হাড়ক্ষয়

হাড়ক্ষয় নিয়ে কি ভাবছো?
ছবি

বিডি আইডল: ফটো পোস্ট করেছে

হাড় ক্ষয়ের সমস্যায় ফলো করতে পারেন টিপসগুলো

*হাড়ক্ষয়*
ছবি

★ছায়াবতী★: ফটো পোস্ট করেছে

হাড়ের ক্ষয়রোগ

*হাড়ক্ষয়* *হেলথটিপস*

হাফিজ উল্লাহ: একটি টিপস পোস্ট করেছে

জানুন কোনগুলো হাড় ক্ষয়কারী খাদ্য উপাদান
http://www.sasthabangla.com/know-yourself/tips/health-tips/467-bonesosteoporosis-
দেহের কাঠামো গঠিত হয় অস্থি বা কংকাল দিয়ে যা বহন করে সমগ্র মানবশরীরকে। হাড়ের রোগগুলোর মাঝে অস্টিওপোরোসিস বর্তমানে সব থেকে বেশি দেখা যায় যার কারনে ক্ষয়ে যেতে থাকে হাড়ের দৃঢ় গঠন। কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো হাড় ক্ষয়ে সহায়তা করে আবার কিছু খাবার সাহায্য করে গঠনে। আমাদের আজকের আলোচনায় শুধুমাত্র খাদ্যের ভূমিকা নিয়ে কথা বলবো। হাড়ের দৃঢ় গঠনে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, ফসফরাস অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এগুলোর পরিমাণে হেরফের হলে ফলাফল হিসেবে আসে ভঙ্গুর অস্থি। প্রথমে বলতে হয় অতিরিক্ত লবণ গ্রহনের কথা। রান্না খাবার ছাড়া আর কোন ভাবে অতিরিক্ত লবণ খাওয়া চলবে না। চিপস, বিভিন্ন ফাস্ট ফুড, কাচা খাবারে বা সালাদে মেশানো লবণ খুব খারাপ। এগুলো বন্ধ করুন। লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড দেহ থেকে ক্যালসিয়াম বের করে দিয়ে হাড়কে করে ফেলে দুর্বল। ...বিস্তারিত
*জানুন* *হাড়ক্ষয়*
৩২৮ বার দেখা হয়েছে

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 মেনোপজের পর ঘাড়ে ব্যথা, ক্লান্তি কি অস্টিওআর্থ্রাইটিস ইঙ্গিত করে ? সেক্ষেত্রে কি করা উচিত ?

উত্তর দাও (০ টি উত্তর আছে )

*পিঠেব্যথা* *মেনোপজ* *হাড়ক্ষয়* *কাধেব্যথা* *স্বাস্থ্যতথ্য*

মো:আ:মোতালিব টিপস শেয়ার করেছে

যে ৪ ধরণের খাবার ক্ষয় করে দিচ্ছে আপনার দেহের হাড় |
http://news.zoombangla.com/%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A7%AA-%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A6%A3%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%9F-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A6
আমাদের দেহের কাঠামো তৈরি হয় হাড়ের মাধ্যমে। আমাদের কঙ্কাল আমাদের দেহকে সঠিক আকারে এবং সঠিকভাবে চলাচলে সহায়তা করে থাকে। একবার ভাবুন তো আপনার দেহে যদি হাড় না থাকতো তবে আপনি কি করতেন? ভাবতে পেরেছেন? না। এটি ভাবা সম্ভব নয়। কিন্তু তাহলে হাড়ের যত্নে কেন আমরা কেউ কিছু করি না? বরং এমন কিছু কাজ করি যা আমাদের হাড়ের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। ...বিস্তারিত
*হাড়ক্ষয়*
১৬৯ বার দেখা হয়েছে

