হালের ফ্যাশন

হালেরফ্যাশন নিয়ে কি ভাবছো?

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান সময়ে নারীর ফ্যাশনে সালোয়ার কামিজের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে শার্ট। এই আউটগোয়িং রেডি টু ওয়ারটি এখন হাল ফ্যাশনে তরুণীদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন অঙ্গনে এবং ডিজাইনারদের চুলচেরা বিশ্লেষনে নারীদের শার্টের নকশায়ও এখন এসেছে বেশ পরিবর্তন। এসব শার্ট কাটছাঁটে সম্পূর্ণ ভিন্ন খুবই আরামদায়ক এবং স্টাইলিশ তো বটেই। সিনথেটিক কাপড়ের পরিবর্তে শার্ট তৈরিতে এখন ব্যবহৃত হচ্ছে ডেনিম জিন্স। ফ্যাশন সচেতন, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণীরা স্কার্ট, জেগিংস বা প্যান্টের সাথে শার্ট পরে থাকে। তবে তা অবশ্যই মানানসই হওয়া চাই। প্যান্টের সাথে যে শার্ট মানাবে তা স্কার্টের সাথে নাও মানাতে পারে।

 আবার বৈচিত্র্যপূর্ণ ডেনিম-জিন্স প্যান্টের সাথে পরা উচিত লেডিজ ক্যাজুয়াল সফট ডেনিম শার্ট । মেয়েদের শার্টে ফিটিংটা খুব জরুরি। ফিটিং মানে কিন্তু খুব টাইট না আবার খুব  ঢোলাও না, সৌন্দর্যের জন্য ফিটিং শার্ট ব্যবহার করা উচিত প্রত্যেক ফ্যাশন সচেতন তরুণীর। শার্টের সুন্দর ফিটিংয়ের জন্য টেকেন কাটিং প্রিন্সেস কাটিং দেয়া যেতে পারে। কাফ, কলার ইত্যাদির মাপ হতে হবে জুতসই।

যেখানে পাবেনঃ
রাজধানীসহ দেশের প্রায় সব শপিং মলেই পাবেন বাহারি এসব ডেনিম শার্ট। ফ্যাশন হাউস আমবার লাইফস্টাইল, একস্ট্যাসি, ক্যাটস আই,ইয়েলো , জেন্টল পার্ক ওমেন, ওয়েস্টেকস, স্মার্টেক্স, ওটু, ফ্রিল্যান্ড, আর্টিস্টি, তানজিম স্ট্রিটসসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানে ঘুরে দেখতে পারেন। এছাড়া ব্র্যান্ডগুলোর ফেসবুক পেইজে নিত্যনতুন পোশাকের আপডেট পাবেন। আর যদি নিজের পছন্দসই ইউনিক ডিজাইন এর শার্ট পরে সবাইকে তাক লাগাতে চান তাহলে আপনার যেতে হবে আপনার পছন্দসই দর্জি দোকানে। আর অনলাইন থেকে কিনতে হলে আজকের ডিলই একমাত্র ভরসা। 

 

*হালেরফ্যাশন* *হালফ্যাশন* *লেডিজডেনিমশার্ট* *ডেনিমশার্ট* *মেয়েদেরফ্যাশন*

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

ফ্যাশন হল সময়ের বাহন। সময়ের হাওয়ায় ফ্যাশন বদলাতে থাকে নিত্যনতুন আঙ্গিকে। আধুনিক তারুণ্যের মধ্যে যারা বর্ণিল রঙে যুগপত্ রাঙাতে চান, তাদের কথা মাথায় রেখেই ফ্যাশন ডিজাইনাররা যুগলবন্দি পোশাকের ডিজাইন করছেন। এতে পরিবারের সকলের উপযোগী করে পোশাকের উপস্থাপনায় আনা হয়েছে মেলবন্ধন। সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি কিংবা শাড়ি সবকিছুইতেই থাকছে ফেব্রিক, ডিজাইন বা মোটিফের যুগপত্ উপস্থাপনা। সালোয়ার-কামিজ আর কুর্তার প্যাটার্নে এবার থাকছে লং এবং গাউন স্টাইল, কিছু কাটিংয়ে থাকছে ঘের এবং বডি ফিটিংস। 
 
