হাল ফ্যাশন

হালফ্যাশন নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আকর্ষণীয় আংটি কিনতে ক্লিক করুনএকটা সময় ছিল সম্পর্কের পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হলেই কেবল মেয়েরা আংটি পরত। সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই রীতি। আঙুলের স্টাইলিশ আংটি এখন তরুণীদের নিয়মিত সজ্জায় চোখে পড়ে। আঙুলে আংটি সাজের অন্যান্য জিনিসের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমানে স্বর্ণ পরার রীতি থেকে বেরিয়ে মেয়েদের রুচি গড়িয়েছে ম্যাটেরিয়ালে। মেয়েদের ফ্যাশনে বাহারি এসব আংটি তৈরি হচ্ছে কাঠ, পিতল, পুঁতি, মুক্তা, পাথরের মধ্যেই।

বাজার ঘুরলেই চোখে পড়ে বিভিন্ন নকশা ও আকারের আংটি। অ্যান্টিক, ব্রোঞ্জ, রুপা, পাথর, পুঁতি, গোল্ড প্লেটেড, ডায়মন্ড কাট, অক্সিডাইজড, বেত ও কাঠের তৈরি আংটি পাওয়া যাচ্ছে। নতুনত্ব আনতে আংটির আকৃতিও বদলে গেছে। ত্রিভুজাকৃতি, ডিম্বাকৃতি, গোলাকার, চৌকোণা, গম্বুজাকৃতি এমন পশুপাখির মুখের আদলেও আংটি পাওয়া যাচ্ছে।

চলুন হাল ফ্যাশনের আকর্ষণীয় ১০টি আংটি দেখে নেই।

০১. লেডিজ স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০২. লেডিজ জিঙ্ক অ্যালয় স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৩. লেডিজ জিঙ্ক অ্যালয় স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৪. লেডিজ হোয়াইট স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৫. ফ্যাশনেবল লেডিজ ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৬. লেডিজ পার্পেল স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৭. লেডিজ সিলভার স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৮. লেডিজ হোয়াইট স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

০৯.LOVE ONLY YOU কাপল ফিঙ্গার রিং(২ টি)

কিনতে ক্লিক করুন

১০.লেডিজ হোয়াইট স্টোন সেটিং ফিঙ্গার রিং

কিনতে ক্লিক করুন

 

আকর্ষণীয় আংটি কিনতে ক্লিক করুন

বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজের এক্সেসরিজ সেকশনে দেখা মেলে ট্রেন্ডি এবং ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের আংটি। পোশাকের সঙ্গে এক্সেসরিজও এখন ট্রেন্ডি। আকর্ষণীয় এই আংটি আপনি ইচ্ছে করলে ঘরে বসেও কিনতে পারবেন। ঘরে বসে অনলাইনে আংটি কিনতে এখানে ক্লিক করুন

*আংটি* *ফ্যাশনেআংটি* *হালফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান সময়ে নারীর ফ্যাশনে সালোয়ার কামিজের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে শার্ট। এই আউটগোয়িং রেডি টু ওয়ারটি এখন হাল ফ্যাশনে তরুণীদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন অঙ্গনে এবং ডিজাইনারদের চুলচেরা বিশ্লেষনে নারীদের শার্টের নকশায়ও এখন এসেছে বেশ পরিবর্তন। এসব শার্ট কাটছাঁটে সম্পূর্ণ ভিন্ন খুবই আরামদায়ক এবং স্টাইলিশ তো বটেই। সিনথেটিক কাপড়ের পরিবর্তে শার্ট তৈরিতে এখন ব্যবহৃত হচ্ছে ডেনিম জিন্স। ফ্যাশন সচেতন, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণীরা স্কার্ট, জেগিংস বা প্যান্টের সাথে শার্ট পরে থাকে। তবে তা অবশ্যই মানানসই হওয়া চাই। প্যান্টের সাথে যে শার্ট মানাবে তা স্কার্টের সাথে নাও মানাতে পারে।

 আবার বৈচিত্র্যপূর্ণ ডেনিম-জিন্স প্যান্টের সাথে পরা উচিত লেডিজ ক্যাজুয়াল সফট ডেনিম শার্ট । মেয়েদের শার্টে ফিটিংটা খুব জরুরি। ফিটিং মানে কিন্তু খুব টাইট না আবার খুব  ঢোলাও না, সৌন্দর্যের জন্য ফিটিং শার্ট ব্যবহার করা উচিত প্রত্যেক ফ্যাশন সচেতন তরুণীর। শার্টের সুন্দর ফিটিংয়ের জন্য টেকেন কাটিং প্রিন্সেস কাটিং দেয়া যেতে পারে। কাফ, কলার ইত্যাদির মাপ হতে হবে জুতসই।

যেখানে পাবেনঃ
রাজধানীসহ দেশের প্রায় সব শপিং মলেই পাবেন বাহারি এসব ডেনিম শার্ট। ফ্যাশন হাউস আমবার লাইফস্টাইল, একস্ট্যাসি, ক্যাটস আই,ইয়েলো , জেন্টল পার্ক ওমেন, ওয়েস্টেকস, স্মার্টেক্স, ওটু, ফ্রিল্যান্ড, আর্টিস্টি, তানজিম স্ট্রিটসসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানে ঘুরে দেখতে পারেন। এছাড়া ব্র্যান্ডগুলোর ফেসবুক পেইজে নিত্যনতুন পোশাকের আপডেট পাবেন। আর যদি নিজের পছন্দসই ইউনিক ডিজাইন এর শার্ট পরে সবাইকে তাক লাগাতে চান তাহলে আপনার যেতে হবে আপনার পছন্দসই দর্জি দোকানে। আর অনলাইন থেকে কিনতে হলে আজকের ডিলই একমাত্র ভরসা। 

 

*হালেরফ্যাশন* *হালফ্যাশন* *লেডিজডেনিমশার্ট* *ডেনিমশার্ট* *মেয়েদেরফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হুডি ফ্যাশন এখন টিনএজদের মধ্যে জনপ্রিয় একটি পোশাক ও স্টাইল হয়ে উঠেছে। হালকা শীতের মধ্যে এ পোশাকটির চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। একেক সময় একেক রকম তাপমাত্রা থাকে শীতে। তাই শীতের সহনীয় আঁচ গায়ে অনুভূত হওয়ামাত্রই তরুণদের মতো আজকাল তরুণীরা গায়ে জড়ান তাদের প্রিয় হুডি পোশাক। তরুণ তরুণীরা হালের ফ্যাশন হিসেবে হুডির ট্রেন্ডটা লুফে নিয়েছেন।শীতে হুডি বেশ কমফ্যের্টেবল এবং বেশ ফ্যাশনেবল। হুডি পরলে মাফলার পরার ঝামেলা নেই। বাসা হোক কিংবা বাইরে, যে কোনো জায়গাতেই হুডি বেশ মানানসই। হুডির ব্যবহার মূলত শুরু হয় পাশ্চাত্যের শীতপ্রধান দেশ থেকে। শীত বেশি হওয়ার কারণে সেসব শীতপ্রধান এলাকার মানুষ নানা ধরনের হুডি পরতেন। সেই হুডি আস্তে আস্তে ফ্যাশন হিসেবে প্রবেশ করে। পরবর্তীকালে আমাদের দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলো হুডির প্রচলন শুরু করে এবং ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে। 

 

US POLO হুডি জ্যাকেট ফর মেনজেন্টস ফুল স্লীভ হুডি

সেই থেকে এখন পর্যন্ত চলছে তো চলছেই। এখন জ্যাকেট, শর্ট-শার্ট, টি-শার্ট, ব্লেজার এবং সোয়েটারে হুডির ব্যবহার এসেছে। এ বছরে হুডির বেশি পরিবর্তন এসেছে একরঙা চেক শার্টের ওপর। টি-শার্টের মধ্যে এমব্রয়ডারি, কটন, হ্যান্ড স্টিচ, চেইন, বাটন, অ্যাপলিক, টাইডাই ও বাটিকের কাজের ওপর বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আর রঙ হিসেবে প্রাধান্য পেয়েছে কালো, অ্যাশ, বাদামি, নীল, মেরুনসহ আরও কয়েকটি রঙ। হুডির পকেটের কাটিংয়ে এসেছে ভিন্নতা।

 

 ফুল স্লীভ জেন্টস ইয়েলো কালার হুডিANGEL লেডিজ ফুল-স্লিভ উইন্টার হুডি

কোথায় পাবেন : রাজধানীতে  নামিদামি ফ্যাশন হাউস ছাড়াও বাজারে রেডিমেড হুডি প্রচুর পাওয়া যাচ্ছে। এদের মধ্যে আছে ইজি, পল্গাস পয়েন্ট, এক্সট্যাসি, ক্যাটস আই, ট্রেন্ডজ, ইয়েলো, প্লেয়ার, সেইলর ওয়েসটেক্স। গেঞ্জি উলের হুডি সোয়েটার পাওয়া গেলেও হুডি শার্ট ও হুডি গেঞ্জির বেচাকেনা বেশি হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা। ডিজাইনাররা বিভিন্ন কটন, কলারের হ্যান্ডস্টিচ, এমব্রয়ডারি, হাতের কাজ, চেইন ও বোতামের বৈচিত্র্য, টু-ইন ওয়ানসহ অসংখ্য ডিজাইনে ব্যবহার করছেন কালো, মেরুন, অ্যাশ, গাঢ় নীলসহ তারুণ্যের সব রঙ। মেয়েদের ফ্যাশনেবল হুডিগুলো সাধারণত কিছুটা শর্ট কাটিং হয়ে থাকে। মেয়েদের হুডিগুলো সাধারণত বিভিন্ন রকম স্ট্রাইপের রঙবেরঙের। তবে জিন্সের সঙ্গে এসব হুডি বেশি জুতসই।

 

 NIKE হুডি জ্যাকেট ANGEL লেডিজ ফুল স্লীভ হুডি

শুধু ফ্যাশন হাউসগুলোই না, রাজধানীর নিউমার্কেট, বঙ্গবাজার, ধানমণ্ডি হকার্স মার্কেটসহ নগরীর অভিজাত শপিং মলগুলোতেও খুঁজে পাবেন আপনার সঙ্গে মানানসই হরেক রকম হুডির কালেকশন। তবে বাজারে গেঞ্জির কাপড়ের সামনে পকেটওয়ালা হুডির চাহিদা তুলনামূলক বেশি। টু-ইন গেঞ্জির হুডিগুলোর চাহিদা অন্য ডিজাইনের হুডির চেয়ে অনেক বেশি। কম দামে বৈচিত্র্যময় ডিজাইনের হুডি কিনতে চাইলে চলে যেতে পারেন বঙ্গবাজার, বদরুদ্দোজা সুপার মার্কেট, নিউমার্কেটে। বাংলাদেশের বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলে ফ্যাশনেবল সব ধরনের হুডি পাবেন।ফুরফুরে মেজাজে শীতকে উপভোগ করতে সেইসঙ্গে শীতে স্মার্ট থাকতে আজই কিনে নিন আপনার পছন্দের হুডি আজকের দিল থেকে। এই লিংকে ও ছবিতে ক্লিক করলে পেয়ে যাবেন আজকের ডিলের লেডিজ হুডির যাবতীয় তথ্য।

 

জেন্টস ফুল স্লীভ ব্ল্যাক হুডিলেডিজ হুডি জ্যাকেট

দামদর : ব্র্যান্ডের হুডিগুলোর দাম পড়বে ৭০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত। তবে নিউমার্কেট, বঙ্গবাজার হকার্স মার্কেটে হুডির দাম পড়বে ২৫০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। তাই ফ্যাশনসচেতন তরুণীরা বেছে নিতে পারেন আপনার পচ্ছন্দমতো হরেক ডিজাইনের ট্রেন্ডি হুডি।

*বউনিঅফার* *লেডিজহুডি* *শীতেরফ্যাশন* *হালফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

মাফলার, কান টুপি এই পোশাকগুলো তো বড্ড সেকেলে। শীত থেকে বাঁচতে কান মাথা বাঁচাতে যা তা কি আর পড়া যায়?  ফ্যাশনেবল না হলে কি আর তা পরা যায়? এর স্মার্ট সমাধান হুডি। জ্যাকেট বা সোয়েটারের শুধু হুডটা টেনে মাথা ঢেকে নেয়া। দেখতেও দারুণ। ব্যস আর কী চাই। হুড পরা তরুণ-তরুণীর সংখ্যা তাই বাড়ছেই। হুডিতে যেমন শীত থেকে সহজেই মুক্তি মেলে, তেমনি হাল ফ্যাশনের সব পোশাকের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা আলাদা ডিজাইন রং ও কাটের বৈচিত্র্যময় হুডি দিয়ে ভরে আছে ফ্যাশন হাউসগুলো। যেকোনো পোশাকের চেহারা বদলে যায় শুধু হুড যোগ করার ফলে। আর শীতে তো এটা দারুণ কার্যকর। এমনকি গরমেও অনেকে হুডসহ শার্ট পরতে পছন্দ করেন। একটু ভিন্ন রকম ক্যাজুয়াল ভাব আসে তাতে।

অনেকের কাছে সাদামাটা কাটের সোয়েটার পরতে ভালো লাগে না। আবার পাশ্চাত্য ধাঁচের পোশাক পরতেও খুব পছন্দ করেন। হুড দেয়া সোয়েটার বা জ্যাকেট তাই ভালো লাগে তাদের কাছে। শীতে তো পরেনই, গরমেও খাটো হাতার হুডি টপ পরতে ভালো লাগে। তাদের কাছে ডেনিম প্যান্টের সঙ্গে হুডি টপ দারুণ ফ্যাশনেবল বলে মনে হয়। 

একটা সময় হুডি ব্যবহার হতো শুধু জ্যাকেটেই। জিপারওয়ালা বা জিপার ছাড়া বড় পকেট থাকত পোশাকে। জরুরি জিনিসগুলো বহন করা আবার মাথা ঢাকা দুটো প্রয়োজনই মিটতো। তবে এখন রূপ বদলেছে এর। শুধু জ্যাকেট নয়, সোয়েটার, টি-শার্ট নানা ধরনের পোশাকেই হুড জুড়ে দেয়া হচ্ছে। মেয়েদের জন্য করা হচ্ছে নানা কাটের টপ। সঙ্গে থাকছে হুড। 

