হাইকিং

হাইকিং নিয়ে কি ভাবছো?

খুশি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

এভারেস্টের সর্বোচ্চ চূড়ায় নিজ দেশের পতাকা উড়াবার স্বপ্ন সব পর্বতারোহীদের মধ্যেই থাকে। কিন্তু যাত্রাপথে ত্রুটি থাকায় মাঝে মধ্যে দূর্ঘটনার শিকার হন পর্বতারোহীরা। এ কারণেই এভারেস্ট আরোহণের নির্দিষ্ট যাত্রাপথ পরিবর্তিত হচ্ছে তাই নতুন পর্বতারোহীদের এভারেস্ট অরোহণের পর্বে নতুন যাত্রাপথ সম্পর্কে জেনে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

২০১৪ সালে ভয়াবহ তুষারধসে ১৪ পর্বতারোহী মারা যাওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নেপাল সরকার। পর্বতারোহণের ইতিহাসে ওটাই ছিল সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতি দুর্ঘটনা। পর্বতারোহণের বর্তমান রুটটি ব্যবহার করা হচ্ছে নব্বইয়ের দশক থেকে।

বেইজক্যাম্পের পর থেকে পর্বতারোহীরা এখন আরও মাঝের দিকের রুট ব্যবহার করবেন। সরে আসবেন বামের খুমবু তুষারপাতের এলাকা থেকে। ওই এলাকাতেই গত বছর ভয়াবহ তুষারধসের কবলে পড়েছিলেন পর্বতারোহীরা।

ওই দুর্ঘটনার পর পর্বতারোহণ বয়কট করেছিলেন শেরপারা। আরও ভাল পারিপার্শ্বিকতা ও বেতনের দাবি জানান তারা।

বেইজ ক্যাম্পে তাদের প্রতিবাদের পর এভারেস্ট আরোহণ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। চলতি বছরের বসন্তে পর্বতারোহন মৌসুমের আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও বাড়াতে চায় নেপাল সরকার।

এভারেস্টে আরোহনের রুট নির্ধারণের কাজ করে সাগরমাথা পলিউশান কন্ট্রোল কমিটি। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান অঙ দরজি শেরপা জানালেন, খুমবু তুষারপাতের এলাকায় ধসের আশঙ্কা বাড়ছে। তাই আমরা রুটটা আরও মাঝের দিকে নিয়ে আসছি, যেখানে এই ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বললেই চলে।

অঙ আরও জানালেন, বৃটেন থেকে দড়ি এবং মই আমদানি করা হয়ে গেছে এরই মধ্যে। নতুন রুটে ওইগুলি স্থাপন করা হবে।

মাঝামাঝি এই রুটটা অবশ্য নতুন নয়। দুই দশক আগে এই রুটটিই ব্যবহার করতেন পর্বতারোহীরা। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে রুটটি পরিবর্তন করা হয় কারণ এটা ছিল শর্টকাট ও সহজ। এমনকি অনভিজ্ঞরাও এই পথে আরোহণ করতে পারতেন। একটাই সমস্যা ছিল ওই রুটে- তুষারধসের ঝুঁকি।
(সংকলিত)

*এভারেস্ট* *ভ্রমণ* *ট্রাভেল* *হাইকিং* *পবর্ত*

উদয়: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 পাহাড়ে উঠার আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি কোথায় কিনতে পাওয়া যায় ?

উত্তর দাও (১ টি উত্তর আছে )

*হাইকিং* *পাহাড়* *ভ্রমনটিপস* *বান্দরবানভ্রমন* *শপিং* *খাগড়াছড়িভ্রমন*

কবিয়াল সাদমান: *হাইকিং*

ছবি

আমানুল্লাহ সরকার: ফটো পোস্ট করেছে

৫/৫

হাইকিং এ বের হয়ে খুব জোরে হাঁটা ঠিক না..

হাইকিং এর সময়ে আপনি যদি জোরে হাঁটেন তাহলে খুব অল্প সময়ে ক্লান্ত হয়ে যাবেন।

*হাইকিং* *ভ্রমন*

ট্রাভেলার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পাহাড় ভ্রমন, হাইকিং কিংবা ট্রাকিং এই শব্দগুলো ট্রাভেলারদের কাছে খুবই পরিচিত। বর্তমানে ভ্রমন পিপাসু অনেকেই পাহাড় ভ্রমনে গিয়ে উঁচু চূড়ায় উঠতে চায়। তবে পাহাড়ে ভ্রমন কিন্তু একেবারে সহজ না। তাই নিজের নিরাপত্তার জন্য কিছু জিনিস সাথে নিন যা আপনার হাইকিং বা ট্র্যাকিংকে করে তুলবে নিরাপদ আর আনন্দময় । এসব জিনিস সাথে রাখা শুধু হাইকিং এর জন্যই নয় বরং যে কোন অপরিচিত স্থানে বেড়াতে যাবার জন্য অপরিহার্য। চলুন তবে জেনে নেই কোন জিনিসগুলো হাইকিং এ যাওয়ার পূর্বে সাথে নেওয়া একান্ত প্রয়োজন।

