স্লিমিং টিপস

স্লিমিংটিপস নিয়ে কি ভাবছো?

আমানুল্লাহ সরকার: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 ডাবের পানি কি ওজন কমাতে সাহায্য করে?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

.
*ডাবেরপানি* *স্লিমিংটিপস*

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পানি ও শসার মিশ্রণ বা ডিটক্স আমাদের শরীরের জন্য অত্যাধিক উপকারী একটি পানীয়। এই পানীয় আপনার ওজন কমাতে প্রাকৃতিকভাবে সাহায্য করবে।

কিভাবে বানাবেন : ২ লিটার পরিমাণ পানি বহন করতে পারে এমন একটি জগ নিন। এতে একটি শসা টুকরো টুকরো করে কেটে মিশিয়ে নিন। এবার, ১২ টি পুদিনা পাতা ও কিছু লেবুর টুকরো মেশানোর পর, ১ চা চামচ আদা থেঁতো করে মিশিয়ে নিন। সকল উপকরণ এক সাথে মিশিয়ে সারারাতের জন্য ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন। সকালে উঠে খালি পেটে আগে এক গ্লাস এই পানি পান করবেন। আর অবশ্যই পানি পান করার ১ ঘণ্টা পর সকালের নাস্তা গ্রহণ করবেন। শুধুমাত্র তখনই এই পানীয় কাজ করতে শুরু করবে অন্যথায় নয়। এই পানীয় পান করার প্রথম দিন থেকে আপনি নিজেই পার্থক্য বুঝতে পারবেন।

পানীয়টিতে ব্যবহৃত সকল উপাদান প্রাকৃতিকভাবে তৈরি তাই এই পানীয়র কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এটি আপনার ওজন কমানোর পাশাপাশি ইমিনিউ সিস্টেমও উন্নত করবে। সকাল থেকে এই ২ লিটার পানি সারাদিনে পান করে শেষ করবেন। এই ডিটেক্টসের পাশাপাশি অতিরিক্ত আরও ৪ লিটার পানি পান করার চেষ্টা করুন।

 

আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে, প্রথম দিন সকালে পান করার এক ঘণ্টা পরেই দেখবেন আপনার ওজন ২ পাউন্ড কমে গেছে। এভাবে প্রতিদিন একটু একটু করে ওজন কমিয়ে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে যাবেন। কিন্তু জেনে রাখুন এই প্রক্রিয়ায় অবশ্যই আপনার পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। পানি কম পান করলে এই প্রক্রিয়া কোন কাজে আসবে না।

–সূত্র: হেলদি বায়ো ফুড।

*ওজনসমস্যা* *ওজনকমানো* *ডিটক্স* *স্লিমিংটিপস*

skhan daved: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মেদ ভূড়ি কমতে পারে এমন খাবারের রান্না বলুন ।

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

.
*মেদভুঁড়ি* *পেটেরমেদ* *স্লিমিংটিপস*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

দ্রুত পেটের মেদ কমানোর জন্য ব্যায়াম সবচেয়ে বেশি কার্যকর। ঘরে বসে মাত্র ১৫ সেকেন্ডের একটি সহজ ব্যায়াম করে কমিয়ে ফেলতে পারেন পেটের মেদ। চলুন জেনে নেই-

  • ঘাড় এবং কাঁধ সোজা রেখে মাটিতে দৃঢ়ভাবে হাত রাখুন। এই ব্যায়ামের সম্পূর্ণ মনো্যোগ পেটের দিকে রাখবেন, কিন্তু এই ব্যায়ামের প্রেশারটি পা দিয়ে দিতে হবে। পা হিল করে চাপ পায়ের আঙুল হতে থেকে স্থানান্তর করা যা উরুর পেশিতে টান অনুভব করে দিয়ে থাকে। এটি পা থেকে মাথা পর্যন্ত সমস্ত শরীর সমতল থাকবে। না ত্রিকোণ আকৃতির অথবা কোণ আকৃতির মতো নয়।