মেয়েদের হুডি :

ওয়েস্টার্ন আউটফিটের সঙ্গে হুডি খুব ভালো মানিয়ে যায়। সারা দিন শাল বা ভারী সোয়েটার সামলানোটা বেশ বিরক্তিকর। স্টাইলিশ হুডিগুলো দিনের বেলায়ও ভালো লাগে। আর রাতে তো কথাই নেই—টুপি তুলে, পকেটে দুহাত ভরে শীত উপভোগ করা। মেয়েদের হুডিগুলো সাধারণত উজ্জ্বল রঙের হয়ে থাকে। হলুদ, গোলাপি, বেগুনি, নীল, লাল, কালো ইত্যাদি রঙের।

এ ছাড়া প্রিন্টেড হুডি, সামনে রঙিন কার্টুন, বার্বির ছবি আঁকা হুডিও পাওয়া যায়। নিট কাপড়ের হুডিগুলো টি-শার্টের মতো পাতলা হওয়ায় দিনের অল্প শীতে বেশ আরামদায়ক। মেয়েদের হুডির কাটছাঁটে বৈচিত্র্য আরো বেশি। কটি, টি-শার্ট, টু ইন ওয়ান হুডি এমনকি টপস স্টাইলের হুডিরও দেখা মেলে। মেয়েদের হুডিতে ব্যবহার করা হয় বৈচিত্র্যময় বোতাম, স্টিকার, এমব্রয়ডারি।

ছেলেদের হুডি :

হুডি শুধু এখন সোয়েটার আর পেছনের একটা টুপি না, ব্লেজার, কটি, টি-শার্ট এমনকি শার্টের কাটছাঁটেও তৈরি হচ্ছে হুডি। আর ছেলেদের হুডির কাপড় হিসেবে লেদার, কোটের কাপড়, গ্যাবার্ডিন, কড, নিট, ডেনিম ইত্যাদি কাপড় ব্যবহার করা হচ্ছে। নকশায় প্রাধান্য পায় চেক, স্টাইপ, পলকা ডট ইত্যাদি। ছেলেদের হুডির রং হিসেবে কালো, বাদামি, কফি, অফ হোয়াইট, নেভি ব্লু প্রভৃতি রং মানিয়ে যায়। অনেক সময় এক রঙা হুডির ভেতরের অংশে ব্যবহার করা হয় অ্যানিমেল প্রিন্টসহ বিভিন্ন প্রিন্ট। হুডির সঙ্গে ক্যাজুয়াল যেকোনো প্যান্টই পরতে পারেন, জিন্স, গ্যাবার্ডিন কিংবা ডেনিম। হুডির হাতায়ও আছে বৈচিত্র্য । ম্যাগি হাতা, হাফ হাতা, ফুল হাতার সঙ্গে ফোন্ড করার বাড়তি বোতামসহ হুডিগুলো বেশ স্টাইলিশ। ছেলেদের হুডিগুলোতে পেছনের টুপি খোলার ব্যবস্থা করা থাকে অনেক সময়। দিনের বেলায় শীত কম থাকলে বাড়তি টুপিটা পিঠে বয়ে বেড়াতে না চাইলে বাড়িতে রেখেই বের হতে পারেন।

 

কোথায় পাবেন? কেমন দামে?

দেশের সব ফ্যাশন হাউসেই পাবেন হুডি। এ ছাড়া ঢাকা কলেজের বিপরীত পাশের গ্লোব সুপার মার্কেটে, গুলিস্তান স্টেডিয়াম মার্কেটেও পাবেন অনেক বৈচিত্র্যময় হুডি। ব্রান্ডের হুডি পাবেন এক হাজার ৫০০ থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকার মধ্যে। নন ব্রান্ড হুডির দাম ৬০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকার মধ্যেই। আর অনলাইনে কিনতে চাইলে আজকের ডিল ছাড়া আর কি হতে পারে। কারণ আজকের ডিলে চলছে হুডির অস্থির কালেকশন ! ৪২০ টাকা থেকেই পাওয়া যাচ্ছে। আজকের ডিলের হুডির কালেকশন দেখতে ছবিগুলোতে এবং হুডি এই লিংকে ক্লিক করুন।

*হুডি* *শীতেরফ্যাশন* *হালফ্যাশন*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আজকাল তরুণদের মধ্যে ট্যাটু করানোর ঝোঁক অতিশয় লক্ষ্যণীয়, স্টাইলের অনুষঙ্গ হিসেবে শুধু ট্যাটু করলেই হবে না, ট্যাটু পরবর্তী কিছু সাবধানতা অবলম্বন করাটাও আরো বেশি জরুরি, আর সেকারণেই  আপনাকে তো কিছু বিধিনিষেধ মেনে চলতেই হবে | যদিও আমি ব্যক্তিগত ভাবে এই ট্যাটু ফ্যাশনে বিশ্বাসী বা আকর্ষিত নই, এগুলো আমার কাছে নিছকই অপ সংস্কৃতি বলে মনে হয় l তবুও এই আর্টিকেলটি শেয়ার করছি, তাদের জন্য যাদের এই ট্যাটুযে রয়েছে অধীর আগ্রহ l  চলুন তাদের জন্য জানি,  ট্যাটু করানোর পর কি কি কাজ করা উচিত হবে  না‚ তার তালিকা |

♦ বেশিরভাগ সময় ট্যাটু করার পর‚ ট্যাটুর ওপরে একটা প্লাস্টিক কভার দিয়ে দেওয়া হয় | যাতে সংক্রমণ না হয়, কিন্তু অবশ্যই মনে করে এই প্লাস্টিক দু‘ঘন্টার মাথায় খুলে ফেলুন |

♦ ট্যাটু হাল্কা গরম পানি দিয়ে ধুতে পারেন কিন্তু তীব্র গরম জল ব্যবহার করবেন না | গরম জল ত্বকের ছিদ্র খুলে দেয়, ফলে ট্যাটুর রঙের তারতম্য দেখা দিতে পারে | এছাড়াও ইনফেকশন হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায় | কারণ খোলা ছিদ্র দিয়ে সহজেই জীবাণু ঢুকে যেতে পরে |

♦ যদিও ট্যাটু করা ত্বকের ময়শ্চারাইজেশন খুবই জরুরী‚ কিন্তু ভাববেন না বেশি করে ময়শ্চারাইজার লাগালেই আপনার ত্বক সেরে যাবে | এর ফলে কিন্তু সহজেই ইনফেকশন হতে পারে | ত্বক পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে তবেই নতুন ময়শ্চারাইজারের প্রলেপ লাগান |

♦ কোনমতেই ট্যাটুতে ব্যান্ডেজ বেঁধে রাখবেন না | এতে ক্ষত শুকোতে অনেক বেশি সময় লাগবে | তাছাড়া ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায় |

♦ মনে রাখবেন আপনার ট্যাটু করা অংশটা কিন্তু একটা ক্ষত | তাই এটা যখন শুকিয়ে আসবে তখন চুলকোবে | কিন্তু দয়া করে চুলকোবেন না | চুলকোলে ওই অংশটা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল লিকিউড দিয়ে ধুয়ে ফেলুন | এবং কোন কোল্ড ক্রিম লাগিয়ে নিন | আইস জেল প্যাক ও ব্যবহার করতে পারেন |

♦  অনেকেই ট্যাটু করিয়ে তিন দিন চান করেন না | এটা কিন্তু করা ঠিক নয় | চান করতেই পারেন | জল লাগলে ট্যাটুর কোন ক্ষতি হয় না | তবে খুব বেশিক্ষণ জলে ট্যাটু করা অংশ ভিজিয়ে রাখবেন না | বাথ টাব এবং গরম জল এড়িয়ে চলুন অন্তত ২-৩ সপ্তাহ | সাবান বা শ্যাম্পু লেগে গেলে তাড়াতাড়ি ট্যাটু ধুয়ে ফেলুন |

♦ ট্যাটু করার পর অন্তত ১ মাস সুইমিং পুল‚ সমুদ্র‚ স্পা‚ শনা না করাই ভালো | সমুদ্রে চান করার ফলে খুব সহজেই সংক্রমণ হতে পারে | এছাড়াও ক্লোরিনে ট্রিটমেন্ট করা জল ও একেবারেই ভালো না আপনার ট্যাটুর জন্য |

♦ ট্যাটু করার পর অন্তত তিন সপ্তাহ জিমে যাবেন না | বা ফুটবল ক্রিকেট বা যে কোন ধরণের কাজ যাতে ঘাম হয় তা না করাই ভালো |

♦  ট্যাটু করার কিছুদিন পর যে অংশে ট্যাটু করিয়েছেন সেই চামড়া উঠে যাবে | এই সময় দয়া করে নিজে সেই চামড়া টেনে তোলার চেষ্টা করবেন না | সব সময় ভালো করে সাবান দিয়ে তবেই ট্যাটুর ওপর হাত দেবেন |

♦ নতুন ট্যাটুতে কোনদিন সূর্যরশ্মি লাগাবেন না | সূর্যরশ্মিতে উপস্থিত আলট্রা ভায়োলেট রে আপনার ট্যাটুর ক্ষতি করতে পারে | একই সঙ্গে ট্যাটুর রং ও হাল্কা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে | বাইরে বেরোনোর আগে ভালো করে আপনার ট্যাটু ঢেকে নিন | এবং অবশ্যই সান প্রোটেকশন লোশন যাতে অন্তত SPF 30 আছে তা লাগিয়ে নিন |

♦ ট্যাটু করার পর সেই অংশে টাইট কাপড় বা জুতো পরবেন না | আপনার ট্যাটুর নিঃশ্বাস নেওয়া খুবই জরুরী | এতে আপনার ক্ষত তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে এবং ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যাবে |

♦ ট্যাটুর ওপর Neosporin বা এই ধরণের ওষুধ লাগাবেন না | এই ওষুধগুলো পাংচার উন্ডের জন্য বানানো হয় নি |

♦ ট্যাটু করা অংশ শেভ করবেন না যতদিন না ট্যাটু পুরোপুরি শুকিয়ে গেছে | তাই দরকার হলে ট্যাটু করানোর আগে ওই অংশ লোমমুক্ত করুন |

♦ ট্যাটু করা অংশে খুব সহজেই ইনফেকশন হতে পারে তাই যতটা পারবেন বাস‚ ট্রেন‚ মেট্রো‚ রেস্তোরাঁ বা পাবলিক টয়েলেটে হেলান দিয়ে দাঁড়াবেন না বা ট্যাটু করা অংশ অন্য কারুর গায়ে যাতে না লাগে তাও খেয়াল রাখুন |

♦ অল্প সংখ্যক মানুষের ট্যাটুতে ব্যবহার করা লাল রঙ থেকে অ্যালার্জি হতে পারে | তাই ট্যাটু করানোর আগে রেড ডাই টেস্ট অবশ্যই করিয়ে নিন |

সূত্র : ইন্টারনেট 

*ট্যাটু* *হালফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটা সময় ছিল যখন নারীরা পর্দা করার উদ্দেশ্যে বোরকার সাথে হিজাব ব্যবহার করতেন। তবে বর্তমানে হিজাব শুধু গুটিকয়েক নারীর মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি ফ্যাশন ট্রেন্ড হিসাবে ছড়িয়ে পড়েছে সব বয়সের নারী ও তরুনীদের মাঝে। হিজাব যেমন পর্দা করার জন্য উপকারী, ঠিক তেমনি এর রয়েছে আরও অনেক উপকারী দিকও। বাইরে বের হলে আপনার ত্বক এবং চুলের সব থেকে বড় শত্রু হল ধুলাবালি ও ক্ষতিকর সূর্যকিরণ।আপনার ত্বক এবং চুলকে রক্ষা করার একটি ভাল উপায় হতে পারে হিজাব ব্যবহার। শুধু বোরকার সাথে নয়, হিজাব পরতে পারেন শাড়ি, কামিজ, কুর্তা বা অন্য যে কোনো পোশাকের সাথে।

পবিত্র ঈদ-উল-আজহার আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসবকে সামনে রেখে শপিং নিয়েও অনেকে এখন হয়তো ব্যস্ত সময় পার করছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক সামনের এই ঈদের জনপ্রিয় কিছু হিজাব ট্রেন্ড সম্পর্কে।

ঢোলা ম্যাক্সি ড্রেসের সাথে ফুলেল প্রিন্টের পোশাক এই সিজনের জন্য বেশ উপযুক্ত। ফুলেল প্রিন্টের ম্যাক্সির সাথে পরতে পারেন সাদা ব্লাউজ এবং ম্যাক্সির সাথে ম্যাচিং হিজাব। এতে আপনার যেমন ক্লাসিক লুক বজায় থাকবে তেমনি এই পোশাক পরে ঈদের দিন সকালে বেড়াতে যেতে পারেন যে কারো বাসায়। ঈদের জন্য আরও পরতে পারেন লম্বা হাতাযুক্ত আবায়া। আপনি যদি মনে করেন, ঈদের দিন সকালে আপনার বাসায় মেহমান আসবে তাহলে এই পোশাকটি বেছে নিতে পারেন।

কিনতে ক্লিক করুন 

আপনি যদি আরেকটু ক্যাজুয়াল এবং স্পোর্টি লুক বেছে নিতে চান, তাহলে সাধারণ প্যান্টস এবং লম্বা হাতাযুক্ত টপস বেছে নিতে পারেন। এবং টপসের সাথে ম্যাচিং করে হিজাব করতে পারেন। সাথে পরতে পারেন ট্রেঞ্চ সামার জ্যাকেট এবং স্নিকারস অথবা ফ্ল্যাট শু। ভেস্ট এবং লম্বা হাতাযুক্ত আইটেম এই সিজনের সবচেয়ে জনপ্রিয় আইটেম। সুতরাং ফুলেল প্রিন্টের একটি পোশাক বেছে নিন। চাইলে এটি পরতে পারেন জিন্সের সাথেও। 

