হাঁটাহাঁটি

হাঁটাহাঁটি নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

শরীরকে সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে টিকিয়ে রাখতে চাইলে প্রতিদিন হাঁটুন।  হাঁটা হলো ব্যায়ামের মধ্যে সবচেয়ে উপকারী। সকালবেলা হাঁটলে শরীরের প্রতিটি কোষে বিশুদ্ধ রক্ত এবং অক্সিজেন পৌঁছে যায়। ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং সহজেই অসুখে পড়ার প্রবণতা কমে।
 সকালে সম্ভব না হলে বিকেলে হাঁটুন। প্রতিদিন মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিটের এ হাঁটা সারা দিন ভালো কাটাতে সাহায্য করে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখে। 
যখন আপনি হাঁটেন তখন আপনার গোড়ালি যেন জুতার মধ্যে ঠিকমত আটকে থাকে সেটা খেয়াল রাখুন। 
 
আর হাটার সময় ভালো সোলের ভালো জুতা পরুন। লেদার সোলের জুতা যেগুলোর হিল আলাদা সেগুলো আঘাত সহ্য (শক এবজর্ব) করতে পারে না। নতুন এথলেটিক ও ক্যাজুয়াল জুতাও এইরকম। ফিতা বা ভেলক্রো সহ জুতা সহজেই টাইট করা যায় এবং অন্য জুতার চেয়ে ভালো সাপোর্ট দেয়। যদি জুতার ফিতা বাঁধতে আপনার অসুবিধা হয় তবে ভেলক্রো বা ইলাস্টিকঅলা জুতা কিনতে পারেন। 
 
 
 হাঁটতে সুবিধার জন্য বিশেষ কিছু জুতা বাজারে সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়। যেহেতু অনেকদূর হাঁটাহাঁটি করতে হচ্ছে সেহেতু এই জুতোগুলো পড়ে হাঁটা বেশ আরামদায়ক। এগুলোতে পায়ে ফোসকা পড়া বা অন্য কোনো সমস্যা হওয়ার কোনো সমস্যা থাকে না। কিন্তু অনেকেই এসব জুতোর বিষয়ে না ভেবে শুধুমাত্র হেঁটেই যাচ্ছেন। এর ফলে পড়ছেন বিভিন্ন ধরনের সমস্যাতে। তাই হাঁটার সুবিধার জন্য এই বদঅভ্যাসটি ত্যাগ করা উচিৎ।
 
স্বাচ্ছন্দ্যে হাটাহাটির জন্য বাজারে পাওয়া যাচ্ছে চায়না থেকে আমদানীকৃত বিভিন্ন ডিজাইন ও রঙের ওয়াকিং সু। এসব জুতাগুলি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে কিনতে পাবেন। 
 
সব বড় বড় জুতার দোকানগুলো ছাড়াও এসব ওয়াকিং সুজগুলো চাইলে দেশের সবথেকে নির্ভরযোগ্য অনলাইন শপ আজকের ডিল থেকেও কিনতে পারেন। পায়ের জন্য আরামদায়ক এমন আরো জুতা দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন
 
*হাটার-উপকারিতা* *হাটাহাটি* *জুতা* *স্মার্টশপিং*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এরকম হলে ঠিক করছেন না কিন্তু l  জানি তো ঠান্ডা লাগার ভয় ছোটবেলার জুজুর ভয়ের চেয়েও অনেকের কাছে বেশি l নাম মাত্র শীত তবুও এখনই অনেকেই সকালের হাঁটা বাদ দিয়েছেন, বিশেষ করে যারা রোজ হেঁটে থাকেন। দৈনিক হাঁটার অভ্যাস বাদ দেওয়াটা মোটেও ভালো কথা নয়। ঠান্ডা এড়াতে বরং আপনি কিছু ট্রিকস মেনে হাঁটতে পারেন। যেমন হিমকুয়াশা ও শিশিরের হাত থেকে বাঁচতে খুব ভোরে বা সন্ধ্যায় না হেঁটে সময়টা পাল্টে নিন। সকালের নরম রোদটা ওঠার পর বা বিকেলে হাঁটতে বেরোন কিনবা অফিস শেষেও কিন্তু হাঁটার প্রিপারেশন নিয়ে হাঁটতে যেতে পারেন। হাঁটার সময় প্রয়োজনে শীতের পোশাক দুই স্তরে পরুন। মাথায় অবশ্যই একটা টুপি বা স্কার্ফ বা মাফলার জড়িয়ে নিন। কেননা এই সময় দেহের এক-তৃতীয়াংশ তাপ মাথা থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। পায়ে পরুন মোজা ও হাঁটার উপযোগী কেডস। হাঁটা শুরুর আগে ওয়ার্মআপ করে নেওয়া দরকার। দেখবেন, আবার শিশিরভেজা পিচ্ছিল রাস্তা বা ফুটপাতে পা পিছলে পরে যাবেন না, সাবধান। কুয়াশায় চারদিক অন্ধকার হয়ে এলে ওই সময় বের না হওয়াই ভালো, চুরি/ছিনতাইয়ের আশঙ্কা থাকে। আর মনে রাখবেন শীতেও কিন্তু আপনার দেহে যথেষ্ট পানি চাই। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করুন, হাঁটার উদ্যম পাবেন। 