  • ব্যায়ামটি সহজ করার জন্য আপনি গভীরভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারেন। কিংবা মনে করতে পারেন আপনার পিঠের উপরে এক গ্লাস পানি রাখা আছে। এটি আপনাকে একদম সোজা থাকতে সাহায্য করবে। আপনার পায়ের আঙুল এবং হাত মাটিতে থাকবে এবং আপনার পিঠ অব্যশই সমান থাকতে হবে।
  • পায়ের আঙ্গুল উপর চাপ প্রয়োগ করুন, এবং প্রথমে ডান পায়ে তারপর বাম পায়ে একইভাবে পুনরাবৃত্তি করুন। এটি করার সময় আপনার মনে করা উচিত আপনার শরীরের সম্পূর্ণ ওজন আপনার পায়ের আঙ্গুল এবং হাতের উপর নির্ভর করছে। এভাবে ২০-৬০ সেকেন্ড থাকুন।

  • আস্তে আস্তে এই ব্যায়াম করার সময়টি বৃদ্ধি করুন। প্রথম যারা করছেন তারা ১৫ সেকেন্ড, তারপর ৩০ সেকেন্ড এবং সবশেষ ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত করার অভ্যাস তৈরি করুন। এটি নিয়মিত এক থেকে দুই মাস করুন, এটি আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে। সম্ভব হলে দিনে তিনবার এই ব্যায়াম করুন, আর এক মাসের মধ্যে পেয়ে যান সমান পেট।

তথ্যসূত্র : ইন্টারনেট

*পেটেরমেদ* *স্লিমিংটিপস* *ব্যায়াম* *লাইফস্টাইলটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ডায়েটের পাশাপাশি পেটের মেদ কমানোর জন্য আদার ডিটক্স পান করতে পারেন। ডিটক্স আপনার পেটের মেদ কাটাতে সাহায্য করবে। আদার এই ডিটক্স শুধু পেটের নয়, এটি ঊরুর মেদও কমাতে সাহায্য করে থাকে।

উপকরণ:

  • আদার কয়েকটি টুকরো
  • লেবুর রস তিন টেবিল চামচ
  • মধু দুই চা চামচ
  • ১-১.৫ লিটার পানি

প্রণালী:

  •  চুলায় ১-১.৫ লিটার পানি দিন
  • এর পর এতে আদা টুকরো দিয়ে দিন
  • লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে দিন
  • পানি ফুটে এলে নিম্ন আঁচে ১৫ মিনিট জ্বাল দিন
  • ঘন হয়ে এলে এটি ছেঁকে আদা ও পানি আলাদা করে নিন
  • ঠান্ডা হয়ে গেলে পান করুন।

যেভাবে পান করবেন:

আদাপানি প্রতিদিন পান করুন। দিনে কমপক্ষে এক লিটার পানি পান করুন। প্রতিদিনকার আদাপানি প্রতিদিন তৈরি করে নিন। এটি আপনার ওজন হ্রাস করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে দেবে।

*ডিটক্স* *ডিটক্সওয়াটার* *পেটেরমেদ* *স্লিমিংটিপস* *আদারডিটক্স* *ঊরুরমেদ*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পেটের চর্বি কমানোর সবচেয়ে ভাল এক্সারসাইজ হলো প্লাঙ্ক। শুধু তাই নয়, এই বিশেষ ব্যায়ামের রয়েছে অন্য অনেক সুবিধেও। আর তাই আজকাল সেলেব্রেটি থেকে আমজনতা সবারই পছন্দের এই ব্যায়াম হচ্ছে প্লাঙ্ক। 

বাসায় যেভাবে এই এক্সারসাইজ করতে পারেন :

প্রথম দিকে টানা ১০-২০ সেকেন্ড করার চেষ্টা করুন। পরে ধীরে ধীরে বাড়াবেন। টানা এক মিনিট করতে পারলে বুঝবেন, আপনার ফিটনেস লেভেল বাড়ছে। প্লাঙ্কের রকমফের রয়েছে। বেসিক প্লাঙ্ক এবং এলবো প্লাঙ্ক দিয়ে শুরুটা করতে পারেন। তারপর লেগ রেজ, ওয়ান সাইডেড প্লাঙ্কও চেষ্টা করে দেখুন।

এই এক্সারসাইজ করার সময় পেটের মাসল টেনে রাখবেন। কিন্তু নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস যেন স্বাভাবিক থাকে। নিজে থেকে একেবারেই এটা করতে যাবেন না। ইউটিউব দেখেও করতে পারেন, তবে সাবধানে। কোমরে ব্যথা হলে বুঝবেন, ঠিক মতো হচ্ছে না এক্সারসাইজটা। 