 কিনতে ক্লিক করুন 

হিজাব ব্যবহারের ক্ষেত্রে পোশাকের রং ও ধরণকে মাথায় রেখে হিজাব বাছাই করতে হবে। পোশাকের রঙের সাথে মিলিয়ে বা বিপরীত রঙের হিজাব ব্যবহার করতে পারেন। যদি পোশাকটি বেশী নকশা করা বা প্রিন্টের হয় তবে সেক্ষেএে একরঙা হিজাব নির্বাচন করুন। আবার পোশাকটি হালকা কাজের বা একরঙা হলে তার জন্য বেছে নিন বিপরীত রঙের বা নকশা করা ও প্রিন্টের হিজাব। হিজাব পড়ার আগে অবশ্যই পোশাকের হাতের দিক নজর দিন।

কিনতে ক্লিক করুন 

পোশাকের হাতা যেন অবশ্যই ফুলহাতা বা থ্রি কোয়াটার হাতা হয়। কারণ হিজাবের সাথে ছোট হাতার পোশাক একদমই বেমানান। বাজার ঘুরে কটন , লেস, জর্জেট ও সাটিনসহ নানা ধরনের কাপড়ের হিজাব দেখা যায়। কাপড়ের মান ও নকশার উপর ভিওি করে এগুলোর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বেছে নিন নিজের বাজেটের মাঝে। হিজাব শুধু পর্দা করার ক্ষেত্রেই না , নারীদের সৌন্দর্য বর্ধনেও পিছিয়ে নেই। চাইলেই হিজাব পড়ার আগে চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন আজকের ডিলের পেজে। সেখান থেকেই পেয়ে যাবেন আপনার রুচিমত একটি স্টাইল ।

কিনতে ক্লিক করুন 

ঢাকায় হিজাবের সবচেয়ে বড় মার্কেট হচ্ছে বসুন্ধরা সিটির লেভেল ফোর। এই ফ্লোরে প্রায় দেড়শো দোকান রয়েছে হিজাব ও বোরকার। শুধুমাত্র হিজাব বিক্রি করে এমন দোকানও অনেক রয়েছে। মার্কেটের নিচতলাতেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অনেকগুলো হিজাব ও বোরকার দোকান। এছাড়াও ঢাকার প্রতিটি মার্কেট ও শপিং প্লাজায় রয়েছে হিজাব ও বোরকার দোকান। সময়টা এখন ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা, তাই বোরকাও আর আগের মতো নেই। গাউন, ওভারকোট ও ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের বোরকা পাওয়া যায় বাজারে। রয়েছে প্রায় ৪-৫ ধরনের হাজারো রঙের হিজাব। মাথা থেকে কোমড় পর্যন্ত ঢেকে রাখে মাদানী হিজাব। সাধারণত হজ্বের সময় এই হিজাব পরেন নারীরা। নামাযের সময়ও এই হিজাব ব্যবহার করা যায়। মাদানী হিজাবের চেয়ে একটু ছোট হিজাবকে কুচি হিজাব বলে। এই হিজাব দিয়ে গলা ও বুক ঢেকে রাখা যায় খুব সহজেই।

hijan

কিনতে ক্লিক করুন 

কাপড়, ডিজাইন ও প্রাপ্তির স্থানভেদে হিজাবের দামে রয়েছে তারতম্য। বসুন্ধরা সিটি শপিংমল এবং ঢাকার অন্যান্য মার্কেটগুলোতে শর্ট হিজাবগুলো ২০০টাকা থেকে ৯৫০ টাকায় পাওয়া যাবে। অনলাইনে কিনতে চাইলে আজকের ডিল এখন ফ্যাশনেবল নারীদের প্রথম পছন্দ l হিজাবের ওড়না পাওয়া যাবে ৪০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকায়। মাদানী হিজাবের দাম ৩০০ থেকে ৭৫০ টাকা। আর ৩০০টাকার মধ্যেই কেনা যাবে খোপা হিজাব।
 

ঈদে আপনার সঙ্গে মানানসই হিজাব ট্রেন্ডকে উপভোগ করুন। পরিবারের সঙ্গে আপনার ঈদ উদযাপনের শুভকামনা রইল।

*হিজাব* *হালফ্যাশন* *পর্দা* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ব্রোচ- এক সময় এর ব্যবহারে প্রকাশ পেত আভিজাত্য, আধুনিক সময়ে যা পরিণত হয়েছে ফ্যাশনের অন্যতম অনুষঙ্গে। দাওয়াত কিংবা অনুষ্ঠানে জমকালো পোশাক পরতে সবসময় ভালো লাগেনা, সেক্ষেত্রে সাদামাটা কোন পোশাকের সাথে লাগিয়ে নিন জমকালো একটি ব্রোচ- পরিবর্তনটা নিজেই নিশ্চয় খেয়াল করে দেখেছেন। কাপড়ের ভাঁজে, আঁচল উল্টে কত কসরত করেই না ঢেকেঢুকে পিন লাগানোর চেষ্টা চলে। ব্রোচ থাকলে আর পিন লুকোচুরির কিছু নেই। এটি লাগানোয় কাপড়ে যেমন পিন করা হয়, তেমনি অলংকার হিসেবেও বেশ মানিয়ে যায়। আর তাই ব্রোচের জনপ্রিয়তা দিন দিন বেড়েই চলছে। অনেকেই শাড়ি বা ওড়নার আঁচলটা একটু গুছিয়ে ভাঁজ করে গ্রীবার কাছে আটকে নিচ্ছেন ফ্যাশনেবল ব্রোচ। এমন অনেকেই আছেন, যারা শুধু অলংকার হিসেবেই কাপড়ের সঙ্গে ব্রোচ লাগাচ্ছেন। কেউ আবার হিজাব, স্কার্ফের সঙ্গে নানাভাবেই ব্রোচ ব্যবহার করছেন।

সোনা, রূপা, ব্রোঞ্জ ইত্যাদি বিভিন্ন ধাতু দিয়ে তৈরি হয় ব্রোচ। পাথর ও মুক্তা বসিয়ে যেমন তৈরি করা হয়, তেমনি মিনা করেও তৈরি হয় ব্রোচ। নকশায়ও রয়েছে বৈচিত্র্য। ফুল, প্রজাপতি, লতাপাতা, পাখি, ময়ূর, চাবি এবং নানা রকম জ্যামিতিক নকশায় তৈরি হয় ব্রোচ। ব্যতিক্রমী নকশা চাইলে দেখতে পারেন চেইন দিয়ে ঝোলানো ব্রোচ- কখনো দুটি ব্রোচের মাঝে, আবার কখনো একটি ব্রোচেই লাগানো থাকে চেইন। রোজকার ব্যবহারের জন্য ছোটখাটো ব্রোচ হলেই চলে, কিন্তু পার্টি বা বিশেষ কোনো দাওয়াতে গেলে তখন তো জাঁকজমক বড়সড় ব্রোচ না হলেই নয়। তবে কাপড়ে ব্রোচ লাগানোর ক্ষেত্রে কাপড়ের রং, পোশাকের ধরন ও কোথায় যাচ্ছেন—সেসব বিষয় একটু ভেবে নেওয়া ভালো। মানানসই ব্রোচ শুধু যে আপনার সাজকে আরও আকর্ষণীয় করবে তা-ই নয়, একই সঙ্গে এটি আপনার ব্যক্তিত্ব ও রুচির প্রকাশ ঘটাবে।

শাড়ি কিংবা সালোয়ার কামিজ, হিজাব অথবা পাশ্চাত্য ধাঁচের গাউন কিংবা টপ- পোশাক যা-ই হোক না কেন, অনায়াসে মানিয়ে যায় ব্রোচ। কাপড়ের ধরন কিংবা সাজগোজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন উপায়ে ব্রোচ পরা যায়। যদি পোশাকটি হয় গ্রাফিকযুক্ত কিংবা জ্যামিতিক নকশার, তাহলে পরে নিন ভিনটেজ ধাঁচের ব্রোচ- যা আপনাকে করে তুলবে অভিজাত এবং আধুনিক। যদি পোশাকটি অনেক জাঁকজমকপূর্ণ হয়, তাহলে তুলনামূলক সাধারন নকশাযুক্ত ব্রোচ পরে নিন। আবার পোশাকটি যদি হয় সাধারন, তাহলে পরে নিন নকশাদার কোন ব্রোচ। সাধারণত গ্রীবার কাছাকাছি ডান কিংবা বামদিকে ব্রোচ ব্যবহার করা হয়। তবে জ্যাকেট কিংবা কোটির মাঝখানেও ব্রোচ দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। যদি ব্যতিক্রম হতে চান, তাহলে পোশাকের পরিবর্তে পার্স বা ব্যাগে লাগাতে পারেন সুন্দর একটি ব্রোচ। 


রোজকার ব্যবহারের জন্য ছোটখাটো ব্রোচ হলেই চলে, কিন্তু পার্টি বা বিশেষ কোনো দাওয়াতে গেলে তখন তো জাঁকজমক বড়সড় ব্রোচ না হলেই নয়। তবে কাপড়ে ব্রোচ লাগানোর ক্ষেত্রে কাপড়ের রং, পোশাকের ধরন ও কোথায় যাচ্ছেন—সেসব বিষয় একটু ভেবে নেওয়া ভালো। মানানসই ব্রোচ শুধু যে আপনার সাজকে আরও আকর্ষণীয় করবে তা-ই নয়, একই সঙ্গে এটি আপনার ব্যক্তিত্ব ও রুচির প্রকাশ ঘটাবে। 

কোথায় পাবেন: বেশির ভাগ গয়নার দোকানেই পাওয়া যাচ্ছে নানা ধাঁচের ব্রোচ। ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিংমল, নাভানা বেইলি স্টার, আলমাস সুপার স্টোর, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটিসহ বিভিন্ন শপিংমলে ব্রোচ পাওয়া যায়।  এচার নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক এমনকি অনলাইন শপ আজকের ডিলেও পেয়ে যাবেন। 

 

দরদাম: যেকোনো ব্রোচের দাম অবশ্য নির্ভর করে ব্রোচের আকার ও নকশার ওপর। বড় আকারের মূল্যবান পাথর বসানো একটি ব্রোচের দাম হাজারের ওপর তো হবেই। চীন ও ভারতের ব্রোচের দাম তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম। আলমাস সুপার স্টোরে ব্রোচের সর্বনিম্ন দাম ২০০ টাকা। ভারতীয় ব্রোচের নকশা চীন ও কোরিয়ার নকশার চেয়ে কিছুটা ভিন্ন। আবার কেউ যদি নিজের নকশায় ব্রোচ বানাতে চান সেটিও সম্ভব। নিউ মার্কেট থেকে নানান দামের ব্রোচ কিনতে পারবেন। আজকের ডিলে ১৩০ টাকা থেকে শুরু। আজকের ডিল থেকে কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

*হালফ্যাশন* *ব্রোচ*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

সালোয়ার কামিজ কিনতে ক্লিক করুনহালফ্যাশনে কেউ শাড়ি, কেউবা ফতুয়া, কেউবা আবার সালোয়ার কামিজেই নিজেকে সাজাতে পছন্দ করেন। বর্তমান ফ্যাশনে লং হোক কিংবা শর্ট, মেয়েদের সালোয়ার-কামিজের আবেদন এতটুকু কমেনি। যেকোনো উৎসব-পার্বণে সব বয়সী মেয়েদের পছন্দের পোশাক সালোয়ার-কামিজ। ঝামেলাবিহীন স্বস্তির পোশাক হিসেবে সালোয়ার-কামিজকেই বেছে নেন তাঁরা। বরাবরই এর কাটিংয়ে থাকে ভিন্নতা এবং প্যাটার্নে আসে নতুনত্ব। এই গরমের সাজে যারা নতুন কিছু খুঁজছেন তারা কনটেন্টটির ছবিগুলোতে ক্লিক করুন।

বাহারি সালোয়ার কামিজ

সালোয়ার কামিজ কিনতে ক্লিক করুন 

শাড়িতে সুন্দর নারী আর সালোয়ার কামিজে সতেজ ও মোহনীয় দেখায় তরুণীদের। তবে সালোয়ার কামিজের কাটিং ও ঢঙে অনেকটা বৈচিত্র্য এসেছে আর দারদামও এসেছে নাগালের মধ্যে । বিগত কয়েক বছর ধরেই এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এবার গরম আবহাওয়া বিবেচনা করে এবার সালোয়ার কামিজে প্রাধান্য পেয়েছে সুতি কাপড়। দেশের ফ্যাশন হাউসগুলো নতুন নতুন ডিজাইনের সালোয়ার কামিজের পসরা সাজিয়ে তুলেছে। নামিদামি বিদেশি ব্র্যান্ডের বাইরে দেশীয় পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের ঝোঁকটা একটু বেশিই। এর কারণ ভালো মান আর ডিজাইনে বাহারি ঢং। আর ক্রেতাদের চাহিদামতো দোকানিরাও সাজিয়ে বসেছেন তাদের উৎসবের পোশাক।

সালোয়ার কামিজ কিনতে ক্লিক করুনসালোয়ার কামিজ কিনতে ক্লিক করুনচল যেটাই থাকুক না কেন, যে কোন উৎসবে চাই একটু ভিন্নতা। একটু নতুনত্ব। তাই এবার লং, শর্ট সালোয়ার-কামিজের পাশাপাশি ফ্রক স্টাইলের সালোয়ার-কামিজের চাহিদা বেশি। কেউ লং ফ্রক কিনছে, কেউ বা শর্ট ফ্রক পছন্দ করছে। ঘেরওয়ালা ফ্রকের চাহিদাও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকে আবার কামিজের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন নানা ডিজাইনের কটি। রংচঙা এই কটিগুলো মানিয়েও যাচ্ছে বেশ। কোনোটা উঁচু গলার,কোনোটা আবার বোতাম স্টাইল, কটিতে বাহারি রঙের ফিতার চলটাও একেবারে এড়িয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। পাইপিনের চলটা আবারও ঘুরেফিরে চোখে পড়ছে। যদিও বেলবেটের রিবন এবারও পছন্দের শীর্ষে। তার ওপর কারচুপি কাজ পোশাকে বাড়তি মাত্রা যোগ করছে। আর সালোয়ারেও চলছে পালাবদল। পালোজ্জা পছন্দের জায়গাটি ধরে রেখেছে ঠিকই। তবে চুড়িদারও কামিজের সঙ্গে নজর কাড়ছে বেশ।

