হুমায়ুন

হুমায়ুন নিয়ে কি ভাবছো?

মোঃআশিকুর রহমান: যদি মন কাদে,তুমি চলে এস ঘন বরষায়(বৃষ্টি)(বৃষ্টি)(বৃষ্টি)

*হুমায়ুন*

মোঃআশিকুর রহমান: হুমায়ুন আহমেদের মৃতু্্যবার্ষিকী উপলক্ষে হুমায়ুনপ্রেমীদের জন্য 'যমুনার জল দেখতে কাল' ভিডিওটি https://m.youtube.com/watch?v=jpOzvpuMSBU

*হুমায়ুন*
ছবি

পূজা: ফটো পোস্ট করেছে

কথা অমৃত

এমন এমন কথা লিখতেন উনি যা হৃদয় উজার করে দেবার জন্য একদম যথেষ্ট (জোস)

*সেরামবচন* *বাণীচিরন্তনী* *হুমায়ুনআহমেদ* *হুমায়ুন*

মোজাহিদুল ইসলাম মিফতাহ: চরম সত্য কথা ! মধ্যবিত্ত হওয়ার চেয়ে ফকির হওয়া ভালো! ফকিরদের অভিনয় করতে হয় না । কিন্তু মধ্যবিত্তদের প্রতিনিয়ত সুখ আর সচ্ছলতার অভিনয় করে যেতে হয়, তথাকথিত সামাজিক সম্মান রক্ষার্থে । — হুমায়ূন আহমেদ

*হুমায়ুন* *সেরামবচন*

মেঘ: জোছনা ও জননীর গল্প উপন্যাস টি আমি যতবারই পড়ি ততবারই ভাল লাগে। এবং শেষ না করে ওঠা পর্যন্ত অন্য কোন বই পড়তে ইচ্ছা করেনা আমি উপন্যাসটি পড়েছি স্ক্রীনে। পিডিএফ ভার্সনে। আমি ঠিক করেছি এটি সবসময় স্ক্রীনেই পড়ব। হার্ডকপিতে পড়বোনা কিছু অনুভূতি বেঁচে থাকুক। সবসময়ের জন্য। একান্ত সেই অনুভূতি কোন কিছুর সাথেই তুলনা করে মেলানো যাবেনা।

*হুমায়ুনআহমেদ* *বই* *আমি* *হুমায়ুন* *উপন্যাস*

আমানুল্লাহ সরকার: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নুহাশ পল্লী হচ্ছে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের বাগানবাড়ি ও শুটিং স্পট যা বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের অন্যতম পিকনিক স্পট  হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। প্রায় ৯০ বিঘা জায়গা নিয়ে নুহাশ পল্লী নন্দন কাননে আছে একটি ছোট আকারের চিড়িয়াখানা, শান বাঁধানো ঘাটসহ একটি বিশাল পুকুর, দৃষ্টিনন্দন কটেজ, ট্রি হাউস বা গাছবাড়িসহ আরো অনেক আয়োজন। চলুন তাহলে নুহাশ পল্লী থেকে ঘুরে আসি।