বাসায় করতে না চাইলে জিমে গিয়ে পেশাদারের সাহায্য নিয়ে করুন।

প্লাঙ্কের উপকারিতা অনেক, কিছু তুলে ধরছি :

  • পেটের চর্বি কমাতে সবচেয়ে ভাল এক্সারসাইজ।
  •  আপার-লোয়ার অ্যাবডোমেনের চর্বি স্রেফ প্লাঙ্কেই কমে যাবে।
  •  কোমরে যাঁদের ব্যথা, তাঁদের জন্য এটা উপকারী।
  • মেরুদণ্ড মজবুত করতে প্লাঙ্কের জুড়ি নেই।
  • অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাবে।
  • বেশ কিছুদিন প্লাঙ্ক করলে দেখবেন, আপনার মেটাবলিজম রেট বাড়ছে। -
  • দেহের গঠন সুন্দর করবে। কারণ, শুধু পেটই নয়, কোমরের শেপ ঠিক করার জন্যও এই এক্সারসাইজ জরুরি।
  • নিয়মিত এটা করতে থাকলে দেখবেন, ফ্লেক্সিবিলিটি বেড়ে গিয়েছে। 
*ব্যায়াম* *ফিটনেস* *শরীরচর্চা* *পেটেরচর্বি* *স্লিমিংটিপস* *মেদভুঁড়ি* *লাইফস্টাইলটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হতে পারে আঙুর খেতে টক, কিন্তু এই আঙুরই পারে আপনার মেদ কমিয়ে দিতে।  আঙুরে রয়েছে  অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, তবে হালকা সবুজ রংয়ের আঙুর থেকে লাল বা গাঢ় সবুজ রংয়ের আঙুরে বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। আঙুরে ভিটামিন সি তেমন না থাকলেও আঙুর ওজন কমাতে সাহায্য করে। শুধু কি তাই, ইনফেকশন থেকেও রক্ষা করতেও এটি ব্যাপক ভূমিকা রাখে-

আঙুরের খোসা এবং বিচিতে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, যা মানুষের ইমিউন সিস্টেমকে (রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা) শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। আঙুরে অনেক বেশি পরিমাণে পটাশিয়াম থাকায় যা শরীরের বাড়তি পানি কমিয়ে প্রয়োজনীয় পানির ভারসাম্য রক্ষা করতে ভূমিকা পালন করে। টানা দুই সপ্তাহ  প্রতিদিন আঙুর খেলে আর সাথে যথেষ্ট পরিমাণে পানি বা গ্রিন টি পান করলে কয়েক কেজি ওজন কমানো সম্ভব। শুধু গ্রিন টি বা সবুজ চা নয়, আঙুরও তারুণ্য ধরে রাখতে এবং রূপ লাবণ্য বাড়তে সাহায্য করে। শুধু তাই নয় আঙুর ক্যানসার সেলগুলোর বৃদ্ধি কমাতেও সাহায্য করে থাকে।

তাই প্রতিদিন আঙুর খান, মেদহীন, সুস্থ্য ও সুন্দর থাকুন। 

 

 

*আঙুর* *মেদ* *স্লিমিংটিপস*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ডায়েট-ফায়েট করে ওজন  খানিক হ্রাস করা গেলেও পেটের মেদ কমানো কিন্তু বেশ কঠিন কাজ। দ্রুত পেটের মেদ কমানোর জন্য ব্যায়াম সবচেয়ে বেশি কার্যকর। ঘরে বসে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের একটি সহজ ব্যায়াম করে কমিয়ে ফেলতে পারেন পেটের মেদ। আমি ইন্টারনেট ঘেটে এই ব্যায়ামটা শিখেছি ; চলুন আপনাদের এই ব্যায়ামের নিয়ম শিখিয়ে দেই: 