সালোয়ার কামিজ কিনতে ক্লিক করুন  যেহেতু গরম তাই সুতিকেই সবাই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। তবে সিল্ক, অ্যান্ডি কটন, হাফসিল্কও পিছিয়ে নেই। সেই সঙ্গে যোগ হয়েছে ফ্লোরাল প্রিন্টের জর্জেট। কারণ বৃষ্টিতে জর্জেটের আবেদন সব সময়ই থাকে। রংটাও বেছে নিচ্ছে সবাই গরমোপযোগী। হলুদ, আকাশি, হালকা সবুজ, মেরুন, সাদা, গোলাপি আর ফিরোজা। গরমের সময় এ ধরনের রং অনেকটা স্বস্তি দেয়।


কোথায় পাবেন ভালো মানের সালোয়ার কামিজঃ

সালোয়ার কামিজ কিনতে ক্লিক করুন  

দেশের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস গুলোতেই সালোয়ার-কামিজ কিনতে পারবেন। সবধরনের সালোয়ার কামিজ কিনতে ঢুঁ মারতে পারেন নিউমার্কেট, গাউছিয়ায়। এই মার্কেটগুলোতে দামদর করে পছন্দমত সালোয়ার-কামিজ কিনে নিতে পারবেন। তাছাড়া আকর্ষনীয় ও বাহারি ডিজাইনের স্টাইলিশ ও গর্জিয়াস সালোয়ার কামিজ কিনতে চাইলে নির্ভর করতে পারেন দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিংমল আজকের ডিলের উপর। আজকের ডিলে রয়েছে বাহারি সব সালোয়ার কামিজের সমাহার। নিজের জন্য অথবা প্রিয়জনকে উপহার হিসেবে দেয়ার জন্য এক্ষনি এই লিংকে ক্লিক করুন

*সালোয়ারকামিজ* *হালফ্যাশন* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে পাশ্চাত্যে বরাবরই ব্যাপকভাবে হ্যাট নামক টুপির প্রচলন আছে। সামাজিক স্ট্যাটাসের প্রচলিত রীতি থেকে বের হয়ে বর্তমানে ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে হ্যাট এদেশেও বেশ জনপ্রিয়। ফ্যাশন মানেই যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা। আর যারা ফ্যাশনপ্রেমী তারা ফ্যাশন আর স্টাইলের সমন্বয়ে আরামদায়ক অনুষঙ্গটি তাদের ফ্যাশন হিসেবে বেছে নেন। মাথায় একটা লাল রঙের হ্যাট, চোখে সানগ্গ্নাস, গায়ে টি-শার্ট, পরনে জিন্স, আর পায়ে এক জোড়া চমৎকার জুতা। ভাবছেন এমন সাজ পোশাকে নিজেকে অবশ্যই স্মার্ট লাগবে। হ্যাঁ, আপনার অন্য সব সাজপোশাকের সঙ্গে গোলাকার এক টুকরো কাপড়ের হ্যাট আপনাকে করে তুলতে পারে ফ্যাশনেবল।

         কিনতে ক্লিক করুন                                        কিনতে ক্লিক করুন 

এক সময় মানুষ হ্যাট পরত ধর্মীয় বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানে। আবার সামাজিক স্ট্যাটাসের প্রতীক হিসেবেও হ্যাটের প্রচলন ছিল। কিন্তু বর্তমানে ফ্যাশন অনুষঙ্গ হিসেবে হ্যাট অনেক জনপ্রিয়। ক্যাপের পাশাপাশি হ্যাটের চাহিদা এখন তুমুল। তবে একুশ শতক থেকেই তরুণ প্রজন্মের পছন্দের তালিকায় চলে আসে হ্যাট। জনপ্রিয় পপ তারকা লেডি গাগাও হ্যাট বেছে নেন পছন্দের অনুষঙ্গ হিসেবে। ছেলেমেয়ে উভয়ের পছন্দের তালিকায় রয়েছে হ্যাট। যদিও এখন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ূয়া ছেলেমেয়েদের খুব একটা হ্যাট পরতে দেখা যায় না, কিন্তু যারা একটু আলাদা ঢঙে চলতে পছন্দ করেন তারা ঠিকই নিজেদের সাজে বৈচিত্র্য নিয়ে আসেন।

                 কিনতে ক্লিক করুন                                    কিনতে ক্লিক করুন

জিন্স, টপসের সঙ্গে নিজেকে সবার থেকে আলাদা করতে হ্যাটের জুড়ি মেলা ভার।' সাধারণত রোদ থেকে রক্ষা পেতেই ছেলেদের দেখা যায় হ্যাট পরতে। মেয়েদের হ্যাটের ডিজাইনে রয়েছে বেশ বৈচিত্র্য। মেয়েদের হ্যাট আকারে একটু বড় হয়। আর এই হ্যাট বিশেষভাবে লেস দিয়ে ডিজাইন করা থাকে। আবার রঙের ক্ষেত্রেও রয়েছে বেশ বৈচিত্র্য। যেমন লাল, গোলাপি, কমলা, হলুদ ইত্যাদি। কাপড়ের তৈরি হ্যাট ছাড়াও মেয়েদের জন্য রয়েছে বেতের আকর্ষণীয় ডিজাইনের হ্যাট।

                    কিনতে ক্লিক করুন                               কিনতে ক্লিক করুন

ধরা যায় ফ্যাশনে হ্যাটের আগমন আঠারো শতকেই। প্রথমে এর বিশদ প্রচলন দেখা যায় সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন সম্মাননা দেওয়ার ক্ষেত্রে। পরবর্তী সময়ে তা সমাজের প্রভাবশালীদের নজরে এলে ধীরে ধীরে বিস্তার ঘটে জনসাধারণে। হ্যাট শুধু ফ্যাশন আর সম্মাননাতেই নয়, সূর্যালোক থেকেও তা নিশ্চিন্ত রাখে। তাই গ্রীষ্মের রোদে বাংলাদেশে হ্যাট ফ্যাশনের গুরুত্বটাও একটু বেশি। স্পোর্টসেও ব্যবহৃত হয় হ্যাট। তবে ফ্যাশনের জন্য তার বিচিত্রতা ভিন্ন। বিশ্বের সব রকম হ্যাটের ব্যবহার আমাদের দেশে না থাকলেও দেখা মেলে প্রচলিত কয়েকটির। বিভিন্ন গেটআপের জন্য নেওয়া উচিত ভিন্ন ভিন্ন হ্যাট।

হ্যাটের আছে প্রকারভেদ

সামার হ্যাট :এই হ্যাট অনেক ফ্যাশনেবল এক্সেসরিস। জিন্স এবং টি-শার্টের সঙ্গে তরুণ-তরুণীরা তাদের পছন্দের হ্যাট বেছে নিতে পারে।

গিয়ান্ট সান হ্যাট :হ্যাট মূলত দিনের বেলায় পরা হয়। আর এ ধরনের ফ্লপি হ্যাট শীতকালে ভালো মানায়। নিউজবয় হ্যাট :এই হ্যাট ভিন্টেজ মুভির হকার পরত। তাই এর নামকরণ করা হয়েছে নিউজবয়।

ইভিনিং হ্যাট :মেয়েরা শুধু রোদ থেকে সুরক্ষা পেতেই হ্যাট পরেন না, বরং পার্টিতে রয়েছে হ্যাট পরার স্টাইল। মিনি টপ হ্যাট, ককটেল জাতীয় হ্যাট মেয়েরা অনায়াসে পার্টিতে পরতে পারেন।

বেনি হ্যাট :বেনি হ্যাট কিন্ট হ্যাট নামে পরিচিত। আবার এটাকে স্কালি হ্যাটও বল হয়। সাধারণত শীতকালে এই হ্যাট ব্যবহৃত হয়।

ফ্লপি হ্যাট :এটি ক্ল্যাসিক হ্যাট। এই হ্যাটের কিনারা অনেক প্রশস্ত। রোদ থেকে রক্ষার জন্য ভালো।

টপ হ্যাট :আব্রাহম লিংকন প্রথম আমেরিকান, যিনি টপ হ্যাটের প্রচলন করেন। ১৯ ও ২০ শতক থেকে এই হ্যাটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়।

থ্রিলবাই হ্যাট : আধুনিক ফ্যাশন ট্রেন্ডে জনপ্রিয় পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসন তরুণদের মধ্যে এই হ্যাটের জনপ্রিয়তা ছড়িয়েছিলেন। এ ছাড়াও রয়েছে রানি হ্যাট, বেসবল হ্যাট, বাকেট হ্যাট, ক্লসি হ্যাট, ফ্ল্যাট হ্যাট, গলফ হ্যাট, পানামা হ্যাট, স্ট্র হ্যাট, ওয়াটারপ্রুফ হ্যাট।

ফেডোরা : এই হ্যাটের প্রচলন সারাবিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও বেশি দেখা যায়। একটু ফরমাল কাটের ফেডোরা পরা যায় বিভিন্ন ক্যাজুয়াল এবং ফরমাল পোশাকের সঙ্গে। ক্যাজুয়াল শার্ট ও প্যান্টের সঙ্গে খুব সহজেই মানিয়ে নেওয়া যায় ফেডোরা। তেমনি তা কোটি, বো-টাইয়ের মতো ফরমালেও খাপে খাপ। প্রায় এই কাছাকাছি গড়নের আরেকটি হ্যাটের নাম 'পানামা' হ্যাট।


কাউবয় হ্যাট : যারা একটু ড্যাশিং, ফাঙ্কি লুক পছন্দ করেন তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী কাউবয় হ্যাটের রাজত্ব। একটু বড় আকারের হওয়ায় এই হ্যাট রোদের তীব্রতা থেকে বাঁচাতে বেশিই সহায়ক। কাউবয় গেটআপের সঙ্গেই বেশি মানায় এই হ্যাট। তবে কেউ চাইলে টি-শার্ট, কার্গো প্যান্ট ড্রেসআপেও নিতে পারেন।


বোলার : এই হ্যাটের চারদিকটা অনেক কম ছড়ানো থাকে। বোলারের সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হচ্ছে, তা ছেলেমেয়ে উভয়েই পরতে পারে। ক্যাজুয়াল পোশাকেই বেশি মানানসই এ ধরনের হ্যাট। তবে পশ্চিমাদের অনেক সময় পার্টি টাইপের ফরমালে ব্যবহার করতে দেখা যায় বোলার। কোনো ক্ষেত্রে এই একই গড়নের অথবা একটু ভিন্ন গড়নের হ্যাটকে 'ডেরবি'ও বলা হয়ে থাকে। তবে ডেরবিতে ফ্লোরাল ডিজাইন থাকলে তা আবার শুধু মেয়েদের উপযোগী।


হোমবার্গ : মাঝারি গড়নের এবং খুবই ছিমছাম দেখতে হোমবার্গ হ্যাট। শুধু ফরমালে ব্যবহারের জন্য জুড়ি নেই হোমবার্গের। ফরমাল বলতে তা ছেলেদের শার্ট, প্যান্ট, কোট, টাই, পাইপার টাইপের ফরমাল বোঝায়। একই গেটআপে তা মানানসই মেয়েদের ক্ষেত্রেও। তবে বাংলাদেশের বাজারে খুব বেশি দেখা যায় না এ ধরনের হ্যাট।


ক্লোচি : একটু কম ছড়ানো আর সাধারণত ফুলেল ডিজাইনে সাজানো থাকে মেয়েদের হ্যাট ক্লোচি। ক্লোচি দেখা যায় বার্বির মাথায়। বাংলাদেশে লেডিস হ্যাটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রচলন এই হ্যাটের। সাধারণত গাউনের মতো জমকালো পার্টি ড্রেসের সঙ্গেই এই হ্যাটের চল দেখা যায় পশ্চিমা বিশ্বে। তবে আমাদের দেশে তা সাধারণ কোনো জমকালো পোশাকের সঙ্গেই মানানসই বলা চলে।

               কিনতে ক্লিক করুন                                              কিনতে ক্লিক করুন

হ্যাট শুধু ফ্যাশন কিংবা রোদের হাত থেকে রক্ষার জন্যই নয়, যারা খেলাধুলার কাজে ব্যস্ত থাকেন তাদের জন্য রয়েছে স্পোর্টস হ্যাট। তবে স্পোর্টস হ্যাট আকারে একটু বড় হয়। আর রঙের ক্ষেত্রেও রয়েছে বেশ বৈচিত্র্য। আপনার পছন্দের হ্যাট কিনতে পারেন যে কোনো ক্যাপের দোকান থেকে। ঢাকার বসুন্ধরা সিটি, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, ফার্মগেট, গুলশান, মিরপুরে পাবেন আপনার মনের মতো হ্যাট। আর স্পোর্টস হ্যাট কিনতে আপনাকে যেতে হবে স্পোর্টস সামগ্রী পাওয়া যায় এমন দোকানে। ফার্মভিউ মার্কেটের দোতলা থেকে আপনি সংগ্রহ করতে পারেন স্পোর্টস হ্যাট। এছাড়া দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও পেয়ে যাবেন আকর্ষনীয় সব হ্যাট। স্পোর্টস হ্যাট কিনতে দাম পড়বে ৪৫০ টাকা। এছাড়া ছেলেদের হ্যাটের দাম পড়বে ৩৪০-৩৭০ টাকা আর মেয়েদের ফ্যাশনেবল হ্যাটের দাম পড়বে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা। গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড রোদের হাত থেকে রক্ষা পেতে পাতলা হ্যাট পরা ভালো। হ্যাট পরার সময় মেয়েদের রঙ বাছাই করে পরা উচিত। এ ছাড়া ফেস এবং মুখের সঙ্গে মানায় এমন হ্যাট নির্বাচন করতে হবে। হ্যাট কোট এবং বেলেজারের সঙ্গে পরা যায়। হ্যাট পরার সময় ভদ্রতার বিষয় মাথায় রাখা উচিত। হ্যাট পরার পর নিয়মিত কোট ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়। মাঝে মাঝে ধুয়ে দিতে হবে।
 