নুহাশ পল্লীর ইতিহাস ও অবস্থানঃ

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুর চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে হোতাপাড়া বাজার। সেখান থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে পিরুজালী গ্রাম। ওই গ্রামেই ১৫ বছর আগে ৪০ বিঘা জায়গা নিয়ে নুহাশ পল্লী তৈরি করেন হুমায়ুন আহমেদ। অন্য ভাবে বললে রাজধানীর অদূরে গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে এক দুর্গম এলাকায় প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ নুহাশ পল্লী গড়ে তুলেছেন। সেখানকার নানা স্থাপনা আর অসংখ্য ফলজ, বনজ গাছের পাশাপাশি তিনি বানিয়েছেন ঔষধি গাছের বাগান। সব মিলিয়ে মনের মতো করেই ছেলের নামে রাখা নুহাশ পল্লীকে এক স্বপ্নজগত করে তুলেছেন হুমায়ূন আহমেদ। তাই আড়াইশ প্রজাতির সবুজ গাছের সেই নন্দন কাননে বারবারই ছুটে গেছেন তিনি। নুহাশ পল্লীতেই হুমায়ূন আহমেদ গড়ে তুলেছেন স্যুটিং স্পট, দিঘি আর তিনটি সুদৃশ্য বাংলো। একটিতে থাকতেন আর বাকি দুটি ছিল তার শৈল্পিক চিন্তাধারার আরেক রূপ। শানবাঁধানো ঘাটের দিঘির দিকে মুখ করে বানানো বাংলোর নাম দিয়েছেন ‘ভূত বিলাস’। দুর্লভসব ঔষধি গাছ নিয়ে যে বাগান তৈরি করা হয়েছে তার পেছনেই রূপকথার মৎস্যকন্যা আর রাক্ষস। আরো রয়েছে পদ্মপুকুর, অর্গানিক ফর্মে ডিজাইন করা অ্যাবড়োথেবড়ো সুইমিং পুল। (উইকিপিডিয়া)

নুহাশ পল্লীর ভেতরের বিশেষ আকর্ষণ হলো এর ঔষধি গাছের বাগান। এত সমৃদ্ধ ঔষধি বাগান এদেশে বিরল। সবমিলিয়ে নুহাশপলস্নী একটি ছবির মতো সাজানো-গোছানো এক প্রান্তর, যেখানে গেলে ভালো লাগবে সবার। ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই তিনমাস বনভোজনের অনুমতি মেলে নুহাশপলস্নীতে। নুহাশ পল্লীতে বনভোজন কিংবা পিকনিকে যেতে চাইলে যোগাযোগ করুন ০১৭১২০৬০৯৭১ মোবাইল নম্বরে।
*বনভোজন* *পিকনিক* *শুটিং* *ভ্রমন* *হুমায়ুন*

Risingbd.com: হুমায়ূন আহমেদের ভাস্কর্যপ্রীতি || শাকুর মজিদ নুহাশপল্লীর শেষ সীমানাজুড়ে বেশ বড় একটা দিঘি। এই দিঘিটি আমার কাছে খুবই পরিচিত মনে হলো। হুমায়ূন আহমেদের এমন - See more at: http://www.risingbd.com/detailsnews.php?nssl=76490#sthash.T7g3uqqZ.dpuf

*বিনোদন* *শিল্পকলা* *শিল্পসাহিত্য* *হুমায়ুন*

তাশফীন হাসান: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 এইবারের বই মেলায় কেউ কি হুমায়ুন স্যার এর অভাব অনুভব করছেন ?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

*হুমায়ুন* *হুমায়ুনআহমেদ* *বই*

ফারহানা: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আমাদের দেশে হুমায়ুন আহমেদের বিকল্প কি কেউ আছে ?

উত্তর দাও (৫ টি উত্তর আছে )

*হুমায়ুন* *হুমায়ুনআহমেদ*

মো:আ:মোতালিব: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হুমায়ূন আহমেদ (শুভ জন্মদিন)
হুমায়ূন আহমেদ (১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮ — ১৯ জুলাই, ২০১২) বিংশ শতাব্দীর বাঙালি জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম। তাঁকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখক গণ্য করা হয়। তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার। বলা হয় আধুনিক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত।
অকাল প্রয়াত সাহিত্যের এই যুবরাজের জন্মদিনে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।
*হুমায়ুন*