মূলত বৈশাখী উৎসবকে সামনে রেখে পোশাক ডিজাইনাররা যুগল আর পরিবারের সদস্যদের কথা চিন্তা করে একই রঙের পোশাক বানানো শুরু করেন। সব উত্সবে ফ্যাশন হাউসগুলো যুগলবন্দি পোশাক তৈরি করে। বাকি নেই পহেলা বৈশাখও। টিনএজারদের জন্য তারা ফিউশনধর্মী ভিন্ন কাটিংয়ে একই নকশার পোশাক তৈরি করে। মাঝ বয়সী আর পরিবারের সবার কথা চিন্তা করে রং আর নকশায় পরিবর্তন আনা হয়। 
 
 
উত্সবে মূলত প্রিয়জনের সঙ্গে মিলিয়ে অনেকেই একই রকম পোশাক পরতে চায়। বয়স আর পরিবেশের কথা চিন্তা করে ডিজাইনাররা এসব পোশাক তৈরি করছেন। দেশীয় নকশার সঙ্গে মিল রেখে পাশ্চাত্য কাটিংয়ের মিশ্রণে তরুণদের জন্য তৈরি হচ্ছে ভিন্নধর্মী পোশাক। প্রথম দিকে এসব পোশাকে তরুণদের আগ্রহ বেশি থাকলেও এখন সব বয়সীদের পছন্দের তালিকায় স্থান পেয়েছে যুগল পোশাক l বৈশাখকে ঘিরে তরুণদের চাহিদার মধ্যে রয়েছে পাঞ্জাবি, ফতুয়া, বৈশাখী শার্ট, গামছাসহ কিছু নতুন ও ব্যতিক্রমী প্রসাধন-সামগ্রী। 
 
 
ফতুয়ায় বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ঢোল, একতারার ডিজাইনগুলো এবার কিছুটা ব্যতিক্রম ও নজরকাড়া। আর সেদিকেই ঝুঁকছেন অধিকাংশ ফ্যাশন সচেতন পুরুষ। পাঞ্জাবির চাহিদা বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এ সময়টাতে থাকে একটু বেশি। বাঙালি বলে কথা, তাই পোশাকেও থাকতে হবে বাঙালির ঐতিহ্য। আর তাই হাতে হালকা লাল রঙের কাজ, গলা ও পিঠে সাদামাটা লালের ছটায় বর্ণিল পাঞ্জাবিগুলোর চাহিদা বেশি। মোঘল পোশাকের ক্যাটিং বা সেমি-ফিট পাঞ্জাবি বেশি চলছে এবার।
রঙের সঙ্গে কমলা, হলুদ, নীল ও অন্যান্য রঙও ব্যবহার করা হচ্ছে বৈশাখের পোশাকে। তবে কেন্দ্রীয় রঙ লাল-সাদাই রাখা হয়। প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূল, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, বৈশাখের সব অনুষ্ঠানে দেখা যায় লাল-সাদা শাড়ির বাহার। চুড়ি, টিপ, গহনা, লিপস্টিক এমনকি জুতা, ব্যাগও হয়ে থাকে লাল-সাদা রঙের। বৈশাখের শাড়ি কেনার জন্য বাজেটটা অনেক হতে হবে তা নয়। বরং সুন্দর ঐতিহ্যবাহী নকশায় বোনা শাড়ি কিনতে পাওয়া যাবে ফ্যাশন হাউসগুলোতে। এসব শাড়িতে বুননের পাশাপাশি থাকে খানিকটা বাড়তি যোগ।
বাবা-ছেলে, মা-মেয়েসহ পুরো পরিবারের একই রকম পোশাক। ভাবতেই তো বেশ ভালো লাগে ব্যাপারটা, তাই না l আপনিও এই বৈশাখে কিনে নিতে পারেন পরিবারের সকলের জন্য বৈশাখের যুগলবন্দী পোশাক l দেশীয় ফ্যাশন হাউসগুলোর পাশাপাশি আজকের ডিলের এই বৈশাখের অন্যতম আকর্ষণ হলো কাপল অফার l এই লিঙ্কে ক্লিক করে বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের পোশাকগুলো l
 