*হ্যাট* *মেয়েদেরফ্যাশন* *হালফ্যাশন* *ফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

একটা সময় ছিল যখন নারীরা পর্দা করার উদ্দেশ্যে বোরকার সাথে হিজাব ব্যবহার করতেন। তবে বর্তমানে হিজাব শুধু গুটিকয়েক নারীর মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি ফ্যাশন ট্রেন্ড হিসাবে ছড়িয়ে পড়েছে সব বয়সের নারী ও তরুনীদের মাঝে। হিজাব যেমন পর্দা করার জন্য উপকারী, ঠিক তেমনি এর রয়েছে আরও অনেক উপকারী দিকও। বাইরে বের হলে আপনার ত্বক এবং চুলের সব থেকে বড় শত্রু হল ধুলাবালি ও ক্ষতিকর সূর্যকিরণ।আপনার ত্বক এবং চুলকে রক্ষা করার একটি ভাল উপায় হতে পারে হিজাব ব্যবহার। শুধু বোরকার সাথে নয়, হিজাব পরতে পারেন শাড়ি, কামিজ, কুর্তা বা অন্য যে কোনো পোশাকের সাথে।

কিনতে ক্লিক করুন l  স্কুল কলেজ সহ সকল কর্মস্থলে মেয়েরা অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন হিজাব। হিজাব ব্যবহারের ক্ষেত্রে পোশাকের রং ও ধরণকে মাথায় রেখে হিজাব বাছাই করতে হবে। পোশাকের রঙের সাথে মিলিয়ে বা বিপরীত রঙের হিজাব ব্যবহার করতে পারেন। যদি পোশাকটি বেশী নকশা করা বা প্রিন্টের হয় তবে সেক্ষেএে একরঙা হিজাব নির্বাচন করুন। আবার পোশাকটি হালকা কাজের বা একরঙা হলে তার জন্য বেছে নিন বিপরীত রঙের বা নকশা করা ও প্রিন্টের হিজাব। হিজাব পড়ার আগে অবশ্যই পোশাকের হাতের দিক নজর দিন।

কিনতে ক্লিক করুন l পোশাকের হাতা যেন অবশ্যই ফুলহাতা বা থ্রি কোয়াটার হাতা হয়। কারণ হিজাবের সাথে ছোট হাতার পোশাক একদমই বেমানান। বাজার ঘুরে কটন , লেস, জর্জেট ও সাটিনসহ নানা ধরনের কাপড়ের হিজাব দেখা যায়। কাপড়ের মান ও নকশার উপর ভিওি করে এগুলোর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বেছে নিন নিজের বাজেটের মাঝে। হিজাব শুধু পর্দা করার ক্ষেত্রেই না , নারীদের সৌন্দর্য বর্ধনেও পিছিয়ে নেই। চাইলেই হিজাব পড়ার আগে চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন আজকের ডিলের পেজে। সেখান থেকেই পেয়ে যাবেন আপনার রুচিমত একটি স্টাইল ।

কিনতে ক্লিক করুন l প্রতিদিনের কর্মস্থলে আর স্কুল কলেজে তো আছেই, আজকাল অনেক বিয়ের অনুষ্ঠানে কনেকে হিজাব পড়ে উপস্থিত হতে দেখা যায়। তাই বুঝতেই পারছেন প্রতিনিয়ত হাল ফ্যাশনের সাথে তাল মিলিয়ে হিজাবও কিন্তু পিছিয়ে নেই। তাই নতুন ট্রেন্ডের সাথে তাল মিলিয়ে বাজার ঘুরে আপনিও বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দমত হিজাবটি। আর পর্দা করার পাশাপাশি নিজেকে দিতে পারেন ফ্যাশনেবল একটি লুক। আর নিজেকে করে তুলতে পারেন মার্জিত আর অনেকটাই আলাদা। বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশের নারীদের মাঝেও দেখা গেছে অভিজাত, রং বাহারী, ভিন্ন ভিন্ন কাপড়, আরাম ও ফ্যাশনেবল হিজাবের বহুল ব্যবহার। ধর্মের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই নিজেকে ফ্যাশন সচেতন হিসেবে উপস্থাপনের উদ্দেশ্যেই এমন হিজাবের ব্যবহার করেন নারীরা।

কিনতে ক্লিক করুন l ঢাকায় হিজাবের সবচেয়ে বড় মার্কেট হচ্ছে বসুন্ধরা সিটির লেভেল ফোর। এই ফ্লোরে প্রায় দেড়শো দোকান রয়েছে হিজাব ও বোরকার। শুধুমাত্র হিজাব বিক্রি করে এমন দোকানও অনেক রয়েছে। মার্কেটের নিচতলাতেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অনেকগুলো হিজাব ও বোরকার দোকান। এছাড়াও ঢাকার প্রতিটি মার্কেট ও শপিং প্লাজায় রয়েছে হিজাব ও বোরকার দোকান। সময়টা এখন ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা, তাই বোরকাও আর আগের মতো নেই। গাউন, ওভারকোট ও ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের বোরকা পাওয়া যায় বাজারে। রয়েছে প্রায় ৪-৫ ধরনের হাজারো রঙের হিজাব। মাথা থেকে কোমড় পর্যন্ত ঢেকে রাখে মাদানী হিজাব। সাধারণত হজ্বের সময় এই হিজাব পরেন নারীরা। নামাযের সময়ও এই হিজাব ব্যবহার করা যায়। মাদানী হিজাবের চেয়ে একটু ছোট হিজাবকে কুচি হিজাব বলে। এই হিজাব দিয়ে গলা ও বুক ঢেকে রাখা যায় খুব সহজেই।

কিনতে ক্লিক করুন l কিন্তু ফ্যাশনেবল তরুণীরা হিজাবকে আরো ছোট ও সহজে পরার জন্য বেছে নেন শর্ট হিজাব বা ফিক্সড হিজাব। এতে পিনের কোন ঝামেলা নেই। অবশ্য এ হিজাবের উপর ওড়নাও পরেন অনেকে। ওড়না হিজাবও বেশ জনপ্রিয়। ওড়নার মাঝখানে একটি ক্যাপ যুক্ত থাকে, সেটি মাথায় পরে নিলেই সম্পন্ন হয় হিজাব পরা। তবে ওড়নাটি পেঁচিয়ে পিন দিয়ে আটকে রাখতে হয়। এই হিজাবের প্রচলনই এখন সবচেয়ে বেশি। হিজাবের পাশাপাশি অনেক তরুণী পিন দিয়ে আটকে স্কার্ফ ব্যবহার করেন। আর পার্টি, অনুষ্ঠান কিংবা বিশেষ দিনে পোশাকের রঙের সঙ্গে রঙ মিলিয়ে হিজাব পরাও বেশ জনপ্রিয়।

কিনতে ক্লিক করুন l কাপড়, ডিজাইন ও প্রাপ্তির স্থানভেদে হিজাবের দামে রয়েছে তারতম্য। বসুন্ধরা সিটি শপিংমল এবং ঢাকার অন্যান্য মার্কেটগুলোতে শর্ট হিজাবগুলো ২০০টাকা থেকে ৯৫০ টাকায় পাওয়া যাবে। অনলাইনে কিনতে চাইলে আজকের ডিল এখন ফ্যাশনেবল নারীদের প্রথম পছন্দ l  হিজাবের ওড়না পাওয়া যাবে ৪০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকায়। মাদানী হিজাবের দাম ৩০০ থেকে ৭৫০ টাকা। আর ৩০০টাকার মধ্যেই কেনা যাবে খোপা হিজাব।

*হিজাব* *হালফ্যাশন* *পর্দা* *অনলাইনশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আবহমান বাংলায় ফ্যাশনে প্রতিদিন নতুুন নতুন পোশাক যুক্ত হচ্ছে। এসব পোশাকের মধ্য থেকে সময়ের ট্রেন্ডি সব পোশাক নিয়ে আমাদের ভাবনার কোন কমতি থাকে না। কোন পোশাকটিতে নিজেকে ভাল ভাবে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব তা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটান ফ্যাশন প্রিয় নারীরা। তবে ট্রেন্ডি ফ্যাশনে বর্তমানে নারীদের সবচেয়ে বেশী পছন্দ কুর্তি। সাধারন কামিজগুলোর তুলনায় লম্বা ঢোলাঢালা এই কুর্তিই এখন বেশি চলছে।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে ফ্যাশন। ঋতু বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পোশাক পরিচ্ছদেও আসছে পরিবর্তন। এই পরিবর্তনশীলতার মধ্যেই কিছু জিনিস হয়ে ওঠে সময়ের ট্রেন্ড। গত কয়েক বছরে লং কামিজ এবং কুর্তি জনপ্রিয়তা কেবল বেড়েই চলেছে। গরম যেন আপনার ফ্যাশনের উপর প্রভাব ফেলতে না পারে, তার জন্য চলছে নানান আয়োজন। প্রচণ্ড গরমে কুর্তি, কামিজ ফ্যাশন প্রিয়সী নারীদের সেরা পছন্দ। এতে করে গরমে স্বস্তির সাথে এ পোশাকে আপনাকে লাগবে স্টাইলিশ।

স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

"কুর্তা" বা "কুর্তি" শব্দটি মূলত পার্সিয়ান, যার অর্থ "কলারবিহীন শার্ট"। "কুর্তা" আসলে মধ্য, পশ্চিম এবং দক্ষিন এশিয়ায় প্রচলিত একটি ছেলেদের পোশাক। কিন্তু এটি বর্তমানে "কুর্তি" নামে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশে মেয়েদের একটি জনপ্রিয় পোশাক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের দেশে বর্তমানে এটি অধিক জনপ্রিয় পোশাকে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে তরুণীদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে এটি।

স্টাইলিশ কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

বিভিন্ন কাটের সুতি কাপরের কুর্তি পরতে পারেন। কামিজের ক্ষেত্রেও বেছে নিতে পারেন সুতি কাপর। সুতার কাজ করা, ব্লক, এব্রডারি, টাইডাই করা পোশাক আপনাকে লাগবে অনন্য। বৃত্তের মতো ফ্যাশনও বার বার ফিরে আসে। তারপরেও একই পোশাক যত পছন্দেরই হোক সেটা বার বার পরতে একঘেয়েমি লাগে। তাই নিজের রুচিতে আরও বৈচিত্র্য আনার জন্য একটু অন্য রং বা ঢঙের পোশাক সবসময় বেছে নেন। এ সময়ের তরুণীরা রঙিন পোশাকে বেশি প্রাধান্য দেন। সাদা, সবুজ, লাল, হলুদ, ফিরোজা, কমলা, গোলাপি, মেরুন, নীলের মতো উজ্জ্বল সব রংয়ের পোশাকগুলোকে রঙিন করে তুলছে।

স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

লম্বা ও ঢিলেঢালা কুর্তি:

লং কামিজের মতো লম্বা আর ঢিলেঢালা কুর্তিও এখন অনেকের পছন্দ। সুতি কিংবা লিনেন কাপড়ের হওয়ায় কুর্তিগুলো পরেও আরাম। এগুলোর সামনের দিকটায় থাকে এক রঙের কোনো কাপড় আর পেছনের দিকটায় জবরজং প্রিন্টের কাপড়। হাইনেক কলার ও ফুল স্লিভ কিংবা থ্রি-কোয়ার্টার হাতার কুর্তিগুলোর জমিনজুড়ে থাকে নানা মোটিফ।
 



স্টাইলিশ কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

শর্ট কুর্তি:

শর্ট ও স্লিভলেস কুর্তিও বর্তমানে বেশ ভাল চলে। সাথে হাতাকাটা কুর্তিরও বেশ চাহিদা আছে। ফ্যাশনটা কে একটু স্টাইলিশ করে তুলতে হবে এ ধরনের কর্তির বিকল্প নেই। এই ধরনের কর্তি যেমন আরামদায়ক তেমনই মানানসই। বাজারে লাল থেকে শুরু করে সাদা, নীল, সবুজ, হলুদ, বেগুনি, কমলা, মেজেন্ডা থাকছে সব কটা রঙেই। আপনি আপনার পছন্দমত রঙের টি কিনে নিন। তবে এগুলোতে কয়েকটি রংয়ের কমবিনেশন থাকলে ভাল লাগে। শর্ট কুর্তি কিনতে ক্লিক করুন

স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

কুর্তিতে অনেক তরুনিই স্বাচ্ছন্দের পাশাপাশি ফ্যাশনেবল মনে করেন। এছারাও কামিজের ক্ষেত্রে লং কামিজ বেশ ফ্যাশনেবল। নিত্যনতুন স্টাইল সংযোজন করা হচ্ছে সালোয়ার-কামিজে। অনেকটা আলখেল্লা স্টাইলে তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ ধরনের কামিজ। লং কুর্তার পাশাপাশি শর্ট-কামিজগুলোও বেশ চলছে। দেশের প্রায় সব ধরনের পোশাকের মার্কেটে মিলবে দেশী বিদেশী বিভিন্ন ডিজাইনের পছন্দসই কুর্তি। আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও আপনি ঘরে বসে কিনতে পারেন পছন্দের কুর্তি এজন্য আপনি দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল এর ওয়েবসাইট এ গিয়ে অর্ডার করতে পারেন। আপনাদের সুবিধার্থে নিচে একটি অনলাইন লিংক শেয়ার করলাম।