নাহিন: একটি বেশব্লগ লিখেছে

হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১৩ই নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহুকুমার কেন্দুয়ার কুতুবপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমদ এবং মা আয়েশা ফয়েজ। তাঁর পিতা একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন এবং তিনি ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তৎকালীন পিরোজপুর মহকুমার এসডিপিও SDPO - Sub-Divisional Police Officer হিসেবে কর্তব্যরত অবস্থায় শহীদ হন। তাঁর বাবা পত্র-পত্রিকায় লেখালিখি করতেন। বগুড়া থাকার সময় তিনি একটি গ্রন্থও প্রকাশ করেছিলেন। গ্রন্থের নাম দ্বীপ নেভা যার ঘরে। তাঁর মা'র লেখালিখির অভ্যাস না-থাকলেও একটি আত্ম জীবনী গ্রন্থ রচনা করেছেন যার নাম জীবন যে রকম।

তাঁর অনুজ মুহম্মদ জাফর ইকবাল দেশের একজন বিজ্ঞান শিক্ষক এবং কথাসাহিত্যিক; সর্বকনিষ্ঠ ভ্রাতা আহসান হাবীব রম্য সাহিত্যিক এবং কার্টুনিস্ট। ছোটকালে হুমায়ূন আহমেদের নাম রাখা হয়েছিল ছিল শামসুর রহমান; ডাকনাম কাজল। তাঁর পিতা নিজের নাম ফয়জুর রহমানের সাথে মিল রেখে ছেলের নাম রাখেন শামসুর রহমান। পরবর্তীতে তিনি নিজেই নাম পরিবর্তন করে ‌হুমায়ূন আহমেদ রাখেন। হুমায়ূন আহমেদের ভাষায়, তাঁর পিতা ছেলে-মেয়েদের নাম পরিবর্তন করতে পছন্দ করতেন। ১৯৬২-৬৪ সালে চট্টগ্রামে থাকাকালে হুমায়ুন আহমেদের নাম ছিল বাচ্চু।তাঁর ছোট ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবালের নাম আগে ছিল বাবুল এবং ছোটবোন সুফিয়ার নাম ছিল শেফালি।

 তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, নাট্যকার এবং গীতিকার। বলা হয় আধুনিক বাংলা কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের তিনি পথিকৃৎ। নাটক ও চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবেও তিনি সমাদৃত। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। বাংলা কথাসাহিত্যে তিনি সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক। তাঁর বেশ কিছু গ্রন্থ পৃথিবীর নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে, বেশ কিছু গ্রন্থ স্কুল-কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীর অন্তর্ভুক্ত। সত্তর দশকের শেষভাগে থেকে শুরু করে মৃত্যু অবধি তিনি ছিলেন বাংলা গল্প-উপন্যাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী কারিগর। এই কালপর্বে তাঁর গল্প-উপন্যাসের জনপ্রিয়তা ছিল তুলনারহিত। তাঁর সৃষ্ট হিমু ও মিসির আলি চরিত্রগুলি বাংলাদেশের যুবকশ্রেণীকে গভীরভাবে উদ্বেলিত করেছে। তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্রসমূহ পেয়েছে অসামান্য দর্শকপ্রিয়তা। তবে তাঁর টেলিভিশন নাটকগুলি ছিল সর্বাধিক জনপ্রিয়। সংখ্যায় বেশী না হলেও তাঁর রচিত গানগুলিো সবিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে।
*হুমায়ুনআহমেদ* *হুমায়ুন*

দীপ্তি: একটি বেশব্লগ লিখেছে

নব্বইয়ের যে কোন একদিন। হুমায়ুন আহমেদের হাতিরপুলের ফ্ল্যাট। আর একদিন পরেই বাকের ভাইয়ের ফাসী। মিছিল করছে জনতা। মিছিল থেকে হুমায়ুন আহমেদের বাসায় ইট পাটকেল ছোড়া হল। স্লোগান উঠল "বাকের ভাইর ফাসী হলে জলবে আগুন ঘরে ঘরে" পরিস্থিতি খারাপ দেখে হুমায়ুন আহমেদ বাসা ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিল। যাওয়ার আগে গেল মা আয়েশা ফয়েজের সাথে দেখা করতে