পরামর্শঃ
হাইকিং এ যাওয়ার আগেই সে স্থান সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিন। যাতায়াত ব্যবস্থা কেমন (transport), কেমন খরচ হবে (cost), থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা (residence), কোন বিপদের সম্ভাবনা আছে কি না ইত্যাদি। জেনে নিন আবহাওয়ার অবস্থা। বেশি গরমের দিনে বা বর্ষাকালে হাইকিং এ যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

হাইকিং এর জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রঃ
ব্যাগঃ
একটি মজবুত এবং বড় সাইজের ব্যাকপ্যাক সাথে নিন। কারণ আপনার যাবতীয় জিনিসপত্র এখানেই রাখতে হবে। মজবুত এবং ভাল ব্র্যান্ডের ব্যাকপ্যাক (backpack) কিনুন কারণ আপনি নিশ্চয় চাইবেন না বেড়ানোর মাঝপথে আপনার জিনিসপত্র ব্যাগ ছিঁড়ে মাটিতে গড়াগড়ি খাক।

ম্যাপ এবং কম্পাস
একটি ম্যাপ এবং কম্পাস সাথে নিন । এই দুটি জিনিসকে আলাদা না ভেবে একটি টিম হিসেবে দেখুন। কারণ শুধুমাত্র এদের যে কোন একটি আপনাকে পথ দেখাতে পারবে না।

পানি
সাথে অবশ্যই পানি রাখুন। এমনকি আপনি ১ ঘণ্টার জন্য হাইকিং এ গেলেও। কারণ যে কোন পরিস্থিতিতে আপনার পানি দরকার হতে পারে। পানি রাখার জন্য মজবুত ফ্লাক্স বা বোতল কিনে নিন।

টর্চ লাইট 
অবশ্যই একটি টর্চ নিন সাথে। যদি আপনার বেড়ানোর সময়সীমা দিনের আলো থাকা অবস্থাতেই শেষ হয়ে যায় তারপরেও। সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে আপনি আগেভাগে জানতে পারবেন না। তাই সতর্ক থাকাটা জরুরি। টর্চ ব্যাগে নেয়ার আগে দেখে নিন তাতে ফুল চার্জ আছে কি না।

খাবার
হাইকিং এ যাওয়ার আগেই ভালভাবে পানি এবং খাবার খেয়ে নিবেন। কারণ আপনি একটি পরিশ্রমের কাজ করতে যাচ্ছেন, তাই শক্তি দরকার। এছাড়াও সাথে নিন প্যাকেট করা খাবার। হালকা, শুকনো এবং পুষ্টিকর খাবারকে এই ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিন।

ম্যাচ বা অন্যান্য আগুন জ্বালানোর উৎস
অবশ্যই ম্যাচ বা অন্যকোন আগুন জ্বালানোর উৎস সাথে নিন। ম্যাচ ভিজে যাওয়ার আশংকা থাকতে পারে। তাই ম্যাগনেশিয়াম লাইটার কিনে নিতে পারেন। হাইকিং এর সরঞ্জাম বিক্রি করে এমন যে কোন দোকানেই এটা পেয়ে যাবেন।

ছুরি এবং প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম
একটি ধারালো ছুরি সাথে নিয়ে নিন । ৩-৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের ছুরি ই যথেষ্ট। নিন প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জামও। পাহাড়ে থাকা অবস্থায় কোনভাবে আঘাত পেলে এটা কাজে লাগবে।

হুইসেল বা বাঁশি
খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই জিনিসটি ব্যাগে নয় বরং নিজের পকেটে বা গলায় ঝুলিয়ে রাখুন। আপনি পা পিছলে পড়ে যেতে পারেন অথবা পথ হারিয়ে ফেলতে পারেন। তখন এই বাঁশি ই আপনাকে খুঁজে পেতে সাহায্য করবে আপনার সঙ্গীদের।

এগুলো ছাড়াও আরও কিছু দরকারি জিনিস যেমনঃ নাইলনের দড়ি, বড় প্লাস্টিক ব্যাগ, আপনার পরিচয় পত্র, টয়লেট টিস্যু সাথে নিয়ে নিন। আর উপভোগ করুন নিরাপদ এবং দুশ্চিন্তা মুক্ত হাইকিং। (সংকলিত)


*হাইকিং* *ভ্রমন* *ট্রাভেল* *পাহাড়ভ্রমন* *ভ্রমনগাইড*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★