সব ধরনের ফ্যাশনেবল কুর্তির কালেকশন দেখতে ক্লিক করুন

স্টাইলিশ কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

কোথায় পাওয়া যায় কেমন দামঃ
বনানী,গুলশান এর পিঙ্ক সিটি সহ বিভিন্ন মার্কেট-এ দেদারসে বিক্রি হচ্ছে এই সব সিঙ্গেল কুর্তি। দাম ১৫০০ টাকা-৪৫০০ টাকার মাঝে। আর এইসব কুর্তি ঢোলাঢালা পায়জামার বদলে লেগিংস দিয়ে পড়া হয়। বিভিন্ন রঙের লেগিংস ও লেইস দেয়া সুন্দর সুন্দর লেগিংসও পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন শপিং মলগুলোতে । দাম ২০০ টাকা -৮০০ টাকা পর্যন্ত। কুর্তির সাথে পড়তে পারেন এক রঙের কিংবা শেডের কোন ওড়না। কুর্তির কাপড়ের রঙের সাথে মিলিয়ে ওড়নায় শেড করিয়ে নিতে পারেন। ওড়নায় ২ রঙের শেড করাতে খরচ পরে ৫০০ টাকা -৬০০ টাকা এবং ৩ রঙের শেডে খরচ পড়বে ৬০০ টাকা-৭০০ টাকা।

স্টাইলিশ কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

গাউসিয়া, চাদনি চক, বনানী সুপার মার্কেট, পিঙ্ক সিটি, মৌচাক এর বিভিন্ন দোকানে ওড়নায় শেড করানো যায়। এসব পোশাক পাওয়া যাচ্ছে দেশিয় ফ্যাশন হাউসগুলোতে। যমুনা ফিউচার পার্ক, ইনফিনিটি মেগা মল, অঞ্জন`স, আড়ং, কে-ক্রাফট, বাংলার মেলা, প্রবর্তনা, বিবিয়ানা, নগরদোলা, সাদাকালো, অন্যমেলা, দেশালের শোরুমগুলোতে। আর অনলাইনে কিনতে চাইলে আজকের ডিল সবথেকে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান। এখানে শর্ট ও লং কুর্তির বিশাল কালেকশন রয়েছে। 

স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

চাইলেও আপনি বানিয়েও নিতে পারেন এই কুর্তি। সাড়ে ৩ হাত বহরের দেড় গজ এক রঙের কাপড় আর দেড় গজ কোন ম্যাচিং প্রিন্ট এর কাপড় কিনে দর্জিকে দিয়ে দিন। বানিয়ে দিবে আপনাকে আপনারই পছন্দমত। গাউসিয়া, চাদনি চক, বনানী সুপার মার্কেট, পিঙ্ক সিটি, মৌচাক সহ বিভিন্ন শপিং মল গুলোতে আপনি পাবেন এইসব গজ কাপড়। বর্ণিল রঙ এবং বিভিন্ন ডিজাইনের এইসব গজ কাপড় থেকে বেছে নিন আপনার পছন্দের গজ কাপড়টি। গজ প্রতি দাম পড়বে ২০০ টাকা-১৫০০ টাকা পর্যন্ত।

স্টাইলিশ লং কুর্তির জন্য ক্লিক করুন

ফ্যাশন প্রিয়সী আপুদের বলছি, নিজেদের কে একটু ভিন্ন ভাবে উপস্থাপন ও ফ্যাশনেবল ট্রেন্ডি লুক ধরে রাখতে চাইলে একটু আধুনিক চিন্তা করার পাশাপাশি সমসাময়িক ট্রেন্ডি ফ্যাশান অনুসরণ করে সবসময় আপডেট থাকুন।

 

 

*কুর্তি* *হালফ্যাশন* *শপিং* *স্মার্টশপিং* *গরমেরফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

যুগের চাহিদার কারণেই বাজারে এসেছে বিভিন্ন ব্র্যান্ড্রের ও ধরনের ‘হেয়ার টুলস’। হেয়ার স্ট্রেইটনার, কার্লার, স্টাইলার কিংবা ড্রায়ারের মতো বিভিন্ন যন্ত্র দামে কম। আর এগুলো ব্যবহার করে পছন্দমতো চুলের স্টাইলে পরিবর্তন আনা যায়।
 
 
হেয়ার স্ট্রেইটনার
কোঁকড়া বা ঢেউ খেলানো চুল সোজা করতে স্ট্রেইটনারের জনপ্রিয়তা রয়েছে। বর্তমান বাজারে ফিলিপস, প্যানাসনিক, কেমি, প্রমোজার, নোভাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হেয়ার স্ট্রেইটনার পাওয়া যাচ্ছে। ব্র্যান্ডের মধ্যে ‘ফিলিপস’ এবং ‘প্যানাসনিক’য়ের স্ট্রেইটনারের চাহিদা তুলনামূলক বেশি। 
 
 
পণ্যের মানভেদে ‘ফিলিপস’ এবং ‘প্যানাসনিক’য়ের হেয়ার স্ট্রেইটনারগুলোর দাম পড়বে ৩ হাজার ৬শ’ থেকে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত। এর মধ্যে তুলনামূলক বেশি দামের স্ট্রেইটনারগুলো দীর্ঘস্থায়ী এবং বেশি তাপমাত্রা উৎপন্ন করতে পারে। কম দামের মধ্যে ‘প্যানাসনিক’য়ের স্ট্রেইটনার পাওয়া যায়। দাম ১ হাজার ৮শ’ থেকে আড়াই হাজার টাকা।
 
 
এছাড়া অন্যান্য ব্র্যান্ডের মধ্যে ‘প্রমোজার’য়ের হেয়ার স্ট্রেইটনার রয়েছে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা মধ্যে। ‘কেমি’ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫শ’ টাকা, নোভা ১ হাজার ৮শ’ থেকে ২ হাজার ২শ’ টাকা এবং ‘ভি অ্যান্ড জি’র স্ট্রেইটনারগুলো পাওয়া যাবে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৬শ’ টাকায়।
 
হেয়ার কার্লার
সোজা চুলের পাশাপাশি ফ্যাশনে বাড়ছে কোঁকড়ানো বা ওয়েভি চুলের কদর। তাই যাদের চুল সোজা তারাও শখের বসে চুল কোঁকড়া করে থাকেন। বাজারে আছে বিভিন্ন ধরনের হেয়ার কার্লার। ফিলিপস’য়ের হেয়ার কার্লারগুলো পাওয়া যাবে ৩ হাজার ৮শ’ থেকে ৪ হাজার টাকায়। তবে রাজধানীর মোতালেব প্লাজায় এই ব্র্যান্ডের হেয়ার কার্লার এবং স্ট্রেইটনার একই সঙ্গে পাওয়া যাবে সাড়ে ৪ হাজার টাকায়। প্যানাসনিক’য়ের হেয়ার কার্লার পাওয়া যাবে ৩ হাজার ২শ’ থেকে ৪ হাজার টাকায়। ‘ব্যাবিলিস’ ব্র্যান্ডের হেয়ার কার্লার পাওয়া যাবে ৩ হাজার টাকায়। এছাড়া কম দামের মধ্যে ‘নোভা’ ব্র্যান্ডের হেয়ার কার্লার পাওয়া যাবে ১ হাজার ৭শ’ থেকে ২ হাজার ২শ’ টাকায়।
হেয়ার ড্রায়ার
চট জলদি চুল শুকাতে হেয়ার ড্রায়ারের বিকল্প নেই। বসুন্ধরা সিটিতে ‘প্যানাসনিক’য়ের হেয়ার ড্রায়ারগুলোর দাম শুরু ১ হাজার ৫শ’ টাকা থেকে। এমনকি ১০ হাজার টাকারও হেয়ার ড্রায়ার পাওয়া যাবে ওই শো-রুমে। ফিলিপস’য়ের হেয়ার ড্রায়ার পাওয়া যাবে ১ হাজার ৪শ’ থেকে ৬ হাজার ৯শ’ টাকার মধ্যে। তুলনামূলক বেশি দামের হেয়ার ড্রায়ারগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত গরম এবং ঠাণ্ডা বাতাস উৎপন্ন করা যায়।
ফিলিপস এবং প্যানাসনিক’য়ের ড্রায়ারগুলোর যন্ত্রাংশের ওপর এক বছরের ওয়ারেন্টি এবং দুবছর পর্যন্ত বিক্রয়োত্তর সেবা দেওয়া হয়ে থাকে। এছাড়া রাজধানীর ‘এশিয়ান স্কাই শপ’য়ের দোকানগুলোতে শিশুদের জন্য বিশেষ হেয়ার ড্রায়ার পাওয়া যায়। মান ভেদে ড্রায়ারগুলোর দাম ৬শ’ থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা।অনেকেই হেয়ার স্ট্রেইটনার, কার্লার কিংবা ড্রায়ারসহ অন্যান্য উপকরণগুলো একসঙ্গে প্যাকেজ আকারে কিনে নিতে চান। তাদের আগ্রহের কথা মাথায় রেখে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ফিলিপস এবং প্যানাসনিক ব্র্যান্ডের হেয়ার স্ট্রেইটনার এবং কার্লারের বিশেষ প্যাকেজ। বসুন্ধরা সিটি থেকে এই ‘টু ইন ওয়ান’ প্যাকেজ কিনতে খরচ করতে হবে ৪ হাজার ৬শ’ টাকা।
রাজধানীর মোতালেব প্লাজায় ‘এশিয়ান স্কাই শপ’য়ের শো-রুমে পাওয়া যাবে ‘ফিলিপস’ ব্র্যান্ডের হেয়ার স্ট্রেইটনার, কার্লার এবং মাল্টিস্টাইলারসহ মোট চারটি উপকরণের ‘ফোর ইন ওয়ান’ প্যাকেজ। এক্ষেত্রে খরচ করতে হবে সাড়ে ৬ হাজার টাকা। এছাড়াও ‘কেমি’ ব্র্যান্ডের চুল স্টাইল করার পাঁচটি যন্ত্র একসঙ্গে পাওয়া যাবে ৩ হাজার টাকায়।
 
চুলের অন্যান্য উপকরণের মধ্যে প্যানাসনিক, ফিলিপসসহ অন্যান্য ব্র্যান্ডের হেয়ার স্টাইলার পাওয়া যাবে ২ হাজার ৫শ’ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকায়। স্টাইলার সেটগুলো দিয়ে চুল আঁচড়ানো, স্ট্রেইট কিংবা কার্ল করা যাবে। তাছাড়া হেয়ার ট্রিমার কিনতে হলে গুনতে হবে ৫ হাজার থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা।
ব্যবহারের নিয়ম
দীর্ঘ সময় ধরে হেয়ারটুলস ব্যবহার করতে হলে অবশ্যই কিছু ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
হেয়ারটুলসগুলো সাধারণত প্রচুর তাপমাত্রা উৎপন্ন করে থাকে। তাই ব্যবহারের সময় অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পাতলা চুলের জন্য হেয়ার টুলসের তাপমাত্রা ১৬০ থেকে ২০০ এবং ঘন চুলের সাজের জন্য ২০০ থেকে ২৩০ ডিগ্রি রাখা উচিত। যন্ত্রের সুরক্ষার জন্য বিশেষ ধরনের তেল বা হিট প্রোটেক্টর স্প্রে ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া  ব্রাশ দিয়ে নিয়মিত যন্ত্র পরিষ্কার করতে হয়।
 
কোথায় পাবেন
রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি, মোতালেব প্লাজা, নিউ মার্কেট এবং এশিয়ান স্কাই শপের শোরুমগুলোসহ দেশের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স এবং কসমেটিক্সয়ের দোকানে হেয়ার স্টাইলিং টুলসগুলো পাওয়া যাবে। এমনকি দেশের সব থেকে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিলেও পাওয়া যাচ্ছে আকর্ষণীয় সব হেয়ার টুলস। আজকের ডিলের মেয়েদের শপিং ক্যাটাগরির কসমেটিকস অপশনে গিয়ে হেয়ার আইটেম দিয়ে সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন স্টাইলিশ চুলের সব হাতিয়ার l
*হেয়ারকার্লার* *হেয়ারস্ট্রেইটনার* *হেয়ারড্রায়ার* *স্টাইলিশচুল* *চুলেরযত্ন* *হালফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আধুনিকতা আর আবহমানতার সাথে তাল মিলিয়ে হয়ত আপনি হাল ফ্যাশনের পোশাক পরেছেন আর সকলের সামনে পকেট থেকে বের করলেন একটা চামড়া উঠা, ছেড়া-ফাটা মানিব্যাগ তাহলে কিন্তু বন্ধু মহলের সামনে আপনার নাক কাঁটার উপক্রম হবে সেটি। ফ্যাশনের বারো ত বাজবেই সাথে মান ইজ্জত নিয়েও টানাটানি হতে পারে। সত্যিই মাঝেমধ্যে হলেও ব্যাপারটা নিশ্চয়ই আপনার জন্য বিব্রতকর! এজন্য আপনার চাই স্টাইলিশ মানিব্যাগ। দেখে নিন এই ১০টি মানিব্যাগে মধ্যে কোনটি আপনার ভালো লাগে। 
 
 
তবে আবার কিন্তু উল্টোটাও আছে। মানিব্যাগ সংগ্রহ করাই অনেকের শখ। তবে শখ হোক আর প্রয়োজন—মানিব্যাগটা এখন স্টাইলের একটা অংশ হয়ে গেছে ছেলেদের কাছে। ছেলেরা এখন নানা ধরনের ওয়ালেট ব্যবহার করে। অনেকে শুধু টাকা রাখার জন্য মানিব্যাগ বেছে নেন। কেউ আবার কার্ড ও টাকা—দুটোই রাখতে চান। 
 
আবার শুধু ভিজিটিং কার্ড বা ক্রেডিট কার্ড রাখার জন্য আলাদা ওয়ালেট আছে বাজারে। রঙের ক্ষেত্রে কালো মানিব্যাগের বাইরে এখন চকলেট, বাদামি, ছাই, নীল ইত্যাদি চলছে ভালো। তবে বয়স ও পেশার ওপর ভিত্তি করে ছেলেদের মানিব্যাগ বেছে নেওয়া উচিত। অনেকেই প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে বেছে নেন মানিব্যাগ। যারা চাকরি করেন, তাঁদের জন্য বেশি কার্ড রাখার জন্য পকেট আছে এমন মানিব্যাগ বেছে নেওয়া উচিৎ৷ 
 