ঘাড় এবং কাঁধ সোজা রেখে মাটিতে দৃঢ়ভাবে হাত রাখুন। এই ব্যায়ামের সম্পূর্ণ মনো্যোগ পেটের দিকে রাখবেন, কিন্তু এই ব্যায়ামের প্রেশারটি পা দিয়ে দিতে হবে। পা হিল করে চাপ পায়ের আঙুল হতে থেকে স্থানান্তর করা যা উরুর পেশিতে টান অনুভব করে দিয়ে থাকে। এটি পা থেকে মাথা পর্যন্ত সমস্ত শরীর সমতল থাকবে। 

ব্যায়ামটি সহজ করার জন্য আপনি গভীরভাবে নিঃশ্বাস নিতে পারেন। কিংবা মনে করতে পারেন আপনার পিঠের উপরে এক গ্লাস পানি রাখা আছে। এটি আপনাকে একদম সোজা থাকতে সাহায্য করবে। আপনার পায়ের আঙুল এবং হাত মাটিতে থাকবে এবং আপনার পিঠ অব্যশই সমান থাকতে হবে।

পায়ের আঙ্গুল উপর চাপ প্রয়োগ করুন, এবং প্রথমে ডান পায়ে তারপর বাম পায়ে একইভাবে পুনরাবৃত্তি করুন। এটি করার সময় আপনার মনে করা উচিত আপনার শরীরের সম্পূর্ণ ওজন আপনার পায়ের আঙ্গুল এবং হাতের উপর নির্ভর করছে। এভাবে ২০-৬০ সেকেন্ড থাকুন।

আস্তে আস্তে এই ব্যায়াম করার সময়টি বৃদ্ধি করুন। প্রথম যারা করছেন তারা ১৫ সেকেন্ড, তারপর ৩০ সেকেন্ড এবং সবশেষ ৬০ সেকেন্ড পর্যন্ত করার অভ্যাস তৈরি করুন। এটি নিয়মিত এক থেকে দুই মাস করুন, এটি আপনার পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে। সম্ভব হলে দিনে তিনবার এই ব্যায়াম করুন, আর এক মাসের মধ্যে পেয়ে যান সমান পেট।

 

*পেটেরমেদ* *ব্যায়াম* *স্লিমিংটিপস*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

স্লিমিং বেল্টের সমাহারদিন দিন পেটের মেদ বেড়েই চলছে আর আপনি তেলের ব্যারেল হয়ে যাচ্ছেন! কোন ভাবেই পেটের অতিরিক্ত মেদ কমাতে পারছেন না! নো প্রবলেম আপনার জন্য বাজারে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের স্লিমিং বেল্ট। এবার আপনার মেদ কমবেই। চলুন সহজেই মেদ কমানোর জন্য স্লিমিং বেল্ট কিভাবে ব্যবহার করবেন জেনে নেই।

স্লিমিং বেল্ট:

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন

মেদ আর বাড়তি ওজন নিয়ে যারা ভূগছেন তারা সারাদিনের যে কোন সময়ই পরে থাকতে পারবেন। এতে কোন নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। তবে একটানা ২০-২৫ মিনিটের উপরে ব্যবহার করবেন না। কর্মক্ষেত্রে ও এটি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে বেশি ভাল হয় কর্মজীবীরা যদি রাতে ব্যবহার করেন। এই বেল্ট ব্যবহারের সুবিধা:
-এটা আপনার মেদ কমিয়ে শরীরে নিয়ে আসবে সুন্দর একটা সেপ।
-আপনার ওজন কমিয়ে দেবে।
-শরীর মাসাজ করতে পারবেন অনায়াসে
- সহজে ব্যবহারযোগ্য স্লিমিং প্রোডাক্ট এটি আপনার দেহের নির্দিষ্ট অংশে মুভমেন্টের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেহকে স্লিম আকৃতি দেয়

কোথায় পাবেন:

কিনতে ক্লিক করুনকিনতে ক্লিক করুন

রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন ফিটনেস আউটলেটে পন্যগুলো পেয়ে যাবেন। তবে এসকল পণ্য ক্রয়ের জন্য অনলাইন শপিং বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এজন্য এটি কিনতে আপনি অনলাইন শপ ব্যবহার করতে পারেন। অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*স্লিমিংটিপস* *স্লিমিংবেল্ট* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিভিন্ন রকমের স্লিমিং বেল্টআপনি কি খুব বেশি মোটা? কোন ভাবেই পেটের অতিরিক্ত মেদ কমাতে পারছেন না! নো প্রবলেম আপনার জন্য বাজারে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের স্লিমিং বেল্ট। এবার আপনার মেদ কমবেই। আর এ সমস্যার সমাধান দিতে পারে বিভিন্ন ধরনের স্লিমিং বেল্ট। যারা স্লিম হতে চান তারা আজই নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি দ্রুত ফল পেতে স্লিমিং বেল্ট সংগ্রহে রাখুন। চলুন সহজেই মেদ কমানোর জন্য স্লিমিং বেল্ট কিভাবে ব্যবহার করবেন জেনে নেই।

স্লিমিং বেল্ট:

স্লিমিং বেল্ট কিনতে ক্লিক করুন স্লিমিং বেল্ট কিনতে ক্লিক করুন

মেদ আর বাড়তি ওজন নিয়ে যারা ভূগছেন তারা সারাদিনের যে কোন সময়ই পরে থাকতে পারবেন। এতে কোন নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। তবে একটানা ২০-২৫ মিনিটের উপরে ব্যবহার করবেন না। কর্মক্ষেত্রে ও এটি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে বেশি ভাল হয় কর্মজীবীরা যদি রাতে ব্যবহার করেন।

এই বেল্ট ব্যবহারের সুবিধা:

স্লিমিং বেল্ট কিনতে ক্লিক করুন

-এটা আপনার মেদ কমিয়ে শরীরে নিয়ে আসবে সুন্দর একটা সেপ।
-আপনার ওজন কমিয়ে দেবে।
-শরীর মাসাজ করতে পারবেন অনায়াসে
- সহজে ব্যবহারযোগ্য স্লিমিং প্রোডাক্ট এটি আপনার দেহের নির্দিষ্ট অংশে মুভমেন্টের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেহকে স্লিম আকৃতি দেয়
এই স্লিমিং বেল্টটি পাওয়ার অ্যাডাপ্টার লাগিয়ে এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

কোথায় পাবেন:

স্লিমিং বেল্ট কিনতে ক্লিক করুন

রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন ফিটনেস আউটলেটে পন্যগুলো পেয়ে যাবেন। তবে এসকল পণ্য ক্রয়ের জন্য অনলাইন শপিং বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এজন্য এটি কিনতে আপনি অনলাইন শপ ব্যবহার করতে পারেন। অনলাইনে কেনা যাচ্ছে এই লিংকে

*স্লিমফিগার* *স্লিমিংটিপস* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনমেদভূড়ি দিন দিন বেড়েই চলেছে! কোন কিছুতেই যে কমানো যাচ্ছে না এই মারাত্নক সমস্যা। কাজের ব্যস্থতায় বা সময়ের অভাবে অনেকেই ঠিকমত ব্যায়াম করতে পারছেন না। একটু সময় করে জিমে গিয়ে ফিট হয়ে আসবেন সেটাও করা সম্ভব হচ্ছে না। এ ধরনের সমস্যায় যারা ব্যস্ত তারা নিয়ে নিতে পারেন বর্তমান প্রযুক্তির উদ্ভাবিত মিনি স্লিমিং ডিভাইস। ওজন কমিয়ে স্লিম থাকতে সবসময় এগুলো আপনার কাছেই রাখতে পারবেন।

মিনি স্লিমার:

কিনতে ক্লিক করুন
পেট বা শরীরের অন্যান্য অংশ থেকে মেদ ঝরিয়ে ফেলতে এসব মিনি স্লিমিং ডিভাইস খুবই কার্যকর। আপনার পেট, হিপের চর্বি, এমনকি গলার ঝুলে যাওয়া মেদ যা আপনার বয়সের সাথে বাড়ে, সেই মেদও কমাতে পারবেন মিনি স্লিমিং ডিভাইস দিয়ে। এইসব পন্যগুলো আপনাকে স্লিম করার পাশাপাশি আপনার সৌন্দর্য্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। শুধু সৌন্দর্য্য নয়, সুস্থ থাকার জন্য হলেও এগুলো ব্যবহারের বিকল্প নেই।


