ধা-২)(দুঃখ)(শোক)

*হুমায়ুনআহমেদ* *স্মৃতিকথা* *হুমায়ূন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★