 
তবে যারা শিক্ষার্থী তারা অনেকটা হালকা-পাতলা গোছের মানিব্যাগ কিনতে পারেন। খুব বেশি মোটা বা ভারী মানিব্যাগের চল কিছুটা কমে গেছে। তার বদলে হালকা ধরনের চামড়ার তৈরি মানিব্যাগ পছন্দ করছেন তরুণেরা। মানিব্যাগের কাটে কিছুটা ভিন্ন ধরন খোঁজেন অনেকে। তাই সেসব দিক বিবেচনায় নিয়ে নানা ধরনের মানিব্যাগ রাখা হচ্ছে শোরুমগুলোতে এবং অনলাইন শপ আজকের ডিলে ৷
 
মানিব্যাগের নানান ধরন
আজকের ডিলে রয়েছে শিক্ষার্থীদের উপযোগী আইডি কার্ড বা ছবি রাখার সুবিধাসহ এক ভাঁজের মানিব্যাগে আছে নানা রং। এ ছাড়া পাঁচ থেকে আটটি পকেটসহ আছে মানিব্যাগ। মোবাইল ফোনের সিম কার্ড বা মেমোরি কার্ড রাখার জন্য আলাদা পকেটও আছে কোনো কোনো মানিব্যাগে। অনেকেই একাধিক ক্রেডিট কার্ড নিয়ে ঝামেলায় পড়েন। শুধু ক্রেডিট কার্ড ও ভিজিটিং কার্ড রাখার জন্য আলাদা ওয়ালেট পাওয়া যায়। 
তবে সে ক্ষেত্রে ভালো মানের চেইন দেওয়া মানিব্যাগ বেছে নিন। লম্বা পার্সের মতো চিকন মানিব্যাগ এই সময়ে চলছে বেশি। ফ্যাশন সচেতন ব্যক্তিরা এ ধরনের মানিব্যাগ বেশি ব্যবহার করছেন। মানিব্যাগে নানা ধরনের প্রিন্টের চল এসেছে। বাংলাদেশের মানচিত্র, বর্ণমালা, বাঘের মুখ ইত্যাদি প্রিন্ট দেখা যাচ্ছে সেখানে। শুধু বাইরের দিকে না, ভেতরের দিকে থাকা পকেটের কাপড়ের ওপরেও বর্ণমালার প্রিন্ট আছে কোনো কোনো ব্যাগে।
 
 
এ ছাড়া কার্ড হোল্ডার, চাবি সংরক্ষণের জন্য বিশেষ ওয়ালেট আছে মুঠোফোন বা ট্যাবের কভারের সঙ্গে কার্ড রাখার সুবিধা আছে অনেক ওয়ালেটে৷ গাঢ় কালো, হালকা কালো, ছাই, বাদামি, চকলেট, মেরুন, নীল, লালচে ইত্যাদি নানা ধরনের রং বেশি চলছে মানিব্যাগে। এ ছাড়া পাটের ও কাপড়ের তৈরি মানিব্যাগ মিলবে অনেক দোকানে চামড়ার তৈরি মানিব্যাগ ছাড়াও রেক্সিন, সিনথেটিক, কাপড়, পাট, বোতামের মানিব্যাগ পাবেন দোকানে।
 
দরদাম
সিনথেটিক চামড়া বা রেক্সিনের হলে দাম পড়বে ১০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে, চামড়ার হলে ৫০০ থেকে ২৫০০ টাকা, পাট বা কাপড়ের মানিব্যাগ পাবেন ১০০০ টাকার মধ্যে। এ ছাড়া কার্ড হোল্ডার পাবেন ৩০০ থেকে ১৫০০ টাকায়।
 
যেখানে পাবেন
বাটা, অ্যাপেক্স, আড়ং, যাত্রা, কারিগর, ওটু, ইনফিনিটি, জেনিস, লেদারেক্সসহ বিভিন্ন চামড়াজাত পণ্যের দোকানে। এ ছাড়া এলিফ্যান্ট রোড, নিউমার্কেট, ধানমন্ডির বিভিন্ন মার্কেট, গুলিস্তান, পল্টন, মালিবাগ, গুলশানের বিভিন্ন মার্কেট, যমুনা ফিউচার পার্ক ও পলওয়েল মার্কেটসহ বিভিন্ন দোকানে। এছাড়া আজকের ডিল তো রয়েছেই l কিনতে ক্লিক করুন ছবিতে ও  অথবা এই লিংকে 
*মানিব্যাগ* *ওয়ালেট* *হালফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হুটহাট বৃষ্টির মিশেল পরিবেশ গরম আসছে এই আভাসই দিয়ে যায়। গরমের প্রকোপ বাড়ছে। উত্তরের হিমেল হাওয়া কমে এসেছে। প্রকৃতির এই পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে প্রতিদিনের জীবনে। দিন এখন শুরু হচ্ছে হালকা পোশাকে। তাই এই বৈরী আবহাওয়ায় একটু হালকা ধরনের কাপড় পরতে পারলেই ভালো। আর সেজন্যই চলতি ফ্যাশনে হালকা গরমে তরুণদের প্রথম পছন্দ নানা রঙের পোলো শার্ট। এক সময় স্পোর্টস শার্ট হিসাবে পোলো-এ ব্যবহার হলেও এখন ফরমাল বা ক্যাজুয়াল আউটফিট হিসাবে পোলো এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। পোলো শার্টের চাহিদা সর্বজনীন। সব বয়সেই পরা যায়। শুধু ব্যক্তিত্ব আর রুচি অনুযায়ী নির্দিষ্ট পোলো শার্টটি বাছাই করে নিতে হবে। এখন একরঙা পোলো শার্ট যেমন চলছে, তেমনি স্ট্রাইপ পোলো শার্টও অনেকে পছন্দ করছেন।
 
বলা যায়, ক্যাজুয়াল-ফর্মাল এর কনফিউশন কাটিয়ে উঠতে পোলো শার্টের চেয়ে সহজ সমাধান আর কিইবা আছে। এর না আছে আয়রনের ঝামেলা, আর না রং মিলিয়ে অনুষঙ্গ নির্বাচনের কোনও বিষয়। পোলো শার্ট সব সময়, সব মুহূর্তের জন্যই মানানসই। তবে উজ্জ্বল রঙের পোলো শার্টের কাটতি বেশি। ছবিতে কিংবা সেলফিতে উজ্জ্বল রংই যে বেশি চোখে লাগে! নতুনত্ব আনতে গলায় ও কাঁধে যোগ করা হচ্ছে বাড়তি নকশাহালকা রঙের কিংবা স্ট্রাইপ পোলো শার্ট মানিয়ে যাবে যেকোনো অনুষ্ঠানেই। 
এটি হালকা কাপড় হিসেবে যেমন আরামদায়ক, তেমনি ফ্যাশনেবলও। এছাড়া রঙে ও নকশায় একটু ফ্যাশন সচেতন হলে পোলো শার্ট গায়ে দিয়ে যাওয়া যায় অফিস কিংবা বিভিন্ন পার্টিতেও। অন্যদিকে পোলো শার্ট পরা যায় জিন্স, গ্যাবাডিন কিংবা অন্য কাপড়ের প্যান্টের সঙ্গে। আবার পোলো শার্টের সঙ্গে মানিয়ে পরা যায় কেডস, স্নিকার, স্যান্ডেল কিংবা অন্য জুতাও। সব মিলিয়েই পোলো শার্ট আরামদায়ক, মানানসই এবং একই সঙ্গে ফ্যাশনেবলও। তবে পোলো শার্ট গায়ে দিয়ে অফিস যেমন করা যাবে, তেমনি যাওয়া যাবে বিভিন্ন পার্টিতেও।
জিম করা পেশিবহুল বাহু যাঁদের, তাঁরা হাতায় রাবার দেওয়া কাফের পোলো শার্ট বেছে নিতে পারেন । আকর্ষণীয় দেখাবে। হালকা গড়নের হাতে রাবার ছাড়া কাফ পোলোই বেশি মানানসই। যে গড়নেই শরীর হোক না কেন, ঢিলেঢালা শার্ট না পরে বেছে নিন ফিট কিংবা সেমি ফিট পোলো শার্ট। ব্র্যান্ডভেদে পোলো শার্টের বোতামের সংখ্যায় ভিন্নতা আছে। কোনো পোলো শার্টে তিন থেকে চারটি বোতাম দেখা যায়। আবার কোনোটিতে দুই বা তিনটি বোতাম। বোতামবিহীন পোলো শার্টের কদরও কম না। ফ্যাশনের জন্য অল্প বোতামের পোলোর চাহিদাই বেশি বাজারে। এই বোতামের ডিজাইনেও আছে বৈচিত্র্য। মেটালের তৈরি বোতাম পোলো শার্টে নিয়ে এসেছে ভিন্নমাত্রা। 
সাইজ ম্যাটার্স
পোলো শার্টের ক্ষেত্রে সাইজ ম্যাটার্স। সাধারণভাবেই পিকে পোলো শার্টের পেছনের অংশ লম্বা আর সামনের অংশ অপেক্ষাকৃত খাটো থাকে। যাতে ঝুকলেও পেছন উদোম না হয়ে যায়।
তবে লম্বা হলো নাকি খাটো হলো সেটা বুঝতে খেয়াল করুন শার্টের পেছনভাগ প্যান্টের পেছনের পকেটের অর্ধেকেরও বেশি ঢেকে দিচ্ছে কিনা।
 
 
বোতাম বা প্ল্যাকেট ডিজাইন
সাইজ মিললে মনোযোগ দিন বোতামে। অনেক পোলো শার্টেই তিন থেকে চারটা বোতাম থাকে। ব্র্যান্ডভেদে এক বা দুই বোতাম এমনকি বোতামহীন পোলো শার্টও মেলে বাজারে। তবে ট্রেন্ড আর ফ্যাশন ধারা বজায় রাখতে কম বোতামের পোলো পরাই ভালো। আর প্ল্যাকেট এর দৈর্ঘ্যও নির্ভর করে বোতাম এর সংখ্যার উপর। সাধারণত এক বোতামের প্ল্যাকেট-এ ক্রস স্টিচ থাকে।
 
হাতার রকমফের
শীত ছাড়া ফুল স্লীভ পোলো শার্ট ফ্যাশনে ফোকাস আউট! তাছাড়া পেশিবহুল শরীরের জন্য হাফ স্লীভ পোলোই স্মার্ট সমাধান। একেক ব্র্যান্ডের পোলো শার্টের কলার ও হাতা একেক রকম হয়। তবে পেশিবহুল বাহুতে রাবার দেয়া হাতাই ভালো মানায়। হালকা পাতলা গড়ন হলে বেছে নিতে পারেন রাবার ছাড়া কাফ। পেশী দেখাতে গিয়ে আবার খুব টাইট হাতা পরবেন না। কলার এবং হাতার কাফ-এ ট্রিপিং (চিকন লাইন) ডিজাইনও এক রঙা পোলোতে বেশ চলতি এখনও।
ওয়াশ এফেক্ট
বেসিক পোলোতে ইদানিং সিলিকন এনজাইম ওয়াশ-এর পাশাপাশি বেশকিছু ওয়াশ এফেক্ট ব্যবহার হচ্ছে। পিগমেন্ট ড্রাই ওয়াশ, স্টোন ওয়াশ, এ্যানজাইম ওয়াশ, টাইডাই ওয়াশ, কুল ওয়াশ,ওয়েল ওয়াশ, এসিড ওয়াশ উল্লেখযোগ্য।
 
পোলো শার্টের যত্ন
কাপড়ের রং ঠিক রাখতে পোলো শার্টটি হালকা ডিটারজেন্টে পরিষ্কার করুন এবং দড়িতে শুকাতে না দিয়ে বরং সমতল কোনো জায়গায় বিছিয়ে রাখুন। পানিতে ভেজা পোলো শার্টটি দড়িতে ঝুলিয়ে দিলে, দৈর্ঘ্যের তারতম্য দেখা দিতে পারে। এ ছাড়া কড়া রোদে শুকাতে দিলে রং জ্বলে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। তাই শার্টটি উল্টো করে ভেতরের পাশটা বাইরে রেখে হালকা রোদে কিংবা ছায়ায় শুকিয়ে নিন।’ এবার আশ মিটিয়ে শার্টটি পরুন দীর্ঘদিন।
ব্র্যান্ডভেদে পোলো শার্টের বোতামের সংখ্যায় ভিন্নতা আছে। কোনো পোলো শার্টে তিন থেকে চারটি বোতাম দেখা যায়। আবার কোনোটিতে দুই বা তিনটি বোতাম। বোতামবিহীন পোলো শার্টের কদরও কম না। ফ্যাশনের জন্য অল্প বোতামের পোলোর চাহিদাই বেশি বাজারে। এই বোতামের ডিজাইনেও আছে বৈচিত্র্য। মেটালের তৈরি বোতাম পোলো শার্টে নিয়ে এসেছে ভিন্নমাত্রা। চলতি ফ্যাশনে হালকা গরমে তরুণদের প্রথম পছন্দ নানা রঙের পোলো শার্ট। এক সময় স্পোর্টস শার্ট হিসাবে পোলো-এ ব্যবহার হলেও এখন ফরমাল বা ক্যাজুয়াল আউটফিট হিসাবে পোলো এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। পোলো শার্টের চাহিদা সর্বজনীন। সব বয়সেই পরা যায়। শুধু ব্যক্তিত্ব আর রুচি অনুযায়ী নির্দিষ্ট পোলো শার্টটি বাছাই করে নিতে হবে। এখন একরঙা পোলো শার্ট যেমন চলছে, তেমনি স্ট্রাইপ পোলো শার্টও অনেকে পছন্দ করছেন।
 