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

অস্টিওপোরেসিস যার অন্য নাম হাড়ক্ষয় রোগ। কোনো ধরনের উপসর্গ ছাড়াই মানুষ অস্টিওপোরেসিস বা হাড়ক্ষয় রোগটিতে আক্রান্ত হয়। আর একবার আক্রান্ত হওয়ার পর কোনো চিকিৎসাতেই এ রোগ থেকে সেরা ওঠা সম্ভব হয় না। সাধারণত নারীরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হন। ৫০ বছরের বেশি বয়সী নারীদের জন্য এটি প্রায় কমন রোগে পরিণত হয়েছে। তবে বর্তমান সময়ে পুরুষরাও এ রোগের ঝুঁকিতে রয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে চার কোটি ৮০ লাখ বা মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ অস্টিওপোরেসিস রোগে আক্রান্ত। এর মধ্যে এক কোটি ৯২ লাখ প্রিয়ড বন্ধ হওয়া নারী। যা মোট আক্রান্ত রোগীর ৪০ শতাংশ।

অস্টিওপোরেসিস রোগের কারণে হিপ ফ্রাকচার হয়। বর্তমান বিশ্বে প্রায় ১৭ লাখ মানুষ হিপ ফ্রাকচারে রোগে আক্রান্ত। এ রোগে ৯০ শতাংশই আক্রান্ত হন ৫০ বছরের পরে। নারী ও পুরুষের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার অনুপাত ৪:৫।
ধারণা করা হচ্ছে, ২০৫০ সালের মধ্যে এ রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে বর্তমানের তুলনায় নারীদের ক্ষেত্রে ২৪০ শতাংশ এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩১০ শতাংশ বেশি।

অস্টিওপোরেসিস কি?
২০৬টি হাড় নিয়ে মানুষের শরীর গঠিত। ২১ থেকে ৩৯ বছর বয়সের মধ্যে মানুষের পূর্ণ হাড় তৈরি হয়। এটিকে পিক বোন মাস বলে। পরিণত বয়সে মানবদেহে হাড় ক্ষয়কারী কোষ উজ্জীবিত হয়। উজ্জীবিত হাড় ক্ষয়কারী কোষ নির্দিষ্ট পরিমাণে পুরোনো হাড় খেয়ে ফেলে। এ সময় নতুন হাড় উৎপাদনকারী কোষ উজ্জীবিত হয় এবং সমপরিমাণ (যে পরিমাণ হাড়ক্ষয় হয়েছে) নতুন হাড় তৈরি করে। নতুন হাড় তৈরি হওয়ার পর হাড় উৎপাদকারী কোষ ওই স্থানে নীরবে অবস্থান করে। তবে কোনো কারণে যদি হাড়ক্ষয় নতুন হাড় তৈরি অপেক্ষা বেশি হয় তবে তা অস্টিওপোরেসিস রোগের জন্ম দেয়।

অস্টিওপোরেসিস বা হাড়ক্ষয় কেন হয়?
২১ থেকে ৩৯ বছর বয়সের মধ্যে পূর্ণ হাড় তৈরি হয়। এ সময়ে প্রত্যেক রি-মডেলিং সাইকেল যে পরিমাণ হাঁড় পুনরায় তৈরি হওয়ার কথা ততোটুকু না হলে হাঁড়ক্ষয় বা অস্টিওপোরেসিস অবশ্যম্ভাবী। সাধারণত ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের অভাবে অস্টিওপোরেসিস হয়। নিয়মিত ব্যায়াম না করা, হাঁটাহাঁটি না করা, ধূমপান করার কারণে অস্টিওপোরেসিস হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