কিনতে ক্লিক করুনশরীরের বিভিন্ন অংশ মাসাজের জন্য বাজারে রয়েছে বিভিন্ন মিনি স্লিমার। যেগুলো সাহায্যে আপনি মাসাজ করতে পারবেন অনায়াসে। আর এই ধরনের পন্য গুলি সহজে ব্যবহারযোগ্য। এ প্রোডাক্ট গুলো আপনার দেহের নির্দিষ্ট অংশে মুভমেন্টের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেহকে স্লিম আকৃতি দেবে।

মেদ আর বাড়তি ওজন নিয়ে যারা ভূগছেন তারা সারাদিনের যে কোন সময়ই পরে থাকতে পারবেন। এতে কোন নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। তবে একটানা ২০-২৫ মিনিটের উপরে ব্যবহার করবেন না। কর্মক্ষেত্রে ও এটি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে বেশি ভাল হয় কর্মজীবীরা যদি রাতে ব্যবহার করেন।

কোথায় পাবেন:

কিনতে ক্লিক করুন
রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন ফিটনেস আউটলেটে পন্যগুলো পেয়ে যাবেন। তবে এসকল পণ্য ক্রয়ের জন্য অনলাইন শপিং বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এজন্য এটি কিনতে আপনি অনলাইন শপ ব্যবহার করতে পারেন। অনলাইনে কেনা যাচ্ছে এই লিংকে

*স্লিমিংটিপস* *মিনিস্লিমিংডিভাইস* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনতে ক্লিক করুনআপনি কি খুব বেশি মোটা? কোন ভাবেই পেটের অতিরিক্ত মেদ কমাতে পারছেন না! নো প্রবলেম আপনার জন্য বাজারে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের স্লিমিং বেল্ট। এবার আপনার মেদ কমবেই। চলুন সহজেই মেদ কমানোর জন্য স্লিমিং বেল্ট কিভাবে ব্যবহার করবেন জেনে নেই।

স্লিমিং বেল্ট:

কিনতে ক্লিক করুন
মেদ আর বাড়তি ওজন নিয়ে যারা ভূগছেন তারা সারাদিনের যে কোন সময়ই পরে থাকতে পারবেন। এতে কোন নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা নেই। তবে একটানা ২০-২৫ মিনিটের উপরে ব্যবহার করবেন না। কর্মক্ষেত্রে ও এটি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে বেশি ভাল হয় কর্মজীবীরা যদি রাতে ব্যবহার করেন। এই বেল্ট ব্যবহারের সুবিধা:
-এটা আপনার মেদ কমিয়ে শরীরে নিয়ে আসবে সুন্দর একটা সেপ।
-আপনার ওজন কমিয়ে দেবে।
-শরীর মাসাজ করতে পারবেন অনায়াসে
- সহজে ব্যবহারযোগ্য স্লিমিং প্রোডাক্ট এটি আপনার দেহের নির্দিষ্ট অংশে মুভমেন্টের মাধ্যমে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেহকে স্লিম আকৃতি দেয়
এই স্লিমিং বেল্টটি পাওয়ার অ্যাডাপ্টার লাগিয়ে এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

কোথায় পাবেন:

কিনতে ক্লিক করুন
রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন ফিটনেস আউটলেটে পন্যগুলো পেয়ে যাবেন। তবে এসকল পণ্য ক্রয়ের জন্য অনলাইন শপিং বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এজন্য এটি কিনতে আপনি অনলাইন শপ ব্যবহার করতে পারেন। অনলাইনে কেনা যাচ্ছে এই লিংকে

*স্লিমিংটিপস* *মেদ* *স্মার্টশপিং*

বাবুই: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ওজন কমানোর জন্য কত কসরত্ই না করি আমরা। ডায়েট, এক্সারসাইজ তো রয়েছেই, সেই সঙ্গেই জলদি ওজন কমাতে সাহায্য নিতে পারেন অ্যাকুপ্রেশারেরও। শরীরের চারটি পয়েন্টে চাপ দিলে ওজন ঝরবে তা়ড়াতাড়ি। জেনে নিন কোন সেই চার পয়েন্ট—

কান

কানের লতি মাসাজ করলে হজম ক্ষমতা বাড়ে যা ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। দিনে তিন বার অন্তত তিন মিনিট ধরে মাসাজ করুন।