আয়েশা ফয়েজ- ছেলেটাকে ফাসী না দিলে হয়না 
হুমায়ুন আহমেদ- সম্ভব না আম্মা। শ্যুটিং শেষ

বাকের নামক নাটকের চরিত্রের ফাসীতে অভিমানী মা কয়েকদিন ছেলের সাথে কথাই বললেন না

হুমায়ুন আহমেদের মা বলে কথা। পাগল ছেলের পাগলী মা
যুদ্ধে সামী হারিয়ে তিন ছেলে নিয়ে পড়েছিলেন অকূল পাথারে। সাতার জানতেন না কিন্তু শিখে নিলেন। অভাবের ঝাপটা ছেলেদের গায়ে লাগতে দেননি। যুদ্ধের পর তিন ছেলে নিয়ে ঢাকার রাস্তায় নামলেন। সেটা দেখে আহমেদ ছফা স্যার খালি গায়ে ব্যনার নিয়ে প্রতিবাদ করলেন " শহীদের পরিবার রাস্তায় কেন "

ছেলেদেরকে গলায় ছুরি ধরে বলেননি এ প্লাস পাইতেই হবে। ভালো মানুষ করতে চেয়েছেন। নিজেই বলেন সে দিনগুলোর কথা। 
" একদিন আমার মেজ ছেলে এসে বলল শিল্পী প্রকাশনীতে মানিক রচনাবলী এসেছে। দাম তিনশ টাকা। পরিবারে তখন টানাটানি চলছে। কিন্তু মানিক বাবু একজন মহৎ সাহিত্যিক। তার লেখা ছেলেদের পড়া উচিত। আমি মাসের টাকা ভেঙ্গে তিনশ টাকা মেজ ছেলের হাতে দিলাম। সে টাকায় বাড়িতে বই আসল। সে বই পড়ার জন্য ছেলেদের মধ্যে কাড়াকাড়ি। আমি তৃপ্ত দৃষ্টিতে সেটা দেখতে লাগলাম। "

সেদিন বাজারের টাকা দিয়ে বই কিনে দিয়েছিলেন বলেই আজ আমরা একজন হুমায়ুন আহমেদ জাফর ইকবাল আহসান হাবীব কে পেয়েছি

ছেলে মেয়েদের যেমন আইকন থাকে বাবা মায়েদেরও তেমন রোল মডেল থাকা উচিত। সে রোল মডেলের নাম বেগম আয়েশা ফয়েজ। জাতি হিসেবে আমরা এই মায়ের কাছে অনেক কৃতজ্ঞ। সি ইজ দা মাস্টার প্ল্যানার্। আজকে আয়েশা ফয়েজদের মত মা নেই আইকনিক ছেলেই বা পাবো কোথায়...আয়েশা ফয়েজ তাই এক নীরব বিপ্লবের নাম। পর্দার আড়ালের কারিগড়

...তোমরা আমাকে একজন আয়েশা ফয়েজ দাও আমি তোমাদের একটা আইকনিক জাতি দেব 

লেখক: ওয়ারিশ আজাদ নাফি 

*হুমায়ুন*

দীপ্তি: একটি নতুন প্রশ্ন করেছে

 আপনার দেখা হুমায়ুন আহমেদের শ্রেষ্ট ধারাবাহিক নাটক কোনগুলো এবং কেন?

উত্তর দাও (১১ টি উত্তর আছে )

.
*হুমায়ুননাটক* *নাটক* *হুমায়ুন* *হুমায়ুনআহমেদ* *ধারাবাহিকনাটক*

বেশতো সাইট টিতে কোনো কন্টেন্ট-এর জন্য বেশতো কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।

কনটেন্ট -এর পুরো দায় যে ব্যক্তি কন্টেন্ট লিখেছে তার।

...বিস্তারিত

QA

★ ঘুরে আসুন প্রশ্নোত্তরের দুনিয়ায় ★