 
*পহেলাবৈশাখ* *কাপলঅফার* *যুগলবন্দীপোশাক* *হালেরফ্যাশন* *ফ্যাশন* *বৈশাখীফ্যাশন*

প্যাঁচা : *হালেরফ্যাশন* নাকি হালচাষ কিংবা হালে যতটুকু পানি খেলে ততটুকু ভেজা,হাহাহাহা...যেমন এই যে এখন কত এড এখানে এটা বেশতোর হালেরফ্যাশন...হাহাহাহাহা...(ভয়পাইসি)

শপাহলিক: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বর্তমান প্রজন্মের ফ্যাশন আর স্টাইলে নতুন পুরাতন সব ধরনের ট্রেন্ড লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে পুরানো একটি ফ্যাশন তরুণ প্রজন্মের কাছে নতুন করে অধিকতর জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তা হল রিস্টব্যান্ড ফ্যাশন। হাতের সাজের নতুন স্টাইল হিসেবে প্রতিটি তরুন তরুণীদের হাতেই রিস্টব্যান্ড শোভা পাচ্ছে। স্টাইলে কিছুটা রাফ অ্যান্ড টাফ ভাব ফুটিয়ে তুলতে রিস্টব্যান্ডের জুড়ি নেই। রিস্টব্যান্ডকে সাধারণত ব্রেসলেটেরই এক নতুন সংস্করণ বলা চলে। আজকের আয়োজন রিস্টব্যান্ড নিয়ে। কনটেন্টটির ভেতরে অনেকগুলো রিস্টব্যান্ডের ছবি দেওয়া হল প্রয়োজনে ছবির উপরে ক্লিক করে পন্যটি কিনতে পারবেন।

বর্তমান ফ্যাশনে রিস্টব্যান্ড
 
আগে শুধু ছেলেদের হাতেই রিস্টব্যান্ড দেখা গেলেও এখন মেয়েরাও একে ফ্যাশনের অনুষঙ্গ হিসেবে গ্রহণ করতে শুরু করেছে।’ একই রিস্টব্যান্ড অনেক পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে পরা যায় বলে এর সুবিধাও অনেক। শার্ট, টি-শার্ট, স্যুট, ফতুয়া, টপ, কামিজ—যেকোনো ধরনের পোশাকের সঙ্গেই আপনি পরতে পারেন আপনার পছন্দের রিস্টব্যান্ডটি।  সাপোর্টার রিস্টব্যান্ড কিনতে ক্লিক করুন

অনেকে একই সঙ্গে হাতে অনেকগুলো রিস্টব্যান্ড পরে থাকেন। অফিস কিংবা ক্লাসে যাওয়াই হোক আর পার্টি কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া হোক, আপনি সব সময় হাতে এটি পরে নিতে পারেন। শুধু খেয়াল রাখতে হবে রিস্টব্যান্ড পরতে হবে আপনার ব্যক্তিত্ব, রুচি, বয়স আর পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে।  RISE ABOVE HATE রিস্টব্যান্ড

যেকোনো পোশাকের সঙ্গেই মানিয়ে যায়  রিস্টব্যান্ডের রকমফের
রিস্টব্যান্ড নানা রকমের হয়ে থাকে। ইভেন্টস রিস্টব্যান্ড, আলট্রা ভায়োলেট রিস্টব্যান্ড, সিলিকন রিস্টব্যান্ড ইত্যাদি। আমাদের দেশে সিলিকন রিস্টব্যান্ডের ব্যবহারই বেশি চোখে পড়ে। স্পোর্টস রিস্টব্যান্ডগুলো সাধারণত টেরি ক্লথের তৈরি। খেলাধুলার সময় কপালে বেয়ে পড়া ঘাম মুছতেই হাতে এ ধরনের রিস্টব্যান্ড পরা হয়ে থাকে। FC BARCELONA রিস্টব্যান্ড কিনুন