মুখ

নাক ও উপরের ঠোঁটের মাঝের অংশ। এই পয়েন্টে চাপ দিলে উত্কণ্ঠা ও খিদে কমবে। রোজ পাঁচ মিনিট এই পয়েন্ট মাসাজ করলে স্ট্রেস কমে ওজন থাকবে বশে।

হাত

কনুইয়ের ভিতর দিকের অংশে চাপ দিলে শরীর থেকে অতিরিক্ত গরম বেরিয়ে গিয়ে পেট পরিষ্কার থাকে। প্রতি দিন দুই থেকে তিন বার এক মিনিট করে মাসাজ করুন এই পয়েন্ট।

পা

এই পয়েন্টকে বলা হয় জু সান লি। অ্যাকুপ্রেশারে এই পয়েন্ট ব্যবহার করা হয়। হাঁটুর নীচে এই পয়েন্ট মাসাজ করলে হজম ক্ষমতা বাড়ে ও শরীরের কোনও অংশের ফোলা ভাব কমাতে সাহায্য করে। প্রতি দিন সন্ধেবেলা এই পয়েন্টে মাসাজ করলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক পাউন্ড পর্যন্ত ওজন কমাতে পারবেন। প্রতি হাঁটুর নীচে ৯ বার করে পাঁচ মিনিট ধরে মাসাজ করুন। তবে ঘুমোতে যাওয়ার ঠিক আগে করবেন না। 

*ওজনসমস্যা* *স্লিমিংটিপস* *মাসাজ*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

উন্নত বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে ব্যালান্সড/ডায়েট ফুড ক্যাটারিং রয়েছে। যেটিকে আমারা স্লিমিং ডায়েট বলে থাকি। ক্যাটারিং এ নয় আপনি ইচ্ছে করলে আপনার বাড়িতেই ব্যালান্সড ডায়েট বানিয়ে নিতে পারবেন। নিয়মিত একমাস ব্যালান্সড ডায়েট আপনাের ‘ছ’কেজি ওজন কমিয়ে দেবে। এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। চলুন স্লিমিং ডায়েট সম্পর্কে জেনে নেই। 
 
স্লিমিং ডায়েট সম্পর্কে এক বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন,  সুস্থ ও সবল থাকার জন্য শরীরে ৪০ রকমেরও বেশি পুষ্টি উপাদান দরকার হয়। কেবল একটি বা এক রকমের খাবার সব রকমের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারে না। তাই নানা রকমের খাবার  দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রেখে এই পুষ্টির চাহিদা মেটাতে হয়। পুষ্টির সামঞ্জস্য রক্ষা করতে হয়। আর একেই বলে ব্যালান্সড ডায়েট। এই ব্যালান্সড ডায়েটে অনেক রকমের খাবার থাকে বলে খাওয়ায় একঘেয়েমি আসে না। শরীর সুস্থ ও সবল থাকে।
পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিনের ব্যালান্সড ডায়েটে পাঁচ রকমের খাদ্য থাকতে হবে। প্রতি গ্রুপের খাদ্য থেকে পাঁচ রকমের খাবার একবেলা একটি করে খেতে হবে৷ প্রতি গ্রুপ (যেমন শর্করা, আমিষ, শাকসবজি, ফল ও দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার) থেকে এক বা একাধিক রকমের পুষ্টি পাওয়া যায়।

যেমন পেয়ারাতে আছে ভিটামিন-সি, কিন্তু ওমেগা-৩ নেই, যা আছে মাছে। পনিরে আছে ভিটামিন বি-১২, কিন্তু ভিটামিন-সি নেই, পেয়ারায় ভিটামিন বি-১২ নেই। আবার এই পাঁচ গ্রুপের খাবারের ক্ষেত্রেও একেকটি গ্রুপের খাবারগুলোর একেক রকম পুষ্টি আছে।

তাই প্রতি গ্রুপের খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রেও ভিন্নতা আনতে হবে। প্রতি গ্রুপের খাবারগুলোও খেতে হবে একেক সময় বা দিন একেক রকম। অর্থাৎ, একদিন শর্করা হিসেবে ভাত খেলেন অন্যদিন খেতে হবে রুটি বা নুডলস।