আর যদি আমার মত হোন, মানে শীতের কারণে বাইরে বেশি বের না হতে চাইলে ঘরেও ব্যায়াম সেরে নিতে পারেন। শীতে বাড়ির সামনে বা পাড়ার রাস্তায় ব্যাডমিন্টন খেলাধুলার প্রচলন প্রায় উঠে যাচ্ছে। আপনিই উদ্দ্যোগ নিয়ে চালু করে ফেলুন l শীতে শরীর ঠিক রাখার জন্য কাজে বাইরে বের হলে যানবাহন না নিয়ে বেশ খানিকটা হাঁটুন, হেঁটে বাজার করুন, সিঁড়ি ভাঙুন। আলস্য কাটাতে বাড়িতে কায়িক পরিশ্রম করুন। যেমন ছাদে বাগান করুন বা ঘর পরিষ্কার করুন। করতে পারেন যোগব্যায়াম বা অ্যারোবিক। জানেন তো, আমি অফিসের আগে এবং অফিসের পর এত এত গৃহস্থালি কাজ করি অর্থাত এতই কায়িক শ্রম হয় যে, আমার আর বাড়তি ব্যায়ামের সেই ভাবে প্রয়োজন পরে না l 


দেখুন, যে যাই বলুক শীতকাল মানেই জমিয়ে খাওয়ার সময় l আর আমার মত ভোজন রসিক মানুষ যারা তাদের মুখ আটকে রেখে কোনো লাভ নেই, কারণ ওই চেষ্টাই করি না l ফাটিয়ে খাই, তবে রয়ে সয়ে l প্রচুর নেমতন্ন লাগে না, এমনিতেই বাড়িতে হর হামেশাই মহাভোজের আয়োজন করে ফেলি আর জমিয়ে খাই। তা ছাড়া পিঠাপুলি, পায়েস খাওয়ার এই তো সময়। আপনারাও খাবেন বটে, তবে ঐ যে একটু রয়ে-সয়ে। খাবারের হিসাব রাখুন। ফ্যাটবিহীন পুষ্টিকর খাবার খান এবং প্রচুর সবজি রাখুন খাবারের তালিকায়। ঘন ঘন চা-কফির নেশা এড়িয়ে চলুন। একটা তথ্য জানিয়ে রাখি, শীতের মধ্যে শরীরের তাপমাত্রা বাড়ানোর জন্য ‘শ্বেত’ চর্বি ‘বাদামি’ চর্বিতে রূপান্তরিত হতে থাকে। ‘শ্বেত’ চর্বির কারণে শরীর স্থূল হয়। এ জন্য এটি বেশি ক্ষতিকর। সেই তুলনায় ‘বাদামি’ চর্বি শরীরের জন্য কম ক্ষতিকর। 


দেখুন যারা সচেতন তারা আবার আমাকে রাগ করবেন না, আসলে গড়পড়তা বেশির ভাগ মানুষই শীতকালে একটু কম চলাফেরা ও হাঁটাহাঁটি করেন, সকাল-বিকেল নিয়ম করে কিছু সময় হাঁটার অভ্যাস, কায়িক শ্রম ভালো রাখবে শরীরটাকে l আর যেহেতু খাবারের পরিমাণও যায় বেড়ে তাই হাত পা গুটিয়ে বসে থাকলে কিন্তু ক্যালরি ক্ষয় হবে কম। বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, ফলে শরীরে মেদ জমে তাড়াতাড়ি। এবার বুঝলেন তো, কেন শীতে মানুষের ওজন বাড়ে, আর এই ওজনকে পরে কন্ট্রোল করতে গরমকালে বেশি ঘাম ঝরাতে হয় l  

আমি তো যা জানানোর জানিয়েই দিলাম, এবার ভেবে দেখুন কি করবেন বাক্সে ভরিয়ে রাখবেন অভ্যাসকে নাকি অভ্যাসকে নিজের বশে আনবেন l 
*শীতকাল* *অভ্যাস* *হাঁটাহাঁটি* *কায়িকশ্রম* *ব্যায়াম* *ওজনসমস্যা* *লাইফস্টাইলটিপস* *দীপ্তিবচন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★