কোথায় পাবেন ও দরদাম?
রিস্টব্যান্ডের দরদাম নির্ভর করে অনেকটা তার উপাদানের ওপর। ঢাকার বসুন্ধরা সিটি শপিং মল, গাউসিয়া, চাঁদনী চক, নিউমার্কেট, জেনেটিক প্লাজাসহ বেশকিছু দোকান ঘুরে দেখা যায়, সেখানে ২০ টাকা থেকে শুরু করে প্রায় দুই হাজার টাকার মধ্যে রিস্টব্যান্ড পাওয়া যায়। এখানে সাদা, লাল, গোলাপি, কালো, হলুদ, সবুজসহ প্রায় সব রঙের রিস্টব্যান্ড পাওয়া যায়। এছাড়াও ঘরে বসে অনলাইনে রিস্টব্যান্ড কিনতে চাইলে  বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন শপিং মল আজকের ডিল থেকে ঘুরে আসতে পারেন।  প্লেয়ার সাপোর্টেড রিস্টব্যান্ড কিনুন

সবধরনের রিস্টব্যান্ড ও ব্রেসলেট কিনতে চাইলে
এখানে ক্লিক করুন
*রিস্টব্যান্ড* *ফ্যাশন* *হালেরফ্যাশন* *শপিং* *কেনাকাটা* *স্মার্টশপিং*

উদয়: একটি বেশব্লগ লিখেছে

জিন্সের প্যান্ট এখন এতই প্রচলিত যে, কাউকে কটনের প্যান্ট পরতে দেখলেই আমাদের আশ্চর্য লাগে 
grin emoticon
 । আগে একহারা নীল রঙের জিন্সের প্রচলন থাকলেও যুগে যুগে কাটা, ফাটা, ফেইড শেড আর বিভিন্ন রঙের জিন্সের ফ্যাশন আমরা দেখেছি। কিন্তু এই জিন্সের জন্মস্থল কোথায়? আর নামটাই বা কীভাবে এলো?

অনেকেই ভাবেন, জিন্সের জন্ম আমেরিকায়। কিন্তু কথাটা ভুল। 
... 
অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকে আমেরিকায় জিন্সের তুমুল ব্যবহার শুরু হয়। তখন থেকে দেশটি জিন্সের প্রসার ঘটিয়েছে, একে জনপ্রিয় করেছে সত্যি, কিন্তু জিন্স ফেব্রিকটা প্রথম বোনা হয়েছিলো ফ্রান্সের নিম (Nîmes) শহরে। আর ডেনিম নামটাও এসেছে "de Nîmes" থেকে, যার অর্থ "নিম-এর জিনিস"! 
আর এই জিন্স (Jeans) নামটা এসেছে ইতালির জেনোয়া শহরের ফরাসী উচ্চারণ "Gênes" থেকে। এতো শহর থাকতে কেন এই শহরের নামেই ফেব্রিকটির নামকরণ হল? কারণ এই শহরেই বিশ্বের প্রথম ডেনিম ট্রাউজারটি তৈরি হয়েছিলো!

সেই থেকে ডেনিম/জিন্স মিলেমিশে একাকার।

*হালেরফ্যাশন* *জিন্স* *প্যান্ট* *কৌতুহল* *জ্ঞান* *আজব*

গাজী আজিজ: একটি বেশব্লগ লিখেছে

আমাদের দেশের কিছু ছেলেরা অদ্ভুত কিছু আচরন / সাজ সজ্জা করে । এদের বয়স ১৫ – ২৫ বছর । কেন যে এই অদ্ভুত আচরন / সাজ সজ্জা তারা করে চেষ্টা করেও তার ঊত্তর জানতে বা বুঝতে পারিনি ।