অস্টিওপোরেসিস বা হাড়ক্ষয় প্রতিরোধের উপায়
এ রোগ প্রতিকার করা সম্ভব না হলেও কিছু নিয়ম মেনে চললে প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ জন্য প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে হাঁটতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে কমপক্ষে ১০ মিনিট রোদ পোহাতে হবে, প্রতিদিন শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে, ধূমপান করা যাবে না এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। বিশেষ করে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার খেতে হবে। অস্টিওপোরেসিস রোগের জটিলতা অস্টিওপোরেসিস ব্রেনস্টোক, হৃদরোগ ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের চেয়েও বেশি কষ্টদায়ক। এ রোগে আক্রান্ত হলে অল্প আঘাতে শরীরের হাড় ভেঙ্গে যায়। অনেক সময় কোমড়ের হাড় ভেঙ্গে বা বেঁকে যাওয়ার ফলে শরীরের নিচের অংশ অবশ হয়ে যায়। অস্টিওপোরেসিসে আক্রান্ত হলে ফুসফুসে সংক্রামণ রোগ বেশি হয়। অসুখের নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যায় এবং উন্নতি সাধন বাধাগ্রস্থ হয়। জীবনযাত্রার মান কমে যায়। সব মিলিয়ে মৃত্যুর হার অনেক বেড়ে যায়।

বাংলাদেশে অস্টিওপোরেসিস রোগ
বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ বা চার কোটি ৮০ লাখ অস্টিওপোরেসিস রোগে আক্রান্ত। তাদের ৪০ শতাংশ বা এক কোটি ৯২ লাখ প্রিয়ড বন্ধ হওয়া নারী। ১০০ জনের ওপর পরিচালিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৯৭ শতাংশ মানুষের ভিটামিন ডি’র অভাব রয়েছে।
সূত্রঃ ইন্টারনেট
*হাড়ক্ষয়* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


কম্পিউটার প্রযুক্তি আমাদেরকে উজ্বল ভবিষ্যতের পথে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে একথা যেমন সত্য, ঠিক তেমনি একথাও সত্য যে, প্রতিদিন কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে মারাত্মক শারীরিক ক্ষতির সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। কম্পিউটার ও ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে মেরুদণ্ড, ঘাড় ও কাঁধসহ অন্যান্য অস্থির প্রদাহ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।


ব্রিটিশ গবেষকরা এ ব্যাপারে ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের সাবধান করে দিয়েছেন। বহনযোগ্য আর সুবিধাজনক বলে ব্যবসায়ী, ছাত্র ও চাকরিজীবীরা ল্যাপটপ বেশি ব্যবহার করেন। বিশ্বে গত বছর নেটবুট ও ল্যাপটপ বিক্রির মাত্রা ব্যাপকভাবে বেড়েছে। নেটবুক ল্যাপটপের মতোই ছোট আকারের কম্পিউটার, তবে এতে মাল্টিমিডিয়াসহ অন্যান্য সুবিধা কম থাকে।

গবেষকরা বলেছেন, গত বছর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেটবুকের বিক্রির পরিমাণ ১৮০ ভাগ বাড়ে। বিক্রি বৃদ্ধির ফলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। কারণ ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে ব্যবহারকারীরা পিঠ ও নানা ধরনের পেশির ব্যথায় ভুগতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে ১২ বছরের মেয়েদের স্নায়ুর ক্ষতি হতে পারে। পায়ের ওপর রেখে বেশিক্ষণ ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে শরীরে চাপ পড়ে বেশি। কারণ ব্যবহারকারীরা একদৃষ্টিতে মাথা নিচু করে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকে; ফলে ঘাড়, মেরুদণ্ড ও পায়ে চাপ পড়ে। লন্ডনের অস্থি বিশেষজ্ঞ মাইকেল ড্রার্নটল বলেন, প্রায় ডজনখানেক এক্সরে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, নিয়মিত ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের দুই হাড়ের সংযোগস্থলে ক্ষয় হয়।

তিনি আরও বলেন, মায়েরা তাদের ১২ বছরের মেয়েদের আমার কাছে নিয়ে এসেছে, যারা সাংঘাতিক পিঠের ব্যথায় ভুগছে। আর তারা সবাই ল্যাপটপ ব্যবহারকারী। (সূত্রঃ নিজ ও ইন্টারনেট)
*হাড়ক্ষয়* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস* *ল্যাপটপ* *তথ্যপ্রযুক্তি*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