কোথায় পাবেন
ক্যাটস আই, এক্সট্যাসি, ইয়েলো, জেন্টল পার্ক, আমবার, সেইলর, মেনজ ক্লাব, আর্টিস্টি, রিচম্যানসহ প্রায় সব ফ্যাশন হাউসেই পোলো শার্ট পাওয়া যায়। এ ছাড়া ঘুরে ঘুরে কিনতে চাইলে, বসুন্ধরা, যমুনা ফিউচার পার্ক, নিউমার্কেট, নূরজাহান মার্কেটসহ পলওয়েলে মিলবে পোলো। ব্র্যান্ডভেদে দামের তারতম্য হয়। ৪৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২০০০ টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন পছন্দের পোলো। আর অনলাইন থেকে অর্ডার করেও আপনি পোলো শার্ট কিনতে পারেন আপনার পছন্দ অনুযায়ী l এক্ষেত্রে আজকের ডিলকেই সবচেয়ে সাশ্রয়ী আর ভরসার জায়গা বলে মনে হয়েছে, কারণ ওদের সাইটে প্রায় ৩০০০ রকমের পোলো শার্টের কালেকশন রয়েছে l 
প্রত্যেকটি ছবিই ক্লিকেবল, আপনি আজকের ডিলের পোলো শার্টের বিশাল সম্ভার দেখতে চাইলে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন আর বেছে নিন আপনার পছন্দের পোলো শার্টগুলো l 

 

*পোলোশার্ট* *ছেলেদেরফ্যাশন* *হালফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

কিনে দে রেশমী চুড়ি নইলে যাব বাপের বাড়ি... সত্যিই এই গানটিই বলে দেয় বাঙ্গালি নারীদের ফ্যাশনের অন্যতম অনুসঙ্গ চুড়ি। দু’হাত ভর্তি চুড়ি আর চলতে ফিরতে কাঁচের চুড়ির রিনিঝিন শব্দ না হলে ফ্যাশনটা যেন জমে না। আর বিশেষ করে যেকোন উৎসব আয়োজনের দিন জমকালো সাজের সঙ্গে একগুচ্ছ চুড়ি যেন না পরলেই নয়! তাইতো নতুন ফ্যাশনে বাহারি চুড়ির প্রতি তরুনীদের আগ্রহটা অনেক বেশী বেড়ে গেছে। চুড়ি থাকলে সাজটাই যেন একটু অন্যরকম সুন্দর হয়ে ওঠে। চুড়ি হাতের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়, সাজগোজে নিয়ে আসে নান্দনিকতা। আজকের আয়োজন বাহারি সব চুড়ি নিয়ে। কনটেন্টটির ছবি গুলোতে ক্লিক করে বিস্তারিত দেখে নিতে পারবেন। 

ফ্যাশনে চুড়ি
নতুন প্রজন্মের নারীদের কাছে চুড়ি পছন্দের এক বিশেষ অনুষঙ্গ। রিনিঝিনি কাঁচের চুড়ির সঙ্গে সঙ্গে মেটাল, সুতা, চামড়া, ব্যাকেলাইট, রবার, কাঠ, মাটি, বিডস, পুঁতি, সিটি গোল্ডসহ নানান ধরনের চুড়ি মিলবে বাজারে। আধুনিকতার ছোঁয়ায়, এখন মানুষের আগ্রহ বেড়েছে নান্দনিকতায়।  তাই কাঁচের চুড়িতে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে শিল্পের বাহারি ডিজাইনের ছোঁয়া। 

যুগ পাল্টেছে আর পাল্টেছে চুড়ির ধরনও। রেশমী চুড়ির পাশাপাশি সমান ভাবে জায়গা করে নিয়েছে চৌকো, ত্রিকোণ, ডিম্বাকৃতির প্লাস্টিক ও মেটাল চুড়ি। মাটি, সুতা, চামড়া, ব্যাকেলাইট, রবার, কাঠ, মাটি, বিডস, পুঁতি, সিটি গোল্ডসহ নানা ধরনের চুড়ির ব্যবহার বাড়ছে। এগুলো চুড়ির বৈচিত্র্য বাড়িয়ে দিয়েছে।


চুড়ি পরার প্রচলন মূলত শাড়ির সাথে হলেও আজকার সালোয়ার কামিজ, ফতুয়া, লং স্কার্টের সাথেও তরুণীদের চুড়ি পরার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। তবে সেটা হতে হবে অবশ্যই পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। ওয়েস্টার্ন ড্রেসের সাথেও দু-একটা চুড়ি পরলে আসে অন্যরকম সামঞ্জস্য।


বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিটি উৎসবেই বাঙালি নারী চুড়ি সাজের জন্য বেছে নিচ্ছে। ছোট বড় যে কোনো বয়সী মেয়েরাই চুড়ি পরছে। ঋতুবৈচিত্র্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চুড়ির রং নির্বাচন করেন বাঙালি নারীরা। আমাদের দেশে বৈশাখে লাল সাদা, বসন্তে লাল-হলুদ, বাসন্তী চুড়ি পরে নারীরা। আবার বিভিন্ন দিবসে যেমন; একুশে সাদা-কালো, বিজয় আর স্বাধীনতা দিবসে লাল-সবুজ রংয়ের চুড়ি হাতে পরে দেশপ্রেমের প্রকাশ ঘটায় বাঙালি তরুণীরা।

দরদাম ও যেখানে কিনতে পাবেন?
রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরা সিটি থেকে শুরু করে দেশের ছোট বড় সবগুলো মার্কেট ও শপিংমলেও পাওয়া যাবে বাহারী ডিজাইনের বাহারি চুড়ি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার সামনে, টিএসসি মোড়, কলা ভবন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ছবিরহাট, দোয়েল চত্বরে এইসব চুড়ি পাওয়া যায়। এছাড়াও ইডেন কলেজ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের সামনে, নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনী চকেও পাওয়া যায় রেশমী চুড়িসহ হরেক রকম চুড়ি।  

এ ছাড়াও যারা অনলাইন থেকে ঘরে বসে অর্ডার দিয়ে স্টাইলিশ চুড়ি কিনতে চান তারা দেশের বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল ডটকম থেকে ঘুরে আসতে পারেন। ডজনপ্রতি ২৫-৭০০ টাকা দামের মধ্যে পাওয়া যাবে এসব চুড়ি। একটু ভাল মানের চুড়ি কিনতে গেল ১০০০ থেকে ৫০০০ টাকার মধ্যেই পেয়ে যাবেন।
*চুড়ি* *হালফ্যাশন* *শপিং* *কেনাকাটা* *স্মার্টশপিং*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ভালো একটি স্টাইলিশ পোশাক যদি পরনে থাকে তাহলে তো ফূর্তির কোন অভাব থাকে না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, কারো মন খারাপ থাকলে ভাল পোশাক পরলেই নাকি মনটা অটোমেটিক ভাল হয়ে যায়। যদি তাই হয় তাহলে বর্তমান সময়ের স্টাইলিশ পোশাক কুর্তি পরলে ফূর্তিতো এমনিতে মনের ভেতর আকডুম বাগডুম করবে। চলুন স্টাইলিশ পোশাক  কুর্তি  সম্পর্কে জেনে  নেই। 
 
কুর্তি
"কুর্তা" বা "কুর্তি" শব্দটি মূলত পার্সিয়ান, যার অর্থ "কলারবিহীন শার্ট"। "কুর্তা" আসলে মধ্য, পশ্চিম এবং দক্ষিন এশিয়ায় প্রচলিত একটি ছেলেদের পোশাক। কিন্তু এটি বর্তমানে "কুর্তি" নামে ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশে মেয়েদের একটি জনপ্রিয় পোশাক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের দেশে বর্তমানে এটি অধিক জনপ্রিয় পোশাকে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে তরুণীদের প্রথম পছন্দের তালিকায় রয়েছে এটি।
 
 
কুর্তি ফ্যাশন
হাল সময়ের তরুণীদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে স্লিভলেস ও লং সাইজের কুর্তি। কুর্তি এমন একটি পোশাক যা বেশ ঢিলেঢালা এবং আরামদায়ক। নানা রঙে এবং ডিজাইনে তৈরি কুর্তি আজকাল ফ্যাশন সচেতন কিংবা আরামপ্রিয় সবার মাঝেই অনেক জনপ্রিয়। ক্যাজুয়াল অথবা ফর্মাল যেকোনো স্টাইলের সাথেই এই পোশাকটি বেশ মানানসই। জিন্স, লেগিংস ছাড়া ঢিলে স্যালোয়ারের সাথেও কুর্তি পরা যায় অনায়াসেই। বাজারে লাল থেকে শুরু করে সাদা, নীল, সবুজ, হলুদ, বেগুনি, কমলা, মেজেন্ডা থাকছে সব কটা রঙেই। এক রঙা পোশাকের ফ্যাশন বদলে একই পোশাকে কয়েক রঙের ব্যবহার এখন বেশি জনপ্রিয়।
 
লম্বা ও ঢিলেঢালা কুর্তি:
লং কামিজের মতো লম্বা আর ঢিলেঢালা কুর্তিও এখন অনেকের পছন্দ। সুতি কিংবা লিনেন কাপড়ের হওয়ায় কুর্তিগুলো পরেও আরাম। এগুলোর সামনের দিকটায় থাকে এক রঙের কোনো কাপড় আর পেছনের দিকটায় জবরজং প্রিন্টের কাপড়। হাইনেক কলার ও ফুল স্লিভ কিংবা থ্রি-কোয়ার্টার হাতার কুর্তিগুলোর জমিনজুড়ে থাকে নানা মোটিফ।
 
 
শর্ট কুর্তি: 
শর্ট ও স্লিভলেস কুর্তিও বর্তমানে বেশ ভাল চলে। সাথে হাতাকাটা কুর্তিরও বেশ চাহিদা আছে। ফ্যাশনটা কে একটু স্টাইলিশ করে তুলতে হবে এ ধরনের কর্তির বিকল্প নেই। এই ধরনের কর্তি যেমন আরামদায়ক তেমনই মানানসই। বাজারে লাল থেকে শুরু করে সাদা, নীল, সবুজ, হলুদ, বেগুনি, কমলা, মেজেন্ডা থাকছে সব কটা রঙেই। আপনি আপনার পছন্দমত রঙের টি কিনে নিন। তবে এগুলোতে কয়েকটি রংয়ের কমবিনেশন থাকলে ভাল লাগে।  
 
কোথায় পাবেন?
দেশের প্রায় সব ধরনের পোশাকের মার্কেটে মিলবে দেশী বিদেশী বিভিন্ন ডিজাইনের পছন্দসই কুর্তি। আপনি সেখান থেকে আপনার পছন্দেরটি বেছে নিতে পারেন। এছাড়াও আপনি ঘরে বসে কিনতে পারেন পছন্দের কুর্তি এজন্য আপনি দেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল এর ওয়েবসাইট এ গিয়ে অর্ডার করতে পারেন। আপনাদের সুবিধার্থে নিচে একটি অনলাইন লিংক শেয়ার করলাম।
 
*কুর্তি* *হালফ্যাশন* *শপিং* *স্মার্টশপিং*

ইমরান নাজির লিপু: একটি বেশব্লগ লিখেছে

পোশাক নিয়ে আমরা সবাই-ই কম বেশি ভেবে থাকি। কখনও প্রয়োজন কিংবা কখনও শখে আমরা পোশাক কিনে ও বানিয়ে থাকি। আর পোশাক কেনা বা বানানোর আগে যে চিন্তাটা আমাদের মাথায় আসে তা হচ্ছে পোশাকটি যুগোপযোগী কিনা। হাল ফ্যাশনের পোশাক কিনতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন অনেকে। 
কিছুদিন আগেও মেয়েদের পোশাকের বাজার ছিল পাকিস্তানি লন কামিজের একচেটিয়া দখলে । আর এই চাহিদাকে পাশ কাটিয়ে এখন ফ্যাশন সচেতন নারীরা ছুটছেন কুর্তির পেছনে। সাধারন কামিজগুলোর তুলনায় লম্বা ঢোলাঢালা এই কুর্তিই এখন সবার পছন্দ। ছাত্রী থেকে চাকুরীজীবী নারী, সবাইকেই মানিয়ে যায় এই লম্বা কুর্তিগুলো। সুতি কিংবা লিলেন কাপড়ের হওয়ায় কুর্তিগুলো পড়েও আরাম। 

সাধারনত কুর্তিগুলোর সামনের দিকটায় থাকে এক রঙের কোনো কাপড় আর পিছনের দিকটায় থাকে জবরজং প্রিন্ট-এর কোনো কাপড় যা সামনের রঙের সাথে মিলানো। হাইনেক কলার ও ফুল স্লিভ কিংবা থ্রি কোয়ার্টার হাতার কুর্তি গুলোর বুকে থাকছে সুন্দর সুন্দর আকর্ষণীয় বোতাম। ২ স্তরের কুর্তিও পাওয়া যাচ্ছে মার্কেটগুলোয়। 

কুর্তির নিচের ঘেরটাও দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিভিন্ন রকম লেইস-এর এবং ঘের-এর কাটেও রয়েছে বিচিত্রতা। বনানী,গুলশান এর পিঙ্ক সিটি সহ বিভিন্ন মার্কেট-এ দেদারসে বিক্রি হচ্ছে এই সব সিঙ্গেল কুর্তি। দাম ১৫০০ টাকা-৪৫০০ টাকার মাঝে। আর এইসব কুর্তি ঢোলাঢালা পায়জামার বদলে লেগিংস দিয়ে পড়া হয়। বিভিন্ন রঙের লেগিংস ও লেইস দেয়া সুন্দর সুন্দর লেগিংসও পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন শপিং মলগুলোতে । দাম ২০০ টাকা -৮০০ টাকা পর্যন্ত। 

কুর্তির সাথে পড়তে পারেন এক রঙের কিংবা শেডের কোন ওড়না। কুর্তির কাপড়ের রঙের সাথে মিলিয়ে ওড়নায় শেড করিয়ে নিতে পারেন। ওড়নায় ২ রঙের শেড করাতে খরচ পরে ৫০০ টাকা -৬০০ টাকা এবং ৩ রঙের শেডে খরচ পরবে ৬০০ টাকা-৭০০ টাকা। গাউসিয়া, চাদনি চক, বনানী সুপার মার্কেট, পিঙ্ক সিটি, মৌচাক এর বিভিন্ন দোকানে ওড়নায় শেড করানো যায়। 
*কুর্তি* *হালফ্যাশন* *ফ্যাশন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★