প্রায়শই তাদের দেখা যায় গার্লস স্কুল / কোচিং সেন্টারের আশে পাশে আড্ডা দেয় , অর্ধ পোষাক পরা অবস্হায় । অনেকে কান ছিদ্র করে তাতে দুল ঝুলিয়েছে । চুলের সামনের দিকটা হাঁসের লেজের মত । আবার কারো কানের পাশটাতে চুল নেই । মাথার মাঝে চুল গুলো ঝাউ গাছের মত ।হাতে অনেক গুলো চুরির মত কি যেন দেখা যায় । অনেকের হাতে এক গোছা লাল সুতা বাধা থাকে । কথা বলার সময় কিছু ভূলভাল ইংরেজী এবং তার সাথে কিছু হিন্দির মিশ্রণ । কোন মেয়ে যখন সামনে দিয়ে হেটে যায় অযথাই অশ্লীল হাহাকার শুরু করে । এক পর্যায়ে কোন কাজ না থাকলে সংঘবদ্ধ হয়ে ধুমপান করে । ইভটিজিং করে নিজেকে গর্বিত মনে করে ।
কেনরে ভাই এসব অদ্ভুত কাজ ? মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য ?

*ইভটিজিং* *হালেরফ্যাশন* *টিনএজ*
ছবি

রাজকুমার: ফটো পোস্ট করেছে

পূজা: একটি বেশব্লগ লিখেছে

প্রথমত কী ধরনের রেস্তোরাঁয় যাচ্ছেন তার ওপর নির্ভর করবে আপনি কী পরবেন। যদি ফাইভস্টার হোটেলের রেস্তোরাঁয় খেতে যান তাহলে ওয়েল-ড্রেসড হয়ে যাওয়াটা বাঞ্ছনীয়। সেক্ষেত্রে গর্জিয়াস শাড়ি বা সালোয়ারকামিজ হতে পারে ফার্স্ট চয়েস। সঙ্গে মানানসই জুতা আর ব্যাগ। ছেলেরা ফর্মাল সুট-টাই পরতে পারেন। পায়ে ক্খেত্ক্ষেত্রেএমনিতে রেস্তোরাঁর জন্য ক্যাজুয়াল পোশাক আদর্শ। জিন্স, ট্রাউজারের সঙ্গে শর্ট কুরতি বা টপ, এমনকি শর্ট ড্রেসে নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারেন। অ্যাকসেসরিজ যত কম থাকে ততই ভালো। মেক-আপেও ন্যাচারাল লুক মেইনটেইন করুন। ছেলেরা ডেনিম, টি-শার্ট এবং পায়ে স্নিকার্স পরতে পারেন। হাতে বড় ডায়ালের ঘড়ি বা স্পোর্টস ওয়াচ ভালো মানাবে।


পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোন সময় রেস্তোরাঁয় যাচ্ছেন, সেটা মাথায় রাখা জরুরি। যদি দিনের বেলা হয় তাহলে হালকা রং ভালো। রাতের জন্য ডার্ক কালার। যদি রিল্যাক্স মুডে থাকেন তাহলে যে পোশাকে আপনি কমফোর্ট ফিল করেন সেই পোশাক বেছে নিন। হালকা সুতির চুড়িদার কুরতি বা কাপরি হতে পারে আপনার প্রথম পছন্দ। সাদা বা প্যাস্টেল শেডের পোশাক এ ক্ষেত্রে একেবারে পারফেক্ট। খোলা চুল বা উঁচু পনিটেল আর চোখে সানগ্লাস আপনার লুককে আরও ডিফাইন করবে।

অনেক সময় রেস্তোরাঁয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকে। তা হতে পারে বিবাহবার্ষিকী বা জন্মদিনের সেলিব্রেশন। অনুষ্ঠানের যদি কোনো ড্রেসকোড থাকে তাহলে তা মেনেন চলুন। নাহলে উপলক্ষ বুঝে পোশাক বেছে নিন।টেবিলে সোজা হয়ে বসবেন। টেবিলের ওপর কোনোভাবেই ঝুঁকবেন না। যতক্ষণ না খাবার সার্ভ করা হচ্ছে। হাত দুটো কোলের ওপর রাখুন। খাওয়ার সময় হাত টেবিলের ওপর রাখতে পারেন। মোবাইল ফোন হোক বা পার্স সেটা নাকি খাবার টেবিলে রাখাটা অভদ্রতা। কেননা এটি শুধু অন্যদেরই নয় বরং ওয়েটারকেও কিছুটা বিভ্রান্ত করবে। তাই পার্স বা মোবাইল না হয় হাত বা পকেটেই থাক।