বিভিন্ন কারণে প্রায় প্রতিদিনই  শতশত মানুষ হাড়ক্ষয় রোগে আক্রন্ত হচ্ছে। মানব শরীরে মোট ২০৬টি হাড় আছে। প্রাকৃতিক নিয়মে ৩০ বছরের পর থেকে মানব শরীরে হাড়ের ঘনত্ব ও পরিমাণ কমতে থাকে, হাড় দুর্বল এবং ভঙ্গুর হতে থাকে। ফলে হাড় অতি সহজেই ভেঙে যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে অস্টিওপোরেসিস বলে।
আমাদের অনেকেরই হাড়ক্ষয় রোগ হয় কিন্তু হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয় কি তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক  হাড়ক্ষয় রোগ প্রতিরোধ করতে কি করতে হবে সে সম্পর্কিত কিছু কথা।

হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয়ঃ

নিয়মিত ব্যায়াম ও পরিশ্রমঃ

নিয়মিত হাঁটা, জগিং, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করা এবং ওজন বহন করা। কিশোর বয়সে কায়িক পরিশ্রম করলে হাড়ের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং হাড় মোটা হয়। ফলে বৃদ্ধ বয়সে হাড় ক্ষয় কম হয়।

ক্যালসিয়াম গ্রহণ:
ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্তিশালী করে। গবেষণায় দেখা গেছে, অস্টিওপোরেসিস প্রতিরোধ করার জন্য সুষম খাদ্য এবং কিশোর বয়সে ১৩০০ মিলিগ্রাম, ৫০ বছর পর্যন্ত ১০০০ মিলিগ্রাম এবং ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম দৈনিক সেবন করা উচিত। কিন্তু মেনোপোজ হওয়া মহিলাদের অস্টিওপোরেসিসের ঝুঁকি বেশি বলে তাদের প্রতিদিন ১৫০০ মিলিগ্রাম করে ক্যালসিয়াম খাওয়া দরকার। আর ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবারের ভূমিকা অনেক বেশি। এ জন্য ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, পনির, ছোট গুঁড়া মাছ, শিম খেতে হবে বেশি করে। এছাড়াও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটের মাধ্যমে এ চাহিদা পূরণ করা যায়। এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শমতো ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট সেবন করতে হবে। তবে বেশি ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খাওয়া ঠিক হবে না। এতে করে কিডনিতে পাথর হতে পারে। ট্যাবলেট খাওয়ার পর বেশি করে পানি পান করতে হবে।

দরকার ভিটামিন ডি :
অন্ত্র থেকে ক্যালসিয়াম পরিশোষণের জন্য ভিটামিন ডি দরকার। ২০ মিনিট সূর্যের আলোতে থাকলে আমাদের প্রতিদিনের ভিটামিন ডি-এর চাহিদা পূরণ হয়। ৫১-৭০ বছরের কারও জন্য প্রতিদিন ৪০০-৮০০ আইইউ ভিটামিন ডি দরকার হয়। ভিটামিন ডি-এর চাহিদা পূরণে ডিম, কলিজা, ছোট মাছ ও শাকসবজি বেশি করে খেতে হবে।

ওষুধ থেকে সাবধান :

অনেকেই সামান্য অসুখেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ সেবন করে থাকেন। এসব ওষুধ সেবনে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্টেরয়েড, খিঁচুনি প্রতিরোধে এন্টিকনভালসেন্ট, রক্তের অসুখে এন্টিকোয়াগুলেন্ট ও থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শমতো ব্যবহারে না করলে হাড় ক্ষয় হয়ে যেতে পারে। দেখা দিতে পারে অস্টিওপোরেসিস।