কোনও সবজিতে ভিটামিন-সি বেশি, কোনওটাতে আবার আয়রন বেশি। তাই বিভিন্ন রকমের সবজি একেক বেলা একেক রকম খেতে হয়। ফলের ক্ষেত্রে একবেলা কমলা খেলে,অন্যবেলা তরমুজ বা কলা খেতে হবে। আরেক দিন এক বেলা আম খেলেন, অন্য বেলা আপেল।

পাঁচ রকমের খাবারগুলো হল—১.শর্করা : ভাত, আটা, ময়দা, পাস্তা, নুডলস, রুটি, সিরিয়াল বা ওটস ইত্যাদি। ২. আমিষ :মাছ, মাংস, ডিম, বিনস, বাদাম, ডাল। ৩. শাকসবজি ও ডাল। ৪. ফল এবং ৫. দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার : পনির, দই ইত্যাদি।

স্লিমিং ডায়েট ফুড কখনই শরীরের জন্য কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না। বরং স্লিমিং ডায়েট ফুড সমান্তরালভাবে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট ভেঙে ফেলে বলে হঠাৎ বয়স বেড়ে যাওয়া, চামড়া ঝুলে পড়া, চুল পড়ে যাওয়া—এ ধরনের কোনও পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় না।

উপরন্তু,  সৌন্দর্য ও ত্বককে সজীব রাখবে ও শরীরিক দুর্বলতা অনুভূত হয় না। কারণ এটা একটি পরিপূর্ণ ডায়েট বা ব্যালান্স ডায়েট। এ ছাড়াও ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, অধিক ইউরিক অ্যাসিড, কোলেস্টেরল, আর্থ্রাইটিস, শিশু স্বাস্থ্য ও গর্ভকালীন রোগীর জন্য বিশেষভাবে ডায়েট ফুড ক্যাটারিং করা হয়।
(সংকলিত)
*ডায়েটিং* *ডায়েট* *স্লিমিংটিপস* *ওজনকমানোরউপায়* *ওজনসমস্যা* *সুষমখাবার*

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

খালি লাফালাফি আর দৌড়াদোড়ি করলেই যে ভুঁড়ি কমবে তা কিন্তু নয়? অন্য কোন কৌশলেও তো কমতে পারে আপনার পেটের মেদ! দিনে অন্তত ছয় ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকলেই ভুঁড়ি কমিয়ে আপনিও হয়ে উঠতে পারে স্লিম দেহের অধিকারী। 

দিনে অন্তত ছয় ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকলে স্থুলতার ঝুঁকি কমে যায় প্রায় ৩২ শতাংশ। সম্প্রতি নয়া এক গবেষণায় এমনটাই চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির একদল গবেষক দাঁড়িয়ে থাকার অভ্যাসের সঙ্গে স্থুলতা ও বিপাকীয় ঝুঁকির সম্পর্ক যাচাই করে দেখেছেন। এজন্য গবেষকরা ২০১০ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে সাত হাজারের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ওপর পরীক্ষা চালান। বিশেষ করে দাঁড়িয়ে থাকা ও স্থুলতার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে তারা গবেষণা করেন। গবেষণায় দেখা যায়, পুরুষদের ক্ষেত্রে দিনের এক-চতুর্থাংশ সময় দাঁড়িয়ে কাটানোর ফলে স্থুলতার ঝুঁকি ৩২ শতাংশ কমে যায়। দিনের অর্ধেক সময় দাঁড়িয়ে কাটালে স্থুলতার ঝুঁকি ৫৯ শতাংশ কমে। কিন্তু দিনের তিন-চতুর্থাংশের বেশি সময় দাঁড়িয়ে কাটানোর সঙ্গে স্থুলতার ঝুঁকি কমার কোনও সম্পর্ক দেখেননি গবেষকরা। মহিলাদের ক্ষেত্রে দিনে ৬ ঘণ্টা, ১২ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে কাটানোর সঙ্গে পেটের মেদ কমে যাওয়ার হার যথাক্রমে ৩৫ শতাংশ, ৪৭ শতাংশ। কিন্তু মহিলা ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই বিপাকীয় ব্যবস্থার সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকার কোনও সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।
(সংকলিত)
*ভুঁড়ি* *মেদ* *মেদসমস্যা* *স্লিমিংটিপস* *গবেষণা*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★