খাবার আগে কোলে ন্যাপকিন পেতে নিন। শার্টে ন্যাপকিন গুঁজবেন না। যদি কোনো কারণে আপনাকে টেবিল ছেড়ে উঠতে হয় ন্যাপকিন আলতোভাবে ভাঁজ করে প্লেটের ডানদিকে বা বামদিকে রাখুন। প্লেটের তলায় বা চেয়ারে রাখবেন না।

ডিনার টেবিলে যদি কোনও খাবার পরিবেশন করতে চান, তা হলে আগে অন্যদের প্লেটে খাবারটা দিয়ে তবে নিজের প্লেটে নিন। পানীয়র ক্ষেত্রেও একই জিনিস প্রযোজ্য। যদি নিজের পছন্দ মতো কোনও খাবার অর্ডার দেন, তা হলেও অন্যদের জিজ্ঞেস করে নেবেন তাঁরা চেখে দেখতে ইচ্ছুক কি না। এর পর খাওয়া শুরু করবেন।

চামচ দিয়ে স্যুপ খাওয়ার সময় পুরো চামচটাই মুখে ঢুকিয়ে দেবেন না। মুখের সামনে চামচ-ভর্তি স্যুপ এনে চামচের পাশ থেকে স্যুপ খেতে থাকুন। চামচ টি দিয়ে সুপ মুখে দেবার পুরবে বাটির উল্টো দিকে মুছে নিন। নিজের দিকে নয়।
  • খাওয়ার সময় পা নাচাবেন না।
  • সুপের সাথে দেয়া স্ন্যাক টি বা হাতে ধরে বা পাশের ছোটো প্লেট এ রেখে ভেঙ্গে অল্প অল্প করে খান।
  • অযথা তাড়া হুড়া করে স্যুপ মুখে দেবেন না। এতে আপনার জিব পুরে যেতে পারে। ফু দিয়ে কিছু ঠান্ডা করার চেস্টা করবেন না।
(ইন্টারনেট)
*বাইরেখাওয়া* *আউটলুক* *হালেরফ্যাশন* *রেস্টুরেন্ট* *টেবিলম্যানার*

প্রশ্ন-লাইফস্টাইল: একটি বেশব্লগ লিখেছে

তসর নিয়ে এখন ফ্যাশনে চলছে নানা ধরনের এক্সপেরিমেন্ট। আপনার শীতের ফ্যাশন সাজিয়ে তুলতে দেওয়া হল দারুণ কয়েকটি অপশনস।


তসর শাড়ির বৈশিষ্ট্য আসলে এর আঁচলে। আঁচলের কনট্রাস্ট হলুদ, সবুজ এবং লাল রঙের সঙ্গে মানানসই সবুজ ব্লাউজ। ছিমছাম লুকের জন্যে কোনও গয়না না পড়লেও চলে। হাতে শুধু পড়ুন ওভার সাইজের রুপোর আংটি। মেরুনরঙা তসরের শাড়িতে উইভ করা সরু সিলভার পাড় চাইলে বসাতে পারেন। আঁচলে হরাইজন্টাল স্টাইপ বেশ ভালো মানাবে। 


কনট্রাস্ট রাস্ট কালারের ব্লাউজ আর ক্লাচে অভিনব স্টাইল স্টেটমেন্ট। সঙ্গে মানানসই রুপোর গয়না। তসরের শাড়িটির পাড়ে অসমের বুনট পাড়, আঁচলের সঙ্গে সঙ্গে সারা গায়ে সুতোর কাজ করা থাকলে সেটা বেশ ইউনিক লুক আনবে নি:সন্দেহে । সঙ্গে মানানসই রুপোর গয়না। এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে  লাল তসরের শাড়ির পাড়ের উপরে গোল্ডেন টেম্পল কাজ করা। সারা গায়ে রয়েছে এই একই টেম্পলের কাজ। উইভড আঁচল শাড়িগুলোকে আরও আকর্ষক করেছে। সঙ্গে মানানসই বটুয়া এবং হালকা গয়না থাকলে তো কোনো কোথায় নেই l 
*শাড়ি* *হালেরফ্যাশন* *শীতেরফ্যাশন*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★