নেশা করা বাদ দিন:
ধূমপান, মদপান ও কফি জাতীয় পানীয় হাড়ের ক্ষয় করে হাড়কে ভঙ্গুর করে। দেখা দেয় অস্টিওপোরেসিস। তাই এককালীন নেশা করা বাদ দিন দেখবেন আপনার হাড়ক্ষয় রোধ হবে।

*হাড়ক্ষয়* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে


হাড়ক্ষয় একটি মারাত্নক রোগ। প্রাথমিক অবস্থায় এ রোগে আক্রন্ত হলে আপনি বুঝতেই পারবেন না যে আপনার হাড়ক্ষয় হচেছ। বুঝতে না পারার কারনে অনেকেই জটিল সমস্যার সম্মুখীন হয়। আর যখন বুঝতে পারবেন তখন আর কিছু করার থাকে না বললেই চলে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে আপনাকে হাড়ক্ষয় রোগ কেন হয়? এই রোগের কারণ গুলো কি? এ প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতে হবে। তাহলে আসুন আমরা হাড়ক্ষয় রোগ কেন হয় এবং কারা হাড়ক্ষয় রোগে বেশি আক্রন্ত হন এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর খুঁজি।

হাড়ক্ষয় রোগের কারণঃ
১. ক্যালসিয়াম হাড়কে শক্ত ও মজবুত করে তাই ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার কম খাওয়ার ফলে হড়ক্ষয় হয়।
২. শারীরিক পরিশ্রম কম করা।
৩. এন্ডোক্রাইন (গ্রন্থি) সমস্যা থাকা : পিটুইটারি, থাইরয়েড, এডরেনাল ও গোনাড।
৪. টেরয়েড ও এন্টিকনভ্যালসেন্ট ড্রাগ সেবনকরা।
৫. অলস ভাবে বসে থাকা।
৬. দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে থেকে কাজ করা বা ল্যাপটপ ব্যবহার করা।
৭. ধূমপান করা।
৮. নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়া।

হাড়ক্ষয় রোগে যারা বেশী আক্রন্ত হয়ঃ
১. শতকরা ৪০ ভাগ ক্ষেত্রে হাড়ের পরিমাণ বা ঘনত্ব বংশানুক্রমিকভাবে নির্ধারিত হয়।
২. শতকরা ২০ ভাগ ক্ষেত্রে হাড়ের পরিমাণ বা ঘনত্ব নির্ধারিত হয় জীবন ব্যবস্থার মাধ্যমে।
৩. পুরুষের তুলনায় মহিলারাদের অস্টিওপোরেসিস বেশি হয় বিশেষ করে যারা শারীরিক গঠনে পাতলা,খাটো এবং বয়স্করা।
৪. ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক ব্যক্তিরা।
৫. ঋতুস্রাব বন্ধ হয়েছে বা মেনোপজ মহিলাদের।
৬. ধূমপায়ী ও মদ্যপায়ীরা।
৭. হেপারিন থেরাপি গ্রহণকারীরা।
৮. রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস রোগীরা।
৯. যক্ষ্মা রোগীরা।
১০. লিভারের (যকৃত) সমস্যা আছে এমন রোগীরা।

*হাড়ক্ষয়* *স্বাস্থ্যতথ্য* *হেলথটিপস*

★ছায়াবতী★: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হাড়ের সংযোগ স্থান সঞ্চালনের সময় হঠাৎ মচকে গেলে বা বেঁকে গেলে সংযোগ স্থান সংলগ্ন স্নায়ুতন্ত্রের ওপর টান পড়ে বা ছিঁড়ে গিয়ে যে অসুবিধার সৃষ্টি হয় তাকে মচকানো বলে। 
লক্ষণ :
১। আহত স্থানে ব্যথা অনুভূত হবে।
২। সন্ধিস্থল ফুলে যাবে।
৩। আহত স্থান বিবর্ণ হয়ে নীল বা লাল আকার ধারণ করবে।
৪। স্বাভাবিক ভাবে নড়াচড়া করা যাবে নাএবং চলার সময় আহত স্থানে ব্যথা বৃদ্ধিপাবে।
প্রাথমিক চিকিৎসা :
১। আঘাতের সাথে সাথে আহত স্থানে ঠাণ্ডা পানি বা বরফ লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
২। আহত স্থানটি নড়াচড়া করতে দেয়া যাবে না।
৩। মচকানো স্থানটি যথাসম্ভব আরামদায়ক অবস্থায় রাখতে হবে।
৪। আহত স্থানে হাড়ভাঙার ব্যাণ্ডেজ প্রয়োগ করতে হবে।
৫। ব্যাণ্ডেজ সব সময় ভিজা রাখবে। সম্ভব হলে বরফ লাগাবে।
৬। মাংসপেশি মচকে গেলে রোগীকে সহজ ও আরামদায়ক অবস্থায় শোয়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
৭। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রোগীকে ডাক্তার বা হাসপাতালে পাঠাবার ব্যবস্থা করতে হবে।
*টিপস* *প্রাথমিকচিকিৎসা* *হাড়ক্ষয়*

★ছায়াবতী★ বেশব্লগটি শেয়ার করেছে

আমাদের দেশে অনেক রোগী আছেন যারা আসলে জানেন না যে, কোনটি কোমর ব্যথা আর কোনটি কিডনির ব্যথা। বেশিরভাগ কোমর ব্যথার রোগী মনে করেন তাদের কিডনিতে সমস্যা হয়েছে। তবে কিছু তথ্য বা উপসর্গ জানা থাকলে নিজেই বোঝা যাবে ব্যথাটা কিসের_
কিডনি রোগীদের উপসর্গ : কিডনির ব্যথা সাধারণত মেরুদণ্ড থেকে একটু দূরে ডান বা বাম পাশে হয়। যা পেছনের পাজরের নিচের অংশ অনূভত হয়। এবং এই ব্যথা নড়াচড়া করে, কোমরের দুই পাশেও যেতে পারে এবং পেছনের নরম জায়গায় গ্রোয়িনে অনুভূত হতে পারে। রোগী প্রায়ই নিজেকে অসুস্থ এবং দুর্বল বলে মনে করবে, মাঝে মধ্যে বমি বমি ভাব হবে। শরীরে জ্বর জ্বর অনুভব হবে এবং তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যাবে। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত আসতে পারে, স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি প্রস্রাব।
 
কিভাবে বুঝবেন এটি কোমর ব্যথা : কোমর ব্যথা সাধারণত মাংসপেশি, হাড়, ডিস্ক, জয়েন্ট, নার্ভ বা রগ সম্পর্কিত । এটি নির্দিষ্ট এরিয়াতে থাকে। মেরুদণ্ডের নড়াচড়া যেমন উঠাবসা, সামনে ঝোঁকা, হাঁটা বা দাঁড়ানো একাধারে কাজ বা শুয়ে থাকার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এবং নড়াচড়ার সঙ্গে কমবে-বাড়বে। এ ব্যথায় জ্বর হয় না। কোনো রোগের কারণে কোমর ব্যথা হলে জ্বর আসতে পারে (যেমন টিউমার) এবং রোগী দুর্বল মনে করে না।  
সুত্র: ডা. মো. শাহাদত হোসেন, কনসালটেন্ট, পপুলার মেডিকেল কলেজ হসপিটাল।
*হাড়ক্ষয়*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 হাতে-পায়ের জয়েন্টে মাঝেমধ্যেই ব্যথা হচ্ছে। হাড় ভাল রাখতে কী কী খাব?

উত্তর দাও (২ টি উত্তর আছে )

*স্বাস্থ্যতথ্য* *সুস্থ্যথাকা* *হেলথটিপস* *হাড়ক্ষয়*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★